এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিশুশিক্ষা ও বিদ্যালয় অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত

    rimi
    অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ | ২৩১৬৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ০১:১৭402408
  • স্যান-অর্পণ-অর্জো-ঈশেন ----সবার কথাতেই এক বহুমাত্রিক ছবি ফুটে উঠেছে।
    আমি এবং ডিডি বাংলা মাধ্যমের নাকতলা স্কুলে পড়েছি। কংগ্রেসি শাসনের শেষের দিক।
    মাধ্যমিক ছিল না। আমার সময়ে উচ্চ মাধ্যমিকে সব বিষয়ে নাইন-টেন- ইলেভেন মিলিয়ে প্রশ্ন করা হত। ৫০ নম্বর নাইন-টেন থেকে, বাকি ৫০ ইলেভেন থেকে। ভীষণ চাপ!
    ইংরেজি? ঐ শেষ তিনটে ক্লাসেই কোন টেক্‌স্‌টবুক ছিল না। প্রতিবছর দুশো নম্বর unseen। ফলে আমরা গল্প-কবিতা-নাটক-প্রবন্ধ কিস্যু পড়িনি। তিনবছর ধরে খালি আনসিন প্যাসেজ, লেটার- ডায়ালগ-এসে রাইটিং, ইডিয়মস্‌, করেক্‌শন,অ্যানালিসিস, জয়েনিং অ্যান্ড spliting। আর দু'প্যাসেজ ট্রানস্লেশন। ডিডির ব্যাচ্‌ থেকে বোধহয় টেকস্ট্‌ চালু হল। ফলটা দেখাই যাচ্ছে। আর আমি শিখলাম--কেঠো-হেটো-মেঠো ইংরিজি।
    ফলে কান তৈরি হল না।আমার মেয়েরা হাসে। ডিভিডি কিনে দেয়, যাতে আমি সাব টাইটেল দেখে কিছুটা ফলো করতে পারি।
    কিন্তু আমরা অর্পণের বাবা-মার মত ছোটবেলা থেকেই প্রথমে abridged version এ ক্লাসিকস, তারপর মূলবই কিনে দিতে লাগলাম। ফলে বিলাসপুরে ওদের মায়ের স্কুলে পড়েও দিল্লিতে ভালো চাকরি পেতে অসুবিধে হয়নি।
    আর আমাকে আজও জোন বেইজ বা পীট সিগারের গানের আনন্দ পেতে হলে আগে হাতে গানের কথা চাই।
  • shyamal | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ০৪:৩০402409
  • আমিও ঐ সময়েরই কাছাকাছি। পাতি বাংলা স্কুল থেকে হা:সে:। মাধ্যমিক ছিলনা। কিন্তু আমরা তো ইংরেজি টেকস্টবই পড়েছি। ন্যাথানিয়েল হথর্ন, রবার্ট ফ্রস্ট, ও হেনরি, কীট্‌স, টেনিসন এদের বেশ বিখ্যাত লেখা পড়তে হয়েছে। পরে কি ইংরেজির মান নামিয়ে আনা হয়?
    আমার দাদা, দিদি ষাটের দশকের হা:সে:। ওদের টেক্‌স্‌টবই ছিলনা ইংরেজিতে।
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ০৯:৪৪402410
  • লার্নিং ইংলিশ এবং উমা-র ইংলিশে তফাত অনেকটাই। উমা-তে সেই টেক্সট বইয়ের উপর নির্ভরশীল পদ্ধতিতে ফেরত যেতে হয়েছিল।

    আর্য্যকে - গাইডলাইনটা অফিসিয়ালি দেখিনি, তবে আমাদের স্কুলে রজতস্যার বুঝিয়ে বলেছিলেন - যে টেক্সট মুখস্ত না করে ব্যাপারটা বোঝা, ইংরিজীতে চিন্তা করা (বলা বা লেখার আগে), বাংলায় ভেবে ইংরিজীতে ট্রান্সলেট না করা, খবরের কাগজ বা ভালো বই পড়া - এই সবকিছু কেন দরকার ইত্যাদি। সিলেবাসে তো আগেই লেটার আর এসে রাইটিং ছিলো, সেই সময় জোড়া হয় কাগজের রিপোর্ট লেখা, কনভার্সেশন লেখা, একটা গল্পকে পুরো নিজের ভাষায় লেখা অন্য টাইটেল দিয়ে - ইত্যাদি। এবং আমার মনে হয়েছে এগুলো প্রত্যেকটা আগের টেক্সটবুক ওরিয়েন্টেড মেথডের চেয়ে অনেকগুণে ভালো।

    অবশ্য এই ইংরিজীতে ভেবে ইংরিজীতে লেখা বা বলা - এটা অভ্যেস হয়েছিলো ক্লাস ফোরে "ইংলিশ ক্লাবে' - সেখানে কনসেপ্টটা একই - একটা ক্লাব, সেখানে শুধুমাত্র ইংলিশে কথা অ্যালাওড - পারো কি না পারো, বলতেই হবে। সেখানে নানারকম খেলা হত - অনেকগুলো কার্ডে সেন্টেন্স লেখা রয়েছে, সাজিয়ে একটা গল্প তৈরী, হকারেরা ট্রেতে করে "পার্টস অব স্পীচ' বিক্রি করছে - সেগুলো কিনে এনে সেন্টেন্স তৈরী ইত্যাদি। সকলেই ভুল করতে করতে আল্টিমেটলি শিখতো। পয়েন্ট ছিলো, বছরের শেষে প্রাইজ ছিলো।

    আমার বক্তব্যটা হল টেক্সটবুক নির্ভর পদ্ধতির বাইরে গিয়ে এই ধরণের টিচিং মেথড অনেক বেশি উপযোগী। এবার তারজন্যে যে কাঠামো দরকার সেটা সরকারকে তৈরী করতেই হবে - এবং যথাসম্ভব ওই ফেজ বাই ফেজ ওয়ে-তে। আর্য্যর কথা অনুযায়ী আগে কাঠামো, পরে কাজ শুরু - এটা ওই ল্যাব এক্সপেরিমেন্টই - তাহলে কাঠামো তৈরী হতে হতে পদ্ধতির অন্য এক ফর্মেশন বেরিয়ে আসবে, তখন কাঠামোটা হয়তো তার জন্যে স্যুটেবল হবে না।

    বাকি রইলো বয়স - এটা নিয়ে আমি এখনও বলছি আমি সিওর নই। কেন নই সেটাও আগে বলেছি।
  • shyamal | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১০:০৬402411
  • রঞ্জনদা, কান তৈরী হওয়ার ব্যাপারটা সম্পুর্ণ আলাদা। আজ দেশে সিএনএন, এইচ বি ওর কল্যানে ছেলেমেয়েরা হয়তো আমেরিকান অ্যাকসেন্ট বুঝতে পারে কিন্তু আমাদের আমলে টিভিও ছিলনা তাই মার্কিনি অ্যাকসেন্ট কেউ বুঝত না।
    মনে আছে মাই ফেয়ার লেডি দেখে খুব ভাল লেগেছিল কারণ সব বুঝতে পেরেছিলাম। কারণ ব্রিটিশ মুভি।
    ব্রিটিশ অ্যাকসেন্ট ( ককনি নয়) বুঝতাম কারণ বাবার সাথে সাথে ছোটবেলা থেকেই বিবিসির খবর আর ক্রিকেট খেলা শোনা অভ্যাস হয়েছিল।
    গডফাদার দেখে কিচ্ছু বুঝিনি। মার্লন ব্র্যান্ডো মুখে সুপুরী নিয়ে কি বলে গেল ঈশ্বর জানেন। পরে এদেশে আসার পর অবশ্য বুঝেছি।

    অরিজিত : টেক্সটবই থাকলে কেউ গদ্য মুখস্থ করেনা। কিন্তু সাহিত্যের রস পাওয়া যায় যা শুকনো গ্রামার, প্রেসি, লেটার রাইটিংএ হয়না। এগুলো দরকার ঠিকই, কিন্তু তার সঙ্গে সাহিত্য পড়াও দরকার ভাষা শিখতে হলে।

    আমাদের ছিল ও হেনরীর ছোটগল্প গিফ্‌ট অফ দা মেইজাই। ঋতুপর্ণ এটার ছায়া নিয়ে করেছে রেনকোট ছবি।
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১০:১৪402412
  • আমাদের পড়ানোর স্টাইলের কারণে টেক্সটবই মুখস্থ করেই জনতা বছরের পর বছর পরীক্ষায় উৎরেছে। সে আপনারা হয়তো করতেন না - আমরা এই জিনিসই দেখে এসেছি। ওপরের ক্লাসে টেক্সটবই দরকার, কিন্তু আমাদের পড়ানো এবং মেন্টালিটির কারণে মুখস্থ করার অভ্যেসটা বড় হয়ে দাঁড়ায়। ভালো সাহিত্য এবং লার্নিং ইংলিশ ওয়ে - এই দুটো মিউচুয়ালি এক্সক্লুসিভ কে বল্ল?
  • san | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১০:২৪402413
  • আমাদের স্কুল ছিল আধা-সরকারি।

    যারা ওয়ান বা থ্রি তে নিবেদিতায় ভর্তি হয়েছে, তাদের অক্ষরপরিচয় আর ছোট ছোট শব্দ শেখানো হয়েছে, যারা ফাইভে ঢুকেছে - তাদেরকে ফাইভে সেটা শেখানো হয়েছিল।

    সিক্স থেকে টেন লার্নিং ইংলিশ বেস করে পড়ানো। যারাই লার্নিং ইংলিশের নাম শুনলে তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন, তাদের জন্য বলছি - আমাদের ক্লাসের অন্তত নব্বই শতাংশ মেয়ের কোন টিউটর ছিলনা ইংরিজির, বাকিদের 'বাড়ির' কথা জানিনা, আমাকে বাবা-মা কখনো নিজেরা বসে গ্রামার ( ইন ফ্যাক্ট কোনোকিছুই) পড়াননি। শুদ্ধু স্কুলে লার্নিং ইংলিশ বেস করে যা পড়ানোর পড়ানো হয়েছে, এবং এতই ভালো পড়ানো হয়েছে - আমাদের ইশকুলের কোনো মেয়ে কক্ষনো ইংরিজি নিয়ে ভুগেছে বলে শুনিনি। সাহিত্য লেখার মত হয়তো শিখিনি, কিন্তু ভুল না করে ইংরিজি লিখতে আমরা প্রায় সকলে শিখেছি।যাকে বলে বেসিক শিক্ষা।

    এর পরে যারাই বলেন, 'লার্নিং ইংলিশের জন্য ভুগেছেন, আমি বলব - না, তাঁরা ভুগেছেন স্ব-স্ব স্কুলের জন্য, স্যার-ম্যাডামদের সদিচ্ছার অভাবের জন্য। কেননা লার্নিং ইংলিশ দিয়েও খুব ভালো শেখানো যায় তার প্রমাণ আমরা - আমরা ভুগলাম না কেন? তো স্কুলের সদিচ্ছার অভাবকে সদিচ্ছার অভাবই বলা হোক, লার্নিং ইংলিশের ত্রুটি নয়।

    এইবারে মা-বাবা। বলেইছি, তাঁরা নিজেরা পড়াননি, টিউটর রাখেননি। কিন্তু 'যত্ন' নিয়েছিলেন। সেই শমীকের বলা ওয়ার্ল্ড দিস উইক, নিউজ, বাংলা খবরের কাগজ পাল্টে ইংরিজি কাগজ রাখা। প্রথমে স্নো-হোয়াইট গোছের বই, তারপরে এনিড ব্লাইটন গোছের, তারপরে জুলে ভার্ন, আগাথা ক্রিস্টি। এগুলো লাইব্রেরি থেকে আনা হত, সেটা অবশ্য আমাদের পাড়ায় ছিলনা, তবে উত্তর কোলকাতাতেই ছিল।প্রথমে মা/বাবা নিয়ে যেতেন তারপরে নিজেই গেছি। কিন্তু ইংরিজি যে পড়া হচ্ছে, শোনা হচ্ছে - এইটুকু খেয়াল রাখতেন মা-বাবা। এইটা আমি সব মা-বাবার কাছ থেকে নিশ্চয়ই এক্সপেক্ট করি, না করার কোন কারণ দেখিনা :-)

    অপ্পনকে : হ্যাঁ তোমার বাবা-মা যে যত্ন নিয়েছেন তোমার জন্য, সব বাবা-মা যদি সত্যি এভাবে নিতেন, এত ছেলেপুলের ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলি যেতনা। সত্যি কথাই তো। ভুলটা কোথায় ?

    একটু অন্য কথা :

    তোমরা তো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছ, দেখেছ কিনা জানিনা, আমরা অন্তত জেনারেল স্ট্রিমে দেখেছি, একটা বয়সের পরে চাকরির জন্য বাড়ির চাপ, বাঁকা কথা, গালিগালাজ অন্তত নিম্নমধ্যবিত্ত/মধ্যবিত্ত ছেলেকে শুনতেই হত। পরিবারবিশেষে মেয়েকেও। সেটা শুধু ওদের কথা ভেবেই নয়,নিজেদের কথা ভেবেও - অধিকাংশ ফ্যামিলিতে এখনো ছেলের পড়াশুনো 'নিজেদের' ভবিষ্যৎ ইনভেস্টমেন্ট হিসেবেই করানো হয় তো। তোমার আমার ফ্যামিলিতে দরকার হয়নি, তবু বেশিরভাগ তাইই হয়। তা নিজেদের ইনভেস্টমেন্টের জন্য নিজেদের দায়িত্ব একটু বেশি থাকবে না, তা বললে হয়? যখন আমাদের দেশের বাবামায়েরা অন্যের জীবনকে অন্যের জীবন বলে ভাবতে শিখবেন, তখন নয় তাঁদের দায়িত্ব কম আছে বলব, কেমন ?
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১০:৩২402414
  • "পুরোপুরি' লার্নিং ইংলিশের ঘাড়ে ফেলে দেওয়াটা একটা ইজি স্কেপগোট খোঁজার সামিল। এবং মে আই সে - ফ্যাশনেবল। আম্মো অনেক উদাহরণ দিতে পারি চেনাপরিচিতদের মধ্যে থেকে - যাদের বিনা টিউটরে এবং লার্নিং ইংলিশেও কিছু আটকায়নি। আবার ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে এবং টিউটর থেকেও আটকেছে।

    তার মানে এই নয় যে প্রবলেম ছিলো না।
  • Arpan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১০:৪২402415
  • এর উত্তর সেইসব অবহেলিত ছেলেমেয়ে বা তাদের উদাসীন বাপমায়েরা দিতে পারবে।

    আই রেস্ট মাই কেস।
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১০:৪৫402416
  • ইন্টারেস্টিং হল গুচ-তে এই নিয়ে কততমবার এই তর্কটা হল সেইটা। ফ্রিকোয়েন্সী দেখলে মনে হয় বছরে দুইবার তো বটেই;-)
  • Ishan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১১:২৫402418
  • প্রথমত: স্যানের ইশকুলে তো সরকারি নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি দেখছি। ক্লাস সিক্সের আগেই অক্ষর পরিচয়, ছোটো ছোটো শব্দ শেখানো, এগুলো সরকারি নিয়মের বাইরে। বোল্ড এবং আন্ডারলাইন, এগুলো সরকারি নিয়মভঙ্গ। এভাবে পড়ানোর কথাই নয়। লার্নিং ইংলিশ অনুযায়ী সিক্সে অক্ষর পরিচয় হবে। তার আগে নয়।

    ফলে স্যানের ইশকুল লার্নিং ইংলিশে ভরসা রাখতে পারেনি দেখাই যাচ্ছে। বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছিল। স্যান নিজেকে লার্নিং ইংলিশের প্রোডাক্ট বলে দাবী করতেই পারেনা।

    দুনম্বর কথাটা আরও ক্রিটিকাল। স্যানের স্কুলের মতো স্কুলে, যেখানে, সবাই যত্ন নিয়ে পড়ান, সেখানেও লার্নিং ইংলিশের উপর ভরসা রাখা গেলনা। তাহলে, গাঁয়ে গঞ্জের যে সমস্ত স্কুলে একেকটা ক্লাসরুমে ৮০-১০০টা করে ছাত্র, সেখানে ভাষা শেখানোর এই "ডায়রেক্ট' মেথড কতোটা ফলপ্রসূ হতে পারে, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আপ্রাণ প্রচেষ্টা সত্বেও, সেটা ভেবে দেখেছো কি? সেটা কি আদৌ ফিসিবল?

    ** এমনিতে ভাষা শেখানোর ডায়রেক্ট মেথড নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। আপত্তি তো নেইই, বরং আমি ওটাই যথাযথ পদ্ধতি বলে মনে করি। অবশ্যই, যদি উপযুক্ত পরিকাঠামো থাকে। নইলে নয়।
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১১:৩২402419
  • ইস্কুলবাড়ি, বেঞ্চ, স্কুলের ছাদ, বোর্ড, বই, লাইব্রেরী, মিডডে মিল - এসবের সাথে শিক্ষক/শিক্ষিকাপিছু ২০/২২ জন ছাত্র। যদ্দিন না হচ্ছে তদ্দিন ব্যথা চলবেই। কজন আর স্কুলে পড়ায়? আমি এখন চাইলেও পড়াতে পারবো না (কারণ যোগ্যতা নেই), আর চাইবোও না - ক্রুড রিয়েলিটি।

    অন্য দেশে দেখেছি অনেকের মধ্যে স্কুলে পড়ানো একটা বিরাট প্যাশন। চাইল্ড কেয়ারও। আমাদের কজন এগুলোকে কেরিয়ার হিসেবে নিতে পারবে?
  • san | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১১:৫৩402420
  • ১) আধা-সরকারি স্কুলে, ওগুলো 'নিয়মভঙ্গ' নয়।সরকারি হলে হত।

    ২) ঈশান কি বলতে চাইছে, আমরা ফাইভের মধ্যেই ইংরিজি গ্রামারটামার শিখে গেছি ? অক্ষরপরিচয় আর শব্দ শেখানো মানে কি ইংরিজি শেখানো নাকি ? গ্রামার সিক্স থেকেই শিখিয়েছে (যারা ফাইভে ভর্তি হত তারা যাতে পিক-আপ করতে পারে), এবং লার্নিং ইংলিশ ছাড়া অন্য কোন টেক্‌স্‌টবুক পড়ায়নি এটাও তো ফ্যাক্ট। তো জাস্ট এক-দুবছর আগে ইংরিজি অ্যালফাবেট শেখা এমন কিছু বিগ ডিল নয়। যারা সর্বনাশ বলে চেল্লায় তারাও সত্যি সত্যি সিক্সে এবিসিডি শিখেছে নাকি সক্কলে ? বাড়িতে যে-ই সিক্সের আগে এবিসিডি শিখেছে তারাও তার মানে 'লার্নিং ইংলিশের প্রোডাক্ট' নয়, তাইতো ? যে স্কুলেই পড়ুক, যেমনই পড়ানো হোক, তাইতো ?

    ৩) গাঁয়ে গঞ্জের পরিকাঠামো নিয়ে কেউ তোমার সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করছে বলে শুনিনি।অরিজিতও না। তর্কটা মূলত: শুরু হয়েছিল, যতজনে লার্নিং ইংলিশ আমাদের সর্বনাশ করে দিয়েছে বলে চিৎকার করে - তাদের অনেকের ক্ষেত্রেই মাবাবার/স্কুলের দোষ। যেমন আমি যা পরিকাঠামো পেয়েছি, অর্থাৎ লাইব্রেরি বা খবরের কাগজ বা টিভি, কোলকাতার সব্বাই পায় এবং মফস্বলেও খানিক খানিক। সেক্ষেত্রে সদিচ্ছার অভাব ছিল সেটাই বলা হয়েছে।

    ৪) একদম গ্রামে গঞ্জে, লার্নিং ইংলিশ বলে আলাদা করে লোকে চেঁচামেচি করেনা, কারণ যা পরিকাঠামোর অবস্থা তাতে যেকোন রকমের লেখাপড়াই চাপ। সেখানে যে তিনটে গ্রামার বই পড়লেই লোকের অবস্থা ড্রাস্টিকালি পাল্টে যেত এমন এমনিতেও নয়।
  • Ishan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:১৩402421
  • ১। "আধা সরকারি' স্কুলে ক্লাস সিক্সের আগে অক্ষর পরিচয় নিয়মভঙ্গ। কারণ সেখানে সরকারি সিলেবাসই পড়ানো হয়।
    ২। অক্ষর আর শব্দ শেখানো খুব "বিগ ডিল' না হলে ক্লাস সিক্সেই কেন শুরু করা হয়নি বুঝলাম না। ও তো তিন দিনেই শিখে যাওয়া যায়।
    ৩। যারা সর্বনাশ বলে চিল্লাচ্ছে, তারা বাড়ির সাপোর্ট সিস্টেম পেয়েছে, অনেকেই লিখেছে। কথাটা হচ্ছে, ইশকুল বা বাড়ির অতিরিক্ত সাপোর্ট সিস্টেম না থাকলে, এই পরিকাঠামোয় স্রেফ সরকারি সিলেবাস "যথাযথভাবে' অনুসরণ করেই ইংরিজিটা শিখে ফেলা যায় কিনা, সেই নিয়ে। সেখানে কনসে®¾ট্রট করা হোক।
  • rii | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:১৭402422
  • না: জমেছে ঝগড়াটা থুড়ি তক্কোটা!
  • Blank | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:২৩402423
  • মামু বেশ কায়দা করে সাপোর্ট কথাটার আগে একটা ছোট্ট করে 'অতিরিক্ত' ঢুকিয়ে দিয়েছে
  • shrabani | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:২৭402424
  • যারা পুরোনো সিস্টেমে পড়েছে তারা যা লিখেছে তাতেও কিন্তু সেটাই প্রমাণ হয় যে আগের সিস্টেমেও বাড়ির বা অন্য সাপোর্ট সিস্টেম ছাড়া বাংলা মিডিয়ামে কেউ ঠিকমত ইংরেজী শিখতনা, বিশেষ করে গ্রামেগঞ্জে।

    আলোচনাটা সরকারী শিক্ষায় যে পরিকাঠামোর অভাব সেটা নিয়ে হলেই বেশী যথাযথ হত, একটা বিচ্ছিন্ন পলিসী নিয়ে নয়।
    আর যদি শুধু এই ইংরেজী নিয়ে কথা হয় তা হলে বলা যায়, ঠিকমত ব্যবস্থা, ইনফ্রাস্ট্রাকচার থাকলে সিক্স থেকে ইংরেজী শেখালেও ঠিকই শেখা যেত।
  • pi | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৩৯402425
  • এখানে এত মাত্রায় তর্ক হয়ে চলেছে, বলার থাকলেও কোনো এক খেই ধরে পাল্টা তর্ক করা মুশকিল। তাই কদিন ধরে পড়তে পড়তে যেগুলোতে খটকা লেগেছে একটু একটু করে লিখছি, হয়তো একটু অগোছালো ভাবেই।

    প্রথমেই স্যানের শেষ পোস্ট টা নিয়ে:

    আমাদের স্কুলের ইংরাজী পড়ানোকে তো কোনোমতেই লার্নিং ইংলিশ ভিত্তিক শিক্ষা বলা চলে না। ( আমি জানিনা, আমাদের বেরোনোর দু-তিনবছরের মধ্যে যদি না কোনো ড্রাস্টিক পরিবর্তন ঘটে থাকে ! )

    আমাদের স্কুল তো ঘোষিত ভাবেই এই ষষ্ঠ শ্রেনী থেকে ও শুধু লার্নিং ইংলিশ নির্ভর শেখনোর ঘোরতর বিরোধী ছিলো।
    এমনকি এজন্য বেশ কিছু অনুদানের ব্যাপারে বোর্ডের কোপেও পড়েছিলো স্কুল।
    এটা তো রীতিমতন আলোচনার বিষয় ছিলো তখন।
    আর, আমার বহু বন্ধুদের অভিভাবকদের জানি, স্কুলের এই ইংরাজী শিক্ষার নীতির জন্যই এই স্কুলের পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা।

    প্রথমত:, ক্লাস সিক্সের আগে আমাদের কেবল অক্ষর পরিচয় আর দুএকটা শব্দ শেখানো হয়েছে এটা একটা বিশাল আন্ডারস্টেটমেণ্ট।
    প্রাইমারীর ইংরাজী টেক্‌স্‌ট বইগুলোতে রীতিমতন বড়সড় প্যারাগ্রাফওআলা চ্যাপটার থাকতো আর তার সাথে থাকতো ছোটো ছোটো গল্পের বই আর সচিত্র রাইমসের বই ও।
    আর ছোটো ছোটো শব্দ ! ক্লাস থ্রী-ফোরের সের ওয়ার্ডবুক এর ওয়ার্ডের নমুনা আর ভল্যুম মনে পড়লে এখনো কান্না পায় মাইরি !
    বস্তুত:, ঐ বইখানি আমার বড় হয়েও বহুদিন অব্দি bengali-english র বিকল্প হিসেবে ভালো কাজ দিয়েছে ! :)

    ক্লাস সিক্স-সেভেনের লার্নিং ইংলিশের বইএর থেকে ঢের শক্ত ছিলো আমাদের ক্লাস ফোর-ফাইভের টেক্‌স্‌ট বই।
    সিক্সে উঠে আমাদের তো নতুন কিছুই শেখার ছিলো না ঐ বই থেকে, ... ঐ বইএর বাইরেও শেখা যায়, এই নতুন টেকনিকটির সাথে পরিচয় হওয়া ছাড়া।

    দ্বিতীয়ত:,
    আমাদের তো বরাবর ই অন্য বই ও পড়ানো হয়েছে। এখনি মনে পড়ে গেলো, ডেভিড কপারফিল্ড ছিলো সিক্স কি সেভেনে।

    ( আমার স্মতি যে নেহাত বিশ্বাসঘাতকতা করছেনা, একাধিক ক্লাসমেটের থেকেও তা কনফার্ম করে নিয়েছি কিন্তু :))

    আর এসব কি বলছি ... আমাদের তো ক্লাস থ্রী তে অ্যাডমিশাম নিতেই রীতিমতন ইংরাজী পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো ম্যানডেটরি না হলেও, এটা অ্যাডভানটেজ হিসেবে গণ্য হত
    , যেখানে আমার আজো মনে আছে, ছোটো ছোটো বাক্য দিয়েও প্রশ্ন ছিলো।
  • san | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৪০402426
  • পরিকাঠামো বিহীন জায়গায়, বাড়ির বা অতিরিক্ত সাপোর্ট সিস্টেম না থাকলে, পৃথিবীর কোনরকম সিলেবাস অনুসরণ করেই বিদেশী ভাষা শেখানো সম্ভব নয়। এর সঙ্গে লার্নিং ইংলিশের অ্যাজ সাচ কোন সম্পর্ক নেই।ফলে লার্নিং ইংলিশ ভাল কি খারাপ এই প্রসঙ্গে তাদের কথা আমি আনিনি।

    আর আমি পরিষ্কার লিখেছি যাদের পরিকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ ছিল তারাও দিব্যি স্কেপগোট হিসেবে ওটাকে ইউজ করে নিজেদের চেষ্টার অভাবকে ঢাকতে। মোটামুটি এই সেকশনকে নিয়ে আমরা কথা বলছিলাম।বাবামা লেখাপড়া জানেন না, বা দূরদূরান্তে ইংরিজি বই পাওয়া যায়না, এই সেকশনকে নিয়ে লার্নিং ইংলিশ প্রসঙ্গে এখনো কোন কথাই বলিনি। তুমি তাদের নিয়ে ডিসকাস করতে চাও মানেই গুরুর সক্কলকে সেই সেকশনে 'কনসেনট্রেট' করতে হবে এমন ভাবার কোন কারণ দেখিনা।
  • san | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৪৬402427
  • আমিও তো বন্ধু আর মাবাবার থেকে কনফার্ম করলাম !!! থ্রি-ফোরে তো আমরা ওয়ার্ড বুক টুক পড়িনি ! আর ডেভিড কপারফিল্ড আজ অব্দিও পড়িনি। আর লার্নিং ইংলিশ ছাড়া সিক্স থেকে কোন টেক্সট বইই পড়িনি। আর অ্যাডমিশন টেস্টে আমাদের ইংরিজির ই ও জিগ্গেস করেনি কেউ। বাংলা বানান আর যোগ বিয়োগ। আর 'বিবেকানন্দ সম্পর্কে কি জানো'।
  • san | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৪৭402429
  • হ্যাঁ অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড থেকে রিডিং পড়ানো শুরু হয়েছিল, তিনটে ক্লাস হবার পরে বন্ধ হয়ে যায়। সিক্স না সেভেনে।
  • Arpan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৫১402430
  • একটা ছোট্ট কথা বলতে ফিরে এলাম। লার্নিং ইংলিশ শুধু একটা নতুন সিলেবাস বা কারিকুলাম মেথড নয়। এইটা একটা সার্বিক পলিসি। যাতে প্রাথমিকে ইংরেজি নামক বিজাতীয় ভাষার সাথে সাথে সামান্য পরিচয়ও (অক্ষরজ্ঞান বা সরল বাক্যগঠন শেখানো) জল অচলের মত অচ্ছুত করে রাখা হয়েছে। আর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মাঝে যে গ্যাপ, তার র‌্যাশনালটা কী ছিল সেটাও জানার ইচ্ছে রইল।

    আমার, ব্যক্তিগত ভাবে, মূল আপত্তি এই দুটি বিষয় নিয়েই। নইলে ডাইরেক্ট মেথড ইত্যাদি নিয়ে তেমন কোন আপত্তি নেই। আগেও লিখেছি সেটা।

    আমার এটাও মনে হয়, যারা সর্বনাশ হয়ে গেল চিৎকার করেন, নিজেদের উদসীনতা বা মর্ষকামিতার কারণে, ওই দুটো পয়েন্ট মাথায় রেখেই করেন।

    এর সাথে নতুন ব্যবস্থা চালুর সাথে ড্রপ আউটের সংখ্যা কত হ্রাস পেয়েছিল/পেয়েছে সেটাও জানার ইচ্ছে হল। একটু অব্জেক্টিভ তর্ক করা যায় তাহলে।
  • shrabani | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৫৬402431
  • স্যান কি আমাকে বললে?
  • san | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৫৭402432
  • ঈশানকে।
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৩:১০402433
  • গ্যাপটার কোন র‌্যাশনাল মনে হয় নেই। কারণ লার্নিং ইংলিশ (বই বা পদ্ধতি) উমা-তে আনা হয়নি তো!!! আর গ্যাপটা শুধু ইংরিজী বলে নয় - মোটামুটি সব দিক থেকেই মাধ্যমিক আর উচ্চমাধ্যমিকে বিশাল গ্যাপ রয়েছে - আর এটা ওয়েল অ্যাকনলেজড ফ্যাক্ট। এর পিছনে যুক্তি যেটা দেওয়া হয় সেটা হল যত বেশি সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীকে মাধ্যমিক পার করানো ছিলো লক্ষ্য। যাতে একটা বড় অংশ চাইলে পলি বা অন্যান্য ভোকেশনাল কোর্সে ঢুকতে পারে। যেমন GCSE থেকে এই ধরণের কোর্সে যাওয়া যায় আর কি। সেটা কতটা ঠিক, কতটা ভুল - তা আমার জানা নেই।

    অবশ্য মাধ্যমিক সময়ের সাথে আরো ডাইলুটেড হয়েছে - বিশ বছর আগের কোশ্চেন আর এখনকার কোশ্চেন দেখলে বুঝবে। ৯০-এর দশকের শুরুতে একবার বিরাট হইচই হয়েছিলো কঠিন অংকের প্রশ্ন নিয়ে, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে আসা, অভিভাবকদের ক্ষোভ - সবই হয়েছিলো। কোশ্চেনটা কি ছিলো?

    If sin(A+B) = sinAcosB + cosAsinB, then find the value of sin(75)

    আমি অন্তত: এই কোশ্চেনটার মধ্যে আপত্তির কিছু খুঁজে পাই না। আর এটা স্পষ্ট মনে আছে কারণ ওই বছরের এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর বাবার সাথে আমার তুমুল তর্ক হয়েছিলো এটা নিয়ে।

    ড্রপ আউটের ডেটাও আমার কাছে অন্তত: নেই। যুক্তিগুলো আমি যা শুনেছি, তাই বল্লাম। সাবজেক্টিভলি, সংখ্যাটা কমেছিলো বলে শুনেছি।
  • san | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৩:১৮402434
  • এটা তো একটা মোটে। 'একটা' অংক কঠিন (!!!) লেগেছিল বলে লোকে অজ্ঞান হয়ে গেল ? না বাকিগুলো-ও এরকম 'কঠিন' ছিল?
  • Arpan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৩:৩৩402435
  • মাধ্যমিকের বাংলার সাথে উমার বাংলার তেমন কোন বিশাল তফাৎ নেই। দ্বিতীয় ভাষার বা থাকবে কেন? এইটা তো সেই আধাখ্যাচরা প্ল্যানিং ও অ্যাড-হক ইম্পলিমেন্টেশনের সমস্যা। এখন কোন সিস্টেম ভাল কিন্তু তার রেজাল্টে গলতা থাকলে লোকে দোষ দেবার বেলা সিস্টেমকেও ছেড়ে দেবে না।
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৪:১৩402436
  • এই রকম মনে হয় আর একটা দুটো ছিলো, মনে নেই। এটা পাট্টিকুলারলি মনে আছে কারণ ওই তর্কটা:-)
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৪:১৫402437
  • তফাত নেই কি গো? উমা-তে আরণ্যকের সাথে তোমাকে থোরো-র জার্নালের তুলনা টানতে হবে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস পড়তে হবে। বিদ্যাপতির সাথে কন্টেম্পোরারি বাংলার কম্প্যারেটিভ স্টাডি করতে হবে। গুণগতভাবে বেশ তফাত:-)
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৪:১৯402438
  • আসলে আমাদের গোটা টিচিং সিস্টেমটা নিয়েই অনেক প্রশ্ন তোলা যায়। এই সাইন এ প্লাস বি প্রশ্নটা যেমন। হয়তো বেশি সংখ্যক স্কুলে sin(30), sin(45)-এর ভ্যালু শেখানো হয় - কিন্তু সেটা মুখস্থ করানো নয়। ৭৫ কে যে ভেঙে ৩০ আর ৪৫ করা যায়, সেই ভাবনাটাই মাথায় আসে না - কারণ অংক মুখস্থ করাটা একটা ট্র্যাডিশন হয়ে গেছে।
  • r | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৪:২৫402440
  • আমার মতেও বাংলায় খুব একটা তফাৎ ছিল না। ইংরিজিতে বিশাল তফাৎ ছিল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন