
একটি গল্প, যা লিখেছিলাম প্রায় আট বছর আগে এবং প্রকাশিতও হয়ে গেছে চিন্তা পত্রিকা্য় বেশ কিছু বছর আগে, আমার ব্লগে রাখলাম গুরুর পাঠকদের জন্য। ... ...

এই জগতের সবার ঊর্ধ্বে কোন চেতনা কখন এবং কেন ঈশ্বর হয়ে ওঠেন - তারই রহস্য উন্মোচনের সূচনা এই পর্বে। ... ...

আমাদের দেশে প্রকৃত বিজ্ঞানচেতনার ঘাটতি এবং তাকে পুষ্টি জোগানোর রাষ্ট্রীয় প্রয়াস ... ...

তুমি না জানলেও, তোমাদের ছাদ জানে সেই রাতে কাকলিও একটি রবীন্দ্রসংগীত গেয়েছিল ... ...

এই লেখাটি ইরানের চলমান গণবিক্ষোভকে একটি বহুমাত্রিক ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সংকট হিসেবে তুলে ধরে, যেখানে মেহনাজের মতো তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভ ও অস্তিত্বের লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নির্বাসিত রাজপুত্র রেজা পাহলভীর ভূমিকা, রাজতন্ত্রের স্মৃতি, এবং আমেরিকা–ইজরায়েলের মতো বিদেশি শক্তির কৌশলগত স্বার্থ। একদিকে প্রতিক্রিয়াশীল, ধর্মীয় মোল্লাতন্ত্রের দমন-পীড়ন; অন্যদিকে সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপের আশঙ্কা—এই দ্বন্দ্বের মাঝখানে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন ওঠে আন্দোলনের শুদ্ধতা, সময় ও পরিণতি নিয়ে। ইতিহাস দেখিয়েছে, গণআন্দোলনের ফলাফল প্রায়শই আন্দোলনকারীদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না; তবু ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও মানুষ বর্তমানের অসহনীয় বাস্তব বদলাতেই রাস্তায় নামে। ইরানেও তাই সংগঠিত বিরোধী শক্তির অভাব, দেশি-বিদেশি নানা প্রভাব এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক শূন্যতার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তরুণরা পথে নেমেছে—কারণ না নামার আর কোনো উপায় তাদের সামনে নেই, এবং ইতিহাস বারবার শিখিয়েছে, এই প্রয়োজনবোধই গণআন্দোলনের আসল চালিকাশক্তি। ... ...

১০ তারিখ ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। মুক্তিযুদ্ধের পরে বঙ্গবন্ধুর এই দেশে ফেরার তাৎপর্য নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে। কোন লেখায় বা কোনভাবেই এর তাৎপর্য কমে নাই। পাকিস্তান থেকে ইংল্যান্ড, ইংল্যান্ড থেকে ভারত হয়ে দেশে ফেরা। প্রতিটা পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কথা ভাষণ লিপিবন্ধ হয়েছে। প্রতিটা জায়গায় জনসমুদ্র দেখা গেছে। সারা দুনিয়ার মানুষ তখন তাকিয়ে থেকেছে এই একটা লোকের দিকে। এমন একটা দিন নীরবে পার হয়ে গেল দেশে! এতদিন পরে এই আলাপ করার কোন মানে নাই বা এমন কিছু আশা করার কোন অর্থ নাই জানি। তবুও করলাম। কারণ খুব শক্ত করে প্রশ্ন করলে ইউনুস সরকার, এনসিপির নেতারা বলে তারা বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাসের যোগ্য জায়গা দিবে। যতখানি পাওনা ততখানি দিবে। এইটা বলে কিন্তু আজ পর্যন্ত ওরা কেউই এমন কোন কিছু করে নাই যে মনে হয় তারা যথাযথ জায়গায় সম্মান দিবে! বরঞ্চ আমরা দেখছি প্রধান উপদেষ্টা ১৫ আগস্টের মিথ্যা জন্মদিনে খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অথচ তার একবারের জন্যও মনে হয় নাই স্বাধীনতার স্থাপতির এমন মৃত্যুদিনে তাদের কিছু বলার আছে বা করার আছে! সত্য হচ্ছে এগুলা হয়ও নাই হবেও না এদের দ্বারা। তাই বঙ্গবন্ধুর হলের নাম পরিবর্তন করে হাদির নামে দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট এই দাবি করেছে! দারুণ! ... ...



নীতির বিরুদ্ধে নীতিগত লড়াইটা জরুরি হতে পারে, কিন্তু নীতিহীনতার বিরুদ্ধে নীতিহীন হলে, আমাদের বিবেকের দংশন হলেও, অনৈতিক হয়তো হয় না। ... ...


আন্তর্জাতিক আইন ভেঙ্গে স্বাধীন একটা রাষ্ট্রের ইন্টারনাল এফেয়ার্সে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে ভেনিজুয়েলার সরকার ফেলে দেওয়ার প্রতিবাদকারীদের এরকম আচরণ দেখে শেখ হাসিনা ও নিকোলাস মাদুরোর ২০১৩ থেকে ২০২৪/২৫ সময়ের শাসনের একটা তুলনামূলক চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখলাম মাদুরো শেখ হাসিনার চেয়ে বেশি কর্তৃত্ববাদী শাসক ছিলেন। শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে গণতান্ত্রিক উপায়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে পরের কয়েকটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে ২০২৪ সালে এসে পতন হয়। অন্যদিকে ভেনিজুয়েলার বিখ্যাত নেতা ও প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজে ২০১৩ সালে মারা যাওয়ার পর তার ভাইস প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারিতে আমেরিকান সরকারের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন। দুই ক্ষেত্রেই আমেরিকার হাত থাকলেও বাংলাদেশের মানুষ আমেরিকার বিরুদ্ধে টু শব্দটি না করলেও, ভেনিজুয়েলার মানুষ কারাকাসসহ সকল শহরে এবং আমেরিকার প্রায় প্রতিটা শহর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমেরিকার এরকম সরাসরি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। শেখ হাসিনা যেমন ২০১৪ সালের নির্বাচনে একতরফাভাবে জিতে সরকার গঠন করেছিলেন, মাদুরোই তাই। তবে বাংলাদেশে বিএনপি-জামাত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির দাবীতে নির্বাচন বয়কট করে যেখানে শেখ হাসিনার দায় আছে, কিন্তু মাদুরোর মতো না ... ...



সাতসকালের খবর এবং স্মৃতিপথে হাঁটাহাঁটি শীর্ষক নিবন্ধটির দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আজ হাজির হলাম। সরকারি স্কুলে সংবাদপত্র পাঠ আবশ্যিক করার বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের সিদ্ধান্তের সূত্র ধরেই এই আলোচনা। আজ জানুয়ারি মাসের ৪ তারিখ। আজ আমাদের হেডমাস্টার মশাইয়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই লেখাটির রচনা। খবরের ক্লাসের মাহাত্ম্য আমাদের ছাত্রজীবনে কতটা গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল এই রচনা থেকে তার একটা আভাস পাওয়া যাবে। নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাই সকলকে। লেখাটি পড়ে ছড়িয়ে দেবার অনুরোধ করছি সকলের কাছে। মতামত লিখুন মনখুলে। ... ...

এনসিপি যে জামায়াতের তৈরি একটা তরুণদের দল যা আমরা এনসিপির যাত্রা শুরুর সময় থেকেই বলে আসছি। জামায়াতের এটা তিন নম্বর দল। জামায়াতের দ্বিতীয় দল হলো এবি পার্টি। এরা যে সব একসময় একীভূত হবে সেটাও বলেছি। এটা অনুমান ছিল না। তাদের কার্যক্রম অবজার্ভ করেই বলেছি। আমেরিকার চাহিদামতে জামায়াতের এ, বি, ও সি টিম, চরমোনাই, খেলাফত (হেফাজত)সহ সব ইসলামী দল মিলে একটা এলায়ান্স হয়ে নির্বাচন করবে এটাও বলেছি। গরিবের কথা শোনার মানসিকতা আপনাদের নাই থাকতে পারে। চোখ কান খোলা রাখলে এটা বোঝার ক্ষমতা আপনাদেরও থাকতো। এখন এসে অবাক হওয়ার কিছু থাকতো না। ... ...

একবার ভেবে দেখবেন, আরএসএস যেভাবে তাদের উগ্র হিন্দুত্ববাদের প্রধান শত্রু হিসেবে গান্ধীজিকে দাঁড় করিয়েছিল এবং শেষাবধি গান্ধী হত্যায় হাত রাঙিয়েছিল, আজও গর্বের সাথে সেই দায় স্বীকার করে। ঠিক একই ভাবে সৈয়দ শাহেদুল্লাহর লেখায় লেনিনবাদির চোখে গান্ধীবাদ, ইএমএস নাম্বুদিরিপাদ এর লেখা, এস এ ডাঙ্গের লেখায় গান্ধীবাদের ভাবমূর্তি প্রবলভাবে সমালোচিত। গান্ধীজিকে নিয়ে কত নোংরা বাগধারা, ব্যঙ্গ বিদ্রুপ, ঠাট্টা তামাশা, ছোট থেকে শুনে আসছি বামপন্থীদের কাছে। গান্ধীজীর রামধুন সঙ্গীতকে প্যারোডি করে গাইতে শুনেছি গণনাট্য সংঘ শিল্পীদের গলায়। এই সাদৃশ্য কি নিছক কাকতালীয়? ... ...

এই দ্বিতীয় বইটি কিনলাম ও ইতোমধ্যেই বার দেড়েক পড়া হয়ে গেল। সুদীপ এখানে তাঁর সঙ্গিনীকে নিয়ে ব্যাকপ্যাকার হয়ে ইউরোপের বেশ খানিকটা ঘুরেছেন। প্রচলিত ট্যুরিস্ট স্পট, সেলফি পয়েন্ট এড়িয়ে গেছেন। যেসব শহরে গেছেন সেখানকার ডেইলি পাস নিয়ে গণপরিবহনে চেপে ঘোরা আর হাঁটা, হাঁটা যতদূর পারা যায় হেঁটেই মেরে দেওয়া। ওয়াকিং ট্যুর হয় ইউরোপের অধিকাংশ শহরে, সেগুলো নিয়েছেন। ... ...


এই লেখাটি ২০২৫ এ, শব্দ পত্রিকার শারদীয় উৎসব সংখ্যার জন্য লিখেছিলাম। গুরুতে আমার পাঠকদের জন্য আমার ব্লগে রাখলাম। ... ...
