এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তৃ-প-বু-ভূ ৩

    rokeyaa
    অন্যান্য | ২৬ নভেম্বর ২০০৯ | ৪৫৮৭৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dig | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ০১:০৮427797
  • এবারে বলুন, জমির দাম কোথায় বেশী? ছত্তিশগড়ে না পশ্চিমবঙ্গে? ছত্তিশগড়ের মত পশ্চাদপদ হিন্দিবেল্টে জমি নেওয়া সহজ কারণ ওখানে মানুষ কৃষির ওপর নির্ভর করতে পারে না - জমির উৎপাদনশীলতা কম। পুঁজি তো রাজ্য চেনে না, সে যেখানে সস্তা সেখানেই যাবে। খোলাবাজারে অধিগ্রহণ হলে পশ্চিমবঙ্গে জমির দাম এমন পর্যায়ে পৌঁছবে যে কোনো শিল্পই হবে না। কারণ এর থেকে অনেক শস্তায় জমি আছে ছত্তিশগড়ে, ওড়িশায় বা অন্ধ্রে।
    আসলে উদ্যোগটা নিতে হত আরো বছর দশেক আগেই। সেটা আমরা দেরী করে ফেলেছি।
    আমি রিপোর্টটা পড়তে উদ্যোগী কিন্তু পাচ্ছি না, লিঙ্ক দিয়ে কেউ হেল্প করুন প্লিজ।
  • dig | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ০১:৪৭427798
  • http://coffeehouseradda.com/blog/diganta/771
    আমিও কিছু লিখেছি, মূল পয়েন্টগুলো এখানে দেওয়াই আছে। তাও দেখতে পারেন।
  • a x | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ০১:৫৯427799
  • সংহতিতে শুক্লা সেন বলে কেউ নেই রঞ্জনদা। মানে আপনি যে শুক্লা (নাকি শুক্ল) সেনের কথা বলছেন তিনি সংহতিতে নেই।
  • bitoshok | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ০২:৫৩427800
  • একটা কথা এখানে বলে রাখি। শুধু কতখানি জমি অধিগ্রহন করা হবে সেটা দিয়ে পরমাণু প্রকল্পের জন্য ক্ষতিপুরণ/পুনর্বাসন হিসেব করবেন না। বিদ্যুত কেন্দ্রের বাইরে বেশ বড় এলাকা থেকে জনবসতির পাট তুলে দিতে হবে/নিয়ন্ত্রন করতে হবে। মোটরগাড়ির কারখানা আর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র একধরনের বস্তু নয়।
  • Arijit | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৯:৫২427801
  • জবর খবরটা কেউ দ্যাখোনি নাকি? প:ব: সরকার সিঙ্গুরের জমি রেলকে দিয়ে দিচ্ছে ওয়াগন কারখানার জন্যে। টাইমস লিখেছে এটা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হলেও এবং বেচারাম মান্না এন্ড কোং এটা নিয়ে উল্লসিত হলেও আদতে এটা একটি হট পটেটো - জমি ডিসপিউট মেটানোর ঝক্কি এবার মমতার ঘাড়ে।
  • PT | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৯:৫৬427802
  • কিন্তু আমরা মোটরগাড়ীর কারখানাও তো হতে দিলাম না!! কিংবা হতে দিতেও পারি ২০১১-র পরে দিদি ক্ষমতায় এলে। আবার কোচ ফ্যাক্টরিও বানাতে পারি। পুরো ব্যাপারটাই লোক ক্ষ্যাপানোর জন্য করা হয়েছে। কেননা ন্যানো-র মত গোটা দুয়েক কারখানা বানাতে পারলে-মহশ্বেতা/শাঁওলি/পকাবুরা চান বা না চান- বামফ্রন্ট তার সকল দোষাবলি নিয়ে আরও তিরিশ বছর ক্ষমতায় থাকত।

    মজাটা দেখুন ranjan এর চিঠিতে। ওঁর বক্তব্য সত্য হলে ধরে নিতে হবে যে ভারতের শিল্পপতিরা (টাটা বাদে কেননা ইনি প:বঙ্গে এসেছিলেন) হঠাৎ গান্ধীবাবা হয়ে গরীব চাষীদের উন্নতিকল্পে ""প্রচুর"" দাম দিয়ে জমি কিনছে ছত্তিশগড়ে!! ছত্তিশগড়ে জমির মালিকানার গঠনটা জানা গেলে আলোচনাটা জমত। কিন্তু ranjan-এর চিঠির আকুতিতে পরিষ্কার যে হিন্দিবলয় রাস্তা বাতলে দিয়েছে-ব্যবসায়ীরা তো গরীবদের জন্য কেঁদেকেটে একসা-অন্তত: ছত্তিশগড়ে!!হাজার হাজার গরীব মানুষ যে প্রতিদিন হিন্দিবলয় থেকে কলকাতা শহরে পাড়ি জমাচ্ছে সে নিশ্চয় গঙ্গার হাওয়া খাওয়ার জন্য!

    এই চিঠির নিয্যাসটি পকাবু/মাওব্যথী/পথহারা বামপন্থীদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানটিকে স্পষ্ট করে। প্রস্তুত থাকুন-আর কিছু দিনের মধ্যেই হাওয়া উঠবে যে যেটুকু ভুমিসংস্কার হয়েছিল সেটাও ভুল কাজ হয়েছিল। কেননা সেই কারণেই শিল্পপতিদের জমি পেতে অসুবিধে হচ্ছে প:বঙ্গে।
  • bitoshok | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১০:২৩427803
  • দাঁড়ান পিটি। আপনি কয়েকটা পোষ্ট আগে বলেছিলেন মনে হয় - রাজ্য সরকারের জমি দেখে দেওয়া ছাড়া বিশেষ কোনো ভূমিকা নেই। এবার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন তো কোন মেথডলজির ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এম্বিশাস প্রজেক্ট গুলোর সাইট সিলেকশন হয়েছে। হরিপুর এবং নয়াচর। পকাবু-টকাবু অনেক হয়েছে। আইন-কানুন কে বেশ ভালো রকমের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ না দেখালে দুটোরই আটকে যাওয়ার কথা। নয়াচরের ক্ষেত্রে সেটা দেখা যাচ্ছে - হরিপুরেও দেখা যাবে নিশ্চয়ই।
  • Ishan | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১০:৩১427804
  • পিটির যুক্তির যা বহর, তাতে, উল্টোদিকে বলতে হয়, শিল্প না হাতি, আসলে টাটা-সালিমের কাছ থেকে কাটমানি খাবার ধান্দা। :)
  • PT | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১১:১০427805
  • হরিপুর এবং নয়াচরে যা হবে সেটা কেন্দ্রীয় সরকারের ছাড়পত্র পেলে তবেই হবে। এটা দায় এড়ানোর ব্যাপার নয়। এটাই নিয়ম। বিরোধিতা করতে করতে আমরা এমন একটা অযৌক্তিক জায়গায় চলে যাচ্ছি যে ধরে নিচ্ছি যে বামফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সরকারের expert-দেরও বোকা বানচ্ছে।

    এই approach-টাই অর্থহীন। যে বিদ্যুত ব্যবহার করে আমি-আপনি এই বৈদ্যুতিন-বিতর্ক চালাচ্ছি সেই বিদ্যুতও নিশ্চই কোন চাষের জমি ব্যবহার করে উৎপাদিত হচ্ছে। যে গাড়ীতে চড়ছি সেটা ওজোন স্তরে গর্ত বাড়াচ্ছে এবং বিদেশের ফেলে দেওয়া প্রযুক্তিতে তৈরি। আমরা সভ্যতার যে সুফল উপভোগ করছি সেটা কোন না কোন ভাবে পরিবেশ ধ্বংস করেই করছি। কিন্তু অন্যরা যাতে তার অংশীদার হতে না পারে সেই জন্য সিঙ্গুরের চাষীকে বলছি চাষী হয়ে থাকতে। সবাই যেন ছোট ছোট জর্জ বুশ-নিজেরা টন টন কার্বন ডাই অক্সাইড বাতাসে ছাড়ছে আর ভারত/চীনকে চাপ দিচ্ছে পরিবেশ রক্ষার জন্য।
  • Blank | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১১:৩৩427808
  • নয়াচর কেনো আঁটকে যাওয়ার কথা?
  • Blank | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১১:৩৩427807
  • কিন্তু রঞ্জন দা, ছত্তিশগড় মডেলটাই তো ভেদিক ভিলেজ কেসে ছিলো !!
  • bitoshok | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১১:৪২427809
  • হ্যাঁ। ছাড়পত্র পেতে হবে। এবং তার জন্য আঙুল বাঁকাতে হলে, বাঁকাতে হবে। যেমন নয়াচরে :

    ১) http://www.business-standard.com/india/news/nayachar-fouls-law/302396/

    ২) GSI কে ফুটিয়ে দিয়ে জুরং কনসালটেন্সি কে নিয়োগ। যাতে ফেবারেবল রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

    পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্যও নিরপত্তার নিয়ম কানুন আছে। হিসেব করে দেখতে পারেন হরিপুরে নিয়ম কানুন মানতে গেলে কতজনকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে তুলতে হবে।
  • PT | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১১:৪৫427810
  • নিজেরা যে বিদ্যুত ব্যবহার করছি তার জন্য কতজনকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে জমি থেকে তুলে দিয়েছি আসুন তার হিসেবটা আগে করি!!
  • bitoshok | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১১:৫৯427811
  • পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আগে বলুন ডেটা আপডেট করে পাব্লিক ডোমেনে রাখতে। আগের কাজ আগে।
  • Blank | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:০১427812
  • এতো ২০০৭ এর রিপোর্ট। নয়াচর আদৌ এই আইনে আটকাবে কিনা তাই নিয়ে কেউ কিসুই বলে নাই। আর ২০০৯এর ফেব্রুয়ারী তে জিনিসটা পাস ও হয়ে গেছে।
  • Blank | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:০২427813
  • আরে পিটি পশ্চিম বঙ্গ সরকার নাকি ?
  • PT | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:৩৩427814
  • এই দেখুন। ""আপনি মানিয়া বিধি পরেরে শিখাও""-ব্যাপারটা যে বেশ কঠিন সেটা টের পাওয়া যাচ্ছে!! আমি-আপনি এই মানুষখেকো রাষ্ট্রযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত সম্পদ উপভোগ করব আর পরিবেশ রক্ষার দায়টা চাপিয়ে দেব নয়াচর আর হরিপুরের লোকের ঘাড়ে। আমেরিকার, ভারত/চীনকে যেটা করতে বলছে, আমরাও সেই একই নীতি, পরিবেশ রক্ষার মুখোশ পরে, নয়াচর-হরিপুরের ক্ষেত্রে apply করছি।

    NGO-র মাত্রাছাড়া পাগলামির নমুনা দেখুন। এরা tourism-এর সম্ভাবনাটাকেও শেষ করে দেবে। The local tourism industry constructed hotels on the beach, destroying sand dunes and beach vegetation, alleged S Dev, general secretary of DISHA. হোটেল কি আকাশে হবে?
  • bitoshok | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:৩৮427815
  • হ্যাঁ ২০০৭। তারপর হুগলী নদী দিয়ে অনেক জল বয়েছে। RTI Act-এ MoEF-এর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল।

    2. Whether Nayachar is covered under Coastal Regulation Zone notification?

    3. If under Coastal Regulation Zone, then which category of Coastal Regulation Zone
    applies to Nayachar? And whether, petrochemical or any other chemical industries are
    permitted under that category?


    MoEF-এর উত্তর ছিলো।


    2. The Nayachar Island falls within Coastal Regulation Zone area and is classified as
    Coastal Regulation Zone – I and Coastal Regulation Zone – III.

    3. As per Coastal Regulation Zone Notification, 1991 certain activities like pipelines,
    conveying systems and storage of products listed under the Coastal Regulation Zone
    Notification are permissible. In the Coastal Regulation Zone area setting up of
    industries/expansion of existing industries is a prohibited activity.
  • Blank | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:৫৩427816
  • তারপরের ২০০৯ এ ক্যাবিনেট ছারপত্র দিলো !!! কি আজব কেস সত্যি !!
  • kallol | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৫:৫১427818
  • পাগল এস দেব নন। যারা একটা লাইন পড়ে তার মানে না বুঝে মন্তব্য করে তাদের কি বলা যায়???
    এস দেব পষ্টো লিখেছেন The local tourism industry constructed hotels on the beach, destroying sand dunes and beach vegetation
    এটা এমনিতেই বেআইনী। সৈকতের ওপর কোন নির্মাণ বেআইনী। কয়েক বছর আগে দিঘা আর গোপালপুরে বেশ কিছু হোটেল ভাঙ্গা পড়েছে এই কারনে।
    তাই বলছিলাম এস দেব পাগল নয়। পাগল অন্য কেউ।
    জানি না কোন এক অজানা কারনে পরিবেশ ব্যাপারটা বাম ও ডানেদের কাছে একটা পাগলামীর নামান্তর মাত্র বলে মনে হয়। পরিবেশের নামে প্রচুর ধান্দাবাজী চলে। সে তো সমাজতন্ত্র, বিপ্লব, জনতার ভালো - এই সব কিছুর নামেই চলে। তাবলে সমাজতন্ত্র, বিপ্লব, জনতার ভালো এগুলো কি পাগলামী?
    আজ থেকে ৬০ বছর আগে যখন প্লাস্টিক নিয়ে সাবধান করা হয়েছিলো তখন পাগলামীই মনে করেছিলো ডান-বামেরা। আজ নিশ্চই তা মনে হচ্ছে না।
    নিজেদের বসবাসের জায়গাটাকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলা কি ধরনের ""উন্নয়ন"", তা নিয়ে ভাবার আছে বলে আমি বিশ্বাস করি।
  • ranjan roy | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৬:২১427819
  • PT,
    আমার চিঠির এই মানে করলেন? যখন বলছি ছত্তিশগড়ে বাজাররেটে প্রাইভেট কোম্পানী আর কৃষকরা দরদাম /( এর মধ্যে বিক্ষোভ, ঝগড়া, জমিদেবো না আন্দোলন সবই আছে) করে জমিঅধিগ্রহণ করছে তখন পুঁজিপতিরা গরীবের দু:খে গান্ধীবাবা হয়ে ৩৬গড়ে গেছে এমন কদর্থ কেন করছেন?
    তালেযেটা বলতে চাইছিলাম না সেটা বলি?
    প্রশ্নটা হল পারদর্শিতার।
    কৃষক ও টাটার মাঝখানে রাজ্যসরকার আলাদা করে দাম নিয়ে গোপন চুক্তি করছে কেন?
    এটা আর কাট মানি খাওয়ার তফাৎ কী?
    আপনার ধারণা সিঙ্গুর হলেই বামসরকার আরো দশবছর টিকে যেত?
    সফিস্টিকেটেড ঐ কারখানায় কতজনের কর্মসংস্থান হত?
    আর তারা সবাই বঙ্গসন্তান হত এমন কোনো গোপনচুক্তি হয়ে ছিলো নাকি?
    এবার জমির দাম:
    রায়গড় জেলায় কোরবা পাওয়াত লিমিটেড একফসলী জমি প্রতি একরে আট লাখা টাকা হিসেবে দিচ্ছে--- মার্কেট রেট।
    একর আর বিঘের কনভার্সন আমি জানিনা। কাইন্ডলি করে জানান তুলনামূলক ভাবে বাম সরকার তিনফসলী জমির জন্যে কী দর দিয়েছিলো।

    আর ছতিশগড়ে শিল্পপতিরা জমি নিচ্ছে নিজের গাঁটের পয়সা দিয়ে, রাজ্যসরকারের থেকে( আমাদের ট্যাক্সোর পয়সা ) নামমাত্র সূদেধার নিয়ে নয়।
  • kallol | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৬:৩৬427820
  • কোস্টাল রেগুলেশন অ্যাক্টের ঠেলায়, বাস্তু ও কর্মচ্যুত হতে হয়েছে সুন্দরবন এলাকার বহু মৎসজীবীকে। ঐ রেগুলেশনের আওতায় থাকা অঞ্চলে কোন বাণিজ্যিক কম্মো চালানো যাবে না।
    পরে বিস্তারিত জানাচ্ছি।
  • ranjan roy | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৬:৪৪427821
  • সরি! ছড়িয়েছিলাম।
    আমি এক্ষুণি TOI অফিসে কথা বলে তারপর নিজে করে দেখে নিলাম যে গুগুলে "" a neuclear flashpoint'' haripur achintyarup টাইপ করলেই খুলছে-- ২৬ অক্টোবর, TN N এর রিপোর্ট। তার সাথে ভারত রক্ষক বলে একটা সাইট খুলছে,-- তাতে এ নিয়ে এবং ভারতের পারমাণবিক প্রযুক্তির নানাদিক নিয়ে ওপেন বিতর্ক আছে।
  • ranjan roy | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৬:৪৯427822
  • PT,
    আপনি কিন্তু একবারও এটার উত্তর দিচ্ছেন না যে বামদলগুলো ছত্তিশগড়ে টাটার কৃষিজমিতে কারখানা গড়ার কেন বিরোধিতা করছেন? এবং অন্ধ্রে? এবং উড়িষ্যায়?

    তা উত্তর দিতে না চাইলে না দিন। কে মাথার দিব্যি দিয়েছে! তাহলে অন্যদের পকাবু-টাবু বলবেন না, প্লীজ! আর বল্লে নিজেকেও বাতাবিলেবু বলুন, মিনিমাম ব্যালেন্স রক্ষা করুন।
  • Blank | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৭:৪১427823
  • http://timesofindia.indiatimes.com/city/kolkata-/State-delegates-in-team-to-Japan/articleshow/4284477.cms

    Sen argued that the provisions of the Coastal Regulatory Zone Act of 1991 would be met as it entailed that constructions could not be set up within a specific area of the coastline. Even after meeting this provision, about 13,000 acre would be available in Nayachar to set up industrial units.

    Altogether, 62,500 acre (about 250 sq km) will be required for the PCPIR. Of this, industrial units will be located on 40% of the area (about 25,000 acre) while roads, houses, schools and hospitals will occupy the rest. In the plot earmarked for industrial usage, chemical units are already there on 12,000 acre in Haldia. This will be part of the PCPIR. The remaining 13,000 acre will be on Nayachar.

    At Haldia, IOC and Cals have two refineries. At Nayachar, IOC would set up another 10-million tonne refinery while Cals will double its capacity from 5 million tonne to 10 million tonne. Sen expects PCPIR to generate about one million jobs "over time."
  • PT | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৭:৪৫427824
  • @ ranjan

    আগে ইতিহাসটা একটু দেখে নিন। বছর ১৫-২০ আগে বিদেশে green -দের রমরমার আগে দেশজ পরিবেশবিদদের বিশেষ দেখা মিলত না। বিদেশের outdated technology-র সাথে সাথে পরিবেশের ব্যাপারটাও এদেশে এসে হাজির হয়েছে। আগের পোস্টিং-এ লিখেছিলাম যে green peace থেকে মহাশ্বেতা কেউই আসল পরিবেশ ধ্বংসকারীদের কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারেনি। কোনো NGO-র চোদ্দো পুরুষের ক্ষমতাও নেই যে ভুপাল-খ্যাত Anderson-কে ভারতে ফিরিয়ে আনে। আর উন্নত দেশে Green Party-মানুষের কাছে কল্কে না পেয়ে এখন মোটামুটি মূলস্রোতের রাজনৈতিক দলগুলোর লেজুড় হয়ে সম্পুর্ণভাবে মুছে যাওয়ার অপেক্ষাতে আছে।

    (বোধহয়) গান্ধীজির একটি কথা এক্ষেত্রে প্রণিধানযোগ্য: poverty is the worst kind of violence। এদেশে বেশীরভাগ মানুষ এখন যে আর্থিক অবস্থাতে আছে, (বিশেষত: ১৯৯১ সাল থেকে রাষ্ট্র মানবকল্যাণের কাজ হাত গুটিয়ে নেওয়ার পরে), তাতে তাকে controlled পরিমাণ পরিবেশ ""ধ্বংস"" করতে দিতে হবে। নাহলে ঐ গরিবীর বিভৎসতা পরিবেশকে আরো নষ্ট করবে।

    শুধু জ্বালানীর ভিত্তিতেই যদি বিচার করি তাহলে এটা পরিষ্কার যে প্রায় ৭০% মানুষের পরিচ্ছন্ন জ্বালানী কেনার ক্ষমতা নেই। যে যত গরীব সে তত খারাপ মানের কয়লা ব্যবহার করবে আর কয়লা না পেলে গাছ কেটে শেষ করে দেবে। পরিবেশ রক্ষার নামে এটা করতে দেবনা ওটা করলে রাস্তায় নামব এই করে একটা সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে কিন্তু বাড়তে থাকা গরিবীর চাপে natural পরিবেশ ধ্বংস আটকানোর ক্ষমতা কোন পরিবেশবিদের নেই। নাহলে অন্তত:পক্ষে এইসব পরিবেশবিদরা/NGO-রা সরকারে গিয়ে দেখিয়ে দিন যে পরিবেশ বাঁচিয়ে কি করে এই দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবনের মান উন্নয়ন করা যায়।
  • ranjan roy | ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ২৩:১৪427826
  • PT,
    এক, ইতিহাসের কি সরল লিনিয়ার ব্যাখ্যা দিলেন! মার্ভেলাস।
    আজ ভারতবর্ষে হিন্দু মহাসভা, ভারতীয় জনসংঘ এরা টিম টিম করে আছে। তার মানে কি হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডার গুরুত্ব ভারতীয় জনমানসে কমে গেছে? প্রাসংগিকতা কমে গেছে নাকে বেড়েছে?
    খেয়াল করেছেন কি নকশাল আন্দোলন ভুলঠিক যাই হোক তার প্রতিক্রিয়ায়ই ইন্দিরা গান্ধীর ২০ পয়েন্ট প্রোগ্রাম, পরে আই আর ডি পি ও অন্যান্য পভার্টি দূরীকরণ প্রোগ্রাম?
    এইভাবেই নক্‌শাল আন্দোলনের একটি দিক, কৃষকদের রোজগার-আয়-ক্রয়শক্তি বাড়িয়ে ইকনমিকে চলিষ্ণু করা প্রধান পার্টির প্রোগ্রামে ঢুকে গেছে।
    তেমনি গ্রীনদের অ্যাজেন্ডা ইউরোপের সমস্ত বড় পার্টির প্রোগ্রামের ইন্টিগ্রেটেড পার্ট।
    পরিবেশ রক্ষা, প্রদূষণ সতর্কতা, কার্বন এমিসন পয়েন্‌ট্‌স্‌ এবং অন্য সচেতনতা আজ সবার প্রোগ্রাম। এটাইতো গ্রীনপীসদের সার্থকতা, ইলেকশনে সীট জেতা নয়।
    তেমনি ইউরোপে নারীমুক্তি আন্দোলন আজকে আর তার পুরোনো চেহারায় নেই। কিন্তু তারই ফলশ্রুতিতে আজ সর্বত্র নারীর অধিকার চার্টারের অঙ্গ।
    ভারতেও সুপ্রীম কোর্টের ""বিসাখা'' জাজমেন্টের পর কর্মস্থলে মেয়ে সহকর্মীর সঙ্গে ক্কোনটা দুর্ব্যবহার তা কোডিফায়েড, শাস্তিরও ব্যবস্থা আছে।
    দুই, আপনার উন্নয়নের প্রশ্নে সব যুক্তি মেনে নিলাম।
    তাহলে বলুন উন্নয়ন মডেলের ব্যাপারে কংগ্রেসের থেকে সিপি আই এম কিসে আলাদা?
    কৃষির চেয়ে শিল্পকে প্রাথমিকতা দেয়া, বিদেশিকোলাবরেশনে পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণ,শিল্পে বিদেশি পুঁজিকে আমন্ত্রণ ( সরকারী বা বেসরকারী), SEZ এর মত মোস্ট রিগ্রেসিভ নীতিকে স্বাগত করা, মানবাধিকার বা পরিবেশ্‌দূষণের প্রশ্নে শিল্পের বিকাশের নামে প্রতিকূল মনোভাব, পুলিশ ও আমলাতন্ত্রের ওপর নির্ভরশীলতা---তফাৎ কোথায়?
    খালি ঝান্ডার রঙে? কিছু রেটোরিকে?
    হ্যাঁ, সি পিএম বঙ্গে টাটাকে ভালো বলে, অন্য রাজ্যে খারাপ বলে। কৃষিজমির ওপর শিল্প গড়ার বিরুদ্ধে জন-আন্দোলন গড়ার চেষ্টা করে।

    ব্ল্যাংকি,
    বেদিক ভিলেজের ব্যাপারটা আমি কিচ্চু জানি না। যদি একটু সংক্ষেপে বল---- ইস্যুটা কি? কারা কারা দু'পক্ষ? ইত্যাদি।
    ( দুমাস ঘরছাড়া, নেট চাড়া ছিলাম তো।:)))
  • bitoshok | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০০:৩৯427827
  • @ Blank:
    ছাড়পত্র পেয়েছে সার ও রসায়ন দপ্তরের। পরিবেশ দপ্তরের ছাড়পত্র নয়। NKID আর WBIDC জুন-জুলাই মাসে রাজ্য পরিবেশ দপ্তরের কাছে আবেদন করেছে। এটার জন্য কিঞ্চিৎ গায়ে গতরে খেটে একটা Environment Impact Assesment রিপোর্ট তৈরি করতে হয়। আপাতত: সেই কাজ চলছে। তক্ক করতে হলে একটু খোঁজ-খবর রাখা ভালো।
  • kallol | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০১:৩৪427829
  • পিটি - পরিবেশ বাঁচাতে হবে জ্বালানীর জন্য গাছ কেটে। কিছু বুঝলেন? কিছু বুঝলেন!!!!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন