
খুব শান্তি পাই, যখন দেখি কালচারগুলো মিলে যাচ্ছে।বিধর্মী ছেলের হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছো শহরের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত। দুটি হাত ছোঁয়া সংবেদী বিন্দুতে ঘটে যাচ্ছে বনমহোৎসব। দুটি ভিন্ন ধর্মের গাছ ভালোবাসার অক্সিজেন ছড়িয়ে দিচ্ছে। যেন খেজুর বটের অপার আত্মীয়তা।মায়ের শাড়ি পরে এসেছো তুমি। ব্রাক্ষ্মণ রমনীর খুঁতখুঁতে গন্ধ লেগে আছে তাতে। সেই শাড়ি বারবার ছুঁয়ে যাচ্ছে আমার পাঞ্জাবির হাতায়। তোমার মায়ের মুসলিম বিদ্বেষে সন্তানসুলভ শ্রদ্ধা রেখে যাচ্ছে আমার নাজুক মুসলমানি...।লেকের একটুকরো ... ...

কবি অনেকদিন হতেই “জীবনের ধন কিছুই যাবে না ফেলা” বলে আশ্বাস দিয়ে এলেও ছোটবেলায় হালকা ডাউট ছিল কবি কোন ধনের কথা বলেছেন এবং ফেলা অর্থে কোথায় ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন? ধন যে ফ্যালনা জিনিস নয়, সেটা আবার নিমোর ছেলেদের থেকে ভালো কে বুঝত! কিন্তু সেই নিয়ে কাব্যি করার জন্যি কনফিউশনটা তৈরী হয় আমাদের মধ্যে। যত দিন যায় ক্রমশঃ ততরূপে ধন আমাদের সামনে পরিস্ফুট হয়। এমন ভাবেই নিমো উন্নত অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক অবস্থা পার করা এবং ক্লাস ফাইভে মেমারী বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দিরে উঠে সি এ টি – ক্যাট বলে ... ...

সেদিন, অঝোর ধারে কাঁদতে কাঁদতে বাবার চেয়ারের হাতল ধরে মেঝেতে বসে পড়েছি। দৃশ্যত শান্ত বাবা, খানিকক্ষণ কাঁদার সুযোগ দিলেন। এ দুটি বাক্যে ভেবে নেবার কোনো কারণই নেই, বাবা আর আমার সম্পর্ক অতি সুমধুর ও বোঝাপড়ার। বরং তার অব্যবহিত কয়েক মাস আগে পর্যন্তও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শেষে কমপক্ষে তিনদিন বাক্যালাপ স্হগিত থাকা, আমার জ্যেষ্ঠা কন্যা, যিনি আমার বাবার ঘোষিত তৃতীয় পক্ষ, তাকে ভুলিয়ে, বকে যেনতেনপ্রকারেণ বাবার সান্নিধ্যে যেতে না দেওয়া এগুলোই পরিবারের বাকী সদস্যদের চেনা চিত্রনাট্য ছিলো। কিন্ত এ কয়েকমাসে সম ... ...

পরবাস পর্ব:অদ্ভুত একটা দেশে এসে পড়েছি! এদেশের আকাশ সবসময় মেঘাচ্ছন্ন.. সূর্য ওঠেই না বললে চলে! হয় বৃষ্টি নয়তো বরফ!!বর্ষাকাল আমার খুবই প্রিয়.. আমি তো বর্ষার মেয়ে, তাই বৃষ্টির সাথে আমার খুব আপন সম্পর্ক। কিন্তু এদেশের বৃষ্টিটাও বাজে! এরা অতি সন্তর্পণে ঝরবে! কেন রে বাবা! ঝমঝমিয়ে নাম না একবার!! তা নয়, টিপ টিপ করে পড়ছে। যেন একটু বেশি জোরে বৃষ্টি হলেই মাস্টারমশাই খুব বকে দেবে! কলকাতায় অফিস যাওয়ার সময় খুব চাইতাম একটু মেঘ করুক, সেইসময় আমি অফিস পৌঁছে যাই টুক করে! আর এখানে চাইছি সূর্য উঠ ... ...

হিন্দু স্কুলের জন্মদিনেআমাদের স্কুলের খেলার মাঠ ছিল না। থাকার মধ্যে ছিল একটা উঠোন, একটা লাল বেদী আর একটা দেবদারু গাছ। ওই লাল বেদীটায় দাঁড়িয়ে হেডস্যার রেজাল্ট বলতেন। ওই উঠোনটায় আমরা হুটোপাটি আর প্রেয়ার করতাম। আমাদের ইস্কুলের প্রেয়ার ছিল জনগনমন। তখনো জাতীয়তাবাদী ভক্তি প্রদর্শন বাধ্যতামূলেক হয় নি। তাই আমরা নিজেদের আনন্দেই জাতীয়সঙ্গীত গাইতাম, অন্যথা পাকিস্তানে এক্সপোর্ট হওয়ার ভয় থেকে নয়। তবে ভয় কি আর ছিল না? ইতিহাসের বিষ্ণুবাবুকে যমের মত ভয় পেতাম। প্রেয়ারে পৌঁছতে একটু দেরি হলেই সাঙ্ঘাতিক ব ... ...

আমার বাবাকে জীবনকালে, আমার জ্ঞান ও বিশ্বাসমতে, থানায় যেতে হয়েছিলো একবারই। কোনো অপরাধ করায় পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিলো তা নয়, নিছক স্নেহের আকুল টান বাবাকে টেনে নিয়ে গিয়েছিলো 'মামা'দের মাঝে। 2007 সাল। তখন এপ্রিল মাস। 14ই মার্চ ঘর ছেড়ে মাসতুতো বোনের বাড়ী চলে আসবার পর, 17 তারিখ আমার বড়কন্যেকে তার ইচ্ছাক্রমে আমার কাছেই আনতে, জলপাইগুড়ি যাই বাবার বাড়ীতে, যেখানে তারা দুইবোন অ্যানুয়াল পরীক্ষা শেষে অভয়ারণ্যে বিচরনের আনন্দ উপভোগ করছিলেন। তো, বড়মেয়েকে নিয়ে আমি বেড়োলাম উকিলের সাথে দেখা করতে, আর ছোট ... ...

মাঘ এলেই মনে পড়ে শ্রীপঞ্চমীর বিকেলে অপু বাবার সাথে নীলকন্ঠ পাখি দেখতে বেরিয়েছিল।নিজে ও রোজকার রুটিন বদলে ফেলতাম পুজোর দিনপনেরো আগে। স্কুল থেকে রোজ বিকেলে বাড়ি ফিরে খুঁটিয়ে দেখতাম উঠোনের আমগাছটায় মুকুল এলো কিনা, আর গাঁদার চারায় কতগুলো কুঁড়ি এলো, তারপর ব্যাগ রেখে জামাকাপড় বদলে একছুটে বাড়ির পেছনের মাঠটা পেরিয়ে পোটোবাড়িতে............গিয়ে দেখতাম সারি সারি প্রতিমা সাজানো, একমেটে থেকে খড়ির প্রলেপ মেখে নেওয়ার গল্প তৈরী হচ্ছে। পোটোকাকু আমায় দেখে একগাল হেসে বলতেন, 'ওহ! এসে গেছো, দ্যাখো আজ ক ... ...

প্রায় মাধ্যমিক পর্যন্ত প্রফেশ্যনাল ম্যাসাজের বলতে আমার দৌড় ছিল ওই সিধু জ্যাঠা অবদিই। বাড়ির উঠোনে সেই সকাল থেকে বাড়ি শুদ্ধু পাবলিকের দাড়ি, চুল কাটা চলছে। প্রথমেই বাবার দিয়ে শুরু, বাবা দাড়ি কেটে নিমো ফটকগোড়ায় নারানের চায়ের দোকানে রোজকার প্রাতঃকালীন আড্ডায় চলে গেল। কাকা রবিবার ছূটির দিনে দাড়ি ইত্যাদি কেটে একবার গেল চাষের জমিতে রাউন্ড মারতে, সে রাউন্ড মারা অবশ্য সিম্বলিকই ছিল। কাজের কাজ বলতে কাকা মাঝে মাঝে জমি থেকে গোটা কতক মূলো তুলে এনে বলত, মূলো গুলো খাবার মত হয়ে গ্যাছে, মুড়ি দিয়ে খাব বলে নিয়ে এলা ... ...

এমন হয়, প্রায়শই হয়। কথাবার্তায় উঠে আসে কোনও কোনও নাম। আমাদের লেখকের ক্ষেত্রেও তাই হলো। লেখক ও তার বন্ধু হাসানুজ্জামান ইনু সেইদিন রাত আটটা ন’টার দিকে জিন্দাবাজারে হাঁটছিলেন। তারা বাদাম খাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন যে রিকাবিবাজার যাবেন, ও সেখানে গুড়ের চা খাবেন।তখন শীতের সময়। চারিদিকে পড়েছে শীত। মানুষজন গরম কাপড় পরে বের হয়েছেন। অনেকে ব্যস্তভাবে হাঁটছেন, অনেকে দাঁড়িয়ে ভাপা পিঠা খাচ্ছেন। ব্যস্ত রাতের পূণ্যভূমি। এমন অবস্থায় আমাদের লেখক ও তার বন্ধু হাঁটতে হাঁটতে বললেন হেলেনের কথা। ইনু বললে ... ...

‘ খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে টুকরো করে কাছি’, ‘ডুবতে রাজী’ থাকার একটা বয়স সব্বার জীবনেই বোধহয় আসে, কেউ সামাল দিয়ে নেয়, কেউ ভেসে ভেসে অবশেষে ডুবেই যায়। জোর দিয়ে বলতে পারি না অবশ্য, আমার অন্য অনেক সদাই প্রশ্নের মুখে পড়া অনুমানের মত এটিও একটি। তাত্ত্বিক আলোচনায় টানলে প্রথম সুযোগেই প্রতিপক্ষ আমায় হেলায় গোল্লাছুট্ করিয়ে ছাড়বেন এ দৃঢ় প্রত্যয় অবশ্য সংশয়াতীত। সে যাই হোক গিয়ে, সে ভয়ে কম্পিত নয় (নাকি!!) এ বীরাঙ্গনার হৃদয়। ইয়ে, ধান ভানা বড্ড কায়িক-মানসিক শ্রমের ব্যাপার, বরং বেসুরো হলেও শিবের গীত ... ...

গাঙ ফিরবেন বাবু? ওরা দুজনেই চোখ তুলে বাম দিকে তাকাল। একটি ছোট ডিঙি নৌকা। নৌকার লোকটি কী বলল তাদের ঠিক ঠাহর হয়নি। বাতাসে জলের সরসর শব্দ। পিছনের গেঁওয়া গাছের মাথায় বড় বাতাসের ঝাঁকুনি। গাঙ ফিরবেন লাকি গো? ওরা বুঝল এ গাঙফিরানি ডিঙি। ওপারে মিঠালি বাদি। যে-ঘাটে ওরা দাঁড়িয়ে আছে সেটি পটুয়াখালি ঘাট। মধ্যে বিদ্যাধরী ছলাৎছল। সূর্য মধ্যগগনে। মেয়েটির কপালে উড়োচুল। শালের পাড়ের আলপনায় মুখটি বেশ দেখায় যেন। যেন এইমাত্র ধুয়ে সাফা করে ক্রিম ... ...

বড়ি দেওয়ার কথা বলছি। এ রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলা মেদিনীপুর। অধুনা পূর্ব মেদিনীপুর। এই জেলাতে ঘরে ঘরে বড়ি দেওয়ার চল। বড়ির ডালের অনেক রকমফের। সে সব আপনারা আমার চেয়ে বহুগুণ বেশি জানেন। আপনাদের সঙ্গে সে ব্যাপারে পাঙ্গা নিতে গেলে আমি ভির্মি খাব। আমি অন্য কথা বলি বরং। শীত এল তো ঘরে ঘরে উসখুস মা কাকিমা জ্যেঠিমাদের মধ্যে। কেউ শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলেন। ... ...

একটা ভাঙাচোরা ভ্যানে ওরা রূপসাকে নিয়ে গেল। এতটুকু মায়া না করে ভ্যানে তুলছিল একটা মোটা পুলিশ। পায়ের কাপড় সরে যাচ্ছিল। বাড়ির সামনে ভিড় করে থাকা অজস্র কৌতূহলী চোখ বার বার ছুঁয়ে দিচ্ছিল রূপসাকে। সবে বৈশাখের শুরু, এখন থেকেই কাঠফাটা গরম। ঘোষেদের দোকানের সামনে একটা লরি দাঁড়িয়ে। সিমেন্টের বস্তা নাবাতে নাবাতে দরদর করে ঘামছে দুজন হাজারী। গরমে রাস্তার পিচ গলতে শুরু করেছে। বড় গাড়ি গেলে চাকার দাগ বসে যাচ্ছে। কলকাতার কাছে হলেও জায়গাটায় এখনো গ্রামের ছাপ স্পষ্ট। রাস্তার দুপাশে এলোমেলো ভাবে গজিয়ে উঠছ ... ...

আপনার মতে টুসুর একটা ৫ ফুট উঁচু চৌডল এর দাম কত হতে পারে?৫০০০ টাকা ?১০০০ টাকা ?না এবছর অনেক খরচ করে বানানো চৌডল গুলো বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা বা তারথেকেও কম দাম এ । তাই হয়তো পরের বছর থেকে বন্ধই হয়ে যাবে এই উৎসব। ছৌনাচ এর থেকে কোনো অংশে কম গুরুত্বপূর্ন না হওয়া সত্ত্বেও যুগের অগ্রগতির সাথে সাথে শেষ হতে চলেছে টুসু শিল্প।বামুন্ডির শিল্পীদের মতে শুধু মাত্র কম্পিটিশনের জন্য বানানো খুউব বড় বড় চৌডল ছাড়া একটি চৌদলের লাভ প্রায় ২০-৩০ টাকা। অনেক সময় ৪০০-৫০০ টাকা খরচ কর ... ...

সাত মাস ধরে নিজের মেয়ের ধর্ষণ ও খুনের কেসের কোন অগ্রগতি না পেয়ে ভিকটিমের মা এক অভিনব প্রতিবাদ করে বসলেন। প্রায় পরিত্যক্ত তিনটা বিলবোর্ড ভাড়া করে পর পর তিনটা বিলবোর্ডে লিখে দিলেন - ১) RAPED WHILE DYING২) AND STILL NO ARRESTS? ৩) HOW COME, CHIEF WILLOUGHBY? তারপর যা হয় আর কি! কেস সমাধানের থেকে পুলিশের সব রাগ গিয়ে পরে বিলবোর্ডে আর ভিকটিমের মা মেলড্রিডের উপরে। যদিও পুলিশ চিফ এই ব্যাপারে যথেষ্ট আন্তরিক। মেলড্রিডের তখন আর আন্তরিকতায় সন্তুষ্ট থাকার মত অবস্থা নাই। যেভাবে হোক মেয়ের হত ... ...

কিউবায় মোট পনেরোটি প্রভিন্স আর একটি যাকে ওরা বলে স্পেশাল মিউনিসিপ্যালিটি। আমরা যেখানে গেছিলাম সেই প্রভিন্সের নাম ভিলাক্লারা। আর যে শহরের এয়ারপোর্টে নামলাম বা উঠলাম, সেটা সান্টাক্লারা। এইটুকু ইনফরমেশন অবশ্য যাবার আগেই জানতাম। আর তার সাথে যেটা আমার শিকড়গত বামপন্থা জানিয়ে রেখেছিলো, যে এই সেই সান্টাক্লারা, গেরিলা যুদ্ধের তীর্থক্ষেত্র। চে'র মাত্র সাড়ে তিনশ গেরিলা বাহিনী হারিয়ে দিয়েছিলো আমেরিকান মদতপুষ্ট পাঁচ হাজার সেনা, ট্যাংক, কামান বন্দুক আর সবচেয়ে বড়ো কথা পুঁজিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা-কে। রক্তপা ... ...

"কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে” – এই জাতীয় প্রশ্ন মনে হয় কবি আমার মত পাবলিকদের উদ্দেশ্যেই ছুঁড়ে দিয়েছিলেন সেই কবে। আর তারও আগে থেকে আমার মত পাবলিকদের মায়েরাই ‘সুখে থাকতে ভুতে কিলোয়” বাগধারাটিকে শুধু টিকিয়ে নয় বরং জাগ্রত করে রেখেছেন আমাদের বিদ্ধ করে করেই। সেই দিন ভোর বেলা নাগাদ ফুরফুরে হাওয়ায় বারান্দায় চা খেতে গিয়ে বাঁদরের নাচানাচি এবং পাখির ডাক শুনতে শুনতে ভুতে কিলোনোর ব্যাপারটা আবার চাগাড় দিয়ে উঠল। প্রায় সবার ডাকনাম আছে, কিন্তু আমার কেন নেই – তার মানে কি আমার দিকে ঠিক মত নজর দেওয়া হয় ... ...

১৩চলো, আখ্যান লিখি, তুমি কিছু বলো-কিছু আমি বলি - যদি যেতে চাও, চলো...১যাই ছুঁয়ে আসি, নদীঘাট, একটি শালতিপলকা দুলতেছিল, কাঁচা পথে কাদের পালকিহেঁকে যায়, ঝোপ ঝাড়, পিছুপিছু কত বাচ্চারাজুটেছিল, দেখ মুখ টিপে ঘোমটা আড়ালেহঠাৎ বিদ্যুৎ চমক, ওইখানে তুমিই দাঁড়ালে।২তাই হবে, অনেক অনেক দিন আমাদের কথা নাই, চিঠি ও পত্তর তোমাকে লেখার খাতা, বারো ভূত দানছত্তর উড়িয়ে পুড়িয়ে খেয়ে নোনা ইঁট জমিদার বাড়িজঙ্গলে দেওয়ালের গলায় বাঁধা আছে অশ্বত্থ ... ...

ভাবছিলাম এ বিষয়ে আদৌ কিছু লিখবো কিনা, কারণ প্রবল গালমন্দ খাবার সম্ভাবনা আছে। আসলে, অনেকদিনই, মানে যখন থেকে ভারতবর্ষ এবং বাংলায় গুরুবাদী প্রকল্পের আলোচনা শুরু হয়েছে, তখন থেকে মাঝেমাঝেই রামকৃষ্ণ দেব এর কথা মনে পড়ে। তাঁকে আমি কখনোই এইসব চমকপ্রদ বাবাদের সঙ্গে মেলাতে পারিনা। সত্যি বলতে কি, কথামৃত পুরোটা পড়িনি আজও। পড়বো নিশ্চয়ই কখনো। কিন্তু যতোটুকু পড়েছি, তাতে ওঁর মধ্যে অদ্ভুত কিছু পরষ্পরবিরোধি চলাচল দেখেছি। সেটা নারী বিষয়েই। বিনোদিনী কে তিনি পঙ্কতল থেকে "উদ্ধার" করেন। বলেন " তুই তো গায়ে হলুদ মেখেই বস ... ...

( দ আর কেউ কেউ একজায়গায় চেয়েছিলেন লেখাটা, কিন্তু আজকে কি জানি কেন আমার 'add to first post' অপশনটা পাচ্ছি না, কাল কিন্তু পেয়েছিলাম। ক্ষমাপ্রার্থী। )--------------------------------------------------------------------------------------------------------জীপসাফারি-র বাকি গল্পটুকু-তে এখন থাক। তার আগে বলি, এই পর্যন্ত পড়ে যারা ভাবছেন, সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসাবে কিউবা স্বর্গরাজ্য, বিশেষতঃ যাঁরা পারিশ্রমিক আর কাজের সুযোগ-এ অথবা উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষে , আমেরিকার সুবৃহৎ দক্ষতার বাজারে প্যাম্পার ... ...