
এই সমস্ত সরকারি নথি এটাই প্রমাণ করে যে আসাম বিধানসভায় শিলচর স্টেশনের নামাকরণের প্রস্তাব স্থগিত রাখার ঘোষণা আসলে মিথ্যাশ্রিত এবং হিমশৈলের চূড়া মাত্র। মূল আক্রমণ আসবে এর পরে। বিভিন্ন ভাষিক গোষ্ঠীকে বাঙালিদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলা, উপত্যকার সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠীর ভাষাকে অসমীয়ার উপভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা, সর্বোপরি আইন শৃংখলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হওয়ার অজুহাত, এসবই এক গভীর ষড়যন্ত্রের পূর্বপ্রস্তুতি। ... ...

দুনিয়ায় এখন আর্থিক অসাম্য যতখানি, টমাস পিকেটি সাক্ষী, শিল্প বিপ্লবের পর আর কখনও অসাম্য এতখানি বাড়েনি। অসাম্য জিনিসটা তার নিজের কারণেই খারাপ— জিনিসটা অন্যায়, অনৈতিক। কিন্তু, পুঁজিবাদের একটা কু-অভ্যাস, তা নৈতিকতার যুক্তিকে স্বীকার করতে চায় না। কাজেই, চাহিদা-জোগানের দিক থেকেও যে অসাম্য জিনিসটা খারাপ, সেটা মনে করিয়ে দেওয়া ভাল।ধরুন, মোট ১০০ টাকা আছে, সেটাকে দু’রকম ভাবে ভাগ করা যায়— দশ জনের মধ্যে দশ টাকা করে; আর, এক জন ৯১ টাকা, বাকি ন’জন এক টাকা করে। দ্বিতীয় বিকল্পে শেষ ন’জনের ক্রয়ক্ষমতা বলে কার্যত কিছু নেই, ফলে তাঁদের চাহিদাও নেই। প্রথম জনের হাতে অনেক টাকা, কিন্তু ভোগব্যয়ে খরচ করার প্রথমত একটা সীমা আছে; আর দ্বিতীয়ত, প্রাথমিকপ্রয়োজন মেটানোর পর যে ভোগব্যয়, তাতে খরচ হওয়া টাকার বণ্টনও এই দ্বিতীয় বিকল্পের মতোই অসম। ... ...

ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে বিভাজনের খেলাও। মুসলিম কমিউনিটিকে টোপ দেওয়া হচ্ছে তোমরা নিজেদের ভূমিপুত্র দাবি করো। হিন্দুদের বহিরাগত বলো। এবং প্রচার করো তোমাদের ভাষা অসমীয়াও নয়, বাংলাও নয়, সিলেটি। বলো সিলেটি নিজেই একটি ভাষা, তার স্ক্রিপ্ট নাগরী। গোপনে এমন প্রচারও চলছে যে বরাক এবং বাংলাদেশের সিলেট জেলা নিয়ে আলাদা রাজ্যের ডাক দিতে হবে। মোদ্দা কথা যেহেতু সিলেটি বাংলা নয়, ফলে বরাকে বাংলাভাষার দাবি এমনিতেই নস্যাৎ হয়ে যাবে। ... ...

সুন্দরবনের সন্দেশখালি, ন্যাজাটের বানভাসি গ্রাম বাউনিয়া। মেয়েরা এসেছিল মেডিক্যাল ক্যাম্পে ডাক্তার দেখাতে, তারই মধ্যে একটু ফাঁক পেয়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে বসাল বেঞ্চিতে। পেট মোটা এক বিগ শপারে ঠাসা শাড়ি, এক মহিলা ঝুঁকে পড়লেন, অন্যরা বলতে লাগল, ‘বেগুনিটা নয় রে, হলুদটা দেখা।’ হলুদ শাড়িই বেরোল, দু’ধারটা ধরে মেলে দাঁড়ালেন দু’জন, আর সেই গাছ উপড়ে-পড়া, ছাদ উড়ে-যাওয়া বিধ্বস্ত গ্রাম যেন নিমেষে হেসে উঠল। পীতবস্ত্রে অজস্র সোনালি চুমকি, পাড়ে আরও ঘন হয়ে শোভা বাড়াচ্ছে, আর আঁচলে যেন জোনাকির মেলা। এমন অপরূপ শাড়ির কারিগরদের মুখ ম্লান। আগে ১২০ টাকা দিত শাড়িতে চুমকি বসাতে, এখন ৮০ টাকা দেবে বলছে ব্যবসায়ীরা। একটা গোটা শাড়িতে কাজ করতে তিন দিন থেকে সাত দিন লাগে। কত ঘণ্টা, তা চুমকির ঘনত্ব দেখে আন্দাজ করা কঠিন নয়। এই কাজের দাম ৮০ টাকা হলে ঘণ্টায় ক’টাকা মজুরি দাঁড়ায়, ভাবলে মনে মনে মরে যেতে হয়। ... ...

আমাদের দেশের রাজনীতিকরা যেমন ‘দেশ সেবা’ করার জন্য রাজনীতিতে যোগ দেন, আমাদের শিক্ষক চিকিৎসক ইত্যাদি পেশাগুলিও মানুষের কাছে যথেষ্ট ‘সম্মানের’। দুঃখ হল দেশ সেবাটা যেমন শিশুপাঠ্যের মধ্যেই বন্দী থাকে। বাস্তবে শিক্ষকদের সম্পর্কে জনমানসের মনোভাব রাস্তাঘাটে কান পাতলেই বুঝতে পারবেন। আমি শিক্ষক বলতে প্রাথমিক শিক্ষক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষক সকলকেই রেখেছি। কেউ কেউ বলতেই পারেন, না গবেষকদের প্রতি শ্রদ্ধা এখনো অটুট আছে। একটু খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন গবেষকদের প্রতিও শ্রদ্ধা আর অবশিষ্ট নেই। তাঁরা শুধু অর্থের অপচয় করেন বা স্বজন পোষণ করেন এরকম অভিযোগ সর্বত্র শুনতে পাবেন। মোদ্দা কথা পেশা হিসাবে শ্রদ্ধা আর অবশিষ্ট নেই। তাই চলচ্চিত্রের নায়ক বা নায়িকা, ক্রিকেট খেলোয়ার বা রিয়েলিটি শো-র গায়ক, এরাই কিশোর-তরুণদের চোখে আইডল, মডেল, আদর্শ। ... ...

যদি ধরেও নিই যে আগামী তিনটি ত্রৈমাসিকেই বৃদ্ধির হার ০ তে আটকে রইল (অর্থাৎ সংকোচন বা বৃদ্ধি কোনোটাই হল না)—যদিও সেটা বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় অবাস্তব ভাবনা, তাহলেও বার্ষিক সংকোচনের হার অন্তত ৬% তে গিয়ে দাঁড়াবে। অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে দেখা যাচ্ছে ২০২০-২১ সালে ভারতীয় অর্থনীতির সংকোচনের পরিমাণ স্বাধীনতা-উত্তর ভারতবর্ষের অর্থনৈতিক ইতিহাসে সর্বাধিক হতে চলেছে। ... ...

এই মিথ্যা প্রমাণের জন্য প্রাথমিকভাবে প্রয়োজন এই সত্য অনুধাবন করা যে, বরাক উপত্যকার মুখ্য ভাষা প্রথমাবধি (স্বাধীনতার অব্যবহিত আগে ও পরে) বাংলা। ১৮৭৪ সালে সিলেট ও গোয়ালপাড়া জেলাকে আসামের সঙ্গে বাংলা থেকে বিযুক্ত করে আসামের সঙ্গে সংযুক্ত করলেও স্বাভাবিক ভাবেই এতকালের বাংলাভাষী মানুষ রাতারাতি অসমীয়া হয়ে যেতে পারেনা। এদিকে বাংলাভাষীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আসামের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ক্ষমতা হারানোর ভয়ে আতংকিত হয়ে পড়ে। নিজেদের ভয়, অসমিয়া তৎকালীন নেতৃত্ব অসমিয়াদের মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে। ... ...

সাংবাদিকরা ভেবেছিলেন তাঁরা শ্রমিক নন। তাই বুঝে উঠতে পারেননি চুক্তিভিত্তিক চাকরিতে ঠিকা শ্রমিকের চেয়ে বেশি অধিকার দাবি করা যায় না। আর জোট বেঁধে দাবি পেশ করার অধিকার না থাকলে কোন অধিকারই থাকে না। ... ...

রজতাভ দত্ত বা গৌতম ঘোষ ধৈর্য্য ধরার কথা বলছেন বটে, কিন্তু তাঁরাও জানেন, তেমন অবকাশ টালিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রির অনেকেরই নেই। ... ...

প্রয়োজন আছে, তবে সে তুলনায় মান নেই বা দাম। প্রাইভেট টিউটররা যেন ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো। আমাদের রোজগার নেই, ক্রমশ ফুরোচ্ছে নুন-পান্তা। ঘিরে ধরছে অচেনা দারিদ্র্য আর অবসাদ। ... ...

কেউ কি বলতে পারেন, কবে করোনার টিকা আবিষ্কার হবে? কবে এই টিকা বাংলাদেশ পাবে? কবে বা ফুরাবে এই দুঃসময়? জানি না, কবে স্বপ্নের রেস্তোরাঁটি আবার খুলতে পারবো! ... ...

অতিমারি এবং লক ডাউনের আড়ালে, পার্লামেন্টকে এড়িয়ে এই নতুন শিক্ষানীতি পাস করিয়ে নেওয়া হল। আয়তনে বিশাল, বাইরেটা কথার ফুলঝুরিতে উজ্জ্বল এই নীতিকে টুকরো টুকরো করে বোঝার চেষ্টা হয়েছে। দেখা হয়েছে কী ভাবে স্কুল লেভেল থেকেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে দাস বানাবার যন্ত্রে পরিণত করা হয়েছে। এই নীতির শুরুতেই বলা হয়েছে অতি উচ্চ গুণমানসম্পন্ন শিক্ষা দেওয়া হবে নার্সারি থেকে ১২ ক্লাস অব্দি ভারতীয় শিশু, কিশোর-কিশোরীকে। বিশ্বব্যাংক ঋণ দেবে, ফলে তার মনমতো করেই তৈরি হল এই পলিসির আগাপাশতলা। তবে টাকা দেওয়া হবে কিন্তু কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ প্রোগ্রামে। তেমনি একটি প্রিয় প্রোগ্রাম STARS যা আগেই চালু করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের মস্তিষ্কপ্রসূত এই ব্যাপারটি কী সেটা অনেকেই জানেন। ... ...

ভারতের ক্ষেত্রে আমরা দেখছি বস্তি অঞ্চলের চাইতে অপেক্ষকৃত স্বচ্ছল এবং সম্ভ্রান্ত অঞ্চলে সংক্রমণের মাত্রা বেশি। তাছাড়াও দেখা যাচ্ছে সংক্রমণের ক্ষেত্রেও দুটি মানুষের মাঝে পার্থক্য ঘটছে, সংক্রমণ হবার পরে কেউ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ছে, আবার কেউবা প্রায় কোন সমস্যা ছাড়া সুস্থ হয়ে উঠছে। জনসমষ্টির বিশেষ অংশ বেশি সংক্রমিত হচ্ছে, অন্য অংশ কম। কেন এরকম ঘটে? এ প্রশ্ন কি বিজ্ঞানীদের কি সাধারণ মানুষ ও চিকিৎসকদের গভীরভাবে ভাবাচ্ছে। এর কোন সরল একমাত্রিক উত্তর নেই। ... ...

এ রাজ্যের প্রায় সাড়ে ছ’হাজার উচ্চ-মাধ্যমিক অনুমোদনপ্রাপ্ত স্কুলের মধ্যে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি বিভাগে পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে মাত্র তেরশো স্কুলে। অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণদের জন্য ‘ভকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার’ তৈরি হয়েছিল যে সব স্কুলে, পর্যাপ্ত পরিকাঠামো এবং প্রশিক্ষকের অভাবে সেগুলোর অধিকাংশই আজ ধুঁকছে। অনেকগুলো ইতিমধ্যে বন্ধও হয়ে গেছে। এবং এই প্রসঙ্গে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর তথ্যটি হল, এ রাজ্যের কোনও স্কুলের ভকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারেই কোনও স্থায়ী শিক্ষকপদ নেই। পুরো ব্যবস্থাটাই চলছে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দিয়ে। এই একটা তথ্যই বোধহয় এই বৃত্তিমূলক শিক্ষয়ার প্রতি সরকারের চরম উদাসীনতার বা বিমাতৃসুলভ মনোভাবের যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ... ...

এগলি ওগলি পেরিয়ে পৌঁছলাম তাঁর সমাধির কাছে। হাওয়া দোল দেওয়া নিম গাছের ডাল, তার নিচে শুয়ে আছেন একা বিসমিল্লা খান।২০০৬ সালে ২১ আগস্ট হার্ট আ্যটাকে মারা যান। জন্ম ২১ মার্চ ১৯১৬। নব্বই বছরের দীর্ঘ জীবন তাঁর সানাইয়ের সাথে। যে সানাইকে তিনি বিয়ে বাড়ির বাদ্যযন্ত্রের তকমা থেকে বের করে বিশ্বের দরবারে তার মাহাত্ম্য প্রতিষ্ঠা করেছেন। আবার অটোতে চড়ে বসলাম, অবশেষে পৌঁছলাম ডালমন্ডি, উল্টোদিক রাস্তা পেরিয়ে সেই মসজিদ, পেছনের রাস্তা গেছে ওঁর বাড়ির সামনে। সরু গলির আরও সরু হয়ে যাওয়া ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সর্পিল চলনের মত। হারিয়ে যেতে যেতে মনে হয় সেই গলি আর সানাইয়ের সুরের ঘোরের এক ভুলভুলাইয়া যা থেকে কোনোদিনও বেরতে পারব না। খুব ঘিন্জি আর অন্ধকার গলি। কী নেই সেখানে, জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ সব চলেছে। ... ...

ইংরেজিতে একটা কথা আছে, “যা আমাদের শেষ করে দেয় না, তা আমদের শক্তিশালী করে”। সেইরকম ভাবেই, প্রতিটি নতুন চোরের সাথে মোকাবিলার পর শরীরের সিকিউরিটি গার্ড সেইসব নতুন চোরদের ছবি তুলে রাখে। মনে করে রাখে পরিচয়জ্ঞাপক কিছু বিশেষ চিহ্ন যা দিয়ে সেই চোরকে শনাক্ত করা যায়। পরের বার আবার শরীরে ঢোকার চেষ্টা করলেই পাকড়াও হয়ে যায় সেই চোর, বেঁচে যায় আমাদের শরীর। তাই একবার পক্স হয়ে গেলে সাধারনতঃ আর দ্বিতীয়বার পক্স হয় না। তবে এর ব্যতিক্রম আছে। কিছু চোর খুব চালাক হয়। তারা প্রতিবার নতুন নতুন ছদ্মবেশে আসে আর আমাদের ইমিউনিটি সিস্টেমকে বোকা বানিয়ে দেয়। তাই আমাদের বছর বছর ইনফ্লুয়েঞ্জা বা পেট খারাপ হয়। কোভিডের ক্ষেত্রে সমস্যা হল, মানবজাতির জন্য এ এক নতুন চোর। তাই এর নাম নভেল। শরীর একে চেনে না। তাই সব সময় শরীরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে একে আমাদের ইমিউনিটি সিস্টেম আটকাতে পারে না। ... ...

হুজুগের বাইরে থেকে হুজুগকে দেখার জন্য, এবং দেখানোর জন্য, হুজুগের সময় ছাড়া আর কি কোনও তেমন বিকল্প থাকতে পারে? তাই, একদিন আগে থাকতেই, ইয়ে আজাদি। কয়েকটি লেখার সমাহার। ... ...

মধ্যরাতের স্বাধীনতা মিথ্যা, এ ঘোষণা ঘটে উঠেছিল যে ভাষায়, সে ভাষা আমাদের নয়। আমাদের, বাঙালিদের নয়। এমন কথা বললে প্রাদেশিকতার দায় এসে পড়ে বটে, কিন্তু প্রাদেশিকতা কি তত দূষ্য? একটা উত্তর দিচ্ছেন সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়। ... ...
.jpg)
সাধারণ সময়ে উত্তর পূর্বাঞ্চল, ঠিক ভারত নয়। আর যখন সেখানকার বাসিন্দারা রেগে ওঠেন, তখনই রাষ্ট্রের কাছে গোটা উত্তর পূর্ব হয়ে ওঠে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ক্রুদ্ধ নাগরিকরা স্বায়ত্তশাসন দাবি করলে, চিহ্নিত হন শত্রুদের ক্রীড়নক হিসেবে। এরই মাঝে থেকে আসামের অঙ্কুর তামুলি ফুকন লিখছেন তাঁদের কথা, নিজেদের কথা। ... ...
.jpg)
স্বাধীনতার সংজ্ঞা বদল হয় মধ্যরাতে। জ্ঞানবিজ্ঞান চর্চায়। চর্চার কণ্ঠ রুদ্ধ হতে থাকে। কিন্তু সংকট যখন সমাগত, তখন মুক্তি থাকে প্রসরমান অনুশীলনের স্বাধীনতায়। ভাষণে নয়, নয় প্রতিশ্রুতিতে। লিখছেন শুভময় মৈত্র। ... ...