সেই মেয়ে বাল্যের শেষ থেকে আজ যৌবনের পথ চলা শুরু করা পর্যন্ত পরের বাড়িতে কাজ করে চলেছে, নিরাপদ আশ্রয় আর নিত্য আহারের জন্যে। তার এই অসহায়তার সুযোগে তিনি এই মেয়েটিকে নিংড়ে নিয়েছেন প্রত্যেকদিন। বাধ্য করেছেন ওর মন থেকে সমস্ত স্বপ্ন, সমস্ত ইচ্ছেকে নিকিয়ে ফেলতে। বিনিময়ে ছুঁড়ে দিয়েছেন মাসান্তের নির্দিষ্ট টাকা। ... ...
প্রকৃতিতে এরকম কোন ক্রাইটেরিয়া যদি থাকত, যে প্রকৃত ভালোবাসা ছাড়া বাচ্চা হবে না, সুস্থ স্বাভাবিক স্বামী-স্ত্রী হলেও না, তাহলে অন্ততঃ পঞ্চাশভাগ সংসারই নিঃসন্তান থাকত, ছবি। ... ...
ইন্দ্রিয়সমূহ মানুষের জ্ঞানের দ্বারস্বরূপ। কিন্তু এই দ্বার যেন শুধু বাইরের দিকেই খোলে – ভেতরের দিকে নয়। সেই কারণে সে কেবল বাইরের জগৎ-লীলা সম্পর্কে অবহিত হয় – কিন্তু অন্তরের জীবাত্মাকে দেখতে বা উপলব্ধি করতে পারে না। অতএব সে দেহকেই আত্মা বলে মনে করে এবং কামনা-বাসনায় বিভ্রান্ত হয়ে দেহেরই সেবা করে। প্রকৃতপক্ষে সে অজ্ঞান এবং জীবন-মৃত্যুর চক্রে বারবার এই মর্ত্য জগতেই ফিরে ফিরে আসে। ... ...
বাবাকে তার মনে হয়েছিল দুইপায়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক সরীসৃপ বিশেষ - শীতল, আপাত নিরীহ – কিন্তু অদ্ভূত বিষযুক্ত – যে বিষে জর্জরিত তার মা এবং ওদের একমাত্র সন্তান হিসেবে, সেও। ... ...
তাঁদের, তাঁর আর বিট্টুর বাবার মৃত্যুর পর কী হবে বিট্টুর? হয়তো আজই নয় কিন্তু পাঁচ, দশ, বিশ বছর বাদে, ঠিক কবে তাঁরা চলে যাবেন কে বলতে পারবে? সেদিন কার কাছে, কার ভরসায় রেখে যাবেন বিট্টুকে? ... ...
মিঠুদিদি হাসল, বলল, “তুই না ডাকলেও আসব, পুরুষরাই বুঝি আজীবন ডাকাতি করে যাবে মেয়েদের ওপর, আমিই বা কম কিসে, শুনি”? ... ...
এখানে মৃত্যুর দেবতা যম ও নচিকেতার আলোচনার বিষয় - ব্রহ্মের স্বরূপ কেমন? ... ...
একবারও ভাবল না, তার কাজটা কি হবে, একটা অসুস্থ – বিকলাঙ্গ ছেলের সর্বদা সেবা করে যাওয়া সারাটা দিন। কোন সঙ্গী নেই - সাথী নেই, কোন বৈচিত্র্য নেই, একঘেয়ে বিরক্তিকর কাজ। ... ...