এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিশুশিক্ষা ও বিদ্যালয় অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত

    rimi
    অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ | ২৩১৩৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • rimi | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২৩:০৩402117
  • ইশানের সিঙ্গুর নন্দন ইস্কুলে পড়া ও ছেলেকে কিছুতেই মহিষঘাটায় না পড়ানোর বক্তব্য দেখে এই টই খুললাম। আমারো বাপ মার একই ধারণা ছিল যে হবার হলে গ্রামের স্কুল থেকেই হবে। বোধ হয় আগের জেনারেশনে বেশির ভাগ বাবা মার একই ধারণা ছিল। কিন্তু এই জেনারেশনের আধুনিক বাবা মায়েরা কি অন্য ধারণা পোষণ করেন? ভালো হবার হলে যে কোনো স্কুল থেকেই ভালো হবে - এই ধারণা কি মিথ্যে? যারা মফস্বলের অনামী স্কুলে পড়েছে তারা কি সাউথ পয়েন্ট কিম্বা পাঠভবনে পড়লে বেশি ভালো হত?

    ঠিক কি রকম স্কুল হলে ভাল শিক্ষা লাভ সম্ভব - সে সম্পর্কে যে যা ভাবেন শেয়ার করুন।
  • bozo | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২৩:০৯402228
  • হোস্টেলে একবার মদ খেতে খেতে দেবা বলেছিল: ও ছোটোবেলায় পরীক্ষা দিয়ে কোনো নামী স্কুলে (কোন স্কুল বলে নি) চান্স পায়। কিন্তু ও ভর্তি হতে যায় নি। দেবা সেই সময় না কি বলেছিল 'পাড়ার স্কুল ছেড়ে সবাই বড় স্কুলের দিকের গেলে পাড়ার স্কুল কি করে ভালো রেজাল্ট করবে?'। এবং দেবা অ্যাডমিশন নেয় নি।

    -ঘটনা টি সত্য।
  • shyamal | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২৩:২৪402339
  • ক্লাস নাইনে কলকাতায় আসার পর মা বাবার প্রধান ক্রাইটেরিয়া ছিল বাড়ির কাছের কোন স্কুলে পাঠানো যাতে বাসে ট্রামে সময়, স্বাস্থ্য নষ্ট না হয়। তাই পাড়ার বাংলা মিডিয়াম স্কুলে পড়েছি। স্কুল ছিল বেশ ধুর। কিন্তু ওপরের সাত-আট জন বেশ ভাল ছেলে ছিল।
    আমার মনে হয় বাম ফ্রন্ট আসার পর ইংরেজি পড়া কমানোর ফলেই দলে দলে মধ্যবিত্ত বাবা, মা ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের দিকে ঝুঁকে পড়েন। আমি যদিও বাড়ির চাপে নাইন থেকে ইলেভেন (পুরোন হায়ার সেকেন্ডারি) ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি ইংরেজিতে পড়েছি, লিখেছি।
    পাতি স্কুলে পড়ার সমস্যা :
    ১) আমাদের অংকের স্যার ট্রিগোনমেট্রিতে কয়েকটা চ্যাপটার করালেন না। বললেন, ওগুলো ছাড়াও পুরো উত্তর করতে পারবি। কারণ ঐ গ্রুপে পাঁচটা প্রশ্ন থাকে, দুটো উত্তর করতে হয়। আমি যদিও দাদার সাহায্যে বাড়িতে ওগুলো করেছিলাম JEE ইত্যাদি দেওয়ার জন্য।
    ২) কেউ NSTS ইত্যাদির খবর দেয়নি। তার জন্য যে প্রজেক্ট করতে হয় তার ব্যাপারে কোন সাহায্য করেনি।
    ৩) আমার কলেজের এক বন্ধু পাশ করার পর বলেছিল, জানিস বম্বে দিল্লির ছেলেরা ফুর ফুর করে ইংরেজি বলে। সেখানে আমরা চুপ করে থাকি বা বইয়ের ইংরেজি বলি।

    আমি এটাও লক্ষ্য করেছি যে অনেক বয়স্ক মানুষ যাঁরা সরকারি বা আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানে উঁচু পদে কাজ করতেন কিন্তু প্রধানত: প: বঙ্গেই থেকেছেন -- তাঁদেরও ইংরেজি বলায় ডিফেক্ট আছে। ঐ পারিজাত রিডার পড়া ইংরেজি।
  • pp | ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০০:২৮402450
  • বাচ্চাদের ইস্কুল নিয়ে (নাকি মাধ্যম নিয়ে?) একটা টই ছিল না?
  • pp | ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০০:৪২402520
  • গায়ে নামী দামে স্কুল কলেজ ইউনির স্ট্যাম্প থাকলে চাকরী এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কিছুটা অ্যাডভান্টেজ পাওয়া যায়। এই নিয়ে আমার বিচিত্র ও তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। বিশদে যাব না।

    পশ্চিমবঙ্গে থাকলে অবশ্যই ইংরাজী মাধ্যমে দেওয়া ভাল যদি না বাংলা মাধ্যম স্কুলেও ইক্যুয়াল কেয়ার নিয়ে ইংরাজী শেখান হয়। আমি দুই মিডিয়ামের ছাত্রী। বাংলা স্কুলে এসে সহপাঠীদের ইংরাজীতে আতঙ্ক আর কাতরতা দেখে বারবার নিজের ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিয়েছি যে অন্তত গোড়ার পাঁচটা বছর ভাগ্যিস ইংরাজী মাধ্যমে পড়েছি।
  • Blank | ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০১:২৮402531
  • নামী প্রতিষ্ঠানের স্ট্যাম্প ভয়ানক কার্যকরী। টিসিএসের পুরনো লোকেরা জানে
  • shyamal | ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০১:৪৪402542
  • রিমি শুরু করেছেন, কি হলে ভাল শিক্ষা পাওয়া যায়? আমার ধারণা ভাল শিক্ষার জন্য মোটামুটি ভাল স্কুল আর বাড়ির আবহাওয়া দরকার। আমরা যখন স্কুলে পড়েছি ( মাধ্যমিক হওয়ার আগে) তখনও কোচিং ছিল। কিন্তু বাড়িতে বাবা, মা, দাদা, দিদিরা কিছুটা দেখতেন বা পড়াতেন। আজকাল দেখি দেশে দুচারটে স্কুল ছাড়া সর্বত্র বাবা মা ছেলে মেয়েকে কোচিং/টিউটরের কাছে আউটসোর্স করে দেন।
    এটা ঠিক যে ইংরেজি লিখতে বলতে পারাটা বিরাট সুযোগ এনে দেয়। তবে দেশে যেন সেটাকে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়। আমার মতে যে ভাল ছাত্র/ছাত্রী আর উচ্চশিক্ষিত তাকে ইংরেজি বলতে না পারার জন্য সুযোগ না দেওয়াটা কোম্পানির মুর্খতা। আমেরিকায় দেখেছি অনেক মধ্যমেধার মানুষ আত্মীয়স্বজন থাকার দরুন গ্রীন কার্ড নিয়ে এসে ঠিক ইংরেজি বলতে শিখে গেছে। দেশে এটাকে বিগ ডিল মনে করা হয়।

    পিপি যে প্রেজুডিসের কথা বলেছেন তা সত্য। আবার রিয়ালিটিও বটে। এ নিয়ে অনেকবার আলোচনা শুরু করেও তেমন রেসপন্স পাইনি গুচতে। আমেরিকাতেও আইভি থেকে বেরোলে একটু অ্যাডভান্টেজ পাওয়া যায়।
  • papiya | ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৬:৫৯402553
  • মফ:স্বলের অনামী স্কুলে পড়ার জন্য JU তে অনেক তথাকথিত ভাল স্কুলে পড়া ছেলেমেয়ের হ্যাটা শুনতে হয়েছে, তখন বোকা ছিলাম কিন্তু এখন মনে হয় হয়ত এসব ই আমাকে ওদের থেকে অনেক বেশী strong করে তুলেছে :)
    তবে হ্যাঁ, উত্তরবাংলার এক সাধারণ স্কুলে পড়ে আমার অনেক basic জিনিসে সমস্যা হয়েছিল,
    ১। আমাদের স্কুল এ উচ্চমাধ্যমিক এর সময় কোনো subjectsyllabus শেষ করাই হয়নি, অনেক ক্ষেত্রে tuition এও নয়। আমাদের যেসব tuition ছিল (teacher দের কোনো রকম অসন্মান না করেই বলছি, তাঁরা না থাকলে আমি এখান এ থাকতাম না) এবং সেগুলোতে পড়ানোর যা মান ছিল সেসব মনে পড়লে মনে হয় যদি আমি "ওদের" মতন সুযোগ পেতাম :(
    ২। english এর ভিত হয়ত কাঁচা ছিল না, তবে ঐ ফটফট ইংরেজী না বলার অভাব আজো অনুভব করি :(

    যাগ্গে ভগবান যা করেন মঙ্গলের জন্য :))))))
  • shyamal | ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৭:২৭402564
  • আমাদের আমলে দেখিনি কলেজে, কে কোন স্কুল থেকে এল তাই নিয়ে হ্যাটা দেওয়া। অনেকে যেমন টপ স্কুল থেকে এসেছে তেমনি অনেকে এসেছে অতি সাধারণ স্কুল থেকে। সেটা কোন ফ্যাকটর ছিলনা।
    ***************
    আচ্ছা, আমেরিকানদের একটা বিশাল অহংকার আছে যে ভারতের মত দেশে (জাপানেও) রোট মেথডে অর্থাৎ মুখস্ত বিদ্যা দিয়ে শেখানো হয়। সে জায়গায় এ দেশে ছেলেমেয়েদের চিন্তা করতে শেখানো হয়। তাই এদেশে ইনোভেশন সবচেয়ে বেশি।
    আমার মত হল এদেশে ইনোভেশন বেশি মুক্ত ধনতান্ত্রিক অর্থনীতির জন্য, শিক্ষাব্যবস্থার জন্য নয়। যারা ইনোভেশন করে তারা কিন্তু অনেকেই ভারত থেকে আগত - অর্থাৎ রোট মেথডে পড়েছে।
    আর আমেরিকার উন্নত মেথডে পড়েও তো অনেকে বার্গার ভাজে বা গ্রসারি স্টোরের চেক আউটে কাজ করে। আবার দেখা যায় প্রচুর বাবামা সন্তানদের কুমনে পাঠাচ্ছেন।

    এব্যাপারে আপনাদের মতামত কি?
  • ranjan roy | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৩:৪৯402118
  • আমার অভিজ্ঞতা অনেকের সঙ্গে হয়তো মিলবে না। পার্কসার্কাসের গার্লস্‌ স্কুলে ( শিশুবিদ্যাপীঠ, অধুনা জহর নন্দী গার্লস্‌ স্কুল) ক্লাস ফাইভ, বরানগর রামকৃষ্ণ মিশন সেখান থেকে টেন পাস করার পর তাড়িয়ে দিল। তারপর ডিডির স্কুল নাকতলা হাই স্কুল। হায়ার সেকন্ডারি পাস করে মৌলানা আজাদ। সেকন্ড লিস্টে প্রেসিডেন্সিতে চান্স পেলাম, কিন্তু এমন গেঁয়ো যে ভাবলাম বাবার কাছ থেকে কেন দু'বার ভর্তির পয়সা নেব?
    সেকন্ডে ইয়ারে পাড়ার একটি মেয়ের প্রেমে পড়ে ড্রপ নিয়ে গড়িয়া দীনবন্ধু এন্ড্রুজ কলেজে ইকনমিকস ছেড়ে ড: মহেশ ঘোষের বিভাগে ম্যাথস্‌ নিয়ে ভর্ত্তি হলাম। তখন সেন্ট জেভিয়র্সের ফাদার গোরের পর কোলকাতায় ওনাকে জায়ান্ট ধরা হত। তদ্দিনে বুঝে গেলাম-- এ শিক্ষাব্যবস্থায় যে জত পড়ে সে তত মূর্খ হয়।
    পাঁচবছর পরে কেঁচে গন্ডুষ করে ভিলাইয়ের কাছে সরকারি কলেজে ভর্তি হলাম। এদেশে অনার্স বলে কোন বস্তু নেই। ৭৫য়ে জরুরি অবস্থায় সরকারি কলেজে প্রোফেসারদের দাদাগিরি দেখে রায়পুরের নামকরা প্রাইভেট কলেজে ভর্তি হলাম। চুটিয়ে আড্ডা দিলাম। তারপর গ্রামীণ ব্যংকে চাকরি করতে করতে বুঝতে পারলাম আমার ভেতরে গুছিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনো করার ইচ্ছে মরে যায় নি। তাই ব্যাংকের পরীক্ষা দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে বসে রইলাম।
    ইচ্ছে ছিল কলেজে ইকনমিকস্‌ পড়াব। সে গুড়ে বালি!
    এসব হ্যাজানো।
    প্রাসংগিক কথা হল ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট হয়ে চাকরিতে চোদ্দমাস সাসপেন্ড থাকার সময় স্ত্রীর সঙ্গে মিলে টিউটোরিয়াল, তারপরে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল খুললাম। স্ত্রীর কিছু এলেম ছিল। ভোপালে বিদেশি টিচার পেয়ে ইংরেজি উচ্চারণটা ভাল শিখেছিলেন। সেখানে স্কুলে পড়িয়ে অল্পবয়েসেই নাম কিনেছিলেন। আর বায়ো ও কেমিস্ট্রিতে দক্ষতা সঙ্কেÄও বেশি আগ্রহ কিন্ডারগার্টেনের বাচ্চাদের সঙ্গে নেচেগেয়ে,কবিতা-গান-নাটক করে পড়ানোয়।
    ফলে পুঁজি না থাকা সঙ্কেÄও স্কুল দাঁড়াল। আমরা নামী স্কুলে না পড়িয়ে বাচ্চাদের নিজেদের স্কুলে পড়ালাম। ওরা উচ্চ মাধ্যনিক মায়ের স্কুল থেকে পাশ করে এখন প্রোফেশনাল লাইফে করে খাচ্ছে, গোয়ায় আর দিল্লিতে।
    এসবের মধ্যে দিয়ে আমার অনুভব নামী-অনামী দুই স্কুলেরই ভালমন্দ নিয়ে।
    আমার কথা হল- -- নামীস্কুলের পরিকাঠামো বেশ ভাল। বাচ্চারা একস্‌পোজার পায় অনেক বেশি। পরীক্ষার ব্যাপারে অনেক প্রোফেসনাল অ্যাপ্রোচ্‌।
    আর আমার সেন্ট স্টিফেন এ পড়া আজ কর্মক্ষেত্রে সফল বন্ধুদের বক্তব্য হল। পড়াশুনো-প্রতিভা এগুলো দরকারি এবং ভাল। কিন্তু ঠিক সময় ঠিক যোগযোগ হওয়া, খবর পাওয়া এগুলো ভীষণভাবে ম্যাটার করে। সেখানে নামকরা আল্মা মাটারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
    বড় জায়গায় সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কেউ না কেউ একস্‌-সেন্ট স্টিফেনস্‌ থাকবেই। আপনি যদি সেকন্ড ডিভিশনে স্নাতকোত্তর হন, তবু ওরা ভাববে -- -আফটার অল স্টিফেনস্‌ ইজ আ ক্লাস। নিশ্চয়ই পরীক্ষার দিন ওর জ্বর হয়েছিল বা বাড়িতে কোন মেজর প্রবলেম ছিল।
    অবশ্য সাহিত্যে রুচি, বইপড়ার অভ্যেস, কিছু মূল্যবোধ এগুলো সব বাচ্চাই প্রথমে বাড়ি থেকে নেবে, তারপর পিয়ার গ্রুপ থেকে। কিন্তু ছোট স্কুলে যেহেতু পরিকাঠামো ধরুন লাইব্রেরি,
    খেলা ধুলো, ডিবেট এগুলোর পরিকাঠামোগত
    সুযোগ কম, সেখানে বাবা-মার বাড়িতে সময়ে্‌দয়া ও এগুলো দেখার চাপ অনেক বেশি।
    তারপর আছে নামী স্কুলের মধ্যেও কোনটা বস্তবিক কি অর্থে ভল সেটা খোঁজা।
    যেমন রায়পুরের রাজকুমর কলেজের ছেলেরা ( ওটা কিন্তু ইংরেজ আমলের থেকেই রাজপরিবারের বাচ্চাদের জন্যে স্কুল! এখন বড়লোকের ছেলেদের।) এগারো ক্লাসে পড়ার সময়ই ইংল্যান্ডের কোন পাব্লিক স্কুলের সঙ্গে ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে যায়। কিন্তু ছত্তিস্‌গড়ের অন্য স্কুলেদের চেয়ে ভালো খেলে এমন নয়। ঘোড়ায় চড়া শেখায়, পড়াশুনোয় ------?
    আমার অভিজ্ঞতা কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় মধি্‌য়্‌বত্ত ভদ্রলোকের জন্যে ভালো স্কুল।
    আপনদের অন্যরকম জানা থাকলে বলুন।
  • shyamal | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৫:১৬402129
  • যাঁদের ছেলেমেয়েরা আমেরিকার স্কুলে পড়ছে বা পড়েছে তাঁরা কি বলেন এদেশের স্কুল বনাম প:বঙ্গের স্কুলের তুলনা করে?
  • Arijit | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৯:৩৮402140
  • ইংল্যাণ্ডের স্কুলের সাথে তুলনা চলবে?

    এটা নিয়ে সম্ভবত: একটা টই আছে। খুঁজে দেখতে হবে।
  • siki | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১২:৫৬402151
  • আমারও তো বেশ কিছু অভিজ্ঞতা হয়ে গেল। ভাবছি, একটা বুবুভা লিখব আলাদা করে।
  • shyamal | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২২:২২402162
  • অরিজিত, ইংল্যান্ডের সঙ্গে বা অন্য যে কোন দেশের সঙ্গে তুলনা চলবে। আমার পুত্র কলকাতায় থাকাকালীন এডেক্সেল বোর্ডের কারিকুলাম পড়েছিল। তাই ব্রিটিশ শিক্ষাব্যবস্থা সম্বন্ধে আমার উচ্চ ধারণা আছে। তারা ছাত্রদের চ্যালেঞ্জ করে। সেটা দরকার যেটা আমার মতে বেশির ভাগ আমেরিকান স্কুলে করেনা। আমাদের সময়ে হায়ার সেকেন্ডারী বা JEE ইত্যাদি নিয়ে এই চ্যালেঞ্জের ব্যাপারটা ছিল। যেখানে ছাত্র স্ট্রেচড হবে।
  • umesh | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২২:৪৫402173
  • আমার বউ এর আবার UK এর primary লেভেল এর পড়াশুনার উপর আস্থা নাই।
    রোজ-ই আমায় শুনতে হয় "এখানে স্কুলে কোনো পড়া হয় না, ভারতে ফিরে যাবার আমার মেয়ে হাবু ডুবু খাবে"।
    আমার কিন্তু বেশ লাগে। ৬ বছরের মেয়ে টাকে বিশাল ব্যাগ নিয়ে স্কুল যেতে হয় না। সারাদিন স্কুল এ খেলে আর আমি বিকালে বাড়ি ফিরে সেই সব খেলার গল্প শুনি।
    মেয়ের বিশাল স্কুল হোম ওয়ার্ক নিয়ে বসতে হয় না।
    জানি না পরে কি হবে?
  • umesh | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২২:৪৬402184
  • 'ভারতে ফিরে যাবার পর'
  • arjo | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২২:৫৮402195
  • ইউকের এক বালিকা বিদ্যালয়ে আমার এক বন্ধুর বন্ধুর মেয়ে পড়তে যায়। মেয়ে কোন স্কুলে পড়ে জিগ্যেস করায় সে বলেছিল তার মেয়ে নাকি "বালিঘাটা বালিকা বিদ্যালয়" এ পড়ে। এমন নামের কারণ জিগ্যেস করায় সে বলেছিল তার মেয়ে সারাদিন বালি ঘাটে, পড়াশুনো কিছু করে না। ব্যক্তিগত ভাবে চয়েস দিলে আমি চাইব আমার ছেলে বালিই ঘাটুক যতদিন পারে।
  • rimi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২৩:৪৬402206
  • শ্যামলবাবু, ছাত্রকে চ্যালেঞ্জের ব্যপারটা আমেরিকাতে গ্র্যাড ও পোস্টগ্র্যাড লেভেলে কিন্তু ভালোমতন আছে। স্কুললেভেলের ব্যপারটা বলতে পারব না, অভিজ্ঞতা নেই। তবে শুনেছি যারা "গিফটেড" তারা সাধারণ স্কুলে বোর হয়ে যায় চ্যালেঞ্জের অভাবে। তাই তাদের জন্যে বিশেষ প্রোগ্রামের বন্দোবস্ত আছে।

    প: বংগের স্কুল প্রসংগে, চাপ আর চ্যালেঞ্জের মধ্যে তফাৎ আছে। চ্যালেঞ্জ মানে শুধু কঠিন পরীক্ষা নয়। প:বংগে ছাত্র ছাত্রীরা প্রবল চাপে ভোগে, ভালোবেসে পড়াশুনো উপভোগ করা - এটা কজন করে? কিছু চাপ অবশ্যই প্রয়োজনীয়। কিন্তু একেবারে ছোটো থেকে খুব বেশী চাপ খেলে মুশকিল হয়। প:বংগের স্কুলে ছোটোদের কথা ছোটোদের মতন করে ভাবাই হয় না।
  • shyamal | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০২:৫৩402217
  • পরিষ্কার করার জন্য বলি। আমেরিকায় এলিমেন্টারী শিক্ষা সম্বন্ধে আমার কোন গ্রাইপ নেই। শিশুকালে পড়াশোনার চাপ বেশি না থাকাই ভাল।
    কিন্তু তার পরে জুনিয়ার হাই এবং হাই স্কুলেও যে (ম্যাগনেট স্কুল না হলে) পড়াশোনার চাপ থকেনা! ফলে এদেশের ছেলেমেয়েরা বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতায় ক্রমশ: পিছিয়ে পড়বে।
    পড়াশোনা মানে শুধু শেখা নয়, পরীক্ষা শক্ত করলে ছাত্রের টেনাসিটি, ধৈর্য, সময়জ্ঞান, প্রতিকুল অবস্থায় ঘুরে দাঁড়ানো -- অনেক কিছুর পরীক্ষা হয়। শুধু বইয়ের কন্টেন্ট নয়।

    আর রিমিকে, গ্র্যাড লেভেলে চ্যালেঞ্জটা বোধ হয় স্কুল আর কোর্সের ওপর নির্ভর করে। আমি তো এম এসের সময়ে খুব একটা চ্যালেঞ্জ পাইনি। সেটা স্কুলের দোষ হতে পারে।
  • lcm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৩:২৫402229
  • চাপ ব্যাপারটা রিলেটিভ। ১১০ কোটি মানুষের মধ্যে চাপ এক জিনিস, আর, ৪৫০০০ ডলার হাউসহোল্ড ইনকামের দুনিয়ায় চাপ অন্য জিনিস।
  • d | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৮:৩৩402240
  • এই থ্রেডে ভাল আলোচনা হয়েছিল
    http://tinyurl.com/5272n2
  • Paramita | ০১ নভেম্বর ২০০৮ ০৪:৪৪402251
  • আমার মেয়েরা এখনো মিডল কি হাই ইশকুলে যায়না, কিন্তু শ্যামলবাবুর বক্তব্য পড়ে খুব অবাক হলাম। এখানে বাচ্চাদের পড়াশোনার চাপ নেই, এটা একটা মিথ, বিশেষত: দেশী বাবা-মা-দের ক্ষেত্রে। এলিমেন্টারিতে নেই ইহা সত্য। কিন্তু ফিফ্‌থ কি সিক্সথ গ্রেড ও তারপর থেকে আমি যে পরিমান স্কুলের কারিকুলাম ও হোমওয়ার্কের চাপ দেখি, তা কলকাতার যেকোন স্কুলের সঙ্গে তুলনীয়। তার ওপর "অ্যাকটিভিটি"-র চাপও একইরকম। কম করে তিনটে, প্রতিভার ওপর ডিপেন্ড করে চার কি পাঁচও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ভোর সাতটা থেকে রাত্তির পর্যন্ত এই চলে। হাই স্কুলে গিয়ে অ্যাডভান্স কোর্স করানোর ঘোড়দৌড়ে বাচ্চাদের রাত একটা দেড়টা অবধি জাগরণ স্পেশাল কিছু নয়। তবে চাপটা শুধু লেখাপড়া কি আরো স্পেসিফিকালি সায়েন্স স্ট্রিমে সীমাবদ্ধ নয়, এটাই একটা সিলভার লাইনিং। দাবা কি তাইকোন্ডো ক্লাসও প্রচন্ড ডিম্যান্ডিং হতে পারে। সাধারণ আমেরিকান ফ্যামিলিতে এর কোন ব্যতিক্রম আছে কিনা জানি না, কিন্তু চাপ সিস্টেম থেকে বেরোনো ইন্ডিয়ান ও চাইনিজ অরিজিনের হাউজহোল্ডে এর ব্যতিক্রম খুব দেখি না।
  • Paramita | ০১ নভেম্বর ২০০৮ ০৪:৫৬402262
  • রিমির প্রথম পোস্ট পড়ে : পাঠভবন নামি ইশকুল কিন্তু অ্যাকাডেমিক দিক থেকে এমন কিছু আহামরি নয়। মাধ্যমিকে বাহত্তরটা স্টার কি মেয়েদের মধ্যে ফার্স্ট ইত্যাদি লিস্টে কোনদিন পাঠভবনের নাম দেখেছি মনে পড়ে না। তুমি যেমন লিখেছো, আমার ঠিক সে রকম ট্র্যাঞ্জিশন হয়েছিল। "ভালো ইশকুলে" দেওয়ার জন্য মফ:স্বল থেকে পাঠভবনে(আরো একটা কারণ ছিল - পছন্দের তিনটে ইশকুলের মধ্যে ওটাই কো-এড ছিল বলে আমি প্রচুর উৎসাহের সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম)। সেটা আমার ক্ষেত্রে খুব পজিটিভ চেঞ্জ ছিল, অনেক ভালো ভালো এক্সপোজার ঘটেছিল যেগুলো ওখানে না গেলে কোনদিনও পেতাম না। এবং সেগুলোর কোনোটাই অ্যাকাডেমিক ছিল না।
  • shyamal | ০১ নভেম্বর ২০০৮ ০৫:২৭402273
  • পারমিতাকে : আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলেছি। চাপ ব্যপারটা রিলেটিভ। আমার ছেলে ক্লাশ ফোর অবধি নিউ জার্সিতে পড়ার পর আমরা দেশে চলে যাই। নিউ জার্সিতে অল্পস্বল্প চাপ ছিল। কিন্তু দেশে গিয়ে দেখা গেল চাপ কাকে বলে। রাত বারোটা অবধি জেগে হোম ওয়ার্ক করত। ওর একটা ব্যপার আছে, চাপের ওপর নির্ভর করে খাটে। তাই চ্যালেঞ্জ দিলে লড়ে যায়। তাই কলকাতায় খারাপ করেনি। কিন্তু ক্লাসের প্রতিটা ছেলেমেয়ে খুব কম্পিটিটিভ ছিল।
    আবার এদেশে এসে সফোমোর হয়ে ভর্তি হল। এখন জুনিয়র ( ক্লাস ইলেভেন)। পড়াশোনার সঙ্গে সম্পর্ক প্রায় চুকে গেছে। যদি না পড়েই সব বিষয়ে 'এ' পাওয়া যায় তবে আর খাটে কে? প্রতিটা সাবজেক্টে দেখা গেল যা পড়াচ্ছে তা ও আগের ক্লাসে দেশে করে এসেছে। এপি কোর্স গুলো আমাদের দেশের কোর্সের কাছাকাছি।
    জানেন কি, এদেশে বেশির ভাগ ছেলেপিলে এক বছর করে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি আর বায়ো করে হাইস্কুলে। আমাদের আমলে আমরা তিন বছর করেছি (৯ থেকে ১১)। এখন উচ্চ মাধ্যমিকে যা সায়েন্স পড়ানো হয়, তা পড়তে এদেশের সাধারণ ছেলেপিলের প্যান্ট খুলে যাবে।
    আমেরিকায় স্কুল শিক্ষা কিভাবে পিছিয়ে পড়েছে, দুটো দেশ না দেখলে বোঝার উপায় থাকেনা।

    তবে হ্যাঁ, অ্যাক্টিভিটি এদেশেও, দেশেও বহুত বেড়েছে। দিন রাত মা বাবারা ছোটাছুটি করে অ্যাক্টিভিটি করাতে। ঘোড়ার ডিম হয়। উচিৎ হল বাচ্চার ইন্টারেস্ট আছে এমন একটা অ্যাক্টিভিটি করানো।

    অবশ্যই আমেরিকাতেও নামী স্কুল আছে। কিন্তু হাতে গোনা।
  • arjo | ০১ নভেম্বর ২০০৮ ০৮:০৮402284
  • ভারতের ১১-১২ র সায়েন্স পড়তে আমাদের দেশেরও যেকোনো সাধারণ ছেলেপিলের প্যাণ্ট খুলেই যায়। অনেক তথাকথিত ভালো ছাত্ররাও উচ্চমাধ্যমিক সায়েন্স পড়তে গেলে অসুবিধা হয় পড়ে। উপায় নেই বলে কোনোরকমে লোকে লেগে থেকে উতরে যায়।
  • lcm | ১৯ নভেম্বর ২০০৮ ১৩:৪৭402295
  • ইউএস-এ হাই স্কুল ক্যালকুলাস-এর সিলেবাস
    http://www.sherwood.k12.or.us/public/calculus%20syllabus.doc

    অ্যাডভান্সড (এ পি)-এর সিলেবাস আরো একটু অ্যাডভান্সড - http://en.wikipedia.org/wiki/AP_Calculus

    স্যাম্পেল প্রবলেম :
    http://www.geocities.com/CapeCanaveral/Lab/2619/test.html
    http://www.geocities.com/CapeCanaveral/Lab/2619/probs.html

    আমিও আগে এরকম শুনতাম, যে আমাদের-টাই সবথেকে কঠিন। তারপর একবার এক টুয়েলভ্‌থ্‌ গ্রেডের স্টুডেন্টের অ্যালজেব্রা আর ক্যালকুলাস হোম ওয়ার্ক দেখে মনে হয়েছিল সবই এক। এখন বিশ্বায়ন-এর যুগ।
    আর, বন্ধু বান্ধব যারা অ্যাকাডেমিকস্‌-এ আছেন তাদের কাছে শুনি যে সিস্টেমটা অন্যরকম।
  • shyamal | ১৯ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:২০402306
  • এল সি এম, জানোতো আমেরিকা এমনই দেশ যেখানে অনেক সাবজেক্ট না পড়েই স্কুল পাশ করা যায়। ক্যালকুলাস তার মধ্যে একটি। বহু ছেলেমেয়ে ক্যালকুলাস নেয়ই না।এ পি কোর্স গুলো একটু পদের। কিন্তু ভারতীয়, চীনেরা প্রায় সবাই এপি কোর্স নিলেও মার্কিনি বাচ্চারা অনেকেই নেয়না। কঠিন বলে। বহু স্কুলে অনেক এপি কোর্স নেইই। সেজন্য সেসব স্কুলের ছাত্রদের অনেক সময়ে কাছের ইউনিভার্সিটিতে যেতে হয় সেই কোর্স নিতে। কাছাকাছি না থাকলে মুশকিল।
    আমার সঙ্গে একটি সদ্য পাশ করা ছেলে কাজ করে। তাকে বলছিলাম তোমাদের তো স্কুলে অনেক অপশন আছে। হয়তো ফিজিক্স না পড়েই স্কুল পাশ করা যায়। তাতে সে বলল, তাই তো। আমি ম্যাথ আর কম্পিউটার সায়েন্সে ডাবল মেজর করেছি। কিন্তু স্কুলে কোনদিন ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি পড়িনি। কলেজে গিয়ে দেখি গ্র্যাজুয়েট করার জন্য মিনিমাম একটা ফিজিক্সের পেপার নিতে হবে। সেটা তাই সিনিয়ার ইয়ারে নিয়েছিলাম। ছেলেটি কিন্তু কাজে তুখোড়। কিন্তু সেদিন কি প্রসঙ্গে বলল সেকি সোনা, সীসার চেয়ে ভারি? আমি জানতাম উল্টো। আরেকদিন কথায় কথায় জানা গেল আইসোটোপ কি জানেনা।
  • rimi | ১৯ নভেম্বর ২০০৮ ১৯:৪১402317
  • ইয়ে, সোনা সীসের চেয়ে ভারি না হাল্কা, কিম্বা আইসোটোপ কাকে বলে - এগুলো আমিও কিন্তু জানি না। মানে ভুলে গেছি। যদিও সেই ক্লাস থ্রি থেকে শুরু করে বি এস সি পর্যন্ত একটানা ফিজিক্স পড়েছি। :-((

    তো, মনেই যদি না থাকল, কিম্বা কাজেই যদি না লাগল, তবে সেটা পড়া আর না পড়ার মধ্যে তফাৎ কোথায়? আমেরিকার বাচ্চারা অনেক বেশী প্রিভিলেজড, আমাদের মতন জোর করে ভালো না লাগা জিনিস পত্তর গিলতে হয় না।
  • lcm | ১৯ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:১৮402328
  • শ্যামল,
    ঠিক বুঝলাম না। ভারতেও তো অনেক সাবজেক্ট না পড়ে ১২ বছরের স্কুল এডুকেশন কমপ্লিট করা যায়। আমি কোনোদিন ইকনমিক জিওগ্রাফি পড়ি নি, আবার অনেকে ডিফারেন্সিয়াল ইকোয়েশন পড়ে নি। তাতে কি হল? সব দেশেই তো এরকম।
    আর সব স্কুলে সব পড়ানো হয় না, ভারতেও সব স্কুলে সব সাবজেক্ট পড়ানোর মতন ব্যবস্থা/ইনফ্রাস্ট্রাকচার নেই, বা প্রয়োজন/ডিমান্ড-ও নেই।
    কিন্তু আমার তো অন্তত ক্যালকুলাসের সিলেবাস দেখে মনে হল না যে এখানকার হাই স্কুলের সিলেবাস নীচু মানের। ইন ফ্যাক্ট্‌, বরং এখানকার-টাকে সামান্য অ্যাডভান্সড্‌ মনে হল। ভারতে অবশ্য বিভিন্ন এডুকেশন বোর্ডে কারিকুলাম-এ হেরফের আছে।
  • Souvik | ২০ নভেম্বর ২০০৮ ০০:২২402340
  • সমস্যা টা হচ্ছে India তে ১১-১২ তে অংক ছিল মানে calculus জানে বা পড়েছে। US/Canada তে সেটা না ও হতে পারে। আমি teaching assistantship করার সময় engineeringstudent দেখেছি যে integration জানে না। সেটা বেশ চাপের। আর derivation of the formula টা শেখানো কম হয়। ৩-৪ মাসে আর কত শেখাবে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন