এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৪৭৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৩:০৪580760
  • ওপরের পোস্টটা প্রমাণস্বরূপ অনেক কিছু বলে দিলো।
  • সে | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৩:৫২580761
  • কল্লোলদাকে,
    "ক্রোধ" কথাটার মানে anger, যেটাকে ধরে নেওয়া হয়, তাৎক্ষণিক উন্মাদনা (instant madness)- এখন তো ম্যানেজমেন্টের যুগ, ক্রোধ কথাটা নেগেটিভ কথা। ঘৃণা করা (ইংরিজিতে hate ও নেগেটিভ শব্দ) শব্দটা এক্ষেত্রে অ্যাপ্রোপ্রিয়েট হতো। গু, বমি, একদলা কফ - এগুলোকে যেভাবে ঘৃণা করা হয়, সেই পারস্পেক্টিভে। ক্রোধ টোধ বলে ভিক্টিমকে পাগোল তকমা দেওয়াটা যুক্তিযুক্ত নয়, যদিও আপনি সেটা মীন করেননি সেটা আমি জানি। এবার সেক্সিস্ট চুটকি নিয়ে যা বললেন (যদিও আমি সেক্সিস্ট চুটকির প্রসঙ্গ কোথাও তুলিনি) সেটাও অনেক জায়গায় আইনত পার পাবার ব্যাপার নয়। বয়স, জাতি, বর্ণ, ভাষা, সেক্সুয়াল প্রেফারেন্স, লিঙ্গ, ইঃ, - নিয়ে কারোকে বৈষম্যমূলক (হ্যাঁ, বৈষম্যমূলক কথাটা বোল্ড অ্যান্ড আণ্ডারলাইন্ড) উক্তি করলে সেটা আইনত দণ্ডনীয়। অবশ্য আমি যে পোস্টাটা লিখেছিলাম, সেখানে কোনো বৈষম্যমূলক চুটকির রেফারেন্স ছিলো না, ছিলো একটাই বক্তব্য, যে, এরা শিক্ষিত হয়েও এসব করে বেড়াতে পারে। যারা সরাসরি মেয়েদের নীচুচোখে দেখে বলে প্রচার করে বেড়ায়, এরা তাদের মতো নয়। এরা মুখোশ পরে থাকে। ভদ্রতার মুখোশ।
  • সে | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৪:১০580762
  • কল্লোলদা,
    আরেকটা কথা। আপনি লিখেছেন "সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করুন"। এটা সবসময় হয় না। এটা যদি সবসময় হোতো, সেটা হোতো আইডিয়াল। কিন্তু হয় না। রিয়্যাক্ট করাটা অতো তাড়াতাড়ি হয় না। একটা সমীক্ষা নিলে হয়ত জানা জাবে। কিন্তু প্রতিবাদ করছি। দেরীতে হলেও করছি। "সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ" না করলে অপরাধ তামাদি হয়ে যায় কি? যদি তা হয়, তাহলে তো খুব চিন্তার কথা।
  • কল্লোল | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৪:৪৮580763
  • সে। ঐ যে বল্লাম, দিনের শেষে আমি একজন পুরুষ। আমি তো সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবাদ করি, করতে পারি, কারন আমি ভিক্টিম নই। আপনি বলার পর মনে হলো, অনেক মেয়েকেই বলতে শুনেছি "আমি কি করব বুঝেই পাচ্ছিলাম না", বা "কিছু বলতেই পারলাম না"। আসলে আঘাতটা সরাসরি লাগলে যে ইমপ্যাক্ট হয়, ঘুরিয়ে লাগলে সেটা কোনকালেই হয় না।
    তবে জরুরী হলো বিনা প্রতিবাদে যেতে দেবেন না।
  • - | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:৩৮580764
  • যদিও এখন একেবারেই প্রাণে মেরে ফেলার আলোচনা চলছে, তবুও যদি তাদের ধরা হয়, তবে কি ধরনের শাস্তি আশা করা যেতে পারে?
  • একক | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০২:৪৩580765
  • এই "প্রতিবাদ" শব্দ টার মধ্যে ইটসেলফ একটা অসহায়তা আছে। একটা ফ্যালাসির রাজনীতি। অনন্ত লুপ।
  • কল্লোল | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:৪৬580766
  • একক। বুঝলাম না। প্রতিবাদের মধ্যে অসহায়তা আছে কিভবে?
    তুই কি বলতে চাইছিস, কিছুই তো করতে পারবো না, তাই চাট্টি কথা শুনিয়ে দেই - এরকম লাইনে?
    আমি কিন্তু বলছিলাম, যেখানেই এধরনের "নির্দোষ" চুটকি/আলোচনা হবে সেখানে তুই থাকলে সোজা তাতে বাধা দেওয়া। মুখের উপর বলা, এটা অন্যায় ও মেয়েদের পক্ষে মর্যাদাহানীকর। সেটা যদি তারা মেনে নেয় তো ভালো। না হলে তর্ক চালিয়ে যাওয়া। এতে খিল্লিত হওয়ার সুযোগ ১৯০%। কিন্তু তাতে সরে না এসে, মাথা গরম না করে তর্ক চালিয়ে যাওয়া। এটা করলে তখনি মানুষ নিশ্চই দেবদূত হয়ে যাবে না। কিন্তু দুটো ব্যাপার হবে। ১) আরও কিছু মানুষ যারা প্রতিবাদ করতে চায়, তারা সাহস পাবে। ২) প্রতিবাদ্কারীদের সংখ্যা বাড়লে এবং ক্রমাগত বাড়তে থাকলে তার একটা ধাক্কা নিশ্চই পড়বে সমাজে।
    ধীরে ধীরে পাল্টাবে। এভাবেই পাল্টেছে মেয়্দের পড়াশোনা/চাকরী করার দরকার নেই-এর চিন্তা। এভাবেই পাল্টেছে/পাল্টাচ্ছে সমকামীতা/রূপান্তরকামীতা/তৃতীয় লিঙ্গ নিয়ে চিন্তা।
    কোন কিছুই চূড়ান্ত নয়। তারপরেও অনেকের কাছেই পুরোনো চিন্তা মান্যতা পেয়ে যায়। তাই লড়াইটা/প্রাতিবাদটা জরুরী - সারাক্ষণ।
  • Tim | ০২ মার্চ ২০১৫ ১৪:৫৯580768
  • The lawyers who defended the gang in court express similarly extreme views about women who venture out at night. In a previous televised interview, lawyer AP Singh said: "If my daughter or sister engaged in pre-marital activities and disgraced herself and allowed herself to lose face and character by doing such things, I would most certainly take this sort of sister or daughter to my farmhouse, and in front of my entire family, I would put petrol on her and set her alight."

    একই লিংক থেকে।
  • de | ০২ মার্চ ২০১৫ ১৫:০০580770
  • অপূর্ব!! কি আর বলি!
  • pi | ০২ মার্চ ২০১৫ ১৫:৩১580771
  • আর আলাদা করে রাগ হয়না, অবাক হইনা। স্যাচুরেশনে পৌঁছে গেছি মনে হয়।
    এটা আগে দিয়েছিলাম কিনা মনে নেই, মুম্বইয়ের রেপ নিয়ে অভিযুক্ত ও তার মায়ের কিছু মণিমুক্তো। Mr. Sheikh, too, saw his mother for a few moments that night. He discussed the rape with her, she said, and tried to explain why it had happened.

    “I asked Kasim, ‘Son, why did you do this to her? If it happened to your sister, would you come here and tell me or would you beat him?’ ” said his mother, Chandbibi Sheikh. He told her that his friends had come upon the couple embracing in the mill, and “they thought: ‘What is she doing with this boy here? She must be loose.’ ”

    Continue reading the main storyContinue reading the main storyContinue reading the main story
    She related this exchange from the family’s home, a sort of shelf wedged between a gas station and a garbage dump; as she spoke, a rat the size of a kitten clambered over containers stacked in a corner. She said far too much onus was being put on the men.

    “Obviously, the fault is the girl’s,” she said. “Why did she have to go to that jungle? It’s her fault, too. Also, she was wearing skimpy clothes.”

    She did not deny that he had done it. “He must have,” she said. “He told me that they tied up the boy who was doing bad things to her and said, ‘Madam, let us also do it.’ The madam said, ‘Don’t do it to me, take my mobile, take my camera, but don’t do it to me.’ Her body was uncovered. How could he control himself? And so it happened.”

    এরা কিন্তু ব্যতিক্রম নন। আল্দা করে অপরাধী মস্তিষ্ক কি কোন জিনের গণ্ডগোলও পাওয়া যাবেনা বোধহয়। এই প্যাটার্নে ভাবনাচিন্তা অনেকের মধ্যেই। এই নিয়ে কোন সার্ভে হয়েছে কিনা জানিনা, হলে ভাল হত, এ ধরণের প্রশ্ন তুলে।
  • - | ০৩ মার্চ ২০১৫ ০৪:২৪580773
  • ক্যানো ২০% থেকে ভালো মেয়ের সংখ্যা বেড়ে ৮০% হবে! সমাজের লাভ বই কি ঃ-) একে এট্টু কাউন্সিলিং করিয়ে দিলে ৮০% টা বেড়ে পুরো ১০০% ঠেকায় কেডা?
  • sch | ০৩ মার্চ ২০১৫ ০৬:৪০580774
  • একটা জিনিস কিন্তু খুব ইন্টারেস্টিং - যারা ধর্ষকদের ফাঁসি চান না - তাদের আর ধর্ষকদের চিন্তার ধারাটা একই - দুজনেই মনে করেন মৃত্যুদণ্ড দিলে ধর্ষণ বেড়ে যাবে। তবে তো আর চিন্তা নেই "দণ্ডিতের সাথে দণ্ডদাতা কাঁদে"... এবার ওদের সংশোধন করা যাক। কে জানে ওদের মধ্যেও হয়তো কিছু সুপ্ত প্রতিভা লুকিয়ে আছে - খুঁজে বের করতে হবে সংশোধানাগারে।

    পৃথিবীটাকে এর আগে কখনো এত খারাপ মনে হয় নি..............................
  • কল্লোল | ০৩ মার্চ ২০১৫ ০৭:২০580775
  • স্চ উবাচ - "একটা জিনিস কিন্তু খুব ইন্টারেস্টিং - যারা ধর্ষকদের ফাঁসি চান না - তাদের আর ধর্ষকদের চিন্তার ধারাটা একই - দুজনেই মনে করেন মৃত্যুদণ্ড দিলে ধর্ষণ বেড়ে যাবে।"

    আমি মৃত্যুদন্ড বিরোধী। আমি কোথায় বলেছি যে, মৃত্যুদণ্ড দিলে ধর্ষণ বেড়ে যাবে - সেটা দেখিয়ে দিলে বাধিত থাকবো।
    আমি বারবার বলছি, মৃত্যুদন্ড দিয়ে কোন অপরাধই কমানো বা নির্মূল করা যায় না।
    বাংলাদেশে এর মধ্যে বেশ কয়েকটা মৃত্যুদন্ড হয়েছে সন্ত্রাসবাদী কাজের জন্য। তাতে কি অভিজিৎ রায়, থাবা বাবা, হুমায়ুন আজাদ আটকালো?

    বরং মুকেশের কথা শুনলে এটা পরিষ্কার যে সে সমাজপতিদের ভাষায় কথা বলছে, খাপের ভাষায় কথা বলছে - কে? একজন মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা প্রাপ্ত মানুষ। এটাই কি যথেষ্ট প্রমাণ নয় যে মৃত্যুদন্ড দিয়ে অপরাধ কমানো বা নির্মূল করা যায় না। এই মানেষটার কোন অপরাধবোধই নেই। সে তো নিজেকে প্রায় শহীদ ভাবছে!! এমনি বিচার ব্যবস্থা, এমনই সমাজ যে একটা মানুষকে ভাবাতেই পারে না যে সে অপরাধী।

    মুকেশের কথা শুনে প্রচন্ড রাগ হচ্ছে। কষে পেটাতে মন চাইছে আমারও। কিন্তু ওগুলোও সমাধান নয়।

    মেয়েদের প্রতি পুরুষদৃষ্টিভঙ্গীর বদল না হলে, মেয়েদের স্রেফ যৌনবস্তু বলে ভাবা বন্ধ না হলে, এই জিনিস চলবে। এটা পাল্টাতে গেলে প্রতিবাদ চাই একদম পরিবার বন্ধুবান্ধবের সাথে আড্ডার জায়গা থেকে।
  • sch | ০৩ মার্চ ২০১৫ ০৮:০৩580776
  • কল্লোল-দা আমি কোনো ব্যক্তি বিশেষকে কিছু বলি নি - একটা স্কুল অফ থট সম্বন্ধে বলেছি। একটু পাতা উলটে দেখুন অনেক যুক্তি আছে যেখানে বলা হয়েছে ফাঁসি দিয়েও রেপ ক্রাইম কমে না - উলটে বেড়ে যায় - অনেক স্ট্যাট অনেক তথ্য।

    দৃষ্টিভঙ্গী একদিনে বদলায় না- আদৌ বদলাবে এ সম্ভাবনার ভরসাও পাই না।

    কিন্তু এই মুহূর্তে প্রিয়জনদের নিয়ে টিকে থাকতে চাই - ভীষণভাবে - এইটুকু ভরসা চাই যে কেউ রাত ন'টায় রাস্তা দিয়ে একা এলে তার রেপড হবার সম্ভাবনা < 0.5 এর কম হবে।
  • কল্লোল | ০৩ মার্চ ২০১৫ ০৮:৫১580777
  • স্চ। "কিন্তু এই মুহূর্তে প্রিয়জনদের নিয়ে টিকে থাকতে চাই - ভীষণভাবে - এইটুকু ভরসা চাই যে কেউ রাত ন'টায় রাস্তা দিয়ে একা এলে তার রেপড হবার সম্ভাবনা 0.5 এর কম হবে।"
    তোমার এ আশা প্রায় দুরাশা সেকথা তুমিও জানো।

    যে হিংস্র সমাজে আমরা বসবাস করি, তা ক্রমশঃ হিংস্রতর হয়ে উঠছে। শুধু হত্যা বা ধর্ষণেই কি হিংসার প্রকাশ ঘটে?

    আমার দোকানে সম্প্রতি একটু টালমাটাল চলছে। ঘটনা খুব সামান্য। আমি যে কাজটা করছিলাম তার একটা অংশ বাইরে চলে যাচ্ছে। এতে আমি ও আমার সাথে প্রায় ৮ জনকে অন্য কোন কাজে দিয়ে দেবে। এই নয় জন (আমাকে নিয়ে) বালবাচ্চাওয়ালা সাধারণ মানুষ। এমন নয় যে চাকরী চলে যাচ্ছে। তাতেও, শুধু আগের কাজের যে অংশটি থাকছে তাতে টিঁকে থাকার জন্য যে কামড়াকামড়ি দেখছি, সেটা কৌতুহলোদ্দীপক। ভাবটা - ওর বউ-বাচ্চা মরে মরুক (আসলে কিন্তু তেমন কিছুই হবে না), আমার সব ঠিক থাকলেই হলো। অথচ এরাই মাসখানেক আগে একসাথে পিকনিক করেছে, হ্যাহ্যাহিহি করেছে। এ ওর বাচ্চাকে চকোলেট কিনে দিয়েছে.....ইঃ ইঃ।
    ওদের আজকের ব্যবহার কি হিংস্রতা নয়? মজা হলো সবাই সবাইকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবছে - কিছু কেউ কাউকে হিংস্র ভাবছে না। সকলেই মনে করছে এটাই নিয়ম। বিপদ এলে নিজেকে বাঁচাতে হবে, প্রয়োজনে অন্যের সর্বনাশের বিনিময়ে। সমস্যাটা ঠিক এইখানে। দৃষ্টিভঙ্গীর সমস্যা।
    কবে পাল্টাবে? সময় লাগবে। বড় শহরগুলোতে অজস্র মেয়ে চাকরী করে। এটা নিয়ে কারুর তেমন কোন আপত্তি নেই। থাকলেও চেপে থাকে "পোলিটিকালি ইনকারেক্ট" হয়ে যাবার ভায়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কোন প্রাগৈতিহাসিক ঘটনা নয়, মাত্র ৭০ বছর আগেকার ব্যাপার। তখন কিন্তু ঘরের মেয়ে-বউ চাকরী করতে গেলে "বেবুশ্যে" হয়ে যাবার কথা বলা হতো। তো, ৭০ বছর লেগেছে কিছুটা পাল্টাতে। তাতে সাহিত্য-গান-চলচ্চিত্র-সামাজিক পরিসরে তর্ক এসবই বিরাট ভুমিকা নিয়েছে। বউকে বা মেয়েকে চাকরী করতে না দিলে আইনী শাস্তির ভয় দেখিয়ে এটা করতে হয় নি।
    বলবে খুন বা ধর্ষণের সাথে চাকরী করতে দেওয়া বা না দেওয়ার কোন তুলনা হয়না। ঘটনাগুলোর তুলনা হয় না, দৃষ্টিভঙ্গীর হয়। মুকেশের কথা শোনো - "মেয়েদের কাজ ঘর সংসার চালানো। তারা বাইরে বের হয় কেন?" মিল পাওয়া যাচ্ছে কি? "ধর্ষনে বাধা দিলো কেন?" মনে পড়ছে ? "স্বামী-শ্বশুরের / বাপ-দাদার মুখের ওপর কথা বলে কেন? মিল পাওয়া যাচ্ছে?
  • PT | ০৪ মার্চ ২০১৫ ০৮:৩৯580778
  • মুকেশকে কথা বলতে দেওয়ার আর তার কথা শোনার দরকারটাই বা কি?
  • adhuli | ০৪ মার্চ ২০১৫ ০৯:২৭580779
  • মুকেশ একা নয়, এ রকম বহু আছে। আমরা সবাই মুকেশ। রাজনীতিক, পুলিশ, নেতা, অভিনেতা, কেও বাদ যান না মেয়েদের গন্ডি দেগে দিতে, বোরখা পরা সৌদি সমাজের থেকে বিন্দুমাত্র এগিয়ে নেই আমাদের মেয়েরা, যারা সাহস করে বেরোতে যায়, কিছু হয়ে গেলেই তাদের দিকে আঙ্গুল তুলতে দুবার ভাবি না আমরা। যত দোষ সব মেয়েদের, বাচ্ছা, তাজা ছেলের দল একটু নাহয় ছোট্ট ঘটনা করে ফেলেছে, সেটা নিয়ে এত হই চৈ করে কি হবে, এই মত শুধু নেতাদের নয়, আড়ালে আমাদের সবার। এমনকি যারা মোমবাতি মিছিল-এ গলা ফাটান, ঘরে ফিরে নিজের মেয়েদের স্কার্ট একটু ছোট দেখলে তাদের আসল রূপ বেরিয়ে পরে। পুরো সমাজটাই তো অসুস্থ। তাই কড়া শাস্তি দরকার, কযেকটা ফাঁসি দিলে কালকে ধর্ষণ বন্ধ হবে না, কিন্তু একশোটা জানোয়ার-এর মধ্যে যদি একটাও ভয় পায়, ধর্ষণ করার আগে দুবার ভাবে, যদি একটা মেয়েও বেচে যায় এদের হাত থেকে, এই অসুস্থ সমাজে সেটাও অনেক পাওয়া।
  • de | ০৪ মার্চ ২০১৫ ১৮:২২580782
  • সেই একটা ছেলেকেই এগিয়ে আসতে হোলো? মেয়েরা নিজেরা স্টেপ নিতে পারবে না এটুকুর এগেইন্স্টে?

    ক্লাস ডিফারেন্সটাও কি স্পষ্ট!! গরীব, খেটে খাওয়া মানুষেরাই অ্যাজ ইফ মেয়েদের অসম্মান করে, কানে হেডফোন দেওয়া স্মার্টফোন হাতে জনতা শুধুই প্রোটেক্ট করে!!

    মোটেও ভালো লাগেনি!
  • কল্লোল | ০৪ মার্চ ২০১৫ ১৮:৩৪580783
  • দে একমত। আমি এতোটা ভেবে দেখিনি।
  • sch | ০৪ মার্চ ২০১৫ ১৮:৫২580784
  • ভিডিওতে যদি দেখাতো যে মেয়েটা খেয়াল করে লোকটার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তো মেসেজ হত - এটা কি মেসেজ হল বুঝলাম না।

    ঐ যে আধুলী বলেছেন না "কযেকটা ফাঁসি দিলে কালকে ধর্ষণ বন্ধ হবে না, কিন্তু একশোটা জানোয়ার-এর মধ্যে যদি একটাও ভয় পায়, ধর্ষণ করার আগে দুবার ভাবে, যদি একটা মেয়েও বেচে যায় এদের হাত থেকে, এই অসুস্থ সমাজে সেটাও অনেক পাওয়া "

    এই "ভয় পাওয়ানো"র কথাটাই আমি অনেক দিন ধরে বলে আসার চেষ্টা করেছি গুরুর পাতায় - যার জন্য অনেক রকম বিদ্রূপ শুনেছি। ভালো লাগল কেউ এভাবেও ব্যাপারটা ভেবেছেন। আধুলির মতো করে যত মানুষেরা ভাববেন তত "হলে হতে পারে" অপরাধীরা ভয় পাবে।

    আর অনেক আগে একবার বলেছিলাম যে অপরাধীদের বাড়ির লোককে ফাঁসি বা শাস্তির দৃশ্য লাইভ টেলিকাস্ট করে দেখানো দরকার। প্রবল সমালোচনা হয়েছিল। মুম্বাই রেপের অপরাধীদের একজনের মা যে ভাবে ছেলেকে ডিফেন্ড করেছেন তাতে মনে হয় ব্যাপারটা এবার ভেবে দেখতে পারেন।
  • S | ০৪ মার্চ ২০১৫ ১৯:১২580785
  • sch,
    কোনো অপরাধ কমানোর জন্যে ভয় দেখানোটা একটা একেবারেই ইনেফেক্টিভ। আপনি অপরাধ বিজ্ঞানের যে কোনো প্রাথমিক বই পড়ে দেখতে পারেন। কোনো বাচ্চা দুষ্টুমি করলে আপনি কি করবেন? ধরে খুব করে পিটিয়ে দেবেন? মাঝে মাঝে খবরে শোনা যায় টিচারদের হাতে বাচ্চাদের মার খাবার কথা। তাহলে তো আপনার থিওরি অনুসারে সেই ক্লাসের অন্য বাচ্চাদের ভবিষ্যতে আর কখনো দুষ্টুমি না করার কথা। বাস্তবে কি সেরকম হয় ? এই যে আইসিস বিহেডিং এর ভিডিও পোস্ট করছে তাতে সবাই ভয় পেয়ে গর্তে ঢুকে বসে আছে? একটু চিন্তা করে দেখুন কোনো উদাহরণ পান কিনা যেখানে ভয় দেখিয়ে কোনো অপরাধ বন্ধ করা গেছে।
  • S | ০৪ মার্চ ২০১৫ ১৯:১৩580786
  • ইনেফেক্টিভ উপায়।
  • dc | ০৪ মার্চ ২০১৫ ১৯:৪৫580787
  • কল্লোলবাবু অন্য একটা টইতে লিখেছেন, "মুকেশের কথা শুনলে এটা পরিষ্কার যে সে সমাজপতিদের ভাষায় কথা বলছে, খাপের ভাষায় কথা বলছে - কে? একজন মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা প্রাপ্ত মানুষ। এটাই কি যথেষ্ট প্রমাণ নয় যে মৃত্যুদন্ড দিয়ে অপরাধ কমানো বা নির্মূল করা যায় না। এই মানুষটার কোন অপরাধবোধই নেই। সে তো নিজেকে প্রায় শহীদ ভাবছে!! এমনি বিচার ব্যবস্থা, এমনই সমাজ যে একটা মানুষকে ভাবাতেই পারে না যে সে অপরাধী।
    সমস্যাটা ঠিক এইখানে। দৃষ্টিভঙ্গীর সমস্যা।
    কবে পাল্টাবে? সময় লাগবে।"

    এটা পড়ে একটা প্রশ্ন মনে এলো। সেটা হলো, মুকেশের মতো অপরাধীদের মনে আদৌ কিঅপরাধবোধ আনা সম্ভব? মানে সমাজের দৃষ্টি হয়তো পাল্টে যাবে, কিন্তু তখনো সেই বদলে যাওয়া সময়ে তো আবার অন্যরকম অপরাধী তৈরী হবে। যারা একইরকম আনরিপেন্ট্যান্ট থাকবে। কারন একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মনে অনুশোচনা জাগানো বাস্তবে অতি কঠিন কাজ। প্রায় হয় না বললেই চলে। তাহলে অপরাধীদের বাস্তবে কিরকম সাজা দেওয়া উচিত মনে করেন?
  • aka | ০৪ মার্চ ২০১৫ ২০:০০580788
  • সর্বোচ্চ শাস্তি মানে সারা জীবনের সশ্রম কারাদন্ড, মূলত। তো এক্ষেত্রে একটি অপরাধী যাকে সবাই মনে করে খুবই ঘৃণ্য কাজ করে, এতই ঘৃণ্য যে বাইরে আসার অধিকারও নেই তার আজীবনের দায়ভার ট্যাক্স পেয়ারের। ফারাবীর টইতে পোস্ট করতে গিয়ে এখানে করলাম। ট্যাক্স পেয়ারের টাকা থেকে আর কি কি হবে? এর পরে তো সেই আমার স্টাইপেন্ডের মতন, পেয়েই মেস ম্যানেজারকে দিয়ে চলে আসতে হত।
  • dc | ০৪ মার্চ ২০১৫ ২০:১৩580789
  • না এটা ঠিক মনে হলোনা। ট্যাক্সপেয়ারের টাকা থেকে খর্চা দিতে হবে বলে একজনকে জেলে না দিয়ে ফাঁসি দাও, এটা বহুত অমানবিক হয়ে গেল।

    আমি নিজেও মোটামুটিই ফাঁসির বিরুদ্ধে। রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার কেস ছাড়া ফাঁসি দেওয়া উচিত বলে আমারও মনে হয় না। আবার রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার কাকে বলবো, সেই নিয়েও আমার ডাউট আছে। তবে নির্ভয়া কেসে যেরকম নৃসংশতা দেখানো হয়েছে সেটা হয়তো রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার হতেও পারে।
  • bratin | ০৪ মার্চ ২০১৫ ২০:২৪580790
  • আমি কেস বিশেষে মৃত্যদন্ডের পক্ষে।
  • কল্লোল | ০৪ মার্চ ২০১৫ ২০:৩৮580792
  • অলকনন্দা রায় নামে এক মহিলা সংশোধনের কাজটা করে দেখিয়েছেন।
    এই মাস ছয়েক আগেই ব্যাঙ্গালোরে এসে ওঁরা বাল্মীকি প্রাতিভা করে গেলেন। একমাত্র নাইজেল ছাড়া আর সকলেই সাজাপ্রাপ্ত বন্দী। এমনকি তাদের সাথে দুজন কারারক্ষীও অংশ নিলেন। জেলে, যেখানে পুরুষ ও নারীরা আলাদা থাকেন, সেই জেলেই কিন্তু এঁরা একসাথে রিহার্সল দেন ও নানান জায়গায় শো করে বেড়ান। আজ অবধি কেউ পালিয়ে যায় নি। পালানো তো দূরস্থান, এঁরা মাঝে মাঝে বাড়ি যান কোন রক্ষী ছাড়াই। যখন ফেরার কথা তার আধঘন্টা আগে ইরে আসেন, দুমিনিট পরে নয়। এঁদের মধ্যে অনেকেই খুনের দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন