সাইবাবা একজন অন্যতর সক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ছিলেন লেখক। তিনি অন্ধ ছিলেন না সমাজকে চোখ দিয়ে দেখতে পেতেন। গ্রাম ও গরীবের প্রতি তাঁর দরদ ছিল। সমাজবাদ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। সে পন্থায় বলপ্রয়োগের যুক্তি থাকতে পারে। কেউ যদি স্বপ্নে বলপ্রয়োগের কথা অনবরত ভাবে। তাঁকে তাঁর স্বপ্নের জন্য সাতবার ফাঁসি দিতে হবে আর জেল? আপনি নাগরিক মানুষ। সাইবাবাও তাই। আপনার বাঁচার অধিকার ... ...
আজকে জুনিয়র ডাক্তারদের দাবিপত্র আবার খুঁটিয়ে পড়লাম। ওনারা নার্স ওডাক্তারদের শূন্য পদ পূরণের সঠিক দাবি করেছেন।এবাদেদুটো জিনিস পরিষ্কার। এক রেফারেল সিস্টেমের ডিজিটাইজেশন। কিন্তু তাতে জি টু সি মানে সরকার থেকে নাগরিক তথ্য সঞ্চালনের কথা পরিষ্কার বলা নেই। আর যদি ধরেইনি অনলাইনে নাগরিক সব জেনে গেল। তাতে দেখা গেল কোথ্থাও সিট নেই তখন কি হবে? আগে তবু বারান্দায় বেড পেতে বা মেঝেতে শুইয়ে চিকিৎসে হতো, পরে বেডে তুলত। সব অনলাইন হলে লেখা থাকবে এতগুলো বারান্দায় আর মেঝেতে সিট আছে? তা করলেই তো হাইকোর্ট বা দিল্লীর ... ...
উপল মুখোপাধ্যায়ের 'গঙ্গা যামুনি তেহ্জিব হিন্দুস্থানের মিশ্র সংস্কৃতি' অজয় সেনাপতি দলিল দস্তাবেজ নির্ভর যুক্তিবাদী ইতিহাস রচনায় অগ্ৰদূতের ভূমিকা পালন করেছিলেন যিনি, তিনি অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়। ঐতিহাসিক গল্প-উপন্যাসে যে যে ঐতিহাসিক চরিত্র ও ঘটনাগুলিকে অবলম্বন করা হয়, সেই চরিত্র বা ঘটনাগুলির বিকৃতকরনে তাঁর ভীষণ আপত্তি ছিল। এ ব্যাপারে বন্ধু রবীন্দ্রনাথের তিনি যথার্থ সমর্থনও পেয়েছিলেন। অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়ের তীব্র সমালোচনা ছুটে গিয়েছিল বঙ্কিমচন্দ্র ও নবীনচন্দ্র লিখিত যথাক্রমে চন্দ্রশেখর উপন্যাসে ও পলাশীর যুদ্ধ কাব্যে মীরকাশিমের ও সিরাজদ্দৌলার চরিত্রের অন্যায় ও অনৈতিকহাসিকভাবে ... ...
আরজি কর পরবর্তী ঘটনাবলী নিয়ে সৈকতের এই দিনলিপি আমার ভালো লাগছিল না। আজকাল কেন, বরাবরই পরাবাস্তবে আমার ঝোঁক। কিন্তু ভিডিও দুটোতে দেখলাম এত দিনের ঘটনাবলী নিয়ে ভ্যাজর ভ্যাজর করে ও বা গুরুচণ্ডালী একটা ফ্যাক্ট চেকিংয়ের ওয়াটার টাইট পদ্ধতি ইভলভ করছে। যে কোন আন্দোলনে এখন পোস্ট ট্রুথকে কনফ্রন্ট করার জন্য একটা ওয়াচ ডগ দরকার। গুরু সেই ওয়াচ ডগ। ... ...
আকবর ১৫৭৯ র ঘোষণাপত্রে নিজেকে প্রধান আইন প্রণয়নকারী বা প্রধান মুজতাহিদ ঘোষণা করেছিলেন বা করিয়েছিলেন। যা অতীতে খালিফারা ছিলেন। এই অর্থে তিনি স্বর্গীয় আশীর্বাদ পুষ্ট সার্বভৌমত্ব সেক্রেড সভরিনিটির প্রতিনিধি হিসেবে শরিয়তের ব্যাখায় উলেমাদের মাথায় চড়লেন আর শরিয়ত বহির্ভূত আইন দাওয়াবিত বা জাওয়াবিত প্রণয়ন ও প্রয়োগের একচেটিয়া অধিকার পান। এই জাওয়াবিত প্রয়োগ করে ... ...
ট্রাম কোম্পানি অনেকদিন আগেই উঠেছে। সব ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনে মার্জ হয়েছে। লোকে গ্রাচ্যুইয়িটির টাকা পিএফের টাকা না পেয়ে হাল্লাক হয়ে যাচ্ছে। কিছু শ্রমিক সুইসাইড করেছে। আমি একজন সিপিএময়ের আমলে বেআইনী ভাবে নিযুক্ত ক্যাজুয়াল কর্মীর মাইনে বন্ধ আর তারপর আত্মহত্যা নিয়ে একটা গল্প লিখেছিলাম প্রথম পুরুষে। নাম দিয়েছিলাম - আমি। লিটিল ম্যাগ নতুন শতকে বেরিয়েছিল। এটাও একধরণের আত্মপ্রবঞ্চনাই বটে। এই না খেতে পাওয়া এক শ্রমিককে নিয়ে ... ...
আজকাল ট্যাগ লাইনের যুগ। আগে বলত দাদাগিরি। যার নানা অর্থের মধ্যে ভালো অর্থও ছিল। শব্দের সামাজিক যোগের কথা ধরলে এরকমটাই ভালো। কিছু খারাপ আর ভালো দু অর্থই থাকবে শব্দের। কিন্তু এই থ্রেট কালচারের মতো শব্দ হাই ক্যাপিটালিজমের প্রোডাক্ট তাতে ওসবের ফৌজৎ নেই। সে খারাপ তো খারাপই। তার ভালো অর্থ নৈব নৈব চ। তার মানে কি এমন যে হাসপাতাল হাসপাতালে যা চলে তা দাদাগিরির পর্যায় অতিক্রম করে, এমন এক ধরাছোঁয়ার বাইরের থ্রেট কালচারের চরম পর্যায়ে পৌঁছছে যে তাকে কুলোর বাতাস দিয়ে সরকারী সিল লাগিয়ে বিদেয় না করা পর্যন্ত ... ...
সরকার যে মিনিটস বানাবে সেটা ছাড়া আর কিছুর আইনী বৈধতা আছে কি? শেষ পর্যন্ত দেখা গেল সরকারের একজন আর জুনিয়র ডাক্তারদের চল্লিশ জন সই করেছে। এটারই বা মানে কি? ওদের ফেডারেশনের তরফে প্রতিনিধি কেউ নেই? মাঝ থেকে পুলিস চল্লিশ জনের নামের তালিকা পেয়ে গেল। চমৎকার। তারপর দেখলাম ফিরে এসে এ একরকম, ও একরকম বলছে। আমাদের পাপী কান শুনলেই বোঝে এরা নানা গ্রুপে বিভক্ত। ভাগ্যিস লাইভ টেলিকাস্ট ... ...
ষোল শো আশিতে শাহাজাদা আকবর বাপের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে পালিয়ে যাবার পর ঔরঙ্গজেবের দিদবান - গুপ্তচর নেটওয়ার্ক সারা শাহী মহলের ভেতর ছানভিন করতে শুরু করে দিল। তারা খুঁজে বেড়াচ্ছে কাকে কাকে শাহাজাদা আকবর চিঠি লিখেছেন। সবাই জানে আকবর অনেক দূরে পালিয়েছেন। এত দূরে যে বাদশাহের হুকুমতও সেখানে চলে না, সেই সুদূর দাক্ষিণাত্যে ছত্রপতি শম্ভাজি মহারাজের রাজ্যে। কিন্তু তাঁর সঙ্গে কাদের কাদের ... ...
একটা বাণিজ্যিক, বিজ্ঞাপন কাঙ্গাল কাগজে বাংলা সাহিত্যেরপদ্মবনে ভ্রমরের প্রায় সাহিত্য হস্তীদের (মত্ত হস্তী নয় তা বলে!) লেখা রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে শোভা পাচ্ছে। তেনারা টাকার ও খ্যাতির জন্য লিখেছেন তাতে কারই বা কী! যে কেনার কিনবে। না কেনার কিনবে না। কিন্তু আন্দোলনের একটা সোশ্যাল মিডিয়াপোস্ট এই সমাহারকে বৈপরীত্যজ্ঞাপক মনে করায় কেলোর শুরু। তারপর সব্বাই মানে হস্তীদের নানা সুরে। সরু মোটা সব সুরে বলতে হচ্ছে। লিখেছি বেশ করেছি ... ...