
দিব্যি দুজনে কথা বলছিলাম – ড্রাইভার ভদ্রলোক প্রায় থামিয়ে বললেন, দাদা একটা কথা বলি? আমার না একটা মেয়ে আছে, বছর ৫এর l আমি ওকে দেখিয়েছিলাম হাসপাতালে, আসলে ওকে ভ্যাট থেকে কুড়িয়ে পেয়েছিলাম তো – তাই হাসপাতালে দেখিয়ে নিলাম l শিশুমঙ্গলে দেখে বলল বাচ্চা ঠিক আছে, কিন্তু ও কানে শুনতে পায় না, আর কথা বলতে পারে না l কোনো সংস্থা আছে – যারা এরকম বাচ্চাদের জন্যে কিছু করে? মিরাজ – ভদ্রলোকের নাম, যেটা আমরা একটু পরে জানতে পারব, বলতে থাকেন, দেড় দু দিনের বাচ্চা, ওই যে হাসপাতালটা ছিল না, কিডনি বেচত, তার ... ...

মুন কাল রাতে কলকাতা এসে ফোন দিয়েছে। আজ সকালে সটান শান্তিনিকেতনে যাবে। আমার জন্যে বিন্নির চাল আর চৈ এসেছে বাংলাদেশ থেকে তার হাত ধরে। সে হালের শন্তিনিকেতনে কলাভবনের ছাত্রী। স্নাতক পড়েছে ঢাকায়। নরসিংদিতে তার বাড়িতেও গিয়েছি আমি, উয়ারি বটেশ্বরে যখন শ্যুট করতে যাই, সেটা ২০০৯। আমার সেই সহকারী এখন অনেক বড়। আমাকেই ধমক ধামক দেয়। কাল রাতে বলেছে এখন আসা লাগবে না, সকালে আসেন, রাত্তিরে কৈ কোথায় হারায়ে যাবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠিয়েছে। হাওড়া শ্টেশনে যাওয়ার আগে ৪/৫ বার ফোন করে তাড়া দিয়েছে। পেলাট্ফর্মে ঢুকে গিসি, ট ... ...

গোলদরি আভাস ছিল। বছর শেষের নানান কমিটমেন্ট। ফোন ধরি, আর না না করি। সম্বিত বলে যাও সন্ধ্যেবেলা দু-পত্তর চাপাও। আমি বলি না, দুই আর দশের তফাত আমি বুঝি, ওকে অত ভাঙ্গিনা। সে দুই জানু লন্ডন ফিরে যাবে। কাজ এগানো যাক। কাল বলেই রেখেছিল, এডিট যখন লক তো একটু দু পাত্তর। বছর ও তো শেষ প্রায়। আপত্তি ধোপে টেকে না। বিকেলে ছয়টা গ্লাস কেনা হয়, দুই বোতোল সিংগল মল্ট আর দুই লিটার জল। সবারই বাড়ি ফিরতে হবে, ফালতু সময় নষ্ট করে লাভ নেই তাই খাবার কেনা হয় না। বরং রাইচুর জন্যে কেনা হয় এক বোতল গোল্ড রিজারভ। সে বেচা ... ...

বই পড়া যদি বা হয়, বই নিয়ে দুই কলম লেখা আর হয় না মোটে| কয়েকটা বই সম্পর্কে অন্তত দু'চারলাইন লিখে না রাখলে বইগুলোর প্রতি বোধহয় একটু অবিচারই হয়| আপাতত তিনটে বই নিয়ে বলি|১) বাঁকাউল্লার দপ্তর সটীক সংস্করণ - সম্পাদনা প্রসেনজিত দাশগুপ্ত, সৌমেন পাল ২) ভারতে রাজনৈতিক কার্টুনচর্চা - সুমিত ঘোষ ৩) ঈষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাস - তীর্থংকর রায়তিনটি বই একটু সময় নিয়ে পড়তে হয়, থ্রীলার পড়ার মেজাজে পড়ে ফেলা যায় না| কাগজে ছাপা বইয়ের মুদ্রণসৌকর্য আমার কাছে যথেষ্ট গুরু ... ...

১।এমনিতে যা যা নিয়ে ভাবি, মাথা ঘামাই, তর্ক করি যেমন ছেলে-মেয়ে ভেদাভেদ বা কলকাতার পরিবহন সমস্যা, বাঙলা ভাষার অবনতি বা রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষতা।।।ইত্যাদি ইত্যাদি, আমি নিজে সেই সব সমস্যার ভুক্তভোগী হই বা না হই, বিষয় হিসেবে সেগুলো খুব এলেবেলে নয়। কিন্তু গত কয়েকদিনের খবরের কাগজ পড়তে পড়তে এই সব কিছুই যেন অকিঞ্চিৎকর হয়ে যাচ্ছে। চোখের সামনে শুধু দেখতে পাচ্ছি একটা কিশোর রাস্তায় কাজ করতে গিয়ে লুটিয়ে পড়ল, তার দাদার চোখের সামনে পড়েই থাকল, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া গেল না।।।ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে পুলিশ গাড় ... ...

আমার বড় মেয়ে স্কুল থেকে ফিরেই বলল, বাবা, হাতি আসছে।হাতি কথাটা বলার সময় মেয়ের চোখে-মুখে এক ধরণের শঙ্কা আর কৌতুহল ফুটে উঠেছে। ছোটো মেয়েছে বেশ হাটতে শিখেছে। দৌড়ে এসে বলল, বাবা, আত-তি। হাতি দেও--খাবো।বড় মেয়েটা বোনকে ধরে বলল, ধুর বোকা। হাতি খায় না। হাতি মারে।মার কথাটা শুনে ছোটো মেয়েটা ভয় পেয়ে কেঁদে কেটে অস্থির। চিৎকার করে মায়ের কাছে ছুটে গেল। বলল, ও মা, আত--তি মালবে।গিন্নি রান্না ফেলে মেয়েকে কোলে নিয়ে এল। বলল, কে মারবে কইছে?বড় মেয়ে বলল, আমি মারি নাই।–তাইলে ... ...

সবজান্তা হওয়ার জ্বালা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন রাজা বিক্রমাদিত্য। উত্তর জানা থাকলে মুখ খুলতেই হবে নাহলে মাথা ফেটে চৌচির হবে কিন্তু মুখ খুললেই বেতাল পালাবে গাছে। এই অনন্ত ‘লুপ’ থেকে কত সহজেই বেরিয়ে পড়া যেত যদি একটা উত্তর জানা না থাকত ! আসলে সবজান্তাদের ব্যাপারটাই এইরকম, সামনে ভুলভাল জিনিস দেখলে কিছুতেই মুখটি বুজে থাকার উপায় নেই কিন্তু আবার ঠিক কথাটা বুঝিয়ে বললে লোকে হামেশাই বলে থাকে ‘জ্ঞান দিচ্ছে’। অবশ্য সে কথাটা নেহাৎ মিছে কথা নয়। একটি সবজান্তা লোক যখন কিছু বলে বা লেখে তাকে সবসময় একটা ভাবনা তাড়া কর ... ...

একটা কি চাঁদ উঠেছে না বৃষ্টিতে ভিজেছে অর্জুন গাছসেই অর্জুন গাছে বসেছে পায়রালাল পা, শাদা গা, নীল ঘুম?ও জাদুবাজ তামাড়িয়া, সিল্ক, গরদ আর টায়রাএকটা কি সূর্য উঠেছে না আগুনের ব্লুম?( জাদু-স্বদেশ সেন)জাদুর মতো-ই হয়তো বা; হয়তো নিতান্ত গতানুগতিক কোনও প্রাকৃত অভ্যেস। সূর্য যেভাবে ওঠে, রোজ, একভাবে, কখনও নিশ্চুপ ফুটে ওঠে, কখনও বা অশ্বারোহী'র অহংকারে ছিঁড়ে দেয় মায়াবী তন্তুময়পিছনের জাল। তাই কি আগুনের ব্লুম। বিবাহের মতো তীব্র, ভবিতব্যের মতো নিশ্চিত, ভালোবাসার মতো অনিবার্য। হা ... ...

পৌষ নতুন ধানের গন্ধ আনে না বরং গান্ধির হাজারি গন্ধের গোলাপি আলোয় আমরা পোড়াই রাত্রির মনোবাঞ্ছা সদ্য পড়া কুয়াশায়। আমি শহরে থাকি। মাথার মধ্যে থ্যালামাস আর চুল শিরা গলি ওয়ানওয়ে আর বাইপাস। রাত বাড়লে যদ্যপী দাপাদাপি আর কী সব করে জীবন কাটাই সেই বুঝিবা ট্রাফিক সিগন্যালের সা-রে-গা-মা আলোকসূচকগুলি। এর পরে কী করে আর বোঝাই আঘ্রাণের কথা। সে সরে সরে যায় নীরবে দূরে। আলোকঝঞ্ঝায়, পশ্চাতে ধায়, হায় হায় রে, সুন্দরী মলুয়া ডুবে যাচ্ছে নদীতে, মলুয়ে হায় হায় রে। উত্তর দিনাজপুরের একটি ক্ষেতের পাশ দিয়ে গেলে দৈবাৎ, মনে হয় ... ...

আজ, ৩রা ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকেল ৪টায় কলকাতা প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হল একটা প্রেস কনফারেন্স। এপিডিআর, শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ, ফোরাম অফ পিপলস হেলথ, মেডিকাল সার্ভিস সেন্টার, মেডিকাল কলেজ ডেমোক্রাটিক স্টুডেন্টস এসোশিয়েসন, প্রোগ্রেসিভ এন্ড ডেমোক্রাটিক স্টুডেন্টস ফ্রন্ট, বন্দী মুক্তি কমিটি ও কলকাতা নাগরিক সমন্বয়-এর যৌথ উদ্যোগে এই প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। আগামী কাল, ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকেল ৩টায় কলেজ স্কোয়ার থেকে এন আর এস মেডিকাল কলেজ অবধি মিছিল।দাবীঃ১। কোরপান শাহের হত্যাকারীদের শাস্ত ... ...

কাচের জানলা সারসার। আলো কোথাও জ্বলে, কোথাও ঢিমে আঁচে নিভন্ত। জানলার মুখোশের আড়ালে জীবন। ফুটন্ত চায়ের মত, শুকিয়ে আসা আধাসবুজ ডালের মত। দেওয়ালির আলো মেখে সারারাত ভিজে পুড়ে ওঠা নক্ষত্রের মত। সেই জানলায় ছায়া পড়ে, অনন্তের। "অনন্ত কুয়ার জলে চাঁদ পড়ে আছে।"যে সমুদ্র শ্বাস নেয় তার কাছে সবাই ফকির। প্রচন্ড এক মাথাপাগল লোকের মত, সে শাসায়। মেঘ করে এলে সে লাফিয়ে নাচে, মেঘ সরে গেলে ভিজে ভিজে সে মাতাল ঝিমোয়। পাড়ার কাঁচাপাকা চুল, নোংরা জামার সংকর প্রজাতির মানুষটার মত। সে মাতাল না, মদ কেনবার পয়সা ও ধ্বক ... ...

প্রথম অধ্যায়কোরপান শা এবং একটি মশার গপ্পো।ধরা যাক,আপনি আপনার দিকে ধাবমান একটি মশাকে এক থাপ্পড়ে মারলেন।পেনাল কোড যাইই বলুক না ক্যানো,আপনি জানেন যে আপনার কিস্যু হবেনা কারণ আপনি প্রমাণ করে দেবেন যে মশাটি আপনার দোতলায় বিনা অনুমতিতে ইভনিং ওয়াক কি বাণিজ্যিক চুক্তিতে সাইন করতে নয় বুক পকেটে আণবিক অস্ত্র নিয়ে আপনাকে মারতে আসছিল আর ওই মশাটি পেনাল কোডের খরচা বহন করতে পারবেনা,বিচার তো অনেক পরের কথা।অতএব সার,ওই মশাটার যে মরাটাই ভবিতব্য ছিল তা আমি আপনি ভালোই জানি আর রোজ কত এরকম ... ...

বলতে গেলে সে অনেক কথা। আর আমাকে যারা জানে তারা সবাই বলবে, একে দিয়ে কিসসু হবার নয়, বেহদ্দ আলসে। তবু দু-চার কথা পষ্টাপষ্টি বলে রাখাই ভালো, যা দিনকাল পড়েছে! চুপ করে থাকলে লোকে পরে পড়া ধরতে চায়! সেদিন আবার কে একজন বললেন, বেড়াল-গিরি করে করে কি আর ওর সময় আছে? সে কথাটাও নেহাত ফ্যালনা নয়।হ্যাঁ, কথা গুলোর দু-একটা হিন্দু-মুসলমান নিয়ে তো বটেই, জাত-পাত, ছেলে-মেয়ে, শ্রোডিঙ্গার ইকোয়েসন, এল্লাহাবাদ এক্সিবিসন -- সেসব ও আসতে পারে। অবিশ্যি সে আমার কলি-বেলা র কথা, তখন তো কেউ বোঝেনি এ বেটি পদ্ম নয়, ঘ ... ...

আমার যাদুর ঝাঁপি, আমার জমানো পুঁজিপাটাতাতে আর কিছু নেই, আছে শুধু মায়াবীমুকুরআমার সে আর্শিটা চিরতরে তোমাকে দিলামএ্যালিস! এ্যালিস! তুমি বিম্বিত হয়ো জোছনাতে... ... ...

ছেড়ে চলে যেতে হবে, কিমাকার এই মাংসল পৃথিবী, আজি গুরুগৃহবাস সমাপ্ত আমার। পৃথিবীর পরিখা বরাবর হাঁটছে দুই আচ্ছন্ন পাফরমার, যেন ঘড়ির দুটি কাঁটার ইশারা, তারা এদিক ওদিক ছুটে যায়, উদবাস্তু জ্যামিতি যেমন হয়, আর দিঘীভরা জল করে টলমল। জলঘড়ি। উদ্ভ্রান্ত সেই আদিম যুগের শুরু যেখানে, কেন মুখপানে চেয়ে আছ গো মা, নীলগাইটি এসে দাড়ায়, যে কদাচ নীল ছিল না। আকাশ ছিল, জল ছিল, অবকাশও ছিল বিস্তর হাঁটাহাঁটির মাঝে, সন্ধ্যে সাড়ে সাতটায় আমাদের ঘড়ির কাঁটারা নিজে নিজে ঘুরত, নন্দন দুই নিচে জলতল ক্রমশ উঠত, মোবাইল বাজত, চাই মিং-ল ... ...

ক্লাস সেভেনের ঘরে ইংরেজি পড়াচ্ছি।কি একটা বিচ্ছিরি গ্রামাটিক্যাল কোশ্চেন ধরেছি যা আমাকে ইস্কুল লাইফে ক্যানো এখনো ধরা হলে যে বই না দেখে পারতুম না তা নিয়ে কুণাল ঘোষের ঘোষিত আত্মহত্যার মতই কোনো সংশয় নেই।তা আমিই যখন পারতুম না তখন আমার ছাত্র ছাত্রীরাই বা পারবে ক্যানো? ভালো ছেলে মেয়েগুলো একে একে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। তা দেখে আমি একটু হেসে বললাম, ‘একে একে নিভিছে দেউটি’, তারপর সামনের বেঞ্চে বসা ওসামা’র দিকে তাকিয়ে বললুম,‘এর মানে কি জানিস?’মানে টা ওর জানার কথা নয়।আমি এম্নিই জিজ্ঞেস করেছিলাম। ... ...

বজ্র সারাদিনে আমার কাজ বলতে তিনটে। এক, স্টেশন রোডে অটো নিয়ে গুলতানি; দুই, সাড়ে চারটে থেকে সাড়ে ছটা সরযূবালা কলেজ থেকে স্টেশন কলেজ থেকে স্টেশন ফেরি; আর তিন, রাত সাড়ে দশটায় সূর্যসমকে স্টেশন থেকে কোলপাঁজা করে নীলবাড়ির দোতলায়। প্রথম দুটো না করলেও চলে যেত। পততি আমাকে ছ'হাজার দেয় মাসে। সূর্যসম-ও মাঝে মাঝে দু'একশো ভুল করে বার করে দেয়। ঘাড় জড়িয়ে ঝুঁকে দাঁড়ায় যাতে ওর নিখুঁত খাঁজকাটা থুতনি, যাকে চিবুক-ই বলা উচিৎ, আমার কাঁধে বিঁধতে থাকে। "এই যে তুই, বুঝলি, শালা অটো চালাস, অট ... ...

NH 31 C থেকে রাস্তাটা ডানদিকে বেঁকে যায়। সরু, ছোট্ট রাস্তা। ধুলো-ওড়ানো। শুকনো হলং নদীর ওপরে একটা কাঠের ব্রীজ আছে। সেই ব্রীজ পেরিয়ে মাদারিহাট ট্যুরিস্ট বাংলো। কাঠের ব্রীজ চোখে এলেই-আর ঐ লাল-নীল পতাকাগুলো,- ঘরে ফেরার শান্তি হয়। অথচ এর আগে একবারই তো এসেছি। মাত্রই একবার। আসলে জঙ্গল। ডুয়ার্স। তবে বাংলোটাকেও বড় ভালো লেগে গেছিল।এবার এসেছি কড়া দুপুরের মধ্যে। প্রথমবার, মনে পড়ে, সকাল তখনও নরম ছিল। এবার পাহাড় থেকে নেমে আসা। কোলাখাম থেকে লাভা এসে একপ্রস্থ দাঁড়িয়ে থাকা। পাহাড়ী ড্রাইভাররা কেউই সমতলে ... ...

মাছ ধরার সাথে আমার সম্পর্ক মোটামুটি ডিকুরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ডিকুরি হল আমার বাড়ির পাশের পুকুর যার অন্য পাড়ে আমাদের যৌথ পরিবারের পুরানো বাড়ি। সেই অর্থে ডিকুরির একদিকে আমার বাল্যকাল আর অন্যদিকে কৈশোর সহ যৌবন। আমাদের নিমো গ্রামের অন্য পুকুর গুলি ছিল - পচাগেরে, বিশ্বেসদের ডোবা, হাজরাদের ডোবা, বামুনগেড়ে, বড় বামনা, ছোট বামনা, লালতেগড়ে, জুঙগিইতে, চেয়ো, ঠাকুরঝি এই সব। গাঁয়ের সীমানায় আছে পূবে গরাঙ্গে, পশ্চিমে বনধারা, উত্তরে ত্রিশূল ও দক্ষিণে পদ্দেরে। বলাই বাহুল্য এই সব পুকুরের নামকরণের ইতিহাস আমরা ক ... ...

উহ্যনাম পণ্ডিত====================আজকাল, ভোরের দিকে শরীরটা শিন শিন করে অল্প ঠাণ্ডায়। কুয়াশা না পড়লেও, বেশ একটা মায়াবী পরিবেশ। গলির ঢোকার মুখটাতে, কালভার্ট নতুন করে তৈরি হয়েছে- হরির দোকান ঘেঁসে। একটা ক্রংকিটের স্ল্যাব জোগাড় করে, তার নীচে ইট দিয়ে, দোকানের সামনে বসার জায়গা তৈরি করেছে হরি। ষ্টোভে সাঁ সাঁ করে জল ফুটছে। এখনও সে রকম চাতাল রা আসে নি। নাগের বাজারের দিক থেকে রিক্সা করে এসে, একজন নামলেন, দোকানের সামনে। সায়েবী পোষাক পরণে, তবে ... ...