
আজ পড়ন্ত বিকেলে গড়িয়াহাট থেকে অটো করে যাদবপুর ফিরছি। বসেছিলাম সামনে, চালকের পাশে। গোলপার্কের কাছে যথারীতি আটকালাম ট্রাফিক সিগনালে। আমার সামনে একটি দামী চার চাকার গাড়ি দাঁড়িয়ে। দেখতে পাচ্ছিলাম সেই গাড়ির পেছনের সিটে দুজন। এক মহিলা এবং একটি দু-তিন বছরের শিশু। অনুমান করা যায় মা আর শিশু। শিশুটি গাড়ির খোলা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে। মা ধরে আছে তাকে। শিশুটি অবাক বিষ্ময়ে তাকিয়ে দেখছে আমাদের প্রিয় শহর। তার ছটফটে দুটো ছোট ছোট হাত খেলে বেড়াচ্ছে খোলা জানালার কাছে। সে যেন প্রাণপনে আঁকড়ে ধরতে চাইছে পড়ন্ত ... ...

কাজ প্রায় শেষ।এর মধ্যে রায়পুর ও কোরবা থেকে সায়েবরা তিন দফায় এসে সরেজমিনে সব বুঝেসুঝে গিয়েছেন। আর দিন সাতেকের মধ্যে পাততাড়ি গোটাতে হবে। আগামী দিনের ডেরা? সম্ভবতঃ বাংগো নদীর পাড়ে সতরেঙ্গা অজগরবাহার প্রোজেক্ট এলাকায়।কাজটা নাকি বেশ বড়। তাই টিম বড় হবে, তবে আমি ও চ্যাটার্জি একসঙ্গেই থাকবো।তার আগে বাড়ি যাবো। কয়দিন হল রোজ রাত্তিরে বেড়াতে যাচ্ছি, চ্যাটার্জির কথামত পায়ে গামবুট, হাতে টর্চ। এ সময় নাকি সাপেদের ঘুম ভাঙে!চ্যাটার্জির হাতে আবার একটা বেঁটে লাঠি, অনেকটা এদেশের গয়লাদের মত।এতোল বেত ... ...

স্বাস্থ্য মানে কেবল চিকিৎসা-পরিষেবা নয়, কিন্তু রোগীর চিকিৎসা করে এমন একজন চিকিৎসক হিসাবে আমি পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসা-পরিষেবা, বিশেষত সরকারী চিকিৎসা পরিষেবাতেই আমার আলোচনা সীমিত রাখব। ২০১১-এ নতুন সরকার গঠনের পর থেকে স্বাস্থ্য দপ্তরের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতে, তাই সরকারী নীতি-নির্ধারণে স্বাস্থ্য যথেষ্ট গুরুত্ব পাবে, এমনটাই আশা করা যায়। •২০১২-র ফেব্রুয়ারী মাসে সরকারী ডাক্তারদের জেনেরিক নামে ওষুধ লিখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে জেনেরিক প্রেসক্রিপশন শুরু করা হয় ... ...

এই তো কিছু দিন আগের কথা। পার্ক-স্ট্রিট ধর্ষণ কাণ্ডের পরের কথা। বিশিষ্ট নাট্যকার এবং এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত সাংসদ অর্পিতা ঘোষের ওই মন্তব্যটা মনে আছে আশা করি সকলের। তিনি সব ধর্ষণকে এক করে না দেখে তার প্রেক্ষিত দেখার কথা বলেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তা নিয়ে অনেক হৈ-চৈ হয়েছিল। ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলাম আমরা। কি ছিল আমাদের বক্তব্য? ধর্ষণ, ধর্ষণই। সে ক্ষেত্রে প্রেক্ষিতের প্রশ্ন আসাটাই নিরর্থক। এবং এই ঘটনার প্রতিবাদ করা যে কোনও মানুষেরই কর্তব্য। এখানে রাজনীতি খোঁজাটাও ঘৃণ্য। রাজনীতির পরিচয় দূরে ... ...

১পরিতোষের ধারণা ছবিটা বাতিঘরের। বাতিঘর আর লাইটহাউজ দুটো শব্দই ওর মনে এসেছিল ছবিটা প্রথম দেখার সময়। আসলে ছবিটা পরিতোষ রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনেছিল। এদেশে আসার পরে, চেয়ার,টেবিল, সোফা, টিভি, খেলনা,বই সাইডওয়াকে ডাঁই করে ফেলে রাখতে দেখত পরিতোষ। কখনও একটা কাগজে খুব বড় করে লেখা থাকত ফ্রী, কখনও এমনিই পড়ে থাকতে দেখত। কাউন্সিলের গাড়ি তুলে নিয়ে যেত। একবার একটা আনকোরা নতুন প্যারাম্বুলেটর আর কট পড়ে থাকতে দেখেছিল পরিতোষ। সেটা ছিল প্রসন্নর বাড়ির গেস্ট পার্কিংএর পাশের ময়লা ফেলার জায়্গা। প্রসন্ন ওর স ... ...

গাজা নিয়ে ক্রমাগত আলোচনায় কয়েকটি জিনিস স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এবং তা ভীতিপ্রদ। প্রতি মুহূর্তে আবিষ্কার করছি মৌলবাদের নতুন নতুন মাত্রা। গত রাতে একটি লেখা লিখেছিলাম। স্পষ্ট বক্তব্য, গাজায় মৃতদের নিয়ে প্রতিবাদ করছি যখন, তখন পৃথিবীর নানান প্রান্তে ঘটে যাওয়া মৌলবাদী সন্ত্রাসবাদীদের হাতে খুনের বিষয়গুলোতেও সোচ্চার হওয়া উচিত। এবং কোনও একটা মঞ্চে আমরা এই সব ধরনের হত্যার বিরোধিতাই করতে পারি। কারণ, ঘটনাগুলো সবই মানবতা-বিরোধী এবং মানবাধিকারের বিরুদ্ধে। তাতে অনেকেই সমর্থন করেছেন এবং অনেকেই তার বিরোধিতা করেছেন। একট ... ...

বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখানোর ফাঁকে একটা অদ্ভুত সুন্দর ছবি দেখিয়েছিলেন ক্যামেরাম্যান। সূর্যাস্তের গলে যাওয়া সোনার মতো মায়াবী রঙ আকাশ বেয়ে নামছে। আর আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখছেন যীশু। এক সময় ক্যামেরার অদ্ভুত সুন্দর অবস্থানের ফলে তৈরি হল আরও একটা অদ্ভুত সুন্দর ফ্রেম। যীশু যেন বাড়িয়ে দেওয়া দু হাত দিয়ে আগলে রাখছেন ওই মায়াবী সূর্যটাকে। পরম আবেগে, পরম মমতায়। বিশ্বকাপ শেষ হলো। শেষ হলো আবেগের উৎসব। বরাবর আর্জেন্টিনা আর নেদারল্যান্ডসের সমর্থক। আকাশী, সাদা আর কমলা রঙে ডুবে থাকা আমার বিশ্বকাপ স্ ... ...

আমাদের গভীরে লুকিয়ে থাকা মৌলবাদ আসলে সব থেকে বেশি প্রকাশিত হয় আবেগের হাত ধরে। অমাদের সচেতন স্বত্ত্বায় পলিটিকাল কারেক্টনেসের দায়ে আমরা নিজেদের প্রতিনিয়ত সভ্য এবং সুশীল বলে বিজ্ঞাপিত করতে ভালোবাসি। আমাদের সচেতন স্বত্ত্বা একদম গলা পর্যন্ত পোশাকে ঢাকা যুক্তিবাদী আমি। কিন্তু আবেগ আমাদের অবচেতনকে অজান্তেই সামনে টেনে আনে। পোশাকের আড়াল সরিয়ে ক্রমশ স্পষ্ট করে তোলে আমাদের নগ্নতা। আর বিশ্বকাপ ফুটবল যেহেতু আবেগের উদযাপন, তাই এই সময়ে যুক্তির বাইরের আমাদের মৌলবাদী নগ্ন স্বত্ত্বাটাও প্রকাশ পায়। আমাদের অসচেতন ... ...

একটা ছবি তৈরি হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে, নাম ' ফান্টুস'। বড়ো কত্তা সুর দিয়েছিলেন এই ছবিটিতে। অনেকের মনে থাকবে " ইয়েহ দর্দভরা অফসানা"। তিনি প্রায় একই সময়ে এই ছবিটি আর 'প্যাসা'র সুরও করছিলেন। 'প্যাসা'তে বড়োকত্তার অনুমতি নিয়ে গুরু দত্ত পঞ্চমকে বলেছিলেন হার্মোনিকায় ব্যাকস্কোর তৈরি করতে। পঞ্চমের তখন ষোলো বছর বয়স। তিনি তো রীতিমতো পুলকিত হয়ে প্রত্যেকদিন নানা সুরের প্যাটার্ন তৈরি করছেন। দিনের শেষে সেগুলো বাবাকেও শোনান। ১৯৫৬তে 'ফান্টুস" মুক্তি পায়। তা বড়োকত্তা পুত্রকে নিয়ে ছবিটি দেখতে গেছেন। তখনই পঞ্চম ... ...

কিছু দিন আগে ‘বেণীমাধব যখন আলিমুদ্দিন: একটি প্যারোডি’ নামে একটি প্যারোডি কবিতা লিখেছিলাম। সেটি নিয়ে কেউ কেউ উচ্ছ্বাস দেখানোয় উৎসাহিত হয়ে (খাঁটি ভাষায় বলতে গেলে বার খেয়ে) ফের আরেকটি প্যারোডি কবিতা। মূল কবিতা সেই আগেরটাই। জয় গোস্বামীর ‘মালতীবালা বালিকা বিদ্যালয়’। এখানে বেণীমাধব হল কিছু বুদ্ধিজীবি। যারা এক সময় বাম অপশাসনের বিরুদ্ধে পরিবর্তন চেয়ে পথে নেমেছিলেন। শাসকের পরিবর্তন এলো। কিন্তু অপশাসনের কোনও পরিবর্তন এলো না। খুন, ধর্ষণ, বিরোধীদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, হুমকি, শাসকদলের বিরোধিতা করলে তাকে হে ... ...

“ইরিব্বাবা, ইরিব্বাবা,” বলেই দাদু লাফ মারেন; তারপরেতেই চুলকে কনুই ফোঁশফোঁশিয়ে হাঁফ ছাড়েন!ওমনি আবার ডাইনে ঘুরে চমকে ওঠেন কাক দেখে,তাইতে কেমন তৃপ্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েন নাক ডেকে!ঘন্টা পাঁচেক ঘুমিয়ে নিয়ে ওঠেন হঠাৎ খাট ছেড়ে,আনিয়ে খাবার গিলতে থাকেন গপ-গপিয়ে, পাত পেড়ে;খাবার খেয়েই ঢেঁকুড় তুলে, বাহান্ন বার কান মলেধর্মতলার রাস্তা ধরে হন-হনিয়ে যান চলে।ওই যেখানে সবাই বসে ধর্ণা দিয়ে গান শোনে,সেই সেখানে গিয়েই দাদু নাক খুঁটে যান আনমনে;ওমনি হঠাৎ সামনে ঝুঁক ... ...

সাম্প্রতিক একটি মেগা হিটের পর টালিগঞ্জের মেগাতারকা গুণধর পাল ছুটি কাটাতে আছেন আত্মগোপনে। সেই হাইড-আউট থেকে বেরিয়ে এসে ফ্লুরিজের ব্রেকফাস্ট টেবিলে এসেছিলেন কেবলমাত্র "বাজে খবর" এর সঙ্গে কথা বলবেন বলে। রইল গুণধর পালের এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ। একমাত্র "বাজে খবর" ... ...

কালো একটা ছায়া পড়ে আছে গোটা উপত্যকা জুড়ে। প্রতি মুহূর্তে বন্দুকের নল ক্রূঢ় দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে আছে মানুষের দিকে। তুমি আতঙ্কবাদী, তুমি ভারতবিরোধী, তুমি ভারতের পক্ষে, তুমি দেশদ্রোহী, তুমি পাকিস্তানের পক্ষে, তুমি পাকিস্তানবিরোধী, তুমি দেশদ্রোহী, তুমি আমার শত্রু। তোমাকে শায়েস্তা রাখতে হবে। ভূস্বর্গের অসামান্য নৈসর্গিক সৌন্দর্য ম্লান হয়ে থাকে ভীতির বাতাবরণে। শুধু প্রহরীদের নয়, তথাকথিত জঙ্গিদেরও কম ভয় পায় না মানুষ।আমার খেরোর খাতার মূল বিষয় থেকে একটু সরে এসে লিখছি এটা। অল্প ক’টা কথা।আমি এ ... ...

যদি,ইলিশ মাছের আমেজ পেতুম কল্মীশাকে,তবে,“জয় মা” ব’লে জাপ্টে নিয়ে রাম বাবাকে,মাংস ছেড়ে পালিয়ে যেতুম হরিদ্বারে,ফলার খেয়ে তৃপ্তি পেতুম গঙ্গা পারে।যদি,শিক-কাবাবের গন্ধ পেতুম কুমড়ো ভাতে,তবে,জৈন হ’য়ে কল্পসুতো বাগিয়ে হাতেদিগম্বরের মূর্তি ধরে ডাইনে বামেআস্থা চ্যানেল ভরিয়ে দিতুম যোগ ব্যায়ামে।যদি,চিংড়ি মাছের মস্তি পেতুম থানকুনিতে,তবে,নিমাই সেজে ঢোল বাজাতুম ডানকুনিতে,চুল কামিয়ে দু’চোখ বুজে “কেষ্ট” ব’লেব ... ...

হাজার হোক, গোবিন্দমাণিক্যের রক্ত ; নির্ভেজাল রাজরক্ত, তা নিয়ে তো কারো সন্দেহ নেই। কী আর করা যাবে ? খুড়ো-ভাইপোর লড়াইয়ে ইঁটকাঠের সিংহাসনটা হয়তো হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু মানুষের হৃদয়ে যে সিংহাসন পাতা তাতে পিতা-পুত্র, দুজনেরই বাঁধা মৌরসিপট্টা। নয়তো পিতার কবে একশো পেরিয়ে গেছে, আর পুত্র আজ পঁচাত্তর। চোখের সামনে তাঁরা আর নেই। কিন্তু ছড়িয়ে আছে তাঁদের সুরসাম্রাজ্যের নিসর্গ পত্তন। তাঁরা আজও রাজপুত্র। -------------------------------সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম। কিন্তু লড়াই করে অর্জন করতে ... ...

ছোটদের জন্যে একটা গল্প লেখার ফরমাশ করলেন এক ভদ্রলোক।ছোটদের জন্যে লিখতে আমার খুব ভাল লাগে, তাই এককথায় রাজীও হয়ে গেলাম। সবে একটা খসড়া করতে বসেছি, ফোন এল, “দাদা শুরু করেছেন?”-“হ্যাঁ, এই তো, বসেছি।”-“ইয়ে, কী নিয়ে লিখবেন ভেবেছেন কিছু?”-“ভাবছিলাম একটু গাছপালা, প্রকৃতির মধ্যে বড় হওয়া, এই সব নিয়ে। এগুলো তো আজকাল...”-“হ্যাঁ সেই ভাল, তবে জন্তু জানোয়ার নিয়ে লিখুন। আমাদের একজন ইলাস্ট্রেটর আছে, খুব ভালো জন্তু জানোয়ার আঁকতে পারেন।”-“ওহ, আচ্ছা, তাই হবে।”মনে মনে বললাম জানোয়ার। ... ...

পরিবারে বিভিন্ন প্রজন্মের ছয়জন সচ্ছল ডাক্তারকে দেখে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলাম...। মেডিকাল কলেজে ঢোকার পর মেডিকাল কলেজ ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস’ অ্যাসোশিয়েসন নতুন স্বপ্ন দেখতে শেখালো...ডা নর্মান বেথুন, ডা দ্বারকানাথ কোটনিসের মতো ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন...। কিন্তু কোথায় যাব? কোথায় স্পেনের জনগণের ফ্রাংকো-বিরোধী আন্দোলন, কোথায় চীনের মুক্তিযুদ্ধ? নিকারাগুয়ায় সান্দিনিস্তা সরকারের এক প্রতিনিধির কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলাম নিকারাগুয়ায় কাজ করার ইচ্ছাপ্রকাশ করে, তার উত্তর এলো না। অবশেষে ডাক্তারী পাস ... ...

( আমার ভাগ্নে,অরণি’র জন্য আজকের পর্ব টা থাকলো)আমার নিজের বিদ্যে বুদ্ধি নিয়ে শুধু আপনাদের নয়,আমারো বিস্তর সন্দেহ আছে।আমার বিদগ্ধ মাস্টার মশাইএরা অবশ্যি এ সত্য আগেই জানতেন।তাই,তারা সারাজীবন ‘গাধা-গোরু’ ইত্যাদি বিশেষণে ভূষিত করে গেছেন।আর ক্যানোই বা করবেন না,পরীক্ষার খাতা পত্তরে আমি যেসব নমুনা লিখে আসতুম,তা থেকে আর কিইবা ভালো ধারণা করা যায়।সেই যে পিতা-পুত্রের বয়সের অঙ্ক ছিল।পুত্রের বয়স বেরোলো পঞ্চাশ আর পিতার বয়স পঁচিশ।স্যার কান পাকড়ে কি করে পুত্রের বয়স পিতার বয়সের ডবল হয় তা জানতে চাইছিলেন। ... ...

অজান্তেই হৃদয়ের গভীরে ফেলে রেখে গেছো তোমায়।এত দিন এক সাথে আছি, তাই হয়তো আজকালতুমিও আমার বাধ্য হয়ে গেছো খুব।এখন তোমায় নিজের মতো করে দেখতে পারি,আঙুলে ছুঁয়ে ছুঁয়ে তোমায় ভালোবাসতে পারি।তুমি এখন আমার হৃদয়ের গভীরে ঝোলার মধ্যে থাকা পোষা বেড়াল।আজকাল সম্পূর্ণ দিনের শেষে যখন একা একা হই,যখন আমার স্নায়ুগুলো নিয়ম মেনে মেনে একদম ক্লান্ত,তখন আমি তোমায় ঝোলা থেকে বার করি।পরম আদরে হাতের ঠিক তালুতে এনে রাখি।তোমার সাথে খুনসুটি করি।আঙুল দিয়ে ছুঁয়ে দেখি, না ... ...

অটোঃ এই তুই সামলে যা।টোটোঃ তুমি মুখ সামলে কথা বল।অটোঃ কেন রে? আমি তোকে ভালভাবেই তো বোঝালাম!টোটোঃ আমি তোমাকে ‘তুমি’ বলছি আর তুমি আমাকে তুইতোকারি করছ।অটোঃ দেখ এ লাইনে তুই জুনিয়র আছিস, তাই ওটা কোনও ম্যাটার না।টোটোঃ না ম্যাটার করে আমার কাছে। তুমি যা কাজ কর আমিও একই কাজ করি। তাহলে এই ভেদাভেদ কেন? কেন আমাকে হ্যারাস করছ?অটোঃ এই আমি তোকে হ্যারাস করতে যাব কেন?টোটোঃ তাহলে এই যে জনস্বার্থ মামলা করা? এটা কি?অটোঃ সে আমি করিনি, যে করেছে সে অটো চালায়ও না। তাকে গিয়ে বলগে ... ...