
তোমার ভেতর একটি পতঙ্গ আছে, অবাক ডানার হাসিমুখে সারাদিন ফুলে ফুলে ঘোরে। কিন্তু তুমি জানো বি-কিপার সরল মেশিন হাতে বন্দরের দিকে গেছে। লুব্ধ ক্ষারের মেশিন অতি দ্রুত প্রহরকে খায়, জলযান খায়, ভাষাভঙ্গি খায় মাতাদোর ও ষাঁড়ের মধ্যে পড়ে থাকা চিৎকার হামাগুড়ি দিয়ে মেশিনের পেটের ভেতর ঢোকে তবু পতঙ্গ তোমার বিকেলবেলায় অর্কিড-হাউস ঘুরে পাইনের দিকে আসে। ... ...



তোমার চোখের দিকে তাকালে দেখতে পাই স্বচ্ছ জলের নীচে কবেকার পুরোনো শ্যাওলা নড়ছে। নুড়িপাথরে হামা দিয়ে কোথাও, কোনো গন্তব্যে এগিয়ে গেল একটি রঙিন কাঁকড়া। পিচ্ছিল পাথরেরা যেন তাদের বংশপ্রদীপ নিয়ে বসে আছে। চোখ সরিয়ে নিই। কয়েক পা পিছিয়ে যে আয়ত দেওয়াল সময়েরও অতীত, তার কাছাকাছি চলে আসি। হয়তো-বা এমন স্থির বায়ুর জগতে কিছুটা মনোরম শব্দ তুলে বসার আসনে বসেও পড়ি। বসার আসনে পুরনো একটি চাদর। ... ...







ইমোশন দেখলেই তার উপচে পড়ছে কথকতা/ দৃশ্যকে পিঁড়ি পেতে ডাকে, বাবা বাছা করে/ আমদুধ মেখে দ্যায় কাঁসার থালায়/ অচেনা শব্দ এলে তার সঙ্গেই কত কথা... ... ...




জলের ধারে নৌকায় কয়েকবছর ধরে থাকে শ্যামল হালদার। ডাঙায় আসে না। খেয়া তৈরির প্রথম দিন ছটি প্রদীপ জ্বলেছিল ছয় দেবতা ও পীরের নামে। পাঁচটি দীপ নিভে যায় একটি জ্বলে থাকে কালীর নামে। তরীখানা মুণ্ডমালিনীর নামে উৎসর্গীকৃত, তাই মাংসরন্ধন নিষেধ। ... ...


দুটি কবিতা ... ...

কৌশিক বাজারীর দুটি কবিতা। ... ...