
বুড়ু'র পাখপাখালী'রাঝুমা সমাদ্দার।"জানিস, আজ এখানে আকাশ'টা কুয়াশার কাছে দশ গোল খেয়ে বসে আছে।" সক্কাল বেলাতেই ফোনের ওপারে বন্ধু।মনের জানালা খুলতেই স্পষ্ট ফুটে উঠল, সে দেশের মেঘলা আকাশ,ঝিরঝিরে বৃষ্টি, পাগলা হাওয়ায় শিরশিরে শীত। বাবা বলতেন - "অঘ্রানে বৃষ্টি...চাষের বড় ক্ষতি।" কী জানি কী একটা ইংরিজি বই হাতে নিয়ে উল্টোতে উল্টোতে চোখেমুখে দুশ্চিন্তা নিয়ে মাথা নাড়তেন বাবা। বাবার সঙ্গে দূর-দুরান্তেও চাষের কোনো সম্পর্ক নেই, তবু বাবার এমন দুশ্চিন্তার কারণ ঠাহর হোতো না মোটেই। ... ...

আঁতুরঘরের শিউলি সংখ্যায় প্রকাশিত এই গল্পটি রইল আজ ঃদি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল সুইডেনে সুজি#############পিওন রবি এসে টেবিলে এপ্রুভাল এর কাগজ টা রাখতেই দিল টা খুশ খুশ হয়ে গ্যালো। ভিপি সাহেবের সই করা নোট। সুইডেনে ভলভোর ফ্যাক্টরি দেখতে যাওয়ার সাত দিনের অনুমতি সহ।কর্ণাটক এর হোসাকোটে তে ভলভো ট্রাক এর নতুন ফ্যাক্টরি হচ্ছে। সেখানে ট্রাক পেইন্ট শপ তৈরি করার অর্ডার টা ধরেছি মাস খানেক হল। ভলভোর দিক থেকে সমস্ত প্রযুক্তিগত কাজ কর্ম দেখছেন ভলভো সুইডেন থেক ... ...

টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভারসিটির এক অধ্যাপক, সর্বজয়া ভট্টাচার্য্য একটি পোস্ট করেছিলেন। তাঁর কলেজে শিক্ষকদের প্রশ্রয়ে অবাধে গণ-টোকাটুকি, শিক্ষকদের কোনও ভয়েস না থাকা, এবং সবথেকে বড় যেটা সমস্যা, শিক্ষক ও ছাত্রদের কোনও ইউনিয়ন না থাকার সমস্যা নিয়ে। এই পর্যন্ত নতুন কিছুই নেই। প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এই সমস্যাগুলো এতদিনে সকলের জানা।এবার, সম্ভবত টেকনো ইন্ডিয়ার এক ছাত্র, সৌভিক, তার বিপরীতে একটি লেখা লিখেছে। লেখাটা খুব কাঁচা, আবেগপূর্ন, অভিযোগের উত্তর না দিয়ে পালটা অভিযোগ এসবে ভর্তি। কিন্তু যেটা ... ...

হিন্দি সিনেমার গান শুনে বাঙালি কেন উলুতপুলুত হয়, আপাতদৃষ্টিতে বোঝা মুশকিল। যে ঘরানার গানের শ্রেষ্ঠ লিরিক নাকি 'মেরা কুছ সামান তুমহারে পাস পড়া হ্যায়', অর্থাৎ কিনা 'আমার কিছু মালপত্তর তোমার কাছে পড়ে আছে' আর দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ লিরিক তর্কযোগ্যভাবে 'বিড়ি জ্বালাইলে', অর্থাৎ কিনা 'সিঁড়ির নিচে বিড়ির দোকান', সে গান শুনলে এমনিই ভদ্রজনের মাথা হেঁট হয়ে যাবার কথা। হিন্দি বলয়ের কথা আলাদা, ওদের এরকমই কপাল। ইউপি-বিহারে আধুনিক কালে কোনো জীবনানন্দ জন্মাননি। আর অতীতের গৌরব যা ছিল, সেসব স্টিমরোলার চালিয়ে কবেই ফ্ল্যাট ... ...

"মহাপৃথিবীর ইতিহাস নাকি আসলে কতগুলি মেটাফরের ইতিহাস"। এসব আজকাল অচল হয়ে হয়ে গেছে, তবু মনে পড়ে, সে কতযুগ আগে বাক্যটি পড়ি প্রথমবার। কলেজে থাকতে। পত্রিকার নাম, বোধহয় রক্তকরবী। লেখার নাম ছিল মণিময় ও মেটাফর। মনে আছে, আমি পড়ে সিনহাকে পড়াই। আমরা দুজনেই তারপর কিছুক্ষণ থম হয়ে যাই। মুগ্ধ হয়ে নয়। মুগ্ধতা-টুগ্ধতা অতি তুচ্ছ কথা। লোকে হরবখৎ নানা জিনিস দেখে মুগ্ধ হয়েই চলেছে। সৌরভ গাঙ্গুলির কভার ড্রাইভ, ডায়মন্ডহারবারের সূর্যগ্রহণ, সোনি ব্রাভিয়া। এ লেখায় ওইসব নৈসর্গিকতা নেই, নেভিল কার্ডাসীয় শব্দবাজির প্রশ্নই নেই ... ...

*সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: বাংলা ব্লগে অনেক সময়ই আমরা যে সব সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করি, তা কখনো কখনো কিম্ভুদ হয়ে দাঁড়ায়। নতুন ব্লগার বা সাধারণের কাছে এসব অপশব্দ পরিচিত নয়। এই চিন্তা থেকে এই নোটে বাংলা ব্লগের কিছু অপশব্দ তর্জমাসহ উপস্থাপন করা হচ্ছে। বলা ভালো, এটি মোটেই কোনো গূঢ় গবেষণাকর্ম নয়। নিছকই ব্লগাড্ডা মাত্র। তবে রীতিমত প্রাপ্তমনস্কদের জন্য লেখা।ভাটিয়া৯ র প্রচলিত অপশব্দ যোগ করে নোটটির শ্রীবৃদ্ধির জন্য জনতার কাছে আবেদন রইল। হ্যাপি ব্লগিং। ... ...

বছরের সেই সময়টা এসে গেল – যখন বসের সাথে বসে ফর্মালি ভাঁটাতে হবে সারা বছর কি ছড়িয়েছি এবং কি মণিমুক্ত কুড়িয়েছি। এ আলোচনা আমার চিরপরিচিত, আমি মোটামুটি চিরকাল বঞ্চিতদেরই দলে। তবে মার্ক্সীস ভাবধারার অধীনে দীর্ঘকাল সম্পৃক্ত থাকার জন্য বঞ্চনার ইতিহাসের সাথে আমি প্রবলভাবে ফ্যামিলিয়ার। সেই ভাবধারার অনেক কিছু ভুলে গেলেও মূল সারবস্তু মাথায় গেঁথে আছে – “নিজের অবস্থার জন্য সর্বদাই পরকে দায়ী করবে, তুমি না টের পেলেও জানবে যে সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত সবসময় তোমার মাথার উপর ঘুরপাক খাচ্ছে”। সেই আমি যখন ক্যাপিটালিষ্ট ... ...

এক পার্সি মেয়ে বিয়ে করলো হিন্দু ছেলেকে। গুলরুখ গুপ্তা তার নাম।লভ জিহাদ? হবেও বা। লভ তো চিরকালই জিহাদ।সে যাই হোক,নারীর ওপর অবদমনে কোন ধর্মই তো কম যায় না, তাই পার্সিদেরও এক অদ্ভুত নিয়ম আছে। ঘরের মেয়ে পরকে বিয়ে করলে সে স্বসম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেবার অধিকার হারাবে। যেমন,হিন্দু মেয়েরা মুসলমানকে বিয়ে করলে আর পুজোআচ্চা নয়, বা মুসলিম মেয়ের হিন্দু স্বামী কি তাকে নমাজ পড়ার অধিকার দেয় ! তো গুলরুখও তেমনি একরোখা। সোজা কোর্টের দরজা নেড়ে দিল জোরসে --- আমি কেন টাওয়ার অব সাই ... ...

আরও একবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আমাদের এই চিরন্তন প্রশ্নটার সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে -- আমরা কিভাবে শিখি, কিভাবে চিন্তা করি। আলফা গো জিরো সেই দিক থেকে টেকনোক্র্যাট দের বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ।দাবার শুধু নিয়মগুলো বলে দেওয়ার পর মাত্র ৪ ঘণ্টায় শুধু নিজেই নিজের সাথে খেলে দাবা খেলা শিখে আজকের সবচেয়ে শক্তিশালী ইঞ্জিন স্টকফিশের সাথে ১০০টা ম্যাচে ২৮টা জিতেছে, একটাও হারেনি আর ৭২টা ড্র, অবিশ্বাস্য। হ্যাঁ, স্টকফিশকে তার ওপেনিং লাইব্রেরি ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি, ঠিকই। কিন্তু তাও অবিশ্বাস্য।মানুষের শেখার ... ...

"হে কৃষ্ণ, সখা,আমি কীভাবে আমারই স্বজনদের ওপরে অস্ত্র প্রয়োগ করবো? আমি কিছুতেই পারবো না।" গাণ্ডীব ফেলে দু'হাতে মুখ ঢেকে রথেই বসে পড়েছেন অর্জুন আর তখনই সেই অমোঘ উক্তিসমূহ...রণক্ষেত্রে কেউ স্বজন নয়। হে পার্থ,তুমি যা করছো, তা আমারই ইচ্ছায়। শরীর কে হনন করলেও আত্মা নিহত হন না। সেই অঙ্গুষ্ঠ পরিমাণ পুরুষ ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে। অত:পর ধর্মযুদ্ধে অর্জুন আবার অস্ত্র ধরলেন। ইতিপূর্বে পরশুরামের কুঠার অনেকবার ক্ষত্রিয়শূন্য করেছে এই দ্যাবা পৃথিবী কে। সেও এক অন্য ধর্মযুদ্ধ। ভারতবর্ষের আদি অধিবাসী,কালো মানুষটি ... ...

তুষ্টু গতকাল রাতে বলছিলো - দিদিভাই,তোমার লেখা আমি পড়ি কিন্তু বুঝিনা। কোন লেখা? ঐ যে - আলাপ সালাপ -। ও, তাই বলো। ছড়া তো লিখি, তা ছড়ার কথা যে যার মতো বুঝে নেয়। কে কবে লিখেছে লোকে ভুলে যায়, ছড়াটি বয়ে চলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। মা মেয়েকে শেখান, দাদু নাতিকে বলেন। নাকছাবিটি হারিয়ে গেছে হলুদবনে বনে, সুখ নেইকো মনে। কার নাক ছাবি, কেই বা দিয়েছিলো? এত জঙ্গল থাকতে যদি হলুদবনেই পড়ে থাকে সেটা জানা থাকতে খুঁজে পাওয়া এমনই কি অসুবিধার, সাতনরী হার নয়, কানপাশা নয়, তবু কবেকার নাকছাবিটির জন্যে মন ... ...

প্রাচীনকালে ভাস্করদের আঙুল কেটে ফেলতে ফেলতে এমন একটা অবস্থা হল যেবিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ভাস্কর মৃৎকর পটুয়া পাওয়াই দুষ্কর হয়ে উঠলো।কেউ আর যেচে পঙ্গু হয়ে অসমর্থ হয়ে বেরোজগারী হতে চাইতো না।ফলত কি হোলো, ভাষ্কর্যের প্রথা লুপ্ত হয়ে ছিলো।বহুকাল পর,এই শাসনকালের অবসানে এবং পরবর্ত্তী শাসনের আক্কালে এহেন বর্বরতার সমাপ্তি উপলব্ধি করে আবার আবির্ভাব হলো ভাস্করের।অতীতে নির্মিত সৌধের পাশে, কখনো সামনে, মূর্তি বা ধূসর অবয়ব স্থাপিত হচ্ছিলো।একজন ভাস্কর তৎ পর নব নির্মাণে প্রগতিশীল হত ... ...

অবশেষ ঘুমের, ছেঁড়াখোঁড়া স্বপনের রেশ,সুর হয়ে আধোঘুম, বিবৃতি পড়ে আছে ধূলার ওপর,অনুভূতি তরল হয়ে তলাকার আকারধীরে ধীরে চুঁয়ে এসে ধরা পড়েএকজোট হয়অতঃপর সারবদ্ধ তারা চলতে থাকে,সেতু পার হয়ে অন্যপারে,এবারে তাদের অন্য পরিচয় আর,অঘ্রাণ এসে দখল করে প্রকৃতি, পাতাদেরকেশর, পরাগরেণু, পাপড়ি, ঘ্রাণতাই অঘ্রাণ মাসকেকা কর্কশ প্রগাঢ় রাত এভাবেই নিঃসঙ্গ হতে হতে প্রাণস ... ...

১.সে এক পেল্লাই দেশ। নয় নয় করেও কমসে কম তাতে ১০০ কোটি প্রজাগণ, চারিদিকে তারা যুক্তির শো-পিস দেওয়ালে ঝুলিয়ে রেখেছে, মগজে কলকলিয়ে ওঠা জ্ঞানের ভান্ডারদের সেখানে চৈত্রসেল সুলভ 'সাজান' ডজন-ডজন জিবি বুদ্ধির কেনাবেচা চলে প্লট না থাকা বাংলা সিরিয়ালের ব্যাকগ্রাউন্ডে ষাটের মেলোডির ঢেঁকুর তোলার ধুনে। রাজসভাও আছে একখানা। রাজাকে সাহায্য করতে পরিষদবর্গের ঢাল-তরোয়াল, যাকে বলে ফিবোন্যাকি সিরিজের লিমিট।একদিন রাজামশাই হুকুম দিলেন :"প্রজাগণ, জেনে রাখ সবেআজি হতে তবদিগে মুখোশ পরিতে ... ...

আসুন পাঠক, ব্রায়ান মন্ডলের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিই। অবশ্য এই নামে নামের মালিক এখন একটি ফিঁচেল হাসি হাসবেন, একটু যেন গরিমাও হয়ত আপনার চোখে পড়তে পারে। তার আড়ালে একটি ছোট্ট অতীত লুকিয়ে আছে। ষোল বছর আগে ব্রায়ানের বাপ হ্যারি ওরফে হারানের ডাক পড়েছিল ক্যানিং সিদ্ধেশ্বরী হাইস্কুলের হেডমাস্টারের কেবিন থেকে। ব্রায়ান চতুর্থ শ্রেণি টপকিয়ে জুনিয়র হাই-তে যাচ্ছে। ক্ষেতে তখন শশা আর বেগুন ঢলে পড়েছে দস্তুর মতো। কোনোক্রমে হাতের কাদা ধুয়ে, হেঁটো ধুতি একটু নামিয়ে টামিয়ে হেডমাস্টুরের কেবি ... ...

দিন দুয়েক আগে বুচির মা ফোন করেছিল। সে নাকি শুনেছে আমি জি টিভিতে এসেছিলাম। বিশ্বাস করতেই পারেনি আমিই সেই আলপনা নাকি। আমরা গৌরাঙ্গ নগরের বস্তিতে একই বাড়িতে ভাড়া থাকতাম। একই এলাকায় বাবুদের বাড়ি কাজ করতাম, একই কলতলায় চান করতাম।বুচির মা'র আসল নাম কি সে বোধহয় নিজেই ভুলে গেছে, আমি তো কেবল বুচির মা বলেই জানি।পৃথিবীতে যে কয়েকজন মানুষ আমাকে নি:স্বার্থ ভাবে ভালো বেসেছে বুচির মা'র নাম তাদের মধ্যে সবার ওপরের দিকে থাকবে।আমি দুপুরে কাজ সেরে এসে একটু ঘুমিয়ে নিতাম, ভোর ছটা থেকে এক নাগাড়ে চ ... ...

১৯৯২ সালের ৬ডিসেম্বর ভারতের ধর্ম নিরপেক্ষতার চরিত্র সম্পর্কে এক মৌলিক প্রশ্ন উঠে পড়ে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মধ্য দিয়ে। মসজিদ ধ্বংসের সঙ্গেই স্লোগান উঠেছিল “ইয়ে তো পহেলি ঝাঁকি হ্যয়/ অব তো কাশী মথুরা বাকী হ্যয়”। কারা কীভাবে এই ধ্বংসকাণ্ডের ক্রীড়নক তা নির্দিষ্টভাবে খতিয়ে দেখতে নরসীমা রাও এর নেতৃত্বাধীন তত্কালীন কেন্দ্রীয় সরকার ঘটনার দু সপ্তাহ পরে গঠন করেন এক সদস্যের লিবারহান কমিশন। লিবারহান ছিলেন অন্ধ্র প্রদেশ উচ্চ ন্যায়ালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। এই কমিশনের রিপোর্ট দেওয়ার কথা ছিল তিন মাসের মধ ... ...

একটা প্রাচীন দীঘির পাড়ে জায়গাটা বড়ো বড়ো ঝাঁকড়া গাছে ঘেরা। বালি ফুঁড়ে উঠেছে দীর্ঘশির গাছগাছালি। শিরিষ জাম মুচকুন্দ, এবং ঘন বাঁশঝাড়ে আকীর্ণ। উপকূলীয় বালিয়াড়ির একটা শাখা হিন্টারল্যান্ডের ভেতরে ঢুকে এসেছিল বহু শতক আগে। তখন এই তটরেখা ধরে নদী বহতা ছিল। এখন অনেকটা দক্ষিণ পূর্বে সরে গিয়েছে। রসুলপুরের নদী। সে নদীর কোনো নামগন্ধই আর এখানে পড়ে নেই। রয়ে গিয়েছে হলুদ নোনা বালির ঢিবি এবং উঁচু বাঁধের ওপরে একটি একাকী তিন্তিড়ি বৃক্ষ। নদীতে চলাচলকারী বড়ো বড়ো নৌকার রশি বাঁধার ... ...

মিত্তির মশাই সকালে মেরি বিস্কুট চায়ে ডুবিয়ে আনন্দবাজার পড়েন। চিত্তরঞ্জন পার্কের অগ্নিমূল্য সবজি বাজারে ২টাকা বাঁচাতে দরদাম করেন। তারপর ধোঁয়া ওঠা ভাতে ঘি মেখে খেয়ে, হাতের গন্ধ শুকতে শুকতে অফিস বেরিয়ে পড়েন।মিত্তির মশাই’র সরকারী চাকরি আছে। ই.পি.এফ আছে; মেডিক্লেম আছে। একটা মিউচুয়াল ফান্ড আর দুটো এল.আই.সি আছে। ছুটির দিনে সর্ষে ইলিশের জোগাড় আছে।মিত্তির মশাই’র সেদিন বড্ড ভোগান্তি গেছে। পার্লামেন্ট স্ট্রিটে শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে আধ-ঘণ্টা ট্রাফিকে কেটেছে। অ্যাটেন্ডেন্স রেজিস্টারে সই করতে গিয়ে ব ... ...

দি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেলঅমর্ত্য সেন#########২০০২ সাল। ঠিক পূজোর আগে আগে হেড অফিস যেতে হয়েছে। খুব সম্ভবত মহালয়ার দিন পৌঁছেছি। দিন চার এর কাজ সেরে পঞ্চমীর দিন কলকাতায় ফিরে আসবো, আসতেই হবে, এই ভাবে টিকিট করিয়ে যাত্রা করেছি। প্রথম তিন দিন রুটিন মাফিক কাজ কর্ম এগিয়েছে। চতুর্থ দিনে আমাদের এম ডি সাহেবের ফাইনাল রিভিউ মিটিং। আমি এবং আমার জার্মান কলিগ সকলেই মোটামুটি নিশ্চিত কাজ ঠিক সময়ে শেষ করে আমি আমার "স্যাস্টি" র দিন বাড়িতেই থাকতে পারবো। হঠাৎ বিনা মেঘে বজ্রপাত। মিসেস ... ...