
এই রাগটা আমার প্রিয়, অনেকেই জানে। যেভাবেই গাওয়া বাজানো হোক না, ডুব দিয়ে শুনি। তা বড়ে ঘুলাম যখন "সঁইয়া বোলো, তনিক মোসে রহিও না যায়" বলে আবার সঁইয়া'তে নেমে আসেন। অথবা ভীমসেন দু'তিনবার ঘনশ্যাম, ঘনশ্যাম বলতে বলতে গেয়ে ওঠেন "যমুনাকিনারে মোরা গাঁও" ... বুঝতে পারি গায়ে আমার পুলক লাগে আসলে কেমন অনুভূতি। বেগম আখতার তো রয়েছেনই, "পিয়া ভোলো অভিমান।" রয়েছেন নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় অথবা বিলায়ত তাঁদের বড়ো করে বাজানো রাগ পিলু নিয়ে, রবিশংকরের ছোটো মিশ্র পিলু। আসলে পিলু'ও ভৈরবির মতো একটা মনভোলানোর সুর। ঘর ভোলানোর সু ... ...

চিঠি লেখার স্বভাব ছোটবেলায় খুবই ছিল - বহু ধরণের চিঠি৷ প্রতি বছর বিজয়া দশমী পার হলেই ওফ সে কি যন্ত্রণা - বাধ্যতামূলক আইন৷ আমার ঠাকুর্দাকে আবার ইংরেজিতে লিখতে হত - বাংলা মিডিয়ামে পড়ে প্রতি মাসে একটা গোটা চিঠি ইংরেজিতে লেখা যে কি যন্ত্রণার সে যারা ভুক্তভোগী তারা ছাড়া আর কে-ই বা জানবেন৷ আমি অবশ্য প্রতি তিন-চার মাস অন্তর কপি পেস্ট মারতাম প্রথম থেকেই - তখন তো জানতাম না যে ভবিষ্যতে এটা একটা অমূল্য শিক্ষা হয়ে থাকবে৷ ঠাকুর্দার চিঠিগুলো অবশ্য কপি পেস্ট হত না - ইংরেজিতে লেখা সেই গোটা চিঠিটা পড়া এবং তার মান ... ...

..."এবার জ্যোৎস্নায়সেইপথে বসন্ত আসবে, দু-এক রক্তের বিন্দু লেগে থাকবে গায়ে।"চওড়া, পাকা ব্রিজ পেরিয়ে একটা মোড়। এককোণে বিজ্ঞাপণ, মুখ্যমন্ত্রী হাসছেন। অন্যকোণে বহুতলের বিজ্ঞাপণ, টিবিএইচকে, থ্রিবিএইচকে, সুইমিং পুল। ডানদিকে ঘুরলে নালার পাশ দিয়ে রাস্তা, তাও মোটের ওপর খুব সরু না। দুটো গাড়ি পাশাপাশি আসা যাওয়া করে। বাস যায়। মন্দির, কারখানা, ভাটিখানা ও ইশকুল। পলিটেকনিক কলেজ, বাঁয়ে সরু রাস্তা, দেড়খানা গাড়ির বেশি জায়গা নেই। কোথাও হয়ত একটু চেপে এলো, কোথাও অল্প হাঁফ ছাড়ার মত চওড়া। তারপর আবার বাঁ ... ...

ফেব্রুয়ারী মাস পড়তেই আমাদের সব চোখ ছলছল, বুক ধড়ফড়। নিজেদের হাজার সমস্যা এবং ফূর্তি শিকেয় তুলে এই মাসের অন্ততঃ তিনটে সপ্তাহ আমরা ওঁকে নিয়েই ব্যস্ত। কাগজে কাগজে গুলতানি, উনি কি মৃতপ্রায়, উনি কি আবার আগের মহিমায় (মানে সে যে কত আগের মহিমা সেটা আমরা কেউই ঠিকঠাক জানিনা) ফিরে আসবেন, নাকি ওঁর অন্তর্জলী হয়ে গেছে ! এই মুহুর্তে পরিস্থিতি চরমে, সবাই নিজের পছন্দমত দাওয়াই বাতলাচ্ছে, কেউ বলছে বদ্যি ডাকতে কেউ বলছে পুলিশ আর কেউ শহরের মাঝখানে মস্তবড় হাট বসিয়ে ওঁর চিকৎসার খরচ তোলার চেষ্টা করছে, সেখানে আবার রথ দে ... ...

মুগ্ধতা মানে কী? একটা মানসিক অবস্থান? আরোগ্যহীন আত্মসমর্পণ? যুক্তিরহিত জেদ? অথবা গ্যাসবেলুনের প্রতি শিশুর অনন্ত মোহের আর্তি?----------------------------------------------তাঁকে প্রথম 'পড়ি', সাড়ে চার দশক তো হয়েই গেলো। তাঁকে নিয়ে আমার প্রথম ছাপা লেখা, তাও প্রায় ততোদিন হলো। সেটা ছিলো নিশ্ছিদ্র মুগ্ধতার ঋতু। প্রশ্নহীন, অনুগত, অভিভূত বাঙালি কিশোর। চার দশক আগে কৃত্তিবাস পত্রিকার নবসংস্করনে কিছু ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন ছাপা হতো। সেখানে একজন লিখছেন,' কেউ কি এই দুটো লাইনের ইংরেজি অনুবাদ করে দিতে পার ... ...

হ্যাঁ, গতকাল অবধি শুধুমাত্র বার্তা ছিল, ইতি-উতি কোকিলের দু-একবার ডেকে ওঠা, মাঝে মাঝে দু-এক ঝলক অন্যরকম হাওয়া, জানান দিচ্ছিল, সে আসছে। কিন্তু আজ আর কোন সংশয় নেই। সব লক্ষণ স্পষ্ট, সে এসে গেছে। রাস্তার ধারে এক একটা গাছ বিনা নোটিশেই লালে লাআল...ক্লিশে হয়ে যাওয়া সেই কবিতার লাইন ব্যবহার না করে সোজাসুজিই বলতে পারি, আজ বসন্ত !বছরে মাত্র কয়েকটা দিন আমরা এইসব দেখতে-শুনতে পাই। এই যে শেষ রাত থেকে কোকিলের কু-কু-কুউউউ ডাকাডাকি, আস্তে আস্তে তার সঙ্গে আরো অনেকরকম পাখির কল-কলানি মিশে গোটা দিগন্তরেখা জুড়ে এক ... ...

থোর বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোর,যেমনটা আমারও, তেমনটাই তোর।রোজকার জীবনে জমা যতো গ্লানি,মুখ বুজে সয়ে যাই মুখচোরা প্রাণী।না পাওয়া জমা হয়, জমা হয় রাগ,গোপনে গোপনে পুষি যন্ত্রণা দাগ।শাসকের কড়া চোখ, বসেরও কড়া,চেপে রাখা কাম নিয়ে গোপনে মরা।এ ভাবেই দিন কাটে, দিনের শপথ,অবদমন খুঁজে ফেরে মুক্তির পথ।ক্রোধ জমে প্রতিদিন, বেড়ে চলে কিস্তি,জমে চলে রোজ রোজ না দেওয়া খিস্তি।হতাশায় খুঁজে চলা কার্নিভাল রাস্তা,যা কিছু চেপে রাখা বের করো আজ তা।বিশ্বকা ... ...

২) রৌরকেল্লার জমিজিরেৎ ভূমির ইতিহাসে একটা কাল অবধি, যখন সব ঘন জঙ্গলে ঢাকা ছিলো, অবিচ্ছিন্ন ভৌম ইনহেরিটেন্স। গা-গঞ্জ ছিলো হয়ত কিছু। সে সব ধুসর ইতিহাসে আর গাছগাছালির গহন ভুতপ্রেতে আছন্ন। ১৯৪৮ এর পয়লা জানুয়ারি বোনাইরাজ্য আর গাঙপুর-রাজ্য জুড়ে গিয়ে হল সুন্দরগড় রাজ্য। ১৯৫০ সালে পঞ্চম তফসিল তৈরী হলে তাতে সেঁধিয়ে গ্যালো এই জায়গার আর এর বাসিন্দা বহু মানুষের প্রাশাসনিক খাতাকলমী পরিচিতি, সংবিধানে মার্কা পড়ল ৩৩৯ নং ধারা।ওড়িশা এস্টেটস অ্যাবলিশান অ্যাক্ট এলো ১৯৫১ স ... ...

আজ শুরু দেবীপক্ষ, কাল বিষ, পরশু বিসর্জনআকথা-কুকথা মাখবো, কবে যাবো আনন্দীপত্তন আনন্দীপত্তনে যাবো, ছুঁয়ে দেখবো শব্দধারাপাতবিপর্যস্ত বর্ণমালা, আক্ষরিক কবিতাবিভ্রাটকবে যাবো ধ্বনিগৃহে, চোখে রাখবো অপ্রতিভ চোখসে দৃষ্টি দর্শনে মিশে সর্বনাশ আপাদমস্তকযে বঁধু যে শব্দকথা তাকে বলবো, কী পরেছ সোনা?শব্দের আড়াল থেকে সে হেসে বলবে -- কিচ্ছু না -- সেই হাসি তারশব্দে কেটে কেটে হয়ে কুচি কুচিআমাকে নষ্ট করবে, অপবিত্র, আজন্ম অশুচি,এই তো চেয়েছি, বলো, এর বেশি ক ... ...

নগর কলকেতার সেই এক্কেরে পূবপ্রান্তে মিলনমেলা৷ সেখেনে পাবেন আগমার্কা খাঁটি 508 নং গুরুচন্ডাঌ৷ আর তার সঙ্গে ফাউ হিসাবে পাচ্ছেন একটা আস্ত বইমেলা৷ প্রোলোগ আগেই সারা - এবার আগে আগে দেখো হোতা হ্যায় কেয়া৷ গুরুতে যে কি হয় আর কি না হয়৷ কখনো গুরু না ভজি মুই সন্ধ্যা সকালে তো কখনো তুমি যা জিনিস গুরু আমিই জানি আর শিলাদা জানে৷ কখনো গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুদেবো মহেশ্বরো আবার কখনো বায়্গুরু দা খালসা বায়গুরু দা ফতেহ৷ তা এহেন মহাগুরুর দিনপঞ্জিকা লেখা সুকান্ত হলে পারতো - এ অধম কলমচীর কম্ম নয়৷ সাড়ে বত্রিশবার ... ...

বীজ বপনের উৎসব বীজ পাণ্ডুম। ব্যাঙ-বিয়ের পর বর্ষা আসে। তারপর চাষবাস শুরু হবে। তাই বীজ ছড়ানোর পালা। মাসটা হল বীজ বপনের মাস বীজ নেল্লা। সমগ্র বস্তার-সম্ভাগ জুড়ে হয়। গোঁড় আদিবাসীদের মধ্যে প্রচলিত।প্রথম ঘটনাস্থল: গ্রাম সারেকেগুড়া-কোট্টাগুড়া-রাজপেট্টার মধ্যিখানের মাঠ, থানা বাসাগুড়া, জেলা বীজাপুর, সম্ভাগ বস্তার, রাজ্য ছত্তিসগড়। ২৮শে জুন ২০১২র রাত। বীজ পাণ্ডুম আসন্ন। এবার ধুম কিরকম হবে সে বিষয়ে চর্চা চলছে। তিন গ্রামের মরদ হাজির। এমন সময় তিন দিক থেকে আছড়ে পড়ল অজস্র গুলি। বনের পথ ধরে ন ... ...

1সাফাইঃপ্রথমেই সাফাই গেয়ে রাখি রাজনীতি কখনোই আমার কাপের চা ছিল না। আজও নেই। আজ ১০ই ফেব্রুয়ারী ২০১৫ তে আম আদমী পার্টি ধরাশায়ী করেছে কাগজে কলমে তাদের প্রবলতর প্রতিপক্ষকে তখন কিছু বিষয়ের ওপর আলোকপাত করার তাড়না অনুভব করি, সেখান থেকেই এই প্রবন্ধ শুরু।রাজনীতি আমার কাপের চা নয় বলতে আমি বোঝাতে চেয়েছি যে আমি রাজনৈতিক দলের মিছিলে হাঁটিনি, ভোট চাইতে আসা দলের সবাইকেই দেঁতো হাসি দিয়ে আশ্বাস দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যারা রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ ভাবে আছেন বা থাকতে চাইছেন এই লেখার লক্ষ্য তাঁরাই। তাদের বল ... ...

ওড়িশা রাজ্যের জেলা সুন্দরগড়। একদিকে ছত্রিশগড়ের রায়গড় জেলা, আরেক দিকে খাণ্ডাধার পাহাড় দিয়ে নেমে এসেছে খাণ্ডাধার ঝরণা। পাহাড়ের একটা অংশ সুন্দরগড় জেলায়, আরেকটা অংশ কেওনঝর জেলায়। ঝরণাও নালা হয়ে দুটো জেলাকেই জল দেয়। ১) বৈতরণীর তীরেকেওনঝরে অজস্র আকরিক লোহা আর ম্যাঙ্গানীসের খনি। শক্ত মাটির নীচে অনেক খনিজ পদার্থ থাকলে মাটির গভীরের ফাটল হয়, ফাটলে অন্ধকারের অনু-উদ্ভিদ ইত্যাদি থাকে, তাই দীর্ঘাবয়ব গাছের শিকড় মাটির গভীরে যেতে পারে। গুগুল ম্যাপ থেকে দেখা যায় যে কেওনঝরের অনেকটা অংশ ঘন জঙ্গল ... ...

“তুমি গুছিয়ে ঠিক কথা বলতে পারো না/ শুধু সময় নিজের গল্প বলে যায়” (শ্রীজাত) l সময় গল্প বলে l সু-সময় আর দুঃ-সময়ের গল্প l প্রেম-বিচ্ছেদ-প্রেম বিচ্ছেদ-প্রেমের এক চক্রাকার আবর্তনের গল্প l এক? নাকি একাধিক? বৃত্তগুলো আঁকতে থাকি l হিজিবিজি l ক্লাস ইলেভেনের ফিজিক্স নোটের শেষ পাতায়- কলেজের থার্ড বেঞ্চে- ব্যালান্স শিটের নিচে, এককোণে- একাধিক বৃত্ত l কিছু সম্পূর্ণ হয় l কিছু হয়না l আসলে তো চাই অসম্পূর্ণ থাক l অতৃপ্তিটা থাকুক l চারিয়ে যাক ক্রমশ l বৃত্তগুলো জট পাকাক l একের ঘাড়ে অন্যে চাপুক l পরস্পর পৃথক হোক l স্ ... ...

একশো আশি ডিগ্রী জুড়ে, অনেকটা নিচে, বরফ। রাস্তা দিয়ে মেঘের মত তুষারের ঢেউ, তার ওঠাপড়া। সমস্ত রাত, শহর, শিশুরাও ঘুমন্ত। ফুল ফুটছে, কোথাও না কোথাও। হাওয়ায় কান পাতলে শোনা যায়, দূরের কথা। গরম কেটে একটু শিরশিরে হাওয়ায় শুকনো পাতা ওড়ে। অন্ধকারে কীটের সংসার লেপ্টে মাটিতে মিশে যায় পায়ে পায়ে। সেই সারে যদিও গাছ হবে। সেই গাছ কেটে জ্বালানী। বছরকার দিনে একটা অনুষ্ঠান, কটি লোক। সামান্য মাছভাত, দই। মাটির ভাঁড়ে জল।চওড়া রাস্তা, পিচঢালা। ক্রমশ সরু হতে হতে একসময়, দেওয়ালের ধারে শেষ। সবুজ সতেজ ঘাস, ফুলসমেত। ... ...

আমার একটা গল্পের বই বের হবে এবার। কোলকাতা থেকে। গল্পকার-ঔপন্যাসিক অমর মিত্র এই গল্পগুলো আমাকে দিয়ে লিখিয়েছেন। আনোয়ার শাহাদাত পই পই করে বলেছেন, নো এলিগোরি। পরী-টরীর গল্প লিখবেন না। আমি বলেছি--চিন্তা নাই। আমি গল্পই লিখবো না। ইতিহাস লিখবো। ফলে যখন লেখা হল--তখন সেগুলো পরীর গল্পই হল। আমার দোষ নেই। অতি শিশুকালে আমাকে পরীতে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। সেটা একটা হৃদয় বিদারক ইতিহাস। আমাকে তারা সোজা তালগাছের উপরে তুলে রেখেছিল। আমার মা অনেক সাধ্য-সাধনা করে নিচে নামাতে পেরেছিল। পরীরা বলেছিল--এর বিনিময়ে কী ... ...

শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা, আমি তিনমাস ঘুমিয়ে থাকব ইত্যাদি বলে যতই আদিখ্যেতা করুন ভুক্তভোগী মাত্রেই জানেন এই তিনমাস ঘুমিয়ে থাকা তো নয়ই বরং কতরকম চ্যালেঞ্জ, টেনশন, নজরদারি, আর এই ক’টাদিন একটু হাসিখুশি থাকতে হলে তার আগের তিনমাস কি খাটাখাটুনি আর কি উদ্বেগে থাকতে হয়। এখানে ভুক্তভোগী বলতে যারা এই শীতকালে একটু ফুলটুল ফোটান তাদের কথা বলা হচ্ছে। পৃথিবীতে এত গাছ আর ফুল থাকতেও যাঁদের নিজের পা ফেলার রাস্তার ধারে, জানলার পাশে, বারান্দার কার্নিশে চাট্টি ‘নিজের হাতের গাছ’ না দেখলে ঘুম হয়না, এমনিতেই তাদের (পাগলা) ... ...

নিউ ইয়ার রেজোলিউশন আদতে এক ধরণের ইলিউশন।সেইটে এ বছর আরেকবার বুঝলাম। বছরের শুরুতে দেখলাম সব্বাই নতুন বছরের রেজোলিশন করছে।যে শুভ আপিস ফেরতা রোজ বারে না ঢুকে বাড়িই ঢুকতে পারেনা তাকেও দেখলাম রেজোলিউশন করছে যে এ বছর বারে ক্যানো বারের ধারে কাছেই যাবেনা।আমি জিগালুম,‘হ্যাঁরে শুভ,এটা কি তোর অশুভ রেজোলিউশন হচ্ছে না? মানে,দুনিয়াশুদ্দু লোক যখন জানে যে সিগনেচার আর শার্ক ট্রুথের অন্তত দুটো করে লোকের বেতন তোর পকেট থেকে যায়’।শুভ কাতর চোখে আমার হাতদুটো ধরে বলল,‘নারে ভাই।আর নয়।দশ বছর ... ...

“দই কচুরি, দই কচুরি”, শুনেই কেমন রক্ত নাচে,রক্ত নাচে ধিতাং ধিতাং, বেলপাহাড়ির ঝুমুর ধাঁচে!ঝুমুর ধাঁচে প্রাণটা লাফায়, মন চলে যায় বেলঘোরিয়া,বেলঘোরিয়া গিয়েই সে মন আপন তালে দিলদরিয়া!দিলদরিয়া, উদার চেতন, ইচ্ছে করে দিই বিলিয়ে,দিই বিলিয়ে দই কচুরি, হিসেব কষে, ছক মিলিয়ে।ছক মিলিয়ে মন ভরে যায় অঙ্ক কষার উন্মাদনায়,উন্মাদনায় দুলতে থাকি জীবনমুখি ধ্যান ধারনায়।ধ্যান ধারণায় হঠাৎ বাধা – কোথায় যেন চুন খসে যায়,চুন খসে যায়, পানটা নিরস, পানসে, জোলো, মন ধসে যায়। ... ...

বিশ্বখ্যাত নাট্যমনীষী, স্তালিনবাদবিরোধী নিরলস সংগ্রামে সমর্পিতপ্রাণ শ্রীমতী সমর্পিতা বোসের সাম্প্রতিকতম পালা "নাট্যখামার" দেখতে বঙ্গের সকল নাট্যানুরাগী মা ও মানুষকে (মাটির মানুষ, বলাই বাহুল্য-বেঁড়েপাকা হলে চলবে না) আহ্বান জানানো হচ্ছে। নাটকের মূল চরিত্র তুষারকণা-র চরিত্রে সমর্পিতা স্বয়ং এবং ন্যাপলা-র চরিত্রে বিশ্রুত নাট্যব্যক্তিত্ব শিক্ষাগুরু অমাত্য বসু অভিনয় করছেন। অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন খ্যাতনামা নট ক্ষৌণীশ পাত্র ও মানবেশ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। ... ...