
গণতন্ত্রের ওপর আস্থাটা আরেকবার ঝালিয়ে নিন। ছত্তিসগড়ে শহীদ হসপিটালের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং প্রধান চিকিৎসক ডঃ শৈবাল জানা আপাতত গরাদের পেছনে। এইধরনের লোকগুলোকে যদি গারদের বাইরেই রেখে দেওয়া হবে, তবে জনগণের টাকার শ্রাদ্ধ করে জেলখানাগুলো বানানো কেন? যেসব গোঁয়ারগোবিন্দগুলো দেখতেই পাচ্ছে না যে আমরা এখন ভারতনির্মাণ করছি, আর তাতে অংশও নিচ্ছে না, তারা খামোখা গারদের বাইরে থাকবেই বা কেন? অবিশ্যি আমাদের মতো সুনাগরিকদের এতে চাপ নেওয়ার কোনও দরকার নেই। এই ভারতনির্মাণের সাথে স্লোগান দেওয়া বা র ... ...

গলাবাজি করতে কে না ভালোবাসে? কে না ভালোবাসে যে তিনি বলবেন আর বাকিরা শুনবে। আরও ভালো হয় যদি তার বক্তব্য যারা শুনছেন তারা সক্কলে মিলে একবাক্যে সায়ও দিয়ে দিলেন। তার সাথে সাথে এ আপ্লুত সায়ও দিলেন যে-এই কথাটাই এদ্দিন আমিও বলবো বলবো করেও বলে উঠতে পারিনি, আহা আপনি যেন স্বাক্ষাত ফ্রয়েড। কার না ভালোলাগবে এইরকম একটা মাস সাপোর্ট পেয়ে গেলে তার বক্তব্যের সমর্থনে? বাস ট্রাম মেট্রোয় কারোর সাথে ঝামেলা লাগবার পর সহযাত্রীরা এগিয়ে আসেন আপনার হয়ে, তখন ভালো যে লাগেনা, নিজেকে যে বেশ একটা কেউকেটা বলে মনে ... ...

কর্পোরেট হাসপাতালের জেলেদের কথাএকটি মধ্যবিত্ত যুবক বেসরকারি সংস্থায় অস্থায়ী কাজ করেন। তেত্রিশ বছরের ঐ যুবকটির কোন শারীরিক সমস্যা ছিলোনা। ফ্রি হার্ট চেক আপের জালে ওনাকে আটকেছে বাইপাসের কবিগুরুর নামাঙ্কিত একটি হাসপাতাল। ঐ হাসপাতালটা ও দূর থেকে কয়েকবার দেখেছে আর ভেবেছে বড় বড় হাসপাতালগুলো বড় বড় হোটেলের মতো। বাবাকে নিয়ে কয়েকবার রাতে পি. জি. হাসপাতালে ওনাকে যেতে হয়েছিলো। ওগুলোর একটা আলাদা গন্ধ আছে। বাইপাসের বড়ো রাস্তার দুধারে বড় বড় বাড়িগুলো দেখে কোনটা হোটেল আর কোনটা হাসপা ... ...

ছাত্র-ছাত্রীদের মেসে জল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারা তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় কিচ্ছু জানাতে পারছে না। নন-টিচিং স্টাফদের কাজে লাগিয়ে মেসে খাবারও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোনো মিডিয়াকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বাইরের কোনো ছাত্রকেও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেরা রান্না করছে কাল রাত থেকে। এইমাত্র খবর পেলাম, পাবলিক প্লেসে রান্না করার জন্য দু'জনকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে। চারদিন ক্লাস হবে না ঘোষণা করা হয়েছে, আন্দোলন প্রত্যাহার না করলে সেমেস্টার ক্যান্সেল করার হুমকি আসছে লাগ ... ...

বসন্তের আগমনের প্রাক্কালে, হিমের পরশ লেগে আছে আঙ্গুলের ডগায়, গালের চাকচিক্যে, মাছের ঝোলে। চারিদিকে ছড়িয়ে আছে পেঁজা তুলো অথবা কাশফুলের মত ভাঙ্গা কাঁচের টুকরো। দুপুর হতেই সার বেঁধে ঝিঝিপোকার দল এক্কাদোক্কা খেলতে খেলতে এগিয়ে আসে পিচ রাস্তার ধার বেয়ে। এমন প্রযুক্তি-যুগের মা মাসীদের প্রোফাইল পিকচারে দেখা যায় চরম আবেদনময় রকমারি বাহার। পাড়ার মোড়ের টিউবয়েল হোক কিমবা মধ্যরাত্রের কেব্ল টিভি, উভয়েই ঠান্ডা করে তৃষ্ণার ঘোরতর প্রকোপ। তুলকালাম বেঁধেছে তুলকালাম। জনৈক পাড়াতুতো মিঠুন চক্রবর্তীর খোলামেলা ভোট প্রচ ... ...

বসন্ত উৎসব, রঙের উৎসব, ফাগুয়া -হোলী, বাঙ্গালীর দোল উৎসব এসে গেল। অদ্ভুত ভাবে ঠিক একই দিনে বছরের একই সময়ে সেই ঐতিহাসিক সময়ে থেকে কুর্দ জনতা রাষ্ট্রের রক্তচক্ষু এবং গণহত্যা অগ্রাহ্য করে আজকের দিনে (২১সে মার্চ ) রাস্তায়, প্রকাশ্য স্থানে জমা হয় ‘নিউ রোজ ‘ মানাতে। 'নিউ রোজ' হোল কুর্দ নববর্ষ একই সাথে বসন্তের উৎসব। আগের কালে পাহাড়ে পাহাড়ে শীতের ঝরা পাতায় আগুণ লাগানো হত। সারা কুর্দিস্তান, ইরাক, ইরান, তুরস্ক, আর্মেনিয়া, সিরিয়া এমনকি আফগানিস্তানের পাহাড় আগুনে লাল হয়ে যেত আজক ... ...

কান্না ~ শর্মিষ্ঠা নাহা ইউটেরাস বাদ দেওয়া এখন মামুলি ব্যাপার। পেট কাটার তো কোনও ব্যাপারই নেই, ফুটোও করতে হয় না। শরীরের ওপর ধকল প্রায় নেই বললেই চলে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর একা একা বাড়ি যাওয়াটা কোনও ব্যাপার নয়। শুধু হাসপাতালের রেজিস্টারে সই করে ডিসচার্জ সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য একজন পেশেন্ট পার্টি দরকার, তাই অফিস কলিগ দেবযানীদিকে ডেকেছিল তনিমা। সব ফর্মালিটি মিটিয়ে বেরিয়ে দেখে দুটো লিফট ই অকেজো। অগত্যা আস্তে আস্তে সিঁড়ি বেয়েই নামা। ... ...

বিষয়টা হলো ফর্সা, জাঁদরেল নামওয়ালা না হলে কোনো লাভ নেই। যদি কালো হও তাহলে তাহলে হয় দুরন্ত বিপাশা বসু টাইপ হও, নাহলে কেউ পাত্তা দেয়না গোছের মনখারাপ করতে নেই। কোনো লাভ নেই।"ওরকম দেখতে হলে কি হবে, ওর কিন্তু অনেক গুণ", অর্থাৎ গুণ হলো সেকেণ্ডারি। সেই আদ্যিকালের শ্লোকেও তার স্বাক্ষ্য বহন করছে, নাহলে রূপে লক্ষী গুণে সরস্বতী বলা হতোনা। আগে বাগদেবী স্থান পেতেন। আর বিষয়টা অগ্রাহ্য করে কোনো লাভ নেই। মিথ্যা বলা হবে। নিয্যস খাঁটি মিথ্যে বলা হবে। নাহলে চার্লস শোভরাজের ফ্যান ফলোয়িং থাকতোন ... ...

টি-২০ আসার পর ক্রিকেট দেখা সম্বন্ধে সব উৎসাহ হারিয়ে গেছে। কাল যে ইডেনে ম্যাচ ছিল সেটাও কাল দুপুরবেলা জেনেছি। কিন্তু ইডেনের ম্যাচ থাকলেই আমার ১৯৯৬ সালের এক বিকেলের কথা মনে পড়ে যায়। তখন আমি ১৪, এবং ভারতের যে কোনো টেস্ট ম্যাচ হলেই টিভির সামনে বসে যেতাম বাধ্য ছাত্রের মত। মায়ের বকাবকি পরীক্ষার চাপ সব কিছু অগ্রাহ্য করেই।টেস্ট-ম্যাচটা ছিল ইন্ডিয়া বনাম সাউথ আফ্রিকা্র। আমার ম্যাচটার কথা মনে আছে হ্যান্সে ক্রোনিয়ের জন্য। সেই ম্যাচে ক্রোনিয়ে খুব খারাপ খেলেছিলেন। ফার্স্ট ইনিংসে সম্ভবত দশের নিচ ... ...

গুরুচণ্ডালী ফেসবুকে গ্রুপে কদিন আগে গৌতমদা (দাশগুপ্ত) আমাকে তাঁর একটি পোস্টে ট্যাগ করেন। বিষয় ছিল 'বেলাশেষে'। ছবিটি তিনি বেশ কয়েকবার দেখেছেন। আমি দেখেছি কিনা, কি বক্তব্য তা জানতে চেয়েছিলেন। একজন সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন সেখানে যে আমি সম্ভবত এ জাতীয় ছবি দেখিনা। কাল আবার বাংলাদেশের একজন সদস্য একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন সেখানে, যাতে বলা হয়েছে 'বেলাশেষে' আদতে নারীর সাবমিসিভ ভূমিকাই প্রতিষ্ঠিত করে এবং তাকে প্রেম বলে চালায়, নারীর ক্ষমতায়নের দিকে যায় না। উত্তর কোথাও দেওয়া হয়নি, এখানেই দিচ্ছি। এই পোস্ট আ ... ...

#গোলমেলে_গিন্নি_১২ ~ শর্মিষ্ঠা নাহাফুলশয্যার রাত--------------(যথারীতি আঙটি পরানো ইত্যাদির পর)বর - সুতপা, তোমাকে আমার কিছু বলার আছে। আমার সঙ্গে থাকতে হলে তোমাকে কথাগুলো মন দিয়ে শুনতে হবে এবং সারা জীবন মানতে হবে।বৌ- কি কথা, আদিত্য?বর - আমার জীবনে মা ই সব। তোমাকে আমার মা র কথা সব অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে হবে।বৌ- আচ্ছাবর - মা যেমন যেমন আচার বিচার পালন করেন, তোমাকেও তাই তাই করতে হবে।বৌ - বেশ, তাই হবে।বর - কোন বাড়িতে কি শিখে এসেছ, আজ ... ...

অন্য কোথা অন্য কোনখানেচলছিলো তো অনেক কিছুই। রোহিত ভেমূলা, কানহাইয়া কুমার, উমর খালে্দ, আজাদী, কাশ্মীর, উত্তরপূর্ব, ঋণখেলাপী বিজয় মালিয়া, নারদ স্টিং এ কাহিল তৃণমূল, নানান বাদ-প্রতিবাদ ইত্যাকার বহুকিছু। এসবের মধ্যেই সুযোগ এলো উত্তর কর্ণাটকের আদিবাসী গ্রামে যাবার। এরা অবশ্য আদিবাসী বলে না, বলে বনবাসী। এই ঘুরতে যাবার একটা নামও দিয়েছে এরা বনযাত্রা। এরা হলো অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যান আশ্রম। উইকি বলছে এরা সঙ্ঘ পরিবারের সদস্য। ধর্মান্তর নিয়ে এদের নানান মাথাব্যথা। আমার সাথে এদের যোগাযোগের সেতু হলো র ... ...

অনলাইন পিটিশনে সই করুন ... ...

পর্ব-১একটা বই একটা গোটা মাস কেড়ে নিয়ে কখোনো এমন ভাবে মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেনি। একটা বই আগে কোনোদিন এমন ভাবে বলেনি, বাংলার হরফে যা পড়লে বাংলা সাহিত্যে শুধু তা প্রথম নয় একেবারেই বিরল। শুধু বাংলা সাহিত্যে কেন? বিশ্বের সাহিত্যের ভান্ডারে এই বই খুঁজে বের করা দুঃসাধ্য। এক মা লিখছেন যুদ্ধের দিনলিপি। এক মা লিখছেন এমন এক নিদারুণ সময়ের কথা, ব্যাথার কথা, আনন্দের কথা যা পড়তে বসলে আজ এতোদিন পরেও স্থির থাকতে পারাটা দুষ্কর।আপনি “একাত্তরের দিন গুলির” কথা বলছেন দাদা? আমার হাতে মেলা বইয়ের ... ...

কর্ণসংহার***************************কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের ধারাবিবরনী একটা ফরম্যাটেই লেখা হতো। দিনের শেষে সঞ্জয়, কুরুক্ষেত্রের অনতিদুরে হস্তিনাপুর যেতেন এবং সেখানে হততেজাঃ ধৃতরাষ্ট্রকে যুদ্ধের খবর জানাতেন। প্রথমে একেবারে হেডলাইন (যেমন "ভীষ্মের নিধন হইয়াছে"),তারপরে আরো ছোটো খাটো দুঃসংবাদ। ধৃতরাষ্ট্রের বিলাপ ও সঞ্জয়ের ভরৎসনা তারপর উদগ্রীব মহারাজাকে ডিটেইলসে সব জানানো।এদিনেও (পঞ্চদশ দিনের রাত্রে) তার ব্যাতিক্রম ঘটে নি, " মহামতি সঞ্জয় রজনীযোগে উদ্বিগ্নমনে বায়ুবেগগামীশ ... ...

কৈলাসে তখন শিবের গাঁজা-চুল্লু খেয়ে খেয়ে প্রায় ধ্বজভঙ্গ হওয়ার যোগান। ইয়ের থেকে ট্রাইসেপ বেশি টাইট। খুব প্রয়োজনে ত্রিশূলটাকে ট্রাইপড হিসেবে ব্যবহার করে কাজ চালাচ্ছেন কোনওক্রমে। পার্বতী কী আর করবে। তখনও বিশ্বকর্মাকে মাস্টারবেশনের পদ্ধতি বাতলায়নি বৃহষ্পতি। কৈলাস তাই বড়ই ঠাণ্ডা। সেখানে মিটিং মিছিল নেই, বন্য মামনি নেই, নেরুদা নেই, বিচিত্রবীর্য নেই, ল্যাম্পপোস্ট নেই, বাৎসায়ন তখন হরলিক্স ছাড়া কিচ্ছু চেটে চেটে খায়নি। এমন দুরবস্থায় হঠাৎ শিবের একদিন পাতায় অরুচি হল। তিনি বললেন, "মনে বড় কাম জেগেছে গো গোঁসাই ... ...

যথারীতি 'ভোট ‘ এসে গেলো। পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রে (!) পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ, মিউনিসিপ্যালিটি থেকে শুরু করে রাজ্য, কেন্দ্র, বিভিন্ন উপ নির্বাচন ইত্যাদি মিলিয়ে ক্যালেন্ডারের প্রায় ৩৬৫ দিন ধরে কোথাও না কোথাও ‘ ভোট ‘ লেগেই রয়েছে । রয়টারের রিপোর্ট অনুযায়ী কেবল মাত্র গত পার্লামেন্ট নির্বাচনে ৩০০০০ কোটি টাকা সরকারী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিকদল মিলিয়ে খরচ করেছেন আমাদের মাননীয় সাংসদ নির্বাচনের স্বার্থে। আমরা যদি এর সাথে পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ, মিউনিসিপ্যালিটি থেকে শুরু করে রাজ্য, কেন্দ্র, উপ ... ...

ব্রেকিং নিউজঃ ক্রিকেটে জোচ্চুরি করেছিলেন কানহাইয়া কুমার। আজ নী জিউস এবং নাইমস টাঊ একটি বিশেষ ভিডিও প্রকাশ করেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কিছুদিন আগে জে এন ইউ তে হওয়া একটি ক্রিকেট ম্যাচে কানহাইয়া কুমার স্পষ্ট রান আউট হওয়া সত্ত্বেও ক্রীজ ছেড়ে না গিয়ে আম্পায়ারের সাথে তর্ক করতে থাকেন। দিল্লী পুলিশ জানিয়েছে তারা এই ভিডিও ফুটেজগুলি নিয়ে তদন্ত করবেন এবং পরবর্তী শুনানিতে এগুলি প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা হবে।(বাজে খবরের পক্ষ থেকে প্রতিবেদকঃ অমিতায়ু সেনগুপ্ত) ... ...

অবশেষে আমি মারা গেলাম। খুব একটা কষ্টটষ্ট পাইনি। সকালে চা খেতে খেতে পাঁচতলা ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে মোবাইলে গেম খেলছিলাম। হঠাৎ মোবাইলটা হাত থেকে ফসকে গেল। নতুন ফোন, কিছুদিন আগে একটা হারিয়েছিল। প্রচন্ড দাম এই ফোনগুলোর। আমার একটাই শখ, দামী মোবাইল ফোন ব্যবহার করা। এমনভাবে বারবার হাতছাড়া করা যায় নাকি। গেল, গেল করে ফোনের পিছন পিছন আমিও ধাওয়া দিলাম। ওমনি দেহটা কেমন পালকের মতন হয়ে গেল। আমিও পড়ছি, ফোনও পড়ছে। আমি কার্নিশে গোত্তা খাই, তো ও টেলিফোনের তারে, আমি পাইপ হাঁতড়াচ্ছি, ও তিনতলার টুসি বৌদির ব্রা ... ...

এক'কিছুটা থাক আলগোছেতে...কিছুটা থাক কাছে...কিছু কথা ছড়িয়ে পড়ুক...চেনা আলোর মাঝে...।''খুব সকালে ঘুম ভাঙতে চাইতো না আমার। লেপের পরে লেপ, চাদরের পরে চাদর এর গা থেকে ওর কাছ থেকে, ছেড়ে যাওয়া বিছানা থেকে টেনে টেনে গায়ে চলে আসতো আমার। লম্বা চাটাইয়ে স্যাঁতসেঁতে পলেস্তারা খসা ঘরে শুয়ে থাকতো ওপার বাংলা থেকে অনিচ্ছায় আসা উদ্বাস্তু মানুষ গুলো। আমিও তাদের মধ্যে কুন্ডুলী পাকিয়ে লেপ, চাদর আর কাঁথার পাহাড়ের মধ্যে সেঁধিয়ে থাকতাম। সকালের রোদ আমাদের বালীর বাসায় ঢুকতো না একটুও। কিন্তু মায়ের উনুনের ধো ... ...