
সদ্য তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে।ফ্যাসিস্ট বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয় ঘটেছে।পৃথিবীর ইতিহাসে এক যুগসন্ধিক্ষণ।পৃথিবী জুড়ে সব মানুষের বাধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। যারা যারা যুদ্ধে নিজের প্রিয়জনকে হারিয়েছে, তারাও এই বিভৎসতার শেষে হাপ ছেড়ে বেঁচেছে।সারা পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষ এই যুদ্ধে চেয়েছিল হিটলারের পরাজয়।কারন পৃথিবী নিয়ন্ত্রণের ভার এক উন্মাদের হাতে পরলে সে যে কী ভয়াবহ অবস্থা হত তার ধারণাও করা যায় না।কিন্তু বাংলায়, তখনকার অবিভক্ত বাংলা প্রদেশে অবস্থাটা একটু অন্যরকম।ভারতে তখন চলছে ব্রিটিশ শাসন, আর ব ... ...

*********বাউণ্ডুলে পিঁপড়ের গল্প*******মহারাজ গল্প টল্প লেখেন না, যা দেখেন তাই। তা আমার সাথে সেদিন এক মক্কেলের মুলাকাত হয়েছিলো, নচ্ছারটা যদিও আমায় নানান কু কথা বলেছে, তাও বন্ধুত্বের খাতিরের ওর কথা গুলো বলে গেলাম। 'এই শোন একটা গাড়ি আসছে বুঝলি একটু চমকাবি নাকি?''ইয়েস পাগলা, সন্ধ্যে থেকে বৃষ্টি, একটা লোক নেই বাইরে যে তাড়া করবো, লেজটা নেতিয়ে পড়ে আছে তখন থেকে। চল যাই।''দাঁড়া আরেকটু কাছে আসুক, নে রেডি ওয়ান টু থ্রি... ঘ্যাঁক ঘ্যাঁক ঘৌ ঘৌ ঘোঁয়াওওও'।লাল আর কালো রঙ ... ...

মিডিয়া ট্রায়ালের পর শুরু হয়েছে এক নতুন ফেনোমেনন সোশ্যাল মিডিয়া ট্রায়াল। সবার কী সুন্দর বিচার, ফাঁসি, জেল, সব কিছুর নিদান দিয়ে দেন। নির্ভয়া কান্ডের পর গোটা ফেসবুক জুড়ে ফাঁসির জন্য কী প্রচণ্ড চিৎকার। শিক্ষিত হোক বা অশিক্ষিত, একটা গোটা জাত ফাঁসি চায়, মৃত্যুদণ্ড চায়। নির্ভয়া কাণ্ডের বিচার হয়ে গিয়েছে। একজন অভিযুক্ত জেলের মধ্যে আত্মহত্যা করেছেন। ঠিক যেমন ধনঞ্জয়ের ফাঁসি হয়েছিল। কিন্তু ধর্ষণ থেমেছে কী? ধর্ষণ এইভাবে থামে না। থামতে পারে না। এই সব আলোচনায় লোকে হোয়াটঅ্যাপের মিথ্যে উদ্ভট তথ্য দেয়। এক ভদ ... ...

মশাদের জগতে একটা বেশ মজার ঘটনা ঘটে চলেছে। ধরুন প্রথম যখন মশা মারবার জন্যে মানুষ কোন কীটনাশক আবিষ্কার করলো। সেই সময় যত মশা ছিলো তার মধ্যে ৯৫% এর ওপর এই কীটনাশক কাজ করে। বাকি ৫% এর ওপর করে না। এবার কীটনাশক আবিষ্কারের আগে এই ৫%কে সেই ৯৫% এর সাথে প্রতিযোগীতা করে টিকে থাকতে হতো। মশার জগতে তাদের অনুপাতও ওই ৫% এর আশেপাশেই থাকতো। এবার কীটনাশক আবিষ্কারের পরে এই ৯৫% এর মধ্যে অনেক মশা ধ্বংস হতে শুরু করলো। একটা পরিসরে তখন এই ৫% যারা ছিলো, তাদের বৃদ্ধি ঘটতে শুরু করলো। বেশ কিছু প্রজন্ম পরে দেখা গেলো যে ওই ৫% ... ...

নরেন্দ্র মোদী নিশ্চয় খুশি হয়েছেন। হওয়ারই কথা। প্রধানমন্ত্রী’র ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ভারতবর্ষের ১০০ জন ধনকুবের’দের ক্রমাঙ্কে টানা দশ বছর শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছেন। গত বছরে, রেকর্ড হারে, ৬৭% সম্পত্তি বাড়িয়ে, আজ তিনি ৩৮০০ কোটি ডলারের মালিক। লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান, পুট ইওর হ্যাণ্ডস টুগেদার ফর ওয়ান অ্যান্ড অনলি, মু-কে-শ আম্বানি ¹।নরেন্দ্র মোদী নিশ্চয় আরও খুশি হয়েছেন। হওয়ারই কথা। প্রধানমন্ত্রী’র ঘনিষ্ঠ সহযোগীর পুত্র, ‘লস মেকিং’ কোম্পানির মালিক থেকে রাতারাতি কোটিপতি বিজনেস টাইক ... ...

শহরে একজন বড় পীরের মাজার আছে তা আপনি জেনে থাকবেন, পীরের নাম শাহজালাল, আদি নিবাস ইয়ামন দেশ। তিনি এস্থলে এসেছিলেন এবং নানাবিদ লৌকিক অলৌকিক কাজকর্ম করে অত্র অঞ্চলে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন। গত হয়েছেন তিনি অনেক আগেই, কিন্তু তার মাজার এখনো জাগ্রত। প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে মানুষেরা আসেন, আসেন ভক্ত আশেকান। নানাজন নানা মানত করেন, গান বাজনা করেন, অনেকে বলেন এইসব বেদাত। এইভাবেই চলে আসছে আর আমরা এই মাজারকে দরগা বলে ডাকি। ঘটনাটি এই দরগাকে নিয়ে, বা দরগার বিস্ময়কর আমগাছটিকে নিয়ে। আমগাছটি সাধারণ আমগাছ, ... ...

সাইলেন্ট সিনেমার যুগে বাস্টার কিটন বা চার্লি চ্যাপ্লিনের ম্যানারিজমের একটা বিশেষ আকর্ষন ছিল যেটা আমরা অস্বীকার করতে পারিনা। চোখে মুখের অভিব্যক্তি সংলাপের অনুপস্থিতি পূরণ করার চেষ্টা করত। আর্লি সিনেমাতে ডায়লগ ছিল কমিক স্ট্রীপের মত। ইন্টারটাইটেল হিসাবে ডায়লগ আসত। তাই ডায়লগ আমাদের মনে সেইভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারতনা। টকি চালু হওয়ার পর ডায়লগের গুরুত্ব বাড়তে থাকে। ঠিক নাটকে যেমন ডায়লগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেমনি সিনেমার ক্ষেত্রেও খুব প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে। আজ একটি ছবি হিট করানোর পেছনে শুধু স্ ... ...

সত্তরের দশকের উত্তর কলকাতার প্রান্তসীমায় তখনো মধ্যবিত্ততার ভরা জোয়ার. পুজোরা সব বারোয়ারি. তবু তখনো পুজোরা কর্পোরেট দুনিয়ার দাক্ষিণ্য পায় নি. পাড়ার লোকের অর্থ সাহায্যেই মা দুর্গা সেজে ওঠেন তখনো. প্যান্ডাল হপিং তখন শুরু হয়ে গেছে. পুজোর সময় তখনই মহঃ আলি পার্কের ঠাকুর বা সঙ্ঘশ্রী, সঙ্ঘমিত্র র ঠাকুর দেখাটা "পুজোয় চাই নতুন জুতো"র মতই মাস্ট. আর আবশ্যিক ছিল পুজোর অজ্ঞলি দেওয়া. অষ্টমীর সকালে নতুন জামা পড়ে ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে ঠাকুরের পায়ে ফুল বেলপাতা ছুঁড়ে দেওয়া. মাইকে মন্ত্র বাজছে .... কিন্তু সে শোনার থ ... ...

ফাতেমা। আম্মির কাজে হাত লাগায় যে, যাকে আমি 'আপা' বলি, তার মেয়ে। ক্লাস সেভেনে পড়ে। মা দু'বাড়ি কাজ করে আর বাবা ভ্যান চালায়। ভাই-বোন-বাপ-মা মিলিয়ে জনা পাঁচেকের সংসার। গেল মাসে, সেই আপার হঠাৎ পেটে ব্যথা। ডাক্তার জানালো, অ্যাপেন্ডিক্স। পয়সা-কড়ি, সবাই মিলে জোগাড়ও হল। ঝামেলা বাঁধল, বাড়ি নিয়ে আসার পর। একার সংসার, আপাই এতদিন দায়িত্ব নিয়ে বারান্দায় ন্যাতা দিয়েছে, কুটোটা কেটেছে, বাসন-কোসন সব পাট পাট করে মেজে, তুলে রেখেছে শোবার ঘরের তাকে। এখন ডাক্তারের দাওয়াই, দু'মাসের বেডরেস্ট, কারণ ইতিমধ্যেই বাড়ি ফি ... ...

#অন্য_রূপকথা পর্ব এক একদেশে এক রানী ছিল। সেই রানীর রাজ্যে কত ধন, কত সম্পত্তি। তাঁর হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া, আর গাড়িশালে খানকয়েক রোল্স রয়েস আর মার্সিডিজ বেন্জ এমনিই গড়াগড়ি যেত। সেই রাজ্যের নাম ছিল সুবর্ণপুর। যেমন নাম, তেমনি দেশ। ক্ষেতে ফলত সোনার ফসল, সকালের রোদ্দুর পড়ে মনে হত নদীতে বইছে গলানো সোনা। গাছে ফলত সোনালী রঙের আম আর নদীতে খেলা করত সোনালি রঙের গোল্ড ফিসের ঝাঁক। বছরে একদিন রানী ঘোড়া ছুটিয়ে আসতেন সেই নদীতে স্নান করতে। রানীর সোনার অঙ্গের ছোঁওয়ায় নদীর জল যেন আরও সোনাল ... ...

পর্ব ১।ঘুম ভাঙতেই পাশ ফিরে মা, বাবা আর ছোট্ট ভাইটাকে একবার দেখে নিল ডোডো। সবাই ঘুমোচ্ছে। খাট থেকে আস্তে করে নেমে, ঘরের বাইরে চলে এল। ঘরটা থেকে বেরোলে ডান হাতে আরেকটা বেডরুম। এটার দরজা বন্ধ। সেটা পেরোলে একটা খুব ছোট্ট গলি দিয়ে ডাইনিঙ রুম। গলিটার একটা দেওয়াল তৈরি হয়েছে প্যান্ট্রির দেওয়ালে, আরেকটা বন্ধ বেডরুমটার দেওয়াল দিয়ে। তারপরে ড্রয়িং রুম। একটা সোফা টেনে ড্রয়িং রুমের দড়জাটার কাছে নিয়ে এল ডোডো। বেশ ভারি সোফাটা। কার্পেটের ওপর দিয়ে নিয়ে অসতে একটু কষ্টই হচ্ছিল।ছিটকিনি খুলে বাই ... ...

কলকাতায় বন্ধু যারা ছিলেন তারা হয় শহর ছেড়েছেন, নয় বন্ধুত্ব, কেউ কেউ দুটোই। শেষ বন্ধু যারা থেকে গেছেন তাদের সঙ্গে মাঝে মাঝে ফোনে কথা হত। মনে আছে মনাশে থাকার সময় একবার পুজোয় তাঁদের ফোন পেলাম, এবং আমি যে জঙ্গলে থাকতাম সেখানে যে পুজো ইত্যাদি হয়না, আমি যে মোটের ওপর পুজোর হাত এড়াতে পেরেছি সেটা জানিয়ে তাঁদের আমি আশ্বস্ত করেছিলাম, নিজেও আশ্বাস খুঁজে পেয়েছিলাম। এমনিতেও আমার বাড়ির কাছে এমন কোন বিরাট পুজো হয়না, মাইকের অত্যাচারও নেই। ছোটবেলায় সবারই একটু পুজোর গল্প থাকে, মাইক থাকে, কিছু লুপে শুনতে বাধ্য হওয়া ... ...

১নির্ধারিত সময়ে ক্লাবঘরে পৌঁছে দেখি প্রায় জনা দশেক গুছিয়ে বসে আছে। এটা সচরাচর দেখতাম না ইদানীং। যে সময়ে মিটিং ডাকা হ’ত সেই সময়ে মিটিঙের আহ্বাহক পৌঁছে কাছের লোকেদের ফোন ও বাকিদের জন্য হোয়া (হোয়াটস্যাপ গ্রুপ, অনেকবার এর কথা আসবে তাই এখন থেকে হোয়া) গ্রুপে মেসেজ পাঠাতেন। সপ্তাহের মাঝ মধ্যিখানে রাত সাড়ে ন’টায় ডাকা মিটিঙে এত ভিড় দেখে ভালোই লাগল কিন্তু। কিছু একটা কথা চলছিল, আমি পৌঁছতেই আচমকা স্তব্ধতা আর যারা বসেছিল তাদের চোখে মুখে আহ্লাদের উদ্ভাস দেখেও ভালো লাগল। “কী খবর? ... ...

ছোটবেলায় হঠাৎ মাথায় প্রশ্ন আসছি্ল সব প্রতিমার মুখ দক্ষিন মুখি হয় কেন? সমবয়সী যাকে জিজ্ঞাস করেছিলাম সে উত্তর দিয়েছিল এটা নিয়ম, তোদের যেমন নামাজ পড়তে হয় পশ্চিম মুখি হয়ে এটাও তেমন। ওর জ্ঞান বিতরন শেষ হলো না, বলল খ্রিস্টানরা প্রার্থনা করে পুব মুখি হয়ে আর বৌদ্ধরা উত্তর। আমি মেনে গেছিলাম। ভাবছিলাম ঠিকই তো আছে, চার ধর্ম চারটা দিক। ছোটবেলাটা ভাল ছিল, আমার পশ্চিম দিক পেয়ে আমি খুশি ছিলাম আর অন্যরাও যে ঠিকঠিক একটা দিক পেয়ে গেছে তা ভেবেও স্বস্থি পেয়েছিলাম। বড় হলাম আর শিখলাম সব দিকই আমার, অন্যের জন্য কোন ছাড় ... ...

রাত বারোটা পেরিয়ে যাওয়ার পর সোনালী পিং করল। "আধুনিক ভারতবর্ষের কোন পাঁচটা ঘটনা তোর ওপর সবচেয়ে বেশী ইমপ্যাক্ট ফেলেছে? "সোনালী কি সাংবাদিকতা ধরল? আমার ওপর সাক্ষাৎকার মক্সো করে হাত পাকাচ্ছে?আমি তানানা করি। এড়িয়ে যেতে চাই। তারপর মনে হয়, এটা একটা ছোট্ট খেলা। নিরাপদ। এর মধ্যে কোনো বিস্ফোরক নেই। নীল তিমি নেই। গৌরী লঙ্কেশ নেই ( না, গৌরী লঙ্কেশ তখন ভাবিনি, গৌরী লঙ্কেশ তো তার পরে ঘটল)।আমার নিমসুখী মধ্যবিত্ত জীবনে এমন ছোটখাটো খেলা সস্তা ও পুষ্টিকর। বিপর্যয়হীন। যে বিপর্যয় মানুষকে, লক্ষ লক্ষ মানুষক ... ...

এটা একটা গল্প। একটাই গল্প। একেবারে বানানো নয় - কাহিনীটি একটু অন্যরকম। কারো একান্ত সুগোপন ব্যক্তিগত দুঃখকে সকলের কাছে অনাবৃত করা কতদূর সমীচীন হচ্ছে জানি না, কতটুকু প্রকাশ করব তা নিজেই ঠিক করতে পারছি না। জন্মগত প্রকৃতিচিহ্নের বিপরীতমুখী মানুষদের অসহায় আত্মধ্বংসের গল্প এটি, আমাদের কাছে যাঁদের একটু সহমর্মিতা প্রাপ্য ছিল। পরিপার্শ্বের বিড়ম্বনায় ক্লিষ্ট মানুষ একটু সম্মান আশা করতে পারতো। মানুষ না মানুষী নিছক প্রকৃতিনির্দিষ্ট এই চিহ্নের বাইরে উড়তে চাওয়া এমনই মানুষের, প্রতিভার অকাল সমাপ্তির এই আখ্য ... ...

এখন কত কূটকচালি ! একদিকে এক ধর্মের লোক অন্যদের জন্য বিধিনিষেধ বাধাবিপত্তি আরোপ করে চলেছে তো অন্যদিকে একদিকে ধর্মের নামে ফতোয়া তো অন্যদিকে ধর্ম ছাঁটার নিদান। দুর্গাপুজোয় এগরোল খাওয়া চলবে কি চলবে না, পুজোয় মাতামাতি করা ভাল না খারাপ, পুজোর মত রিগ্রেসিভ ব্যাপারের সাথে কোনভাবে জুড়ে যাওয়া উচিত কি অনুচিত, উমার শ্বশুরবাড়ি থেকে আসার মত পিতৃতান্ত্রিক ব্যাপার নিয়ে আহ্লাদ আমোদ করা ঠিক না ভুল, পুজো নিয়ে, ঠাকুরদেবতা নিয়ে ইয়ার্কি মারা অনুভুতিতে আঘাত নাকি নয়, আঘাত হলেও কিছু আসে যায় নাকি যায়না, পুজো ... ...

পুজোর আর দশদিন বাকি, আজ শনিবার আর কাল বিশ্বকর্মা পুজো; ত্রহস্পর্শ যোগে রাস্তায় হাত মোছার ভারী সুবিধেজনক পরিস্থিতি। হাত মোছা মানে এই মিষ্টি খেয়ে রসটা বা আলুরচপ খেয়ে তেলটা মোছার কথা বলছি। শপিং মল গুলোতে মাইকে অনবরত ঘোষনা হয়ে চলেছে, 'এই অফার মিস করা মানে তা হবে চরমতম বোকামি', ঘোষকের চোখ মুখ দেখা না গেলেও ঠিক আন্দাজ করছি এবার ওর চোখ মুখ বেরিয়ে আসবে প্রায় উত্তেজনায়, লোকের বোকামিতে ও বুঝি মরেই যাবে! জামা প্যান্ট ট্রায়াল দেবার আধমাইল লম্বা লাইন, একজন ওখানেই জামা খুলে বিশালাকার ভুঁড়ি নাচিয়ে নাচিয়ে জামা ... ...

আগে খুব ঘুম পেয়ে যেতো। পড়তে বসলে তো কথাই নেই। ঢুলতে ঢুলতে লাল চোখ। কি পড়ছিস? সামনে ভূগোল বই, পড়ছি মোগল সাম্রাজ্যের পতনের কারণ। মা তো রেগে আগুন। ঘুম ছাড়া জীবনের কোন লক্ষ্য নেই মেয়ের। কি আক্ষেপ কি আক্ষেপ মায়ের। মা-রা ছিলেন আট বোন দুই ভাই, সর্বদাই কেউ না কেউ দুগ্ধপোষ্য এবং কাঁদুনে। বড় বোনেরা ছোটদের দায়িত্ব নিতে বাধ্য। সুতরাং খাটে পা মেলে বসে, পায়ের ওপর কোনো ভাই বা বোনকে দোলাতে দোলাতে হোমওয়ার্ক-এর জিওমেট্রি আঁকতে হতো। আমার কিছুই করতে হয় না তবু আমি পড়ি না, কেবল ঘুমাই এইসব আক্ষেপ ব্যক্ত করতে করতে মা ... ...

এই একবিংশ শতাব্দীতে পৌঁছে ক্রমে বুঝতে পারা যাচ্ছে যে সংকটের এক নতুন রুপরেখা তৈরি হচ্ছে। যে প্রগতিমুখর বেঁচে থাকায় আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠছি প্রতিনিয়ত, তাকে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, "কোথায় লুকোবে ধু ধু করে মরুভূমি?"। এমন হতাশার উচ্চারণ যে আদৌ অমূলক নয়, তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে নানান কিসিমে। স্টিফান রাহমস্টর্ফ বলে একজন বিজ্ঞানী সম্প্রতি জানিয়েছেন, আমরা এখন বাস করছি ক্লাইমেট এমারজেন্সির মধ্যে। আবহাওয়ার এই জরুরি অবস্থা জারি হল কীভাবে? আদতে আধুনিক যুগে সভ্যতার অগ্রগতির প্রাথমিক শর্ ... ...