এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | ৩০ মে ২০১৫ ১৭:১২680021
  • @দ,
    বিদ্যেসাগর মশাইকে মারার জন্যেও ভাড়াটে গুন্ডা লাগানো হয়েছিল বলেই মনে পড়ছে। বেঁচে গেলেন বরাতজোরে।

    @অক্ষ,
    পারফেক্ট। নিজের সামাজিক, রাজনৈতিক মতবাদের জন্যে ঝুঁকি নেওয়া দায় নেওয়ার থেকে আলাদা।
    ঝুঁকি= ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল রিস্ক।
    দায়= নৈতিক বা যৌক্তিক দায়িত্ব স্বীকার -- এখানে ভ্যালু জাজমেন্ট জড়িত।
    কল্লোল বলছেন 'দায়' কিন্তু উদাহরণ দিচ্ছেন 'ঝুঁকি'র।

    সৈয়দার কথাটিকে আক্ষরিক অর্থে না নিয়ে প্রেক্ষিত বোঝা দরকার।
    আরবিতে পন্ডিত না হলেও শাস্ত্রে কিছু অধ্যয়ন তো জরুরি। বিভিন্ন স্কুল ও ব্যাখ্যাগুলোকে বোঝা জরুরি।
    সংস্কৃতে না হলেও বাংলা/হিন্দিতে বেদ/উপনিষদের/পুরাণের পাঠ করে তবেই ও নিয়ে গভীর আলো্চনার অধিকার হয়। নিদেনপক্ষে ইংরেজিতে।

    আবার আমার মত উপরচালাকি/ফাজলেমি করতে কোনটারই দরকার নেই।ঃ)))
  • 0 | ৩০ মে ২০১৫ ১৭:১৭680022
  • বন্টন ব্যবস্থা ?
    সম্পদের যৌথাধিকার না উত্তরাধিকার-স্বাধিকার - কোন্‌টা ঠিক?
  • dc | ৩০ মে ২০১৫ ১৭:১৮680023
  • রঞ্জনবাবুর সাথে দুটো পয়েন্টেই একমত। দায় আর ঝুঁকির তফাতটা খুব সুন্দর বুঝিয়েছেন, দায় ব্যক্তির হলেও ঝুঁকি কমানোর দায়িত্ত্ব রাষ্ট্রের হওয়া উচিত।
  • 0 | ৩০ মে ২০১৫ ১৭:৩৬680024
  • দায় যে নেয়, ঝুঁকিও তাকেই নিতে হয়।
    সেটা কমানোর দায়্দায়িত্ব অবশ্যই সরকারের - আইন করা, তার প্রয়োগ, আর ন্যায়বিচার।
    তবে যেহেতু সেটা পালনের কোনো শ্যিওরিটি নেই, তাই সেই দায়েরও বেশীর ভাগটাই বইতে হয় ...
  • কল্লোল | ৩০ মে ২০১৫ ১৮:০৬680025
  • তহমিনা। প্রশ্নটা আমার খুশী হওয়া বা না হওয়া নিয়ে নয়। আমাদের অজান্তেই আমরা তর্ক করতে করতে এমন একটা সুরে কথা বলতে থাকি যা অন্যকে তাচ্ছিল্য করে। সেটা কাম্য নয়। এই দোষে বেশ কিছু নাস্তিক ব্লগারও দোষী।
    আপনার তাপসকে লেখাDate:30 May 2015 -- 03:45 PM পোস্ট নিয়ে একমত।
    ইসলামের আশু সংস্কার প্রয়োজন, এবং সেটা করতে পারেন তাঁরাই যাঁরা ইসলাম জানেন। নাস্তিকতা দিয়ে এর সমাধান হবে না। বস্তুত নাস্তিকতা একটা অন্য বিষয়। এর সাথে কোনও ধর্মের কোনওরকম সংস্কারের কোনও সম্পর্ক নাই। যে কোন ধর্মের সংস্কার সেই ধর্মের ভিতর থেকেই করতে হয়। ধর্ম সংস্কার করতে গেলে ধর্মটাকে মানতে হয়, ঈশ্বরে বিশ্বাস করতে হয়, যা কিনা নাস্তিকতার পরিধির বাইরে।

    অক্ষ। দায় ও ঝুঁকি একটা আরএকটার সাথে জড়িত। আজ একজন মাওবাদী যখন সামরিক/আধা সামরিক/পুলিশ বাহিনীর উপর আক্রমণ নামায় তখন সে ঝুঁকি নেয় নিজেও মারা যাবার, দায়টাও তারই।
    উদাহরণটা ঠিক লাগছে না, তাই তো? একজন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বললে/লিখলে (শুধু) তাকেও গুলি খেতে হবে কেন? হয়ও না। কিন্তু, হয় যে না, সেটাও স্বতঃসিদ্ধ নয়। ভারতে হয় না। কিন্তু চিনে হবে না এমন গ্রান্টি কেউ দেবে কি? তাহলে চিনে রাষ্ট্র বিরোধীতা (কথায় বা লেখায়) করলে তার ঝুঁকি ও দায় যে করছে তাকে জেনে বুঝেই নিতে হবে।
    আজ খুবই দুঃখজনকভাবে বাংলাদেশে ইসলাম বিরোধী কথা বললেই খুন হয়ে যাবার মতো অবস্থা তৈরী হয়েছে। এটা কেন হলো, সেটা নিয়ে আলোচনা চাই। কেন সাধারণ মানুষ, যাদের মাত্র এক কি দুই পুরুষ আগের প্রজন্ম এই ইসলামী মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়ে দেশকে স্বাধীন করলো, কত মানুষ প্রাণ দিলো, তারা কেন এরকম উল্টো দিকে হাঁটছে!! যুদ্ধপরাধীদের মাথায় তুলে রাখছে। এটা বুঝতে গেলে ধর্মকে বুঝতে লাগে। ধর্মকে অস্বীকার করে এটা হয় না। এটা মৌলবাদ বা তাদের কাজকম্মো কে মান্যতা দেওয়া নয়। কিভাবে মৌলবাদ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিনের লড়াই থেকে সরিয়ে নিয়ে, আমাদের কাছে অর্থহীন, এক লড়াইতে ঠেলে দিতে সক্ষম হচ্ছে সেটা বুঝতে শেখা।
  • h | ৩০ মে ২০১৫ ১৮:৪৪680026
  • আরে ইংরেজি তে লিখুন না, আমার অন্তত কোনো আপত্তি নেই। সুন্দর ইংরেজি লেখেন তো। যদিও একেবারেই সহমত নই। বাংলা ছাড়া লেখা যাবে না সেটা কোথাও ল্যাখা নাই।

    যা কলা ভুল টই তে বলেছি। হ্যাঁ জামাতি দের সংগে অ্যালায়েন্সে যাওয়ার কোনো মানে নেই বাংলাদেশে এবং তার কারণ টা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সিভিল ওয়ার। এবং এর স্কার কোনোদিন ঘোচা মুশকিল। তিন চার জেনেরেশন লাগবে। আয়ারল্যান্ডে এদ্দিনে হয়েছে খানিকটা। স্পেন, সাউথ আফ্রিকা তে কিছুট মিটলেও, প্যালেস্টাইনে হয়তো কোনোদিন মিটবে না।

    কিন্তু তার মানে এই নয় পোলিটিকাল ইসলামের কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তি নেই। তার মানে এই ও নয় পোলিটিকাল ইসলাম আর রেজিস্টান্স ইস্লাম এ পার্থক্য নাই। তার মানে এই ও নয়, ইসলামে একটাই টেক্স্ট আছে, যার সর্বইব বিরোধিতা না করতে পারলে সেকুলার হওয়া যাবে না। আর অভিজিত রায় সত্যি ই সংখ্যালঘু ছিলেন, সেকুলার দের মধ্যেও ছিলেন, অনেক জায়্গাতেই একমত নই, কিন্তু তিনি অন্য অনেক নব্য সেকুলারিস্ট দের থেকে বেশি লেখাপড়া করেছিলেন, মানুষের কাছে বিজ্ঞান নিয়ে পৌছনোর একটা ইচ্ছে ছিল, প্রচেষ্টাও ছিল, প্রাণ দিলেন, কিন্তু ধর্মের পুরোহিত দের অ্যাটাক করতে দিয়ে স্ক্রিপচার এবং অসংখ্য স্কুল অফ থট এর খেয়াল রাখেন নি।

    ঐটই তেও ছেপে দিলাম।
  • h | ৩০ মে ২০১৫ ১৯:১৩680027
  • প্রথমতঃ তহমিনার সংগে শাক্য ইনসেন্সিটিভ ব্যবহার করেছে, অ্যাপোলোজাইস করলেই ভালো। বাড়িতে কেউ শহীদ না থাকলেও এটা না করলেই ভালো। আর শাক্যর পরিবারে ব্যক্তিগত কষ্টের কিছু আছে কিনা আমরা কেউ ই জানি না, শাক্য কে তাই জানি না।

    এবার আমার গুটি কয়েক প্রশ্ন আছে।

    নানা পড়া ধরেছেন খুব ভালো কথা। ভালো করেছেন। থিয়োরী নিয়ে আলোচনায় শুধু না, বাস্তব (যদিও বাস্তব কখনৈ থিয়োরীবিহীন না, এক্সপিরিয়েন্স এর কোডিফিকেশন যদি থিয়োরী হয়, তাহলে দৈনন্দিন দর্শন - লোকায়ত না, দৈনন্দিন দর্শন ও সার্বিক ভাবেই থিয়োরী) নিয়ে আলোচনাতেই পড়া ধরা উচিত। এটা আমার ওভারল ভালো লেগেছে।

    কিন্তু প্রশ্ন গুলোর মধ্যে কয়েকটা স্ববিরোধ আছে। প্রথমতঃ ধরে নেওয়া হচ্ছে আরবী কুর-আন আর হাদীস না পড়লে, মানে ধরুন ইংরেজি তে পড়লে, একটা রাজনইতিক অবস্থান নেওয়া, পোলিটিকাল প্রসংগে অসম্ভব। শাক্য যদি একটি কথাও বলে থাকে, সেটা হল, পোলিটিকাল ইসলাম একটা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী এবং সেটলার এই সেটলার শব্দটি মূলতঃ ইজরায়েলি স্টেট পলিসি সম্পর্কে বলা হয়) রাজনীতি বিরোধী একটি রাজনইতিক শক্তি, এবং এর সংগে অন্য সাম্রজ্যবাদ বিরোধী দের অ্যালায়েন্স সম্ভব।

    এবার শাক্য ভুল কোথায় করেছে? সেটা হচ্ছে, পোলিটিকাল ইসলাম নামে যা চলে তার মধ্যে ক্যাটিগোরি গুলি র সংগে পরিচয় করিয়ে দেয় নি মানুষের। আমি সেই ধুয়োর কাজটি করছিলাম, খুব বেশি রিজয়েন্ডার দেখি নি। এবং শাক্য আরেকটা ভুল করেছে, মিডল ইস্টে যে অনেকাংশেই প্রক্সি ওয়ার চলছে সেটা খেয়াল করে বলে নি, এবং চেচনিয়া, ইস্ট টিমোর/বালি ও কাষ্মীর কে থিয়োরী তে জায়গা দেয় নি, দিলে ওর ই সুবিধে হত।

    একে একে আসা যাক।

    ইজিপ্ট এর মুসলিম ব্রাদারহুড এবং হামাস - এদের এক সংগে বলা হল কারণ কিছু ব্যক্তি ও ঐতিহাসিক যোগাযোগ রয়েছে। -- এদের ভূমিকা কিন্তু আলাদা। ব্রাদারহুড সত্যি ই অত্যাচারিত হয়েছে ইজিপ্টে, দীর্ঘদিন ধরে, কিন্তু এদের কে আল কায়েদা দের সংগে এক করা যেত না কিছুদিন আগে অব্দিও, এখন নানা রকম প্রকার ফোর্স আছে বলা মুশকিল, কিন্তু ব্রাদারহুডের সমর্থনের বেস এর সংগে জামাতি দের একটা মিল রয়েছে। কিন্তু এরা খুন খারাপি তে অর্গানাইজ্ড ভাবে খুব একটা জড়িত ছিলেন না, যদিও ছোটো শহরে প্রচন্ড পপুলার। এদের সংগে ইজিপ্টে কোনো বামপন্থী রা গেছেন বলে শুনি নি। কারণ ইজিপ্ট ও তুরস্কে বামপন্থী রা ফরাসী বামপন্থার স্টেট ভার্সাস চার্চের ইতিহাস দ্বারা প্রভাবিত, এবং সাংঘাতিক বিশ্বাস বিরোধী, ধর্মবিরোধী কথাটা বলছি না, কারণ এই মুহুর্তে রেফারেন্স দিতে পারছি না।

    আল্জিরিয়া তে ন্যাশনালিস্ট স্ট্রাগল এর পরের ফেসে ঠিক ভারত ও ইজিপ্ট এর মতই বিশ্বাসী দের একটা উত্থান হয়েছে, স্টেট ওয়েলফেয়ার ফেল করার পরে। এখানে জামাতি দের সংগে ঘটনায় কিসুটা মিল আছে। তবে ইজিপ্টের মিলিটারি যেমন ব্লাডি সিভিল ওয়ারে জড়িয়ে পড়েছে, তাতে কদ্দূর এদের উত্থান ভবিষ্যতে থামানো যাবে বোঝা মুশকিল। ব্রাদারহুড কে জংগী গোষ্ঠী খুব স্ট্র্যাটেজিক বা ট্যাকটিকাল সাপোর্ট দিয়েছে শুনি নি।, মানে ইজিপশিয়ান জেনেরাল দের মুখে ছাড়া।

    হামাস তৈরী হয়েছে, প্রক্সি ওয়ার এর পার্ট হিসেবে খানিকটা, আর বিভিন্ন ইজরায়েল বিরোধী ফ্যাকশনের সংঘর্ষে, কিন্তু তাদের মূল ভূমিকা গাজায়, যেটা ইজরায়েলী অত্যাচারে অতীষ্ঠ। হ্যাঁ তারা স্কুল বা হাসপাতাল থেকে লড়াই করে, এসব প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু ইজরায়েল ১৯৬৭ র যুদ্ধ জয়ের থেকে ঐ অঞ্চলে যা করেছে, তার ইতিহাস, লেটা আস ফেস ইট কনটেস্টেড, এবং অতি সাম্রাজ্যবাদী র ধামাধরা ছাড়া তাকে সমর্থন করা মুশকিল।

    জনসমর্থন এর শ্রেণীবিন্যাস এর দিক থেকে, এদের উচ্চশিক্ষিত মানুষের সমর্থন বেড়েছে, ওসলো চুক্তির ফেলিওর এর পরে। এদের পেছনে ইরাণ আছে বলে অনেকের দাবী, কিন্তু এদের মূল ভূমিকা সেটলার পলিটিক্স এর বিরোধীতা।

    ওকে বাকিটা পরে লিখছি।
  • cm | ৩০ মে ২০১৫ ১৯:৩৮680028
  • "শাক্য যদি একটি কথাও বলে থাকে, সেটা হল, পোলিটিকাল ইসলাম একটা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী এবং সেটলার এই সেটলার শব্দটি মূলতঃ ইজরায়েলি স্টেট পলিসি সম্পর্কে বলা হয়) রাজনীতি বিরোধী একটি রাজনইতিক শক্তি, এবং এর সংগে অন্য সাম্রজ্যবাদ বিরোধী দের অ্যালায়েন্স সম্ভব।"

    আমি আবার এর মাঝে "যে আসে আসুক xযাক" দেখছি। বর্তমানকে পাল্টাতে অতীত আর ভবিষ্যত হাত ধরাধরি করে অতীতের পথে হাঁটা খুব একটা প্রাজ্ঞ পদক্ষেপ মনে হয় না।
  • 0 | ৩০ মে ২০১৫ ১৯:৫৩680029
  • h লিখেছেন, "... স্ক্রিপচার এবং অসংখ্য স্কুল অফ থট এর খেয়াল রাখেন নি ..."
    নাস্তিক (প্রচলিত মূলধর্মশাস্ত্র বা তার আংশিক অমান্যতাকারী) মত ইস্‌লামে আছে। আহ্‌মদীয় মত। খ্রিশ্চিয়ানিটিতে প্রোটেস্ট্যান্ট্‌রা। নিরীশ্বরবাদী মতও কি আছে?

    নিরীশ্বরতা একটা সত্য উপলব্ধি, অনুভূতি। কিন্তু সেটা বোঝানো, জানানো একটা হেব্বি কঠিন কাজ :-) উল্টোদিকের সাংঘাতিক রিঅ্যাকশনিস্ট্‌দের বুদ্ধিতে হারিয়ে তাদের মগজধোলাইয়ের রাস্তাটাও অস্পষ্ট।
  • শাক্যজিৎ | ৩০ মে ২০১৫ ১৯:৫৭680031
  • তাহমিনা, সরি। আপনার বাড়ির মানুষদের আঘাত করা উদ্দেশ্য ছিল না কিন্তু তা সত্বেও করেছি যখন অনেস্টি অফ ইন্টেন্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। দু পা পিছিয়ে নিজেকে অ্যাসেস করলাম এবং বুঝলাম আমার ওই কথাগুলো বলা উচিত হয়নি। আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী।

    কিন্তু আরবী স্ক্রিপচার এবং ইসলাম নিয়ে কথা বলার অধিকার বিষয়ে আপনার সাথে একমত নই। কেন পরে লিখছি। সময় লাগবে একটু।

    আবারো, আনকন্ডিশনাল অ্যাপোলজি।
  • সৈয়দা তাহ্‌মিনা আলি | ৩০ মে ২০১৫ ২০:১০680032
  • আবেগ যুক্তির শত্রু। তবে আমরা তো রক্তমাংসের মানুষ, যুক্তিপ্রসূ যন্ত্র নই। তাই আলোচনার মধ্যে অনিবার্যভাবেই এসে পড়ে কিছু ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ, ইতিহাসের দায়, ক্ষোভ ও হতাশা। এই আলোচনায় আমার বক্তব্যে সেই ছোঁয়াচ এসে পড়েছে। এটা উচিত ছিল না। দুঃখিত।

    শাক্যবাবু, আপনার দুঃখপ্রকাশ সময়োচিত এবং আপনার শিক্ষিত মননেরই পরিচায়ক। আপনার প্রতি আমার কোনও ব্যক্তিগত ক্ষোভ নেই। আপনি বাংলাদেশে আসুন, উপলব্ধি করুন কোন যন্ত্রণার জায়গা থেকে বলেছি কথাগুলো।
  • dc | ৩০ মে ২০১৫ ২০:১৫680033
  • বাঃ শাক্যর লাস্ট পোস্ট ভাল্লাগলো, সৈয়দার উত্তরও।

    সৈয়দা আপনি কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। যদি সময় পান, তো সেই প্রশ্নগুলোর উত্তরগুলো একটু ডিটেলে লেখার অনুরোধ করতে পারি? তাহলে এই আলোচনায় প্রশ্নগুলোর রেলেভ্যান্স বুঝতেও সুবিধে হয়, আলোচনাটাও প্রসারিত হয়।
  • সৈয়দা তাহ্‌মিনা আলি | ৩০ মে ২০১৫ ২০:২১680034
  • সংস্কৃত যে-অর্থে মৃত ভাষা, আরবী তা একেবারেই নয়। ইসলামের ভিত্তিভাষা এবং মুসলিম জনসমষ্টির একটা বড় অংশের মাতৃভাষা শুধু নয়, ওয়াহাবী/সালাফী মতবাদের জন্ম, পুষ্টি ও প্রসারণের হাতিয়ার হিসেবে আরবী নিখিল ইসলামী মনোভূমের চাবিকাঠি।

    শব্দের প্রত্যয় বিশ্লেষণ যেখানে সহীহ্‌ হাদিসের ব্যাখ্যার তিনটি প্রধান পন্থার অন্যতম, সেখানে আরবী না জেনে কী করে বুঝবেন কী ভাবে একই হাদিসের শাব্দিক ব্যাখ্যা মুতাজ্বিলা মতে 'সহিষ্ণুতা' আর মাঊদূদী'র মতে 'ধর্মানুরাগ'?

    এইটুকুই।
  • | ৩০ মে ২০১৫ ২০:৩০680035
  • ইসে ওঁর নামটা বোধহয় সৈয়দা নয় নাম তাহ্‌মিনা আলি। মুজতবা আলিকে আমরা সৈয়দ বলি না বোধহয়।

    তাহ্‌মিনা আপনি ঠিক করে দেবেন আমি ভুল বলে থাকলে।
  • | ৩০ মে ২০১৫ ২০:৩১680036
  • ডিসিকে বললাম।
  • dc | ৩০ মে ২০১৫ ২০:৩২680038
  • দ কে ধন্যবাদ।
  • dc | ৩০ মে ২০১৫ ২০:৩২680037
  • ওহ তাহলে তাহমিনা আলি বলবো। ভুলের জন্য দুঃখিত।
  • সৈয়দা তাহ্‌মিনা আলি | ৩০ মে ২০১৫ ২০:৪২680040
  • দ, আপনি ঠিক।

    dc, তার্‌বিয়াহ এবং দিরাসাহ্‌ প্রসঙ্গে প্রথমে বলি। দিরাসাহ্‌ অর্থে পাঠ - যিনি কুরআন, হাদিস, ফিকাহ্‌ পড়েছেন, কিন্তু বিশ্লেষণের তালিম পান নি। তার্‌বিয়াহ অর্থে পূর্বোক্ত শাস্ত্রগুলির গভীর অধ্যয়ন ও তুলনামূলক ব্যাখ্যায় পারদর্শিতা।

    আক্ষরিক অনুবাদে পড়লে শাস্ত্রব্যাখ্যার বোধ জন্মায় না বলেই ইসলামী শাস্ত্রবিদরা মনে করেন। অন্তত দেওবন্দ, আল-আযহার ও দামাস্কাসের অধ্যয়নের ধারা এইটেই।

    একটা ছোট্ট প্রশ্ন - বলুন তো স্মৃতি শব্দটা মনোবিদ্যা আর হিন্দুশাস্ত্র - উভয় আলোচনায় কি একই অর্থ বহন করে?
  • সৈয়দা তাহ্‌মিনা আলি | ৩০ মে ২০১৫ ২০:৪৩680042
  • dc, তাহ্‌মিনা বলেই ডাকুন। এইটেই আমার নাম।
  • dc | ৩০ মে ২০১৫ ২০:৪৭680043
  • তাহমিনা, স্মৃতি নিয়ে আমার একেবারেই ধারনা নেই। আপনি আরেকটু ডিটেলে লিখুন, আগ্রহ নিয়ে পড়বো।
  • কল্লোল | ৩০ মে ২০১৫ ২০:৫৭680044
  • তহমিনা।
    এইবার আপনার কাছে হাত পাতি। আপনার পরিবারের একটা ইসলামী অনুশীলন ও পড়াশোনা আছে। তাই আপনার কাছে অনুরোধ আপনার পরিবারের বয়ঃজ্যেষ্ঠদের সাথে কথা বলুন। মৌলবাদের উত্থানের কারন হিসাবে তাঁদের কি মনে হয়। আর, যদি ইতিমধ্যেই পড়ে না থাকেন তো, পড়ে একটা মতামত জানান। সম্ভব হলে আপনার আব্বাকেও পড়ান। তাঁর মতামত খুব জরুরী।
    ইসলামী চিন্তার পুনর্পঠনঃ সমকালীন মুসলমান বুদ্ধিজীবীদের সংগ্রাম। প্রথম খণ্ড। সংকলন ও অনুবাদ রেহনুমা আহমেদ। মে ২০০৬। একুশে পাবলিকেশন্স লিমিটেড, ঢাকা। প্রচ্ছদ অজ্ঞাত। ৪৬৪ পৃষ্ঠা। ৩৭৫ টাকা।
    তহমিনা আবারও অনুরোধ করছি। আমার কাছে এমন সুযোগ আগে খুব একটা আসে নি। হয়তো গুরুতে আমাদের অনেকের কাছেই আসে নি। আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে আসা একজন মানুষের কাছে তাঁর মতামত জানতে চাই।
  • 0 | ৩০ মে ২০১৫ ২১:১২680045
  • হিন্দুশাস্ত্রে 'শ্রুতি' হলো বেদ-উপনিষদ, 'স্মৃতি' হলো ওর পরে যে সূত্র/শাস্ত্রের বইগুলো লেখা হয়েছে।
  • সৈয়দা তাহ্‌মিনা আলি | ৩০ মে ২০১৫ ২১:১৭680046
  • dc, স্মৃতি নিয়ে আমার জানাও যৎসামান্য। আমি সংস্কৃত জানি না। স্মৃতি এক অর্থে যেমন memory আবার অন্য অর্থে hindu law।

    সৈয়দ বংশীয় কন্যাদের নামের আগে সাধারণতঃ 'সৈয়দা' বসানো হয়। হয়তো সবাই জানেন, তবুও লিখি, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দ)-এর দৌহিত্র হাসান ইবন আলি ও হুসাইন ইবন আলি'র বংশোদ্ভূত পুরুষদের সৈয়দ বলা হয়। ১৬৩২ খ্রীষ্টাব্দে ওসমানলি তুর্কী খিলাফতের কাজী ওয়াজিদ ইবন আল-মনসুরের ফতোয়া অনুযায়ী সৈয়দ উপাধি মায়ের দিক থেকেও পাওয়া যেতে পারে।

    ধান ভাঙতে শিবের গীত শোনাবে হয়তো, তবু সৈয়দ প্রসঙ্গে আমার বংশের গল্পটা বলেই ফেলি।

    আমি যদ্দূর জানি, ইরানের মেশেদ শহরের সন্নিকটে জিহালা গ্রামের এক ইসনা শিয়া পরিবার (মুত্তেখ্বাজুল কউম) -এর সৈয়দ শওকত আলি'র তৃতীয় পুত্র সৈয়দ উসমান আলি ইসনা শিয়া মতবাদ থেকে হানিফী সুন্নি মতবাদে বিশ্বাস স্থাপন এবং এজন্য তাঁকে ইরান ছেড়ে মোগলশাহীর লাহোরে পালিয়ে আসতে হয়। এর অনেক বছর পরে বংশের শিয়া শাখার জ্যেষ্ঠ পুত্র নাদির শাহের বিজয়ী সেনার সঙ্গে ভারতে আসেন। প্রসঙ্গত, এই শিয়া শাখার প্রখ্যাত পুরুষ সৈয়দ আমীর আলি, যাঁর নামে নাকি কলকাতায় রাস্তা আছে শুনেছি (সত্যমিথ্যা জানি না)।

    সৈয়দ উসমান আলির পৌত্র শাহ সুজার কাছ থেকে ঢাকা সুবার কিছু জমিজমা বৃত্তি হিসেবে পান এবং সেখানে মক্তব খুলে বসেন। আলমগির শাহেনশাহ এই জমির বন্দোবস্ত বাতিল করেননি। এর পরে এই শাখার ইতিহাস ইসলামী শাস্ত্র অধ্যয়ন ও অধ্যাপনার মধ্যে সীমিত, অন্ততঃ ১৯৩৯-এ লীগ রাজনীতিতে প্রবেশের আগে পর্যন্ত।
  • সৈয়দা তাহ্‌মিনা আলি | ৩০ মে ২০১৫ ২১:২৪680047
  • কল্লোল,

    অবশ্যই। আমার আব্বা এখন আর তেমন বই পড়তে চান না, বিরক্তি, হতাশায় খুব সম্ভব। তবুও এই বইটার কথা নিশ্চয় বলব, আর তাঁর মতামতও জানতে চাইব।
  • h | ৩০ মে ২০১৫ ২২:৫৪680048
  • যাক খুব সুন্দর লাগলো। কল্লোল দার বক্তব্যে সম্পূর্ণ সহমত। তহমিনা একদাম আমাদের ধরে ধরে শেখান, বা তাঁর আব্বার ইনটারভিউ প্রকাশ করুন। অনেক পিপাসু মানুষের অনেক দিনের মনের আষ মিটবে। থ্যাংক ইউ কল্লোল দা, it is fantastic idea মতইক্য অপ্রয়োজনীয় কিন্তু রাগারাগি এখানে করলে মানুষ কেন চাপাতি নিয়া দৌড়ায় সেটা পরিষ্কার হয়।

    আল আজহার ও দামাস্কাস এর ট্রেনিং যাঁদের রয়েছে (নিজের কান ধরে, আদি ও পরম শ্রদ্ধেয় শান্তিনিকেঅনি স্বয়ং মুজতবা ও সেখানে গেছিলেন), তাঁদের প্রতি প্রচুর শ্রদ্ধা নিয়েই বলছি, এটা পান্ডিত্যের দাবী হতে পারে, কিন্তু জ্ঞানের গনতন্ত্রীকরণের বিরোধী দাবী। ল্যাটিন না জানলেও ঈশ্বর কে জানা যাবে, এবং প্রয়োজনে বাড়ি নিজের ভাষায় টীকা সহযোগে বা আলাদা এই ধারণা থেকে গুটেনবার্গ প্রকাশনা আন্দোলন তথা রিফর্মেশন এর শুরু। যাঁরা ইসলামে রিফর্মেশন না চাইলেও এক ধরণের আধুনিকতা চাইছেন, তাঁরা এই দাবী করেন কি করে? আর যদি না চান তো কেন চাইছেন না সেটার ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। এবং এটা সুদূর উত্তর ইউরোপের অবস্কিওর ঘটনা বলে মনে করাটা বোকামি হবে। পরিবারিক ভাবে খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বী সুকুমারী দেবী যখন বেনারসে পড়তে যান, সংস্কৃতজ্ঞ ব্রাহ্মন তাঁকে গোবর সামনে নিয়ে পড়াতেন। তো আমি সুকুমারি ই পড়বো প্রয়োজনে শিকাগো গিয়ে বেদ পড়ব, কিন্তু বাজে গোবর সামনে নিয়া পড়ব কেন? এটা শিক্ষার গণতন্ত্রীকরণের দাবী। পড়বো না বলিনি।

    ক্যাটিগোরি গুলোতে ফেরার আগে, আরো কয়েকটা কথা বলি। শাক্য আরেকটা ভুল করেছে, সেটা তাত্বিক ভুল, সেটা হল, রাজনীতির চর্চা টাকে শিক্ষিত রাজনইতিক কর্মীর দৃষ্টিতে শুধু দেখেছে এবং দার্শনিক দিক গুলি ছুঁয়ে গেলেও, ঐতিহাসিক দিক গুলি ছুঁয়ে যায় নি। যদি যেত, তাহলে, জামাতের পাশে হেজবোলা আর হামাসের কে রাখতো না। কারণ জামাতের সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী কোনো ক্রেডিবিলিটি নেই, যদিও ডিস্কন্টেন্ট ও ফেইল্ড স্টেটের দেশে, রেমিটান্স ইকোনোমি এবং লো লেভেল ইকোনোমিক নেট ওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ তারা করেছে, একমাত্র সেটি ই প্রকরণগত ভাবে তাদের ব্রাদার হুড ও হামাসের সংগে মিল।

    হেজবোলা সম্পর্কে বলা হয় নি, ৬৭ র পর থেকে, ইজরায়েল একটা জুদ্ধেই নস্তানবুদ হয়েছে, সেটা ২০০৬ এ নাসারেলার কাছে। ক্যাপ্টেন শালিত ও আরেকজন অপহৃত হওয়ার পরে তারা তোলপাড় শুরু করে গাজায় এবং সাউথ লেবানন ফ্রন্ট ওপেন করে, কিস্যু করতে পারেনি, স্কুল বাড়ি হাসপাতাল বোম্বিং করেও। তো এটা হেজবোলা কি করে পারলো। একটা ধরে নিলাম সিরিয়ার আসাদের সাপোর্ট, আরেকটা এটাও ধরে নিছি, প্যালেস্তিনিয়ান রিফিউজি ক্যাম্পের ফাইটিং পাওয়ার শেষ হয়ে গেছে যখন, এটা ছাড়া বিশেষ কিছু উপায় ছিল বলে মনে হয় না,কিন্তু প্যালেস্তেনিয়ান ন্যাশনালিজম, আরব ন্যাশনালিজম, এখন ধুলিসাৎ প্রায়, সে জতই কাতারে ওয়ার্ল্ড কাপ হোক।

    এবার আমাদের এটাও খেয়াল রাখতে হবে, আইসিস যখন সিরিয়ায় তান্ডব চালাছে, তখন হেজবোলা লোক পাঠিয়েও, ম্যানেজ দিতে পারছে না কেন? অতএব হেজবোলা হারছে না বলা গেলেও সুবিধে করতে পারছে না বলতে হবে, তার কারন আসাদ রেজিম দুর্বল হয়েছে বলে আন্দাজ করতে পারি, কাগজ পড়ে তাই মনে হয়।

    তো দেব কথিত শিবের গীতটির প্রয়োজন এই কারণে, এটা বুঝতে হবে, শাক্যকে, যে হ্যাঁ সাম্রজ্যবাদ বিরোধী ফাইটে যেমন লেবানন ফ্রন্টে হেজবোলার সত্যি কারের সাফল্য রয়েছে, তেমন ই, লেবাননে প্রধান মন্ত্রী হত্যা এবং প্রক্সি ওয়ারের গল্প একটা রয়েছে। এবং এই সাহায্য লেবাননের মার্ক্সিস্ট লেনিনিস্ট রা পান নি। ইহা অয়`আগোলা ছিল না।

    এবার কাশ্মীর। কাশ্মীরের স্ট্রাগল এর সংগে পোলিটিকাল ইসলামের যোগাযোগ কম, এটি অর্ধ শতাব্দী প্রাচেন রিজোনাল ডিসপুট। এখনো পর্যন্ত ভারতীয় স্টেট ক হাজার লোক কে খুন করেছে, আর সন্ত্রাসবাদী দের হাতেই বা ক হাজার লোক মরেছে ইয়ত্তা কম। তবে খুনের শিয়ার সংখ্যায় স্টেট এগিয়ে, এবং সর্বোপরি, ১০৬ টি কিশোর হত্যার তদন্ত ও ঠিক করে করতে পারে নি, এক্ষেত্রে ভারতীয় স্টেট ক্ষমার অযোগ্য, এবং শাক্য র পোটেনশিয়াল সিম্প্যাঠি সাহসের পরিচয়, প্রশংশাড়।

    এর পরে আল সদর। ইরাকে যখন যুদ্ধ শেষের দিকে তখন সম্ভত দুটো কারণে, একটা হল সাম্রাজ্যবাদী ভাগ বাটোয়ারা (লন্ডন কনফারেন্স ২০০৫) ও এথনিক/ট্রাইবাল কিন রিলেশন্স কে কাজে লাগিয়ে একটা প্রি মডার্ন স্ট্রাকচার কে দিয়ে সাদ্দামের বাথিস্ট সেকুলার শাসন কে যখন রিপ্লেস করার চেষ্টা চলছে, এবং ইরাকী আর্মী কে বাড়ি যেতে বলা হয়েছে অস্ত্র সহ, তখন নতুন করে শিয়া অঞ্চলগুলিতে অত্যাচার শুরু হয়, এবং শিয়া নেতৃত্ত্বের একটা অংশ হয়তো মনে করতে থাকে, এই মাৎস্যন্যায়ে তাদের স্ট্রীট ফাইটের লোক জরুরী। মনে রাখতে হবে, লাখ ছয়েক লোক ( মেডিকাল জার্নাল ল্যান্সেট এর হিসেব) সদ্য মারা গেছেন, একটা রেজিস্টান্স ফোর্স গড়ে ওঠে, এটা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই বলা যায়, যেটা আইসিস কে কখনই বলা যায় না।

    আমেরিকার গণতন্ত্রপ্রেম যা কিনা সৌদি, জর্ডান ইত্যাদি ডিক্টেটরশিপ চালায়, আর ইরাকে বোমা বর্ষণ করে, এবং এখন ইরানের ইন্ডিপেন্ডেন্ট নিউক্লিয়ার প্রোগ্রামে ভীত একটি সুন্নী লিডারশিপ এর অনেকটাই খেলা মাত্র। খিলাফত প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখিয়ে, তারা গোঁড়া ইসলামিক যোদ্ধার স্বর্গ আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নিয়ে গেছে। এবং আরো মজার কথা এখন আল কায়দা ভাবাদর্শের দিশারী আর না, এই লাদেন পরবর্তী যুগে।

    শাক্য র যে ফাঁক ফোকর গুলি দেখানো র চেষ্টা করলাম, তার আরেকটি উদ্দেশ্য হল, আরেকটি উপলব্ধি কে সামনে না। থিয়োরী র নেচার হল, তাকে গেনেরালাইজ করতে হবে, তার বিরোধীতা যাঁরা বাস্তব অভিজ্ঞতা দিয়ে করেন, তাঁরা ভুলে যান, দইনন্দিন অভিজ্ঞতার বাইরের জগত টাকে তাঁরাও থিয়োরাইজ করে ফেলছেন।

    ইনার স্টেট প্রসংগে সাচার কমিটির বক্তব্যের সংগে শাক্যর বক্তব্যের বিশেষ পার্থক্য নাই, এবং তার একমাত্র কারণ এটা না, যে সেটা ইংরেজি তে লেখা ;-)
  • h | ৩০ মে ২০১৫ ২২:৫৮680049
  • * অ্যাংগোলা

    -যাই হোক আদি অ্যাকটিভ ভাটুরে হিসেবে এবার রিটায়ার করলাম। আমার মুখরতা গরিমায় আমি ই ক্লান্ত। আপনারা তো বটেই। নতুন মানুষ রা নতুন বক্তব্য রাখুন। প্রার্থনা করি তহমিনার বাবার কোন ল্যাখা যেন এইখানে বাইরায়।
  • সুকি | ৩১ মে ২০১৫ ০৫:০০680050
  • এই থ্রেডটি মন দিয়ে পড়ছি - অনেকের লেখা ভালো লাগছে, নতুন কিছু শেখা যাচ্ছে। গুরুতে যাদের মননশীল মতামত নানা জায়গায় পড়ি তারা ছাড়াও তাহমিনা-র লেখা এখানে খুব ভালো লাগছে - আপনি লিখতে থাকুন তাহমিনা।

    আর একটা কথা - এখানে লেখা শাক্যর বেশীরভাগ মতমতের সাথেই একমত নয়। বরং বাস্তব থেকে সুদূরে অবস্থান কারী একজন বই পড়ুয়া বলেই মনে হয়েছে। গতকাল শাক্য যেভাবে তাহমিনাকে আক্রমণ করেছিলেন তাতে গুরুর গতানুগতিক ধারার প্রকাশ পেয়েছিল। কিন্তু আজকে দেখলাম 30 May 2015 -- 07:57 PM শাক্য তাহমিনার কাছে ক্ষমা চয়েছেন। যেটা দেখে খুবই ভালো লাগল, এবং ব্যক্তি শাক্যর উপর শ্রদ্ধা এল। ক্ষমা চাওয়া বড় কঠিন জিনিস মনে হয় মাঝে মাঝে - এই গুরুর পাতাতে সেটা তো বিরল বটেই। তাই শাক্যর ক্ষমা চাওয়াকে বাহোবা জানিয়ে গেলাম - গুড স্পিরিট।
  • aranya | ৩১ মে ২০১৫ ০৬:৫২680051
  • আমারও খুব, খুব ভাল লাগল শাক্য-র এই ক্ষমা চেয়ে নেওয়াটা।

    অনেক পিছনের পাতা থেকে পড়তে শুরু করেছিলাম, আর শাক্য-র মন্তব্যে চমকে যাই। একজন লিখছেন তার পরিবারের ১৭ জন মানুষ বিভিন্ন সময়ে মৌলবাদী-দের হাতে খুন হয়েছেন। তাকে মরাল হাই গ্রাউন্ড নেওয়া, ব্রাউনি পয়েন্ট এসব বলা যে কতটা ইনসেন্সিটিভ..বিশেষতঃ শাক্য নিজেই যখন অন্যদের সেন্সিটিভিটি-র সাথে ট্রিট করার কথা বলে।

    ঐ কমেন্ট-গুলো পড়ে খুবই খারাপ লেগেছিল, সেই খারাপ লাগাটা চলে গেল এখন। অনেক ধন্যবাদ শাক্য, রিয়ালি মিন ইট।

    এই স্পিরিট-টাই দরকার।

    তাহমিনা, এই টইতে লিখতে থাকুন। ভাল লাগছে আপনার লেখা পড়তে। ওয়েলকাম টু গুরু ফ্যামিলি :-)
  • কল্লোল | ৩১ মে ২০১৫ ০৭:৪৬680053
  • তহমিনা। ইয়ে মানে গুরুতে আপনাকে পেয়ে একটু লোভ বেড়ে গেলো। আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ কি ইসলামিক ব্যাঙ্কিং নিয়ে লিখতে আগ্রহী? আমর খুব জানতে ইচ্ছে হয়। ব্যাংককে বললে তারা নাকি গ্রাহকের হয়ে তার অ্যাকউন্ট থেকে জাকতও করে দেয়? সূদ না দিয়ে লাভের ভাগ দেয়। তবে কি ইনভেস্টমেন্টে গ্রাহকের কোনও হাত থাকে?
    প্রশ্নগুলো হয়তো বোকা বোকা। সেটা আমার অজ্ঞানতার ফসল বলে ক্ষমা করে দেবেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন