এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৪২৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ০৪ মার্চ ২০১৫ ২০:৪৭580793
  • এরকম হলে তো বেশ ভালো উদ্যোগ। সব কেসেই এরকম পাল্টানো যাবে কিনা জানিনা, তবুও ভালো উদ্যোগ।
  • S | ০৪ মার্চ ২০১৫ ২০:৫৮580794
  • ডেথ পেনাল্টির জন্যে ট্যাক্স পেয়ারের টাকা খরচ হয় না? খরচের দিক থেকে দেখলে ডেথ পেনাল্টি অনেক বেশি এক্সপেনসিভ। এই আর্টিকলটা দেখুন-
    Death penalty costs California more than $300m per execution
    http://www.theguardian.com/world/2011/jun/20/california-death-penalty-execution-costs
    এই রিপোর্ট থেকে -
    The full burden of the death penalty in California has been laid bare by new research that calculates that each of the 13 prisoners executed in the state over the past three decades has cost more than $300m (£185m).

    The study, by two senior legal figures, includes costs incurred at both state and federal level in keeping 714 death row inmates incarcerated as well as steering them through the tortuous judicial process all the way to the death chamber. The average length of time between conviction and execution in California now stands at more than a quarter of a century – double the national average.

    The report's authors, a senior judge, Arthur Alarcon, and a professor at Loyola law school, Paula Mitchell, do not make any judgement for or against the death penalty. They simply ask whether the system makes sense and whether Californian voters are getting what they wanted.

    The answer is a resounding no, according to the authors. Since 1978 California and the US government have together spent some $4bn on the state's death row, yet only 13 prisoners have been executed – an average of $308m for each one. The study, first reported by the Los Angeles Times, warns that the total figure will rise to about $9bn by 2030.
  • PT | ০৪ মার্চ ২০১৫ ২৩:১০580795
  • কি কি করা উচিৎ নয় জানা গেল। সকল ধর্ষকের কি তাহলে বাল্মীকির পরীক্ষা দেওয়া উচিৎ? আর কোন কোন ধর্ষক সেই পরীক্ষায় পাশ করলেই বা ধর্ষিতার কি আসে যায়?
  • ranjan roy | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০০:২৭580796
  • ধর্ষকদের মৃত্যুদন্ডের বদলে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের কথা বলা হয়েছে। তাকে সমাজে আইসোলেট করে ইনোকুয়াস পজিশনে রাখার কথা বলা হচ্ছে।
    এই দৃষ্টিভঙ্গীর সমর্থক বাড়ছে। সম্ভবতঃ গত বছর বা তার আগে সিপিএম নামের রাজনৈতিক দলও মৃত্যুদন্ড তুলে দেবার পক্ষে সওয়াল করেছিল।
  • sm | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০১:১৭580797
  • অনেক মারাত্মক অপরাধী আছে। তাদের সংশোধন সম্ভব নয়। তাবলে মৃত্যুদন্ড কখনই সেই সমস্যার সমাধান নয়।
    উচিত, যত বেশি ঘৃণ্য অপরাধী, তাকে তত কম সুযোগ সুবিধে দেওয়া। লোকজন মৃত্যুদন্ড কে কেন সর্বোচ্চ শাস্তি ভাবছে বুঝছি না।কারন কাউকে তিনদিন খেতে না দিয়ে ফেলে রাখলে; চতুর্থ দিনে নিজেই বলবে আমাকে মৃত্যুদন্ড দিন। আবার মধ্য যুগীয় শাস্তি( হাত, পা কেটে ফেলে,কানে গরম সিসে ঢালা ) কে বর্বরতা বলা হয়।এগুলো কেও চালু করা যায় না।
    কাজেই জেলে থাকাকালীন সুযোগ সুবিধা,স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়াই হলো বেস্ট উপায়।
  • ranjan roy | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০১:৩৬580798
  • এসএমকে ক।
  • adhuli | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৬:৩৮580799
  • মৃত্যুদন্ড সেই অপরাধের সমাধান নয়, সেই এক যুক্তি তে তো আজমল কাসাভ কেও তো ছেড়ে দেওয়া যেত। তাকেও কাউন্সেলিং এর সুযোগ দেওয়া যেত। সে হয়ত আর গণহত্যা করত না। যেখানে জেলের কারারক্ষী থেকে ওপর পর্যন্ত সব দুর্নীতির পাঁকে ডুবে আছে, সেখানে জেলে বসে ডনেরা খুনের প্লান বানাতে পারে, অপহরণের প্লান বানাতে পারে, সেখানে যাবজীবন কারাদন্ড আদৌ তাকে সংশোধন করা নাকি তাকে ক বছর বিশ্রাম এর অথবা অপরাধের নেটওয়ার্ক বানানোর সুযোগ দেওয়া তা নিয়ে বিতর্ক হোক। কারাবাস শেষ করে কজন সুস্থ জীবনে ফিরেছে, আর কজন আবার অপরাধ করেছে তার একটা স্ট্যাটিসটিক্স দেখা হোক। একটা বালিমিকি প্রতিভা দিয়ে বিচার করতে গেলে তো পুরো জেল ব্যবস্থা তুলে দিয়ে নাট্যশালা বানানো হোক না, ধর্ষণ করে মুকেশের মত লোকজন গলায় মালা পরে কৃষ্ণ-রাধা-র প্রেমকীর্তন করবে।

    যাই হোক, এখানে আমরা শুধু আমাদের মতামত দিতে আসি, আমাদের কথায় বিচার বিভাগের কিছু আসবে যাবে না, সবকিছু যথা পূর্বম তথা পরম চলবে। আমার নিজের মত হলো এই মুহুর্তে ভারত এ বিচার এবং পুলিশ ব্যবস্থার যে হাড়ির হাল, তাতে অপরাধীরা আদৌ ভয় পায় না। আইনের শাসন না থাকলে, সাধারণ মানুষ ও অপরাধ করতে গেলে ভাবে না, জানে আইনের ফাঁক গলে বেরোনোর অনেক রাস্তা আছে। সেই ভয় নিয়ে আসতে গেলে কঠিন শাসন ব্যবস্থা দরকার, অন্তত কিছু বছরের জন্য, যাতে আমাদের নিজেদের মেয়েরা নিরাপদে রাস্তায় হাটতে পারে। সেই কঠিন ব্যবস্থা র একটা অনুসঙ্গ হলো ফাঁসি। অপরাধ শুন্য না হোক, ১০০ থেকে কমে ৯০ হলেই সেটা আমার কাছে অনেক পাওয়া।
  • কল্লোল | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৭:০২580800
  • আধুলি। বিষয়টা "একটা বাল্মীকি প্রাতিভা"র নয়। ঐ অনুষ্ঠান দেখে (ব্যাঙ্গালোরে বাল্মীকি প্রতিভা) এখানকার সংশোধনাগারের আইজি অনুষ্ঠানের পর এই ধরনের কাজ গুরুত্ব দিয়ে ভাবার কথা বলেন। সম্ভবতঃ কর্ণাটকে কাজ শুরু হয়েছে। ঐ অনুষ্ঠানেই জানতে পারি অলকনন্দা রায়কে বাংলাদেশ সরকার তাদের সংশোধনাগারগুলোতে এরকম কাজ করার জন্য ডেকেছেন।
    কিন্তু এগুলো তো চটজলদি অপরাধ কমাবে না। কারন অপরাধ করে এসে তবে না সে মানুষ এসবের আওতায় আসবে। যদিও এর একটা সুদূরপ্রসারী অভিঘাত আছে।
    আমাদের শাস্তি ব্যবস্থা আর বিচার ব্যবস্থার বহু পরিবর্তন দরকার। শিক্ষা-স্বাস্থ্য ইঃ নিয়ে যত কথা হয় তার এক কণাও শাস্তি ও বিচার ব্যবস্থা নিয়ে হয় না।

    ধর্ষণ কমাতে গেলে মেয়েদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী পাল্টাতে হবে। মুকেশ যে কথা বলেছে, সেটা শুধুই একজন ধর্ষকের কথা নয়। এটাই এই উপমহাদেশের এবং আরও অন্য নানা দেশের সাধারণ পুরুষদের মনোভাব।
    রাত নটার পর বাইরে থাকলে সে মেয়ে খারাপ। মেয়েরা "কামনাউদ্রেককারী" জামা কাপড় পরে। মেয়েদের প্রাতিবাদ করা ঠিক না। বাপ-দাদা বা স্বামী-স্বশুরের মুখে মুখে তর্ক করা উচিত না। মেয়েদের শুধু ঘরের কাজই করা উচিত। মেয়েদের কাজ সন্তানের জন্ম দেওয়া ও সংসারের কাজ করা। মেয়েরা যদি চাকরী না করতো, তো ছেলেরা সেসব কাজ পেতো। মেয়েরা তো সেই ছেলেদের বিয়ে করেই সুখে থাকতো।
    এসব অমৃতবাণী কি এদেশে খুব দুর্লভ?
  • adhuli | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৭:৫৩580801
  • কল্লোল, আপনার যুক্তি ঠিক, আমি নিশ্চয় চাই যে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানো দরকার, মেয়েদের সম্মান দিতে শেখানো ঘর, স্কুল, অফিস সব জায়গা তে দরকার, কিন্তু এসব বহু দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। কযেক হাজার বছর এর মানসিকতার জগদ্দল পাথরকে ঠেলে সরাতে আরো কতশ বছর লাগবে, ভগবান জানেন, মানে যদি উনি থাকেন আর কি। কিন্তু মেয়েরা অনেক বেশি এগিয়ে এসেছে গত ৪০ -৫০ বছরে, ইভেন ২০ বছর আগে কজন মেয়ে IT তে চাকরি করতেন ? অর্থনৈতিক দিক থেকে হোক, শিক্ষার দিক থেকে হোক, মেয়েরা অনেক তাড়াতাড়ি এগিয়ে এসছেন, যেটা আমাদের অসুস্থ সমাজ এখনো মেনে নিতে পারে নি। মুকেশ এর এর মত লোক তো আমাদের ঘরে ঘরে, যারা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখায় মেয়েরা কত দয়ার পাত্র। কিন্তু এই মেয়েদের প্রটেকশন করাটা আমার, আপনার, সবার, রাষ্ট্রের ও কর্তব্য, এরা যদি পিছিয়ে থাকে, দেশ ও পিছিয়েই থাকবে। মেয়েদের মধে IT- সেক্টর এর একজন হাই ইনকাম এমপ্লয়ী হোক বা একজন দিনমজুর, দেশের অর্থনীতিতে মেয়েদের যে অবদান সেটা কেও অস্বীকার করতে পারে না। একটি ধর্ষণের ঘটনা কে isolate করে দেখা ভুল হবে, নির্ভয়া হয়ত একজন ভালো psychologist হতে পারত, বহু লোক তার থেকে উপকার পেত, মুকেশ রা শুধু তাকে খুন করে নি, একজন সমাজে যে কাজ করতে পারত, সেটাকেও নষ্ট করেছে। প্রতিটি ধর্ষণ আরো অনেক মেয়েতে ভয় পাইয়ে দেয়, বাধ্য করে তাকে আরো গুটিয়ে যেতে, হয়ত আরো ভালো ক্যারিয়ার যে বেছে নিতে পারত, কিন্তু ভয় পেয়ে সে নিজের সহর এ একটা নিরাপদ চাকরি খোজে। আমার বক্তব্য এটাই, যে আমাদের মানসিকতা পাল্টানো যেতে যে বহু সময় লাগবে, সেখানে রাষ্ট্র পারে একটা কড়া শাসন ব্যবস্থা করতে যাতে সাধারণ মানুষ (মুকেশ এর মত, বা আমাদের মত ) একটু ভাবে কোনো মেয়ের পেছনে লাগার আগে। প্রন্গত যে দেশে আছি, সেখানে কোনো মেয়েকে tease করা দুরে থাক, stalk করলে পুলিশ সোজা শ্রীঘরে পাঠায়। ধর্ষণ কি হয় না এ দেশে ? নিশ্চয় হয়, অনেক হয়, কিন্তু মেয়েরা ভয় পায়না এত বেশি, কারণ জানে আইনে তাকে সাহায্য করবে। আমাদের দেশে তো সেই ভরসাটা নেই, সেটা হতেও বহ সময় লাগবে। এই মধ্যবর্তী সময়ে একমাত্র কড়া শাস্তি পারে মেয়েদের কিছুটা প্রটেকশন দিতে।
  • PT | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৮:১০580803
  • "ধর্ষণ কমাতে গেলে মেয়েদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী পাল্টাতে হবে। "
    এই জাতীয় বক্তব্য অনেকেই অনেক দিন ধরে বলছেন।
    ১২০ কোটির দেশে ঠিক কি ভাবে সেটা করা সম্ভব? শিব্রাম ছারপোকা মারার জন্য প্রতিটি ছারপোকাকে ধরে হাঁ করিয়ে এক ফোঁটা করে ওষুধ খাইয়ে দেওয়ার নিদান দিয়েছিলেন। এটাও কি সেরকম কিছু?

    "মেয়েরা "কামনাউদ্রেককারী" জামা কাপড় পরে।"
    পোশাক প্রসঙ্গে একটু পলিটিকালি ইনকারেক্ট কথা বলি। আমার এক অতীব ধার্মিক মুসলিম বন্ধু বলতেন যে ধর্মীয় বিধানে (ঐ কামনার কারণেই) মুসলমান পুরুষদেরও হাঁটু ঢাকা পোশাক পরার কথা। যে কারণে তিনি নিজে সুমিংপুলে হাঁটু ঢাকা সুইমিং কস্টিউম পরতেন।

    আর এদেশের জগদ্বিখ্যাত একটি কেন্দ্রীয় শিক্ষাকেন্দ্রের নিজস্ব লাইব্রেরি ও সিনেমা হলে পুরুষ ছাত্রদেরও হাফ-প্যান্ট বা বারমুডা পরে ঢোকা নিষিদ্ধ।
  • ranjan roy | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৮:১৭580804
  • আধুলি,
    একমত।
    কিন্তু দ্রুত বিচারের মাধ্যমে আজীবন কারাবাস কেন কঠিন শাস্তি নয়?
    আসলে ব্যাপারটা হল প্রাণদন্ড নয়, রাষ্ট্রের ইনসেন্সিভিটি!
    মেয়েরা জানে যে ঃ
    ১) ধর্ষণের জন্যে কম্প্লেন করতে গেলে পুলিশ সহজে নেবে না;
    ২) ওকে ভয় দেখিয়ে ঝামেলা মিটিয়ে নিতে বলবে;
    ৩) যদি এফ আই আর হয়ও, তারপর ধর্ষকটি সম্পন্ন বা প্রভাবশালী ঘরের হলে কিছু পয়সাকড়ি নিয়ে' ভুলবোঝাবুঝি' হয়েছিল লিখিয়ে কেস ক্লোজ করতে চাইবে।
    ৪) এরপর গোটা পাড়া ওকে দৃষ্টি দিয়ে চাটবে;
    ৫) দোকানপাটে ক্লাবে কাজের জায়গায় সর্বত্র এক স্পেশাল ট্রিটমেন্ট পাবে।
    ৬) আদালতে বিপক্ষের উকিল ওকে নোংরা প্রশ্ন করবে, যেমন
    --ও আপনার হাত ধরল, বেশ। তারপর আপনি কী করলেন?
    -- জামাকাপড় আপনি নিজে খুললেন কি ও?
    -- তখন আপনার কেমন লাগছিল?
    ইত্যাদি।
    ৭) আত্মীয়স্বজন ওকে নিয়ে অস্বস্তিতে পড়বে। ওর সঙ্গেই কেন অমন হল? অন্যদের সঙ্গে কেন হল না--এইসব কমেন্ট করবে।
    ৮) ধীরে ধীরে ও নিজের পুরনো পারিবারিক সামাজিক মেলামেশার সার্কেলে ব্রাত্য হয়ে পড়বে।

    এইগুলোকে অ্যাড্রেস না করে শুধু ধর্ষকের প্রাণদন্ডের ব্যবস্থা করলে সাময়িক একটা কিছু করলাম মনে হবে, তার বেশি নয়।
    এবং প্রটেক্শন দেবেন? চাকরিস্থলে পথে ঘাটে বেরোনো মেয়েদের থেকে ঘরের ভেতর রেপ অনেক বেশি--যা রিপোর্ট হয় না। আমরা করতে দিই না।
    "ডোমেস্টিক রেপ" বলে কিছু হয় আমরা মানতে চাই না। তাই প্রিভেনশন অফ ডোমেস্টিক রেপ অ্যাক্ট থাকলেও কিছু হচ্ছে না।
  • PT উবাচ | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৮:২২580805
  • Name: PT

    IP Address : 213.110.243.21 (*) Date:17 Sep 2013 -- 05:05 PM

    রেস্পেক্ট? স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হবে না তো? বাপ-মা-দাদু-দিদা সবাই মিলে টিভিতে মাধুরির নাভি-দর্শন করে একসঙ্গে "enjoy" করছে-কে কাকে respect শেখাবে?

    Name: PT

    IP Address : 213.110.246.230 (*) Date:17 Sep 2013 -- 05:43 PM

    এক সময়ে তত্বকথা শুনেছিলাম যে ছেলে-মেয়েদের ছোটবেলা থেকে মেলামেশা করতে দিলে তারা পরস্পরকে সন্মান করতে শিখবে। সুইডেনে সেই মেলামেশার পরীক্ষা চলেছে বহু দশক ধরে। সে দেশে আইন, কোর্ট, শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা, সমাজভাবনা অনেক দেশের থেকে অনেক বেশী উচ্চমানের ও সর্বজনলভ্য। তার পরেও "Statistics now suggest that 1 out of every 4 Swedish women will be raped."
  • Atoz | ০৫ মার্চ ২০১৫ ০৮:৩৬580806
  • আসল কথায় আসুন। এই সব
    ১। মানসম্মান করতে হবে
    ২। প্রোটেক্ট করতে হবে
    ৩।হ্যানো করতে হবে
    ৪। ত্যানো করতে হবে-

    এইসব রক্ষাকর্তার পিতৃত্ববাদ মার্কা কথাবার্তায় কোনো চিঁড়েই ভিজবে না। এতে কেবল গোল গোল গোল গোল ঘুরতে হবে একই কথা নিয়ে বছরের পর বছর।

    ভেবে দেখুন গড়পড়তা একজন পুরুষের উপরে রেপের তুলনায় কেন মেয়েদের উপরে বা শিশুদের উপরে রেপ বেশী, অনেক বেশী? পুরুষের উপরে কম হয় কারণ সামাজিকভাবে তাকে কিছু প্রিভিলেজ দেওয়া আছে যেটা মেয়েদের নেই বা শিশুদের নেই। সেই প্রিভিলেজগুলো আদায় করা গেলে কিছু সুরাহা মনে হয় হতে পারে।

    তবে এ তো অপরাধ কমানোর ডাইরেক্ট উপায় নয়, তারজন্য আইনের সদাসতর্ক প্রহরাও তার সঠিক প্রয়োগ দরকার। যেটা আমাদের সমাজে প্রায় আকাশকুসুম। সেই দিকটা ইমপ্রুভ করার চেষ্টা করা গেলে মনে হয় কিছু কাজ হয়।
  • adhuli | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১০:২২580807
  • রঞ্জন দা, এক মত। কিন্তু নির্ভায়া-র কেস কিন্তু শুধু ধর্ষণ নয়, পরিস্কার খুনের কেস। যে রকম ভয়াবহতা দেখানো হয়েছে, তাতে এটা রায়েরেস্ট অফ রেয়ার নিশ্চয় ধরা উচিত। মৃত্যুদন্ড তুলে দেওয়া নিয়ে বিতর্ক হোক। সেটার জন্য যদি আইন পাল্টাতে হয়, সেটা হোক। কিন্তু এই মুহুর্তে যে আইন আছে, তাতে এই ধরনের ক্রাইম এ ফাঁসি দেওয়া হয়, এই কেস-এ সেটা করা হোক, অন্তত একটা মেসেজ দেওয়া যাবে যে বিচার ব্যবস্থা এখনো পুরো ভেঙ্গে পরে নি। এই মুহুর্তে সেটা ভীষণ জরুরি।

    আর আমি শুধু বাইরের প্রবলেম নিয়ে বলি নি, নিশ্চয় মেয়েরা নিজেদের ঘরে ও অনেক বেশি দুর্ভোগ সহ্য করে, unreported ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এখানে ভয়াবহ, সেটার ও প্রতিবাদ করা দরকার এবং প্রতিবাদ হবে। মেয়েরাই করবে, যে মেয়েরা আজকে ভয় পেয়ে গুটিয়ে থাকে, আরো কযেক বছর যেতে দিন, দেখবেন তারাই নিজে ঘাড় ধরে এ সব লোক-কে থানায় নিয়ে যাবে। কিন্তু হাজার বছর এর বদ্ধ জলা সাফ কি আর কযেক বছর -এ হবে ? দ্রুত বিচার এবং যাবজীবন এর আশা এই দেশে অনেকটা সোনার পাথরবাটির মত, যেখানে পুলিশ আর বিচার ব্যবস্থা দুটোই গলা অবধি পাঁকে ডুবে আছে।
  • PT | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১০:৩৩580808
  • সাফ হবে?

    এক সময়ে তত্বকথা শুনেছিলাম যে ছেলে-মেয়েদের ছোটবেলা থেকে মেলামেশা করতে দিলে তারা পরস্পরকে সন্মান করতে শিখবে। সুইডেনে সেই মেলামেশার পরীক্ষা চলেছে বহু দশক ধরে। সে দেশে আইন, কোর্ট, শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা, সমাজভাবনা অনেক দেশের থেকে অনেক বেশী উচ্চমানের ও সর্বজনলভ্য। তার পরেও "Statistics now suggest that 1 out of every 4 Swedish women will be raped."
  • ranjan roy | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১০:৫২580809
  • আধুলি,
    বক্তব্যের মূল সুরের সঙ্গে একমত হয়ে এই দুটো কথাঃ
    ১) বর্তমান ব্যবস্থায় অধিকাংশ কেসেই ( হত্যা হলে) রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার না লাগলে বিচারকরা যাবজ্জীবনই দেবেন।
    ২) আর নির্ভয়া ও কামদুনি-- দুটোকেই রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার মনে করি।
  • sm | ০৫ মার্চ ২০১৫ ১১:০৩580810
  • পিটির সঙ্গে একমত। দুমকরে মেলা মেশা বাড়িয়ে দিলে বিরাট কিছু ফলপ্রাপ্তি হবে না। আবার ঘাড় ধরে সব জেলে পাঠালেও সমস্যার সমাধান হবে না। যেমন 498a ধারা চালু করে, কোনো কাজের কাজ হয় নি। প্রকৃত অপরাধী অনেকে বহাল তবিয়তে আছে; গরীব পিছিয়ে পড়া মানুষেরা এর সুফল প্রায় কিছু পাই ই নি।বহু নিরপরাধ স্বামী, নারী (শ্বাশুড়ি, জা, ননদ ) জেলে পচেছে/ পচছে।
    মেয়েদের নিরাপত্তা আসবে, আর্থিক সমৃদ্ধি ও প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবার পর। নারী কে অবলা ভাবার আগে দুবার থমকে যাবে। নারী দেরও বাড়াতে হবে অন্য নারীদের সম্মান দেওয়া।এটা একটা লং টার্ম প্রসেস। বেশ সময় লাগবে।
  • [] | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০২:১৮580814
  • মেন কনসার্ন হল তিনজন বিচারাধীন জঙ্গি পালিয়েছে। উসকানোটা পারপাসফুলি ও হয়ে থাকতে পারে।
  • কল্লোল | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৪:৫৮580815
  • আশা করা যাক, হবু ধর্ষকেরা এর পর "ভয়" পাবে। ধর্ষণ কমবে।
  • Atoz | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৫:৪১580817
  • আপনাদের যে কী আসল বক্তব্য সেটা তো বুঝি না। "রেপ" চেলতে থাকুক ও বাড়ুক, এটাই কি চান? এইসব অপরাধী ধর্ষকদের কিছুদিন তুলসীপাতা আর লপ্সি খাইয়ে বাপুবাছা কাউন্সেলিং করে করে ছেড়ে দিতে চান, আর এর এবিয়ে বেরিয়ে ঐ আরো আরো দুচারটি মেয়েকে বা বাচ্চাকে রেপ করে খুন টুন করে যাক? তারপরে ইনিয়ে বিনিয়ে করুণামৃত্যু চাক? তখন তাকে তাই দেওয়া হোক?
    এতে লাভটা কোনদিকে হচ্ছে? মাঝখান থেকে ঐ যে মেয়েগুলো বা বাচ্চাগুলো মরলো, তারা বরং বেঁচে যেতে পারতো ঐ অপরাধী প্রথমবারের পরই তখন তখনই মরে গেলে?
  • adhuli | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৬:০২580818
  • Atoz'কে ক। সেটাই বার বার বলার চেষ্টা করছি। ধর্ষকদের জন্য এত দয়া অনেকের, যে মেয়ে গুলো মারা যাচ্ছে বা বেচে মরে আছে, তাদের প্রানের কোনো দাম নেই ? আর বাকিদের কথা জানি না তবে আমি নিজে তো কখনো নাগাল্যান্ড-এ গেলে, কোনো নষ্টামি করার আগে ভয় পাব এখন। গণহত্যা কে কখনই সমর্থন করি না, কিন্তু বিচার বিভাগ এর ওপর হতাশা কোন পর্যায়ে গেলে মানুষ এ সব করে ? যেখানে আইনের শাসন থাকবে না, সেখানে মানুষ নিজের হাতে আইন তুলে নেবেই একদিন না একদিন।
  • Atoz | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৬:২৭580819
  • এইটা আমি ভেবে পাই না, এই সব নিরপরাধ ধর্ষিত নিহত মানুষগুলো রাষ্ট্রের কাছে সুবিচার প্রত্যাশা করে, সেটা পাবার তার অধিকার আছে। সেটা যদি না থাকে, তাহলে আসলেই রাষ্ট্র তার সুনাগরিকের জীবনের বা মর্যাদার কোনো দামই দেয় নি, অপরাধীকে "মানবিকতা" দেখাতে গিয়ে।
    এই প্রশ্ন করলেই এইসব ইনিয়ে বিনিয়ে তুলসীপাতা গোষ্ঠী ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কাক বক খাগড়াগড় ডোমেস্টিক ইন্টার্ন্যাশনাল বাঁশের কেল্লা অমুক তমুক দেখাতে থাকে। বছরের পর বছর গোল গোল গোল গোল ঘোরা। কবে নাকি মুক্তির দুনিয়া এসে যাবে, পরিপূর্ণ উজ্জ্বল এক সমসাম্য দুনিয়া, তখন নাকি আর এসব কোনো সমস্যা থাকবে না।
  • কল্লোল | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৬:৫৮580820
  • আধুলী। কথার কথা, কিছু মনে করবেন না, একেবারেই কথার কথা।
    "আমি নিজে তো কখনো নাগাল্যান্ড-এ গেলে, কোনো নষ্টামি করার আগে ভয় পাব এখন।"
    প্রশ্ন - সত্যিই কি গতকালের ঘটনার পর থেকে "নষ্টামি" করতে ভয় পাচ্ছেন? আগে কি "নষ্টামি" করেছেন? আমি জানি করেন নি। তবে কেন করেন নি? কোন ভয়ে?
    প্রশ্ন - মানে, মধ্যপ্রদেশ বা পবতে ভয় পাবেন না? আমি জানি ভয় পাবেন। কিসের ভয়?
    বা আদৌ কি কোন "ভয়" থেকে "নষ্টামি" করেন না? নাকি অন্য কোন কারন আছে। সেটা কি?

    আতোজ। আপনার বড় বেশী বাইনারীতে ভাবেন। আমি কারুরই মৃত্যুদন্ড চাই না। তার মানে আমি সব অপরাধীকে ছেড়ে দিতে বলছি, একথা কোথায় বুঝলেন?

    আমি মৃত্যুদন্ডের বিরোধী। কিন্তু অপরাধীর শাস্তির বিরোধী নই। শুধু একটাই কথা মনে হয়, এই শাস্তি ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা পাল্টানো দরকার। মুকেশকে মৃত্যুদন্ড বা তর্কের খাতিরে ধরা যাক যাবজ্জীবন দেওয়া হলো। তাতে কি মুকেশ মনে করছে যে সে অপরাধ করেছে? দেখাই যাচ্ছে, তা হয়নি। তবে এই বিচার বা শাস্তি ব্যবস্থা কি অর্থে সফল?
  • shatadal | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৬:৫৯580821
  • অপরাধীকে আজীবন জেলে রেখে দিলে সেটা মন্দ নয়, যদি সলিটরি কনফাইনমেন্টে রাখা হয়। নইলে এই লোকগুলো বাকী বন্দীদের অবস্থা খারাপ করে দেবে। জেলেও তো রেপ হয়, ম্যান অন ম্যান, ওম্যান অন ওম্যান। একটাই সমস্যা। মানবাধিকারবাবুরা তখন এই লোকগুলোকে সলিটারী কনফাইনমেন্টে রাখা কতটা অমানবিক তাই নিয়ে মিটিং মিছিলে লেগে যাবেন। তাদের চাঁদা দেবার মত লোকও পাওয়া যাবে। তাচ্চেয়ে ফাঁসীই ভাল। আর কোন ঝামেলা থাকে না।
  • Atoz | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৭:৪০580822
  • আরে!!!! অপরাধী কী মনে করলো কী এসে যায়? তার মনে অপরাধবোধ জাগলে বা না জাগলে কোন কাঁচকলার ডগা আসবে যাবে?
  • Simple | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৭:৫৫580823
  • জাগলে সে আর অপরাধ করবেনা আর এই অপরাধবোধ তার সবচে বড় শাস্তি হবে।
  • Atoz | ০৬ মার্চ ২০১৫ ০৮:০৩580825
  • আর তার আগে কত নিরপরাধ মানুষকে মারবে, রেপ করবে বা আরো অন্য কিছু করবে।
    এগুলো অ্যাফোর্ড করবে কী করে আমাদের সমাজ?
    কবে তার "অপরাধবোধ" জাগবে সেইজন্য তাকে তুলসীপাতা, লপ্সি খাইয়ে খাইয়ে বাবাবাছা করে কাউন্সেলিং করে যাবে আর নিহত ধর্ষিত মানুষের পরিবার অসহায় রাগে দুঃখে শেষ হবে?
    কথাটা তাও নয়, কথাটা হলো ঐ নিরপারাধ মানুষগুলোর প্রাণ বা মর্যাদার কোনো দাম তাহলে দিল কি সমাজ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন