
বম্বে থেকে কোনো গানের রেকর্ডিং করে মান্না দে কলকাতায় ফিরছেন।এয়ারপোর্ট থেকে পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ওনাকে রিসিভ করে নিয়ে আসছেন।শ্যামবাজারের দিক দিয়ে পুলক বাবু ড্রাইভ করে আসছেন, সেই সময় মান্না দে হঠাৎ একটা ভজন গেয়ে উঠলেন 'ঘুংঘট কে পট খোলো'।পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় একবার শুনলেন।তারপর বললেন 'দাদা আরেকবার গানটা করুন তো'।মান্না দে ও আরেকবার গানটা গাইলেন।গাড়ি তখন শ্যামবাজার মোড় পাড় করে গেছে।পুলকবাবু গাড়ি ঘুড়িয়ে শ্যামবাজার মোড়ে বাণীচক্র গানের স্কুলের সামনে এসে দাঁড়ালেন।গাড়ি থেকে মান্না দে কে টেনে ... ...

মাতৃদেবীকে পুঁটিরাণী বিলক্ষণ বুঝিয়া চলে। প্রবল ব্যাক্তিত্বময়ী এবং সর্বকর্মনিপুণা মাতৃদেবী পুঁটিকে বেশ চাপে ফেলিয়া দেন যখন তখন। মাতার অভিযোগ মিথ্যা নহে- ফাঁকিবাজ পুঁটিরাণী কী প্রকারে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইত বা একাধিক দপ্তরে কী প্রকারে তাহার কর্মসংস্থান হইল, এই সবের ব্যাখ্যা আজও মাতার যুক্তিবুদ্ধির বাহিরে। এখন পরিণত বয়সেও পুঁটি সাংসারিক কর্মে নিতান্তই অপটু, সন্তানাদি মানুষ করায় তাহার অদক্ষতার সীমাপরিসীমা নাই, তাহার ঘরদোর ছবির মত একেবারেই নহে, তাহার দ্বাদশবর্ষীয় পুত্র মাতার চক্ষুর দিকে চাহিয়া প ... ...

পর্ব-৩স্নেহের বরেণ, মানিকচকের বাজারসরকার মারফৎ সংবাদ পেলাম তোমার একটি পুত্র সন্তান হয়েছে। বংশের পিদিম জ্বালাবার লোকের যে অভাব ছিল তা বুঝি এবার ঘুঁচলো। সঙ্গে একটি দুঃসংবাদে হতবাক হলাম।সন্তান প্রসবকালে তোমার স্ত্রী রানীর অকাল মৃত্যু। তুমি আর কি করবে বাবা? সবই বিধির বিধান। শোকে পাথর হবার সময় এটা নয়। বুক বেঁধে আবার গড়ে তোলো সংসার। পত্র মারফৎ বাজার সরকারের কনিষ্ঠা কন্যা শিউলী রানীর একটি ফটো তোমাকে পাঠালাম। কন্যা রূপবতী না হলেও গুণবতী বটে। সেলাই ফোড়াই, রান্না-বান্নার কাজে সিদ্ ... ...

ট্রিনিটিসরিৎ চট্টোপাধ্যায় / অণুগল্পসিড একটু নড়েচড়ে বসে মাথা চুলকে বলল, পিকুদা, মোটা মাথায় কিস্সু ঢুকছে না। একটু বুঝিয়ে বলো। একদিকে এক বিশাল কৃষ্ণ গহ্বর, অপরদিকে একটি সুপারনোভা। মাঝের জায়গাটাই আপাতত স্বর্গের বর্তমান ঠিকানা। তারই একপাশে এক সবুজ প্রশস্ত মাঠ। দূরে গগনচুম্বী পর্বতমালা। মাঝে গিরিখাতে বয়ে চলা সর্পিল সুললিত পয়স্বিনী।হাতপা ছড়িয়ে বসেছিল সিড, মানে আমাদের সিদ্ধার্থ। পিকুদার কথাগুলো শুনে পুরোনো সেই বুক ধড়ফড় আবার শুরু হয়ে গেছে। পিকুদা, একটা স্ট্রবেরি আ ... ...

(লেখাটি আঁকিবুকি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।) ২১শে ফেব্রুয়ারী,১৯৯১। কাশ্মীরের কুপওয়াড়া জেলার কুনান পোসপোরা গ্রামে ইন্ডিয়ান আর্মি সন্দেহভাজন উগ্রপন্থীদের খোঁজে ঢোকে।পুরুষ ও নারীদের আলাদা করা হয়।পুরুষদের অত্যাচার করা হয় তদন্তের নামে। আর সেই রাতে ১৩ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৫৩ জন মহিলাকে বারংবার ধর্ষন করে ভারতীয় সৈন্যবাহিনী।অনেকের মতে ধর্ষিতের সংখ্যাটা ১০০ ছাড়াবে। একটা গ্রাম পুরো ধ্বংস হয়ে যায়। অভিযুক্তদের কোনো বিচার হয়নি কারণ ওখানে আফস্পা জারী ছিল। ... ...

স্টিভেন সবে সকালের কফি টা হাতে করে নিয়ে বসেছে তার ডেস্ক এ. রাতের শিফট থাকলে সব সময়েই হসপিটাল এ তার মেজাজ খারাপ হয়ে থাকে। উপরন্তু রেবেকার সাথে বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ঝগড়া টাও তার মাথায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল। বাড়ি ফিরেই আজ তার জন্যে কিছু একটা ভালো কিছু রান্না করে রাখবে বলে ভাবছিলো স্টিভেন। এসব চাই পাশ ভাবতে ভাতেই কম্পিউটার তা আনলক করে সে সবে বসেছে, হঠাৎ স্ক্রিন এর ব্যাকগ্রাউন্ড এর ছবিটা দেখে তার ভুরু কুঁচকে গেলো ... ...

একটা দুষ্টু পরিবারের বাড়িতে পুঁটিরা ভাড়া থাকত। নেহাত স্কুল কাছে হবে বলে বাড়িটা বাছা হয়েছিল, নইলে খুবই সাদামাটা ছিল বাড়িটা। ২৭৫ টাকা ভাড়ায় কেজি টুতে ঐ বাড়িতে চলে আসে পুঁটিরা। ও বাড়ির লোকেরা কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে বড্ড ঝগড়া করত, যার মধ্যে নাকি খারাপ খারাপ কথাও থাকত অনেক। পুঁটির মা-বাবা তাড়াতাড়ি জানলা, দরজা বন্ধ করে দিতেন তখন, রেডিওতে গান চালিয়ে দিতেন। ওদের দু'বোনের তাই ঝগড়ার স্মৃতি থাকলেও বাজে কথা শেখা হয় নি ওখানে।তবে বাড়িতে আরো তিনটে ছোট ছেলেমেয়ে ছিল, খুব জমিয়ে খেলত ওরা সবাই মিলে। ... ...

আজ পুঁটির মস্ত গর্বের দিন। শেষপর্যন্ত সে বড় হল তাহলে। সবার মুখে সব বিষয়ে "এখনও ছোট আছ, আগে বড় হও" শুনে শুনে কান পচে যাবার জোগাড়! আজ পুঁটি দেখিয়ে দেবে সেও পারে, সেও কারো থেকে কম যায় না। হুঁ হুঁ বাওয়া, ক্লাস ফোরে কি আর সে হাওয়া খেয়ে উঠেছে!! রোজ মা মামনদিদি সমেত তাদের ইস্কুলে পৌঁছে অফিস যান আর ছুটির সময় মামনদিদির মা এসে তাদের বাড়ি নিয়ে যান, এই বন্দোবস্ত নিজেদের মধ্যে। এই হপ্তায় মায়ের পড়েছে অফিসের ট্রেনিং, মহা মুশকিল! অগত্যা সকালে বাবা নিয়ে আসছেন অসুবিধে করেই, বাবার অফিস একদম অন্যদিকে কিনা ... ...

ভাই মর্কট, এমন সঙ্কটের সময়ে তোমায় ছাড়া আর কাকেই বা চিঠি লিখি বলো ! আমার এখন ক্ষুব্বিপদ ! মহামারি অবস্থা যাকে বলে। যেদিন টিভিতে বলেছে মাধমিকের রেজাল্ট বেরোবে এই সপ্তাহের শেষের দিকে, সেদিন থেকেই ঘরের পরিবেশ কেমনধারা হাউমাউ হয়ে উঠেছে। সবার আচার-আচরণ খুব সন্দেহজনক। কয়েকদিন ধরেই লক্ষ্য করছি মা রোজ আমায় দেখিয়ে দেখিয়ে খুন্তি-শিল-নোড়া সব পরিষ্কার করছে আর যত্ন করে সাজিয়ে রাখছে। সেই যে আলুজেঠু, যিনি এককালে নামকরা তন্ত্রসাধক ছিলেন, তাঁর আবার এখন শুনি শবসাধনা করে পিশাচসিদ্ধ হওয়ার শখ জেগেছে। ... ...

আমার মতন অকিঞ্চিৎকর লোকের সিরিজ লিখতে বসা মানে আদতে সহনশীল পাঠকের সহ্যশক্তিকে অনবরত পরীক্ষা করা। কোশ্চেনটা হল যে আপনি কাফিরনামা ক্যানো পড়বেন? আপনার এই দুনিয়াতে গুচ্ছের কাজ এবং অকাজ আছে। সব ছেড়ে কাফিরনামা পড়ার মতন বাজে সময় খুদাতলা আপনাকে দিয়েছেন কি? অবশ্যি,এই বিচ্ছিরি গরম, মোহনবাগানের ফেড কাপ ফাইনালে হার আর এত পার্সেন্ট ডিএ বকেয়া রেখেও যদি আপনি বহাল তবিয়তে বেঁচে থাকতে পারেন তাহলে আমার এই কাফিরনামা সেই তুলনায় এক্কেবারে ‘তুশ্চু’।আমার এক মাস্টারমশাই বলেছিলেন যে খুদাতলা দ্বীন দুনিয়ার আদমজাত ... ...

পর্ব-২ঝাঁ-চকচকে শহরের সবচেয়ে বিলাসবহুল বহুতলের ওপরে, সৌর বিদ্যুতের অসংখ্য চাকতি লাগানো এ্যান্টেনার নীচে, একটা গুপ্ত ঘর আছে। সেটাকে ঠিক গুপ্ত বলা যায় কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকতে পারে। যাহা চোখের সামনে বিরাজমান, তাহা গুপ্ত হয় কেমনে? ভাষা-বিদ্যার লোকজনেরা চোখ পাকাতেই পারেন। প্রশ্ন করতেই পারেন। কিন্তু এতসব সত্ত্বেও চোখের সামনে দন্ডায়মান ঘরটা গুপ্তই। কেউ ওখানে প্রবেশ করেনা সচরাচর। সভ্য জামাকাপড় পরা পাহাড়াদাররা ওটাকে বলে মেশিন ঘর।নীচের উঠোন থেকে বাইশতলার মেশিন ঘরের হদিশ তারাও খুব একটা রাখে না ... ...

পুঁটির বিয়ের আগে শাশুড়িমা বললেন যে, ওবাড়ি গিয়ে পুঁটিকে কাজকম্মো বিশেষ করতে হবে না। ওমা! তাও আবার হয় নাকি! গিয়ে কিন্তু দেখা গেল, সত্যিই তাই। পুঁটি সপ্তাভর আপিস করে আর সপ্তাহান্তে মাসতুতো-মামাতো দেওর-ননদ জুটিয়ে দিনভর আড্ডা- অন্তাক্ষরী-তাস খেলা এ সব করে। শখের রান্না বা ঘর গোছানো এসব করতে ইচ্ছে হলে করে, আর কিছু না। যা করে, তার আবার বিস্তর প্রশংসা পায়! শান্ত পরিবারটি হইচইবাজ পুঁটিকে পেয়ে বেশ খুশি হয়ে উঠল।শাশুড়িমা যেমন ভালোমানুষ, তেমন কর্মঠ। তাঁর সাথে ঘরের কাজ করার জন্য দুই বোন আছে। ছোট বোন ... ...

সাধনপদ্ধতি হিসাবে কীর্তনের প্রয়োগ সম্ভবতঃ ভক্তিধর্মের উত্থানের একদম গোড়ার দিক থেকেই। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনাতেও সমবেতভাবে আধ্যাত্মিক গান গাওয়ার প্রচলন ছিল (উদাঃ চর্যাগীতি)। বাংলায় বিভিন্ন আকর গ্রন্থে (চৈতন্যমঙ্গল, চৈতন্য চরিতামৃত) ‘সংকীর্তনদাতা’ বা ‘সংকীর্তনপ্রবর্তক’ হিসাবে শ্রীচৈতন্যের নাম পাওয়া যায়। অর্থাৎ, একভাবে মনে করা হয়, তিনি উপাসনার বিশেষ পদ্ধতি হিসেবে কীর্তনের প্রচলন করেন। জয়ানন্দের চৈতন্যমঙ্গলে দেখি, শ্রীচৈতন্য বলছেন-কীর্ত্তন সকল কর্ম্ম কীর্ত্তন সকল ধর্ম্মকীর্ত্তন সকল ব্রহ্মজ ... ...

১৯৫১ সালে অশোক কুমারের আহ্বানে সারা দিয়ে বম্বে টকিজের ব্যানারে নিউ থিয়েটার্স ছেড়ে বিমল রায় তার ইউনিটের একাংশ নিয়ে বম্বে চলেছেন হিন্দি সিনেমা বানাবেন বলে।ইউনিটের সদস্যরা হচ্ছেন প্রধান সহকারী অসিত সেন,এডিটর হৃষিকেশ মুখার্জি, পল মহেন্দ্র, চিত্রনাট্যকার এবং সহকারী নবেন্দু ঘোষ।হ্যা, এনারা প্রত্যেকেই পরে বলিউড কাঁপানো এক একজন নামী শিল্পী হবেন, কিন্তু তখন কেউই তাদের চেনে না। বম্বেতে তাদের স্থান হয় বনবিহার নামের একটা তিনতলা বাড়ির একদম ওপরের ফ্ল্যাটে।সেই সময়কার পশ্চিম বাংলার বিখ্যাত সুন্দরী ... ...

সেই সময়ের গল্পটা আপনাদের আজ বলা প্রয়োজন, কারণ আজ হয়ত সেই সময়ের চেয়ে পূর্বের বা পরের একটা সময়, যখন আপনি এই গল্পটা পড়ছেন, এটিকে আপনার ভুল বুঝার যথেষ্ট অবকাশ আছে, কারণ লিখিত বক্তব্য লিখিতই এবং তা যেসব বক্তব্য তৈরি করে ক্ষেত্রবিশেষে তা এতই স্বাধীন হয়ে যায় যে সৃষ্টিকর্তার প্রয়োগ করা অর্থের বাইরে গিয়ে নিজে নিজেই নানা অর্থ তৈরি করে, নানা বিভ্রান্তি ছড়ায়; আমার আশঙ্কা হচ্ছে গল্পটি হয়ত আপনাদের কাছে বিশ্বসযোগ্য মনে হবে না, হয়ত আপনারা মনে করবেন এটা কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূর্ন কষ্টকল্পনা বা অন্য কিছ ... ...

সরদার বেগম১৯৩৪ সাল। লুধিয়ানার এক আদালতে ১৩ বছরের একটা ছেলেকে জজসাহেব জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কার সঙ্গে থাকতে চাও আব্দুল হায়ি?ছেলেটা শুধু একবার ঘৃণার দৃষ্টিতে তাকাল তার পিতার দিকে, তারপর কাঠগড়ায় দাঁড়ানো অপরূপ সুন্দরী সরদার বেগমের ত্রস্ত চাহনির জবাবে দৃঢ় কণ্ঠে বলল, আমার মায়ের সঙ্গে। শুধু রূপের খাতিরে সরদার বেগমকে বিয়ে করেছিল লুধিয়ানা শহরের মাঝারিমাপের জমিদার ফজল মোহম্মদ। মদ্যপ, দুশ্চরিত্র, নৃশংস। কাশ্মিরের এক মধ্যবিত্ত পরিবারের এই মেয়েটার প্রথাগত শিক্ষা তেমন কিছু ছিল না। কিন্ ... ...

"......., ল্লুক আস...."ঝুমা সমাদ্দার।মনে পড়ছে, বেশ কিছুদিন আগে একটা ডকুমেন্টারি ফিল্ম দেখেছিলাম।আফ্রিকার ইথিওপিয়ার মুরসি উপজাতির মানুষজনের উপরে ডকুমেন্টারি তৈরী করতে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন কিছু ভিনদেশী মানুষজন।সেখানকার মহিলাদের উর্ধাঙ্গ সম্পূর্ণ অনাবৃত। নানা রঙের পুঁতির মালা ঝুলছে গলায়। নিম্নাঙ্গে সামান্য বসন রয়েছে। তাদের দেখতে পাওয়া মাত্র ক্যামেরা বাগিয়ে দৌড়ে যাচ্ছেন 'সভ্যতা'র আঁচে সুসিদ্ধ মানুষজন।সেই সব মহিলারা ক্যামেরার সামনে প্রথমটা খানিক হকচকালেও, ক্রমশ বুঝতে পার ... ...

ক্লাস সেভেনে উঠে পুঁটির মধ্যে আমূল পরিবর্তন এল। আগে ছিল চুপচাপ, শান্ত ধরণের- এখন হয়ে দাঁড়াল দুর্দান্ত! আগে বাড়িতেও গল্পের বইতে মুখ ডুবিয়ে বসে থাকত, কারো বাড়ি গিয়েও চুপচাপ গল্প শুনত বা যা হাতের কাছে পেত, পড়ে ফেলত। গল্পের বইয়ের নেশা কমেনি মোটেই, তবে দেখা গেল, এখন সারা ক্লাস গল্প করে কাটানোয় তার জুড়ি নেই। পড়াশুনায় তো তার কোনকালেই মন ছিল না। ক্লাস থ্রী থেকে নিজে পড়ছে তো, বুঝে গেছে মোটামুটি কতটা পড়লে উতরে যাওয়া যাবে। দিদিমণিরা জায়গা বদলে বেছেবেছে ক্লাসের সবচেয়ে ঠান্ডা, ঝিমন্ত ধরণের মেয়েদের ... ...

[মধ্য প্রদেশের এক দলিত অধ্যুষিত গ্রামে মেয়ের বিয়েতে ঢোল না বাজিয়ে ব্যান্ড বাজানোর অপরাধে গ্রামের একমাত্র কুয়োর জলে কেরসিন ঢেলে দিয়েছে গ্রামের উচ্চবর্ণের মাতব্বররা। আইসিস সন্ত্রাসীদের মতো এক কোপে গলা না কেটে সঙ্ঘু সন্ত্রাসীরা এই ভাবে সহনশীল পদ্ধতিতে গলা শুকিয়ে তিলে তিলে পরলোকে প্রেরণের আয়োজন করছে। ঠিক সেই দিন যেদিন দক্ষিণ এশিয়ার নামে ভারত সরকার একটি কৃত্রিম উপগ্রহ আকাশে তুলবে বলে ঘোষণা হল। মন্দ না! এই ভাবেই হিন্দু রাজ চায় ১৬ শতাংশের জন্য আধুনিক সুখী রাজ্য গড়ে তুলতে, আর ৮৪ শতাংশকে নিয়ে যেতে চায় ২৭ ... ...

'শো ম্যান অফ দ্যা মিলেনিয়াম' এমনি এমনি হওয়া যায় না।সব তো আর হরলিক্স নয় যে লোকে রাজ কাপুরকে এমনি এমনি খাবে।রাজ কাপুর নিজেও হয়ত জানতেন না সিনেমার প্রতি তার দায়বদ্ধতা কোন জায়গায় নিয়ে গেছেন উনি।সেটা যারা তার সাথে কাজ করেছে তারাই বলতে পারে।তার লিপে কেউ যদি প্লে ব্যাক করেন তাহলে সেই শিল্পীর রিহার্সালের সময়টা পুরোটা থেকে গানটা তুলতেন এবং গান গাওয়ার সময় গায়ক কিভাবে অঙ্গভঙ্গি করেন সেগুলো খুব খুঁটিয়ে লক্ষ্য করতেন।এরপর গানটা যখন সিনেমায় ব্যাবহার করা হত তখন ঠিক সেই ভাবেই গানের সাথে এক্সপ্রেশনগুলো দিতেন ... ...