এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিশুশিক্ষা ও বিদ্যালয় অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত

    rimi
    অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ | ২৩১৪৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Arijit | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:২৭402475
  • ইতিহাস আবার কেউ ছাড়ে নাকি? কি সুন্দর রাজার গপ্পো। শুধু সন-তারিখগুলো বাজে। কুন্দ্রা অ্যাণ্ড কুন্দ্রার বইয়ে কি সুন্দর গপ্পের মতন লেখা ছিলো। আর বাংলায় রমেশচন্দ্র। শালা কুন্দ্রার দুটো বই আর রমেশচন্দ্র - এ যে নিয়ে গেলো, আর ফেরত দেয়নি। ফিজিক্সের হ্যালিডে-রেসনিক আর ফিজিক্সের অংকের জন্যে বিকে গুপ্তা, অরগ্যানিক কেমিস্ট্রির ভাল অ্যাণ্ড ভাল, ভূগোলের গো চেং লিয়ং, ডাডলি স্টাম্প - সব এরকম ভাবে গেছে:-((
  • shyamal | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:৩১402476
  • ক্লাশ নাইনে উঠে হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম কারণ ইতিহাস, ভুগোল আর পড়তে হবেনা। ঐ দুটোতে কোনোক্রমে পাশ করতাম।
    এখন কিন্তু দুটোই বেশ ভাল লাগে পড়তে।
  • pi | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:৪২402477
  • আচ্ছা, লার্নিং ইংলিশ নিয়ে এই চেঁচামেচির খাতা কি হঠাৎ আজ খোলা হল, আর সে শুধু ইংরাজী শিখেই বিপিও, কেপিও ইত্যাদিতে চাকরির আজ বাজার হয়েছে,সে দেখেই, এমনটি কি ?
    আজ থেকে বছর কুড়ি আগে, যখন বাজারে এগুলির চাহিদা প্রেডিক্ট করেননি অভিভাবকেরা, প্রচুর চেঁচামেচি তখনো তোহয়েছিলো। ইন ফ্যাক্ট বলবো, বেশি ই হয়েছিলো। কারণ তখন লোকের সামনে পুরানো সিলেবাসের স্মৃতিও তাজা, তাই কনট্রাস্টটা অনেক বেশি চোখে পড়তো।
    তালে শুধুই চাকরির জন্য শেখা দরকার এমনটি ভেবেই এই নিয়ে অভিযোগ-অনুযোগ, তা নয় নিশ্চয়।

    এটা লিখতে লিখতে আর এখানে বিভিন্নজনের বক্তব্য পড়তে পড়তে মনে হল, ইংরাজী নিয়ে যে সমস্যার কথাটা বলা হচ্ছে, সেটা কিন্তু বহুমাত্রিক।
    আর লার্নিং ইং ইংলিশের সিলেবাসের কনটেন্ট, প্যাটর্ন, কোন বয়সে ইনট্রোডুস করা হবে তার পলিসি, এগুলো ও সব আলাদা আলাদা করে ব্যবচ্ছেদ করার প্রয়োজনীয়তা আছে মনে হয়।

    প্রথম লেভেল হচ্ছে মোটামুটি একটা ইংরাজী জানার ( যাদের কাজ কর্মের সাথে ইংরাজী বলা, লেখার বিশেষ কিছু প্রয়োজন পড়ে না বা ইণ্টারেস্ট ও নেই)।
    সেটুকু না জানার জন্য লার্নিং ইংলিশের সিলেবাস বা পলিসি কে সেভাবে দোষ কি দেওয়া যায়? ঠিকঠাক না পড়ানোকে অবশ্য ই দেওয়া যায়।
    কিন্তু ঐ লাইব্রেরি, খবরের কাগজ এইসবের পরিকাঠামোগত সুবিধা না থাকলেও মোটামুটি ইংরাজী জানা ( বলার কথাও বলা হচ্ছে না), এটা করা ই যায়। বারো বছরের কমে না শিখলে কি এটুকুও পিক-আপ করা যায় না ?

    কিন্তু এর পরের লেভেল গুলো থেকেই মুশকিল।
    এখানে অনেকগুলো লেভেল রয়েছে।

    একদল যারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তিবিদ্যায় উচ্চশিক্ষা লাভ করতে চায়। এসব ক্ষেত্রে পড়ানোর মাধ্যম, বইপত্তর সব মূলত: এখনো ইংরাজিতে। অতএব সেগুলো পড়ে বোঝা দরকার, ক্লাস লেকচার ফলো করার দরকার, প্রকাশ ও করতে পারা দর্কার, মোটামুটি নির্ভুলভাবে। মোটামুটি একটা লেভেলের বলার ও দরকার, ইন্টারভিউ এসবের জন্য। অরবর্তীকালে কর্মক্ষেত্রেও দরকার হতে পারে, কিন্তু তার অনেকটাই হয়তো অভ্যাসে আয়ত্ত হয়ে যায়।
    এটুকুনি করার জন্য লার্নিং ইংলিশ কতটা উপযোগী ?
    উপযুকত পরিকাঠামো থাকলে হয়তো এটুকু অ্যাচিভ করা সম্ভব।
    নচেৎ নয়।
    তাই দূর দূরান্তে যেখানে এসব সুবিধা পৌঁছয়নি বা যেখানে বাবা-মা সন্তানকে সিলেবাসের বাইরে নিজেরা গাইড করতে পারছেন, সেখানে কিন্তু একজন লার্নিং ইংলিশ শিক্ষার্থীর এই লেভেলে পৌঁছতে বেশ অসুবিধে হবে
    সিলেবাসের প্যাটার্ন এক রেখে বারো বছরের নীচে শেখানো শুরু হলে এই সমস্যা কিছু কমতে পারে কিন্তু এই প্যাটার্নে অন্যান্য যথাযথ পরিকাঠামো, সুযোগ না থাকলে সমস্যা পুরোপুরি মিটবে কি ?

    আরেকটা লেভেল আছে, বিপিও, কেপিও ইত্যাদি প্রফেশানে। যেখানে চোস্ত ইংরাজি বলার, একেবারে নির্ভুল লেখার দরকার ( এখানে তর্ক থেকে যা বুঝলাম, আমার নিজের বিশেষ আইডিয়া নেই এই নির্ভুল লেখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ), প্রফেশান ইটে্‌সল্ফ এটা ডিমান্ড করে। এটার জন্য লার্নিং ইংলিশের পাশাপাশি দরকার মত কিছু কোর্স করে নিলে বা অব্যেসের সাথে সাথে বলা-বোঝার ব্যাপারটা হয়তো ঠিক হয়ে যাবে। এই ভালো বলা কওয়ার জন্য ইংরজী মিডিয়াম একটা খুব অভিয়াস চয়েস আর অবশ্য ই এক্ষেত্রে লার্নিং ইংগ্লিশের থেকে সুবিধাজনক বিকল্প। কিন্তু নির্ভুল ইংরাজী শেখার ব্যাপারটা নিয়ে এখনো খটকা থেকে গ্যালো, সে ঐ দুটোর যেকোনোটাই হোক না ক্যানো।

    রইলো পড়ে ভালো করে ভাষাটা শেখার ব্যাপর। আনে ঐ চমৎকার ইংরাজী বলা বা সাহিত্যের রসাস্বাদন। সেটা শুধু যারা ইংরাজী সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনা করতে চাইবেন, তাঁদের জন্য ই নয়, ঐ যেটা রিমি বলেছেন, একটা সুন্দর ভাষা ভালো করে শেখা, তার মণিমুক্তো গুলোর খোঁজ পাওয়া ইত্যাদি।
    এখন এই লেভেলটি কিন্তু এই লার্নিং ইংলিশের 'যথাযথ অনুসরণ', সব রকম পরিকাঠামো ঠিকঠাক ভাবে থাকা ও তার ব্যবহার সঙ্কেÄও অ্যাচিভ করা একটু কঠিন। এমনকি ক্লাস ওয়ান থেকে চালু কালেও, এই সিলেবাসের প্যাটর্নে ইংরাজী শিখে এত বেশ চাপের। বাইরে থেকে নিজের বা বাবা মা বা শিক্ষকদের খুব বেশি সচেতন চেষ্টা ছড়া। সিলেবাসে সাহিত্যের প্রায় কিছুই না থাকলে, লাইব্রেরি থেকে এনে পড়ে কতটা কি আসা সম্ভব, একটা বিদেশি ভাষার ক্ষেত্রে !
    অবশ্য এখানে মনে হয়, এই ব্যাপরটা, মানে একটা ভাষাকে ভাষা হিসেবেই ভালো করে স্কুললেভেলে শেখাটা কিছুটা ঐচ্ছিক হওয়া উচিত।নিতান্ত ব্যক্তিগত মত। মানে একটা দূর অব্দি বাধ্যতামূলক শিক্ষায় এই সাহিত্য ইত্যাদির একটা ফ্লেভার দিয়ে দেওয়া হল, তারপর যার ইছে থাকবে, তকে সুযোগ দেওয়া হল অন্য সিলেবাস পড়ার, অনেকটা অ্যাডিশানাল সাবজেক্টের মতন। এই ব্যাপারটা অবিশ্যি শুধু ইংরাজী নয়, যেকোনো সাবজেক্টের জন্য ই হওয়া দরকার মনে হয় আমার।
    নাইন না, আরো নিচু ক্লাস থেকেই সব বিষয় আবশ্যিক না করে, ঐচ্ছিক হিসেবে নেবার অপ্‌শান দেওয়া।

    হয়তো আরো অনেক লেভেলের লেবেলিং বাদ পড়ে গেল কিম্বা যথাযথ হলনা।
  • shyamal | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ১৮:৩৫402478
  • যা হয়ে গেছে তাতো বদলানো যাবেনা। কিন্তু কথা আছে, ইতিহাস থেকে না শিখলে একই ভুল রিপিট করা হয়। সেটা যাতে না হয়, তার জন্য কি করা দরকার?

    আমর মনে হয় দুটো প্রেমিস কাজ করছে। সরকার কৃতিত্ব দেখানোর জন্য চান অনেক বেশী সংখ্যক ছেলেমেয়েকে মাধ্যমিক পাশ করা লেবেল লাগাতে। তারা অনেকে মুর্খ হলেও।
    প্রায় ৯৯% বাবা মা, সে কাজের লোক, রিক্সাওয়ালাও চান তার ছেলেমেয়ে ইংরেজি শিখুক। সাহিত্য পড়ার জন্য নয়, ইংরেজিতে নির্ভুল লিখতে শিখলে আর গড় গড় করে বলতে শিখলে ভাল কেরিয়ারের সম্ভাবনা দশ গুণ বেড়ে যায়।

    আমার মতে টু-টিয়ার সিস্টেম করা উচিৎ। বেসিক আর অ্যাডভান্সড ইংলিশ। সবার বেসিকটা পড়তে হবে। সেটা হবে সহজ, আজকের বাংলা স্কুলের লেভেলে। যাতে অনেক ছেলেমেয়ে অল্প ইংরেজি শিখে মাধ্যমিক পাশ করে যায়।
    যারা চান, ছেলেমেয়েদের অ্যাডভান্সড ইংরেজি পড়াতে পারবেন। তাতে লেভেল হবে অনেক উঁচু। নির্ভুল লেখা ও বলা শেখানো হবে। যদি এটা ক্লাস ওয়ান থেকে টেন অবধি করানো যায়, ছাত্ররা নিশ্চয় গড় গড় করে ইংরেজি বলতে, লিখতে শিখবে। যারা এই কোর্স নেবে, তারা এই কোর্সে পাশ না করলে নতুন ক্লাশে উঠতে পারবেনা। কাজেই বাবা মা ছাত্রের ক্ষমতা আর নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী বেসিক বা অ্যাডভান্সড কোর্স নেওয়াবেন।
  • sayan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ২১:২২402479
  • সেই মা: ইতিহাস, সেই রাইলট আন্দোলন। সেই উ:মা: সৌরেন দে'র অঙ্কের বই। আর না। আর না।

    (* কিন্তু এইসব বিটকেল জনগন এখনও পাতা পাতা মুখস্ত লিখছে!)
  • ranjan roy | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:২৪402480
  • একটু digress করছি।
    অরিজিৎ, আমি শকড্‌। '৬৭এ হায়ার ম্যাথস্‌ নিয়ে হিউম্যানিটিজ এ উ মা পাস করেছি। sin75= sin(45+35) এ তো আমরা ক্লাস টেন এ কেশব নাগের বই থেকেই শিখতাম। উ মা তে এতে অজ্ঞান হওয়ার কি হল?
  • sayan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:২৯402481
  • ০, ১/২, ১/রুট ২, রুট ৩/২, ১

    (কিন্তু অজ্জিদ্দা উ:মা: তে পিঙ্ক ফ্ল: এর চ্যাপ্টার কবে পড়ল!)
  • ranjan roy | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:৩৮402482
  • অরিজিৎ, আরও শকড্‌। আমার প্রিয় কবিতা জীবনানন্দের "" রাত্রি''কে হেলাফেলা করে তোমাদের কি যেন ৪৬-৪৭ বলায়।
    এটাই তো?
    ""হাইড্র্যান্ট খুলে দিয়ে কুষ্ঠরোগীচেটে নেয় জল,------''।
    আর শেষটায়--"" নগরীর রাত্রিকে তার মনে হয় লিবিয়ার জংগলের মত, শুধু জন্তুগুলো-- বস্ত্র পরে লজ্জাবশত:''।
  • arjo | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:৪৭402483
  • ওটা উমা তে নয় মনে হয় মা তে এসেছিল মানে ঐ sin(75) এর মান বের করা। আমাদের এক ব্যাচ আগে। ব্যপারটা কঠিন কিছু নয়। অনেকেই পেরেছে অনেকে পারে নি। পারে নি তার একটা বিরাট কারণ বোধহয় চমকে গিয়েছিল। এইরকম প্রশ্ন সলভ করতে শেখানো হয় না তো তাই। আর এর আগে কোনোকালে এরকম প্রশ্ন মাধ্যমিকে আসে নি। তা চমকে দিয়ে কোনো লাভ নেই। চমকে দিয়ে কোনো কিছুর টেস্ট হয় না। না ফান্ডা, না মনোবল।
  • Arpan | ২৯ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৪৯402485
  • অরিজিত তো লেখেনি ঐটা উমাতে এসেছিল। ঐটা মা'তে এসেছিলে। ৯৪ সালে। আমার মনে আছে কারণ আমি সেই বছর উমা দেব।

    একবার আমাদের ক্লাসে অমলবাবু এসে sin**2 + cos**2 = 1 এইটা প্রমাণ করতে দিলেন। সবাই জানে এটা হয়, কিন্তু কেন হয় ভেবে বার করতে গিয়ে পেন্সিল ভেঙ্গে যাচ্ছে। পঞ্চাশজনের ক্লাসে মাত্র গোটাপাঁচেক ছেলে পেরেছিলাম। মেয়েরা ডাহা ফেল। :)

    ডি: লাস্ট লাইনটা এমনি লিখলাম। এর থেকে কিছু প্রমাণ হয় না।
  • sayan | ২৯ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৫১402486
  • ডি: দিয়ে পার পাবে তুমি? স্যানিনী আসুক। ;)
  • arjo | ২৯ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৫৪402487
  • সেকি ৯৪ নাকি? তখন তো আমার ডানা গজিয়ে গিয়েছে। হবে হয়ত। কোনোকালেই আমার স্মৃতি তেমন ভালো নয়।
  • Arijit | ০১ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৯:২৫402488
  • ও রঞ্জনদা - জীবনানন্দ আমার চিরকাল ট্যান যেত, এখনও যায়। কবিতা মাত্রেই যায়। কাজেই...

    আর মাধ্যমিকে ওই অংকের পর আবাপ-তে বড় করে ক্ষুব্ধ অভিভাবক আর প্রতিবাদী কিছু ছাত্রীর ছবি বেরিয়েছিলো - সেই জন্যে মনে আছে:-)
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৯:৪৫402489
  • এটাই সেই কোশ্চেন কিনা মনে নেই, তবে ৯৪ মা-তে অঙ্কের পরীক্ষা দুবার করে নেওয়া হয়েছিল। প্রথমবারে নাকি কোশ্চেন শক্ত এসেছিল।

    আমি ৯৩ মা।
  • Arijit | ০১ ডিসেম্বর ২০০৮ ১০:২২402490
  • হ্যাঁ। এই বছরই অংক পরীক্ষা দুবার হয়েছিলো। বাজে ব্যাপার - জাস্ট বাজে।

    আমাদের বছরে ইতিহাস পরীক্ষার কোশ্চেন পেপার আউট হয়ে গিয়েছিলো।
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৪:৫৫402491
  • এই ব্যাপারটা, আমারও যদ্দূর মনে পড়ছে, কেশব নাগের বইতে ছিল। আমি কেশব নাগ করেছিলাম, জিনিসটা ভিশুয়ালাইজ করতে আমার অসুবিধে হয় নি। আমার এক রকের বন্ধু ছিল, ৯৪ মা, সে মনে আছে, অঙ্ক পরীক্ষা দিয়ে বেশ কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়েছিল। সে ঠিক কেশব নাগ করার মত মাথার অধিকারী ছিল না।

    আচ্ছা, কোনও সাইট নেই, এই সব কোশ্চেন পেপারগুলোকে ফিরে দেখার জন্য?
  • r | ০১ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৫:২২402492
  • খায়া দায়া কোনো কাম নাই?
  • shyamal | ০১ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৭:৫৩402493
  • আমাদের সময়ে আমাদের একটা ধারণা ছিল, হা:সে: (১১ ক্লাসের) অতি সোজা। জয়েন্ট এ¾ট্রান্স বেশ কঠিন। আর আই আই টির জয়েন্ট হল যাকে বলে মাদার অফ অল টেস্টস।

    পরে দেখেছি জি আর ই ভীষণ বোরিং টেস্ট। ঐ দিয়ে যে কেন অ্যাডমিশন দেওয়া হয় কে জানে।
  • Arijit | ০২ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৯:৫৬402494
  • এখন তো ইলেভেন টুয়েলভও আলাদা হয়ে গেছে - মানে উমা হয় টুয়েলভের সিলেবাসে। জয়েন্ট সম্ভবত: দুটো মিলিয়েই, কিন্তু আগে যেমন জয়েন্ট এম্নি উমা-র চেয়ে একটু অ্যাডভান্সড ছিলো, এখন আর নয়। এখন জয়েন্টেও পুরোপুরি উমা-র সিলেবাস। আগে যারা আইআইটির জন্যে একটু হলেও তৈরী হত তারা জয়েন্টে একটু সুবিধা পেত।

    এগুলোর যুক্তিটা ঠিক জানি না। তবে খুব একটা পছন্দ হয়নি নিয়মগুলো।

    যদিও জয়েন্টের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আগেও অনেকবার প্রশ্ন উঠেছে। একটা মহল থেকে বলা হত উমা-র রেজাল্টের ভিত্তিতেই ইঞ্জিনিয়ারিং/ডাক্তারিতে ভর্তি করা হোক।
  • Sibu | ২৯ জুলাই ২০১২ ২১:০৯402496
  • আম্রিকান সোশ্যাল-সায়েন্টিস্ট বলছেন অংক না শিখলে কিছুই এসে যায় না। স্ট্রেঞ্জলি, লেখাটা আমার মন্দ লাগল না।

    http://www.nytimes.com/2012/07/29/opinion/sunday/is-algebra-necessary.html?hp

    Making mathematics mandatory prevents us from discovering and developing young talent. In the interest of maintaining rigor, we’re actually depleting our pool of brainpower. I say this as a writer and social scientist whose work relies heavily on the use of numbers. My aim is not to spare students from a difficult subject, but to call attention to the real problems we are causing by misdirecting precious resources.
  • riddhi | ২৯ জুলাই ২০১২ ২৩:১৭402497
  • চাকরিতে কতখানি এলজেব্রা লাগবে - এই নিয়ে পলিসি দেখার মেথড টা ভুল। সেই আর্গুমেন্টে ইতিহাস ভূগোল সব কিছুই ওপ্শানাল করে দিতে হয়।
    আর আমেরিকাতেই এই দশা কেন? আলজেব্রার দোষ হলে সব দেশেই এই রকম ক্রাইসিস আসা উচিত। দেশের এডু সিস্টেমে, এলিমেন্টারি, মিডল স্কুলের সিলেবাস, পড়ানোর টেকনিকে সময় না দিয়ে, সলিউশান হল- এলজেব্রা ওপশানল করে দাও?
  • Sibu | ২৯ জুলাই ২০১২ ২৩:৩৭402498
  • এটা তো আম্রিকানদের স্ট্যান্ডার্ড কায়দা। ঘুষ দেওয়া ইল্লিগাল, লবিইং লিগ্যাল করে দাও। ইনসাইডার ট্রেডিং করলে মার্থা স্টুয়ার্ট বা রাজরত্নম জেলে যায়, কিন্তু হাউস মেম্বার বা সেনেটরদের জন্য ইনসাইডার ট্রেডিং লিগ্যাল। নিয়ম নিয়ে অসুবিধা হলে নিয়ম বদলে দাও। বেশী কি, ক'দিন আগে নর্থ ক্যারোলিনা আইন করবে ভাবছিল গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর জন্য সমুদ্রতল ম্যাক্সিমাম কতটা বাড়তে পারবে সেটা ঠিক করে দিয়ে।

    কিন্তু অংক না শিখলে সত্যি কি অসুবিধা হয়? মানে যোগ-বিয়োগ না, ইকুয়েশন সলভ করা বা একটু উঁচুদরের ব্যাপার। যেমন ইতিহাস ভূগোল তো আমরা সত্যি খুব বেশী শিখি না। তাতে কি খুব অসুবিধা হয়?

    যে লোকটা ইকুয়েশন সলভ করতে শিখল না তাকে কি অশিক্ষিত বলা যাবে?
  • ইকুএষণ বলে নয় | ২৯ জুলাই ২০১২ ২৩:৪৯402499
  • অঙ্ক না শিখলে থট প্রসেস বলে কিছু হয়না এবং মানুষ ভুলভাল বকে :|
  • Sibu | ৩০ জুলাই ২০১২ ০০:২২402500
  • অংক শিখলেও লোকে ভুলভাল বকে। মমতা পশ্য। B-)
  • দেখুন | ৩০ জুলাই ২০১২ ০০:২৮402501
  • অঙ্ক শেখা লোক ভুল বকেনা এমনটি নয় কিন্তু আপনি তাকে স্ট্রাকচারাল ওয়ে তে বোঝালে ধীরে ধীরে বুঝতে পারে যে রিসনিং এর কোন স্টেপ এ ঝামেলা পাকিয়েছিল। কিন্তু এই টিপিকাল অঙ্কের তোয়াক্কা না করা লোকদের সঙ্গে তর্ক করা আর দেয়াল এ মাথা ঠোকা এক জিনিষ :(
  • Sibu | ৩০ জুলাই ২০১২ ০০:৩১402502
  • হম্‌ম্‌। মমতাকে স্ট্রাকচারাল ওয়েতে বোঝাতে পাল্লেই লক্ষ-মুদ্রা পুরস্কার ঃ-)।
  • riddhi | ৩০ জুলাই ২০১২ ০২:১২402503
  • ঐ শিক্ষা আর জ্ঞান নিয়ে জ্যোতি ঠিকরে বের হবার যে উপমা টা আছে না, দ্দদুর দেয়া, ওটা কাচা অনক আর লজিকাল থিন্কিং এর জন্য খাটে। মানে হায়ার ম্যাথ এর নিজের বিশেষ কোন কাজ নেই, কিন্তু যে এব্স্ট্রাক্ত অবজেক্ত নিয়ে ম্যানিপুলেট করার খেলা শেখায়, সেটা হয়্তো খুব আলাদা দেখতে ফিল্দে এমনকি হিউমানিতিসেও কাজে লাগতে পারে। এটা মনে হয়, হয়, শিওর জানি না। মানিক বন্দ্যো তো উপন্যাস লেখার ক্ষেত্রে (এস ওপোস্ড টু কাব্য) অন্ক-শিক্ষার উপকারিতাকে এনেছেন। যদিও গভীর কোন তত্ত্ব দেননি। এই আর্গুমেন্ট মাঝেই মাঝেই দেয়া হয়।

    আরেকটা মনে হয়, পপ কালচারের আকাশে বাতসে কিছু ম্যাথ এমনিতেই ঘুরছে। খালি পেটে সেটা টুক করে তুলে খেয়ে নিলে বদ-হজম হয়ে যায়। যেমন ক্যালকুলাসে ইন্ফিনিটি লিমিট এগুলো প্রিসাইস কনসেপ্ট। কিন্ত সেগুলো নিয়ে একটা বিশাল-সংখ্যক লোকের ফিলোসফিকাল হ্যাজানির শেষ নেই। একটা সিরিস ডাইভার্জ করছে, তো ঘাড়ের উপর উকি মেরে বলছে, 'বিজ্ঞান অসীমের অস্তিত্ত্ব স্বীকার করল তাহলে, এবার বুঝলে তো চাদু, ভগবান কাকে বলে?' এগুলো অসুবিধে তো বতেই, যে বলছে তারো টাইম ওয়েস্ট হচ্ছে।
    তবে এটাও ঠিক, এরকম কিছু বাদ দিলে খুব একতা কাজে লাগে না। ইকুএশান কি শেখার দর্কার আছে, কিন্তু সলভ করার এলগো জানার মনে হয় দরকার নেই।
  • বিপ্লব রহমান | ৩০ জুলাই ২০১২ ২০:০৫402504
  • শিক্ষক ও অভিভাবকদের শাসন পদ্ধতি এবং শিশুদের উপর তার প্রভাব।। নাদিম আহমেদের লেখা
    http://mukto-mona.com/bangla_blog/?p=27711
    ____________
    শিশু শিক্ষা নিয়ে আমার একটি লেখা: আমাদের শিশুরা কী পড়ছে?
    http://mukto-mona.com/bangla_blog/?p=7291
  • Sibu | ৩০ জুলাই ২০১২ ২১:০০402505
  • রিদ্ধির পপ কালচার ম্যাথ সম্পর্কে কমেন্টটা ভাল। পপ কালচারে অনেক কিছুই ঘোরে, এবং সে খেয়ে বদ-হজম সাবজেক্টটা যাঁরা ইস্কুল কলেজে পরেছেন তাঁদেরও হয়। এই যেমন গোডেলস থিওরেম থেকে ধর্মের বা জ্যোতিষের জাস্টিফিকেশন খুঁজে বের করা, বা কোয়ান্টাম স্টেট ডিস্ট্রিবিউশন থেকে অনেক প্যারালাল জগতের অস্তিত্ব ধরে নেওয়া। আমি এরকম কথা বলছি না যে অনেক প্যারালাল জগত নেই বা অ্যারিস্টটলিয়ান/বুলিয়ান লজিকের বাইরে অন্য কোন লজিক কখনো তৈরী হবে না। কিন্তু কোয়ান্টাম ফিজিক্সের একটা টুকরো, বা গোডেলস থিওরেম থেকে সেটা ধরে নেওয়া, অনেকটাই জাম্পিং দি গান।

    অংক করলেই চিন্তার শৃঙ্খলা আসে, এটা সত্যি বলে মনে হয় না। আমাদের দেশের ক্ষেত্রে এটা আরো সত্যি। আমাদের অংক পড়ানো হল অনেকটা অ্যাক্রোব্যাটিকস শেখানোর মত। বিশাল দুটো ইন্টিগ্রেশন, বা চারটে আইডেন্টিটি প্রমান করে তাক লাগিয়ে দেবার ব্যাপার। কিন্তু এই প্রসেসের তলায় যে যুক্তির জগৎ সেটা নিয়ে আলোচনা খুব খুব কম। একটা ঘটনা আমি অনেককেই বলি, একটি আইআইটিতে ইন্টারভিউ নেবার গপ্পো।

    আমি - কি নিয়ে তোমাকে কোশ্চেন করব বল, কি তোমার ভাল লাগে?
    ছাত্র - অংক স্যার।
    আ - ক্যালকুলাস?
    ছা - হ্যাঁ স্যার।
    আ - বল তো ইন্টিগ্রেশন কি?
    ছা - অপোজিট অফ ডিফারেন্সিয়েশন।
    আ - বেশ বেশ। ইন্টিগ্রেশনের আর একটা মানে আছে।
    ছা - (আমার মুখ থেকে কথা কেড়ে নিয়ে) এরিয়া আন্ডার দি কার্ভ।
    আ - বাঃ। তো বল তো, এই যে দুটো আলাদা মানে, এরা কি আসলে এক? কি করে জানলে?

    এ প্রশ্নের উত্তর আমি সেদিন পাই নি। ছাত্র পরে আমাকে বলেছিল যে এই দুটো ব্যাপার রিকনসাইল করার যে দরকার আছে সেটা তার কখনো মনে হয় নি।
  • aka | ৩০ জুলাই ২০১২ ২১:১৮402507
  • এইটা আমি জানি, ডিফারেন্সিয়েশন বড় জিনিষকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে। আর ইন্টিগ্রেশন ছোট ছোট ভাগ জুড়ে বড় করে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন