এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আজাদ কাশ্মীর : আপনার কী মত

    pi
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ২৩৭০২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • bastu | ১০ অক্টোবর ২০১০ ১১:২০459828
  • এই ওঁরা-টা একটু গন্ডগোলের ব্যাপার। কাশ্মীর তো আর হোমোজেনাস ব্যাপার নয়। যেমন ভারতীয় একটা হোমোজেনাস ব্যাপার নয়। ভারতীয়দের ভোটে যেমন ঠিক হওয়া উচিৎ নয় কাশ্মীর ভারতের মধ্যে থাকবে কি না, তেমনি বিচ্ছিন্নতাকামী কাশ্মীরিদের ভোটে ঠিক হওয়া উচিৎ নয় ভারতপন্থী কাশ্মীরিরা ভারতের মধ্যে থাকবেন কি না। আইডিয়ালি প্রত্যেক মানুষের স্থির করা উচিৎ সে ভারতে থাকবে না কাশ্মীরে থাকবে। সেই হিসেবে, বাড়ির শোবার ঘর কাশ্মীর, বসার ঘর পাকিস্তান আর রান্নাঘর ভারত বলে মেনে নেবার প্রস্তুতি থাকলে তবেই গনভোট চলতে পারে।
  • kallol | ১০ অক্টোবর ২০১০ ১২:৫১459829
  • ভোট বললেই সংখ্যাগুরুর মতকে মেনে নেওয়া বোঝায়। সেক্ষেত্রে সংখ্যালঘুকে সংখ্যাগুরুর মত মানতে হয়। সব ভোটেই যেমন হয়। সেক্ষেত্রে কে কোথায় থাকতে ইচ্ছে করের প্রশ্নই ওঠে না। এই ধরুন ২০১১র প:ব: ভোটে আমি চাইলুম এসইউসি, আপনি চাইলেন কং আর একজন চাইলো তৃমূ, অন্য একজন বা:ফ্র:। তা বলে তো চারটে সরকার হবে না।
    কাশ্মীরে গণভোট হলে তো সবাই ভোট দেবে - বিচ্ছিন্নতাবাদী, ভারতবাদী, পাকিস্তানবাদী সব্বাই। আপনি কেন ভাবলেন শুধু বিচ্ছিন্নতাবাদীরাই ভোট দেবে?
    সমস্যাটার সমাধান না করতে পারলে (৬০ বছরেও হয় নি) - আলাদা করে দেওয়াই ভালো।
  • kallol | ১০ অক্টোবর ২০১০ ১২:৫৩459830
  • অবশ্য কারুর কারুর আমেরিকান সমাধানও আছে। ""মেরে পাট করে দেওয়া""।
  • bastu | ১০ অক্টোবর ২০১০ ২০:০৪459831
  • প্রশ্নটা কে ভোট দেবে তা নয়। প্রশ্নটা হল ভোটের ইউনিট কি হবে? বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মতামত একতাপন্থীদের ওপর চাপিয়ে দেবার অধিকার সমর্থন করি না।

    আম্রিকান মারামারিটা আসলে সিভিল ওয়ার। দক্ষিণের দাসপ্রথা সমর্থক যে কেউ কেউ এখানেও আছে সেটা জেনে ভাল লাগল।
  • PM | ১০ অক্টোবর ২০১০ ২১:৫৮459832
  • হিটলার আর নাৎসী বাদ জার্মনী তে খুব জনপ্রিয় ছিল বলেই জানি। সংখ্যা গরিষ্ঠের সমর্থন-ও ছিল রাইখ্‌স্‌টাগ-এ। কিন্তু সেই জনসমর্থন পরিনতি পেয়েছিল ৫ কোটি মানুষ-এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে। ওত দুরে জাবার দরকার নেই ... কসোভো নিয়ে একটু নারা ঘাটা করলেই অনেক সাম্প্রতিক তথ্য-ও পাওয়া যাবে।

    সংখ্যা গরিষ্ঠের মত-ই যদি সবসময় শিরধার্য্য হয় তাহলে তো সতিদাহ বা ডাইনি প্রথাও শিরধার্য্য করতে হয় (সমসাময়িক কালে)। জাঠ- দের honour killing এর পেছনেও জাতিভিত্তিক জনসমর্থন যথেষ্ঠ।অমরা সেই জাতির বাইরের লোক... আমাদের অপত্তি করার কোনো কারন-ই নেই।
  • kallol | ১০ অক্টোবর ২০১০ ২২:৪৩459833
  • তাহলে যারা ভোটে জিতবেন তারা কি করবেন?
    আমি যেকোন ভোটের কথা বলছি, যেকোন।
    এই যে ওবামা জিতলেন। এতোকাল বা:ফ্র: জিতলো। এই যে কেন্দ্রে কং - এরা ভোটে জিতে কি করবে? বা কি করা উচিত ছিলো?
  • ranjan roy | ১০ অক্টোবর ২০১০ ২৩:১৪459834
  • বাস্তু,
    ভেবে দেখুন, যদি আপনি কথিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গণভোটে অংশগ্রহণের অধিকার স্বীকার না করেন তাহলে তো গণভোটের ইস্যুটাই অর্থহীন হয়ে পড়ে। তারচেয়ে
    অন্য রাজ্যগুলোর মত সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণই তো যথেষ্ট! কি বলেন?
    ( আমার বাবা ১৯৪৯ এ কাশ্মীরে ভারতীয় ফৌজে লড়েছিলেন। উনি মনে করতেন যখন কশ্মীরিরা একের পর এক সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে, তাতেই গণভোটের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয়ে গেছে। আসলে ওনারওভারতীয় শাসকদের মত ভয় ছিল যে গণভোট হলে জম্মু ভারতেই থাকবে। কাশ্মীর থাকবে না, হয়তো পুরনো সিকিম, ভূটান বা নেপালের মত থাকবে। আমার মত হল তাই হোক না! সেটা হবে সম্ভাব্য চতুর্থ সমাধান। কিন্তু সেটা কাশ্মীরিদেরই ঠিক করতে হবে, আপনি-আমি বা ভারত রাষ্ট্রকে নয়।)

    কিছু বাবা-মা ছেলেমেয়েদের এভাবে বকেন--- ভেবেছটা কি? স্বাধীনতা দিয়েছি বলে যা-ইচ্ছে-তাই করবে? বাবা-মার কথা শুনবে না?
    ওনারা খেয়াল করেন না যে বাবা-মার কথা অমান্য করার অধিকার ছাড়া স্বাধীনতার ব্যপারটা সম্পূর্ণ হয় না। এই আলাদা ডিসিশনের ফল ভালো কি খারাপ হবে সেটা এই কনটেক্সটে অপ্রাসংগিক।

    হিন্দি বলয়ে হরদম বলা এবং লেখা হয় যে ভারতীয় মহিলারা ইউরোপের নকলে স্বাধীনতা চেয়ে অপব্যবহার করছে। ওরা ভুলে যাচ্ছে যে স্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই করা, বখামি করা নয়।
    ( অর্থাৎ, বখামি করা, বদমাইশি করার অধিকার খালি পুরুষের একচেটিয়া।)
    আমার কথা হল কাশ্মীরি-ছেলেমেয়ে-মহিলা এদের কোন স্পেসিফিক স্বতন্ত্র ডিসিশন
    ভালো কি মন্দ, এর consequence কি হবে এই নিয়ে
    প্রশ্ন উঠতেই পারে, ওঠা উচিৎ। কিন্তু তার জন্যে ওদের ( অর্থাৎ, কাশ্মীরি, ছেলেমেয়ে, মহিলাদের) স্বতন্ত্র ডিসিশন নেয়ার
    অধিকারকে চ্যালেঞ্জ করা চলবে না। এটা গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি।
    সেই যে কোন বৃটিশ সাংসদ না কে যেন বলেছিলেন-----
    "" I shall never agree with you, but I shall defend your
    right to disagree to the last drop of my blood''

    আকা হয়তো বলবেন -- এটাও তো একধরণের ideological stand, কিন্তু গণতন্ত্র নিজেই তো এক ইডিওলজি
    !
  • ranjan roy | ১০ অক্টোবর ২০১০ ২৩:৩৮459835
  • PM,
    উদাহরণগুলো খুব লাগসই হল কি? হিটলারের ফৌজ যতক্ষণ না পোল্যান্ড বা অন্যদেশ আক্রমণ করছে ততক্ষণ নাৎসীবাদের বিরোধী দেশগুলো সেখানে হস্তক্ষেপ করেছে কি? করা উচিৎ কি?
    জর্জ বুশ ইরাক বা অন্যান্য প্রশ্নে যা করেছে তাতে আমরা গাল দিতে পারি একস্পোজ করার জন্য চেষ্টা করতে পারি কিন্তু যতক্ষণ না সংখ্যাগরিষ্ঠ আমেরিকান সেটা মেনে নিয়ে ওকে গদি থেকে নামিয়ে ওবামাকে বসিয়েছে ততক্ষণ অন্যদেশ কি করতে পারে? আপনাদের কথা মানলে আগের বার যখন বুশ জয়ী হল তখন কি বিশাল বুশবিরোধী জনগণের ওপর সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠ
    বুশসমর্থকদের মতামত চাপিয়ে দেয়া হল না?
    অতদূর যেতে হবে না। ঘরের কাছে আসুন।
    গুজরাত বিশাল ভারতবর্ষের একটি অঙ্গরাজ্য।
    সেখানে নরেন্দ্র মোদী যা করেছেন তা ভারতের ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ সমর্থন করেন না। কয়েক হাজার লোক প্রাণ হারিয়েছে। গর্ভবতী মায়ের পেট চিরে বাচ্চা বের করা হয়েছে।
    কিন্তু গুজরাটের ব্যাপক জনতা আজও মোদীর পক্ষে। কি করবেন? কি করে সহ্য করবেন/
    গণতন্ত্র এভাবেই ফাংশন করে। আজও এর থেকে উন্নত বা এর চেয়ে কম খারাপ কোন ব্যবস্থা আমরা বের করতে পারিনি।
    প্রতিবেশি ময়ানমারে আজও সু চি নজরবন্দী। কি করবো?
    পাকিস্তানে বা ইন্দোনেশিয়ায় যতক্ষণ না ওদের জনগণ ফৌজি শাসন হটিয়ে দলীয় গণতন্ত্রের শাসন এনেছে ততক্ষণ কি করতে পেরেছি বা করা উচিত ছিল?

    অনার কিলিং এর উদাহরণ একদম ভুল। সতীদাহের মতই দুটো কাজ ভারতীয় দন্ডবিধির স্পেসিফিক ধারার উল্লংঘন, ঠিক যেমনি মাওবাদীদের ক্যাঙ্গারু কোর্টে গলা কেটে ফেলা। ফলে দুটৈ দন্ডনীয়।
    (কিন্তু দীর্ঘকালীন সমাধান হচ্ছে জাঠদের খপ ও বস্তারের আদিবাসীদের মধ্যে ডায়লগ ও বিচারের আদান-প্রদান।)

    আর কোন রাষ্ট্র থেকে আলাদা হওয়ার অধিকার একটি জনগোষ্ঠীর সিভিল রাইটের প্রশ্ন। এ নিয়ে জাতিসংঘের চার্টার আছে।
  • ranjan roy | ১০ অক্টোবর ২০১০ ২৩:৫৩459836
  • কোথাও জনগোষ্ঠী হোমোজিনিয়াস হয় কি?
    ইমার্জেন্সির সময় এর সমর্থক ও বিরোধী দুটৈ ছিল। আজও গুজরাতে মোদীর পক্ষে ও বিপক্ষে দল এবং জনগণ বিভক্ত।
    আর অ্যামেরিকার কনটেকস্টে যে প্রশঙ্গুলো তুললেন সবই তো সিভিল রাইটের ইস্যু। সেখানে কনসার্নড্‌ জনগোষ্ঠী ছাড়া অন্যেরা কি করে সমাধান করবে? আমার ভালো লাগুক বা না লাগুক।

    আর খালি দক্ষিণপন্থীদের গাল পেরে কি হবে? বামপন্থীরাও নিজেদের সুবিধে মত যাকেতাকে প্রগতিশীলতার সর্টিফিকেট দেয়।
    নইলে মুসলিম লীগের বিভিন্ন গোষ্ঠী কি করে বিভিন্ন সময় প্রগতিশীল হয়? ধর্মনিরপেক্ষ হয়? ডি এম কে? আন্না ডি এম কে?
    জাতিবাদী মায়াবতী?

    আর মতবিরোধকে ""মেরে পাট করে দেওয়া''র সমাধান আসলে ফ্যাসিস্ট সমাধান। নিজেকে যাই বলি না কেন? হিটলারের দলের নামও ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট ছিল।
    একইভাবে মমতা ও বুদ্ধ নিজের দলের পক্ষে এলাকা দখল হলে বলেন --জনগণ অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে।
  • ranjan roy | ১১ অক্টোবর ২০১০ ০০:০৪459838
  • বাস্তু,
    আমেরিকান সিভিল ওয়ারকে ট্রিভিয়ালাইজ করে একতরফা ""মেরে পাট করে দেয়া'' বলে বর্ণনাটা আপনি
    করেছিলেন। কল্লোল নয়। বরং
    কল্লোলের ইশারাটা এই স্ট্যান্ডের বিরুদ্ধে।
    কিন্তু এর থেকে কল্লোল দাসপ্রথার সমর্থক এই সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন কি করে?
  • ranjan roy | ১১ অক্টোবর ২০১০ ০০:০৯459839
  • খেয়াল করুন, এর আগে আকা-কল্লোল-পাই-ইন্দো- কেবি বা আপনার পোস্টে শুধু বক্তব্যের কন্টেন্টের ওপরই কমেন্ট হয়েছে। কে কার সমর্থক-- এমন ব্যক্তিগত খোঁচা হয় নি।
    কাজেই এগুলোর লোভ এড়িয়ে গেলে হয় না। এতে মূল আলোচনার সিরিয়াস ভাবটা নষ্ট হয়।
  • PM | ১১ অক্টোবর ২০১০ ০১:০৩459840
  • রনজন-দা, অপনার কথার প্রেক্ষিতে দুটো কথা বলার আছে-
    ১। সতিদাহ বিরোধি আইন চালু হয়েছিলো সংখ্যা লঘু বিবেক্বান মানুষ-এর চাপে। সেই অর্থে আইনটা পাশ হবার-ই কথা ছিল না।

    ২। আইন তো রাস্ট্র-ই বানায়। যদি খাপ-রা honour killing ইসুতে আলাদা রাস্ট্র দাবি করে.... আপনার মতে তাদের সে অধিকার আছে... ধরুন তার পর তারা তাদের নতুন parliament-এ honour killing কে legitimate করিয়ে নিলো। আপনার যুক্তি অনুযাই পুরো process টাকে অমদের সমর্থন করা উচিত।
    ৩। Hitler এর পোল্যান্ড আক্রমন বা ইহুদি নিধন-এ সংখ্যা গুরু জার্মান দের সমর্থন ছিলো। তাই দুটোকেই আমাদের সমর্থন করা উচিত।
    ৪। UN কিন্তু ইরাক আক্রমন কেও legitimacy দিয়েছে। তাই UN chartar টাই তর্কে জেতার টেক্কা হতে পারে না। যদি তাই-ই হয়, তাহলে আপনাকে এটাও মানতে হবে যে ইরাক-এর mass destruction weapon ছিলো-আর ইরাক-এ UN aggression (মার্কিন নয় কিন্তু) সঠিক।

    কাশ্মির নিয়ে আমার বক্তব্য নেই। আমার বক্তব্য আপনারা যে লজিক দেখাচ্ছেন সেটা নিয়ে।
    আমি মনে করি সর্বদা সংখ্যা গুরু র মত শিরোধার্য্য করলে সভ্যতা-র বিকাশ থমকে যাবে। Leader(true :)), Reformer,Statesman, Inventor, Out of the box thinker সমাজ-এ চিরকাল-ই সংখ্যা লঘু।
  • bastu | ১১ অক্টোবর ২০১০ ০৪:৩৩459841
  • রঞ্জনবাবু,

    ব্যক্তিগত খোঁচা কল্লোলবাবুই আগে দিয়েছিলেন। আপনি সেটা অ্যাভয়েড করে সিভিল ওয়ারকে ট্রিভিয়ালাইজ করার কথা টেনে আনলেন। দ্যাট'স ওকে। কিন্তু তারপর - "এগুলোর লোভ এড়িয়ে গেলে হয় না', বলে নিরপেক্ষ সাজা কেন?
  • bastu | ১১ অক্টোবর ২০১০ ০৪:৩৮459842
  • এবারে ভোটের কথা। ভোট করতে হলে ভোটের ইউনিট কি হবে সেটা ঠিক করতে হবে। আমার প্রশ্ন হল ভারতের ভেতরে থাকার ব্যাপারে ভোটের প্রশ্নে কাশ্মীর ইউনিট কেন? কেন প্রত্যেক ব্যক্তি ইউনিট নয়? প্রত্যেক ব্যক্তি ইউনিট হলে প্রত্যেকে নিজের মত ঠিক করুক সে ভারতে, কাশ্মীরে না পাকিস্তানে থাকবে। তারপর সেই মত বাবার ঘর ভারত, মায়ের ঘর পাকিস্তান আর ছেলের ঘর কাশ্মীর হোক।
  • aka | ১১ অক্টোবর ২০১০ ০৫:২৬459843
  • কেবি,

    মতামত দেবার মত যথেষ্ট তথ্য, তঙ্কÄজ্ঞান কোনটাই নেই। আমাকে যদি রাজা করা হত তাহলে আমি কি করতাম তা বলতেই পারি কিন্তু তাতে অতি সরলীকরণ বলে মনে হতেই পারে।

    ১। কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করব এটা ঠিক করতাম। অধিকাংশ সরকারই মনে হয় এটা এড়িয়ে যেতে চায়। ইতিহাসের খাতায় কলংকিত রাষ্ট্র নায়ক হতে কে আর বেঁচে থাকতে চায়! প্রথমেই সেই রিস্কটা নিতে হবে।

    আর বিরোধী হলে পারসুয়েসিভ বিরোধীতায় সরকারকে বাধ্য করা এই রিস্ক নিতে।

    ২। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে পাকিস্তানকে কোনঠাসা করার চেষ্টা করা।

    ৩। বিল্ড কাশ্মীর প্রোজেক্ট - সেনার সাহায্যেই করতে হবে, নইলে উগ্রপন্থীরা 'মেরে পাট করে' দেবে। তবে আমাদের সেনা এই ধরণের প্রোজেক্ট কোনদিন করে নি, তাই খুবই চ্যালেঞ্জিং হবে, কিন্তু সম্ভব। এই প্রোজেক্টে ইনফ্রাস্ট্রাকচার, স্টেবল গভর্ণমেন্ট আর সাধারণ মানুষের মন জয় করাই উদ্দেশ্য হবে। সেনাদের দিক থেকে নূন্যতম ডেভিয়েশন সহ্য করা হবে না।

    ৪। ১৭-২৫ বছরের কাশ্মীরিদের জন্য কাজ তৈরি, তা ৩ নং পয়েনের সাথে যুক্ত।

    ও আর একটা কথা আমি মনে করি, কাশ্মীর বিল্ড প্রোজেক্ট ভারতের নৈতিক দায়িত্ব, পাকিস্তানেরও দায়িত্ব কিন্তু সেকথা বলে লাভ নেই। এইসব আর কি।
  • aka | ১১ অক্টোবর ২০১০ ০৯:৩৩459844
  • বুইলাম না, জর্জ বুশের সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে লোকজন ওবামাকে ভোট দিয়েছে এইটুকু বোঝা গেল। কিন্তু সেটা ইরাক আক্রমণ বা আফগানিস্তান আক্রমণের বিরুদ্ধে ভোট বোঝা গেল কি করে? ভোট তো হয়েছিল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কে হবে সেই নিয়ে। তাতে যুদ্ধু টুদ্ধু ইত্যাদি যেমন ছিল, ইকনমিও তেমনই ছিল।

    ভোটের ওপর এতই আস্থা হলে আগে কাশ্মীরে ভোট হবে কি হবে না তাই নিয়েই ভোটাভুটি হতে হবে। কবে নেহেরু কয়েছিলেন তাই দিয়ে চলবে না। কাশ্মীরের লোকজন কোথায় থাকবে সেই ভোটাভুটির আগে কাশ্মীরে ভোট হবে কি হবে না, তা ঠিক হোক।
  • kb | ১১ অক্টোবর ২০১০ ০৯:৫৩459845
  • আপনার ৩নং যুক্তির শেষ লাইন - সম্ভব?
    সরকার তো AFSPA ই তুলতে চায় না। সৈন্যদের উপর নজর কে রাখবে? সৈন্যদের উপর খুব বেশি আইন খাটালে তাদের আনুগত্যের সমস্যা হতে পারে, তাই মনে হয় না সরকার তাদের উপর খুব নজর রাখতে চাইবে।

    ১নং যুক্তির প্রথম কথাটা খুবই জরুরি। পরে আপনি কি আরো দমন নীতির কথা বলছেন?
  • kb | ১১ অক্টোবর ২০১০ ১০:১১459846
  • কল্লোলদা

    গনভোটে কি শুধু কাশ্মীর (ভ্যালি) অংশ নেবে? নাকি আপনি লেহ লাদাখ এবং জম্মুর কথাও বলছেন?

    পরের জায়গা গুলোতে বোধোয় আলাদা হওয়ার দাবি নেই।
  • kallol | ১১ অক্টোবর ২০১০ ১০:৫৯459847
  • কেবি - হরি সিংএর কাশ্মীরে গণভোট হবে কথা ছিলো। সে তো লেহ, লাদাখ, জম্মু নিয়েই ছিলো। তবে এতোদিন পর সেই কাশ্মীরের আর কোন অস্তিত্ব নেই। আমার মনে হয় এখন আলাদা করে লেহ, লাদাখ, কাশ্মীর আর জম্মুর ভোট হওয়া উচিত। তবে একই সাথে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরেও ভোট হওয়া উচিত। তা না হলে ব্যাপারটার কোন মানে হয় না।

    বাস্তু - আপনি যেটা বলছেন, সেটা একটা অসম্ভব কাজ। প্রত্যেকটি মানুষের মত অনুযায়ী তাকে ভারতে / কাশ্মীরে / পাকিস্তানে থাকতে দেওয়া।
    আপনার এই মডেলটা সরকার গড়ার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে দেখুন। অন্তত: ৬৫০০০টা সরকার গড়তে হবে। সেটা কি সম্ভব?
    যে কোন নির্বাচন মানেই সংখ্যাগরিষ্ঠের মতকে মেনে নেওয়া। সংখ্যালঘুর মতকে সম্মান দেওয়া উচিত। আমিও তা মনে করি। তবে সেটা আর যাই হোক নির্বাচনে হয় না।

    আকা - সেনা দিয়ে উন্নয়ন? সেনা দিয়ে মন জয়? ব্যাপারটা বেশ কৌতুহলদ্দীপক। বন্যা-ভুমিকম্পে-কুঁয়োয় পড়ে যাওয়া বাচ্চার ক্ষেত্রে সেনারা মন জয় করেছে বলে জানা যায়, কারন তাতে ""উদ্ধার"" নামে একটা কাজ থাকে, যা সেনাবাহিনী তাদের ইনফ্রাস্ট্রাচার দিয়ে খুব ভালো ভাবে করতে পারে। কিন্তু খরা মোকাবিলায় সেনাবাহিনী শুনেছেন কি?
    তেমনি উন্নয়নে সেনা, ব্যাপারটা বেশ কৌতুহলদ্দীপক।
  • aka | ১১ অক্টোবর ২০১০ ১৮:৫৪459849
  • না কখনো শুনিনি আমাদের দেশের সেনারা এসব করেছে। কিন্তু কাউন্টার টেররিজমের পরের স্টেজ এটাই হওয়া উচিত। বলেইছি অনেকটা সিম্পলিফিকেশন আছে। মূলত কাশ্মীর তৈরি না করতে পারলে ভোট করে ছেড়ে দিন বা রেখে দিন, দুইই পেন ইন হেড। রাখলে কি হচ্ছে দেখাই যাচ্ছে। আর ছেড়ে দিলে পাকিস্তানি শিল্পকলায় জীবনে চাপ। তা ট্যাক্স পেয়ারদের টাকা খরচ খরচা করা হলে আর রাখতে অসুবিধা কি? যদি মনে করেন ভোটাভুটি করে কাশ্মীর আলাদা হয়ে গেল আর সেখানকার লোকজন এবং সুখে শান্তিতে হ্যাপি এভার আফটার। ওসব ফেয়ারি টেলে হয়।
  • ranjan roy | ১২ অক্টোবর ২০১০ ০০:০৯459850
  • বাস্তু,
    আমি আপনার এবং কল্লোলের পোস্টগুলো আরেকবার পড়লাম।
    আপনি লিখেছিলেন---"" ---- মেরে পাট করেছিলেন। বেশ করেছিলেন।''
    আপনার""" বেশ করেছিলেন'' কমেন্টটি না থাকলে খালি ""মেরে পাট করেছিলেন'' বল্লে সেটা একটি ঐতিহাসিক ঘটনার ""আপনার'' মত করে ন্যারেশন হত, তাতে কারও কিছু বলার থাকতো না।
    কিন্তু "" বেশ করেছিলেন'' বলে আপনি ভ্যালু জাজমেন্ট দিলেন, এবং মার্কিনী সাম্রাজ্যবাদীদের দাদাগিরিকে নৈতিক্সমর্থন দিলেন যে।
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে আজ অবদি মার্কিন সরকারের পররাষ্ট্র নীতির সমাধানের " মোডাস অপারেন্ডি'' হল ওই মেরে পাট করে দেয়া।
    এটা আমি হরিদাস পাল বলছি না, নোবেল পাওয়ার মঞ্চ থেকে নাট্যকার হ্যারড পিন্টার বলেগেছেন তাঁর প্রায় বিশ পাতার বক্তৃতায়। এ' নিয়ে গুরু'র পাতায় আগেও কথা হয়েছে।
    আপনি ""বেশ করেছিলেন'' বলে আমেরিকার ""মেরে পাট করেদেয়া'' সমাধান কে লেজিটিমাইস করলেন।
    কাজেই কল্লোলের বক্তব্য আপনার প্রতি ব্যক্তিগত খোঁচা কি করে হল? হত, যদি কল্লোল যে কথা আপনি বলেন নি সেই কথাআপনার মুখে বসাতেন।
    ধরুন, কল্লোল যদি আমার বোন কে বিয়ে করতেন তাহলে আমাকে ""শালা'' বল্লে সেটা গালি হবে না, লেজিটিমেট স্টেটমেন্ট হবে। কিন্তু যেহেতু আমার কোন বোন নেই, তাই কল্লোল আমাকে শালা বল্লে আমি বলবো-- কেন গাল দিচ্ছ?
    আপনি কিন্তু কল্লোল যে কথা বলেন নি সেটা( দাসপ্রথার সমর্থন) ওনার মুখে বসিয়েছেন-- আমার আপত্তি সেইখানে।
    তবে আপনি বলতেই পারেন-- কথা হচ্ছে আমার আর কল্লোলের মধ্যে, তোমাকে কে মাস্টারি করতে বলেছে হরিদাস? নিজের চরকায় তেল দাও গে যাও।
    বল্লে কিচ্ছু মনে করবো না, বাংলা বাজারে তেল কিনতে বেরিয়ে পড়বো।
  • ranjan roy | ১২ অক্টোবর ২০১০ ০০:৪১459851
  • PM,
    আপনার সঙ্গে আমার মূলগত ভাবনার কোন বিরোধ নেই। বিতর্কটা হচ্ছে পদ্ধতি নিয়ে।
    এক, নীতিগত সমর্থন এক কথা। আর প্র্যকটিক্যাল কোন স্টেপ নিতে গেলে তার সীমা ও অধিকার ক্ষেত্র কোথায় আমার ও কল্লোলের বক্তব্য সেই খানে।
    দুই, ওই পরিপ্রেক্ষিত মাথায় রেখে আসুন আপনার খপ পঞ্চায়েত, হিটলারের ইহুদী নিধন,-- এই দুটো কেস নিয়ে কথা বলি। বাকি লজিক তার থেকেই দাঁড়াবে বা ভেঙ্গে পড়বে।
    তিন,
    আপনি বলেছেন-- হিটলারের ইহুদীনিধনে অধিকাংশ জার্মানবাসীর সমর্থন ছিল।
    যদি তর্কের খাতিরে এই হাইপোথিসিস মেনেও নেই, আমি বলেছি যে যতক্ষণ না হিটলার অন্যদেশ দখল করে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ততক্ষণ কোন অন্য রাষ্ট্র তাতে সামরিক বা অন্য সক্রিয় হস্তক্ষেপ করতে পারে না এবং করেনি।তার থেকে কোথায় দাঁড়ায় যেহেতু আমি ওই কথা বলেছি মানে হিটলারের কাজ কে সাপোর্ট করছি? স্তালিন বরং সেইসময় হিটলারের সঙ্গে অনাক্রমণ চুক্তি করেছিলেন।
    তার মানে কি গোটা বিশ্ব তখন ইহুদীনিধনকে সমর্থন করছিল?
    একই ভাবে দেশের ভেতরে গুজরাতে মোদীর ব্যাপক জনসমর্থন এখনও আছে। তাই ও অ্যান্টি-মুসলিম প্রোগ্রম চালিয়ে গেছে। ওকে সরাবে গুজরাতের জনতা। তার জন্যে আমাদের গ্রাউন্ড লেভেলে কাজ করতে হবে।কিন্তু ততদিন মোদী গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকবে। লেজিটিমেট সংবিধানসম্মত মুখ্যামন্ত্রী।
    এই কথা বলা মানে কি মোদীর কাজকম্ম কে সাপোর্ট করা ?না কি আমরা সংবিধান কে, তার মূলভূত অধিকারকে কোট করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে লড়াই করা বন্ধ করে দেব?
    চার,
    আপনার হাইলি হাইপোথেটিক্যাল উদাহরণ মেনে নিয়ে বলি---হরিয়ানার খপ'রা যদি কাল আলাদা রাষ্ট্র বানায়,( যদি বানায়), তাহলে ওরা নিজেদের মধ্যেকি কানুন পাশ করবে সে নিয়ে আমরা আমাদের
    নিজস্ব ভ্যালু সিস্টেম অনুযায়ী প্রতিবাদ করতে পারি, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস্‌, ইন্টার্ন্যাশনাল কোর্ট বা বিভিন্ন ফোরাম যেতে পারি( মায়ানমারের সুচি, তুরস্কের, ইরানের কিছু কেস, চীনের যে ভদ্রলোকটিকে নোবেল দেয়া হল ইত্যাদি) কিন্তু সৈন্য পাঠিয়ে বা অন্যান্য কোন প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ করতে পারি না। তার মানে কি খপ দের মধ্যযুগীয় ভ্যালু কে সমর্থন করা হল?
    কংক্রীট কেস দেখুন না, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। দুটৈ একসময় বৃহত্তর ভারতের অংশ ছিল। আজ ওরা নিজেদের দেশে শরিয়তি আইন লাগু করছে কি অন্য কোন অদ্ভুতুড়ে আইন,-আপনি-আমি কি করতে পারছি? তসলিমার কেসটিইদেখুন। বাম সরকার তো তাকে তাড়িয়ে দিল।
    তার মানে কি আমরা পাকিস্তান বা বাংলাদেশের ধার্মিক উগ্রবাদকে সমর্থন করছি?
  • aka | ১২ অক্টোবর ২০১০ ০০:৫৬459852
  • আমার মনে হল পিএম বোধহয় এরকম কিছু বলতে চেয়েছেন। আজ যদি জাতিসঙ্কÄ¡র আত্মনিয়ন্ত্রন মহান এই মর্মে ভোট করা হয় যে কে কোথায় থাকবে ঠিক করে নাও তাহলে কাল একই যুক্তিতে বিজেপির হিন্দু রাষ্ট্রর ভোট মেনে নিতে হবে।

    রাষ্ট্রকে তো কনসিসটেন্ট হতেই হবে। তখন আমরাই মেনে নেব তো?
  • ranjan roy | ১২ অক্টোবর ২০১০ ০১:০১459853
  • PM,
    আর জাতিসংঘের চার্টার বা ভারতের সংবিধানের ফান্ডামেন্টাল রাইটস্‌, ডাইরেক্টিভ প্রিন্সিপলস্‌ কে কেবল বিভিন্ন সময়ে ঠিকমত প্রয়োগ হচ্ছেনা অথবা অপপ্রয়োগ হচ্ছে এই জন্যে অস্বীকার করবেন?
    তাহলে বেঞ্চমার্ক হিসেবে কাকে মানবেন?
    কোন সন্দেহ নেই ইতিহাসের বিভিন্ন মোড়ে কিছু এগিয়ে থাকা ব্যক্তি মানস পথ দেখান। কিন্তু নতুন ভ্যালু ডেমোক্র্যাটিক সমাজে তখনই প্রভাবশালী হয়, যখন অধিকাংশ জনগন তাদের ভ্যালু সিস্টেমে তাকে আত্মসাৎ করে।
    আর আপনি সতীদাহ নিয়েরাজা রামমোহনের আইন পাশ করার কথা বলিনি। আপনি ভাল করেই জানেন সতীদাহনিরোধ-- বিধবাবিবাহ ইত্যাদি আইন ইংরেজ জমানায় পাশ হয়ে ছিল। তখন ভারতীয়দের তাতে ভোট দেবার অধিকার ছিল না। থাকলে সেই সময় পাশ হত না। পাশ হয়েছিল কারন ইংরেজদের নিজস্ব ভ্যালু সিস্টেমে এগুলো বর্বরতা বলে মনে হয়েছিল। নইলে আরো অনেক ভালো ভালো কথা অনেক মনীষীরা বলেছিলেন--সেগুলো তো ইংরেজ মানে নি। আর সেই ওপর থেকে চাপানো আইন সেই সময় কোথায় কতটুকু কার্যকরী হয়েছিল? কতদিন লাগল ব্যাপক সমাজে এগুলো স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণযোগ্য হতে?
    আমি বলেছিলাম রাজীব গান্ধীর সময়ে পার্লিয়ামেন্ট যে আইন পাশ করে সতীর মহিমা প্রচারকরা, সতীর নামে মন্দির বানানো, পাঠ্যবইয়ে সতীর মহিমা কীর্তন এগুলোকে অপরাধ বলে গণ্য এবংশাস্তিযোগ্য করল --তার কথা।
    রাজস্থানের রূপকুঁয়র কান্ডের সময় মনে করুন।

    আবারও বলছি----- ট্রুথ সব সময় মেজরিটির কাছে থাকে না। অনেক সময় মাইনরিটির চিন্তা বেশি সঠিক থাকে, সবসময় নয়।
    কিন্তুআজও মানব সমাজ এমন কোন রাষ্ট্রনৈতিক কাঠামো দাঁড় করাতে পারেনি যাতে এক নিশ্চিত কালবিন্দুতে দাঁড়িয়ে " ডংকে কী চোট পর'' বলা যায় যে আমি যা ভাবছি তাই ঠিক।
    সেই জন্যে দূরদর্শী প্রাজ্ঞব্যক্তি বা দল মাইনরিটি হলেও ধৈর্য্য ধরে মেজরিটির
    হৃদয় ও বুদ্ধি জেতার জন্যে চেষ্টা-প্রচার-আন্দোলন চালিয়ে যায়। নান্য: পন্থা বিদ্যতে অয়নায়।
  • aka | ১২ অক্টোবর ২০১০ ০১:১৩459854
  • ভারতের সংবিধানের ফাণ্ডামেন্টাল রাইটস কোনটা?
  • ranjan roy | ১২ অক্টোবর ২০১০ ০১:২৩459855
  • আকা,
    কাল যদি মমতা জেতেন তখন আমরা যারা মমতার বিরুদ্ধে ভোট দেব বা বয়কট করবো তারা কি বাধ্য হবনা ওনার একসেϾট্রক যথেচ্চাচারী শাসনের অধীন থাকতে? নয় তো বঙ্গ ছেড়ে আমার মত অন্য রাজ্যে ( যেখানে মমতা নেই:))) চলে যেতে হবে।
    অবশ্যই আমাদের কাছে মমতার ভুল নীতিকে একস্পোজ করে জন আন্দোলন গড়ে তোলার বিকল্প খোলা থাকবে।
    গত তিরিশ বছর ধরে যাঁরা বামশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন তাঁরা রোজ বিড়বিড় করে বাম সরকারের মুন্ডপাত করেও এই শাসনের অধীনেই বসবাস করছেন কি না?
    বিজেপির হিন্দুরাজ্যের হাল বুঝতে প্রতিবেশি পাকিস্তান বা বাংলা দেশের শরিয়তি শাসন দেখুন না?
    ওই দুটো দেশে সবাই কি এ' ধরণের মধ্যযুগীয় আইনি ব্যবস্থার সমর্থক? আদৌ নয়। তাঁরা কি করছেন? যতক্ষণ না মেজরিটির সমর্থন পাচ্ছেন ততক্ষণ অন্দোলন( কখনও চোরাগোপ্তা, কখনও প্রকাশ্য) চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ওই শাসনের অধীনেই দৈনন্দিন কাজকর্ম চালাচ্ছেন। ঠিক বলেছেন--- রাষ্ট্রকে consistent হতেই হবে। আমার মনের মতো না হলে খেলবো না-- এ চলেনা। ওটা অমেরিকার স্টাইল।
    তেমনি বিজেপি যদি হিন্দুরাষ্ট্র নিয়ে গণভোট করে তাহলে আমি বিরুদ্ধে ভোট দেব। কিন্তু যদি ওরা মেজরিটির সমর্থন পায় তাহলে নিয়মকানুন সব পাল্টে যাবে।
    কিন্তু আমি দেশ ছেড়ে পালাব না। এদেশেই থাকবো, ভালবাসি বলে। তার মানে কি আমি হিন্দুরাষ্ট্রকে সমর্থন করলাম?
    আদৌ নয়? আমার বয়স- বুদ্ধি-ক্ষমতা হিসেবে বিরোধী আন্দোলন চালাব যতদিন না ব্যাপক জনগণ আবার রাষ্ট্রের সেকুলার চেহারা ফিরিয়ে আনার জন্যে রাজী হয়।
    প্রতিবেশী নেপাল কতদিন ধরে হিন্দুরাষ্ট্র ছিল, রাজশাহী ছিল। আজ নেই। কেন ? আপনি-আমি খিস্তি করতাম বলে?
    না কি আজ দীর্ঘস্থায়ী জন আন্দোলনের ফলে ব্যাপক জনতা রাজশাহী ও হিন্দুরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বলে?
    এবার আম্পায়ার শচীনকে লেগ বিফোর দেয় নি( হক আই দেখে মনে হয় আউট ছিল)। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান ইনিংসেও কিছু আউট দিতে ভুল করেছে।
    যে ডিসিশন আমার বিরুদ্ধে গেছে তাই নিয়ে আম্পায়ারকে বয়কত করবো?
  • ranjan roy | ১২ অক্টোবর ২০১০ ০১:২৫459856
  • পুরো একটা চ্যাপ্টার, অনেকগুলো আর্টিকল্‌। আপনি কম্পু স্যাভি। নেটে দেখে নিন না, প্লীজ।
  • aka | ১২ অক্টোবর ২০১০ ০২:৩৫459857
  • আমি কোন ট্রিক করার জন্য বলছি না। :))

    সত্যিই বুঝতে পারি নি। যতদুর জানি, ফাণ্ডামেন্টাল রাইট হল 'ফ্রিডম অফ স্পীচ', 'ফ্রিডম অফ রিলিজিয়ন', 'রাইট টু ফ্রিডম', 'রাইট টু কনস্টিটিউশনাল রেমিডি', 'রাইট টু ইকিউয়ালিটি' এইরকম কিছু একটা লিস্টি আছে।

    দেশে থাকব কি থাকব না এই জাতীয় ভোট কোন অধিকার দিয়ে সংবিধানে স্বীকৃত সেটাই জানতে চাইছি।
  • kallol | ১২ অক্টোবর ২০১০ ১২:২৬459858
  • আকা ঠিক বলেছে। ভারতের সংবিধানে "আলাদা হবার অধিকার" দেওয়া নেই। আমেরিকায়, পুরোনো সোভিয়েৎ রাশিয়ায় তা আছে/ছিলো।
    কিন্তু যেখানে দেশের একাধিক অঞ্চলে আলাদা হবার দাবী নিয়ে আন্দোলন চলছে ৬০ বছর ধরে, সেটা নিয়ে ভাবার সময় আসেনি কি?
  • kallol | ১২ অক্টোবর ২০১০ ১২:৫৯459860
  • ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হবে কি না তাই নিয়ে কেউ ভোট চাইতেই পারে, তাতে আপত্তি করার কি আছে। সাধারনত: এসব নিয়ে মানুষের মতামত তো চাওয়াই হয় না। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ যে ইসলামী রাষ্ট্র হয়ে গেলো, সে সময় তো কেউ মানুষের মতামত চায়ই নি। বা ভারত যে হঠাৎ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হয়ে গেলো, বা পরে খোলাবাজারে চলে এলো, সে সব সময়ও কেউ মানুষের মতামত চায় নি।
    তবে, কোন একটা বিষয় নিয়ে এরকম ভোট করার কোন ব্যবস্থা আমাদের সংবিধানে নেই। তাই বলে দাবী করা যাবে না এমনটা নয়। সমকামীরা কিছুদিন আগেও আইন অনুযায়ী অপরাধী ছিলেন। তা বলে সে আইন পাল্টানোর দাবী তো থেমে থাকে নি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন