এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ভোটযুদ্ধ ২০১৭

    pi
    অন্যান্য | ০৯ মার্চ ২০১৭ | ১৮৮০৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ১০ মার্চ ২০১৭ ০৮:৩৯365476
  • ডিডিদা, ইলেকশানের কি কমতি আছে? আর ক্রস বর্ডার টেরোরিজমও চলতেই থাকবে :p
  • S | ১০ মার্চ ২০১৭ ০৮:৩৯365465
  • ডিমনির ফলে এই প্রথম ইন্ডিয়ার জিডিপি নাম্বারে লোকে পোশ্নো তুলেছে। এর ফল ভবিষ্যতে ভালো হবেনা।
  • dd | ১০ মার্চ ২০১৭ ০৮:৫৫365487
  • ইলেকশনের কমতি তো আছেই। এর পরে ঝট করে আবার একটু ইম্পর্টান্ট ইলেকশন আবার এক বছর পর।

    তবে ক্রস বর্ডার টেরোরিজমের কমতি হবে না এতো তাড়াতাড়ি।
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৭ ০৮:৫৬365498
  • জিডিপি ফিয়াস্কোটা নিয়ে কেউ লিখলোনা এখানে ?
  • | ১০ মার্চ ২০১৭ ০৯:০৭365509
  • গোয়াতে আপ নিয়ে মহারাস্ট্রের বিজেপীন বেশ খানিক চিন্তিত ছিল। এখান থেকে চেনাশুনো বিজেপী ছেলেপুলেরা গোয়াতে ভোট করাতে গেছিল। এখন যদিও মুখে বেশ কনফি দেখাচ্ছে সব রাজ্যেই, কিন্তু আমার মনে হচ্ছে গোয়ায় আপ আস্তানা গাড়ছে আস্তে আস্তে।
    এটা ভাল।

    এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তের খুব কিছু লাভ হয় না বরং খানিক ক্ষতি হয় যদি এক্সিট ইত্যাদি ঠিক করে প্ল্যান করে আশেপাশে জনপদগুলোর উন্নতির ব্যবস্থা না করা যায়। রুরাল ইউপির মত নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে দুম করে একগাদা এক্সপ্রেসওয়ে হলে সবচেয়ে প্রথমে অসুবিধেয় পড়ে আশেপাশের জনপদের লোকগুলো। রাস্তা পেরোন যাবে না যেখানে সেখানে, গাড়ী চাপা পড়ে মরবে, রাস্তা পেরোতে গেলে অনেকটা ঘুরে যেতে হবে এগুলোকে আপদ হিসেবে দেখার কথা, আন্ডারপাস ইতাদির প্রপার প্ল্যানিং না হলে। ঠিক এই জিনিষটা হয়েছিল মেহেরৌলি ফ্লাইওভার ও ঐ অঞ্চলে পরপর কয়েকটা ফ্লাইওভার হওয়ার পরে।
  • j | ১০ মার্চ ২০১৭ ০৯:৩৮365531
  • আর ইউপির ইলেক্টিরির কথা ? যেটা এবারের প্রায় প্রধানতম ইস্যু-মেমে-বোক্তিমে

    খারাপ না ... কারেন্ট মাঝেমধ্যেই আসে বলে শোনা যায়
  • S | ১০ মার্চ ২০১৭ ০৯:৪৪365542
  • জিডিপির ব্যাপারটা আর ফিয়াস্কো নাই। সরকার ঠিকমতন এক্সপ্লেইন করতে না পারলে সব থেকে বড় কোরাপশান হিসাবেই দেখা হবে। এনিওয়ে আমি যেটুকু বুঝেছি (এই ব্যাপারে খুব বেশি জানিওনা, খুব বেশি পড়েও দেখিনি, অতেব ভুল থাকতেই পারে)ঃ

    ভারত সরকার ২০১৫তে জিডিপির মেথডলজি চেন্জ করে। মুলতঃ দুটি চেন্জ করা হয়।
    এক, কম্পারিজনের বেস ইয়ার ২০০৪-০৫ থেকে ২০১১-১২ তে নিয়ে আসা হয়। এর ফলে জিডিপি গ্রোথ নাম্বার বেড়ে যায়। এমনকি ইউপিএ২ এর সময়ে জিডিপি গ্রোথ কম ছিলো - অর্থনৈতীক ভাবে ইউপিএ২ তেমন ভালো পারফর্ম করতে পারেনি, সেইটা বলা হয়েছিলো (বিজেপিও বলেছিলো); এই চেন্জ করার ফলে দেখা যায় যে নতুন হিসাবে গ্রোথ খুবেকটা কম ছিলো না। ২০১৩-১৪র গ্রোথ ৫% পাল্টে ৬.৯% হয়ে গেছে ইত্যাদি। এটা ইকনমিস্টদের কনফিডেন্স কমিয়ে দেয়।
    দুই, ম্যানুফ্যাকচারিঙ্গ আর ফাইনান্সিয়াল সেক্টরের ওয়েট বেড়ে যায় ফর্মুলাতে। কিন্তু ফ্যাক্টরি আউটপুট বা ব্যান্ক ক্রেডিট দেখে এক্সপার্টরা এই ওয়েট বাড়ানোর কোনো কারণ খুঁজে পায়্না। এই দুই কারণে লোকে এমনিতেই জিডিপি ডেটার উপরে সন্দেহ করতে থাকে। মানে সহজ কথায় চেরী পিকিঙ্গ করা হয়েছিলো জিডিপি গ্রোথ বেশি দেখানোর জন্য। এর আগে চীনের বিরুদ্ধে এইধরনের অভিযোগ ক্রমাগত উঠেছে (চীনের অবশ্যি আরো অনেক দোষ আছে)। কিন্তু ভারত সরকার দাবী করে যে তাদের হিসাবে (কিছু কর্পোরেট ডেটাবেস ব্যবহার করা হয়) এটাই ঠিক মেথড আর ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডের সাথে মেলে। ফলে অনেকেই মেনে নেয় এই নতুন পদ্ধতি - তেমন খুবেকটা ঝামেলা হয়্না।

    কিন্তু ইকনমিস্টরা ব্যাক সিরিজ চেয়েছিলো (মানে এই নতুন মেথডে বিগত কয়েক বছরের/দশকের জিডিপি গ্রোথ আবার ক্যালকুলেট করে দাও)। তাতে ভারত সরকার বিগত বছর চারেকের ডেটা দিয়ে ক্ষান্ত হয়; প্রথমে বলে দেবো দেবো; এখন জানা যাচ্ছে যে সেই পুরো সিরিজ কখনই জানা যাবে না; আর যেটুকু আসবে সেটা কবে আসবে কোনো ঠিক নাই। অবিশ্বাস আরো বেড়ে যায়।

    ইতিমধ্যে ডিমনিটাইজেশনের পরেও অক্টোবার-ডিসেম্বরের যখন জিডিপি নাম্বার আসে (৭.1%), তখন দেখা যায় সবাই যা ভেবেছিলো (ডিমনিটাইজেশনের ফলে মন্দা) তার থেকে অনেক অনেক বেটার পারফর্ম করেছে ইকনমি। এবং ইন্ডিয়া এখনো ফাস্টেস্ট গ্রোয়িঙ্গ ইকনমি। এইবারে ইকনমিস্টরা আর চুপ থাকেনি।

    গ্রাউন্ড রিয়ালিটির সাথে ডেটার ফারাক প্রচুর। ইকনমিক নাম্বার গুলো সার্ভে করে পাওয়া হয়। অতেব সেখানে স্যাম্পেল বায়াস থাকবেই - সেটা সবাই জানে। কিন্তু এতো ফারাক কখনো কেউ এক্সপেক্ট করেনা। এর মানে হয় (১) মেথডে (ফর্মুলাতে) গন্ডগোল বা (২) ভুল ভাবে স্যম্পলিঙ্গ করা হচ্ছে বা (৩) কারচুপি আছে। আমার মনে হচ্ছে তিনটেই।
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৭ ০৯:৫৩365553
  • ওহো, এটা না দেখেই ডিমনিটাইজেশনের এর সুতোয় লিখলাম।
  • dc | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:০২365565
  • S এর সাথে একমত। স্যাম্পলিং বায়াস ছেড়ে দিলেও, কারচুপি আর ভুল মেথডোলজি, দুটোরি সম্ভাবনা আছে। তবে দুয়েক জায়গায় পড়ছি যে ডিমনির শকের ফলে অ্যাক্রস দ্য বোর্ড ডিজিটাল ট্রানসাকশান বাড়ছে। এটা যদি লং রান ট্রেন্ড হয়, আর তার ফলে যদি ফর্মাল সেক্টর বাড়ে, তাহলে এই গুপি গুলো করার প্রবনতা একটু কমবে।
  • S | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৩৫365576
  • এইবারে ডিমনিটাইজেশন নিয়ে লিখি। তার আগে লিখে দিইঃ আমি ডিমনিটাইজেশন সহ কালো টাকা উদ্ধারের সমস্ত রকম প্রক্রিয়াকে দুহাত তুলে সমর্থন করি। ডিমনিটাইজেশনের কতগুলো টার্গেট ছিলো।

    প্রথমতঃ রাজনৈতীক। ধারণা ছিলো যে কঙ্গ্রেস ঝামেলায় পড়বে। কিন্তু সর্বভারতীয় দলের ক্ষেত্রে কালো টাকা সাদা করা বা নতুন করে কালো টাকা তোলা একদমই বড় ব্যাপার নয়। আর কঙ্গ্রেসের এই মুহুর্তে তেমন কোনো বড় ইলেকশন ছিলোনা (ইউপি এমনিতেই হাতের বাইরে, পান্জাবে এমনিতেই জিতবে)। নেতাজী ঝামেলায় পড়তে পারতো - অখিলেশ থাকায় বোধয় সপাতে এখন কালো টাকার প্রভাব অপেক্ষাকৃত কম। বহেনজীর চাপ ছিলো - নো ওয়ান্ডার এইবারের ইলেকশনে তেমন ভালো ফল করবে না। তবে ইলেকশনের পরে হাঙ্গ এসেম্বলিতে যে পরিমাণ কালো টাকার লেন দেন হবে তার সিংহভাগ যাবে বহেনজির কাছে - হয়তো সেই কারণেই তিনি চুপচাপ। আপের তো কোনো ঝামেলাই নেই। এক ফাপরে পড়েছিলেন দিদি - তাই তিনি অনেক লম্ফ ঝম্ফ করেছেন। সে তো দেখাই গেলো। দক্ষীনের দলগুলো নিয়ে ধারণা কম। সারদ পাওয়ারেরও কালো টাকা সাদা করার অনেক উপায় আছে।

    সেকেন্ড, খেয়াল করবেন, আনলাইক বাজপেয়ী সরকার, এই সরকারের বাজেট অত্যন্ত রুরাল বেসড। গ্রামীণ ইলেকট্রিসিটি, রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার, অ্যাগ্রো ক্রেডিট, জন ধন, আধার ইত্যাদি তো আছেই; এমনকি মনরেগাতেও আরো বেশি করে টাকা ঢেলেছে। এর কারণ বাজপেয়ি সরকার হেরেছিলো গ্রামে/আধা শহরে (রিমেম্বার শাইনিঙ্গ ইন্ডিয়া) - মোদিজী সেই ভুল আর করবেন না। আর ইউপি জিততেই হবে। এখন এইসব করতে গেলে দরকার পোচুর পয়সা। তাই যদি ব্ল্যাক ইকনমিকেও সিস্টেমে নিয়ে আসা যায়, তাহলে ট্যাক্স কালেকশন ভালো হবে। ভেবে দেখুন জেটলি কিন্তু ট্যাক্স রেট তেমন কমান নি - ধরে নেওয়া হয়েছিলো মধ্যবিত্তের ত্রাতা হবে এই সরকার। রিসেন্ট বাজেটের পরে শহুরে মধ্যবিত্ত থেকে শিল্পপতিরা খুবেকটা খুশি হননি।

    এছাড়া ফর্মাল ইকনমির সাইজ বাড়লে অন্য বেশ কিছু ভালো জিনিস বাইপ্রোডাক্ট হিসাবে পাওয়া যায়। যেমন সুদের হার কমলো। ইনফ্লেশনও কম থাকতে পারে। যেহেতু মানি সাপ্লাই এখন কম। এছাড়া দেশের লোন নিতে সুবিধা হবে। ইকনমিকে ডিজিটালাইজেশন করে দিতে পারলে নিস্চই আরো অনেক কিছু সুবিধা আছে।

    নিসন্দেহে ভালো আইডিয়া। কিন্তু বিফলে গেলো কেন? এক, ইম্প্লিমেন্টেশন। ছড়িয়ে লাট করেছে। কাজটা এমনিতেই কঠিন ছিলো। দুই, লোকে নতুন পদ্ধতি পেয়ে গেছে (জন ধন ইত্যাদি) কালো টাকা সাদা করার। তিন, আজকাল আর কেউ লোকে কাঁথায় টাকা ভরে রাখেনা - প্রপার্টি প্রাইস কি এমনি বাড়ছে?

    এখন আরেকটা কথা ভাবার আছে। এই সিদ্ধান্তের কথা অমিত শাহ আগে থেকেই জানতেন। ফলে বিজেপির পক্ষে নোট বন্দীর কুফল এড়ানো সম্ভব হলো? আর কে কে জানতো? কে কে আন্দাজ করতে পড়েছিলো? মোদিজী তো গুজরাতী - এখনো অবধি কালো টাকার যতগুলো লিস্টি বানানো হয়েছে তাতে এদের সংখ্যা সর্বাধিক। তাহলে কালো টাকা ধরার জন্য উনার এতো মাথাব্যথা কেন? আর প্রতিবারেই উনি এতো কম কালো টাকা পান কি করে? প্রথমে জানা গেলো বিদেশি অ্যাকাউন্টে কালো টাকা প্রায় নেই বললেই চলে। এখন দেখা যাচ্ছে সব টাকা ফিরে এসেছে। তাহলে কালো টাকা কোথায়? নাকি এগুলো লোক দেখানো - কালো টাকা সাদা করার বিভিন্ন স্কীম।
  • Arpan | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৪৪365587
  • পাঞ্জাবও জিততে না পারলে রাউলবাবার হাতে পড়ে রইল শুধু কর্ণাটকা। সেখানেও সামনের বছর নির্বাচন।

    ইয়েচুরিবাউর হাতে তাও পেনসিলের মত কেরালা রয়েছে।

    হরি হে।
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৪৮365598
  • কেন, ত্রিপুরা ? সেখানেও সামনের বছর নির্বাচন। বিজেপি ট্রাইবালদের পৃথক রাজ্যের দাবি নিয়ে উসকিয়ে খুবি বিষাক্ত মরণকামড় দিতে অল আউট নেমেছে। এখন থেকেই প্রায় রোজ বিজেপির ধর্না, মিছিল, বনধ লেগেই আছে।
    তবে মনে হয়না মানিকবাবুর সরকার সরাতে পারবে। গণ্ডগোল যদিও বিস্তর হবে। হচ্ছে। তার খেসারত কতভাবে কদিন ধরে দিতে হয় দেখা যাক।
    এরকম একটা বিষাক্ত বিপজ্জনক দল কম দেখা যায়।
  • dc | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৫২365609
  • দেখুন ডিমনিকে কিন্তু আমি প্রথম থেকেই শর্ট টার্ম গেইন হিসেবে দেখিনি, রাজনৈতিক সিগনিফিকেন্স তো একেবারেই ধরিনি। ৮ নভেম্বরের রাত আটটায় যখন প্রথম নেটে জানতে পারলাম, আর তার পরেই টিভি চালিয়ে ব্যপারটা দেখলাম হোক্স না, তখন রাত্তির দশটা নাগাদ আমার বাড়ীর কাছে একটা টাকা জমা দেওয়ার এটিএমে লাইনে দাঁড়িয়ে পরেছিলাম। সেখানে আমার দুয়েকজন প্রতিবেশীও ছিলেন, একজনকে বলেছিলাম, দেখে নেবেন, একদিন এই ডিমনিকে মনমোহনের ইকনমিক রিফর্মের সাথে তুলনা করা হবে।

    হ্যাঁ, এটা বলতে পারেন যে আমি বিশেষ অবাক হয়েছিলাম মোদি এই পদক্ষেপ নেওয়ায়, তার বদলে মনমোহন এরকম কিছু করতে পারলে অনেক বেশী স্বাচ্ছন্দ বোধ করতাম। কিন্তু যাই হোক, মোদি দু হাজার মানুষ খুন করে থাকলেও, অন্য কোন ইস্যুতে সঠিক পদক্ষেপ নিলে সেটা সাপোর্ট করবো না এরকম নয়। কাজেই শর্ট টার্মে ইকনমিক ডিসট্রেস হয়েছে, সেভাবে বাজেট বানানো হয়েছে, মোদি প্রচুর ঢপ দিয়েছে সেসব তো বটেই। কিন্তু লং টার্মে যেমন মনমোহনের রিফর্মসের ফলে মডার্ন ইন্ডিয়া গড়ে উঠেছিল, সেরকমই হয়তো লং টার্মে ডিমনির ফলে লোকের মানি হ্যান্ডলিং অভ্যাসের পরিবর্তন আসবে। ডিমনির আসল পাওয়া হবে সেটাই।
  • dc | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৩365620
  • আগের পোস্টটা s এর পোস্টের পরে আসবে।
  • S | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৪365631
  • বুঝছি।
  • Arpan | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৫365653
  • আর অখিলেশ যদি সত্যিই পিছিয়ে পড়ে সেটা হবে সিক্সথ আর সেভেন্থ ফেজের পোলে। যে দুটো অঞ্চল ইউপির পূর্বপ্রান্তে এবং ইউপির বাকি অঞ্চলগুলোর থেকে অনেক পিছিয়ে থাকা। বারাণসী বেস করে শাহ এন মোদী জুটি এখানে মাটি কামড়ে পড়ে ছিল।

    এইখানে বিজেপি যদি ক্লিন সুইপ করেই থাকে, তাহলে এক, ডিমনির এফেক্ট জুজুসর্বস্ব প্রমাণ হবে এবং দুই, অখিলেশের তথাকথিত সুশাসনের ঢেউ এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসে পৌঁছতে পারেনি সেটাও প্রমাণিত হবে।

    এছাড়াও বিহার লাগোয়া অঞ্চলে অনেক জায়গায় ভালো কুর্মি ভোটব্যাঙ্ক আছে। এখানে কয়েকটা সিট নিতীশবাউকে ছেড়ে দিলে উনি হয়ত পস্তাতেন না।

    আর কং সাবোতাজ করে নিজের আসন বাড়িয়ে নিল কিনা (যেমতি ২০১৬ সালে বঙ্গদেশে ঘটেছিল) সেটাও হয়ত বোঝা যাবে কাল।
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৫365642
  • লং টার্মের কথা ভাবলে আগে ডিজিটাল ব্যাকবোনটা বানাতে হত না ? সেটা হয়েছে বলে মনে হয় ?
    বাস্তবে কী কী ধরণের সমস্যা হচ্ছে, হতে পারে, সেটা হয়তো মেট্রো শহরে বসে বোঝা কিছুটা শক্ত।
  • Arpan | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৮365676
  • ত্রিপুরা সর্বভারতীয় গুরুত্বের বিচারে তেমন বড় রাজ্য না। সে হিসেব করতে গেলে কং এর হাতেও কয়েকটা অমন রাজ্য আছে। হিমাচল, মিজোরাম, মেঘালয়।
  • sm | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৮365664
  • বিদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো টাকা ফেরত আসে নি তো ! যা ফেরত এসেছে তা দেশের ভেতর জমে থাকা কালো টাকা।সেগুলো ও বিভিন্ন উপায়ে সাদা হয়ে গেছে।
    ব্যাংকের হাতে বিপুল লিক্যুইড।কিন্তু ধার নেবার লোক নেই।
    শিল্পপতিরা টাকা ধার নিলেই শোধ দেবেনা।দারুন মজা!
    একবার লোন স্যাংশন হলেই কেল্লা ফতে।
    এর জন্যই ব্যাংক গুলো বিভিন্ন বদমায়েশি শুরু করেছে।বেশি বার ক্যাশ তুল্লে ফাইন, মিনিমাম ব্যালান্স না থাকলে ফাইন ইত্যাদি।কার্ড ওয়ালা ও অনলাইন পেমেন্ট কোম্পানি গুলো প্রতি ট্র্যাঞ্জাকশনে টাকা কাটবে।অর্থাৎ মূল্যবৃদ্ধি হবেই।সরকার কিছু কে স চা কে ডি এ বাড়িয়ে তুষ্ট রাখবে।একই পেশায় সরকারি ও অ সরকারি কর্মচারী দের বেতনে আকাশ পাতাল তফাৎ এখন ই আছে -ভবিষ্যতে আরো বাড়বে।
    বাজারে ক্যাশ কম থাকায় কিছু হলেও প্রপার্টি,গাড়ি,বিলাস দ্রব্য,পরিষেবার লেন দেন কমবে।
    সুতরাং অর্থনীতির হাল এখন ই ভালো হবে না।
    যদিনা আন্তর্জাতিক বাজারে তেল এর দাম কমার মতন কোনো অযাচিত সাহায্য আকাশ থেকে টুপ্ করে খসে পরে।
  • dc | ১০ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৯365687
  • পাই ম্যাডাম, ডিজিটাল ইনফ্রা বানাতে হতো, সিকিউরিটি বাড়াতে হতো, আরো বেশী করে পস মেশিন বাজারে ছাড়তে হতো, এসবই ঠিক। তবে এখানে কিছুটা ডিম আর ম্র্গির গল্প চলে আসে, আগে এইসব নাকি আগে ডিঅমনি। এক্ষেত্রে আমি সরকারকে বেনিফিট অফ ডাউট দিতে রাজি আছি (বা সেদিন থেকেই ছিলাম)।
  • dc | ১০ মার্চ ২০১৭ ১১:০১365696
  • sm, তেলের দাম আবার কমছে। ডিম্যান্ড নেই।
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৭ ১১:০৫365697
  • তা ঠিক। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে উত্তর পূর্বের গুরুত্ব আর কোথায়। উত্তর পূর্ব বলতে লোকে জানে ঐ আসাম বড়জোর।

    তবে বড় রাজ্য নয় বলে গুরুত্ব না পাওয়ার সমস্যা ও আক্ষেপ এখানের প্রশাসনিক ব্যক্তিদের প্রায়ই করতে দেখি।
  • S | ১০ মার্চ ২০১৭ ১১:০৬365698
  • আমি বোধয় ঠিক মতন লিখতে পারিনি। আবার লিখছিঃ "প্রথমে জানা গেলো বিদেশি অ্যাকাউন্টে কালো টাকা প্রায় নেই বললেই চলে। এখন দেখা যাচ্ছে দেশেও কোনো কালো টাকা নেই - কারণ সব টাকা ব্যান্কে ফিরে এসেছে।"

    "বাজারে ক্যাশ কম থাকায় কিছু হলেও প্রপার্টি,গাড়ি,বিলাস দ্রব্য,পরিষেবার লেন দেন কমবে।" ঃ এইজন্যেই ইনফ্লেশন কিছুদিন কম থাকবে। গ্রোথও কম হবে - সেটি অবশ্যি ডেটা ম্যানিপুলেট করে ম্যানেজ দেওয়া হবে।

    আর এইবারের বাজেটে ১০ লক্ষ কোটি টাকার এগ্রি লোন দেওয়া হবে ঘোষণা করা হয়েছে। কে নেবে? যেসব চাষীরা অলরেডি ডিফল্ট করে বসে আছে, তারা এই লোন পাবেনা। এর থেকে লোন মাফ করে দেওয়া যেত। আরেকটা কাজ করলে ভালো হতো। ধরা যাক ১০ লক্ষ কোটি টাকার লোন দেওয়া হলো। এর মধ্যে দুই থেকে আড়াই লক্ষ কোটি ফিরে আসবে না। তাই ফালতু লোন না বাড়িয়ে - ঐ দুই০আড়াই লক্ষ কোটি টাকাটা এমনি গ্রামীণ পরিকাঠামোতে খরচ করে দিলেই তো হতো।
  • sm | ১০ মার্চ ২০১৭ ১১:৪০365699
  • উত্তর পূর্ব রাজ্য গুলো কেন্দ্রীয় সরকারের চোখে গুরুত্ব সেভাবে নেই, এটাতো সত্যি কথা।লোকসভায় সিট্ ১ -২ করে। সেখানে জাতপাত এর বেড়াজালে আবদ্ধ বিহার, ইউপি র মিলিত সিট্ ১০০ এর কাছে।
    তো পলিটিশিয়ান দের নজর কোন দিকে থাকবে?
    ইন্ডিয়ার নির্বাচন পদ্ধতি পাল্টানোর আশু প্রয়োজন।
  • dc | ১০ মার্চ ২০১৭ ১২:৩১365700
  • বাপরে আম্বানির সাইটে তো ইউপিতে বিজেপির সম্ভাব্য সিএম নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গেছে! অবস্থা এতো খারাপ?
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৭ ১৩:১৭365701
  • ভারতের অন্তর্গত কোন রাজ্য যদি ছোট হবার কারণে সর্ভারয়ীত স্তরে গুরুত্ব না পায়, সে রাষ্ট্রের কাছে প্রশাসনিক ভাবেই হোক কি আলোচনায়, তখন সেই সিস্টেম আর মানসিকতায় সিরিয়াস সমস্যা আছেই তো। আর এটা একে অন্যটাকে রিইনফোর্স করে।
  • pi | ১০ মার্চ ২০১৭ ১৪:১৩365702
  • এই বিশ্লেষণে আবার পুরো অন্য কিছু বলছে।

    দেখা যাক, এঁর কথামত আঁখো দেখা পায়ে চষা ইউপি অভিজ্ঞতার প্রেডিকশন ফেল মারে কিনা। অনেকদিন ধরে কাজ করছেন, ডকুমেন্টারি বানাচ্ছেন। রায়ট নিয়েও কাজ আছে। এই পর্যবেক্ষণ অর বিশ্লেষণ ভুল হলে সেখানে জনবিচ্ছিন্নতা আর কোনকিছু বোঝার ভুল আছে বুঝতে হবে।

    http://www.business-standard.com/elections/uttar-pradesh-assembly-elections-2017/assembly-polls-2017-12-reasons-why-fight-in-up-is-between-the-bsp-and-bjp-117031000227_1.html
  • Arpan | ১০ মার্চ ২০১৭ ১৪:২৯365703
  • হাং অ্যাসেম্বলি বেশ কয়েকটা এক্সিট পোলেই প্রেডিক্ট করেছে। এখন ইনি বলছেন বিএসপি ডার্ক হর্স আর মুসলিম ভোটের অনেকটাই এদের দিকে যাবে। সেটা হতেই পারে, এমনিতে মেনস্ট্রিম মিডিয়া বিএসপি কে বেশি গুরুত্ব কোনদিনই দেয় না।
  • DP | ১০ মার্চ ২০১৭ ২২:২২365705
  • পাঞ্জাব ছাড়া বিজেপি সর্বত্রই জিতছে। ইউপিতে মায়াবতির সুযোগ ছিল, কিন্তু মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ককে বেশী গুরুত্ব দিতে গিয়ে ডুববে। তুলনায় দলিত প্রার্থী বেশী দিয়ে 'মনুবাদি বিজেপি' ইস্যু তুললে লাভবান হত। আর পাঞ্জাবে আপ আসবেনা বলেই আমার অভিমত। কংগ্রেস সুইপ করবে। এবার আসি ডিমনি তে। বিজেপি জিতছে মানেই ডিমনিকে লোকে দুহাত তুলে সমর্থন করছে এটা নয়। ডিমনি নিয়ে লোকে খেপে আছে। কিন্তু যেহেতু উদ্দেশ্য ভালো, আর বিজেপির নেতারাও কালো টাকা সাদা করতে হিমসিম খেয়েছে, সেক্ষেত্রে একটা অ্যাডভান্টেজ পাচ্ছে। ডিমনিকে মানুষ ক্ষমাযোগ্য হিসেবেই দেখছে। আমার হিসেব বিজেপি ইউপি তে ২২০ মত পাচ্ছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন