এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • উচ্চমাধ্যমিকের পর পেশাদারি জীবনে কি?

    bip
    অন্যান্য | ২০ জুন ২০১৫ | ২৫৯৩৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • bip | 79.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ০৮:৪৪681716
  • এই জুন জুলাই মাসটা বড় টেনশনের। যারা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করল তারা ত বটেই-তাদের বাবা মায়েরাও উদ্বেগ বায়ুতে কাত।

    জীবনে কি করিতে হইবে, কি করিলে এই মার্কেটে মোক্ষ লাভ হইবে, এমন উপদেশ দেবার ধক বা ইচ্ছা আমার নাই। আমি এক্ষনে শুধু কিছু আশার কথা শোনাইব।

    প্রথমেই বলি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আই টির কথা। যাদবপুর, আই আই টি, শিবপুর বা সরকারি কলেজে না পেলে, বেসরকারি কলেজে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াতে আমি নিরুৎসাহিত করব। আমার অভিজ্ঞতা বলছে বেসরকারি কলেজগুলিতে শিক্ষক বা পরিকাঠামো কোনটাই নেই। কিন্ত তাও এদ্দিন তারা চাকরি পেয়ে এসেছে -কারন ভারতে আই টি কর্মীর চাহিদা বেড়েছে বিপুল হারে। ফলে গরু গাধা সবাই গোয়াল পেয়েছে! আগামী দিনেও এই চাহিদা থাকবে-কিন্ত ভালো ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাথেমেটিক্স বেসিক ছাড়া, আই টিতে কেরানীগিরির চাকরি আর থাকবে না। আই টি ফিল্ডে ব্যপকহারে অটোমেশন আসছে-যাতে প্রোগ্রামিং এর ক্ষেত্রে হাই এন্ড ম্যাথেমাটিকাল কোডিং এবং প্ল্যাটফর্মের ক্ষেত্রে এপ্লিকেশন ইমপ্লিমেন্টেশনের জন্য এস এম ই বা সাবজেক্ট ম্যাটার এক্সপার্টের দরকার বাড়বে।

    তাহলে যারা সরকারি কলেজে পায় নি, অথচ আই টি কর্মী হতে ইচ্ছুক-তাদের সামনে পথ কি? আমি ত বলব তারা চোখকান বুঁজে ম্যাথেমেটিক্স বা ফিজিক্সে অনার্স নিয়ে ঢুকে যাও। এটলিস্ট কিছু বেসিক শিখবে-যেটা বেসরকারি কলেজে কিছুই শিখবে না। ব্যাচেলর ডিগ্রি করার পর, একটা এম সিএ করে নিলেও হবে, এম স সি করলেও ক্ষতি নেই। তবে ভালো আই টি কর্মী হতে গেলে, ব্যাচেলর ডিগ্রির পাশাপাশি-যেকোন ছোট কোম্পানীতে পার্ট টাইমে কোডিং এর কাজে ঢুকে যাও। কোডিং স্কিল এবং চর্চার জিনিস। যত প্রাক্টিস করবে, নতুন প্রজেক্ট করবে তত হাত এবং মাথা খুলবে। একদিকে বেসিক ম্যাথ স্কিলের ডেভেপলপমেন্ট অন্যদিকে কোডিং স্কিলের চর্চা করলে, খুব সহজেই মাস্টার ডিগ্রির পরেই ভাল চাকরি বাঁধা-এবং দুপাঁচ বছরের মধ্যে বাৎসরিক সাত-দশলাখ টাকার চাকরি পেয়ে যাবে। ভারতে আই টি কর্মী অনেক-কিন্ত ম্যাথ এবং বেসিক ভাল থাকা কোডারের অভাব সাংঘাতিক। হাই এন্ড কোডার হতে পারলে, মধ্য কেরিয়ারে ভারতে বছরে কুড়ি থেকে ত্রিশ লাখের চাকরি জলভাত। কিন্ত বেসিক ভাল না হলে প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারং কলেজ থেকে বিটেকের সার্টিফিকেট ঝোলালে কিছু হবে না। তবে প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে যদি একান্তই পড়তে হয়, পাশাপাশি যেকোন ছোট কোম্পানীতে ঢুকে যাও, যেখানে কোডিং শেখার চান্স আছে। কলেজকে গুলি মেরে কোডিং এ ডুবে থাক।

    এবার আসি ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্যাল ইত্যাদি ব্রাঞ্চগুলির কথায়। এই সব ব্রাঞ্চে চাহিদা ভারতে এখন ভালোই, মাইনেও অনেক বেড়েছে-কিন্ত টপ আই টি কর্মীদের তুলনায় বেতন ৩০%। ভারতে এই সব ব্রাঞ্চে সমস্যা হল পাবলিক কোম্পানী গুলি ছাড়া বাকী ইঞ্জিনিয়ারং কনসার্নগুলি মোটামুটি মারোয়ারীদের। সেখানে ডেভেলেপমেন্ট কিছু হয় না প্রায়- সবটাই রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং-এবং টাকা খাইয়ে তোলা প্রোজেক্টে কোন রকমে ডেলিভারি। মোদ্দা কথা এগুলো এখনো গ্লোবালাইজড হয় নি। ফলে এই সব ব্রাঞ্চে চাকরি থাকলেও, এগুলো স্যালারির দিক দিয়ে এখনো টপ আই টি জবের ধারে কাছেও নেই। এই সব ব্রাঞ্চে ঢুকলে চাকরি পাবে, তবে জব সাটিসফ্যাকশন নাও আসতে পারে। আর বিদেশ যাওয়ার সুযোগ কম-কারন একমাত্র আই আই টি ছাড়া এগুলোতে ভারতের যা স্টান্ডার্ড তাতে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মাস্টার্স বা পি এই চ ডি পাওয়া কঠিন। সব থেকে বড় ব্যপার হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার আলটিমেট গোল হওয়া উচিত ভাল করে কর্মক্ষেত্রে শিখে ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম খোলা। ভারতে এই কোর সেক্টরে সেভাবে কাজ শেখার স্কোপ নেই।

    এবার আসি পিউর সায়েন্সের কথায়। পিউর সায়েন্সের মধ্যে সব থেকে বেশী ডিম্যান্ড কেমিস্টদের-বিশেষত অর্গানিক বা বায়োঅর্গানিক কেমিস্টদের যেহেতু ভারতে ফার্মা শিল্প এখন বুমিং। ফার্মাতে কেমিস্টদের বেতন ও বেশ ভাল-আই টির সমপর্যায়ে। বায়োলজিস্টদের ডিমান্ড বাড়ছে বায়োটেক শিল্পের জন্য। ম্যাথেমেটিক্স নিয়ে পড়ে ডেটা সায়েন্সে চলে যাওয়া যেতে পারে-যেখানে এখন খুব ভাল ডিম্যান্ড। একমাত্র বেকার সাবজেক্ট ফিজিক্স। তবে যারা ইন্টেলেক্টুয়াল পারসিউটে বিশ্বাসী- ব্রেইনের চর্চায় বিশ্বাসী-তাদের জন্য ফিজিক্স ঠিক আছে। ভাল না লাগলে, ফিজিসিস্টদের জন্য ফাইনান্সিয়াল মডেলিং মার্কেট খোলা আছে-যেখানে বেতন আই টির ও অনেক বেশী। তবে খুব বেশী প্যাশনেট এবং নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস না থাকলে ফিজিক্সে না ঢোকায় ভাল। বা ঢুকলেও কোডিং শিখে আই টিতে সুইচ করা বেটার। সায়েন্সে যারা ঢুকতে চাইছ-তাদের জন্য একটাই উপদেশ। এখানে শেখার প্যাশন না থাকলে শুধু চাকরি বা ডিগ্রি করার জন্য ঢুকো না। আর মাস্টার মশাই হওয়ার পথ ত খোলাই আছে। তবে দেওলিয়া সরকার আর কদ্দিন শিক্ষকদের বেতন দিতে পারবে, তাই নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আদৌ, খালি হওয়া শিক্ষক পদ গুলি ভর্তি হবে কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই। কারন সরকারের দুরাবস্থা।

    রিসার্চ লাইফ নিয়ে রোম্যান্টিসিজমে আমি বিশ্বাসী না। ৯৮% রিসার্চের কাজ হয় পেপার পাবলিকেশনের জন্য-এগুলো বেকার সময় নষ্ট। এতে না পাবে টাকা, না আছে কেরিয়ার-না সত্যিই কিছু আবিস্কার করবে। সবটাই প্রায় চর্বিত চর্বন। ২% রিসার্চ যা টপ বিশ্ববিদ্যালয়ে বা ভালো ল্যাবে হয়, তাই একমাত্র কাজের। তবে ভারতে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সায়েন্সের পি এই চ ডিএর জন্য এখন বাজার ভাল যেহেতু ভারতে অনেক মাল্টিন্যাশানাল ল্যাব তৈরী করেছে। রিসার্চকে স্কিল ডেভেলেপমেন্ট হিসাবে নিলে ঠিক আছে।

    ডাক্তার, ফার্মসিস্টদের ব্যপারে কিছু লেখার ক্ষমতা আমার নেই। আমি ওই লাইনের লোক না। তবে ফার্মাসিস্টদের বাজার বরাবর ভাল।

    সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বাইরে ইকনোমিক্সের বাজারদর এখন ভাল। অনেক সংস্থা, ব্যাঙ্ক ইকোমিস্ট রাখে এখন। একাউন্টিং এর বাজার চিরকাল থাকবে।

    আর্টস নিয়ে যারা পড়তে ইচ্ছুক-তাদের জন্য ও অনেক পেশাদারি বাজার খুলেছে। আইনজ্ঞদের বাজার কোনদিন যাবে না-তবে ল এর পেশাতে ২% উকিলের হাতে ৯৮% বাজার। বাকিরা বেকার। এর বাইরে হিউমান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এবং পাবলিক রিলেশনের ডিমান্ড ও বাড়ছে। মার্কেটিং, বিজ্ঞাপনের কাজে ডিমান্ড বাড়তেই থাকবে। তবে মিডিয়া সংক্রান্ত সাংবাদিকতার পেশাটা আর নেই। ওখানে না আছে মাইনে, না চাকরির নিশ্চয়তা। মিডিয়াতে নেশা থাকা ভাল, পেশা করলে জীবনে নিশ্চয়তা নেই।

    আরেকটা গুরুত্বপূর্ন কথা হচ্ছে-এই চার বছরের বিটেক ডিগ্রির পরে কেরিয়ার থেমে গেলে মুশকিল আছে। চাকরির বাজারে, পেশাদারি ক্ষেত্রে সারাজীবন শিখে যেতে হবে। শেখার কোন শেষ নেই। কোন নতুন চাকরিতে ঢুকলে কোম্পানি ব্রান্ড, মাইনের পাশাপাশি, সব থেকে বেশী গুরুত্বপূর্ন ফ্যাক্টর হওয়া উচিত, নতুন কি কি স্কিল শেখার স্কোপ আছে। কারন মাইনে, কোম্পানী-ক্যাপিটালিজমে এইসব অনিত্য। নিত্য একমাত্র স্কিল, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা।

    যাইহোক আমি যেভাবে জীবনকে দেখি, সেভাবে যে সবাইকে দেখতে হবে তার কোন মানে নেই। জীবনে যে কোন উদ্দেশ্য থাকতে হবে তার ও কোন মানে নেই। কেও কবিতা লিখে, গান গেয়েও জীবন কাটাতে পারে। মোদ্দা কথা জীবনের যেহেতু কোন পরম উদ্দেশ্য নেই, জীবনটাকে নিরোগ রেখে উপভোগ করাটাই সব থেকে বুদ্ধিমানের কাজ। আর সেটা করতে গেলে টাকা ছাড়া উপায় নেই। তাই চাকরি বাকরি ধান্দার একটা গল্প দিলাম।
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ০৯:৫২681827
  • ইচ্ছা করে উৎসাহ দেই মিষ্টি দুটো বাক্য বলি।
  • uff | 24.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ১১:৫১681938
  • আটার রাবিশ
  • সে | ২০ জুন ২০১৫ ১৩:০০682049
  • আর ব্যবসা?
  • skm | 83.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ১৮:৫২682157
  • বিপ Bhai- ভালো advice।
  • de | 24.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ১৯:১৭682168
  • টাকা রোজগারই জীবনের একমাত্র মোক্ষ তাহলে -

    রিসার্চ ইঃ করে তো টাকা রোজগার হয়না- সব ল্যাব-ট্যাব তুলে অতলান্তিকে ডুবিয়ে ফেল্লেই বেশ হয় -

    কত কম জেনে মানুষ বড় বড় বাতেলা দেয় দেখলে অবাক লাগে -
  • PT | 213.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ১৯:৩০682179
  • রিসার্চ ইত্যাদি ছড়াই কম্পু, ইন্টার্নেট ইত্যাদি তৈরি হয়েছে!!
  • | 24.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ২০:০৫682190
  • এই রে অ্যাকাডেমিশিয়ান রা রেগে গেছেন !!ঃ))
  • প্রবাসী | 116.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ২০:২২682201
  • অতি বাজে লেখা। লেখকের চাকরীর বাজার সম্বন্ধে নুন্যতম জ্ঞানটুকুও নেই।
  • potke | 190.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ২০:২৬681717
  • প্রবাসী, এখানে যারা নিয়মিত তারা জানেন এইসব লেখা হচ্ছে পাতি ভাট ঃ)

    দে, বিপ হল গিয়ে "রিসার্চ ফর মানিটাইজেশন অনলি" স্কুলের লোক, অবশ্যই শর্ট-টার্ম।

    পাত্তা দেবার কিসু নেই।
  • Tim | 24.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ২১:১৭681728
  • ঃ-))))

    (পাঠ প্রতিক্রিয়া, এক্ষণের জন্য পয়েন দরকার হলে যাতে কাউন্টেড হয় তাই বলে দিলাম)
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ২০ জুন ২০১৫ ২১:৪৫681739
  • আপনারা এত কৃপণ কেন?
  • Bip | 79.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০২:৩৫681750
  • Research? ??? I have spoken bitter truth. You want to digest or not is squarely your issue.
  • S | 109.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৩:১৫681761
  • আমি একটা জিনিস বুঝলাম না। যারা সরকারী কলেজে বা ভালো বেসরকারী কলেজে (বিপদা ক্যাপিটালিজমের এমন কান্ডারী হয়েও বেসরকারী কলেজের বিরুদ্ধে?) চান্স পায়নি, তারা ম্যাথ আর ফিজিক্স পরে কি উদ্ধার করতে পারবে কে জানে। আমার তো সবসময়ই মনে হয়েছিলো ইন্জিনিয়ারিঙ্গ হোলো মধ্য মেধাদের জায়গা। কারণ খুব সহজেই পাশ করা যায় - আর কোম্পানিগুলো মোটামুটি মুখ দেখেই চাকরি দিয়ে দেয়। পড়াশুনায় ভালো ছেলেপিলেদের কোর সায়েন্স নয়তো সোশাল সায়েন্সেই থাকা উচিত।

    আর এদিকে আমেরিকাতে স্টেম স্টেম করে মরছে।

    আর আপনার মহে হয় ইকো বা আর্টস সম্বন্ধে বিশেষ আইডিয়া নেই।

    পিএইচডিদের বাজার এখনকার থেকে ভালো কোনোকালেই ছিলো না। দেশে বিদেশে সর্বত্র।
  • Atoz | 161.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৫:৩৪681772
  • ওরে কে কোথায় আছেন, এই বিপকে কেউ বাঁধিয়ে রাখুন। ঃ-)
  • PT | 213.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৭:৫০681783
  • "Research? ??? I have spoken bitter truth. You want to digest or not is squarely your issue."

    উপেন ব্রহ্মচারী ও তাঁর আবিষ্কারকে নিয়ে লেখা স্বাতি ভট্টাচর্যের লেখাটি পরে নেবেন। কিংবা প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের গবেষনা ও বেঙ্গল কেমিকালের জন্ম সম্পর্কে কিছু নাড়াচাড়া করে নেবেন।
    আর প্রথম এন্টিবায়োটিকের আবিষ্কারের কাহানি জানা থাকলে দেখতেন যে বাধ্য হয়ে এক বিজ্ঞানী তাঁর মেয়ের শরীরে একটি কেমিকাল ব্যবহার করেন। সেটি বোধয় পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম হিউম্যান ট্রায়াল।

    যে যে ওষুধ এ পজ্জন্ত খেয়েছেন আর যা যা ভবিষ্যতে খাবেন তা সবই ঐ "বিটার ট্রুথের" ফসল।

    অবিশ্যি যত কম জানা যায় ততই বোধহয় বেশী বেশী "যুগান্তকারী" বক্তব্য রাখা যায়।
  • bip | 79.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৭:৫৭681794
  • কেও আর্টিকল টা না পড়েই কমেন্ট করে যাচ্ছে। লাইন তুলে দেখিয়ে দিতে পারি, মালগুলো না পড়ে ভাট বকছে। কিন্ত বেকার খেটে কি হবে। যার নেওয়ার সে নেবে।
    না নেওয়ার না, সে নেবে না
  • PT | 213.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৮:০৪681805
  • কারা "মাল" আর কারা "ভাট" বকছে? আর এখানে মালেরা ভাট বকে এমন যদি জানাই আছে তাহলে আর লেখা কেন?

    "রিসার্চ লাইফ নিয়ে রোম্যান্টিসিজমে আমি বিশ্বাসী না। ৯৮% রিসার্চের কাজ হয় পেপার পাবলিকেশনের জন্য-এগুলো বেকার সময় নষ্ট। এতে না পাবে টাকা, না আছে কেরিয়ার-না সত্যিই কিছু আবিস্কার করবে। "

    এর চাইতে বেশী বড় আর সুইপিং "ভাট" আমি এখনো কাউকে লিখতে দেখিনি।
  • বিপ | 79.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৮:২০681816
  • আমার সার্কেলের ৯০% লোকই রিসার্চে-বুঝতেই পারছেন মেরীল্যান্ডে থাকি-যেখানে বাঙালীদের পরিচয় তারা এন আই এইচের গবেষক!! নিজের গবেষনা আর কনফারেন্সের অভিজ্ঞতা ছেড়েই দিলাম।

    আর কেন মালগুলো ভাট বকছে জানেন? লেখা ছিল ভারতীয় পারসপেক্টিভে-ওই নাম্বারটা আমি বলেছি ভারতের পরিপ্রেক্ষিতে। আর ভারতে রিসার্চ তেমন হলে
    গ্লোবাল রাঙ্কিং এ প্রথম একশোতে ভারতের অন্তত গোটা পাঁচেক সংস্থাকে দেখা যেত। আছে ত মোটে আই এস সি ব্যাঙ্গালোর।

    ভারতের রিসার্চের অবস্থা দেখতে সি এন আর রাওকে দেখুন। ভারত রত্ন। যিনি নিজেই নিজের পেপারে নিজেকে কৃতজ্ঞতা জানান। অজস্র প্লাগারাইজেশনের অভিযোগ।
    তিনি হচ্ছেন ভারতের রিসার্চ রত্ন!!
  • Bratin | 122.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৮:২১681828
  • রিসার্চ কেউ বেশী পয়সা উপার্জনের জন্যে করে না। নতুন কিছু একটা করার তাগিদ থেকে করে।একটা ভালো জার্নালে ভালো পেপার পাবলিশ করার আনন্দ কয়েক টা টাকা বা ডলার দিয়ে মাপা যাবে না। এটা আলাদা ধরনের স্যাটিসফ্যাকশন।
  • বিপ | 79.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৮:২৩681839
  • পিএইচডিদের বাজার এখনকার থেকে ভালো কোনোকালেই ছিলো না। দেশে বিদেশে সর্বত্র

    >>
    আমি কি উলটো কিছু লিখেছি? এত দেখছি সাত কান্ড রামায়নের পর সীতা রামের মাসি। আরে ভাই আমার মোদ্দা কথা ছিল কেও যদি রিসার্চকে ট্রেনিং হিসাবে দেখে-জব নেয়, তাহলে ঠিক আছে। কিন্ত ওই আবিস্কারের বাল ছিড়িয়া নোবেল পাইব- ওই রোম্যান্টিসিজমে ভুগিলে মুশকিল আছে। কেও শালা ঠিক ঠাক পড়ে না। আলবাল লিখে যাবে।
  • বিপ | 79.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৮:২৮681850
  • একটা ভালো জার্নালে ভালো পেপার পাবলিশ করার আনন্দ কয়েক টা টাকা বা ডলার দিয়ে মাপা যাবে না। এটা আলাদা ধরনের স্যাটিসফ্যাকশন।

    >>>
    ভাল কবিতা লিখে, গল্প নামিয়ে, ভাল ক্রিকেটে জিতে, তাসে সর্বত্রই সেই স্যাটিসফাকশন থাকে। এখানে প্রবন্ধটি জীবিকা সংক্রান্ত।
  • Bratin | 122.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৮:৩২681861
  • তবে একটা ব্যাপারে একমত ৯৮% না হলেও একটা বড় পারসেন্টেজ ( সেটা কত আমি জানি না) রিসার্চ শুধু পেপারের নাম্বার বাড়ানোর জন্যে করা হয়।সেটা অস্বীকার করার জায়গা বোধহয় ণেই।
  • Bratin | 122.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৮:৩৬681872
  • সেটাই তো বললাম সব কিছু কে টাকা বা ডলার দিয়ে মাপা যায় না
  • Rectangular Parallelepiped | 117.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৮:৪০681883
  • চিন্তা কোরো না বিপ ভাইটু। "আজি হতে শতবর্ষপরে" মনে রেখে মন দিয়ে শবাসন করো।
  • PT | 213.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৮:৫৮681894
  • "রিসার্চ শুধু পেপারের নাম্বার বাড়ানোর জন্যে করা হয়"
    একমাত্র সত্যি?
    এর উল্টোটাও তো লোকে বলে। "দারুণ" কাজ হচ্ছে মশাই কিন্তু পেপার ছাপছেন না ব্যাপারটা কি? আর পেপার তো মুখ দেখে বা পয়সা দিয়ে ছাপানো হয় না। জার্নাল তার নিজস্ব মাপকাঠিতে অথরের কাছ থেকে কোয়ালিটি নিংড়ে বের করে নেয়। এক একটা পেপার সম্পাদক, সহ্সম্পাদক ছড়াও আরো কম করে দুই থেকে তিন জন একস্পার্ট পড়েন ও তার যোগ্যতা বিচার করেন।

    "প্রবন্ধটি জীবিকা সংক্রান্ত"
    তাহলে জানাই যে এই জুলাই সেসন থেকে যে সব ২২/২৩ বছরের তরুণ-তরুণীরা গবেষণা শুরু করবে তারা ২৫০০০ টাকা করে ফেলোশিপ পাবে যেটা দুবছর বাদে ২৮০০০ টাকা হবে। যারা বড় শহরে থাকে আর হোস্টেলে না থেকে বাড়ি থেকে যাতায়াত করবে তারা আরো ৮-১০% হাউস রেন্ট পাবে। আর এ সবই ট্যাক্স ফ্রী। ভারতের মাপে এই টাকার পরিমাণটা খুব একটা কম কিছু নয়। গারীব ঘরের বেশ কিছু ছ্ত্রদের জানি যাদের সংসার মাসান্তে ঐ টাকার দিকে তাকিয়ে থাকে।

    এই সবকিছু এক ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়া যায় নাকি?
  • Bratin | 122.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৯:১২681905
  • অরি ভাটে এসো
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৯:১৮681916
  • আপনারা গ্রুমিং ব্যাপারটা শিখলেননা।
  • Bratin | 122.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৯:২৩681927
  • পিটি দা কোন জায়গায় একজন কে নতুন লেকচারার হিসাবে জয়েন করার সুযোগ দেবার সময় আনেক সময় কোয়ালিটি আর কোয়াঅন্টির র ক্লাদিক্যাল কনফ্লিক্ট দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে ঈ কোয়ানটিটি কোয়ালিটি কে ওভাররাইট করে এটা কি সত্যি নয়?
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ২১ জুন ২০১৫ ০৯:২৭681939
  • কিন্তু এতো সর্বত্র। সেই সিটি ব্যাঙ্কের ইন্টারভিউ, দেখা গেল টাইতো সবাই পড়েছে যে সাথে সোনার টাইপিন লাগিয়েছে সেই চাকরি পেল
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন