এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তুঘলকি শাসন

    mila
    অন্যান্য | ০৮ নভেম্বর ২০১৬ | ১১৬৮৯২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিকি | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:২১724715
  • মাফ করবেন, সম্ভবত একটু বেশি উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম।

    "আমাদের হায়দরাবাদ এ ২০০৫ এ ICICI ব্যাঙ্ক আর ২০১৬ তে IDBI ব্যাঙ্ক এর পে অর্ডার ব্যবহার করেছি - বিনা বাক্যব্যায়ে - কোনো অসুবিধে হয় নি - তাই আপনার কথায় শুধুমাত্র সহানুভূতি রইলো, দুঃখিত যে সমব্যাথী হতে পারলাম না "

    - এটা পড়ে মনে হল আপনার পেঅর্ডার দিয়েই কাজ হয়ে যাচ্ছে, কোনও অসুবিধে হচ্ছে না।

    ডিডি বা পিও নর্মাল অবস্থাতেই আধ ঘন্টা লাগে ব্যাঙ্ক থেকে বানাতে। তার ওপর বাড়তি চার্জ দিতে হয়। ইগনৌ-এর ফী কিম্বা সরকারি চাকরির পরীক্ষার ফী-এর বাইরে ডিডি/পিও আমি কখনও করিই নি। জানি না লোকে এটাকে একটা শেষ অপশন হিসেবেও দ্যাখে কিনা।
  • Arpan | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:১৮724717
  • বাড়ির রেজিস্ট্রি করাওনি? বা মিউটেশন/ খাতা ট্রান্সফার?
  • Arpan | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:১৮724716
  • স্যালারি অ্যাকাউন্ট থাকলে চার্জ লাগে না।
  • | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:১৯724718
  • তো, আপনি শুধু শাইনিং ইন্ডিয়ার মত কথা বললেন, স্পার, হাইপার মার্কেট ইত্যাদির। ব্যাংকে ঢুকতে পারিনি ১ ঘণ্টা বেশী কাস্টমার হয়েছিল বলে দরজায় তালা দিয়ে দিয়েছিল। চালান জমা দেব বলে হাতে পায়ে ধরে ১ ঘণ্টা পরে ঢুকতে দিয়েছিল। ড্রাফট করতে চেয়েছিলাম, বলল হবে না, প্রিন্টার খারাপ। অন্ততঃ ২০০ জন লোক লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন, তারমধ্যে বোর্খা পরিহিতা যেমন ছিলেন তেমনি ওয়াকার নিয়ে আসা বৃদ্ধ ছিলেন। এদের এই কষ্টদেখে আমার সচর মত, মৃত্যুর সওদাগরটির পিছনে একটি লাথি মারতে ইচ্ছা করছিল। সেই সঙ্গে সব সাইনিংদের নিয়ে দেখাতে ইচ্ছা করছিল - একবার এই লোকগুলি দেখে বলুক এরা কালোবাজারি করে কিনা আর এই কষ্ট এই লোক্গুলির প্রাপ্য কিনা?
  • সিকি | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:২০724719
  • হ্যাঁ, এই সব কাজে ডিডি ইউজ করেছি। হ্যাঁ, স্যালারি অয়কাউন্ট থাকলে চার্জ লাগে না তাও জানি। কিন্তু যাকে দেব সে ডিডি নেবে কি? (এক্ষেত্রে ভেলোরের হোটেল/হাসপাতাল)। মানে "নেব না" বললে কে কী করতে পারে?
  • DKG | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:৩৭724720
  • @সিকি 8:21 PM

    No Issues or as they say, no harm no foul :-D

    আমার কমেন্টটা "এই" কথিত ওনার ওই বাড়ি রেজিস্ট্রি তে শুধুমাত্র SBI DD allowed হওয়া নিয়ে ছিল - যে হায়দরাবাদে আমার অন্য ব্যাঙ্ক এর DD/PO/BC ও হৈ হৈ করে চলেছে বছর দশেক এর ব্যবধানে

    আর এটা এখন যেহেতু নরমাল অবস্থা নয় - তাই বলেছিলাম DD/PO/BC বানাতে

    আজকাল বেশ মিনিট দশেকে হুশ করে DD বানিয়ে দেয় ব্যাঙ্ক গুলি - at own bank, not even home branch - just FYI :-D
  • DKG | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:৪৫724721
  • start quote
    Name: ঐ
    IP Address : 176.62.53.94 (*) Date:13 Dec 2016 -- 10:19 PM

    তো, আপনি শুধু শাইনিং ইন্ডিয়ার মত কথা বললেন, স্পার, হাইপার মার্কেট ইত্যাদির।
    end quote

    তা বটে - :-)

    হায়দরাবাদে ভালো পটল সিম মুড়ি পাড়ার দোকানে পেতাম না যে - এইগুলোতেই শুধু পেতাম বা পাই - তাই ওগুলোতেই যেতাম - তার থেকে ক্রমে হয়ে গেল শুধু ওগুলোতেই যাই - ঠিক shining এর দায়ে নয় -

    তা আমি IT কোম্পানিতে চাকরি করি - ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করি পটল কিনতে - শাইনিং এর অংশীদার বললেই বা ভুল কোথায় !! :-D
  • Arpan | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:৫০724722
  • না, ভেলোর নিয়ে আমার কোন বক্তব্য ছিল না/ এখনো নেই।

    @সিকি
  • Ekak | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:১৬724723
  • সিকি

    ডিডি সবাই একসেপ্ট করে। কারণ ডিডি মানে ডিরেক্টলি টেন্ডার ট্রান্সফার। চেক হলো কমিটিটমেন্ট অফ ট্রান্সফার। ডিরেক্ট না, তাই যারা চেক নেয়না তারা ডিডি নেয়। হাসতাপাতাল ডিডি নেয় এটুকু জানি। ওই নৈপাল টই তে যে কাজের কথা লিখেছিলুম ওটার সূত্রে আমাকে প্রতিদিন ৩০-৪০ খানা ডিডি করতে হতো সেই সময়। ব্যাংকের আশেপাশে ছেলে রেডি থাকতো। তখন সময় লাগতো প্রায় আধঘন্টা একেকটার জন্যে। এখন দশ মিনিটের বেশি লাগে না। তবে হ্যা, যারা চেক -ডিডির পার্থক্য বোঝেনা তাদের কে বোঝাতে একটু বেগ পেতে হতে পারে।
  • Ekak | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:২১724725
  • ভেলোরের প্রব্লেম টা সত্যি। ভেলোরে ৮০০-১২০০ রেঞ্জে হোটেল আছে যেখানে অনলাইন পেমেন্ট হয় এটা ঘটনা। কিন্তু মেডিকেল টুরিজম একটু অন্যভাবে চলে আমাদে র্দেশে। সবাই যে হোটেলে থাকেন তা নয়। প্রচুর লোকাল লোকজন ফ্ল্যাট লীজ নিয়ে থাকার বন্দোবস্ত করে রেখেছে যেগুলো ভাড়ার বেসিসে চলে। এরাই মেডিক্যাল টুরিস্ট দের ভরসা। নইলে ভেলোর বেসিক্যালি রুরাল এরিয়া, ওখানে প্রচুর আরবান সুযোগসুবিধা আশা করা যায়না। এখন এই ডিমনিতাইজেশনের ফলে সারা ভারতের মেডিক্যাল টুরিজম এ বিশাল ঘাটা পড়েছে। মেডিক্যাল সেক্টরে ক্যাশ ট্রান্সাকশন ম্যাক্সিমাম। রোগীদের অসুবিধে হচ্ছে এটা হার্ড ফ্যাক্ট। বাংলাদেশের ট্রাফিক কতটা কমে গেছে সেটা এই সেক্টরের লোকেরা জানেন। দেশের মধ্যের লোকদের অবস্থাও ভালো না।
  • pi | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:৩০724726
  • এস দা। পড়লে ? তুমি তো মহিলাকে ঢপবাজটাজ বলে যাচ্ছিলে।
  • Ekak | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:১৬724727
  • এই সময়ে কোনো পক্ষ থেকেই অন্যদের ব্ল্যাঙ্কেট দোষারোপ করে লাভ নেই। যাঁরা ইন্টারনেট ট্রান্সাকশন নিয়ে সচেতন ছিলেন তাঁরা দ্রুত কোপ আপ করে নিতে পেরেছেন। অনেকেই ছিলেন না। তাঁদের ভোগান্তি হচ্ছে। ভেলোরে সুযোগসুবিধা অনেক আছে কিন্তু, ইন ফ্যাক্ট গোটা দক্ষিণ ভারত অন্য অংশগ্যের তুলনায় পরিষেবা তে এগিয়ে। কিন্তু এরকম পরিস্থিতির জন্যে সবাই তো তৈরী ছিলোনা। বিশেষ করে বাইরে থেকে আসা মানুষজন। নিম্যান্স এ যত রোগী আসে তার ফোর্টি পার্সেন্টের ওপর কম এসেছে ডিমনি পরবর্তী সময়ে। এপেলো-ফোর্টিস সর্বত্রই বাইরের রোগী কম আসছে। এগুলো ওই বাইরে থেকে গিয়ে দেখলুম সব ঠিকঠাক চলছে, ওভাবে বোঝা যায়না। টুরিজম মানে পুরোটাই ইন্টারনেট ফ্রেন্ডলি সেক্টরের রেভেনিউ তা তো নয়। পুরো ভোগে চলে গেলো টুরিজম ব্যবসা এই ডিমনির চক্করে। এবার প্লাস্টিক মানি বাড়লে কবে আবার নেট বিজনেস বাড়বে সে তো ভবিষ্যৎ, আপাতত মার্কেটে মন্দা।
  • PT | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:৪৮724728
  • আমি তো বিশেষ পেলাস্টিক ব্যাভার করিনা। কিন্তু সত্যি বল্তে কি এখনো কোন অসুবিধে হয়নি। তবে ফিঙ্গার ক্রসড-হাসপাতালে যেতে হয়নি.....বোধহয় শহর থেকে শহরে লোকের অভিজ্ঞতা ভিন্ন রকমের.....

    আমার স্যালারির ব্যাঙ্ক ১১০০০ টাকা 2000x3 আর সঙ্গে ১০ টাকার ৫ টা বান্ডিল দিল..... বইওয়ালা, মাছোয়ালা আর মুদিভাই দিব্য পুরনো ৫০০ টাকার নোট নিল। দ্বিতীয় বারেও ১০ দিনের মাথায় ব্যাঙ্ক তুলনামুলক ভাবে কম হলেও বেশ কয়েকটা দশের বান্ডিল দিল.....অনেকে অবিশ্যি দশ টাকার নোট গুণতে সময় লাগে বলে কমপেলেন করছে....

    কাল ব্রহ্মপুরে সবজিওয়ালা ১০০ টাকার সব্জি কেনার জন্য ২০০০ ভাঙ্গিয়ে দিল-তবে তার কাছে ১০০-র নোটের পরিমাণ দেখে অবাক হলাম...সেগুলো কোথা থেকে এল? আর আজকে ব্রহ্মপুরের মুদীর দোকান ৪৫০ টাকার মালের জন্যে ২০০০-এর নোটের ১৫৫০ টাকা ফেরত দিল.....

    তবে ব্রহ্মপুরের SBI-তে "no cash" নোটিশ ঝুলছে.....
    (আমি চাড্ডি বা শাইনিং কোনটাই নহি.....)
  • Ekak | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ০১:০১724729
  • সেতো আমাদের বরানগরেও মাছওয়ালা থেকে মুদিখানা সবাই পুরোনো নোট নিয়েছে। হাজার নিয়ে মাছওয়ালা নিজেই হিসেবে রেখে মাছ দিয়েছে। এগুলো নিজের পুরোনো পরিচিত এলাকায় সম্ভব। অন্য শহরে গিয়ে পড়লে চাপের।
  • card | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ০১:২১724730
  • আমাদের ড্রাইভার খুশী মনেই তার ১৪০০০ টাকা স্যালারী ৭ টা ২০০০ টাকা তে নিয়েছিল, পরদিনই তার মধ্যে কয়েকটা সে ১০০ টাকার নোটে ভাঙিয়ে এনেছিল এবং আমাদের ৪০০০ টাকার ভাঙানি দিয়েছিল। সে সন্ধে সাতটাতে বাড়ী যায় আর সকাল ৭টায় কাজে আসে। কোথায় কখন নোট বদলালো জানিনা, বলেছিল ওর পাড়ায় (সঙ্গম বিহার, দিল্লী) কোন HSBCর কর্মী আছে, তার কাছে খুচরো করেছে।
    তবে খুচরো-র প্রয়োজন বিশেষ হচ্ছে না, আজ ১৪ তারিখ হয়ে গেল, ২ তারিখ থেকে সেই ২০০০টাকা রাবার ব্যান্ডে বাঁধা অবস্থাতেই আছে। আরো কয়েকটা নোট ছিল, এইকদিনের পার্কিং বা ভেন্ডর থেকে টুকিটাকি কেনা ওতেই চলছে।

    আর হ্যাঁ, গত ওয়ার্কিং স্যাটার্ডেতে নেহরু প্লেস এসবিআই-এ গেছিলাম, টাকা তুলতে বা জমা করতে নয়, অন্য কাজ ছিল। গেটে পুলিশ ও দারোয়ানকে বলতে ও প্রমাণ দেখাতে তারা সাথে সাথেই ঢুকতে দিল এবং ম্যানেজারও দেখা করল আর আমার কাজও হল।
    ২০১৫ তে আমার দিল্লী আর গুরুগ্রামের দুটো বাড়ীর রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, কোথাও এসবিআই এর ড্রাফ্ট লাগেনি। এবছর মিউটেশন হয়েছে, সেখানেও লাগেনি।
  • pi | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৯:৩৯724732
  • এখানে আমার স্যালারির ব্যাঙ্কে যাওয়া এত ঝক্কির, এত দূর আর অফ রুট। সেদিন আধারের কপি দিতে গিয়ে টাকা তুলে নিলাম একবারে। ২৪০০০, সবই ২০০০ এর নোটে।
  • pi | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৯:৩৯724731
  • এখানে আমার স্যালারির ব্যাঙ্কে যাওয়া এত ঝক্কির, এত দূর আর অফ রুট। সেদিন আধারের কপি দিতে গিয়ে টাকা তুলে নিলাম একবারে। ২৪০০০, সবই ২০০০ এর নোটে।
  • কিক্কড় সিং | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১০:০৩724733
  • একটা একুশের পোস্টটা কী revealing:-p
  • সিকি | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১০:২১724734
  • পোচোণ্ডো :) - এবং একটা কথা সমর্থন না করে পারছি না - দিল্লিতে বাড়ি রেজিস্ট্রি করার জন্য আর ডিডি/পিও বানাতে হয় না - সরাসরি অনলাইন এনইএফটি করতে হয়। নয়ডাতেও তাই। গুরুগ্রামের গল্প জানি না।
  • গত | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১১:৪২724736
  • ৯ই ডিসে রেজিস্ট্রী করিয়েছি, আর ড্রাফট যেটা দিতে হয়ছে সেটা এসবিআইয়ের শুধু, অনলাইনের কোন গল্প নেই। স্ট্যাম্পডিউটির জন্য ৬% ও শুধু চালান দিতে হয়েছে সেটাও অনলাইন নয়।এস বি আইয়ের চেক হলেই দেবে চালান কারণ তাতে একাউন্টের পয়সা আছে কিনা সেটা চেক করতে পারবে, নইলে খুদায় মালুম। আমাকে দুদিন আগে এসবিআইয়ে টাকা জমা করে রাখতে হল এই জন্য। সরকারী ব্যব্স্থা এইরকমই এখন ও।
  • DKG | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১১:৫২724737
  • @গত - কোন শহর ?
  • কিক্কড় সিং | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১১:৫৮724738
  • কলকাতায় এই চক্কর আমারও হয়েছে, ২০১১-তে। এখনো মনে হয় একই আছে।

    আর শহর বলে কীই বা হবে - এই যে আপনার মিনিস্ট্রি অফ হোম অ্যাফেয়ার্সকে টাকা দেবো - কেন্দ্রীয় সরকারি দপ্তর - যতই ডিজিট্যাল ইন্ডিয়া বলে হল্লা করুক, আড়াইশো টাকা দেবার জন্যে ট্রেজারি চালান ভরতে হবে, সে আবার স্টেট ব্যাঙ্কের সব ব্র্যাঞ্চে নেয়ও না, এখনো আবিষ্কার করতে পারিনি কোন ব্র্যাঞ্চে নেয়। এটা শুধু কলকাতা বলে নয়, নেটে খুঁজে দেখলাম দিল্লী থেকে একজন ব্লগে লিখেছে একই কারণে টাকা জমা দিতে খোদ দিল্লীতেই কত চক্কর কাটতে হয়েছে।

    ডিজিট্যাল ইন্ডিয়া মাই ফুট - এইটেই হল আসল তত্ত্ব এবং তথ্য। ডিজিট্যাল ইন্ডিয়ার লাড্ডুও ডিজিট্যাল, পুরো বাইনারী। শাইনিং হলে ১, নইলে ০। মেজরিটির জন্যে ০-ই।
  • pi | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১২:১২724739
  • একদমই।
  • Shibir | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১২:৩২724740
  • "রবি ঠাকুরের কাছে ক্ষমা চেয়ে ...

    ♨♨♨♨ অমল ও চাওআলা ♨♨♨♨

    চাওআলা = চায়ে― চায়ে― লিকার চায়ে, দুধ চায়ে!

    অমল = চাওআলা, চাওআলা, ও চাওআলা!

    চাওআলা = ডাকছ কেন? চা খাবে?

    অমল = কেমন করে খাবো! আমার তো খুচরো পয়সা নেই! একটাই ২০০০এর নোট। তুমি খুচরো দেবে?

    চাওআলা = কেমন ছেলে তুমি। খুচরো নেই তো আমার বেলা বইয়ে দাও কেন?

    অমল = আমি যদি সবার মতন এটিএম আর ব্যাঙ্কে গিয়ে লাইন দিতে পারতুম!

    চাওআলা = আচ্ছা তোমার কাছে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড আছে? তোমার পেটিএম নেই! তাহলে একটা দুধ চায়ের সাথে এক ভাঁড় লিকার ফ্রী পেতে!

    অমল = একটা পুরনো ৫০০টাকার নোট আছে, ওটা নেবে?

    চাওআলা = না বাবু ওটা কালোধন। ওটা নিতে পারবো না।

    অমল = তুমি যে কত দূর থেকে হাঁকতে হাঁকতে চলে যাচ্ছ শুনে আমার মন কেমন করছে। ঠিক যেন তুমি আমার 'মন কি বাত' বলে যাচ্ছো।

    চাওআলা = (চায়ের চুলা সহ কেটলি নামাইয়া), মিত্রোঁ.., তুমি এখানে বসে কী করছ?

    অমল = কবিরাজ আমাকে বেরোতে বারণ করেছে, বলেছে সুদিন এলে তবেই বের হবি। তাই আমি সারাদিন এইখেনেই বসে থাকি।

    চাওআলা = আহা মিত্রোঁ, তোমার কী হয়েছে? কোন ডাক্তারি পরীক্ষা করাওনি?

    অমল = আমি জানি নে। আমি তো ফোটোশপ শিখি নি, তাই আমি এক্স-রে রিপোর্ট দেখে বুঝতে পারি নে আমার কী হয়েছে। চাওআলা, তুমি কোথা থেকে আসছ?

    চাওআলা = আমাদের গ্রাম থেকে আসছি।

    অমল = তোমাদের গ্রাম? অনে―ক দূরে তোমাদের গ্রাম?

    চাওআলা = দিল্লিতে আমার একটা ঘর আছে বটে, তবে সেখানে এখন যাইনা। আমাদের আদি গ্রাম সেই গুজরাটে। সবরমতি নদীর ধারে।

    অমল = গুজরাটের গ্রাম ― সবরমতি নদী― কী জানি,হয়তো তোমাদের গ্রাম দেখেছি― কবে সে আমার মনে পড়ে না।

    চাওআলা = তুমি দেখেছ? গুজরাটে গিয়েছিলে নাকি?

    অমল = না, কোনোদিন যাই নি। টিভিতে আমি দেখেছি। তোমাদের গ্রামে গডসের মন্দির আছে না?

    চাওআলা = ঠিক বলেছ বাবা।

    অমল = তোমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে ট্রেন লাইন গেছে না? একবার ট্রেনে কারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল।

    চাওআলা = কী আশ্চর্য! ঠিক বলছ।

    অমল = তোমাদের গ্রামের লোকেদের মধ্যে একবার দাঙ্গা লেগেছিল না?

    চাওআলা = বা! বা! ঠিক কথা। তুমি নিশ্চয় কোনোদিন সেখানে বেড়াতে গিয়েছিলে!

    অমল = সত্যি বলছি চাওআলা, আমি একদিনও যাই নি। কবিরাজ যেদিন আমাকে বাইরে যেতে বলবে সেদিন তুমি নিয়ে যাবে তোমাদের গ্রামে?

    চাওআলা = যাব বই কি বাবা, খুব নিয়ে যাব! তবে আমি তো বেশিরভাগ সময় বিদেশে ঘুরে ঘুরে চা বিক্রি করি, তাই গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সময় হয়ে ওঠে না!

    অমল = আমাকে তোমার মতো ঐরকম চা বেচতে শিখিয়ে দিয়ো। আমিও দেশে দেশে ঘুরে ঘুরে চা বিক্রি করবো।

    চাওআলা = মরে যাই! চা বেচতে যাবে কেন বাবা। এত এত পুঁথি পড়ে তুমি পণ্ডিত হয়ে উঠবে।

    অমল = না, না, আমি কক্‌খনো পণ্ডিত হব না। আমি তোমার মতন দূর দূর দেশে গিয়ে চা বিক্রি করে বেড়াবো! কী রকম করে তুমি বল, মিত্রোঁ....চায়ে চায়ে গরম চায়ে। আমাকে সুরটা শিখিয়ে দাও।

    চাওআলা = ওরে পাগল! এ সুরও শেখা অতো সহজ নয়! এর জন্য ৫৬ইন্চি ছাতি দরকার।

    অমল = না, না, ও আমার শুনতে খুব ভালো লাগে। ঐ রাস্তার মোড় থেকে ঐ গাছের সারির মধ্যে দিয়ে যখন তোমার ডাক আসছিল, আমার মন তোলপাড় হচ্ছিল― যেন মনের মধ্যে সার্জিক্যাল স্টাইক হচ্ছিল!

    চাওআলা = বাবা, এক ভাঁড় লিকার চা তুমি খাও।

    অমল = আমার তো পয়সা নেই।

    চাওআলা = না না না না― পয়সার কথা বোলো না। তুমি তো আমার মিত্রোঁ! আর আমি মিত্রোঁদের কাছে থেকে পয়সা নিই না। আমার কতো মিত্রোঁকে তো আমি হাজার হাজার কোটি টাকার চা বিনে পয়সায় খাওয়াই।

    অমল = তোমার কি অনেক দেরি হয়ে গেল?

    চাওআলা = কিচ্ছু দেরি হননি মিত্রোঁ, আমার কোনো লোকসান হয় নি। আমি এর দাম ঠিক অন্যদের ঘাড় থেকে তুলে নেব। এখন একটু জানালার কাছে এসো তো!

    অমল = জানালার কাছে কেন?

    চাওয়ালা = চায়ের কাপ হাতে তোমার সাথে একটা সেলফি তুলবো। আর ছবিতে যেহেতু জানালা থাকবে তাই এটাকে 'উইনডো-শপিং' বলে দিব্যি বাজারে চালাতে পারবো।"
  • সিকি | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১২:৫৩724741
  • ঠোঙা।
  • Ekak | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৪:২৩724743
  • এই হার্ডওয়ার লেভেল সিকিউরিটি খুবই চিন্তার জিনিস। ডিভাইস স্পেসিফিক ডিপেন্ডেন্সির ছক ও হতে পারে। কেও মার্কেট ছাড়তে রাজি নয় আরকি, দেখা যাক।
  • Ekak | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৪:২৯724744
  • সবচে সন্দেহের ওই এভাস্ট এর সঙ্গে জোট বাঁধা ! হার্ডওয়ার ডেটাকে ট্রান্স্যাক্সন প্যারামিটার হিসেবে ইউস করবে আবার সেটা চুরি আটকাতে এন্টি ভাইরাস দেবে এভাস্ট। এ পুরো বজ্র আঁটুনি কেস লাগছে। এন্ড্রয়েড আর্কিটেকচারে এন্টি ভাইরেস গপ্পো ঢোকা মোটেই আনন্দের কথা না। এই ব্যাটা ডিভাইস কোম্পানিগুলো একটা কেলো বাঁধবার তালে আছে।
  • কিক্কড় সিং | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৪:৩০724745
  • চতুর্দিক থেকে ইন্ট্রিগ্রেশনের ছক। এ শালা পুরো মেট্রিক্স হয়েই যাবে কোনো একদিন।
  • pi | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৪:৩৬724747
  • Retweeted pradeep thakur (@pradeeptTOI):

    36 days into #DeMonetisation @narendramodi govt accepts 'only cash' at its @passportsevamea, no card payment or Paytm. @MEAIndia
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন