
ইংরেজী ভাষায় একটা প্রবচন আছে – “The whiter the bread, the sooner you’re dead”, অর্থাৎ রুটি (প্রকারান্তরে ভাত) যত সাদা হবে আপনি তত তাড়াতাড়ি মারা যাবেন। ভাত সাদা হবে নাতো কি লাল হবে? ভ্রূ কুচকে গেলেও প্রস্তাবটা তেমনই। কিছু কিছু দেশে লাল ভাতের কদর সাদা ভাতের চেয়ে বেশী। চীনদেশে ও থাইল্যান্ডে লালভাতের চাহিদা আছে। শ্রীলঙ্কায় পাঁচতাড়া হোটেলেও ভাত চাইলে লালভাতই পাওয়া যাবে। অন্যান্য তৃণভোজী প্রানীরা ঘাসপাতা বেছে খেলেও শস্যদানা এযাবৎ আস্তই খেয়ে এসেছে, এখনও তাই খায়। বেশী বুদ্ধিমান প্রানী হিসেবে মা ... ...

আজ রেড রোডে মা-মাটি-মানুষের সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছে। বারাক ওবামা ভ্লাদিমির পুতিন সহ বিশ্বের বড় বড় নেতারা কাল থেকেই আসতে শুরু করেছেন নবান্নের ছাদে বানানো অস্থায়ী হেলিপ্যাড ব্যবহার করে। শোনা যাচ্ছে হলোগ্রাফিক প্ল্যানচেট করে রবীন্দ্রনাথকেও আনার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে এই ঐতিহাসিক সভা উপলক্ষে আসা ভিনগ্রহী এলিয়েনদের স্পেসশিপের ধোঁয়ায় ময়দানের গাছপালার যাতে ক্ষতি না হয় তার জন্য পরিবেশবিদরা আন্দোলন শুরু করেছেন বলে সূত্রের খবর। যদিও এর উত্তরে জিম থেকে এক্সারসাইজ করে ব ... ...

আমাদের পৃথিবীতে ক্যালেন্ডারের হিসাবে দিন চলে মাস চলে ইয়ার এন্ডিং আসে চলে যায়। স্কুলে স্কুলে গরমের ছুটি পড়ে। সরকারি বাবুরা উইকএন্ডে কবিগুরুর শান্তিনিকেতন যায়। আরেকটা পৃথিবী চলে চাঁদের হিসাবে। মাথার উপর ঝুলে থাকা বুড়ি চাঁদটার দিকে আমরা তাকিয়ে ওঠার অবসর না পেলেও সেই পৃথিবী চলে তার কমাবাড়ায়। চিৎ হয়ে পড়ে থাকা এই ভারতবর্ষের মাথার উপর সটান দাঁড়িয়ে থাকা হিমালয় ;কুমায়ুন আর গাড়োয়াল এই দুই পাহাড়ি এলাকা নিয়ে উত্তরাখণ্ড,যাকে সবাই বলে দেবভূমি। তা অক্ষয় তৃতীয়াতে চাঁদ যখন বাঁকা কাস্তের মত ধারালো হয়ে ... ...

ঘড়ির কাঁটা বোধহয় সাড়ে আটটার ঘর ছাড়িয়েছে। ভাবতে ভাবতে সুপ্রকাশ হিরো হোন্ডার অ্যাকসিলেটর সামান্য কমিয়ে বাঁহাতের কব্জি মুড়ে ঘড়ি দেখার চেষ্টা করলো। হ্যাঁ, আটটা বেয়াল্লিশ, আর দুটো মোড় পেরোলেই---। পিলে-চমকানো প্রেসার হর্ন বাজিয়ে গা ঘেঁষে বেরিয়ে গেলো দুটো বাইক আর বিচ্ছিরি ব্রেক কষে পাশে থামলো এক মারুতি সুইফ্ট। ---- ক্যা আংকল, তব সে সাইড মাংগ রহা হুঁ, কান পে জু নহী রেঙ্গা? বাদ মে শিকায়ত করোগে কি পিছেসে ঠোক দিয়া! সুপ্রকাশ কিছু বলার আগেই পেছনে ... ...

মুখবন্ধ:গত এক বছর ধরে জ্যাক কেরুয়াকের "wake up" নামে বুদ্ধজীবনী ও সুরঙ্গমা সূত্রের ওপর লেখা একটি বইয়ের অনুপ্রেরণায় একটি বই লিখেছি। পুরো একত্রিত অবস্থায় আপনাদের জন্য এখানে তুলে রাখলাম। এক বছরের গবেষণা, একটু একটু করে লেখা। বাংলায় এর আগে হয়ত বুদ্ধদেবের জীবনী নিয়ে লেখা হয়েছে, বৌদ্ধ ধর্ম নিয়েও লেখা হয়েছে (রাহুল সাংকৃত্যায়ন, বাণী বসু (মৈত্রেয় জাতক), শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা), তথাপি যেটা নিয়ে সেভাবে লেখা হয়নি সেটা বৌদ্ধ সূত্র নিয়ে, থেরাবাদ বৌদ্ধধর্ম নিয়ে, থেরিগাথা নিয়ে। আশা করব আপনারা পড়বেন, ... ...

তারা পলিটিক্যালি কারেক্ট মানুষ।তাদের আড্ডা ছিল মরিচঝাঁপি ছাড়িয়ে, পূর্ব-পশ্চিম দুই পাকিস্তান নাড়িয়ে, আমলাশোলের ধারে, ঝান্ডার ছায়ার তলায়। ছেলেবেলায় যখন তাদের আঙুলে কালি ওঠেনি তখন থেকে তারা দেখে আসছে সেই আদ্যিকালের গণতন্ত্র। সে যে কোথাকার কোন তন্ত্র সে খবর কেউ জানে না, কিন্তু সবাই বলে, 'গণতন্ত্র'।যত সব বিপ্লবী ছেলে-মেয়ে, কলেজে বই খুলে যারা মোটে বসতে চায় না, গণতন্ত্রের হাতে কর্পোরেটি নোটের ফড়ফড়ানি শুনে শুনে তাদেরও জিভে জল আসে —পেটমোটা মানিব্যাগ, গোটা নোট, মোটা নোটক ... ...

দ্রোণপর্বে, এটা একটা প্রায় নিত্তনৈমিত্তিক রুটিন ছিলো যে দুর্য্যোধন হয় সরাসরি না হয় অন্যদেরকে নিয়ে দ্রোণকে গালমন্দ করতেন। দুর্যোধন সারাক্ষনই দ্রোণের কাছে খেদোক্তি করতেন,নালিশ করতেন। এই ১৩ দিবসেও ব্যতিক্রম নয়। দুর্যোধন দ্রোণের কাছে আগের দিন রাত্রেই গিয়ে বললেন "আমরা আপনার বধমধ্যে পরিগনিত হইয়াছি ; কেন না আপনি যুধিষ্ঠিরকে সমীপস্থ দেখিয়া আজিও গ্রহন করিলেন না"। দ্রোণ খুব লজ্জা পেয়ে গেলেন।বললেন, আরে না না। “আমি সব সময়েই তোমাদের প্রিয়কার্য্যসাধনার্থ নিরন্তর যত্নবান”। কোন ভাবে অর্জুনকে যুধিষ্ঠিরের ক ... ...

আমাদের আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি যা তাতে একটা বড় অংশের মানুষের সামনে সামান্য ডোলই অনেকখানি এবং সেটুকু পাওয়ার বাস্তবতাকে তারা হাতছাড়া করতে চাইবেন না। ক্ষমতায়ন বা এমপাওয়ারমেন্ট এর জটিল দীর্ঘমেয়াদী ও কষ্টকর ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতি ছেড়ে অনেকেই তাই ডোল রাজনীতি বেছে নেন। বিশেষ করে নির্বাচনের সময়। কিন্তু মমতা ক্ষমতায় আসার পর প্রথম থেকেই এটা করে গেছেন এবং মূলত এটাই করে গেছেন। এই ডোল দেবার কনসিস্টেন্সি এবং বিচিত্র ধরনের ডোল দেওয়ার প্রক্রিয়া পদ্ধতি উদ্ভাবন তার রাজনীতির একটা নিশ্চিত আদলকে তুলে ধরেছে এবং জনগণের কাছে ... ...

বাড়ি খুঁজছি তখন। অপশন তিনটে। পাহাড়ের ওপর। নদীর ধার। বাজার। পাহাড়ের টং এ বাড়ি নেওয়া চাপের। নিজের গাড়ি নেই। তোর্সা নদীর ধারে নিলে অনেকটা হেঁটে এসে তবে ট্যাক্সি স্ট্যানড, কাজেই চলো মার্কেট এরিয়া। ইমিডিএট বস জিগমে ওয়াংদি কথা দিলো চিন্তা কোরনা অত, তোমার হোটেলে থাকার আয়ু তো আরও একুশ দিন আছে, আমি দেখে দেবো বাড়ি ; চলো বিয়ার খাই। অতএব আমরা রোজ আপিসের পরে বিয়ার খাই। তোর্সা নদীর ধারে নাইট ক্যাম্প ও হয়ে গ্যালো একদিন, বাড়ি খোঁজা আর হলনা। প্রমাদ গুনলুম। একদিন ইচ্ছে করে জিগমের সামনেই ... ...

‘একটা ঘুমের ওষুধ বলবি বাবা? প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেল ছেলেটা ঘুমোয়নি ঠিক করে, পড়াশুনোও তো করতে পারছে না কিছুই’পাড়ার এক কাকুর ফোন। আমাকে যতটা স্নেহ করেন, আমি প্রায় তার কাছাকাছিই স্নেহ করি তাঁর ছেলে প্রবীরকে—এ বছরের রাজ্যের ছিয়াত্তর হাজার জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন। গত বছর উচ্চ মাধ্যমিকের সাথেই একবার জয়েন্ট দিয়েছিল—মেডিক্যালে দু’হাজারের আশেপাশে র্যাঙ্কও আসে—সিদ্ধান্ত নেয় আবার একবার বসবে জয়েন্টে। পাড়াতেই ছোট্ট ভুষিমাল দোকান বাবার, ছেলে স্বপ্ন দেখে স্টেথো গলায় ঝুলিয়ে পাড়ার সব ... ...

#সর্ব অদ্যকার দিবস আমার জীবনে এক পরম আনন্দের দিবস হইতেই পারিত। অদ্য বৈকালে সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজ প্রাঙ্গণে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমার সপত্নী( প্রয়াত স্বামীর পঞ্চম পক্ষীয় বিধবা) নয়নতারা দেবী ব্রাহ্ম সমাজের অন্যতম অনুসারী শ্রীযুক্ত প্রভাসচন্দ্র দত্ত মহাশয়ের সহিত পুনর্বিবাহ বন্ধনে বাঁধা পড়িলেন। বিধবা বিবাহ হইলেও উহা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হইল। রাঙাদিদি নয়নতারা সদ্যবিবাহিত পতির সহিত শ্বশুরালয়ে গমন করিলেন। নিকট ভবিষ্যতে তিনি পতির সহিত বিলাত যাত্রা করিবেন। আজ হইত ... ...

বাঙালি এখন রাজনীতি খাচ্ছে, প্রাতঃক্রিয়ায় ত্যাগ করছে, দিবা এবং মধ্যরাতের স্বপ্নেও হানা দিচ্ছে লাল,সবুজ, গেরুয়া।এই রঙিন দিগন্তেু ঘাসফুলের আগুন জ্বালিয়ে হাজির আবার ফলাফলের সমীক্ষা। ফলে, আমি স্বপনে রয়েছি ভোর,/ সখী, আমারে জাগায়ো না ---এখন এইই আমাদের জাতীয় সঙ্গীত।তাই শান্তিপুর ডুবু ডুবু, নদে ভেসে যায় গোছের (ভক্তিরসে নয়, ক্ষতির খতিয়ানে) আবহাওয়াতেও আমাদের মোটে হেলদোল নেই। এতো আর তেমন শহর নয়, গ্রাম্যমেলা থেকে ফেরার পথে নেহাতই দুর্ঘটনা। একটু আহা উহু, উদ্ধার কাজ কেন দেরীতে তাই নিয়ে একটু রাগ। ব্য ... ...

যে যাই বলুক ভাই, বাংলা সাহিত্যের সবচে' বড় ক্ষতি করেচেন মাইরি দাড়িদাদুই! এম্নি লিখেচেন যে আজও বাঙালী তেনার গন্ডি ছেড়ে বেরোতে পারেনি। যে যেমনই লিখুক না কেন রে ভাই, সাহিত্যের ব্যাপারে বাঙালীর উৎকর্ষের মাপকাঠি হলেন সেই আদি ও অকৃত্রিম রবীন্দ্রনাথ। এক্কেরে মোহিনীমোহন কাঞ্জিলাল এন্ড সন্সের মত। কোনো শাখা নেই! এদিকে দক্ষিণেশ্বরের কালীঠাকুর, ওদিকে গীতাঞ্জলীর রবিঠাকুর। আহা, আমার ইয়ে ইয়ে তো কী, রবীন্দ্রনাথ নোবেল! গুরুদেব গো! আরো হাজার বছর তোমায় ধুয়ে জল খাবো গো আমরা! তিরিশ কোটি সন্তানেরা, হে মুগ্ধ দাড়িদা / চ ... ...

ধিন-তা-ধিনা, পাকা নোনা ( ডিঃ কোন রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে আহত করা উদ্দেশ্য নহে, কোন চরিত্রের সঙ্গে মিল প্রতীত হইলে উহা নেহাৎই কাকতালীয়।) (১) মহাশিবরাত্রির সকাল। রায়পুর শহরের ফুলচৌক থেকে আর গাড়ি এগুতে পারছে না। বিশাল ট্র্যাফিক জ্যাম। পাঁচটাকা ভাড়ার সওয়ারি অটোতে মাঝবয়েসি ভদ্রলোক খিঁচিয়ে ওঠেন। কি মুশকিল! আমাকে রোগীর খাবার নিয়ে সরকারী হাসপাতাল যেতে হবে। পেশেন্ট সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে, আজ জেনারেল ওয়ার্ডে দেবে। তার আগে আমাকে বিল ... ...

চৌমাথায় একটি নড়বড়ে প্যাকিঙ বাক্সের ওপর কোনোমতে দাঁড়িয়ে নিজেকে ব্যালান্স করতে করতে বক্তৃতা দিচ্ছেন জরি ননি। সামনে পাহারারত নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক। নিয়মমত এই বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটপ্রচারের সাত দিনের মধ্যে কমপক্ষে পাঁচটি স্ট্রীটকর্ণার মিটিং করতেই হবে বিরোধী প্রার্থীকে। প্রথম পাঁচদিন জরি ননি কাটালেন খেলাধুলো করে খেয়ে দেয়ে আয়েশ করে। আর মাঝে মাঝে হা হুতাশ করছেন – আর ক-দিন বাকি – ওরে বাবা পাঁচ পাঁচটা মিটিং – কবে করব – আমার কী হবে। কী কুক্ষণে যে সেবার নৈহাটি বেড়াতে গিয়ে তিনমাসের জায়গা ... ...

গুরু, শুরুর দিন থেকে ধরলে বছর বারো বছর মত হল। অনেক রাস্তা টাস্তা হাঁটা হয়েছে, আমরা একই সঙ্গে নেটে এবং প্রকাশনা জগতে পা ফেলেছি। এখন আর শুরুর দিকের টলমল নেই, নেট এবং প্রকাশনায় গুরুর মোটামুটি একটা ব্র্যান্ড ভ্যালু হয়েছে। খুব বড়ো কিছু না, আবার খুব ছোটোও কিছু না। গুরুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেটা জানানোর, এবং আলোচনায় ফেলার জন্যই এই পোস্ট। অনেক গুলো কথা একসঙ্গে বলা হয়েছে, একটু ধৈর্য্য ধরে জনতা যদি পড়েন তো বাধিত হব। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি করে লিখছি, কিছু ভুলভ্রান্তি অনবধানে হয়ে যেতে পারে ... ...

ফ্ল্যাটটা কেনার পরে সুদীপের চেয়ে শাশ্বতীই যে বেশি খুশি সেটা ওর হাবভাবেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। অবশ্য সুদীপও যে খুশি হয়নি তা নয়। সাজানো-গোছানো বড় বড় দু'টো বেডরুম, একটা গেস্টরুম, একটা ডাইনিং কাম কিচেন আর অ্যাটাচড্ বাথরুম। সদ্য বিবাহিত, উচ্চ-মধ্যবিত্ত একটা দম্পতি বাসস্থান হিসেবে আর কী চাইতে পারে এর বেশি? ঝকঝকে মার্বেলের মেঝে, ঘরের দেওয়ালে চমৎকার হাল্কা সবুজ রঙের প্লাস্টিক পেইন্ট, বড় বড় জানালা দিয়ে আলো আর হাওয়া আসছে অনবরত। তোফা! শুধু একটাই মাইনাস পয়েন্ট - ফ্ল্যাটটা রেললাইনের কাছে হওয়ায় উত্তরদিকের জানা ... ...

এলিসিও সুবিয়েলার ‘ডোণ্ট ডাই উইদাউট টেলিং মী হোয়ার ইউ আর গোয়িং’ এ বন্ধ হতে বসা এক মুভি থিয়েটারের প্রোজেকশনিস্টের সঙ্গে দেখা হয় এক আপাত অশরীরী নারীর, যে এসেছে তার অতীত কোন এক জন্ম থেকে, যে জন্মে তারা দুজনে ছিল টমাস আলভা এডিসনের সহযোগী, সিনেমার জন্মরহস্যের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল। সুবিয়েলার ছবিটিও সিনেমার তথাকথিত ১০০ বছর চলাকালীন সময়েই করা। অথবা সাই মিং-লিয়াং এর ‘গুডবাই, ড্রাগন ইন’। তাইপেইয়ের বন্ধ হতে বসা সে মুভি থিয়েটারে শেষ শোতে চলে ষাটের দশকের জনপ্রিয় মার্শাল আর্টস ছবি ‘ড্রাগন ইন’, আর সেই হণ্টেড থিয়েটার ... ...

আমার ছোটবেলার পাহাড় ঘেঁষা মফস্বলের বাড়িতে একটা প্রাচীন লোহার সিন্দুক ছিল। ডালার ওপর একটা ফ্ল্যাট পদ্মফুল। তার মাঝে সরু একটি নিখুঁত কাটা আয়তক্ষেত্র। চাবিটাও তিনসেরি। মাঝে মাঝে যখন খোলা হতো, মনে পড়তো আলিবাবার খুল যা সিম সিম। ছোঁবার যো ছিল না,ঐ ডালা হাতে পড়লে থ্যাঁতলানো টিকটিকি। শুধু একবার কয়েন, অলংকার,দলিল নামিয়ে পরিষ্কার করার সময় মায়ের লেখা একটা একটা লুকোনো চিঠি আবিষ্কার করেছিলাম। রুলটানা কাগজে গোটা গোটা অক্ষর, প্রাপক আমার বাবা,-----" আমার গায়ের রঙ কালো বলে অনেক লাঞ্ছনা সইতে হয়। আবার মেয়ে হলো, ত ... ...

“দিদি কিছু দিয়ে যা l” “না পারবো না l” “কেন পারবি না?” “কেন ভিক্ষা করছেন?” “ভিক্ষে করি না, নাচগান করে পয়সা কামাই l” কথোপকথন শেষ হওয়ার আগেই সবুজ সংকেতে শহরের অন্যতম ব্যস্ত রাজপথ দ্রুত গতিশীল হয়ে পড়ে l জমকালো হলদেটে শাড়ি পরিহিত রোগাসোগা চেহারার মানুষটি সামান্য গলা তুলে বলে যান, “চোখে গগল্স পরবি আর গরিবকে দুটো টাকা দিতে পারবি না?”একাধিক কালো চশমা ছিল, বা, আছে l দীর্ঘ দীর্ঘ সময়কাল ধরে l কিছু সামাজিক কালো চশমা, যার মধ্যে দিয়ে রূঢ় বাস্তবতাকে কিছুটা ফিকে বলে প্রতীতি হতে পারে l মনে হতে পারে, দে ... ...