
ব্যাঙ্গমা কয়, “ব্যাঙ্গমী,ডিঙ্কা ঝিকা ল্যাঙ্গমী,লিচির পিচির বঞ্চনা,লেপ্তো বুও পঞ্চোনা,কুঁচকি কুচুর কিচ কিশিং,হাঁচ্ছি মাছি পুঁচকি চিং?”বাংলা করে, অর্থটা – “ব্যাঙ্গমী গো, গর্তটা,শাবল দিয়ে গোল করেনিম বেগুনের ঝোল ভরে,আস্ত দু’খান ছাগ ফেলে,মাচিস মেরে আগ জ্বেলে,কোদাল দিয়ে মাঠ কেটেযেমনি নিলুম খাট পেতে,ওমনি কেন ডান দিকেদেখছি কেবল ঠানদি কে?”ব্যাঙ্গমী কয়, “ব্যাঙ্গমা,চাকুম চুকুম চ্যাঙ্গমা,ক্যাঁচর ম্যাচর পাঁচকু ... ...

বাড়িতে বড্ড আরশোলা বেড়েছে। আমি এমনিতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী।কিন্তু আমার দিক থেকে প্রতিরোধের আশংকা না থাকাতে হতভাগাদের সংখ্যা বেড়ে অ্যামন দশা দাঁড়িয়েছে যে বাড়িতে হয় আমি থাকবো নাহয় আরশোলা থাকবে। আর আরশোলাদের সর্বত্র অবাধ গতি এবং কিচ্ছুতে অরুচি নেই।সেদিন বই এর তাক থেকে একটা কবিতার বই নামাতে গিয়ে দেখি বই এর পাশ দিয়ে আরশোলা বেরোচ্ছে।আরশোলাদের মধ্যে এ ব্যাটা নিশ্চয় সাহিত্য প্রেমিক।তাই ক্ষমা করে দিলুম।যেদিন দেখলাম এডুকেশনাল স্ট্যাটিসটিকসের বই এর মাঝেও ব্যাটারা উঁকি দিচ্ছে,সেদিনও কিছু মনে করিন ... ...

বৃহস্পতি দি l আমার রান্নাঘর সামলায় l বয়স সাঁইতিরিশ-আটতিরিশ হবে l সঠিক হিসেব তো ওদের মা বাবাও রাখেন নি l দেখে ওইরকমই মনে হয় l কিশোরীবেলায় বিয়ে l তারপর পুত্রসন্তান l তিন বছরের মাথায় বেকার মদ্যপ ‘স্বামী’কে কাঁচকলা দেখিয়ে ব্যাক টু দ্য ভিটে মাটি l বাবা মারা যাবার আগে নিজের ভাগের একটা ঘর লিখিয়ে নিয়ে এখন ছেলেসমেত সেখানেই থাকে l রান্না করে, বাসন মাজে l নিজে নাম সই ছাড়া বিশেষ কিছু জানে না, কিন্তু ক্লাস এইটের ছেলে ইশকুল কামাই করলে বাড়ি ফিরে তুমুল ঠ্যাঙায় আর বলে- "বাপের মতো হবি তো চাবকে চামড়া খুলে নেবো" l ... ...

ভোট দেবেন কেন?প্রার্থীদের হাতে তুলে দিন আপনার-আমার দাবিসনদলোকসভার ভোট একেবারে ঘাড়ের ওপর এসে গেছে। ভোটের বাজার সরগরম। বেড়েছে প্রচারের খরচ,রং-ঢং জাঁকজমক।বেড়েছে গালিগালাজ,ভয়-লোভ দেখানো,ধর্ম আর জাতপাতের ভাগাভাগি এবং হিংসা।এ সব গণতন্ত্রের কলঙ্ক।গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে চাই নির্ভয়ে,স্বাধীনভাবে ভোট দেবার অধিকার।তবে সেটাই গণতন্ত্র নয়,গণতন্ত্র মানে দেশের প্রতিটি মানুষের সমান সম্মানের সঙ্গে বাঁচার অধিকার।এ দেশের সংবিধান ও আইন সেই অধিকার আমাদের কাগজে-কলমে দিয়েছে বটে কিন্তু বাস্তবে তা প্রত ... ...

বর্তমানে ৬ কোটির বেশি শিশু শ্রমিক ভারতে কৃষি,শিল্প আর বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছে।প্রতি তিনটি শিশু শ্রমিকের মধ্যে দুটি শিশু শ্রমিক শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়।পঞ্চাশ শতাংশের বেশী শিশু যৌন হেনস্থার শিকার হয়।The Child Labor Act of 1986 নামের একটা ভাঁটের আইন আছে বটে,তবে তা নেহাতই কাগজে কলমে।চাইল্ড লেবার বা শিশু শ্রমিক নিয়ে পাতার পর পাতা বকে যাওয়া যায়,তবে তা শীততাপ নিয়ন্ত্রিত সেমিনার কক্ষে পারফিউম চর্চিত লোকেরা যথেষ্ট করে থাকেন।তাদের দলে ভিড়তে গেলে অমুক কমিটি বা তমুক আকাদেমি’র একখানা শ ... ...

দ্যাখো পথঘাট এখনো তেমনই আছেবড়জোর দুটো সেতু বা উড়ালপুলপুলিশবিহীন সিগনালে ক্যাকোফোনিবোম মারবার অধিকারে মশগুল -বরং তোমার দেশ বদলাও ভাইয়া !দ্যাখো সবুজেরা মিলিয়ে যাচ্ছে অথচনীল সাদা রঙে শহর মানানসইবিনা নোটিসের অবরোধ ছিল, থাকবেচাকরি হচ্ছে, বেকার কমছে কই -বরং তোমার দেশ বদলাও ভাইয়া !আকছার ঘটে দুর্নীতি আর হত্যাযেমন ঘটতো ওদেরও সময়কালেনারীধর্ষণ শিশু মৃত্যুর কড়চাউলু খাগড়ার প্রাণ যায় বেখেয়ালে -বরং তোমার দেশ বদলাও ভাইয়া ! ... ...

ক্লাস সেভেনের সুচরিতা মাঝি। বাবা অন্যত্র থাকেন। হত দরিদ্র সংসার। সেদিন দুপুরে মিড ডে মিলের পর ছুটি চাইলো। আমি ছুটি দেবোনা। সুচরিতা খুব ঠান্ডা মেয়ে। তবে সেদিন অবুঝের মত জেদ ধরলো যে সে যাবেই। আমি রেগে যাচ্ছিলাম। তবে জেদ ধরাতে যেতে দিতে বাধ্য হলাম। আমার স্কুলের এক নন টিচিং স্টাফ, মদন বাবু আমাকে অফিসের জানালা দিয়ে তাকাতে ইশারা করলেন। তাকিয়ে দেখলাম যে সুচরিতা ... ...

এই লেখাটি কোনও ভাবেই আমার অতি প্রিয় এবং একটি অসামান্য কবিতাকে নষ্ট করার জন্য নয়। কারও তেমনটা মনে হতেই পারে। তাঁদের কাছে নতশিরে ক্ষমা চাই। আসলে আজকের চৈত্র সেলের বাজারের মধ্যে দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় দেখছিলাম ক্রেতা এবং বিক্রেতার 'জীবনের আনন্দ'। এই লাইনগুলো মাথায় ঘুরছিল। ক্ষমা করবেন জীবনানন্দ দাশ। আপনার অতীব সুন্দর একটি কবিতাকে আশ্রয় করে এই অর্থহীন চ্যাংড়ামোর জন্য।আবার আসিব ফিরে, চৈত্র সেলের ভীড়ে, গড়িয়াহাটায়হয়তো ক্রেতা নয়, হয়তো বা দোকানের মালিকের বেশেহয়তো পণ্যের ঝাঁক হয়ে এই চৈ ... ...

ফাগুনের শুরু হতেই.......----------------------------আবার বছর ত্রিশ পরে তার কথা লেখা হয় যদি,আবার বছর ত্রিশ পরে................একটা বিয়ের আমন্ত্রণপত্র ছাপা হয়েছিলো ঠিক তিরিশ বছর আগে। শুরুতে ছিলো প্রিয় কবির এই কবিতাংশটি, " সবিতা, মানুষজন্ম আমরা পেয়েছি, কোনও এক বসন্তের রাতে...." ; যাঁরা বুঝেছিলেন, তাঁরা জানতে চাননি, কেন এই কবিতাটি এলো। বাকি কিছু লোকজন হয়তো ভেবেছিলেন এই সব কবিটবির কারবারই আলাদা, না বোঝাই ভালো। অল্প কয়েকজন বয়স্য জানতে চেয়েছিলো, " এই সব ... ...

অর্কদীপ্ত কহিল, “কেন, মহারাজ?”মহারাজ প্রত্যুত্তরে যকৃৎ ও পাকস্থলীর মধ্যবর্তী কোনও অঞ্চল হইতে “ঘুঃ” শব্দ উচ্চারণ করিলেন। অর্কদীপ্ত স্তম্ভিত হইয়া গেল। এরূপ শব্দ সে কখনও শুনে নাই। বস্তুতঃ, রাজবংশে এইরূপ শব্দোচ্চারণের রীতি আছে কিনা, তাহাও তাহার অবগত নহে।মহারাজ পুনরায় পাদচারণায় রত হইলেন। অর্কদীপ্ত ক্রমেই অধৈর্য হইয়া উঠিতেছিল। মহারাজকে একই প্রশ্ন বারংবার করিলে তিনি অবধারিত বিরক্ত হইবেন; অন্যদিকে, দেবতারা কেন কুপিত, আর সে বিষয়ে তাহাকে কেন মহারাজ গুপ্তমন্ত্রণায় আহ্বান করিয়াছেন, তাহাও ... ...

১।২০১৪ সালের মার্চ। টেক্সাসের অধিবাসী পঞ্চান্ন বছরের এক ব্যক্তি নিজের মেয়ের ঘরে একটি তরুণ যুবককে আবিষ্কার করে গুলি করে মেরে ফেললেন। ছেলেটির নাম জোহরান ম্যাককরমিক। বয়স ১৭। খবরে প্রকাশ, মেয়েটির ভাই মেয়েটির ঘরে শুভরাত্রি বলতে গিয়ে খাটের তলায় দুখানা পা আবিষ্কার করে। বাবাকে খবর দেবার পরে, তিনি মেয়ের কাছে জানতে চান, ছেলেটিকে সে চেনে কিনা। মেয়ে অস্বীকার করে। বাবা প্রথমে পুলিশে ফোন করেন। তারপর ঘরে ঢুকলে ছেলেটি তার হাত নাড়ায় (বিপজ্জনকভাবে)। বাবা ভয় পেয়ে গুলি চালিয়ে দেন। ছেলেটি প্রায় তৎক্ষণাৎ মা ... ...

সুড়ঙ্গ------------------------------------------------------------------------------------------আমাদের স্কুলের পাঁচিলে একটা সুড়ঙ্গ ছিল। অনেক ছোটবেলায়, যখন সদ্য স্কুলে ভর্তি হয়েছি, তখন উঁচু ক্লাসের কিছু ছেলে বলেছিল যে ওই সুড়ঙ্গ দিয়ে অদূরে পালচৌধুরী বাড়ির নিচে যাওয়া যায়, যেখানে গুপ্তধন আছে। দেখতে সেটা একটা গর্ত বই আর কিছু নয়, যেভাবে পুরনো ইঁটের পাঁচিল ধসে গর্ত হয়। কিন্তু ছোটবেলার সেই মায়াবী দিনগুলোতে সেই গর্ত ই হয়ে যেত সুড়ঙ্গ, কালো,অন্ধকার মাকড়সার ঝুলে ভরা একটা পথ, যে পথে মশাল নিয়ে ... ...

কালবৈশাখীঅনেক অনেকদিন হয়ে গেল, কিন্তু সেরকম ঝড় আর দেখলাম না। সেই সব অদ্ভুত, সারা আকাশ কালো করা, নারকেলগাছ নুইয়ে, মাটিতে ঠেকানো ঝড়। অনেকদিন আগে যখন সাইকেল করে চূর্ণী নদীর ধারে সিগারেট খেতে যেতাম, যখন বৈশাখ মাসের শেষ, যখন সারা দুপুরের গরমে সেঁকতে থাকা রানাঘাট শহরতলি পড়ন্ত বিকেলের আলোয় কমলা-হলুদ রং মাখত, যখন পিচে ঢাকা ধুসর রাস্তায় খালি পা ঠেকানো যেত না, যখন চূর্নির ধারের ছোট ছোট ঝোপের পাশে সাইকেল স্ত্য্যান্ড করার সময় বুনো গন্ধ ভেসে আসত, ঠিক তখনি অনেক দূরে, চুর্নী যেখানে বাঁক নিয়ে বাঁদিক ... ...

পোষাক জীর্ণ, প্রাসাদ ভগ্ন,বাকবিতণ্ডা অসংলগ্ন,তবুও শুনছি, অগ্রগমন চিত্ত খুলছে,শিউরে উঠছে জগদ্ধাত্রী, মরিচ মারছে পাত্র পাত্রী,জাতির জনক নিদ্রামগ্ন, নিত্য ঢুলছে।শিল্প বুঝছে পুঁজির সুখ কী,গর্তে ঢুকছে গরীব দুঃখী,মধ্যবিত্ত তিন ফসলের সত্তা তুলছে,বিবেক জড়িয়ে লোহার বর্ম,সংজ্ঞাবিহীন ধর্ম কর্ম,গিন্নী কেবল খাইয়ে যাচ্ছে, কত্তা ফুলছে।পাঁচটা মুরগি, একটা পালছে,ভিক্ষু দেখলে মদ্য ঢালছে,আত্মা তাতেই সমাজসেবার পুণ্যে দুলছে, ... ...

১.প্রথম কোপটা মাটিতে পড়ার সাথে সাথেই শুক্কুর দারুণ চমকে উঠে, এবং দ্বিতীয় কোপের জন্য কোদালটা উপরে তুলতে গিয়েই টের পায়, যে তা অসম্ভব ভারী হয়ে উঠেছে, ফলে সে পরবর্তী কোপের জন্য তা যথাযথ পরিমাণ উপরে তোলার প্রয়োজনীয় শক্তি হারায়, এবং হঠাৎ করেই বিমূঢ় ও স্থবির হয়ে পড়ে, আর কোদালটা উপরে তোলার পরিবর্তে নিচের দিকে নামিয়ে রেখে ধুপ করে মাটিতে বসে পড়ে!বেলা যে খুব বেড়েছে তা নয়। যে সময় গ্রামের বাচ্চারা ময়লা জামা-কাপড় আর ছেঁড়া-ফাটা বই নিয়ে বিলের মধ্যে দিয়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে স্কুলে যায়, আর সে ক্ষেতে কা ... ...

[২০০৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি নওগাঁর আত্রাইয়ের পতিসরে পাওয়া গেছে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছয় পাতার একটি দীর্ঘ চিঠি। এটিই এ পর্যন্ত পাওয়া কবির সর্বশেষ অপ্রকাশিত পত্র। চিঠিতে তারিখ দেওয়া আছে, ১৩০৭ সালের ২৮ ভাদ্র। কিন্তু সুনির্দষ্টভাবে কারো নাম উল্লেখ করে চিঠিতে কাউকে সম্বোধন করা হয়নি। তাই কবি এই চিঠিটি কাকে লিখেছিলেন, তা এখন গবেষণার বিষয়। রবীন্দ্রনাথের এই অপ্রকাশিত চিঠিটি তাঁর পাচক পতিসরের কবিজ উদ্দিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। এতে কবি তুলে ধরেছেন তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবন ও কর্মের কথা। নওগাঁর ... ...

হয়তো এখন দম দমে,লোড-শেডিঙে জ্বলছে পিদিম,পড়ছে বোমা গিদিম গিদিম,মন মাতানো চাঁদের আলোয়পালাচ্ছে সব ভালোয় ভালোয়,বাঁচতে হবে, বেজায় তাড়া,হঠাৎ যে তাই শূন্য পাড়া, সব কিরকম থমথমে – হয়তো এখন দম দমে।হয়তো এখন দম দমে,ডেঙ্গি রোগের মসলা নিয়েউড়ছে মশা প্যান্প্যানিয়ে,বসছে দাদুর ব্যাপ্ত টাকে,কাটছে একে, কাটছে তাকে,কাঁদছে ছেলে, কাঁপছে বুড়ো,টিপছে নাড়ি বদ্যি খুড়ো,দিচ্ছে ওষুধ কমসমে,হয়তো এখন দম দমে। ... ...

মনে পড়ে যায়, সেই কবেকার কথা ... বড়মাসীর গাড়িতে করে বালী ব্রিজ পার হওয়া, আবার ফিরে এসে আবার আবদার, চল না দিদি, আর একবার! দিদি, যিনি আমাদের আদর দিয়ে বাঁদর তৈরির চেষ্টাতে কোনো কসুর করেননি, চট করে রাজি হয়ে যেতেন, আর আবার পেরোনো হত ব্রিজ। আর যেদিন গাড়ির সঙ্গে সঙ্গে ব্রিজে ট্রেনও ছুটতো সেদিন আমাদের আহ্লাদের আর শেষ থাকতো না। তারপরে, মন্দির চত্বরে গিয়ে আমরা দেখার চেষ্টা করতাম, পঞ্চমুণ্ডির আসনে কোনো একটি মুণ্ডের অধিকারীকে উঁকিঝুঁকি মারতে দেখতে পাওয়া যায় কিনা। অনেক পরে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমরা সদলবলে ... ...

রবিবার আমি সাধারণত লেখা আপলোড করি। এই রবিবার থাকব যদুগোড়ায়। তাই আজ। (এই ধারাবাহিকের একমাত্র তাত্ত্বিক রচনা—প্রকাশিত হয়েছিল ‘বিসংবাদ’ পত্রিকার প্রথম বর্ষ সপ্তম সংখ্যা, সেপ্টেম্বর—অক্টোবর, ১৯৯৫-এ।)২৮শে সেপ্টেম্বর, ১৯৯১-এর আগে ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশের বাইরে কম মানুষই শংকর গুহ নিয়োগীর নাম শুনেছিলেন। এই সময় নিয়োগীর নামের সাথে আরও দুটো শব্দের সঙ্গে পরিচিত হলেন দেশের মানুষ—‘সংঘর্ষ ও নির্মাণ’।সংঘর্ষ ও নির্মাণ ব্যাপারটা কি? সংঘর্ষ না হয় বোঝা গেল—সংগ্রাম? কিন্তু, নির্মাণ? ... ...

জানালাটা খুলে দিলে? আরে বাবা, জেনে শুনে খুলো!এত করে বলি তবু জানোনা, বাইরে কত ধুলো?জানোনা জীবানু কত জেঁকে বসে আকাশে বাতাসে?জানোনা, পলিউশন উঠে গেছে একশো সাতাশে?আলো হবে? জ্বেলে দাও, সুইচটা মারোনা গিয়ে সিধা!ঘাম ঝরে? হাওয়া চাই? পাখাটা চালাতে কেন দ্বিধা?চাবিগুলো দেওয়ালেই, নামাওনা অফ থেকে অনে –জানালা ভেজানো থাক, জানালা খুলোনা অকারনে।জানালাটা খুলে দিলে ওবাড়ির আজে বাজে কথা,আগাডুম বাগাডুম, হেঁয়ালি মেয়ালি আরো, যথাঃমাসীমার কাপড়টা ফাটা কেন, আঁচলের কাছে, ... ...