এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তৃ-প-বু-ভু--৫

    Boo
    অন্যান্য | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ | ২৯৬৭৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Blank | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১২:৩০431834
  • হলো না, তাই থ্যাংকু মিলবে না। বাসী লুচির সাথে খাদ্য খাদক সম্পক্কো, উহা শান্তিপুর্ন নহে।
    আর আদি ঢাকেশ্বরী হলো শাখাহীন, তাই উহা আদি হলেও অন্য প্রজাতি।
  • lcm | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১২:৩৫431836
  • তৃণমূলের ইকেজ সবসময়ই ভালো। কিউট দুটো ছোট্ট ফুল, টব থেকে বেরিয়ে আছে।
    বরং কংগ্রেসের ঐ এক দামড়া হাতের থাবা - এক থাপ্পড় মারবে মনে হয়। আর, কাস্তে/হাতুড়ি তো রীতিমত হিংসা/মারামারির প্রতীক।
  • PT | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১২:৩৫431835
  • বা:, এইত সব প্রশ্নের উত্তর জানা হয়ে গেল। সব খুনের justification-ও দেওয়া হয়ে গেল। এখন, ছিলিমে দু তিন টান দিয়ে ""সব বোম্মা জানে"" গান গেয়ে চিৎপাত হয়ে পড়ে থাকলেই হয়!!
  • lcm | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১২:৩৬431837
  • *ইমেজ
  • lcm | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১২:৩৮431838
  • পিটি, এটা ভুল হল। "সব মহাশ্বেতা জানে' হবে। আর, দু তিন টানে হবে না।
  • suchetana | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৩:১১431839
  • :-D কিউট দুটো ছোট্টো ফুল!!
  • PT | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৩:১৭431840
  • মাওবাদী সংক্রান্ত আর দুটি বিষয়েও একটু ধন্ধে আছি। সেটা কেউ পরিষ্কার করে দিলে অগ্রিম ধন্যবাদ.....

    ১। বিড়ি পাতা।
    মুনাফাখোরদের দের কালো হাত ভেঙ্গে দেওয়ার পরে সেই শুন্যস্থান কারা পূরণ করল? এখন কি মাওবাদীরা নিজেরাই কামাওবাদী হয়ে সেই মুনাফা পকেটে পুরছে?

    ২। পিঁপড়ের ডিম।
    প্রায় সকল সুশীলেরা আদিবাসীরা পি-ডিম খায় অতএব তাদের বন্দুক হাতে নেওয়ার অধিকার আছে বলে বিস্তর চ্যাঁচামিচি করেছেন। কাল টিভি-তে ব্রাত্যও ঐ পি-ডিম নিয়ে কেঁদে আকুল হয়ে জওয়ানদের খুনের প্রায় justification দিচ্ছিলেন। তাতে নির্বেদ আর অরুণাভ জানালেন যে পি-ডিম পাঁঠার মাংসের থেকেও দামী এবং মনে হল ব্রাত্য যেন সেটা মেনেও নিলেন। তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়াল? পি-ডিম অত দামী হলে আদিবাসীরা তো সেই ডিম না খেয়ে অন্যত্র বেচে চাল কিনতে পারেন!
  • lcm | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৩:৪১431842
  • পিটি,
    ওহ! আবার প্রশ্ন। বিড়ি আর পিপঁড়ের ডিম - এই দুটো জিনিস পরিষ্কার হলে আজকের মতন কোটা খতম তো। এরপর আবার সিগারেট আর উটপাখির ডিম নিয়ে প্রশ্ন কোরো না। থ্যাংকু অগ্রিম দিয়ে দিয়েছ, উত্তর দেবার চেষ্টা করি।

    ১) কালো হাত ভেঙ্গে দেওয়ার পর যে শূন্যস্থান হল, সেটা প্রসথেটিক এনহ্যান্সমেন্ট করে সাদা প্লাস্টিকের হাত দিয়ে পুরণ করা হল।
    (কোশ্চেন করেই নিজেই আবার কামাওবাদী বলে উত্তর দিয়ে দিয়েছ। এরকম কনফিউশন কোরো না।)

    ২) এটাই বেশ জটিল ব্যাপার। ডিম, বন্দুক, ব্রাত্য, জওয়ান, পাঁঠার মাংস, চাল, নির্বেদ... - নাহ, এটা বুঝে উঠতে পারলাম না।

    (অগ্রিম থ্যাংকু-র অর্ধেক ফেরৎ দিয়ে দিলাম। )

    তুমি কিন্তু আগে এরকম কোশ্চেন করতে না। বড় কনফিউশন করছ। তবে তোমার ফোকাস ঠিক আছে, এবার মহশ্বেতাকে রেহাই দিয়েছ, ব্রাত্য-কে ধরেছ।
  • kallol | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৩:৪৭431844
  • তামাক পাতার ঠিকাদারেরা তাদের জায়গাতেই আছে, ব্যবসাও করছে। শুধু মজুরদের ১০ টকার বদলে ৪০ টাকা দিনে দিচ্ছে। ঠিকাদারদের রিপ্লেস করার কথা উঠছে কেন?
  • kallol | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:১৮431845
  • মাসুমের প্রতিবাদ :
    Thursday, 18 February, 2010 4:00 PM
    From: This sender is DomainKeys verified"[email protected]" [email protected] View contact details
    To: "Pwap" [email protected], "IHRO Groups" [email protected], "Activism" [email protected]
    Banglar Manabadhikar Suraksha Mancha (MASUM) condemns the killing of 24 personnel attached with Eastern Frontier Rifles on 6th February 2010 at Silda camp of district Paschim Midnapur. The causality of EFR personnel not only deserve denouncement from civil society organizations and human rights organizations but also warrant the acts of state machineries.

    Obviously, the killings of innocents can not be supported by any logic but the realty is Indian State waged a war against its own populace with every means and stated so in time and again, so they have to accept the sequences with perceptibility. The people of the land are living under distress for decades without any concerns shown by the duty bearers. The state purposefully denied basic deliverance; livelihood, health and education to people living in the so called ‘Jangalmahal’. But in other hand, with total indifference toward the populace the state is setting armed forces camps inside hospital, schools and in the close vicinity of human habitation. This can cause severe human casualties in any other day. While the people are in search of a solution for their long term deprivation they are constantly subjugated and tortured at an utmost extent by the state parties.

    In this war between the state and ‘Maoist’ the insurgents involving children in their armed band which is in contravention of the basic tenets of human rights doctrine. Again, we want to envisage that the problems and conflicts can be resolute with a political dialogue between the parties but not by any use of arms. We have appropriate and umpteen number of documentation on procedural violations, extra judicial killings and utmost torture upon the populace of the said area by the Joint Forces and state parties. So, instead of dropping crocodile’s tears for the most saddening killings; come up with real democratic measures and voice to stop the heinous killings of innocents with a definite intention to meet the aspirations of the people.
    Sent from BlackBerry® on Airtel
  • Arijit | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:২২431846
  • বেশ লম্বা "ইতি গজ'। খুনের নিন্দাটাও আনইক্যুইভোকালি করতে আটকে যায়।
  • kallol | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:৪৬431847
  • ইতি গজটা কোথায় পেলে?
  • SB | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:৪৭431848
  • শুধু তাইই নয়, মাসুম বোধয় খুব সিলেক্টিভও। EFR জয়ানদেরও মানুষ ভাবেন এনারা, কিন্তু এই মাস কয়েক আগে ধরমপুরে এক রাত্রে ১৪ জন সিপিআইএম কর্মী সমর্থক কে পুড়িয়ে মেরে ফেলার পরেও মাসুম মাওবাদীদের নিয়ে চুপচাপ ছিল, সিপিএম মাসুমের কাছে বোধয় মানুষ নয়।

    এই পিতিবাদ টা পড়ে মনে হল কেমন জানি জোর করে করতে হয় সবাই করছে, পিয়ার প্রেসার, তাই কতকটা বাধ্য হয়েই করা! এর চেয়ে না করাই ভাল ছিল।
  • Blank | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:৫৪431849
  • পুরোটাই 'ইতি গজ'
    তবে লাস্ট লাইন টার মধ্যে বেশ CEO টাইপ গন্ধ আছে :-)
  • Blank | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:৫৫431850
  • এদ্দিন ধরে এত মানুষ মেরে মজুরী বাড়িয়েছে ১০ থেকে ৪০। মাওবাদী দের year end এ কোনোর রিভিউ হয় না !!
  • PT | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:১২431851
  • ভেবেছিলাম আর পোস্নো করব না কেননা ধন্যবাদের দিন-প্রতি কোটা শেষ। কিন্তু blank-এর পোস্টিং পড়ে একটু যোশ পেলাম যেন।

    বিড়ি পাতা কি শুধু মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকাতেই হয়? যদি উত্তর ""না"" হয় তাহলে অন্য জায়গার লোকেরা ঐ একই কাজের জন্য কত মজুরী পায়?

    তারপরেও যেটা জানার থাকে তা হল আমার বাড়ির বাগানে একদিন (৮ ঘন্টা) কাজ করলে মালী ৯০ টাকা পায়। এই মজুরী পাওয়ার জন্য মালীকে আমার বুকে বন্দুক ঠেকাতে হয়নি বা দল পাকিয়ে আন্দোলন করতে হয়নি। তাহলে মাওবাদীরা প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থার থেকে বেশী ভাল আর কি করতে পারল?
  • Pintu | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:২৩431852
  • kallol da, line ekdom thik ache. chaliye jan kaka...

    "Bhul mot, bhul poth, Naxal barir bhobishyot" slogan ta ekhono justified
  • kallol | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:২৭431853
  • অন্য জায়গায় তামাক পাতার মজুরেরা (তর্কের খাতিরে ধরে নিচ্ছি) ১০০ টাকা পায় দিনে।
    কিন্তু অন্ধ্রপ্রদেশে ১০ টাকা পাচ্ছিলো। সেটাও আজ থেকে এক দশক আগে, যখন মাওবাদীরা সেসব জায়গায় ঘাঁটি গাঢ়ছিলো। তখন যদি তারা ভয় দেখিয়ে মজুরী ১০ থেকে ৪০ টাকা করে থাকে - সেটা খুবই অন্যায় করেছে - তাই তো? তবে তাই।

    এখনো বুঝলাম না ইতি গজটা কোথায়। মাওবাদীদের পাশাপাশি সরকারের সমলোচনাও করা হয়েছে। কোথাও ভুল কিছু বলে থাকলে দেখান।
    এমনকি মাওবাদীরা যে অপ্রাপ্তবয়ষ্কদের দিয়ে ""যুদ্ধ"" করাচ্ছে তারও নিন্দা করা হয়েছে।
  • Pintu | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:৩২431855
  • Dhaan Bhangte Shiv-er Gajon....
  • rabaahuta | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:৩৪431856
  • আমাদের বাড়ির মালিকে আমরা নব্বই টাকা না দিলে অন্য কেউ দেবে, অনেক বিকল্প সুযোগ আছে তার কাছে। অবশ্য বিড়িপাতার শ্রমিকরা কলকাতা চলে এলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়।
    এলাকাভেদে সমসঙ্কÄ গনতান্ত্রিক অধিকারের অভাবের কথা বোধয় এই টইতেই হয়েছিল।
    আমাদের কাছে তিরিশ টাকার তফাতটা মাত্র মনে হলেও, যাঁর দশ টাকা রোজগার তাঁর কাছে অনেক হওয়ার কথা।

    আর, ইয়ে, আমার কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ নেই, নিজের আখের নিয়েই খুশি, বলে ফেললাম তাও, পাত্তা না দিলেই চলবে।
  • kallol | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:৩৯431857
  • পিন্টু - যাক আপনি তবু একটা ভবিষ্যত দেখেছেন নকসাল আন্দোলনের। আমি তো কোন ভবিষ্যত দেখতেই পাই না। নকসাল আন্দোলন ইতিহাসের একটা পর্যায়ে তার ভূমিকা পালন করেছে, এবং ফুরিয়ে গেছে। আজকে নকসাল আন্দোলনের নতুন কিছু দেওয়ার নেই। যে রাস্তা আজকের মাওবাদীরা নিয়েছেন ওটা পরীক্ষিত ভুল রাস্তা।
    অস্ত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র কোন সমাধানই নয়।
    আজকের আধুনিক যুদ্ধকৌশলের যুগে ও সব গেরিলা লড়াই-টড়াই চলে না। যেদিন রাষ্ট্র মনে করবে - নিজের নাগরিকদের বিরুদ্ধে পুরোপুরি যুদ্ধে যেতে হবে, সেদিন এরা মার খেয়ে যাবে।
    কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হবে না। আবার মাওবাদী অন্য নামে মাথা তুলবে। দারিদ্র, কুশাসন থাকলে - হাতে বন্দুক তোলা আটকানো যাবে না।

    সিপিএম যদি ৩২ বছর ঐ জয়গাগুলোর প্রকৃত উন্নয়নের কথা ভাবতো (শুধু অনুজ পান্ডের উন্নয়ন নয়), তাহলে মাও-টাও পাত্তা পেতো না।
  • SB | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:৫২431858
  • কল্লোলদা, গুজরাটে মাও-টাও নেই, তাহলে ওখানে প্রকৃত উন্নয়ন হয়েছে ধরে নেব কি? তাহলে সেই উন্নয়নের মডেল সবাই ফলো করুক, তাই চাইবেন?

    আর আপনি অনুজ পান্ডের নাম করলে আমিও মধু কোড়ার নাম করব, মাওবাদীরা কি মধু কোড়ার উচ্ছিষ্টভোগী যে এরকম করাপ্ট লোকের বিরুধ্যে ওদের কোনই বক্তব্য নেই, মধু কোড়ার রাস্তায় কোন ল্যান্ড মাইন পাতা নেই।
  • Arpan | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:০০431859
  • গুজরাটে আসলে তেমন ঘন জঙ্গল নেই!
  • pi | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:০৮431860
  • ধুত ! প্রশ্ন করলে PT বলেন, প্রশ্নের উত্তর জানা হয়ে গ্যালো :(
  • kallol | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:১২431861
  • মধু কোড়া-শিবু সোরেন এদের সাথে তো শুনি মাওদের ভালো সম্পোক্কো।
    কিন্তু কথাটা তো ঝাড়খন্ডে ঝাড়খন্ড পার্টি কি করবে তা নিয়ে নয়। তারা উন্নয়ন করেনি - নিজেরা চুরি করেছে আর মাওদের সাথে গলাগলি করেছে। প:ব:, উড়িষ্যা, অন্ধ্রে তাড়া খেলে আশ্রয় দিয়েছে।
    কিন্তু সিপিএম কেন ৩২ বছরেও কিছু করলো না - সেটাই প্রশ্ন।
    এটার একটা জবাব হতে পারে - ঝাড়খন্ড পার্টিও তো করেনি, বিজু-নবীনও তো করেনি, চন্দ্রবাবুও তো করেনি - এক সিপিএমের দোষ কেন দিচ্ছেন? এই জবাবই কি দেবেন? ভেবে দেখুন।

    তবে ""জঙ্গলমহল"" যে উপেক্ষিত তাতো বাম সরকার স্বীকারই করছেন। প্রশ্ন হলো কেন উপেক্ষিত?

    গুজরাটের উন্নয়নের মডেল প:ব:তে সিপিএম-এর মতই। বড়ো বড়ো শিল্প গড়ার উন্নয়ন। ন্যানো, প্রসূন, সলিম ইত্যাদি। গুজরাটের জমি নিয়ে একটাই সুবিধা - খুব অনুর্বর। তাই জমির সাথে যুক্ত মনুষেরা মোটামুটি ভালো দাম পেলে খুশী। তাই প:ব:তে ঐ মডেল চলবে না। তাই গুজরাটে মাও নেই। কিন্তু ইসলামী সন্ত্রাস গোকুলে বড়িছে, মাঝে মঝে জানানও দেয়।
  • SB | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:৫২431862
  • কল্লোলদা, এক্কেরে গরুর রচনা নামিয়ে দিলেন যে :) কিন্তু সিপিএম তো সেই ১৯৬৭ থেকেই running dogs of imperialism তাই ছাড়ান দিন, প্রশ্ন হোল চুরি ডাকাতি যারা করছে, এই মাওবাদীরা আবার সেই মধু কোড়াদেরই দালালী করছে কেন? মিনিমাম একটা ল্যান্ডমাইন তো এদের বিরুদ্ধে বরাদ্দ করতে পারতো :)

    এই ব্যবস্থায় একটা রাজ্য সরকারের পক্ষ্যে সবার জন্যে সব বেসিক কাজগুলো করে ফেলা গেলে কর্মসূচী থেকে বিপ্লবের কথাগুলো ডিলিট করে দিতে হয়, যাদের মনে হয় এটা সম্ভব তাদেরকে একটা সময়ে নক্সালরা রিভিশনিস্ট বলতো। আর রাজ্য সরকারের পক্ষ্যে কিছুই করা সম্ভব না বলতো নক্সালরা, তাকে অতি বাম বিচ্যুতি বলা হোত।

    ৩২ বছরে জঙ্গলমহলে আরো অনেক কিছু নিশ্চই করা যেত, তবে গরুর রচনার উত্তরে আত্মসমালোচনা অনুচিত, বারণ আছে :) যারা ওই অঞ্চলে গেছেন তাদের একটা ধারনা আছে কতদূর কি হয়েছে, একদম কিছুই হয়নি বলাটা মিথ্যা বলা হবে। ওখানে কিছুই ছিল না, এমনকি সত্তর দশকেও, এখন অন্তত রাস্তাঘাট, গ্রামে গ্রামে স্কুল, আর প্রাইমারি হেলত সেন্টার আছেই। চাষাবাদের ক্ষেত্রেও উন্নতি চোখে পরার মতই। এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশনের ক্ষেত্রে প্রায় কিছুই হয়নি এখনো যদিও .... ধুস্‌স আবার তক্ক করে ফেল্লাম স্যরি!

    অর্পন, গুজরাটেই গিড় অরণ্য, http://www.girnationalpark.com/gir_location.htm আহমেদাবাদ থেকে ৪০০ কিমি। তাহলে? ;-)
  • Blank | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:৫৪431863
  • সব জবাবই তো ঐ একই রাস্তায় হয়। সিপিয়েম নিয়ে কেউ প্রশ্ন করলে আমরা শিবু সোরেন দেখাই, আর মাও বাদী নিয়ে প্রশ্ন করলে স্টেট স্পনসরড টেররের গল্প শুনি।
    সবই এক :)
  • PT | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:৫৬431864
  • ১৯৭৯-তে ২০০ টাকা পেনশন নিয়ে রিটায়ার করা এক রেলের কর্মচারীর বিধবা ২০১০ সালে ৪০০০ টাকার মত বিধবা ভাতা পান। ৭০-এর দশকের শেষের দিক থেকে সম্পুর্ণ অহিংস পথে, হাজার হাজার চিঠি লিখে, দিল্লীর রাস্তাতে মিছিল করে, সংবিধানের provision-কে ব্যবহার করে ৮০-র দশকের কোন এক সময়, একদল প্রৌঢ়, বৃদ্ধ ও অতিবৃদ্ধরা মিলে কেন্দ্রীয় সরকারকে বাধ্য করে বিধবা ভাতা চালু করতে (সাল-তারিখ একটু এদিক ওদিক হতে পারে)। মাওবাদীরা বোধহয় ভেবেও দেখেনি কখনো যে ভারতবর্ষের আইন-কানুন ব্যবহার করে ১০ টাকার মজুরী ৪০ টাকা করা যায় কিনা।
  • Arpan | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৯:০৭431866
  • গির অরণ্যে আমি গেছি রে ভাই। ভারতে এবং এশিয়ায় একমাত্র সিংহের বাসস্থল। আর কে না জানে সিংহ ঘাসজমি ছাড়া কিছু পছন্দ করে না। বুকসমান ঘাসজমি আর পালামৌ-দণ্ডকারণ্য এক হল?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন