
পর্ব-১মন্টু ছুটছিল।যেভাবে সাধারণ মানুষ বাস ধরার জন্যে ছোটে তেমনটা নয়।মন্টু ছুটছিল।যেভাবে ফাস্ট বোলার নিমেষে ছুটে আসে সামনে ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিপক্ষের পেছনের তিনটে উইকেটকে ফেলে দিতে তেমনটা নয়।মন্টু ছুটছিল।যেভাবে সাইকেল চালানো মেয়েটার হাতে প্রথম প্রেমের চিঠিটা ধরিয়ে দিতে হয় তেমনটা নয়।মন্টু ছুটছিল।ইমারজেন্সি ওয়ার্ডে সিরিয়াস পেশেন্টকে ভর্তি করানোর জন্য যেভাবে ডাক্তারের সন্ধানে দৌড় দিতে হয় তেমটা নয়।আসলে মন্টু ছুটছিল পেছন থেকে ঠিক পিঠ বরাবার এ ... ...

দিল্লি ইউনিভার্সিটির শান্তিকামী ছাত্রী গুরমেহর কৌরের ওপর কুৎসিত অনলাইন আক্রমণ চালিয়েছিল বিজেপি এবং এবিভিপির পয়সা দিয়ে পোষা ট্রোলের দল। উপর্যুপরি আঘাতের অভিঘাত সইতে না পেরে গুরমেহর চলে গিয়েছিল সবার চোখের আড়ালে, কিছুদিনের জন্য। আস্তে আস্তে সে স্বাভাবিক জীবনের ছন্দে ফিরছে। সম্প্রতি সে একটি ব্লগ শুরু করেছে – বলেছে প্রতি সপ্তাহে সে সেখানে লিখবে তার নিজের কথা, তার শান্তির সন্ধানে অভিযানের কথা। গুরমেহরের অনুমতিক্রমে তার প্রতিটি ব্লগ-পোস্টের বাংলা অনুবাদ থাকবে এবার থেকে, আমার ব্লগে। ভাবনাগুলো ... ...

বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকার হেফাজতে ইসলামের একের পর এক মৌলবাদি দাবীর সামনে ক্রমাগত আত্মসমর্পণ করছেন। গোটা উপমহাদেশ জুড়ে ধর্ম ও রাজনীতির সম্পর্ক শুধু তীব্রই হচ্ছে না, তা সংখ্যাগুরু আধিপত্যর দিকে এক বিপজ্জনক বাঁক নিচ্ছে। ভারতে মোদি সরকারের রাষ্ট্র সমর্থিত সংখ্যাগুরু সাম্প্রদায়িকতার নানা বিপজ্জনক প্রবণতা সামনে আসছে। বাংলাদেশে তারই এক অন্য ভয়াবহ সংস্করণ আমরা প্রত্যক্ষ করছি সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে। শাহবাগ আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশে ২০১৫ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ব্লগার মুক্তচিন্ ... ...

মুসলিমদের কাজকর্মের চালচিত্রপশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের অবস্থা শীর্ষক যে খসড়া রিপোর্টটি ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল তাতে আমরা দেখেছি মুসলিম জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে গরিষ্ঠ অংশটি, গোটা জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক দিন মজুর হিসেবে জীবিকা অর্জন করতে বাধ্য হন। ৪৭.০৪ শতাংশ মানুষ দিনমজুর। এর পরে রয়েছে নিজের জমিতে চাষের কাজ। ১৫.৪২ শতাংশ মুসলমান নিজের জমিতে চাষাবাদ করেন। এছাড়া ক্ষেতমজুর হিসেবে অন্যের জমিতে চাষের কাজ করেন আরো ১০.১১ শতাংশ মানুষ। ছোট বড় ব্যবসার কাজে যুক্ত মানুষের সংখ্যা ২.৫৯ শতাংশ মাত্র আর বেতনভোগী হিসেবে ... ...

খ্রিস্টীয় ৬২২ সালে হজরত মহম্মদ মক্কা থেকে ইয়াথ্রিব বা মদিনায় যান। সেই বছর থেকে শুরু হয় ইসলামিক বর্ষপঞ্জী ‘হিজরি’। হিজরি সন ৯৬৩ থেকে বঙ্গাব্দ গণনা শুরু করেন মুঘল সম্রাট আকবর। হিজরি ৯৬৩-র মহরম মাসকে ৯৬৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাস ধরে শুরু হয় ‘ তারিখ ই ইলাহি’, যে বর্ষপঞ্জীর উদ্দেশ্য ছিল বাংলার কৃষিবর্ষকে হিসেবে রেখে খাজনা আদায়ের দিনগুলি নির্ধারণ করা। বাংলার আকাশে তারা দেখে মাস নির্ধারণ করা হত। হিজরির চান্দ্রমাসের চলনকে ধরে রেখে তারা-ঝিকমিকি মাসগুলিকে পঞ্জিকায় ঢুকিয়ে ফেলেন ফারসি-ভাষী জ্যোতির্বিদ ফাতুল্লাহ ... ...

মালদা শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে পুকুরিয়া থানার অন্তগর্ত গোবরজনা এলাকায় অবস্থিত গোবরজনার প্রাচীন কালী মন্দির। অষ্টাদশ শতকে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির বিরুদ্ধে লড়বার সময়ে এক রাতে ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরাণী কালিন্দ্রী নদী দিয়ে নৌকা করে ডাকাতি করতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ এক বড় ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে তাঁদের নৌকো আটকায়। অস্থায়ী শিবির করে আস্তানা নেয় ডাকাতদল। সেখানে স্বপ্নাদেশ পান ভবানী পাঠক। স্বপ্নে তাঁকে মা কালী কালিন্দ্রী নদীর ধারে জঙ্গলের মধ্যে পূজো করতে আদেশ দিয়েছিলেন। স ... ...

না, অরাজনৈতিক বলে কিছু হয় না। নিরপেক্ষ বলে কিছু হয় না। পক্ষ নিতে হবে বললে একটু কেমন কেমন শোনাচ্ছে – এ মা ছি ছি? তাহলে ওর একটা ভদ্র নাম দিন – বলুন অবস্থান। এবারে একটু ভালো লাগছে তো? তাহলে অবস্থান নিতেই হবে কেন, সেই বিষয়ে আলোচনায় আসি।মানুষ হিসাবে আমার দৈনন্দিন জীবনযাপন শুধু আমাকে নিয়ে নয় – এমনকি চরমতম স্বার্থপর মানুষটির জন্যও নয়। যে সামাজিক ডিজাইনের মধ্যে আমরা রয়েছি, তাতে প্রত্যেকেই অন্য কারো না কারো ওপর একাধিকভাবে নির্ভরশীল থাকতেই হয়। এবং সেখানে যে কোন ঘটনা, যে কোন সমস্যা, তা যতই “আমার” সঙ্গ ... ...

সবাই বলছে গুজবে কান দেবেন না, কিন্তু মানুষের ধর্মই হল গুজবে কান দেওয়া।আপনি একটা ভাল খবর দিন.. সেটা বন্ধুদের মধ্যেই থাকবে কিন্তু খারাপ খবর মূহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। আপনি ফেসবুকে দেখতে পেলেন আপনার এক বন্ধু লিখেছে দেগঙ্গাতে কি কিছু হচ্ছে? আপনি সেখানে গিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, আরো অনেকে করলো। একজন বলল হ্যাঁ হ্যাঁ, আমিও শুনেছি!! কি ব্যাপার কে জানে! আরো একজন প্রোফাইল এসে বলল আমার বাড়ি থেকে দশ কিলোমিটার, দাঙ্গার খবর আসছে!! আপনি মোটামুটি নিশ্চিন্ত হলেন যে খবরটার ভিত্তি আছে। উত্তেজনায় আর নি ... ...

নিরাপত্তাহীনতা এক সর্বজনীন অনুভূতি। এক প্যাঁচালো স্টেট অফ মাইন্ড। আপনারও আছে, আমেরিকারও আছে। কোন অবস্থায় দাঁড়িয়ে বা কী কী কারণে আপনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন সেটাও একটা মাইন্ডসেট। দীর্ঘদিন ধরে অরগানাইজড ভাবে ক্রমাগত প্রচারে এই মাইন্ডসেট তৈরি করা যায়। পিউবার্টি এজে বা টিন এজে আরও তাড়াতাড়ি করা যায়। সব রাজনৈতিক দলই তাই 'ক্যাচ দেম ইয়ং' পলিসিতে আস্থা রাখে। স্কুল-কলেজেই মাথায় কোনও বিশ্বাস ঢুকিয়ে দিতে পারলে, তা অধিকাংশ সময়েই খুলিতে গেঁথে যায় পেরেকের মতো। তারপর, কারও কারও ক্ষেত্রে তা থাকে চিরকাল। ... ...

সবার জন্য স্বাস্থ্য - একটি আন্দোলন, আন্দোলকেদের কথায় একটি স্বপ্ন যা সত্যি করা যায়। ঠিক এই নামেই আজ ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারি হেলথ এসোসিয়েশন কেন্দ্রে ডঃ পুণ্যব্রত গুণের সম্পাদনায় প্রকাশিত হল একটি বই - সবার জন্য স্বাস্থ্য। গুরুচণ্ডা৯ এবং সবার জন্য স্বাস্থ্য কমিটির যৌথ প্রয়াসে। একগুচ্ছ লেখা রয়েছে নিবেদিতপ্রাণ স্বাস্থ্যকর্মীদের। বইপ্রকাশের সঙ্গে কনভেনশন। সেখানে লেখকদের সঙ্গে উপস্থিত প্রত্যন্ত গ্রামের ডেলিগেটরা। হাতে হাত বেঁধে থাকা এইসব মানুষগুলির কথায় বাস্তব হয়ে উঠে আসে এমন এক দেশের কথা ... ...

দাদামণি অশোক কুমারের প্রপিতামহ মানে মায়ের ঠাকুরদা ছিলেন ভাগলপুরের রাজা শিবচন্দ্র ব্যানার্জি।আগেই লিখেছি সে কথা।ছোটবেলায় অশোক কুমার একটা বড় সময় ভাগলপুরে কাটিয়েছিলেন।সেই সময় মাঝে মাঝেই রাজা শিবচন্দ্র ব্যানার্জি বাচ্চা অশোক কুমারকে ডেকে বলতেন 'অ্যাই ছোড়া, একটা গল্প শোনা'।আসলে অশোক কুমার ছোটবেলায় খুব ভালো বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলতে পারতেন।এবার পরদাদা,মানে প্রপিতামহর নির্দেশে গল্প বলতে শুরু করতেন, 'কাল আমি একটা জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হাঁটছিলাম তখন কত কত পাখিরা কিচিরমিচির করছিল ময়ূর নাচছিল আমার খুব ভালো ... ...

৩) গরু উদ্ধার - গরু আমাদের রাষ্ট্রমাতা। সে কেউ বলুন ছাই না বলুন। আদি-অনন্তকাল ধরে আমরা গরুকে মাতৃস্থানীয় করে রেখেছি। তাই, গোমাতা নিয়ে কেউ আমাদের বোকা বানালে সেই নিয়ে আমাদের সরব হয়ে ওঠা দরকার। প্রসঙ্গতঃ, গত কয়েক দিন ধরে চীনের কিছু গুপ্তচর আমাদের দেশের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির মাঠে-ঘাটে গরু সেজে অবাধ বিচরণ করছিল। দেশের খবর পাচার করা তাদের মূল উদ্দেশ্য। ধরা পড়ে তারা এটা স্বীকার করেছে। এরকম ভাবে গরুর ছদ্মবেশ ধারণ করে আমাদের বোকা বানানো হচ্ছে। ... ...

আজকে কেন জানিনা ঊনকোটি পাহাড়ের কথা খুব মনে পড়ছে। নিজেদের পুরোনো জীবনের কথাও। ১৯৬৯ কি ৭০সাল। সদ্য শিক্ষকতায় ঢুকেছি। কোথায় আমার বাড়ী কোথায় ভদ্রার বাড়ী। ছোট্ট শহর কৈলাশহর। সংস্কৃতিমনষ্ক রক্ষণশীল সমাজ। আমাদের বয়স তখন কম, দেখায় আরো কম। সহকর্মীরা ভালবাসেন, হেডমিস্ট্রেসের আমরা প্রিয়পাত্রী ছিলাম। স্কুলের সব কটি ক্লাসের মেয়েরা পিকনিকে আমাদের নিয়ে যেতে চায় আমরাও সাগ্রহে যাই। ঊনকোটিতে নিরামিষ খাওয়াই প্রথা; আমরা একদিন সর্ষেবাটা দিয়ে রান্না করা ডিম নিয়ে গেছিলাম, কেউ বাধা দেয়নি। তখন পাহাড়ে কেউ থাকতোও না; ক ... ...

গত বছর ডিসেম্বর মাসে কলকাতা গেছিলাম। আমাদের এখান (নিউজিল্যান্ড) থেকে কলকাতা যেতে অনেকটা সময় লাগে, সিঙগাপুর হয়ে পৌঁছতে পৌঁছতে রাত বারোটা। পরের দিন সকালে উঠে সেল ফোনে স্থানীয় সিম কার্ড ভরব বলে পাড়ায় একটি দোকানে সিম কার্ড কিনতে গেলাম। দোকানের ছেলেটিকে অনেকদিন ধরে চিনি, প্রতি বার গেলে এর কাছ থেকেই কিনি।বলল, "দাদা, আধার কার্ড দিজিয়ে, ফটাফট হো জায়গা", আজকাল কলকাতায় দেখলাম সবাই খুব ফটাফট, স্যাটাস্যাট এইসব কথা ব্যবহার করে (মনে হয় প্রোডাকটিভিটী বেড়ে দিল্লির লেভেলে হয়েছে)। আমার আধার ক ... ...

[তুরু তুরু তুরুরু বাজি বাজেনেই, পারায় পারায় বেরেবং বেক্কুন মিলিনেই...এচ্চ্যা বিঝু...বিঝু...বিঝু....এচ্চ্যা বিঝু..বিঝু বিঝু..বেক্কুনরে বিঝুর পাত্তুরুতুরু...]চাকমা ভাষায় ‘ফেগ’ কথাটির মানে হচ্ছে পাখি। বিঝু পাখি আমি কখনো দেখিনি, তবে শুনেছি, ছোট্ট এই রঙিন পাখিটি নাকি বিঝুর সময় অবিকল ‘বিঝু-বিঝু’ করে ডেকে ওঠে। তাই চাকমা লোকগানে গুনবন্দনা করা হয়েছে এই পাখির। তখন নাকি দূর পাহাড়ে পাপড়ি মেলে বিঝু ফুল।ওহ, বলতে ভুলে গেছি, বিঝু হচ্ছে চাকমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বা ... ...

স্বাধীন ভাবে নিজ বিদ্যাবুদ্ধিতে ভাবনাচিন্তা লেখালেখি করতে চাইলে এই ফেসবুক হোয়াটস এ্যাপ এর দুনিয়ায় আপনার খবর আছে মশাই! সোশাল মিডিয়ার আদিলগ্নে ছিল বিভিন্ন চ্যাটগ্রুপ। ভারতে তখন ইন্টারনেটের হামাগুড়ি দশা। সেই আমলেও কোন বামফ্রন্ট বা বিজেপি বা কংগ্রেস বা তৃণমূল সমর্থকরা নিজেদের মধ্যে তর্ক আড্ডা মারতেন। মানে যেমন আমরা চায়ের দোকানে মেরে থাকি আর কি। তারপর অর্কুট এলো। সেখানেও বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি হলো। কোন গ্রুপে কোন দলের সমর্থকরা দলে ভারি সে পরিষ্কার বোঝাই যেতো। আর ফেসবুকে তো এখন রাজনৈতিক ক্যাম্পেন খোলাখুলি ... ...

হুতোম সেই কবে বাঙালীদের খোঁচা মেরে লিখে গেছেন "হুজুকে কলকাতা "।শাইনিং ইন্ডিয়াতেও এখন নিত্যি নতুন হুজুক, তাতে মিথ্যাকে আটপৌরে হাফ প্যান্ট বা ঘরে পরা নাইটির মতো ব্যবহার করা চলছে দেদার। জড়িয়ে নিলেই হলো। নেড়ে বা কাটাদের নিয়ে হুজুকের শেষ কবেই বা ছিলো। তীব্র শ্লেষের সঙ্গে হুতোম একটির উল্লেখ করেছেন। কাবুলি মেওয়াওয়ালারা নাকি ছেলে ধরে কাবুলে নিয়ে যায়, তারপর ছেলেটাকে ছেড়ে দেয় মধু মিষ্টি মেওয়া বাগানে। মেওয়া খেয়ে খেয়ে সে একেবারে ফুলে ওঠে, গায়ের রঙ যেন দুধে আলতা। টুস্কি মারলে রক্ত বেরোয়। ... ...

ইমোশনাল ভিমরতিঝুমা সমাদ্দারআমাদের নাকি আজকাল আর ইমোশন নেই ! আমরা নাকি ভোঁতা হয়ে যাচ্ছি। বললেই হোলো ! এখন আমাদের বলে 'ডুয়্যাল ইমোশন' যুগ !‘অঃ' ইমোশন আর 'হিঁইইক' ইমোশন। এই দুই ইমোশনে মিলে দেখছি প্রায় কাত করে ফেলেছে আজকাল আমাদের। "কাশ্মীরে জঙ্গী সন্দেহে মৃত চার গ্রামবাসী। "- অঃ ! কা..আ..শ্মীরে...ও তো হবেই। (টিভি'টা কেমন ছোট ছোট লাগছে না ? পাল্টাতে হবে। )“বিবেকানন্দ সেতুতে দুর্ঘটনায় মৃত্যু চার পথচারীর। "- অঃ ! তা সরে যেতে পারল না ? চোখ বন্ধ করে হাঁটে, নাকি ? ... ...

ওয়েবসাইটে জ্যামিতির বনিয়াদ নিয়ে আমার এই লেখাটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে...এখানে লেখাটা একই ভাবেই দিলাম... আমার ব্যক্তিগত অনুরোধ, আমার লেখাটা না পোষালেও ওয়েবসাইট টায় ঘুরে আসতে ভুলবেন না...আজ দ্বিতীয় পর্ব, যা ২৮শে জানুয়ারী, ২০১৫ ( ইংরাজি সন) এ প্রকাশিত হয়েছিল...জ্যামিতির গোড়ার কথা : ইউক্লিড থেকে রীমান ( চতুর্থ পর্ব ) ... ...

ছোটবেলায় একটা সময়ে, ওই যখন বাড়িতে টিভি এল, ক্লাস ফোর বা ফাইভ হবে, একটা অদ্ভূত ব্যাপার হত। সাদা-কালো টিভিতে পর পর দেখেছিলাম, ‘৪২, নীলদর্পণ, সিরাজদ্দৌলা কে সিনেমাগুলি। বিপ্লবী দের গল্পের বইটই পড়তে শুরু করেছি। অমর চিত্র কথাও। সেই সময়ে আমাদের ছাতে কয়লার গুল শুকোন হত (রান্নার গ্যাস আসে নি)। আমরা ভাইরা মিলে সেই বিকেলের দিকে ছাতে গিয়ে বিপ্লবী বনাম পুলিশ - যুদ্ধ যুদ্ধ খেলতাম। বলাই বাহুল্য, বিকেলের ওই শুকিয়ে যাওয়া গুল গুলি হত বোমা। রাতে পড়তে বসলে মনে হত - ঈশ, যদি সেই সময়ে থাকতাম, খুব লড়তাম। খ ... ...