
প্রথমেই স্বীকারোক্তি থাক যে ফুরসতনামা কথাটা আমার সৃষ্ট নয়। তারাপদ রায় তার একটা লেখার নাম দিয়েছিলেন ফুরসতনামা, আমি সেখান থেকে স্রেফ টুকেছি। আসলে ফুরসত পাচ্ছিলাম না বলেই অ্যাদ্দিন লিখে আপনাদের জ্বালাতন করা যাচ্ছিল না। কপালজোরে খানিক ফুরসত মিলেছে, তাই লিখছি, অতএব ইহা ফুরসতনামা। টোকার কথা হচ্ছিল, আম্মো আমার ভাই অর্কের খান কতক গপ্পো টুকে দিই। অর্ক কে মনে আছে কি? আমার সেই ভাইরত্নটি যে কিনা ক্লাসিকাল গাইয়ে (এর চেয়ে বেশি ইন্ট্রো চাইলে অর্কের গানের রেওয়াজ চলার সময় সামনে বসিয়ে দেবো)। অর্কের মত ... ...

ফেসবুকে সন্দীপন পণ্ডিতের মনোজ্ঞ পোস্ট পড়লাম - মনে পড়ে গেলো বাবার কথা, মনে পড়ে গেলো আমার শ্বশুর মশাইয়ের কথা। তাঁরা দুজনই ছিলেন কাঁঠালবীচির ভক্ত। পথের পাঁচালীর অপু হলে অবশ্য বলতো কাঁঠালবীচির প্রভু। তা প্রভু হোন আর ভক্তই হোন তাঁদের দুজনেরই মত ছিলো, কাঁঠালবীচি যতদিন পাওয়া যায় ততদিন আলু খেয়ে মুখ নষ্ট করবো কেন? রান্না ঘর থেকে আলু বেগুন হটিয়ে দেবার সাধ্যি তাঁদের হয়নি তা ঠিক তবে কাঁঠালবীচির সরষে কাঁচা লঙ্কা দিয়ে বাটা সেদ্ধ থেকে শুরু করে ডালনা, তরকারী, মায় সন্দেশ জিলিপি অব্দি কতো কি যে হয়। ছবি ... ...

মহাগুণ মডার্ণ নামক হাউসিং সোসাইটির একজন বাসিন্দা আমিও হতে পারতাম। দু হাজার দশ সালের শেষদিকে প্রথম যখন এই হাউসিংটির বিজ্ঞাপন কাগজে বেরোয়, দাম, লোকেশন ইত্যাদি বিবেচনা করে আমরাও এতে ইনভেস্ট করি, এবং একটি সাড়ে চোদ্দশো স্কোয়্যার ফুটের ফ্ল্যাট বুক করি। এবড়োখেবড়ো জমির মধ্যে একেবারে কিছু-নেই অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে মাথা তুলতে আমি দেখেছি। নিয়মিত যেতাম উইকেন্ডে। ধূলো-রাবিশ আর মেশিনপত্তরের মধ্যে থেকে ধীরে ধীরে মাথা তুলে দাঁড়ালো একের পর এক কুড়ি তলা, চব্বিশ তলা টাওয়ার। অসমান জমিতে চকচকে টাইল আনল সমান ভাব। মহাগ ... ...

মগলাকে দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যাতে সানথাল, দেখতে শুনতেও মানুষ। কিন্তু মানুষ না। ওর পূর্বপুরুষরা ছিল ম্যাস্টোডন। হাতিদের সঙ্গেই ওঠাবসা। হাতিদের মতই দিনে চার ঘন্টা ঘুমোয়, কুড়ি ঘন্টা দাঁত নাড়ে। অবশ্য, শুধু হাতি নে, জঙ্গল আর জঙ্গলের সমস্ত প্রাণীর জন্যই মন কাঁদে মগলার। জানোয়ার জঙ্গল ছাড়া কিছুই ভাবতে পারে না। অথচ, এই মগলাকেই কিনা মালখানকে মারতে সুপারি দিয়েছে মোলাম সিং! কে মালখান? আগে মালখানের কথাই বলি। মালখান এখন জঙ্গলের বস। ওর সঙ্গে রাকা, সলোমন, হুরিয়া ----- আরও তিন মাস্তান। ... ...

পুরনো পথ সাদা মেঘ — বুদ্ধদেবের পথে পথ চলা, পর্ব ৪ ... আহত রাজহাঁসের কথা ... পরের দিন ভোরবেলা স্বস্তি মোষগুলোকে চরাতে নিয়ে গেল। দুপুরের মধ্যেই সে ঝুড়ি-দুয়েক ঘাস কেটে ফেলল। নদীর যে দিকটাতে জঙ্গল, স্বস্তি সেইদিকটায় মোষগুলোকে চরতে ছেড়ে দিত, যাতে করে সে ঘাস কাটা হয়ে গেলে গাছের শীতল ছায়ায় একটু জিরিয়ে নিতে পারে। মোষগুলো নদীর ধারে চরলে কারো ধানের ক্ষেতে গিয়ে উপদ্রব করার সুযোগ ... ...

সেদিন সন্ধ্যায় সৈয়দ শামসুর রহমানের মনে হল তিনি জীবনে ব্যর্থ হয়েছেন। তার ব্যর্থতার পরিমাণ দেখে তিনি নিজেই বিস্মিত হলেন। তার গলা শুকিয়ে গেল অতীতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছন্নছাড়া কিছু চিন্তা করে। সৈয়দ শামসুর রহমান বিছানায় শুয়ে ছিলেন। তিনি উঠে বসলেন। বিছানার লাগোয়া আলনাতে অগোছালো কাপড় চোপড়ের মধ্য থেকে খয়েরী ময়লা পাঞ্জাবীটা নিয়ে পরে ফেললেন। তারপর হালকা নিঃশ্বাস ছেড়ে ডাক দিলেন, ময়না মিয়া, ময়না মিয়া!কেউ কোন উত্তর দিল না।সৈয়দ শামসুর রহমান আবার ডাকলেন। এবার গলার স্বর আরেকটু গম্ভীর এবং শব্ ... ...

অধ্যায় ৩**একমুঠো কুশ**ঘুমিয়ে পড়ার আগে স্বস্তি একটি বাঁশঝাড়ের তলায় বসে বুদ্ধদেবের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি রোমন্থন করছিল। তার তখন ১১ বছর বয়স, মা সদ্য মারা গেছেন, তার দায়িত্বে তখন তিনটি ভাইবোন। সবথেকে ছোটটি কোলের শিশু, তাকে খাওয়ানোর মতন দুধটুকুও বাড়িতে নেই। কি ভাগ্য, গ্রামের ... ...

মোষ চরাণোর কথকতাসুশীতল দিন। গভীর মনসংযোগ সহকারে দ্বিপ্রাহরিক আহার শেষ করে ভিক্ষুরা যে যার পাত্র ধুয়ে মেজে মাটিতে আসন বিছিয়ে বুদ্ধদেবের দিকে মুখ করে বসলেন। বাঁশবন মঠটিতে অজস্র কাঠবেড়ালি, তারা নির্ভয়ে ঘুরে বেড়ায়, সাধুদের মাঝখান দিয়েই খেলে বেড়াতে লাগল। কয়েকটি কাঠবিড়ালি আবার বাঁশগাছ বেয়ে ওপরে উঠে নীচের সমাবেশ ওপর থেকে দেখতে লাগল। স্বস্তির চোখে পড়ল রাহুল বুদ্ধদেবের একেবারের সামনের সারিতে বসে আছে, সেও পায়ে পায়ে এগিয়ে রাহুলের পাশে তার আসন বিছিয়ে পদ্মাসন হয়ে বসে পড়ল। সে এক শা ... ...

১।সেলিব্রিটি পাবলিকদের মাঝে মাঝে সাংবাদিকরা ইন্টারভিউ নেবার সময় গুগলি প্রশ্ন দেবার চেষ্টা করে। তেমনি এক অখাদ্য গুগলি টাইপের প্রশ্ন হল, আপনি জীবনে সবচেয়ে বড় কমপ্লিমেন্ট কি পেয়েছেন এবং কার কাছ থেকে। বলাই বাহুল্য আমি বিখ্যাত কেউ নেই, তাই আমাকে এই প্রশ্ন কেউ করে নি। কিন্তু আমি নিজে নিজেকে অনেক করেছি সেই জিজ্ঞাসা।প্রচন্ড ভেবে ভেবে দেখা গেল - লাইফে কমপ্লিমেন্ট পাবার মতন তেমন কিছু তো করি নি! অবশ্য ক্লাস সেভেন থেকে প্রায় টুয়েলভ পর্যন্ত কার্তিক, চঞ্চল সহ অনেক জনতাকে দায়িত্ব নিয়ে ইংরাজ ... ...

১পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলার একটা মজার ব্যাপার আছে। অন্য কারুর কথা জানিনা, অন্তত আমার সাথে হয় এমনটি। আজকের ঘটনাটা দিয়েই শুরু করি। প্রোজেক্ট রিপোর্টের দৌলতে সারারাত জেগেই কেটেছে। সকালবেলা বেরিয়েছিলাম একটু ঘোরাঘুরি করতে। ফেরার সময় রিসেপশনে দেখি পেপার দিয়ে গেছে। আনন্দবাজার। খান দুই পাতা ওলটানোর পরেই নজরে এল রঙচঙে বিজ্ঞাপনটা। পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা। উপরে এক কোনায় লেখা ‘প্রকাশিত'। আমি নির্বিকার। অবাক হইনি একটুও। কয়েকদিন ধরেই এটার ছ ... ...

১ শান্তি নয়, মুক্তি নয়, নিছক রণক্ষেত্র নয়, পৃথিবীকেনিরেট, গোবদা ভোঁতা হতে থাকা গেরস্থালীরছুরির মতো লাগে। পর্দা বদলায়, বাসনকোসন, কাঁটা চামচ,অথবা নয়া মশলার কৌটো, যা কিনা একবার মাত্র হায় সুখী নতুন রন্ধনপ্রণালীতে ব্যবহৃত হয়ে বেশি পড়ে গেলেঅত:পর যাবজ্জীবন ফ্রিজের প্রত্যন্ত গুহায়।দিন বদলায়, রান্নার লোক ঋতু পরিবর্তনেসবাই স্বীকার করেন আশু বদলান দরকার। কাজ চলছে নাঅথচ ছুরি বদলানটা আর হয়ে উঠছে না।দেখেছি, চাঁদ ওঠে গুঁড়ি মেরে এক শীতের রাতে একা ... ...

প্রথম পর্ব, প্রথম অধ্যায়:পুরনো পথ সাদা মেঘ - বুদ্ধের পথে পথ চলাপ্রথম খণ্ডপ্রথম অধ্যায়শুধু হাঁটার জন্যই হাঁটা(img)স্বস্তি নামে একজন তরুণ ভিক্ষু বাঁশগাছের ছায়ায় হাঁটু মুড়ে বসে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের ধ্যান করছিল। এই বাঁশবন মঠে দেখতে দেখতে তার ঘন্টাখানেক ধ্যান হয়ে গেল, আরো কয়েকশো ভিক্ষুও অন্যান্য বাঁশগাছের ছায়ায় নয়ত তাঁদের নিজের কুটিরে ধ্যান করছিলেন। মহাগুরু গৌতম, লোকে যাঁকে বুদ্ধদেব নামে জানে, তিনি এই মঠটিতে প্রায় চারশো শিষ্য সহ বসবাস কর ... ...

ছোটোবেলায় প্রতি রথযাত্রায় নতুন পালার নতুন চমক সিরিজে 'সিঁদুর দিওনা লেপে', টাইপ নামের ছড়াছড়ি থাকতো। ‘নামভূমিকায় লাস্যময়ী নায়িকা। অন্যদিকে কোনও মিহিগুম্ফ নায়ক। তৎসহ কিশোরকুমার, "...হাটবাজারে শাঁখাসিঁদুর অনেক পাওয়া যায়/ কপালে থাকলে পরে তবেই পরা যায়...." শাঁখা ও সিঁদুরের এই দ্বৈত বাদ্যবাদন থেকেই মেয়েদের প্রোফাইল নির্ধারিত হয়ে যেতো সেকালে। এখনও হয় অনেক জায়গায়।----------------------------- আমাদের গ্রীষ্মপ্রধান দেশের সংস্কৃতিতে প্রকৃতির তিনটি মৌলিক রং, যাদের earth coloures বলা হয়,, তার বিশ ... ...

আজ থেকে হাজার বছর আগের সরল মানুষটিকে দেখার জন্য দলমা ভ্যালির মহুলবনি গুহার সন্নিকটে, রুকনি নদীপাড়ের এই ছোট্ট গ্রামে আজও কিছুদিন ভ্রমণে গুজৱ করা যায়। শালুকচাপড়ায় বিজলীর খুঁটি নেই, অ্যান্টেনা নেই, পাকা সড়ক নেই, কুঁয়ো নই। কিন্তু এই মানুষটি। ভাষা, পরিপাটি, গান জানে না। তবু প্রাতঃবেলা গাছেরা দুলে দুলে প্রথমে তারই খোঁজ করে। নির্জন বুনোপথ, দুর্ভেদ্য গহীন অরণ্যে শ্বাপদপ্রতিম চলাফেরা। কখনো দোয়েল উড়ে এসে কাঁধে বসল, কখনো লাজুক ভালুক গা চুলকে ছাতিমের আড়ালে। কিম্বা আষাঢ়ের বাজ খেয়ে অন্ধ হায়না ল ... ...

গরমের দিনে মাটির কলসী, শীতের দিনে আসকে পিঠে বানাবার মাটির সড়া, সরুচাকলীর তাওয়া, সর্বসময়ের ধুনুচী, পুজোর সিজিনের ঘট, মোচ্ছবের – হব্যিষ্যির মালসা ইত্যাদি নানা মাটির জিনিসের ওয়ান স্টপ শপ্ আমাদের গ্রামে ছিল রশিদ চাচার দোকান। চাচার বাড়ির কাঠামো ছিল অনেকটা প্যারিসের ল্যুভের মিউজিয়ামের মত, মানে তিন দিক খোলা, একদিক ফাঁকা – আর যে তিন দিক ঘেরা তার দুই দিকে যথাক্রমে পুরানো এবং নতুন বাড়ি এবং একদিকে পাঁচিল। বাকি খালি দিকে রইল গিয়ে জুঙ্গিতে নামক এক দীঘি এবং চাচার অন্দর মহলের অপার রহস্য। এমন নয় যে চাচার অনেক ... ...

সবচেয়ে ভোরে উঠে একটা মোক্ষম জিনিশ টের পাই। শালা, য-ফলাতেই মেয়েদের কাঁখতল দেখি আমার নির্ঘাৎ ঘোর অসুখ করেছে। এবং, রোগটা অস্বস্তির। এ যৌনব্যাধির একটা স্পেসিফিক নাম নিশ্চয়ই আছে, কিন্তু তজ্জন্যে মাকুন্দ ডাক্তারের মদত নেব না। কেননা রোগটা আমারই। অন্য কারো এতে ক্ষতি হচ্ছে না। না সমাজের। কোন সন্দেহ কিম্বা দ্বন্দ্ব ছাড়াই, কারো ওপর চোপা নেই, রোষও করছি না; আজ এতদিনে সহজ ও সরসর করে সুবোধ খরিসের মতো ফণা তুলে দাঁড়াল আবিষ্কারটা। না, যৌন না। যৌন জড়িত অপর কোনো ব্যাধি। মানসিক। এরপর যত বড় হচ ... ...

আমার দিদার ছিল গোটা চারেক ভালো শাড়ী। একটা বিয়ের বেনারসী, একটা গরদ, মাঝবয়েসে বেনারস বেড়াতে গিয়ে সেখান থেকে কেনা একটা কড়িয়াল বেনারসী, এছাড়া শেষের দিকে তসরও হয়েছিল। মায়ের প্রথম দামী শাড়ী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন হস্তশিল্প মেলা থেকে কেনা দুধে আলতা রঙের একটা বালুচরী। পঁচিশ বছর পরেও তার জলুষ অম্লান এবং তার তুল্য একটি দ্বিতীয় বালুচরী আজ পর্যন্ত দেখলাম না। সেই শাড়ীটি কেনার সময়ে মায়ের পনেরো বছর চাকরী করা হয়ে গেছে। তারপরে মুক্ত অর্থনীতি এসে লোকজনের হাতে টাকাপয়সা বেড়েছে। এখন মধ্যবিত্তের ঘরেও বিভিন্ন প্রদেশের ... ...

মহারাষ্ট্রের পঞ্চগণি মহাবলেশ্বর হিলস্টেশান হিসেবে বিখ্যাত, বিখ্যাত এর স্ট্রবেরী চাষের জন্যও। বছরে ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা লাভ হয় শুধু এই অঞ্চলে উৎপাদিত স্ট্রবেরী বিক্রি করে। দাক্ষিণাত্যের বিখ্যাত কৃষ্ণা নদীর উৎসও এই মহাবলেশ্বর অঞ্চল। সারাবছর পর্যটকের আনাগোনা লেগেই থাকে। পুণে থেকে গাড়িতে আড়াই ঘন্টার দূরত্ব; এদিকে শরীর মন দুইই আর দৈনন্দিন রুটিনের বোঝা টানতে পারছে না, অতএব রওনা দেওয়া গেল ওইদিকেই। পঞ্চগণি থেকে ৭-৮ কিলোমিটার দূরের এক গ্রাম ভিলার, রাজ্য সরকার সম্প্রতি তাকে গড়ে তুলেছে প ... ...

প্রাককথনযেমন আর পাঁচটা বেড়াতে যাওয়ার ক্ষেত্রে হয়, কোথায় যাওয়া হবে, তারিখ, ফেরা কবে, কতদূর যাব এইসব টালবাহানা চলে, এবারেও ঠিক তাই ছিল। তা, সেই পর্ব মিটে যায় ভালোয় ভালোয়। আরও একটা বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা যেমন থাকে, তবু তার বাইরেও অনেকটা অনিশ্চয়তা থাকে, সংশয় থাকে, বিশেষত যে ব্যাপারটার একেবারে তল পর্যন্ত দেখে সে তো প্রায় হাঁড়িকাঠে মাথা দিয়ে বসে। কাজেই, পরিকল্পিত জায়গাগুলোর বুকিং আর রেল টিকিটের মাঝখানের সময়টা ঝড়ের আগের শান্তি।যাত্রা শুরুর কিছুদিন আগে ফের গা-ঝাড়া দিয়ে ব ... ...

ওয়েবসাইটে জ্যামিতির বনিয়াদ নিয়ে আমার এই লেখাটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে...এখানে লেখাটা প্রায় একই ভাবেই দিলাম... আমার ব্যক্তিগত অনুরোধ, আমার লেখাটা না পোষালেও ওয়েবসাইট টায় ঘুরে আসতে ভুলবেন না...আজ পঞ্চম পর্ব, যা ৩রা জুন, ২০১৭ ( ইংরাজি সন) এ প্রকাশিত হয়েছিল...জ্যামিতির গোড়ার কথা : ইউক্লিড থেকে রীমান ( পঞ্চম পর্ব ) ... ...