Malay Roychoudhury
গ্রাহক হন
উঠেছিল চাঁদ আলোকিত করে,গঙ্গা পাড়ের পর্বতেমাচার পিছনে,পাহাড় চূড়াতে গড়িয়ে এলো সে আলো দিতে! সালটা ১৯২৬ আর দিনটা ২রা মে-সারা দুনিয়া তোলপাড়,নরখাদক নিধনে।সরকার বলে সোয়াশো মানুষ সাবাড় করেছে চিতাআসল সংখ্যা গ্ৰামবাসী জানে যাদের মাথা ব্যাথা! এ জগতের কোনো সমস্যাই চিরস্থায়ী নয়তাই নরখাদক চিতাবাঘেরও মৃত্যুদন্ড হয়!মানুষ তার নিজের ভুলেই সর্বনাশ কে ডাকেসময়ের সাথে সমাধান সেই মানুষের হাতে থাকে। আজ থেকে প্রায় দেড়শো বছর (১৮৭৫) আগেজন্মেছিলেন জিম করবেট নৈনিতালের গ্ৰামে ... ...
চা-চা চারশো বিশ চাচা'র বিক্রি অহর্নিশ কাঁটা চামচে চিনি দিয়ে -রটায় ডায়াবেটিস! চাচার প্রশ্নেই শুধু ভয় তাই কম করে ছাতি কয়পুরনো কেচ্ছা ওঠালে -ফণা,তুলতে বাধ্য হয়। চাচা দেখাচ্ছে সার্কাসচামচ চেঁচাচ্ছে সাব্বাশ! দানি-বানী পাচ্ছে হানিবাদবাকি আশ্বাস। চাচা জিততে মরীয়াপড়শীর বেড়া ধরিয়াবাতকর্ম করে বলে-- মারসি,ঘরে ঘুইস্যা! চাচা যুধিষ্ঠিরের পুত্রমিথ্যা কথায় মূত্র;-হালেই যে দেশ স্বাধীন হলো,তথ্য-বিকার সূত্র! চাচা হো তো সব মুমকীন স্রিফ সমূন্দর নমকীন; -ও ভী অগর মিঠা হো তো-আগয়ে অচ্ছে দিন!! ... ...
বৃষ্টিলেখার অজানা নয় বরুণ হবার ভান করিশিশিরের জল কর্জ করে তার দু'চোখে ধরা পড়ি।শব্দ ভীড়ের চিত্রকল্পে স্নিগ্ধ মুখটা ম্লান করিশাক দিয়ে মাছ ঢাকা হলে বিড়াল দেখে ভয়ে মরি!লেখার কি আর জানতে বাকি মঞ্জিলটা কত দুরেলিখছি যেটা ঘটা করে যাপন কি আর এক সুরে?এই ধরো না বান ডেকেছে নিশ্চিহ্ন গ্ৰাম মাঝেআমি কি আর স্থাবর ফেলে যাচ্ছি সেথা ত্রান কাজে?শব্দের পর শব্দচয়ন আকাশ পরীর বিবরণ,বেপরোয়া ঘরে ফেরার গল্পগাথা অকারন!ঝঞ্ঝা,ঝড়, দুর্বিপাকে কলম ছেড়ে দিচ্ছে প্রাণ'জেলখানার চিঠি' পড়ি, নাজিম গাইছে তোমার গান।সরীসৃপের মাধ্যমে পাই হলুদ খবর নিরন্তররসদ পেলেই বৃষ্টিলেখার তোয়াজ করি অতঃপর।জেনেও তবু আপোষ করো,অশেষ তব করুণাহাল ছেড়ো না বন্ধু, শুধু বন্ধ করো লাঞ্ছনা! ... ...
তোমার ঈদ মাঝারে থাকবোরোজা রাখবো নামোরা চাঁদনী আলোয় ভিজবো মাচিস জ্বালবো না। তোমার হৃদ মাঝারে থাকবোমকবুল জানবে না দিলরুবা ছড়ে সাধবোহায়দার শুনবে না। তোমার কমচিনি কে চিনবোহার মানবো না মীনাক্ষী কেই আঁকবো হুসেন,ফিদা হবে না। অরণ্যে আবার ফিরবো -নামকে ওয়াস্তে নাজীবন পাই তো থাকবো-পাতায় মুড়বো না।তোমায় একা একাই দেখবোএকা রাখবো নাবেণীর খুশবু মাখবো-হিজাব মানবো না। ... ...
অনেক বিশ্বাসের ভিড় যখন শ্বাসরোধ করেগ্ৰামছাড়া করে, দেশছাড়া করে, আগুন জ্বালায়তখন বৃক্ষের দল অসীম ধৈর্যের সাথে হাল ধরেআশ্রয় দিয়ে, ছায়া দিয়ে, অগাধ বিশ্বাসে বাঁচায়। গড়ে তোলে চিরন্তন ভালোবাসার বনানীসেথায় অসহায়, ছিন্নমূল নিশ্চিন্তে ঘুমায়;অতন্দ্র প্রহরায় থাকে রাতের সেনানী আলোর করুণা ধারা তারায় তারায়! এদেশের সিসিলি দ্বীপ প্রান্তিক সুটিয়াপুরনো গল্প: দোষ তোর বাবার, নয় তোর!টাকা টাকা টাকা, মাটি আর মাফিয়াসন্ত্রাস চলে দিনভর; ধর্ষন চলে রাতভোর! এই অমানিশায় উদিত হলো আর এক সূর্যআর এক আলোর দিশারী, আর এক প্রত্যয়।মানুষের এক হওয়া এসময়ে অপরিহার্যবহু বিশ্বাসের ভীড়ে বরুণ বিশ্বাস, অকুতোভয়! বৃক্ষের মত নাড়িয়ে ছিল পাপের ভিত শিকড়ের জোরে -মানুষের জোরে, বিশ্বাসের জোরে; পিছু হটে ছিল তারাযদিও কুড়ুল গাছ কেটে ফেলে যখনই ঘা ... ...
ঘোড়া বেচবে ঘোড়া? তাগড়া, বেতো, খোঁড়া? যেমনই হোক, কম হচ্ছে, মাত্র কয়েক জোড়া। চিঁহিঁ ডাকে কিস্তি দিয়ে করবে রাজা কাত - আস্থা-বলে ফিরবে বলে কিনছে দিনরাত। ... ...
গরম দুধে জিভ পুড়েছিলো ফুঁ দিয়ে খাও দই, পাতা নড়লে গাছ কেটে ফেলো মুখেতে ফুটছে খই। 'যে কহে অধিক সে কহে মিছে ' নিত্য পাই প্রমাণ, দংশনে বুঝি বিষাক্ত বিছে ওষ্ঠাগত যে প্রাণ! ... ...
(১) - ও মা দ্যাখো, এই ছেলেটার চোখ দুটো কি সুন্দর! - তাই নাকি রে, ওমা দেখি, কেমন পছন্দ? তখন বছর ষোলো - চক্ষু চড়ক হলো - 'সমাপ্তি' বা প্রারম্ভ হোক, সাহস তো নয় মন্দ! ... ...
আগুন দিয়ে তো ফাগুন আনা যায় নাপেটের আগুন, মনের আগুন এক না বুঝেও তুমি না বোঝার মতো ভান করসব কিছুতেই আজকাল অভিযোগ বড়! রাগের আগুন সুরকে দেয় যে মূর্ছনা তোমার মাঝে অনায়াসে সেই ভাবনা জেনেও করো নিজের সাথে বঞ্চনা এ খামখেয়ালি তোমাকে মানায় না। তুলি ক্যানভাস রেখেছো তুলে কতদিন রঙ গুলো তবু নাছোড়বান্দা ... ...
অদ্বৈতবাদ দর্শন বলে: ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা! যীশুখ্রীষ্ট ফিরে এলেও, সংঘটিত হবে একই হত্যা - জুডাসের দল তৈরীই থাকে! কৃষ্ণবানী কি বৃথা যায়? - হচ্ছে যা তা বিকিকিনি হাট; হবেও যা সে জঙ্গল প্রায়! ... ...