এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫৩০২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ১১ মে ২০১৬ ১১:১৩670044
  • মাসুল সমীকরণ নীতি একেবারেই কেন্দ্রীয় সরকারের বজ্জাতি পুর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর বিরুদ্ধে। স্বাধীনতার একেবারেই পরে পরে শুরু আর ৪০ বছর চললো।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ১১:১৬670047
  • পিএম। ঐ যে বল্লাম, বাঙ্গালী বিশ্বাস করতো, একদিন বিপ্লব হবে। সে বিশ্বাস তিলে তিলে গড়ে উঠেছে, তিতুমীর, বঙ্গভঙ্গ রদ, ক্ষুদিরাম, সূর্য সেন, বিনয়-বাদল-দীনেশ, নেতাজী, তেভাগা, খাদ্য আন্দোলন, দেশভাগ, নকশালবাড়ি ইত্যাদির মধ্য দিয়ে। রবি ঠাকুর ও অন্যান্য বুদ্ধিজীবিরা তাতে সাবাশী দিয়েছেন, গোরা, রক্তকরবী, পথের দাবী, এসব লিখে। তোমার মতে জঙ্গী ইসলামের মতো।

    ঐ সময় জুড়ে আরএসএস, কংগ্রেস নানান আপোষের মধ্য দিয়ে হেঁটেছে, যাকে বাঙ্গালী মেনে নেয় নি। কি করা।
  • lcm | ১১ মে ২০১৬ ১১:২০670048
  • ট্রেড ইউনিয়ন তো প্রায় সব ডেভলপ্‌ড্‌ কান্ট্রিতেই আছে। ক্যাপিটালিস্ট কান্ট্রিতেও।
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ১১:২৩670049
  • যাক তাহলে তর্ক শেষ হলো। রবীন্দনাথ থেকে ক্ষুদিরাম, নেতাজির থেকে নকশালবাড়ি, কেউ চায়নি সিঙ্গুরে কারখানা হোক। বাঙালির এই সুমহান বিপ্লবিয়ানা ঐতিহ্য মেনে ওটা হয়ওনি।

    (আমিও খানিক এক্সট্রাপোলেট করে দিলাম :p)

    এপিলোগঃ বাঙালি তার বিপ্লবী ঐতিহ্য নিয়ে দিব্যি ছেঁড়া কম্বলে শুয়ে দিন কাটাচ্ছে। সব বাঙালি অব্শ্য না, কয়েকজন এদিক ওদিক কেটে পড়েছে। কেউ কেউ যেমন চেন্নাইতে এসি ঘরে বসে চাকরি করছে আর তোফা আরামে আছে :p
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ১১:২৪670053
  • "ট্রেড ইউনিয়ন তো প্রায় সব ডেভলপ্‌ড্‌ কান্ট্রিতেই আছে। ক্যাপিটালিস্ট কান্ট্রিতেও।"

    এক্স্যাক্টলি। সেজন্যই তো বললাম এক্স্ট্রাপোলেশানের ভালো উদাহরন।
  • Ekak | ১১ মে ২০১৬ ১১:২৪670052
  • এই শালা যখন কাজের চাপ তখনি এরা এইসব লোভনীয় আলোচনা করবে :(

    দেখো কল্লোলদা ওরকম স্বাধীনতা আন্দোলন -রবীন্দ্রনাথ দিয়ে কিছু প্রমান হয়না। একটা গণতান্ত্রিক দেশের রাজনীতি আসলে নিগশিয়েসনের রাজনীতি। মিটিং বানচাল করার রাজনীতি নয়। সিপুএম চিরকাল যাচ্ছেতাই লেভেলের বাজে নীয়গশিয়েতর। আমার ওই বাবার নাম ভিয়েতনাম নিয়ে বা ম্যাকনামারা কে পতাকা দেখানো নিয়ে কোনো অসুবিধে থাকত না

    যদি,

    যে দেশের হয়ে এই দালালি গুলো করা হচ্ছিল সেখান থেকে কিছু সুযোগ-সুবিধে আদায় করা যেত। ছোট শক্তিকে বড় শক্তির দালালি করতে হবে এ জানা কথা। সোভিএট্ এর না করলে ইউএসে-এ করবে। সেখানে তো প্রবলেম না। যে ফিল্ড ওয়ার্কার রা আমেরিকা কে উঠতে বসতে গালাগাল করত তারা তাদ্বের কাজ ঠিকভাবেই করেছে, কিন্তু যে লোকগুলো বছরে বারো বার মসলন্দপুর যাওয়ার মত করে মস্কো যেত তারা কিছুই নিগশিয়েত করে উঠেতে পারেনি। একটা ইন্দাস্ত্রী, কোনো টেকনোলোজি, এমনকি দুটো প্রিমিয়াম এডুকেশন ইন্স্তিতিউশোন তৈরী তে পর্যন্ত বিনিযোগ করেনি সোভিএট্। তাহলে এত রোদ্দুরে ঘুরে, আমেরিকার পিন্ডি চটকে পাওয়া গ্যালো কি ? চকচকে সোভিএট্ নারী ???

    দলটার অপরের লেভেলে সবকটা নেতা অকর্মন্য। রাজ্যের স্বার্থ দেখেনি। না পেরেছে সোভিএট্ এর থেকে কিছু আদায় করতে না কেন্দ্র সকারের থেকে। আর ইউনিয়ন নিয়েও কোনো রাগ নেই। ইউনিয়ন তো দরকার। ইউরোপে ইউনিয়ন নেই ? ইউনিয়ন এর লিগাল সেল থাকবে যারা যুদিশিয়ারী ও কোম্পানির মাঝে শ্রমিক দের মুখপত্র। যাতে তাদের অন্যায় এর স্বীকার না হতে হয়। এভাবেই সমস্ত উন্নত দেশে ইউনিয়ন চলে। এখানে কি হয়েছে ? যারা ফ্যাক্টরি তে ইউনিয়ন এর নেতা বা মাতব্বর গোছের তারা দিনের পর দিন কোমরে রেন্চ গুঁজে আড্ডা বাজি আর হল্লা করে কাটিয়েছে। সিপুএম এর নেতারা নিজেদের মধ্যে দুটো ক্লাস ক্যারেক্টার এ চিরকাল বিভক্ত। একদল অসীম বাবু টাইপ। গম্ভীর হয়ে যান -আসেন। তাঁরাই সবার কাছে সম্মানীয়। আরেকদল কোনদিন কেন্দ্রীয় ক্ষমতার স্বাদ পাবেনা বুঝে গ্যাছে তাই অস্তিত্ব ধরে রাখার জন্যে জঙ্গী ইউনিয়ন বাজি করে নিজেদের লাইমলাইতে রাখেন। মাঝখান থেকে শ্রমিক ভুগেছে। কটা কেস ওদের ইউনিয়ন সলভ করতে পেরেছে ? আদৌ সলভ করার সদিচ্ছা ছিল ? যে সিস্টেমের কোনো পসিটিভ আউট কম নেই, না শ্রমিক দের কাছে, না মালিকদের কাছে, তাকে লোকে দুষবেই।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ১১:২৪670051
  • ঢুন্ডুদাসজি। এটা পুউরো ভুল - অথচ, পঃবঙ্গ থেকে কয়লা মহারাষ্ট্রে নিয়ে যেতে মহারাষ্ট্র ততটাই মাসুল দেবে যতটা পঃবঙ্গে নিয়ে যেতে লাগতে পারে।

    না, একেবারেই না। উৎস থেকে যতো দূরে যাবে ততো কম মাসুল।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ১১:২৪670050
  • আছেতো। এম্প্লয়ার্স ইউনিয়ান। ইনফ্যাক্ট যে দেশে যত বেশি ইউনিয়ান সেখানে স্ট্রাইক ইত্যাদি তত কম। পবে এমন হলোনা কেন?
  • ঢুন্ডুদাস চণ্ড | ১১ মে ২০১৬ ১১:২৭670055
  • দূরত্বের ইনভার্স প্রোপোর্শনাল কী? ঠিক মনে নেই, সেটা হলে তো আরো খারাপ। কেন্দ্রীয় সরকার মাসুলটাকে সাবসিডাইজ করেছিলো এইটা মনে আছে।
  • ন্যাড়া | ১১ মে ২০১৬ ১১:২৮670057
  • তাহলে ইকুয়ালাইজেশন হয়নি এগ্রিকালচারাল প্রডাক্টে। পশ্চিমবঙ্গে জুট ইন্ডাস্ট্রির ঝাড় খাওয়ার কথা নয় তখন (পরে প্লাস্টিক এসে যাবার পরে মানে আশির দশকে অরগ্যানিক ডেথ হত, কিন্তু জুট ইন্ডাস্ট্রি ভোগে যেতে শুরু করে ষাটের শেষ থেকে)। পশ্চিমবঙ্গ কোনদিনই বাইরের এগ্রিকালচারাল র মেটিরিয়ালের ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করেনি। কাজেই এখনও অঙ্ক মিলছে না।
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ১১:২৮670056
  • "ইউনিয়ন তো দরকার"

    একমত। বল্লাম জঙ্গি ইউনিয়নের আর ঝান্ডাবাজির কথা, সেটাকে এক্সট্রাপোলেট নিয়ে ইউনিয়নিজমের উপকারিতা নিয়ে kc লিখে দিলেন। যেটা নিয়ে আর্গুই করিনি সেই খড়ের মানুষটাকে ডেমোলিশ করে দিলেন :d
  • S | ১১ মে ২০১৬ ১১:৩১670058
  • এইতো ন্যাড়াবাবু আবার গন্ডগোল করলেন। ইস্পাত শিল্প আর পাট শিল্প কি আর এক আসনে বসে ভাই।
  • PM | ১১ মে ২০১৬ ১১:৩২670059
  • আছে তো, ডেট্রয়েটে কাজ করে এসেছি। সাংঘতিক স্ট্রং ইউনিয়ন ওখানে। নতুন কোনো ইন্ভেস্টমেন্ট তো হচ্ছে না ওখানে। সব থেকে বড় গাড়ী পর্ত্স তৈরীর কম্পানী ডেলফাই নতুন ইন্ভেস্টমেন্ট করছে আমেরিকার অন্য রাজ্যে, যারা সুবিধা বেশী দিচ্ছে অথবা চিনে ( ২০০৮-০৯ এর কথা)

    ইউনিয়নের বিরুদ্ধে কে কথা বলছে? আমি বলছি না মোটেই। ইউনিয়ন দরকার। কিন্তু বাইরের লোকের সমর্থনে জঙ্গী ইউনিয়ন চাই না। আমাদের কম্পানীর পঃবঃ ইউনিটে প্রডাক্টিভিটি খুব খারাপ। বাকি সব কিছু থাকলেও ( জল, বিদ্যুত ইত্যাদি) শুধু এই ইস্যুতেই অন্য অসুবিধা থাকা সত্তেও পরের ১০০০ কোটি ইন্ভেস্টমেন্ট ওরিশায় বা গুজরাতে করার কথা চলছে। ৪০০০ লোকের নতুন চাকরী হারাতে বসেছি।

    অবশ্য তাতে কি? শুধু সেজ তকমা না দেবার জন্যে ৫০০০০ জব ইন্ফোসিস আর উইপ্রোর ক্ষেত্রে আটকে আছে--- কার কি গেছে এসেছে? সে তুমলায় তো সামান্য
  • ঢুন্ডুদাস চণ্ড | ১১ মে ২০১৬ ১১:৩৪670060
  • দেশভাগের পর জুট প্রোডিউসিং এরিয়ার একটা বড় অংশ চলে যায় বাংলাদেশে। এইটা একটা বড় কারণ। তারপর এদিকে চেষ্টা করা হয়, কিন্তু খুব একটা সফল হয়নি - কারণা হয়তো মাটি ইত্যাদি। ছোটবেলায় বাবার অফিসের জীপে বার দুই বসিরহাটে গেছিলাম - ওদিকে তখন হিন্দুস্তান ফার্টিলাইজার চাষীদের ট্রেনিং দিত পাট চাষ নিয়ে, কিন্তু ততদিনে চাহিদাও কমে গেছে।

    অনেক গল্প আছে - সব না জানলে তো হবে না। এই যেমন হিন্দুস্তান ফার্টিলাইজারের বড় কারখানাগুলো ছিলো হলদিয়া, দুর্গাপুর, নামরূপ, বারাউনি আরেকটা কোথায় যেন। বেশ পুরনো হয়ে যাওয়ার পর আশির দশকে একটা জাপানী কোম্পানি প্রস্তাব দেয় সবগুলো রেনোভেট করার। কিন্তু সেটা না করে নতুন করে সিন্ধ্রিতে সার কারখানা তৈরী করা হয় অন্য কোনো স্বার্থে। হিন্দুস্তান ফার্টিলাইজারের আধুনিকীকরণ কোনোদিনও হল না, এবং আশির দশক থেকেই আস্তে আস্তে মরতে শুরু করে, ফলতঃ নব্বইয়ের দশকে গণ ভলান্টারি রিটায়ারমেন্ট (আমার বাবাও তাই করেন) এবং কোম্পানিটার পঞ্চত্বপ্রাপ্তি।
  • PM | ১১ মে ২০১৬ ১১:৩৫670063
  • কল্লোলদার 11:16 AM--- বেশ কবিতার মতো পোস্ট ঃ) পড়তে ভালো, কিন্তু চাকরী, রোজগার, আয়ের কোনো সুরাহা হবে বলে মনে হয় না এতে। অন্তত গত ৫০ বছরে হয় নি।

    ৭২ ভার্জিনের স্বপ্ন থেকে জেগে ওঠার সময় হয়েছে ঃ) ঃ)
  • lcm | ১১ মে ২০১৬ ১১:৩৫670062
  • এদেশে, ইউনিয়ন স্ট্রাইক করে, ভালোই হাঁকায়।
    আম্রিগায় গত কয়েক মাসের মধ্যে একটু বড় সাইজের কয়েকটি স্ট্রাইক যেমন --

    - 36,000 Verizon workers have walked off the job Wednesday after failing to reach a new labor agreement. (April, 2016)

    - About 2,000 airport workers struck overnight Wednesday into Thursday at seven major airports to protest low wages and threats against unionizing
    (Nov, 2015)

    - The week-long strike of 3,800 U.S. oil workers is growing larger.(Feb, 2015)

    - Chicago-area workers at two different Coca-Cola plants are striking this morning. The Teamsters Local 727 union is protesting unfair labor practices, some of which are related to ongoing contract negotiations. (Dev 2015)

    - More than 2,000 Kohler Co. union employees are heading back to work after voting Wednesday night to accept a new four-year labor contract, bringing an end to a 4 ½-week-old strike at Sheboygan, Wisconsin (Dec, 2015)
    ...
    ...
    ...
  • ন্যাড়া | ১১ মে ২০১৬ ১১:৩৫670061
  • কল্লোলদার ওই ইনভার্স প্রোপোর্শনের থিওরিটা ঠিক মনে হচ্ছে না - "The “Freight Equalization Policy” was proposed and implemented by the Government of India (GoI) to bring about the equality of development. The Freight Equalization Policy mandated that the GoI will provide subsidy on all the natural resources to the Western and Southern states to make the raw material available at equal cost with the Northern and Eastern states. Thus, the Northern and Eastern states lost their locational advantage of being rich in natural resources."
  • ন্যাড়া | ১১ মে ২০১৬ ১১:৩৭670064
  • ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ঝাড় খেল কেন? ইকুয়ালাইজেশনে পজিশনাল অ্যাডভান্টেজ চলে গেল, কিন্তু লীড কেন ধরে রাখা গেল না।
  • Ekak | ১১ মে ২০১৬ ১১:৩৯670066
  • তক্কে তক্কে থাকলে পবর এখনো সুযোগ আছে। রিসেন্ট খবর হচ্ছে তিরুপুর এর হাল খারাপ। হু হু করে বাড়ছিল। শহর জুড়ে মার্সিডিজ এর ভীর। এদিকে এখন লেবার কস্ট এত বেড়ে গ্যাছে যে কদ্দিন টানবে ঠিক নেই। পব যদি আবার টেক্স টাইল ধরে নেই তাহলে ভবিষ্যত আছে।
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ১১:৪৫670067
  • " কিন্তু সেটা না করে নতুন করে সিন্ধ্রিতে সার কারখানা তৈরী করা হয় অন্য কোনো স্বার্থে।"

    আহেম...মানে ইয়ে, কারখানাটা তৈরি না হলে সেই কারখানায় এক ম্যাঞ্জারবাবু সেখানে চাকরি করতে যেতেন না। আর তাহলে সেই ম্যাঞ্জারবাবুর দুই মেয়ে কলকাতায় হোস্টেলে থেকে পড়তে আসতো না। আর তাহলে একটা ছেলের সেই দুজনের একজনকে পাকড়াও করা হতো না। আর তাহলে...এই পোস্টটা লেখা হতো না।

    ভাগ্যিস জাপানি কোংএর প্রস্তাব মানা হয়নি, তাহলে বাটারফ্লাই এফেক্টটা হতো না :p
  • ! | ১১ মে ২০১৬ ১২:০২670068
  • কল্লোল য্থারীতি গুলিয়েছে। মাশুল সমীকরণ নীতি ছিল যে, কাঁচামালের দাম সর্বত্র সমান হবে। এরফলে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার বা উড়িষ্যার মিল (ইস্পাত, পাট বা বস্ত্র), কাঁচামালের দাম আর মহারাষ্ট্র বা পাঞ্জাবের মিলের কাঁচামালের দাম সমান পড়ত, যেটা ভর্তুকি হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকার দিত। কিন্তু এই মিলগুলি বন্দর বা প্রধান বাজারের কাছে হওয়ার ফলে তাদের উৎপাদিত মালের পরিবহণ খরচা কম পড়ত তাই বেশী মাল বেচতে পারত। এই হল মাসুল সমীকরণ।
  • lcm | ১১ মে ২০১৬ ১২:০৩670070
  • কয়েক দশক ধরে অনেক ঘটনার কম্বাইন্‌ড্‌ এফেক্ট।

    ষাটের দশকে পলিটিক্যাল আনরেস্ট একটা প্রবলেম ছিল, কথায় কথায় ট্রাম পোড়ানো, আন্‌স্টেবল লোক্যাল গভর্নমেন্ট, দুর্বল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন - নতুন শিল্পের জন্য প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্টে এসব সহায়ক হয় নি।

    ষাট-সত্তরের দশকে, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব নিয়ে যে ইউটোপিয়ার জোয়ার এসেছিল নকশাল আন্দোলনের সময়কালে, এবং যে ক্যাওস তৈরি হয়েছিল - এর পরে পরে পশ্চিমবঙ্গে নতুন ইন্ডাস্ট্রির জন্য প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট টাফ ছিল।

    পাবলিক, সেমি-পাবলিক সেক্তরের ওপর নির্ভরতা, এবং সেই সঙ্গে প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট অনীহা - সোভিয়েত মডেলে - এটা একটা ব্লক ছিল। এটা অবশ্য ইন্দিরা গান্ধীর জাতীয়করণের জয়জায়াকার থেকে শুরু হয়।

    ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল নলেজ ইকনমি-তে পিছিয়ে পড়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত, জনসংখ্যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বাড়ে নি এই অঞ্চলে, দক্ষিণ ভারত অনেক বেশি প্রযুক্তিবিদ তৈরি করেছে ৭০-৯০ এর দশকে।

    সামাজিক ব্লক তো ছিলই। বাঙালী চাষী পরিবার যতটা স্বাভাবিক ছিল সে তুলনায় বাঙালি লেবার কম ছিল। কলকাতার কাছে গঙ্গার দুই তীর জুড়ে যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেল্ট ছিল - সেখানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল লেবার শ্রেণীর মধ্যে ভিনরাজ্যের মানুষের প্রাধান্য বেশি ছিল। এমনকি সত্তর-আশির দশক অবধি কলকাতার বাসের ড্রাইভার কন্ডাক্টার অনেকেই ছিলেন সর্দারজী।

    এইসব নিয়ে, কালে কালে...
  • S | ১১ মে ২০১৬ ১২:০৩670069
  • লিবারালাইজেশনের আগে কেন্দ্র ঠিক করে দিতো কোথায় নতুন কারখানা হবে। সে বিনিয়োগ প্রাইভেট, পাবলিক, দেশি, বিদেশি যাইহোক না কেন। বাম ও তাদের পোষা ইউনিয়নবাজীর ভয় দেখিয়ে পব থেকে সে বিনিয়োগ দুরে রাখতে কেন্দ্রের কঙ্গ সরকারকে খুবেকটা বেগ পেতে হয়নি বলেই মনে হয়। ইমেজ একটা বড় ব্যাপার। দেখছেন না কিছু না করেই মোদিজীর কেমন বিশ্বজোড়া নামডাক হয়ে গেছে। সেই ঢপের আবার একটা ব্র্যান্ডিঙ্গ হয়েছে মেড ইন ইন্ডিয়া।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ১২:০৮670071
  • শরতচন্দ্র না কার একটি লেখায় পড়েছিলাম এই চাষের গ্রাম কত সুন্দর আর শিল্পের শহর কত দুষিত ইত্যাদি। এই অনিহা অনেকদিন থেকেই। আমাদেরও আছে। সাফ সুতরা আইটি কোম্পানি ছিলো বলে বেঁচে গেছে অনেকে। ছোটোবেলায় শুনেছিলাম ব্যান্কের চাকরী খারাপ। চাকরী হলো রেলের ইন্জিনিয়ারদের।
  • cm | ১১ মে ২০১৬ ১২:১১670072
  • অন্ধের হস্তিদর্শন।
  • Arpan | ১১ মে ২০১৬ ১২:১৩670073
  • গফুরের গল্পেই আছে গফুর কাঁদিতে কাঁদিতে মেয়ের হাত ধরিয়া চটকল অভিমুখে যাত্রা করিল।
  • ঢুন্ডুদাস চণ্ড | ১১ মে ২০১৬ ১২:৩৫670074
  • না, সব কাঁচামালে ছিলো না। লিস্টটা এখুনি পাচ্ছি না, তবে এইটা আছে - স্পষ্ট বলছে লোহা, সিমেন্ট, নাইট্রোজেনাস সারে ছিলো, কিন্তু কটনে ছিলো নাঃ

    A specific issue represented to us by a State Government is that the Freight Equalisation Policy followed with respect to basic commodities like Iron and Steel, Cement and Fertiizer (Nitrogenous), produced in that State, has operated to its disadvantage as similar freight equalisation has not been done in respect of other important raw materials, such as cotton.

    http://interstatecouncil.nic.in/Sarkaria/CHAPTERXII.pdf
  • PM | ১১ মে ২০১৬ ১২:৫১670075
  • যাক গে---- ৬০-৭০ দশকের যুবকদের ফ্রেট ইকুআলাইসেসন/ জঙ্গি ট্রেড ইউনিয়ন ইত্যাদি ইম্মিডিয়েট রিয়েল থ্রেট আইডেন্টিফাই করতে পারেননি---- প্রতিবাদ/আন্দোলন তো দুরের কথা----- এটা নিয়ে কি পেজে কনসেন্সাস হয়েছে ? ঃ)
  • lcm | ১১ মে ২০১৬ ১৩:০৭670077
  • হ্যাঁ, Freight Equalization Policy ছিল শুধুমাত্র খনিজ কাঁচামালের জন্য। ভারতের চারটে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ রাজ্য - পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ -- এর বাইরে অন্যান্য রাজ্যে যাতে ইন্ডাস্ট্রি হয় সেই জন্য ছিল সাবসিডি।
    জুট, টেক্সটাইল - এই পলিসির মধ্যে ছিল না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন