এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • কমিউনিস্ট রাশিয়া তে একচুয়ালি কী হত ?

    একক
    অন্যান্য | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ৩৩৬৬৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:৪৬627309
  • শিক্ষার প্রচার ও প্রসার যে অভাবনীয় তাতে তো কোনো রকম সন্দেহ নেই। আবার সমাজতন্ত্রের প্রোপাগ্যান্ডাও ছিলো- সঙ্গত প্রয়োজনেই।

    ছাত্র রাজনীতি বলতে যেটা বোঝায় সেটা কেমন ছিলো বলছি। বলতে গেলে স্কুল জীবন থেকেই তাকে কমিউনিস্ট ভাবাদর্শে শিক্ষিত করে তোলা শুরু হত। (তাকে=ছাত্রকে)।
    উচ্চশিক্ষার সময়ে সে তখন কম্‌সামোলের সদস্য। কম্‌সামোল হচ্ছে তরুণদের অর্গ্যানাইজেশন। এরা সব ভবিষ্যৎ কমিউনিস্ট। মাসে এক পয়সা করে চাঁদা দেয়। (এক পয়সা মাসে? নাকি বছরে ১৩ পয়সা মনে পড়ছে না)।
    এছাড়া কোনো দায় দায়িত্ব নেই। প্রত্যেকেই কম্‌সামোল। কম্‌সামোল হতেই হবে। ঠিক তা ও নয়, মানে কম্‌সামোল নয় অথচ উচ্চশিক্ষা করছে এমন একজনও নেই। কেন নেই? এর উত্তর কেউ জানে না।
    একজন যদি ঠিক করে যে সে কম্‌সামোল হবে না? তখন কী হবে? কী হতে পারে? কেউ জানে?
    এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে - আরে! কম্‌সামোল হবে না কেন? কম্‌সামোল হওয়া তো ভালো।
    - কিন্তু কম্‌সামোল হয়ে একটা ছাত্র কী করে?
    - কেন? চাঁদা দেয় যে মাস মাস!
    - বেশ, কিন্তু একজন যদি ঠিক করে যে সে কম্‌সামোল হবে না?
    - কেন হবে না?
    - এমনি। তার খুশি, তার চয়েস।
    - বাঃ কম্‌সামোল হওয়া তো ভালো। কেন হবে না? নিশ্চয় কম্‌সামোল হবে।

    যা বোঝা যায়, কমসামোল হওয়া ছাড়া অন্য কোনো চয়েস নেই।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:০০627310
  • একটা কথা বলি এখানেই। সেই সোভিয়েত দেশ, সোভিয়েত ইউনিয়ন, সোভিয়েত নারী, ইঃ পত্রিকাগুলো খুবই সুন্দর এবং ভালো। কিন্তু সেগুলো শুধু বেছে বেছে তুলে নেওয়া কিছু বিশেষ তথ্যের সম্ভার। ঐ পত্রিকাগুলোতে আসল সোভিয়েত ইউনিয়ন এর সমস্ত খবরের হদিশ মিলবে না। কেবল ভালো ভালো খবর কোনো দেশের হতে পারে না। সবার মুখে হাসি কোনো দেশে থাকে না। শুধু বেছে বেছে হাসি মুখের ছবি, শুধু নাচ, গান, লোকনৃত্য, নভোচারীর ইন্টারভিউ একটা দেশের সামগ্রিক ছবি হতে পারে না।

    গান।
    গানের মধ্যে ভক্তিমূলক পুজা পর্যায়ের গান নেই। বিচিত্র পর্যায়ের গানও বাদ। আছে প্রেম, প্রকৃতি, এবং স্বদেশ পর্যায়ের গান।
    গান লিখিয়েদের সতর্ক হয়ে গান লিখতে হয়।

    ছবি।
    আঁকিয়েরা চমৎকার সব আঁকেন। কিন্তু তাঁদের ছবিতে ধরা পড়ে স্টিল লাইফ, প্রকৃতি, পোর্ট্রেইট, ইঃ। জটিল কঠিন সাবজেক্ট বা নাম তাঁরা এড়িয়ে চলেন ছবির। স্বদেশ পর্যায়ের ছবিও আঁকেন।

    ভাস্কর্য।
    প্রতিটা শহরে গ্রামে অন্ততঃ একটি করে লেনিনের মূর্তি গড়া হয়ে গেছে।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:১৭627311
  • তথ্য শুধু নয়, বিদেশীরা যেসব প্রশ্ন করে তার উত্তরও দিয়েছেন। ভালো-ই লাগলো।

    ঐদিনই আরেকটা বই পড়েছিলাম। ৯০ এর দশকে লেখা। তাতে বলছে ঐ সময় নাগাদ একটা চেষ্টা হচ্ছিল প্ল্যান টার্গেটগুলোকে arbitrariness থেকে বের করে আনার। তাতে কিছু অসুবিধে হচ্ছিল। রিলায়েবল ডেটা না থাকার ফলে বোঝা যাচ্ছিল না আরবিট্রারি টারগেটগুলো অপ্টিমাম থেকে কতটা দূরে। 'অপ্টিমামে'র ধারণা সমাজতান্ত্রিক হওয়া সত্বেও।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৪১627312
  • বইয়ের নাম লেখকের নাম ভুলে গেছি। প্রিভিউ হিসেবে পড়েছিলাম। সেই যে পড়লাম আর খুঁজেই পেলাম না।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৪২627313
  • চের্নোবিলের দুর্ঘটনা। বহুচর্চিত বিষয়। সংক্ষেপে ১৯৮৬র শীতের শেষের দিকে নিউক্লীয়ার পাওয়ার প্লান্টের ছাদ উড়ে যায়। সহজ করে বললে বিস্ফোরণের ফলে ছাদটা উড়ে যায়। তারপরে মাধ্যাকর্ষণের জেরে আগের জায়গায় ফিরে এলেও তেরছা হয়ে বসে। ফলে সেই ফাঁক দিয়ে রেডিয়েশন ছড়াতে থাকে। তাও ভালো যে নিউক্লীয়ার পাওয়ার প্লান্টের ভেতরের চাপ, সব সময় অ্যাটমস্‌ফীয়ারিক চাপের চেয়ে বেশ কম রাখা হয়, নাহলে রেডিয়েশন অনেক বেশি মাত্রায় ছড়াতো।
    কিন্তু কেন এমন বিস্ফোরণ হয়েছিলো? কিছু জায়গা ঠিকমতো ঠান্ডা রাখা যায় নি বলে। কেননা নিয়মিত যে পর্যবেক্ষণ ও মেরামতের দরকার ছিলো সেটা করা হয় নি।
    এর ফলে প্রচুর প্রাণহানি এবং শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও পরিবেশের অশেষ ক্ষতি হয়।
    খবরটা প্রথবে চেপে দেবার চেষ্টা হয়। এদিকে পশ্চিম ইউরোপ অবধি সেই সময়টা দিনের বেলাতেই সন্ধের মতো অন্ধকার ঘনিয়ে আসে, যেন আকাশ কালো করে মেঘ করেছে, সূর্য দেখাই যাচ্ছে না। পশ্চিম ইউরোপেই প্রথম ধরা পড়ে যে মূল কারণ তেজষ্ক্রিয় বিকিরণ। তারা চাপ দিতে তখন সোভিয়েত দেশ স্বীকার করে চের্নোবিলের দুর্ঘটনা। তারও পরে খবর পায় দেশের ভেতরের মানুষ। তা ও ঘটনার ম্যাগ্নিচিউড্‌ তাদের কাছে অনেক রেখে ঢেকে কমিয়ে প্রকাশ করা হয়। আসল ডিটেল ১৯৯৩-৯৪ নাগাদ ডিটেলে জানতে পারে জনগন। ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২৩:০৮627314
  • ব্যবসা সংক্রান্ত। সবাই তো বাঁধা মাইনের চাকুরে হতে চায় না। কোনো কোনো মানুষের তো স্বতঃস্ফুর্ত ইচ্ছে থাকতে পারে তার নিজস্ব স্বাধীন একটা ব্যবসা গড়ে তোলার। সে ব্যবসা ছোটো হতে পারে বা বড়োসড়ো কিছু। গোড়াতেই সেই ইচ্ছের গুড়ে বালি। ব্যবসা নামক প্রোফেশনটাই বাদ।
    অনেকে ছিলো যারা একই চাকরিতে বছরের পর বছর কাজ করতে করতে বিরক্ত হয়ে গেছে। হয়ত পদোন্নতি হয়েছে, হয়ত চাকরি বদলেছে কেউ কেউ; তবু স্যাটিস্‌ফায়েড্‌ হয় নি। তার ভেতরের সত্ত্বা হয়ত চাইছে নতুন কিছু করে দেখাতে যেটা চাকরির বাঁধা ফ্রেমে করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
    তারপরে ব্যবসায়ে লাভ-লোস্কান আছে, চ্যালেঞ্জ আছে- এগুলো চাকরিতে নেই। তখন এই লোকগুলো হয় ফ্রাস্ট্রেশনে ভুগত নয় লুকিয়ে চুরিয়ে ব্যবসা করবার চেষ্টা করত।
    যে ভাবে লুকিয়ে চুরিয়ে ব্যবসা করতে চাইত তা অত্যন্ত হাস্যকর বা অনেকাংশে অনৈতিক। এরকম প্রচুর উদাহরণ দেওয়া যায়। অনেকেরই পরিণতি ভালো হয় নি। লুকোনো চুরোনো ব্যবসার খবর পেয়ে গেছে রাষ্ট্র - ফলত শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে। এটা একদিকে যেমন অপরাধের শাস্তি দেওয়া, অন্যদিকে আর পাঁচজনকে সতর্ক করে দেওয়াও।
    অথচ বেশ কিছু রাঘব বোয়াল গড়ে তুলেছিলো গোপন জমিদারি। এমনকি তারা সন্ত্রাস তৈরী করতেও ছাড়ে নি। কোনোকিছুই ওপর মহলের অজানা ছিলো না। হয়ত তাদের গোপন জমিদারির খবর জনসাধারণ কোনো দিন পেতও না। কিন্তু ওপর মহলের সঙ্গে স্বার্থের সংঘাতের কারণে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এইধরনের মাফিয়া জমিদারদের কীর্তিকলাপ "ফাঁস" হয়ে যায়। সকলের নয়। বাকিরা বহাল তবিয়তে তাদের সাম্রাজ্য চালাতে থাকে। এসব না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২৩:১৩627315
  • বহুবিবাহ এবং একাধিক বিবাহবহির্ভূত সঙ্গিনী, প্রাসাদের মতো বাসস্থান। সবরকম ভোগের সামগ্রী। নিজস্ব পুলিশবাহিনী। অস্ত্র গোলাবারুদ। মাইনে করে রাখা পেশাদার খুনে। প্রাইভেট জেলখানা। মাটির নীচে বিশাল কন্‌স্ট্রাক্‌শন এমনকি সুড়ঙ্গপথ।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২৩:৩৫627316
  • 9.17 ঐ সময়ে বলতে ১৯৬০। একটা আপহীভাল হচ্ছিল। In 1964, physicist Andrei Sakharov spoke out against Lysenko in the General Assembly of the Academy of Sciences:He is responsible for the shameful backwardness of Soviet biology and of genetics in particular, for the dissemination of pseudo-scientific views, for adventurism, for the degradation of learning, and for the defamation, firing, arrest, even death, of many genuine scientists.
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২৩:৪১627317
  • A devastating critique of Lysenko was made public.[citation needed] As a result, Lysenko was immediately disgraced in the Soviet Union. Although his work continued to have impact in China for many years after.
  • সে | 203.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০০:২১627320
  • সাখারভ কে শাস্তি পেতে হয়েছিলো।
    দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। যা বাকীদের নীরব করে দেয়।
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০১:০৪627321
  • পিটি।
    ১ আর ৩ এর উত্তর ঠিক্কাছে।
    কিন্তু ২ এর উত্তর দাও নাই। জারের রাশিয়া না থাকলে কি আমরা ফ্রেঞ্চে তর্ক করতাম?

    সে। বিশ্লেষনগুলো খুব ভালো লাগছে। এর আগে সোভিয়েৎএ থাকা/ঘুরে আসা মানুষজনের কাছে শুনেছি ওখানকার কথা, তবে তা সোভিয়েৎ দেশের কথ্য সংষ্করণ। সুভাষ মুখার্জি, দেবপ্রসাদব রায়চৌধুরী, ননী ভৌমিক এদের কাছে।
    আমার প্রশ্ন একটাই, কিছুটা জবাব আপনি দিয়েছেন Date:16 Feb 2014 -- 11:08 PM পোস্টে। কিন্তু একটু বিস্তারিত জানতে চাই।
    যে দেশে সকলেই চাকরী করতো, সে দেশে - "রাতারাতি প্রাইভেট সম্পত্তি তৈরী হচ্ছে। খনি, জঙ্গলের ইজারা, পেট্রোলিয়াম শোধনাগার, হাসপাতাল, হোটেল/রেস্টুরেন্ট, এয়ারলাইন্স, বড়ো বড়ো কারখানা।"
    কোংকোয়ে?
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০১:৫৭627323
  • কেমন মনে হচ্ছে সোভিয়েত শিক্ষাব্যব্স্থা নিয়ে একটু একবগ্গা আলোচনা হচ্ছে।
    যতদূর মনে আছে প্রথম সোভিয়েত সরকারের সময় থেকেই স্কুল শিক্ষার ব্যাপ্তিকরণের দিকে খুব জোর দেওয়া হয়েছিল। অনেক এক্সপেরিমেন্ট হয়। এমনকি রাস্তার ভবঘুরে বাচ্চাগুলোকেও কি করে ধরে বুঝিয়ে আস্তে আস্তে শিক্ষার মধ্য দিয়ে উৎপাদক কাজের মধ্যে আনা যায় তা নিয়ে বিশেষ প্রয়োগ হয়। সেগুলোর সাফল্য, সাময়িক ব্যর্থতা ও সংশোধন নিয়ে বেশ কিছু বই আছে, ভালো ডকুমেন্টেড। আমার এই মুহুর্তে মনে পড়ছে-- 'রোড টু লাইফ', তিন খন্ডে।
    স্কুলে পরীক্ষায় শুধু গ্রেড হত। ১ থেকে ৫। আমাদের মত করে ফার্স্ট, সেকেন্ড নয়।( দ্রষ্টব্যঃ নোসভের 'ভিটিয়ার কান্ড', কস্মোদিয়ানস্কায়ার 'জয়া-শুরার কথা' আর রীবাকভের 'ছোরা;।)
    কলেজের ক্লাসে প্রফেসররা বাঁধা নোট্স লিখিয়ে মুখস্ত করিয়ে দায় সারতেন না। বরং সবাইকে মূল বই পড়ে আসতে বলে ক্লাসে ডিবেট করাতেন। নিজে মডারেটরের কাজ করতেন।
    [উৎসঃ ১৯৬৯ এ লুমুম্বা ইউনিভার্সিটিতে পাঠরতা কল্পনা লাজমীর চিঠিতে ( ইনিই কি পরে বেশ কিছু স্মরণীয় ফিলিম বানিয়ে ছিলেন?) জেনেছিলাম তুর্গেনিভের উপন্যাস ' ফাদার্স এন্ড সন্স্‌' টেক্স্ট ছিল। ক্লাসে কেউ কেন্দ্রীয় চরিত্র বাজারভের নিহিলিস্ট দর্শনের সমালোচনা করল। কেউবা উপন্যাসের গঠনশৈলীর।]
    হ্যাঁ, সোভিয়ের ভাষার দাদাগিরি, তো ছিলই। যেমন আমাদের ইংরেজি ও হিন্দি।
    গ্রেট রাশিয়ান জাতির উক্রেইনীয় দের খোখোল বলে গাল দেওয়া ( আমাদের মেড়ো-খোট্টা!), এশিয়াটিক রাশিয়ার ওপর খোদকারি এড়ানো যায় নি।
    লেনিন বেঁচে থাকতেই বিক্ষোভ দমনের নামে স্তালিন ও ফেলিক্স জেরঝিনস্কি এশিয়াটিক রাশিয়ায় ( সম্ভবতঃ জর্জিয়ায় ও আজারবাইজানে, এখন হাতের কাছে বই নেই) গিয়ে ডান্ডা চালিয়েছিলেন। লেনিন কঠোর তিরস্কার করে ওঁদের সংযত হতে বলেন আর বলেন যে ওই দু'জন রাশিয়ার জাতিসমস্যা একেবারে বুঝতে পারেন নি। ওঁদের পদ্ধতিটিও ভুল।, ইত্যাদি।

    সে,
    সম্ভবতঃ স্কুল লেভেলে ছিল 'ইয়ং পাইওনিয়র', খানিকটা ইউরোপের কাব-স্কাউটদের মত। আর সেকন্ডারি স্কুল পাশ হওয়ার মুখে হতে হত কমসমোল।
    ভুল বললে শুধরে দেবেন।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:১১627324
  • ইকনমিক্সের দুটো বই আমার কাছে ছিল। আর এই মোটা ডিফারেন্শিয়াল ও ইন্টিগ্রাল ক্যালকুলাসের।
    মাত্র ছ'মাস আগে ওজন দরে বেচে দিলাম। এই বয়সে আর কাজে লাগবে না ভেবে; আপশোস! আপশোস!
    ইকনমিক্সের বই দুটির কথা বলি।
    প্রথম বইটায় চমত্কার যুক্তি দিয়ে নিও-ক্লাসিক্যাল, কেইন্সিয়ান ও গ্রোথ মডেলগুলোর সমালোচনা আছে এবং সোভিয়েত এর স্টেট প্ল্যানিং মডেলের গুণগান আছে। আমার ভাল লেগেছিল ইউলার থিওরেম ( পার্শিয়াল ডিফারেন্সিয়েশন) দিয়ে যেভাবে নিওক্লাসিকালের দল মার্জিনাল প্রোডাক্টের ভিত্তিতে শ্রমিককে মজুরি দিলে তা নায্য বলে দাবি করেন তার অন্তঃসারশূন্যতা দেখানো।
    দ্বিতীয় বইটিতে প্ল্যানিং এ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যাট্রিক্স ও ইনপুট-আউটপুট অ্যানালিসিসের প্রয়োগ নিয়ে বেশ কিছু, আমার পক্ষে একটু কঠিন, লেখাগুলো ছিল। আর হাতে ছিল একতি গেম থিওরি ও তার প্রয়োগ নিয়ে একটি পাৎলা কিন্তু ভাল বই। বইগুলোর মান বেশ ভাল বলেই আমার মনে হয়েছিল।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:২৮627325
  • 30 December 1922 -- Lenin criticized the actions of Felix Dzerzhinsky, Grigoriy Ordzhonikidze, and Stalin in the Georgian Affair, accusing them of "Great Russian chauvinism".

    "I think that a fatal role was played here by hurry and the administrative impetuousness of Stalin and also his infatuation with the renowned "social-nationalism". Infatuation in politics generally and usually plays the worst role."
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৩৩627326
  • থ্যাংকু ম্যামি, থ্যাংকু! এটাই।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:৩৮627327
  • স্টেট প্ল্যানিং 'মডেলের' গুণগান করতে কোনোই অসুবিধে নেই রঞ্জন। প্রশ্ন হল, ১৯৩৯ সালের পার্টি কংগ্রেসে পার ক্যাপিটা জিডিপি ক্যাপিটালিস্ট দেশগুলোর সমান করার অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিল কোন যুক্তিতে?
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৩:০২627328
  • এখানে সবাই সোভিয়েট শিক্ষাব্যব্স্থার প্রশংসাই করছে। নিন্দে কেউ করে নি। সরকারের পেটোয়া কিছু লোক তালিবালি করেছে, যেমন লাইসেংকো, সেটা ভালো হয়নি।
  • Atoz | 161.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৪:০৭627329
  • সে, প্লীজ সাখারভের ব্যাপারটা একটু ডিটেলে লিখবেন? ঠিক কী হয়েছিল?
  • PT | 213.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৯:২৪627331
  • কল্লোলদা
    জারের রাশিয়া আমি লিখিনি। লিখেছিলাম "USSR না থাকলে এই তক্কটা বোধহয় জার্মান ভাষায় লিখে লিখে করতাম" ("Date:16 Feb 2014 -- 08:58 AM)। ব্রিটেন ফ্রান্স আনন্দে ছিল যে হিটলার বোধহয় তাদের কিছু বলবে না। স্ট্যালিনকে খাঁচায় পুরে দেশে ফিরে যাবে। USSR না আটকালে এ দুটো দেশকে দুরমুশ করে দিতে হিটলারের দেড় দিনও লাগত না। তখন আমরাও ইংরিজি থেকে জার্মানে আশ্রয় নিতাম।

    তোমাকে আর ইতিহাস কি জানাব। যারা "প্রতিবেশীদের কিল" মারার গল্প বলে তারা স্বচ্ছন্দে ভুলে যায় যে বৃটেন আর ফ্রান্স কিভাবে ১৯৩৮-এ চেকোশ্লোভাকিয়াকে কি লজ্জাজনক ভাবে হিটলারের হাঁড়িকাঠে জবাই করে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। এসব না ঘটলে হয়্ত অন্য কোন USSR-এর চেহারা দেখাত ইতিহাস।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৯:৫৩627332
  • পিটি।
    জারের রাশিয়া তো তুমি লেখনি, আমি লিখেছি।
    USSR না থাকলে যদি আজ আমাদের জর্মনে তক্কো করতে হতো তবে জারের রাশিয়া না থাকলে আমাদের আজ ফ্রেঞ্চে তর্ক করতে হতো কি? এটার উত্তর চেয়েছি।
    বা
    ওয়েলিংটন সায়েব আর বৃটেন না থাকলে কি আমরা ফ্রেঞ্চেই মিনিময় করতাম?

    তোমার মত জানতে চেয়েছি।
  • sosen | 111.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১০:০৩627333
  • তর্কবিতর্ক টা এই টইতেই চললে লেখার কনটিনিউ টি হারিয়ে যাচ্ছে, ও আমার মত যারা এই চোখে দেখা পারসেপশন "শুধু পড়তে" চাইছেন তাদের অসুবিধে হচ্ছে। ম্যাটারের উপর আলোচনা চলুক না।
    সে যদি প্রতি পোস্টের আগে একটি ******************* এরকম লাইন টেনে দেন তা হলে ধরতাই রেখে পড়তে সুবিধে হয়। আগ্রহ নিয়ে পড়ছি।
  • নী-পা | 113.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১০:২৬627334
  • .

    sosen -এর সাথে একমত।
  • PT | 213.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১১:২৯627335
  • আচ্ছা ১৯৩৮-এ ইউরোপের অন্যান্য শক্তিধর দেশগুলোর পাশার দানের উল্লেখ না করে শুধু USSR-এর বিদেশ নীতি (কে যেন লিখলেন "সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ"-এর কথাও আসবে) নিয়ে কোন পারসেপশন দেওয়া সম্ভব?
  • একক | 24.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১২:০৫627336
  • না সম্ভব নয়। সেই কারণেই এই toi টা পারসেপশনের নয়, ক্রুড ডেটার। দেখুন, এত বড় একটা বিষয়। একেকটা শাখা ধরে এগোলেই পারসেপশন ক্লীঅর করতে সন্ধ্যে হয়ে যাবে। তার জন্যে তো আলাদা আলাদা toi দরকার তাই না ? শিক্ষানীতি -স্বাস্থ্যনীতি -বিদেশনীতি সব কিছুর তর্ক একজায়গায় করে লাভ কী। সেইজন্যেই এই toi টা পারসেপশনের না। এখানে থেকেই রেফারেন্স টেনে অন্যত্র আলোচনা হোক। এখানে হলে সব ঘেঁটে লপসী হয়ে যাবে :( আশা করি বুঝলেন। ইনফ্যাক্ট প্রশ্ন ও তর্কের জন্যে আমারও মুখ চুলকাচ্ছে, একটা আলাদা toi খুলুন। নেবে পড়ব। এই toi টা জাস্ট ডকুমেন্টেশন। ইভেন অন্য toi তে যদি তর্কসুত্রে কোনো রেলিভেন্ট ইনফরমেশন আসে সেটা ফিরে এসে এখানে আবার ডকুমেন্ট করে ফেলব। এভাবেচললে সবাই পড়তেও পারবে আবার অন্য তর্কের toi তে গিয়ে পার্টিসিপেট করতে পারবে।
  • PT | 213.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১২:০৯627337
  • সেতো কয়েকটা ছাপানো বই পড়লেই মিটে যায়!
  • Ekak | 24.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১২:৫০627338
  • আরে প্রথমেই তো বলেছি, মুখ্যু সুখ্যু মানুষ কোন কোন বই পড়লে হয়, কোথায় কী ডকুমেন্ট আছে সব জানিনা বলে এই toi টা খোলা :( যাতে যে কোনো সোভিএট্ সংক্রান্ত তর্কে একটা হ্যান্ডি রেফারেন্স থাকে। গুরু ইস্পেশাল। এছাড়া কেও নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতা লিখে রাখতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা কে চালেঞ্জ করতে গেলেও এখান থেকেই পেজ নং দিয়ে অন্য toi তে রেফারেন্স টানতে পারব। আপনি যে পয়েন্ট গুলো তুলছেন সেগুলো সত্যি কাজের, সেই সময় এবং অন্য দেশের নিরিখে সোভিএট্ নীতির কম্পারেটিভ আলোচনা। একটা toi খুলে হোক না সেটা। এটা একেবারেই আমাদের মত ছাত্র দের রেফারেন্স toi।
  • সে | 203.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৩:০৮627339
  • রঞ্জনদা যে নম্বর/গ্রেড সিস্টেমের কথা উল্লেখ করেছেন সেটা ঠিক।
    ইস্কুল/ইন্স্‌টিটিউট/ভোকেশনাল/ইউনি সর্বত্রই ৫ গ্রেড সিস্টেম।
    এই সিস্টেমের ব্যাপারে একটু দুলাইন লিখি। ১ কেউ পায় না, ২ হচ্ছে ফেল, ৩ মানে সন্তোষজনক, ৪ হলো গুড, ৫ একেবারে আলা (এক্সেলেন্ট)। সাড়ে তিন, সাড়ে চার, পৌনে পাঁচ জাতীয় কনসেপ্ট নেই। পরীক্ষা (এক্‌জামেন - экзамен), টেস্ট (জাচোৎ - зачет), লিখিত কাজ (курсовая работа), প্রোজেক্ট (курсовой проект), ক্লাসের পারফর্মেন্স - মোটামুটি এই পাঁচ আঙ্গিক থেকে মূল্যায়ন হতো।
    অনেক বিষয়ের ক্ষেত্রে এক্‌জামেন অবধি পৌঁছবার জন্যে জাচোৎ "পাওয়া" মাস্ট। যতক্ষণ জাচোৎ না পাচ্ছে (মানে জাচোতে পাশ করছে) সেই বিষয়ের পরীক্ষায় বসবার অনুমতি মিলবে না। জাচোৎ সাধারনতঃ পাশ/ফেল গোছের হলেও, কিছু কিছু বিষয়ে জাচোতে নম্বর ও থাকতো। সেগুলো ভারী প্রকৃতির। আবার কোনো কোনো সময়ে কিছু ছাত্রের ক্লাসের পারফর্মেন্সের ওপরে নির্ভর করে তাকে জাচোৎ মকুব করে দেওয়া হতো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরীক্ষাও মকুব হতো - খুব ভালো পারফর্মেন্স থাকলে। এছাড়া ফলিত (অন্য বিষয়েও সময়বিশেষে) বিষয়গুলোতে থাকতো ঐ কুর্সাভাইয়া রাবোতা (курсовая работа) ও কুর্সাভৈ প্রোয়েক্‌ৎ(курсовой проект)। এগুলোতেও নম্বর ও পাশ/ফেল। এগুলো গোটা সেমিস্টার ধরে করতে হতো। ডাক্তারী ছাড়া সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই এগুলো চালু ছিলো। ইতিহাস, সাহিত্য, গণিত, সর্বত্র।
    এই কুর্সাভাইয়া রাবোতা (курсовая работа) ও কুর্সাভৈ প্রোয়েক্‌ৎ(курсовой проект) গুলো শিক্ষকের সামনে বসে "ডিফেন্ড" করতে হতো, এবং সেই অনুযায়ী নম্বর। লেকচারের ক্লাসগুলোয় ছাত্রসংখ্যা পঞ্চাশ-একশ হলেও, সেটা হয়ত গোটা আট-দশ গ্রুপের মিলিত সংখ্যা। মোটামুটি সেমিনার গোছের ক্লাসগুলোয় এক একটা ক্লাসের জনসংখ্যা ৮-১২র মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত। এক একটি ক্লাসের সময়সীমা ১০৫ মিনিট। দুটি ক্লাসের মধ্যে অবস্থা বিশেষে ৫ - ২০ মিনিটের ব্যবধান। আবার ১০৫ মিনিট এর মধ্যে প্রথম ভাগে ৫০ মিনিট তারপরে ৫ মিনিটের বিশ্রাম আবার ৫০ মিনিট।
    পরীক্ষায় সবাইকেই পরীক্ষকের মুখোমুখি হতে হবে। তিনিই লেকচারের ক্লাস নিয়েছেন। সেমিনারের শিক্ষক পরীক্ষা নেবেন না। পরীক্ষা মূলতঃ মৌখিক। প্রত্যেকের প্রশ্নপত্র আলাদা। গোটা ১২ ছাত্রের পরীক্ষা নিতে নিতে ভোর থেকে বিকেল হয়ে যেত। দু তিন জন করে পরীক্ষার ঘরে ঢুকত, নিজের নিজের প্রশ্নপত্র টেনে নিয়ে প্রস্তুতি করত, কাগজে লিখেও প্রস্তুতি সম্ভব, তারপরে শিক্ষকের সামনে বসে সেগুলো বোঝানো এবং অতিরিক্ত প্রশ্নের মুখোমুখি উত্তর দেওয়া।
  • সে | 203.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৩:২৩627340
  • এবারে কেসি "সাইবেরিয়ার" ও পিটি "লেনিনগ্রাদের" অভিজ্ঞতা না লিখলে আর লিখছিনা। এখন দম নেবো।
  • sosen | 24.*.*.* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৩:৩৪627342
  • এখানে যা যা লেখা হচ্ছে, তার কিছুই জানি না(আমি অন্তত)। কথা হলো যাঁরা জানেন তাঁরা তর্কের মেজাজে লিখলে কিছুই বুঝতে পারছি না, এত কম জানি। তাই লে ম্যান ধরে নিয়ে সেভাবে লিখলে, মানে সকলেই, আমরা কিছু জানতে পারি। ছাপা বই পড়ার সুযোগ সব সময় নেই, তাছাড়া ছাপা বই -এর রেফারেন্স দিলেও হয়ত সেটা গিয়ে পড়া হবে না। বরম লিখলে একটু বিশদ জানতে পারব। তর্কের টই অন্য হোক না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন