দুরাচারী রাজার কাছে শিক্ষিত মানুষের থেকে, সাধারণ জনসমাজ অনেক বেশি কাঙ্ক্ষিত। তিনি চাইবেন না, তাঁর বদান্যতায় রাজ্যে এমন একটি শিক্ষিত শ্রেণী তৈরি হোক, যারা তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করতে সাহস পায়। ... ...
তোমার জন্ম অনেক পরে আর সূর্যের জন্ম তোমার অনেক আগে। কাজেই সৃষ্টির শুরুতে তুমি সূর্যকে কর্মযোগের কথা শুনিয়েছিলে, তা কী করে জানব? ... ...
"... তোমার বিচার আসলে নিজের স্বার্থরক্ষা। তুমি দুর্বলের উপর অত্যাচারী এবং সবলের অনুগত। তুমি বিলক্ষণ জানো নটী বিদ্যুল্লতা যে রাজার পালিতা কন্যা ও যে রাজ্যের নাগরিকা, তার কিছু হলে, তাঁরা তোমার রাজত্ব বিপন্ন করে তুলবেন। আর সেই কারণেই তুমি এই দুশ্চরিত্রা নটীকে রক্ষা করবে, আর দুশ্চরিত্রা নয় বুঝেও তুমি দুর্বল ব্রাহ্মণকন্যার কোন বিচার করবে না ... ...
দুই পাশে যুযুধান দুই পক্ষ দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে, এই বুঝি যুদ্ধ শুরু হয় হয় ! কিন্তু দুই পক্ষের মাঝখানে দাঁড়িয়ে, শ্রীকৃষ্ণ আগের পর্বে সাংখ্যযোগ বুঝিয়েছিলেন অর্জুনকে, আর এই পর্বে বোঝাচ্ছেন কর্মযোগ। কী হবে এসব বুঝে? ... ...
আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রায় ঈশ্বরের কোন প্রত্যক্ষ ভূমিকা কোনদিনই ছিল না, আজও নেই। কিন্তু থাকে ব্যক্তিগত পরিসরে তাঁকে স্মরণ করার নিত্য-নৈমিত্তিক আচার ও আচরণ। সে আচরণ প্রথায় যখনই প্রবল বাধা আসে, বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সাধারণ জনগণ - মনের মধ্যে জমতে থাকে বিদ্রোহ... ... ...
বিষয়-কামনা ছাড়া গড়ে ওঠে আমাদের অস্তিত্বসংকট, কিন্তু বিষয়-কামনা ঠিক কখন বিষ হয়ে ওঠে - বিষাক্ত করে তোলে আমাদের ভাবনা-চিন্তা-জীবনযাত্রা... ... ...
অত্যাচারী রাজার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বড় সহজ কাজ নয় - বহু রক্তপাত ও দীর্ঘমেয়াদি অশ্রুমোচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। তার থেকে নিখুঁত যৌথ পরিকল্পনা করতে পারলে সাপও মরে, লাঠিও ভাঙে না। ... ...
নিজের আচার্য, পিতামহ, জ্যেঠতুতো দাদা ও ভাইদের এবং আরও বহু আত্মীয়-বন্ধুকে যে যুদ্ধে হত্যা করতে হবে - সে যুদ্ধের পরিণতির কথা চিন্তা করেছেন অর্জুন। তিনি বিষণ্ণ হয়েছেন, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়েছেন, হতাশায় আচ্ছন্ন হয়েছেন। ... ...
একলা ট্রেন যাত্রার পথে হঠাৎ উদয় হল এক সহযাত্রীর - তারপর কী হল? ... ...
দেবীও প্রসন্ন আননে কল্পতরুর মতোই পূর্ণ করলেন সকলের অভিলাষ (না করে উপায়ই বা কি - মর্তের মানুষ মনোমত বরাশীর্বাদ না পেলে দেবীর পুজোই বন্ধ হয়ে যাবে যে)। আগামী নির্বাচনে ভোট মিলবে না একটিও। ... ...