এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিশুশিক্ষা ও বিদ্যালয় অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত

    rimi
    অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ | ২৩১৫৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:২৩402175
  • জবরদস্তি মানেই তার মধ্যে পদ্ধতির কোন উন্নতি হবে না এমন তো নয়। তবু ব্যাপারটা শেষ পর্য্যন্ত ক্যারট আর স্টিকে গিয়ে দাঁড়াবে - যদি (প্রায়) সকলকে একটা মিনিমাম প্রফিসিয়েন্সি লেভেলে আনতে হয়।
  • rimi | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:৩৩402176
  • যা: সব গুলিয়ে গেল। কে কি বলতে চাইছে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না।

    ইংরেজি শেখানোর প্রশ্নে জবরদস্তির কথা এল কোথা থেকে? লোকে তো, যতদূর মনে হল, শেখানোর পদ্ধতি অর্থাৎ লার্নিং ইংলিশ নাকি র‌্যাডিয়েন্ট ওয়ে, ক্লাস সিক্স নাকি নার্সারি, গ্রামার নাকি গ্রামার নয় এই নিয়ে আলোচনা করছে!!!!

    জবরদস্তির ব্যপার ছিল গোটা শিক্ষা পদ্ধতিতে শেখার থেকেই নাম্বারের উপরে বেশি জোর দেওয়ার প্রসংগে। এর সঙ্গে ইংরাজি শেখার পদ্ধতির সম্পক্ক কই?
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:৪০402177
  • কি বলছিলুম একটা উদাহরন দিয়ে বলি।

    ছাত্রদের দুইটি দলে ভাগ করা হইল। দুই দলকেই একই পদ্ধতিতে শেখানো হইল। একটি দলকে বলা হইল শেখার আনন্দে শেখ। অন্য দলটিকে বলা হইল - পরীক্ষায় নম্বর না পাইলে চায়ের দোকানে বসিতে হইবে।

    কারা বেশী প্রফিসিয়েন্ট হবে বলে মনে হয়?
  • rimi | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:৪৫402178
  • দুই দলের বয়স কতো? পাঁচ বছরের বাচ্চার কাছে পরীক্ষায় নাম্বার পাবার চেয়ে চায়ের দোকানে বসাটা বেশি লোভনীয় মনে হতে পারে।
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:৪৭402179
  • পাঁচ বছর হইলে চায়ের দোকানে বসিবার বদলে টাইম-আউট খাইবে।
  • rimi | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:৫৭402180
  • অজদা,
    ব্যপারটাকে যত সরলভাবে দেখাচ্ছ এটা তত সরল নয়। যদি তাই হত তাহলে আর্লি এডুকেশন নামের একটা আলাদা সাবজেক্ট তৈরী হত না বা তাতে পি এইচ ডি করার সুযোগ থাকত না।

    শেখানোর পদ্ধতি বয়সের উপর অনেকখানি নির্ভরশীল। খুব অল্প বয়স থেকে পরীক্ষামুখী পড়াশুনার চাপ দিলে পড়াশুনোর ইন্টারেস্ট হারিয়ে যায়। তুমি মানো বা না মানো এটা পরীক্ষিত সত্য। অল্প বয়সে শেখার আনন্দটাই বড় কথা। এই আনন্দ থাকলে তবেই বড় হয়ে চাপ নেবার ক্ষমতা ধীরে ধীরে তৈরী হয়।

    টাইম আউটের ভয় দেখিয়ে শেখানো?? ভাগ্যিস অজদা তুমি ছোটোদের ইস্কুলে পড়াও না!!!

    তবে পনেরো ষোলো বছর বয়সের ছেলেপুলেকে কিছু শেখার জন্যে চাপ নিতেই হয়। যদিও সে ক্ষেত্রেও কতোটা চাপ আর কিসের চাপ এগুলো ভেবে দেখা প্রয়োজন।
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:০৯402181
  • শেখানোর পদ্ধতি বয়সের ওপর নির্ভরশীল, এ কথাটা নিয়ে কোন তক্কো নেই। যেটা কথা, সেটা হল শেখানোর ক্ষেত্রে ইনসেনটিভ-ডিসইনসেনটিভের রোল কতটা। আমার বক্তব্য হল, ছাত্রের বয়েস যাই হোক, উপযুক্ত ইনসেনটিভ/ডিসইনসেনটিভের একটা খুব বড় ভূমিকা আছে শেখানোতে।

    অল্প বয়সে বাচ্চা শুধু শেখার আনন্দেই শেখে আর ধাড়ী হলেই বজ্জাত হয়, এ কথাটা সবার ক্ষেত্রে সত্তি না। অল্প বয়স থেকে পরীক্ষামুখী চাপ দিলে বাচ্চা শেখে না, এমন কথা নিয়ে কোন স্টাডি পেলে খুব খুশী হয়ে পড়ব।
  • rimi | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:১২402182
  • সারদা মিশনে আমার পাঁচ বছরের ভাইঝির পরীক্ষার প্রশ্ন এসেছিল:" বিবেকানন্দকে দেখিয়ে নিবেদিতার মনে কি ভাবের উদয় হইয়াছিল লিখ।"

    সেই স্কুল ছাড়িয়ে তাকে পরের বছর মডার্নে ভর্তি করা হল। ডিসেম্বরের ছুটিতে যখন আমি বাড়ি গেলাম, দেখতাম রোজ দুপুরে সে পড়তে বসত। ওদের ইংলিশ বইগুলো বেশ ভালই, সুন্দর গল্প সুন্দর ছবি। কিন্তু কি ভাবে এই বই পড়তে হচ্ছে? টিচার প্রশ্ন ও তার উত্তর লিখিয়ে দিয়েছেন ক্লাসে। সেই উত্তর মুখস্ত করতে হবে। টুপসি মুখস্ত করে ঠাকুমার কাছে পড়া দিতে গিয়ে মাঝে মাঝেই দু একটা শব্দ মিস করছিল, ফলে বাক্য গুলোর মানে দাঁড়াচ্ছিল না। আমি ওর ঠাকুমাকে বললাম ওকে নিজের মতন লিখতে দাও না। ঠাকুমা বললেন টিচার যেমন লিখিয়ে দিয়েছেন ঠিক সেই ভাবে না লিখলে একেবারে গোল্লা দেওয়া হয় পরীক্ষায়। অতএব উপায় নেই।

    এটা কি খুব স্বাভাবিক নয় যে টুপসির পড়াশুনো করতে ইচ্ছা করে না? এইসব টুপসিদের টাইম আউট দিয়েও পড়ানো যায় না অনেক সময়ে,মেরে ধরে, খেতে না দিয়ে পড়া মুখস্ত করিয়ে পরীক্ষায় নম্বর পাওয়াতে হয়।

    এমনই দেশ যে ঠিক এইভাবে পড়াশুনো না করলে চায়ের দোকানে বসা ছাড়া উপায় থাকে না। সেই জন্যেই আমরা দেশ ছেড়ে বিদেশে থেকে যেতে চাই।..... আর বাকিটা নাই বললাম।
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:১৯402183
  • রিমি যখন পিএইচডির কথা বলল, তখন একটা আনরিলেটেড গপ্পো বলার লোভ সামলাতে পারছি না।

    আমার পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় একজনের পিএইচডি কমিটিতে Dijkstra ছিলেন। Dijkstra তার প্রথামত ডিফেন্সের মাঝপথে ঢোকেন ও ছাত্রটিকে অজস্র প্রশ্নে পর্য্যূদস্ত করে দেন। ক্লান্ত বিভ্রান্ত ছাত্র যখন ভাবছে যে তার আর পাস করা হল না, তখন Dijkstra নাটকীয় ভাবে উঠে দাঁড়ান ও বলেন - There are many fools who call themselves PhD in Computer Science. I don't mind if their count is increased by one. 'L', please send papers for my signature.

    L হলেন সেই ভদ্রলোকের অ্যাডভাইসর। এই বলে Dijkstra-র প্রস্থান।

    পিএইচডি করার সুযোগ আছে কথাটার খুব একটা মানে নেই।
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:২২402185
  • রিমির উদাহরনগুলি ভারী দু:খের। কিন্তু তাতে প্রমান হয় না ইনসেনটিভের (পজিটিভ ও নেগেটিভ) শিক্ষায় একটা বড় ভূমিকা নেই। শুধু এটুকুই প্রমান হয় যে দেশে কোন কোন ক্ষেত্রে ভুল ইনসেনটিভ সেট করা হয়।
  • san | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:২৮402186
  • আজ্জোদাকে :

    ১) ঠিক। সিক্স না হয়ে ওয়ান হলে বেটার হত। একমত।যত কমবয়েসে শিখবে তত ভালো শিখবে।

    ২) প্রিভিলেজ বলতে লাইব্রেরি আর খবরের কাগজ অ্যাভেলেবিলিটি যেখানে আছে সেই ছেলেপুলেদের নিয়ে বলা, এইটা তো আমি স্পষ্টই বলেছিলাম। যে, এইগুলো কাজে না লাগানো তার নিজের/পরিবারের দোষ, লার্নিং ইংলিশের নয়। যাদের সেইটুকুও নেই তাদের নিয়ে কিছু বলার দু:সাহসই দেখাইনি। এখন তুমি যদি বলো 'এখানে যখন লেখা' তখন হয় আপামর জনতাকে নিয়ে কোরো নয় করাই বন্ধ করো, সাবসেট করা নিষিদ্ধ, সেটা একটু চাপ হয়ে যাবে :-)
  • rimi | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:৩২402187
  • ইন্সেনটিভের ভূমিকা তো কেউ অস্বীকার করছে না। প্রশ্ন হল ইনসেনটিভ কি হওয়া উচিত?

    নেগেটিভ ইনসেনটিভ দিয়ে কাজ একেবারে হয় না তা নয়। কিন্তু ভীষণ লিমিটেড। আর নেগেটিভ ইনসেন্টিভের সাইড এফেক্ট বেনিফিটের চেয়ে বেশি। ছোটোদের ভয় দেখানোটা নেগেটিভ ইনসেনটিভ।

    বাচ্চারা সহজাতভাবেই শিখতে ভালোবাসে। শিখতে চায়। চাপ বা ইনসেনটিভ এমন হওয়া উচিত না যাতে এই শেখার ইচ্ছেটা নষ্ট হয়ে গিয়ে শুধু দায়বদ্ধতা পড়ে থাকে।
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:৪০402188
  • ইনসেনটিভের ভূমিকা যদি স্বীকার করি, তো বাচ্চার উন্নতি মাপার কথাও মানতে হবে। নইলে কিসের ভিত্তিতে ইনসেনটিভ অ্যাপ্লাই করা হবে? এখন পরীক্ষা ছাড়া কিভাবে উন্নতি মাপা যাবে?
  • san | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:৪২402189
  • রিমির গল্প পড়ে আমি এবার একটা গল্প মনে পড়লো, লিখবোই লিখবো।

    নিবেদিতার বড়দের বিভাগটি স্ট্রিক্ট হোক যা হোক লেখাপড়া ভালো হত, অস্বীকার করার প্রশ্নই নেই। কিন্তু ছোটদের বিভাগে ( ক্লাস ফোর অব্দি) ..... স্বাস্থ্য বইতে ছিলো অমুক রোগ ছড়ায় মশা ও মাছি। এটার শূন্যস্থান পূরণের প্রশ্ন ছিল মশা ও মাছির জায়গাটায়, আমি লিখেছিলাম মাছি ও মশা, উল্টো অর্ডারে। আমাকে শূন্য দেয়া হয়েছিল, যুক্তি হল মুখস্থটা তো ঠিক করে করতে শিখতে হবে :-))

    এরকমও হয়।
  • rimi | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:৪৫402190
  • ইয়ে, পি এইচ ডি করার সুযোগ বলতে যেটা আমি বলতে চেয়েছিলাম সেটা হল এই বিষয় নিয়ে রিসার্চ হয়। এটা যদি এত তুচ্ছ ও সরল ব্যপার হত তবে তাই নিয়ে রিসার্চ করার দরকার পড়ত না।

    এখন তর্কের খাতিরে অনেক কথাই বলা যায় যে অনেক তুচ্ছ ব্যপারেও রিসার্চ হয়, বহু লোক কিচ্ছু না জেনেও ডক্টরেট পায় ইত্যাদি ইত্যাদি।

    এভাবে তর্ক করে কিছু প্রমাণ করা সম্ভব নয়।

    আমাদের দেশে যে শিক্ষা ব্যবস্থা চলে আসছে সেই মান্ধাতার আমল থেকে, তা বৃটিশদের তৈরী। বৃটিশদের মূল লক্ষ্য ছিল কিছু এফিশিয়েন্ট কেরানি তৈরী করা, তার বেশি কিছু নয়। মজার ব্যপার হল সেই বৃটেনেই কিন্তু নিচু ক্লাসে কোনো পরীক্ষাই নেই। অরিজিৎ ভালো বলতে পারবে। এই সামারেই এক বৃটিশ ভিজিটিং স্কলারের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল আমার। তাঁর কাছে যা শুনলাম তাতে আমেরিকার সিস্টেমের সঙ্গে বৃটিশ সিস্টেমের খুব বেশি কিছু তফাৎ নেই, বিশেষত একেবারে এলিমেন্টারি লেভেলে। কিন্তু ভারতীয় এলিমেন্টারির সঙ্গে প্রচুর তফাৎ।
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:৫৮402191
  • বৃটিশ সিস্টেম জানি না, তবে আমেরিকার পাবলিক স্কুল নিয়ে বহু লোকের বহু কমপ্লেন আছে। আমেরিকার পাবলিক স্কুলকে আদর্শ বলে ধরে নিতে আমার আপত্তি আছে। ডি: কোন কোন ভাল পাবলিক স্কুল আম্রিকায় অবশ্যই আছে।
  • rimi | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:০৭402192
  • আমেরিকার পাবলিক স্কুল নিয়ে আমেরিকার লোকের কমপ্লেইন থাকা মানেই পশ্চিম বঙ্গের স্কুলগুলো এক্কেবারে ঠিকঠাক?

    আমেরিকার পাবলিক স্কুল টুল নিয়ে আমি কিচ্ছুই বলি নি। যেটা বলতে চেয়েছিলাম তা হল যে বৃটিশরা যে আধুনিক ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছে সেই শিক্ষা ব্যবস্থা কিন্তু খোদ বৃটেনেই নেই। কোনোকালে ছিল কি না জানি না, কিন্তু এখন নেই।
    অথচ ভারতে বছরের পর বছর সেই এক ব্যবস্থা চলে আসছে। পাল্টানো উচিত কি না সে নিয়ে কেউ ভাবেই না। কিছুটা ভেবেছিলেন দাড়িদাদু। তাই তাঁর স্কুল ছিল অন্যরকম। কিন্তু ....

    কেরানি তৈরির কলে বেশির ভাগ কেরানিই তৈরি হয়, যারা সিস্টেম বদলানোর কথা ভাবার দরকার আছে কি নেই সেটুকুও ভাবতে চায় না/পারে না। আর ঠিক তাইই হয়েছে।
  • rimi | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:০৮402193
  • ডি: কেরানি বলতে আমি যাদের হাতে সিস্টেম পাল্টানোর ক্ষমতা বা দায়িত্ব আছে তাদের কথা বলেছি।

    এটা যেন কেউ পার্সোনালি নিয়ো না।
  • aja | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:১৬402194
  • ভারতীয় স্কুল একদম ঠিক, একথা আমি তো বলিনি। আমার কথা ছিল ইস্কুলে পরীক্ষার ব্যাপারটা থাক উচিৎ।

    কল, সে যেমনই হোক, তাতে কেরানীর বেশী কিছু তৈরী হয় না। যাঁরা তার বেশী কিছু হন, তার কলকে ছাপিয়ে গিয়েই হন। দাড়িদাদুর কলকে দেখলেই সে কথা স্পষ্ট হবে। দাড়িদাদু এই কলের তঙ্কÄ বুঝতেন না এমন নয়, কিন্তু কাজের বেলায় কল তৈরীর লোভ সামলাতে পারেন নি। বিশ্বভারতী হল গিয়ে দাড়িদাদুর শ্রেষ্ঠ অপকর্ম।

    বস্তুত: কল বদলাতে পারলেই কেরানীর বদলে দলে দলে প্রতিভাবান বিজ্ঞানী আর সাহিত্যিকে দেশ ভরে যাবে, এই চিন্তাটাই পরমুখাপেক্ষিতার লক্ষণ। কল কলের মত থাকুক এবং কেরানী তৈরী করুক। যে মানুষ অরিজিনাল, প্রতিভাবান ও সাহসী, সে কলকে উপেক্ষা করেই অন্য রকম হয়ে ওঠে।
  • sinfaut | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:২৩402196
  • আর যেহেতু কোনো বাপমা চাননা তার ছেলে মেয়ে কেরানী হোক ভবিষ্যতে তাই ইন্সেনটিভের ব্যবস্থা করুক। চায়ের দোকানির বাচ্চাকে লেড়ো বিস্কুটের লোভ দেখানো হবে, আর বড়বাবুর বাচ্চাকে বার্বি ডল দিয়ে গাজর ঝোলানো হবে। কিন্তু কলকে কলের মতন থাকতে দিতে হবে। কারন আমি তো নিশ্চিত করে ফেলেচি আমার বাচ্চা কেরানি হবেনা। কি সুন্দর লুপ।
  • aja | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:২৫402197
  • কেউ যদি চায় তার বাচ্চা কেরানী না হয়ে অন্য কিছু (প্রতিভাবান) হোক, তো তার ব্যবস্থা তাকেই করতে হবে। কলে কেরানী ছাড়া অন্য কিছু কোথাও হয় নি, হবে না।
  • shyamal | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:২৬402198
  • ১) আমি যদিও একেবারে পাতি সব স্কুলে পড়েছি, কিন্তু কোথাও দেখিনি প্রশ্নের উত্তর লিখিয়ে দেওয়া হচ্ছে আর সেটা মুখস্থ লিখতে না পারলে নম্বর কাটা যাবে। কবিতা আর কিছুটা ইতিহাস, ভূগোল বাদে কিছুই মুখস্থ করিনি। ( যে জন্য ইতিহাস, ভূগোল হেট করতাম)।
    কিন্তু আজ দেখি শুধু মুখস্থ নয়, কোন কোন বাচ্চার বাবা মা বাচ্চার "এসে" লিখে দেয়।

    ২) কদিন আগে নিউ ইয়র্ক টাইমসে একটা রিপোর্ট বেরিয়েছিল যে জাপানীরা ভারতীয় স্কুল শিক্ষা পদ্ধতিতে খুব আগ্রহী। অনেক ভারতীয় টিচারও নিয়ে গেছে। কাজেই আমাদের স্কুল শিক্ষা বোধ হয় অতটা খারাপ নয়।
    ৩) স্কুল কিন্তু তৈরী হয় আইনস্টাইন বা ভ্যান গো তৈরী করার জন্য নয়। অনেকেই দেখছি ক্রিয়েটিভিটির ওপর খুব জোর দিয়েছেন এই থ্রেডে। ৯৫% লোকের ডিসেন্ট রোজগার করার দরকার কিন্তু ক্রিয়েটিভ হওয়ার কোন দরকার নেই। বেশির ভাগ লোকের পি এইচ ডি হওয়ার কোন দরকার নেই।
  • aja | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:২৭402199
  • কল পৃথিবীর সর্বত্রই কলের মত চলবে ও কেরানী প্রসব করবে। তাতে ইনসেনটিভ, পরীক্ষা, সবই থাকবে।
  • arjo | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:২৮402200
  • স্যান, যাদের বাড়ির সিস্টেম খুব ভালো, বা নিজেরা খুবই উৎসাহী তাদের তো কোনো সিস্টেমেই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। আর পড়াশুনো না করা লোকও কিছু থাকে। তারা ফাঁকিবাজ, এদের আবার সমস্ত সিস্টেমেই অসুবিধা হয়। এই দুই সম্প্রদায়ই সিস্টেম ইন্ডিপেন্ডেন্ট এনটিটি। লার্ণিং ইংলিশ বা ট্র্যাডিশনাল ওয়ে সব ক্ষেত্রেই প্রথম সম্প্রদায় ভালো করবে, দ্বিতীয় সম্প্রদায় খারাপ করবে। এদের নিয়ে কথা বলতেই পারো। তাতে লার্ণিং ইংলিশ মেথড একই রকম খারাপ থাকে। :)।

    আর প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে আমি মনে করি পরিবারের থেকে স্কুলের দায়িত্ব বেশি। এই নিয়ে সম্পূর্ণ একটা টই খোলা যায় বোধহয়।
  • rimi | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৩০402201
  • শ্যামলবাবু পাতি স্কুলেই বরং প্রশ্নের উত্তর টুত্তর "লিখিয়ে দেওয়া" হয় না। পাতি ইস্কুলের টিচাররা এত খাটবেন কেন? আমি মডার্নের কথা লিখেছি।

    কলে কেরানি ছাড়া আর কিছু যদি তৈরী না হয় তাহলে আর পরীক্ষা আছে কি নেই তাই নিয়ে মাথা ঘামিয়েই বা কি হবে? বাপ মা নিজেই বাড়িতে বাচ্চাকে ইনসেনটিভ দিক। খামোখা ইস্কুলের ইন্সেনটিভের কি দরকার?
  • rimi | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৩৪402203
  • শ্যামলবাবু, কেউ ক্রিয়েটিভ কি না তা একটা বয়সের আগে পর্যন্ত বোঝা যায় না। একেবারে এলিমেন্টারি লেভেল থেকেই যদি ডিসেন্ট রোজগারের ইন্সেনটিভ দেখানো হয় তাহলে বাচ্চাদের ডিসেন্ট রোজগার, ক্রিয়েটিভিটি সবকিছুরই দফারফা হয়।

    আপনি এখন একবার কলকাতায় গিয়ে ছোটোদের স্কুলগুলো দেখে আসবেন। আপনি যখন পড়াশুনা করেছেন তখন মাধ্যমিকে প্রথম বিভাগে পাস করাটাই একটা বিরাট ব্যপার ছিল। এখন কিন্তু যারা স্টারের কম পায় তাদের অবস্থা ঢিলে।
  • aja | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৩৪402202
  • বাবা মা যেহেতু কেরানী তৈরীতে স্পেশালিস্ট নন, আর মাস প্রোডাক্টে একটু কোয়ালিটি ক®¾ট্রাল দরকার করে, তাই ইস্কুল। নইলে স্কুল না থাকলে কোন ক্ষতি ছিল না।

    আর সারাদিন খেটেপিটে ক্লান্ত বাবা-মা আর কতটাই বা ইনসেনটিভ দিতে পারেন। এর জন্য স্পেশালাইজড ব্যবস্থা, অর্থাৎ ইস্কুলই ভাল।
  • rimi | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৩৬402204
  • অজদা তাহলে আর বাবা মা চায়ের দোকান কিম্বা টাইম আউটের ভয়ই বা দেখান কেন? ইস্কুলই তো যা করার করছে? :-))
  • aja | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৩৭402205
  • ৯৫% লোকের যা দরকার (অর্থাৎ ডিসেন্ট রোজগার), ইস্কুল সবসময়েই তার দিকে নজর দেবে। জিনিয়াস তৈরীর চেষ্টা করলে ইস্কুলের একূল-ওকূল দুকূলই যাবে।
  • aja | ২২ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৪০402207
  • বাবা মায়ের ভয় দেখানো হল যাতে ছেলে ইস্কুলের মাপাকাঠিতে ভাল করতে চায়, সেই জন্য।

    লুপ হল এই রকম। স্কুল মেপে বলে দিচ্ছে ছেলে কেরানী হবার পথে কতদূর এগোলো। বাবা-মা সেই অনুযায়ী ছেলেকে খেলনা কিনে দেবে কি টাইম আউট দেবে।

    এতে পুরো কেরিয়ার পাথটা একটা লাইনে থাকে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন