
প্রত্যেক বাঙালীর সাথেই কোন না কোন নষ্টালজিক তেলেভাজা ও এগরোলের দোকানের নাম লেগে থাকে। বাঙালীও যে ব্যবসা বোঝে (প্রফুল্ল রায় মহাশয় বেঁচে থাকলে কি খুশীই না হতেন) এই তথ্য যাচাই হত ওই সব এগরোলের দোকানগুলির প্লেসমেন্ট দেখে। বেশীরভাগ এগরোলের ঠ্যালাই স্টেশন বা বাসস্ট্যাণ্ডের পাশে খাড়াই থাকত। মেমারীতে এগরোল শিরোপার লড়াইটা সীমাবদ্ধ ছিল লক্ষ্মী ও গণেশের মধ্যে। লক্ষ্মী স্টেশন বাজার এবং গণেশ বাসস্ট্যাণ্ড। আমি নিজে লক্ষ্মীদার এগরোল খেয়েই মানুষ – তিনটাকা থেকে শুরু করে আজ ১৪ টাকায় এসে ঠেকেছে প্রায় কুড়ি বছরের ব্ ... ...

ক’দিন আগে একজন শিক্ষাব্রতী (ভুল ভাববেন না, উনি কিন্তু সত্যি বিশেষ ভালো, পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান এবং ছাত্রপ্রিয় মানুষ) বলেছিলেন (বা বলে ফেলেছিলেন) আমরা (শ্রমজীবী বিদ্যালয়) ওদের অনেক কিছু দিই কিন্তু ওরা ... কথাটা শুনে অনেকগুলো প্রশ্ন মাথায় কিলবিল করতে লাগল। সেগুলো লিখে রাখলাম। সব শিক্ষাব্রতীকে দেব এগুলো। ইভেন অ্যাট দ্য রিস্ক অব সাউনডিং পন্টিফিকাল ... আমার নিজেরও আত্মা তল্লাশী দরকার। একক, এবারে আপনার কথাগুলো এক এক করে আলোচনা করি।১) সেট অফ এথিক্সএথিক্স তো বটেই। আজকাল আ ... ...

বুকের বাঁ দিকে একটা মাছ তড়পায়। মাঝে-মাঝেই। তড়পানি থামাতে বেরিয়ে পড়া এদিক-ওদিক। কখনও কখনও ঠিকও থাকে না। সেটাই হল এবারও। হাওড়া থেকে রাতের ট্রেনে। সাতসকালে আদ্রা। কোথায় যাব, জানি না। ব্যাগ পিঠে হাঁটছি। দূরে জয়চণ্ডী পাহাড়। শেষ মাঘের নরম কুয়াশা। শান্ত রাস্তা। দু পাশের বিস্তীর্ণ ফাঁকা মাঠ বড় ঝিল চিরে চলে গেছে সোজা। ডান দিকটা পূব। জয়চণ্ডীগড় স্টেশন। কুসুম রঙের জামায় ঈশ্বর উঠছেন। কাঁধে বাপির আলতো টোকা। ইশারায় দেখি, হাইটেনশন লাইনের ওপর আশ্চর্য নীল পাখিটা। কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই। নিজের মনে দেখছে নিজের সকা ... ...

অভিজিত দাস। অনেকেই নামটা চিনবেন না। যে নাম চিনবেন তা হল জয়ন্ত জোয়ারদার। 'এভাবেই এগোয়' লিখেছিলেন যিনি। 'বুক মার্ক' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। লিখেছিলেন এক অর্থে প্রথম পরিবেশ-উপন্যাস 'ভূতনি দিয়ারা'। আরও অনেক ছোটগল্প।প্রস্ট্রেট ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে ১৬ তারিখ গভীর রাতে মৃত্যু এল। নিজেকে মনে করতেন বিপ্লবের পদাতিক সেনানী। তাই ্লিখেছিলেন আত্মজীবনী 'ফুটপ্রিন্টস অব এ ফুটসোলজার"।থেমে গেল পদাতিকের পায়ের শব্দ। ... ...

জায়নিস্টস কুয়ো ভাদিস!হেভেনে মর্ত্যের দুঃসংবাদে এলার্ম বাজে। মাঝরাতে এলার্মের শব্দে দেবুদার ঘুম ভাঙ্গে। কী ব্যাপার কী ঘটলো! জানা দরকার। পার্বতী তখনো জেগে। কিউ কী শাস ভি কাভি বউ থি দেখছে। সুতরাং টিভির চ্যানেল চেঞ্জ করতে চাইলে মুখ ঝামটা খেতে হবে। হঠাত ফোন আসে। পারুর মা ইনসমনিয়ার রোগী। তাই রাতদুপুরে পারুকে ফোন করে। ইতং বিতং গল্প করে। এই সুযোগে সিএন এন খুলে দেখে সমস্যা প্যালেস্টাইনে। কিন্তু সিএনএন যেহেতু জায়নিস্টদের মিডিয়া; আসল খবর পাওয়া কঠিন। বাধ্য হয়ে ফেসবুকে লগ ইন করে। সেখানেও হাজারটা ন্যারেট ... ...

পার্থ ডিম-কলা-পাউরুটি দিয়ে প্রাতরাশ খেয়েছেন, পার্থ দাঁত মাজার জন্য দামি টুথপেস্ট চেয়েছেন, পার্থ রবীন্দ্রসঙ্গীতের বই নিয়েছেন কিন্তু সংবাদপত্র হাতে নেন নি – সম্প্রতি জানলাম l পার্থ কে, আপামর বাঙালিকে আর এই মুহূর্তে বলে দিতে হবে না l আপাতত এটুকু মনে করিয়ে দেওয়া জরুরি, তিন নম্বর রবিনসন স্ট্রিটের পার্থ দে স্বীকৃতভাবে একজন মনোরোগী l স্বয়ং মনোরোগ বিশেষজ্ঞরাই পরীক্ষা করে এ কথা জানিয়েছেন l তর্কের খাতিরে বলা যেতেই পারে, যেকোনো ধর্ষক, যেকোনো খুনী এক একজন মনোরোগী, সুতরাং মনোরোগের দোহাই দিয়ে অপরাধকে লঘু করা ... ...

অনেকে অনেক প্রশ্ন করেছেন। একে একে আলোচনা করে সম্ভাব্য উত্তর রাখব পাঠকের সামনে। এখানে দীপাঞ্জন রায় চৌধুরীর একটি লেখা দিলাম। কি উত্তর পাবেন হয়ত।মূলত দীপাঞ্জন রায় চৌধুরী ও সলিল বিশ্বাসের কথোপকথনবিজ্ঞান শিক্ষার পদ্ধতি ঃ মূলত দীপাঞ্জন রায় চৌধুরী ও পারমিতা আঢ্যের মধ্যে আলোচনা “হিরন্ময়েন পাত্রেণ সত্যস্যাপিহিতং মুখম তত্ত্বং পুষন্নপাভৃণু সত্যধর্মায় দৃষ্টয়ে...” ঈশাবাস্য উপনিষদপাউলো ফ্রেইরে-কে যেমন বুঝেছিলাম এবং বুঝি নিপাউলো ফ্রেইরে নিপীড়িতের শিক্ষা ... ...

নেহাতই ছাপোষা। বউ-বাচ্চা নিয়ে জেরবার। ঘাউরা-মার্কা চোখমুখ। ভুরুটা প্রায়সময়ই কুঁচকে। তেমন কোনও প্রতিভা নেই, তেমন কোনও দক্ষতা নেই যে, সংসারটা হেসেখেলে চালাবে। কিস্যু কি নেই? একেবারেই? আছে! আখাম্বা একটা পুরুষাঙ্গ। যেটা উচ্ছ্রিত হলে লোকটা পুরো যন্ত্র বনে যায়। শুধু সেটাকেই চালনা ছাড়া অন্য কোনও কাণ্ডজ্ঞান থাকে না। হ্যাঁ, এরকমটাই তো দরকার ঝাঁঝালো পুরুষালি পর্নো বানাতে। আর হলও তাই। পরিত্যক্ত গ্যারেজে, পুলসাইডে, বাইকে ঠেস দিয়ে, ঝলসানো আলোর নিচে রগরগে সেট বানিয়ে তৈরি হতে থাকল গোছা গোছা থকথকে কামার্ত ... ...

প্রথমেই বলে নেবো, আমি এখানে ও অন্যত্র যা লিখছি তার সবই শ্রমজীবী বিদ্যালয় (আমার ব্লগ পড়লে এবিষয়ে প্রায় সব প্রাথমিক ঘটনাক্রম জানতে পারবেন), এবং অতীতে অন্য কিছু জায়গাতে একই ধরণের কর্ম-প্রয়োগে সঞ্চিত সদর্থক ও নঞর্থক অভিজ্ঞতা থেকে লেখা। সেই কারণে আমার সব বক্তব্যই শ্রমজীবী বিদ্যালয় সংক্রান্ত পরিস্থিতিকে জড়িয়েই বলা হচ্ছে।প্রধানত, দুটি বই থেকে আমাদের অভিজ্ঞতা আহরণ-প্রচেষ্টার সূত্রপাত। “আপনাকে বলছি স্যার। । বারবিয়ানা স্কুল থেকে” আর পাউলো ফ্রেইরের লেখা “পেডাগজি অব দ্য অপ্রেসড”, “কালচারাল অ্যাকশন ফর ... ...

কিছুদিন ধরেই একটা আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। কী যেন একটা নেই, মানে ছিল, এখন হারিয়ে যেতে বসেছে এমন একটা কিছু বোধ আসছিল বারবার। একটা ক্ষোভ। ঠিক ধরা পড়ছিল না, সামনে আসতে পারছিল না – কী যেন একটা হারাতে বসেছে সে। সে মানে অনুরূপ বিশ্বাস। একটা রাগ হচ্ছিল তার। হারিয়েছে, হারিয়ে যাচ্ছে কিছু একটা – ঠাহর করা যাচ্ছে সেটা কিন্তু ঠিক সেটা কী তা বোঝা যাচ্ছে না। এ এক অদ্ভুত অস্বস্তি। আকাশের অনেক উঁচু থেকে বিন্দু বিন্দু শূন্যতা নেমে আসছে তার চারধারে – অন্ধকারের মতো। ঠিক অন্ধকার নয়, অন্ধকার কখনো আকাশ থেকে নামে না। ... ...

পলিটিক্যাল প্রিভিউহেভেনে সময় শান্তিতেই কাটে। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা যে লায়লা-মজনু, দেবদাস-পার্বতী, রোমিও- জুলিয়েটকে পুনর্মিলিত করেছেন; সেখানে নিত্যদিন খুটখাট লেগেই আছে। এদের প্রতিদিনের দাম্পত্য কলহ এমন একটা রূপ পরিগ্রহ করেছে যে; সৃষ্টিকর্তা রীতিমত ‘প্রেম’ বিষয়টি পুনর্ভাবনার প্রকল্প নিয়েছেন। গান্ধীজী এই প্রকল্প প্রধান। বিশেষজ্ঞ নিয়ে ভাবনা নেই; নেহেরু আছেন। বঙ্গবন্ধু এই কমিটিতে থাকতে রাজি হননি। বলেছেন, বরং কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে নিন। কবি মানুষ; এগুলো বোঝেন ভালো। লায়লা- পার্বতী- জুলিয়েটের পিতার ন ... ...

যে কোনো শিক্ষকের ক্ষেত্রেই একথাগুলো প্রযোজ্য, বিশেষ করে প্রযোজ্য শ্রমজীবীর শিক্ষাব্রতীদের (আমার নিজের তো বটেই) সম্পর্কে।এই প্রশ্নগুলো/কথাগুলো মাথায় এল বলে লিখে ফেললাম। আপনাদের কী মনে হয় জানতে পারলে একটা আলোচনা করা যেতে পারে।১) আপনি কি বাচ্চাদের অপছন্দ করেন? যে বয়সের বাচ্চাদের আপনি পড়ান তাদের মধ্যে থাকার সময় আপনি কি আনন্দ পান? না কি বিরক্ত বোধ করেন?২) যে বিষয়টি আপনি পড়ান তা কি আপনার ভালো লাগে, না কি, ক্লান্তিকর মনে হয়? ‘বিষয়টি কেন পড়ান’, জিগ্যেস করলে আপনি এই উত্তরগুল ... ...

টিমের সঙ্গে গতকাল কথা হয়ে গেছিল। ওরা বলে দিয়েছিল, এখানেই আজ এসে পৌঁছবে। দশটা নাগাদ অনেকটা নিশ্চিন্তে আমরা হাঁটতে বেরোই। ক্ষেত পেরিয়ে গ্রাম ছাড়িয়ে পাহাড়ি হরিয়ালির ভেতর দিয়ে এলোমেলো চলতে চলতে এসে পড়ি পিণ্ডারের গায়ে একটা তেকোনা দ্বীপ-মতো জায়গায়। বাংলো টাইপের কন্সট্রাকশন উঠছে। জনাদুই মিস্ত্রি পাথর ভাঙছে। জানতে পারি, নতুন একটা সরকারি হাসপাতাল হচ্ছে। অনেকটা জমি জুড়ে, বেশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে। হাসপাতাল তো হচ্ছে, ওষুধ-ডাক্তার? মিস্ত্রিদের, দেখলাম, সে বিষয়ে মাথাব্যথা নেই। ঢাল বরাবর এগোতে থাকি। প্রচুর ছাগল নিয়ে ত ... ...

ওপেন টি বায়োস্কোপ দেখলাম। কেন দেখলাম সে একটা প্রশ্ন, বিশেষ করে আমার সিনেফাইল বন্ধুরা আমার এমন আলু আলুবখরা, জল এবং জলপাইময় বিচরণ দেখে সপ্রশ্ন হন মাঝে মাঝেই। আমি বলি আহা, অমন তো হয়েই থাকে, আগের দিন লিসানদ্রো অ্যালনসোর ‘লিভারপুল’ দেখলাম, আর পরের দিন সন্ধের অবসরে ওপেন টি। আমাদের ইউটিউবে ছাড়া দেখার সুযোগ নেই, ফলে অন্য সকলের দেখে নানা তর্ক তুলে ফেলার পরে আমার কথা বলতে বসা। এমনিতে এই নস্টালজিয়া ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে আমার ইমোশনাল আইডেন্টিফিকেশনের সম্ভাবনা কমই, শুধু এই জন্য নয় যে আমি একজন পেশাদার সিনেমা আলো ... ...

আমি ইংল্যাণ্ডে থাকাকালীন ওখানকার সরকার এক ক্যাম্পেন চালু করেছিল – Five Fruits a Day। ব্রিটিশ ছেলেছোকরাদের ক্রমশঃ খারাপ থেকে নিকৃষ্ট হয়ে যাওয়া রুখতেই সেই প্রচার। তবে যে দেশে দুই হাত অন্তর ফ্রাই, কেবাপশপ আর বার্গারের দোকান এবং যেখানে ফল কিনতে গেলে দুই মাইল দূর দূর সুপারমার্কেটে যেতে হয় সেখানে এই ক্যাম্পেন কতটা সার্থকতা লাভ করবে তা বোঝার জন্য পরিসংখ্যানবিদ হবার দরকার নেই। আমাদের ইউনিভার্সিটির ফুডকর্ণারগুলিতে ছবি লাগানো হল ফলের – আপেল, কলা, লেবু, আঙ্গুর ইত্যাদি। দোকানদার প্রায় সবুজ কলা কিনে ঝুড়িতে র ... ...

শিরোনামটা ঝাড়া l জনৈক ফেসবুকিয়ার দেওয়াল থেকে l ম্যাগিতে অত্যধিক সীসা ও আজিনামোতো ব্যবহারের ফলে যে তুলকালাম চলছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, বলা বাহুল্য তার প্রতিক্রিয়া l এর চেয়ে অ্যাপ্ট আর কিছু এ মুহূর্তে মনে পড়ছে না l এক বছর হল ম্যাগি খাওয়া বন্ধ করেছি l বন্ধ মানে বন্ধই l স্টমাকের অবস্থা বেশ কিছুদিন যাবৎ শোচনীয় l মানে, অ্যাপ্যারেন্টলি আমাকে দেখে পেটমোটা মনে হলেও আদতে আমি বেশ পেটরোগা লোক, আর পাঁচটা বাঙালির মতই l কলেজে ভর্তি হওয়ার পর সাপের পাঁচ পা (মা উবাচ) দেখে ফেলার দরুণ রোজ রোজ বাড়ি থেকে ফলমূ ... ...

এবারে ধরেছি ঢালু। মাঝেমধ্যে অল্প চড়াই। হালকা গাছগাছালি আর প্রচুর পাখি। বেশিরভাগেরই নাম জানি না। দেখলাম আকাশে পাক খাচ্ছে খানদুই হিমালয়ান ঈগল। ক্যাঁক্যাঁ করে মাত করছে ঝাঁক ঝাঁক টিয়া। সবুজ আর কমলা কাঠঠোকরা। উসকোখুসকো ঝুঁটিয়ালা সিপাহি বুলবুল। হলুদ ঠোঁটের ময়না। লম্বা লেজওলা ট্রিপাই, ম্যাগপাই। অসংখ্য খুদে পাখির দল নালিশে আর উস্তমখুস্তমে ভরিয়ে তুলেছে ঝোপঝাড়। কিছুটা দূর থেকে আমাদের মাপছে কালোমুখের হনুমান বাহিনী। একেকটার মোটা আর বাঁকা ল্যাজ দেখেই ‘রামায়ণ’-এর ওপর বিশ্বাস বেড়ে যায়। দুয়েকটা ফটো তোলার পর মনে ... ...

জ্যামিতির গোড়ার কথা : ইউক্লিড থেকে রীমান ( প্রথম পর্ব ) জ্যামিতি আমরা সকলেই কমবেশি ... ...

অত্যন্ত ভয়ে ভয়ে ‘কাদম্বরী’ দেখিলাম। একা দেখি নাই অবিশ্যি। সঙ্গে পাড়ার হুলো মস্তানটিকে লইয়া গিয়াছিলাম। কেন? লোকমুখে শুনিয়াছি উহার নাকি একটি ‘আনলাইসেন্সড রিভলবার’ আছে। একেই ‘বম্বকেস’ বাবুর বম্ব খাইয়া হিরোশিমা-নাগাসাকির মত ‘থ’ কেস খাইয়া বসিয়াছি। তাহার পর ‘কাদম্বরী’র সাইড এফেক্টে কী হইবে কে জানে। গঙ্গা যদি কোলে তুলিয়া না লন্, তবে হুলোর রিভলবারই সই! ‘মরিব মরিব সখী, নিশ্চয়ই মরিব-ও-ও-ও-ও...!’ ইয়ে, মানে সব ফিলিমকে খারাপ বলিলে লোকে আমাকে নিন্দুক বলিবে। তাই ‘কাদম্বরী’কে খারাপ বলিব না! ভালোই হইয়াছে। ... ...

চিকিৎসক-জীবনে আমি যে দুটো জনস্বাস্থ্য কর্মসূচীতে কাজ করেছি সেই শহীদ হাসপাতাল ও শ্রমিক-কৃষক মৈত্রী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নৈতিকভাবে চিকিৎসা-পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। যে ডাক্তার-বন্ধুরা আমার মতো কোনও গণসংগঠনের সঙ্গে থেকে ডাক্তারী করেন না, তাঁদের নীতিনিষ্ঠ থাকার কথা বললে অনেক সময় বলেন—প্রাইভেট প্র্যাকটিশ করে বা প্রাইভেট হাসপাতালে কাজ করে নীতিনিষ্ঠ থাকা যায় না। সত্যিই কি তাই?! একজন ব্যক্তিগত ভাবে কতোটা সৎ থাকতে পারেন আর কিভাবে?কোথায় চেম্বার করবেন?অনেক ডাক্তার ওষুধের দোকানে চেম্বার করে ... ...