
আধুনিক পদার্থবিদরা পদার্থের পারমাণবিক ধর্মে এখনো কিছুটা বিশ্বাস করলেও, ‘ফাঁকা’ স্পেস-এ বিশ্বাস করেন না। যেখানে পদার্থ নেই, সেখানেও ‘কিছু’ আছে, বিশেষ করে আলোকতরঙ্গ। পার্মেনিদিসের যুক্তিজাল থেকে দর্শনে পদার্থ যে উচ্চ-মর্যাদা পেয়েছিল, তা আর নেই। ‘বস্তু’ আর অপরিবর্তনীয় নয়, নেহাতই 'ঘটনা'র বিশেষ গুচ্ছ। কিছু ঘটনা পড়ে পদার্থের গুচ্ছে, কিছু—যেমন আলোক-তরঙ্গ—সে দলে পড়ে না। জগত তৈরি হয় এইসব ‘ঘটনা’ দিয়েই, যার প্রতিটি ঘটে অতি অল্প সময়ের জন্যে। এইদিক থেকে দেখলে, বর্তমান পদার্থবিদ্যা হেরাক্লিতোসের পক্ষে যতটা, ততটাই পার্মেনিদিস-বিরোধী। অথচ, আইনস্টাইন ও কোয়ান্টাম তত্ত্বের আগে অবধি ফিজ়িক্স কিন্তু পার্মেনিদিস-এর পক্ষেই ছিল। ... ...

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির আশি বছর পরেও আমাদের আগ্রহের বিষয় দুটি। প্রথমত নেতাজী সুভাষচন্দ্রের মৃত্যুরহস্য এবং দ্বিতীয়ত নেতাজীকে নিয়ে কম্যুনিস্ট পার্টির তৎকালীন অবস্থান। নেহেরু বলেছিলেন মার্কসবাদ আর ফ্যাসিবাদের মাঝখানে কোনো জায়গা থাকতে পারে না। সুভাষ কিন্তু ঠিক সেটিতেই বিশ্বাস করতে আরম্ভ করলেন। নেতাজীর নাৎসীদের প্রতি অবস্থান ছিল রাজনৈতিক ভাবে এক হিমালয়প্রতিম ভুল। পরে জাপ সাম্রাজ্যবাদ অক্ষশক্তির সঙ্গে যোগ দেওয়ায় এবং তাদের সাহায্য গ্রহণে সুভাষচন্দ্র বাধ্য হওয়ায় এই ভুল তার পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়। ... ...

ভারতে বাংলাদেশী সন্দেহে ভারতীদেরই ধরে ধরে মারা হচ্ছে। সত্যিকারের বাংলাদেশীদের পাইলে কিছুই করবে না? আমার পরিচিত একজন চিকিৎসা নিতে চেন্নাই গিয়েছিল। প্ল্যান ছিল ফেরার সময় কলকাতা হয়ে ফিরবে, শপিং করে টরে ফিরবে। রীতিমত দৌড়ানই খেয়ে জান হাতে নিয়ে চলে আসছে তারা! সেখান থেকেই বিমানে চলে আসছে দেশে। আমার বোন ভগ্নীপতি চিকিৎসার জন্য যাওয়ার সমস্ত পরিকল্পনা করেছিল, তাদের এই কাহিনী শুনে তারা এখন পিছাচ্ছে। হয়ত অন্য কোথাও যাবে। তো, এইটা একটা বাস্তব সমস্যা। এর সমাধান কী দেওয়া হয়েছে? আইসিসি তো শুধু খেলোয়াড় আর অফিসিয়ালদের দায়িত্ব নিত, সাংবাদিক, সমর্থকেরা নিরাপদ থাকত? এই বিষয়টা কি ভেবে দেখা হয়েছে? এর জবাব কী দিয়েছে তারা? এখন সাংবাদিকদেরও প্রবেশ অধিকার দিচ্ছে না আইসিসি! এইটা কেমন? যাই হোক, আমার মনে হয় ঠিকঠাক পদক্ষেপ নিলে এগুলারও নিশ্চয়ই সমাধান বের করা যেত। ... ...

শমিতা মিস্ এর ডায়রিতে এক অন্ধকার অন্দরমহলের কথা শুনিয়েছেন ভুক্তভোগী এক শিক্ষিকা। টাইমস্ নাউ পত্রিকার পাতায় নিবন্ধটি পড়ার সময় থেকেই এটা নিয়ে একটা লেখা তৈরি করার কথা ভেবেছিলাম। প্রথম পর্বের পর আজ আবার হাজির হলাম দ্বিতীয় পর্বটি নিয়ে। পড়ুন ও মতামত দিন। ... ...


বরং সেই গাঢ় বাদামী গভীরে চাঁদের ছায়া নিভে গিয়ে ঘেমে ওঠা পিঠে রবিবারের সকাল এসে গেছে বলে ফিসফাস করে আরো একটু বেলা বাড়লে সাদা চাদর সরিয়ে ময়ূরের পালক গুলি গুটিগুটি পায়ে লাল স্ট্রবেরীর দিকে এগিয়ে যাবে - ... ...


এই লেখাটি প্রাইভেট স্কুলের অন্দরমহলের কথা। শুনিয়েছেন এক কর্পোরেট স্কুল চেইনের শাখা স্কুলে কর্মরতা এক দিদিমণি। সকলকে বাসন্তী পঞ্চমীর শুভকামনা। পড়ে মতামত দিন হাতখুলে। ... ...

আমাকে এখন বলা হচ্ছে আমার এই অনুভূতির কোন দাম নাই। আপনি এগুলা ভুলে গিয়ে নতুন করে সব শিখুন! অথচ মানুষ চাইলেও নিজের জাতিসত্তাকে বদলে দিতে পারে না। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন "আমরা হিন্দু-মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য যে আমরা বাঙালি। এটি কোনো আদর্শের কথা নয়, এটি একটি বাস্তব কথা। মা-প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারা ও ভাষায় বাঙালির এমন ছাপ মেরে দিয়েছেন যে মালা-তিলক-টিকিতে এবং টুপি-লুঙ্গিতে দাড়িতে ঢাকবার জো-টি নেই।" এই পরিচয় মুছে ফেলতে হবে এখন? পাকিস্তানীরা বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে ধর্মকে টেনে এনেছিল। কাজ হয় নাই। যে মোস্তাক মীরজাফরের মত ঘৃণিত সেই মোস্তাকও তার সেই স্বল্প রাষ্ট্র পরিচালনার সময় সংবিধানের চার মূল স্তম্ভে হাত দেওয়ার সাহস পায় নাই। এখন অবলীলায় ছুঁড়ে ফেলতে হবে সব কিছু? আপনরা যারা অবলীলায় ছুঁড়ে ফেলে দিতে চাচ্ছেন, স্বাগত জানাচ্ছেন সরকারের সিদ্ধান্তকে তারা আমিন বলতে পারেন, আমি বরং অপেক্ষা করি, দেখি আপনাদেরকে। ... ...

টম লেহ্রার বলে গেছেন, প্রেডিক্ট দি ওয়ার্স্ট এন্ড আবালজনতা উইল কল ইউ আ প্রফেট। এদিকে আমি মোটেও প্রফেট হতে চাই না, কিন্তু কড়া কড়া ভবিষ্যদ্বাণী করার ইচ্ছে ষোলআনা। তাই ছাব্বিশে কী কী হবে তার একটা আপাত মামুলি কিন্তু আসলে প্রোফাউন্ড লিস্ট। আপনার নিজস্ব ভবিষ্যদবাণীও নিচে যোগ করুন। ... ...

নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের আওতায় লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নামে দেদার ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অপচেষ্টার কাহিনি ... ...

আমাদের সময় স্মার্টফোনে পোকেমন ছিল না, থাকত এমনই কিছু বিচ্ছু বন্ধুবান্ধব...আর আনন্দ ... ...

আমাদের যে গড় বুদ্ধিমত্তার থেকে বুদ্ধি কম এইটা অনেক আগেই আমার সন্দেহ হয়েছিল। কত আগে? এইটা বলা মুশকিল আসলে। এখন মনে পড়ছে যখন পদ্মা সেতুর কাজ চলছিল তখনকার কথা। তখন অনেকের মাথার খুলি নিয়ে সন্দেহ করল। বলল এগুলা ভুয়া কথা। অথচ এইটা তো সাইন্স যে মাথার খুলিতে ম্যাগনেট থাকে, তা ব্রিজের খুঁটি দিতে লাগে, খুঁটির নিচে খুলি দিলে তা মজবুদ হয় বেশি। এইটা তো মিথ্যা না রে ভাই। এইটা অনেকেই না জেনে নানা মন্তব্য করতে থাকল! আমি আশ্চর্য হয়ে গেছিলাম সেইদিন। মানুষের এত বুদ্ধি কম? কীভাবে দেশ আগাবে? আরে এই দেশে অনেক শিক্ষিত মানুষ বিবর্তনে বিশ্বাস করে, বুঝচ্ছেন অবস্থা? কই নামছে আমাদের বুদ্ধিমত্তা? ... ...

আও নাং নাইট মার্কেটে যদি না, তাহলে সেখানে কুমীরের মাংস কি আর একবার ট্রাই করবেন না! এতদিন যে কুমিরকে আমরা চিড়িয়াখানায় বা সুন্দরবনের খাঁড়িতে দেখে সমীহ করেছি, তাকেই এখন লঙ্কা-মশলা মাখিয়ে কাঠকয়লার ওপর দিব্যি সেঁকা হতে দেখা যাচ্ছে! অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, তবে কি ক্রাবির সমুদ্র থেকে কুমির ধরে এনে খাওয়ানো হচ্ছে? ... ...



আলো আমাকে আর আনন্দে উদ্ভাসিত করতে পারে না। আলো আমার এই নির্মম পরিণতির উন্মোচন করে। আমি আলো চাই না, অন্ধকারের মধ্যে আমাকে আত্মগোপন করতে দে। ... ...


অমিতাভ ঘোষের সাম্প্রতিক উপন্যাস Ghost - Eye এই বিপর্যয়ের মোকাবিলা করার, প্রাকৃতিক সম্পদের কর্পোরেট লুঠ হবার প্রতিরোধের পথ খুঁজতে চেয়েছে। Gun Islandএর দীনু, টিপু, মনসাদেবী ও সেই সম্পর্কিত মিথ এই বইয়েও মুখ্য চরিত্র। পিয়াও আছে, কথাপ্রসঙ্গে এসেছে চিন্তার কথাও। সুন্দরবন, নিউইয়র্ক আর কলকাতাকে কেন্দ্র করে আখ্যান গড়ে ওঠে। অতীতের সাথে ভবিষ্যতের যোগসুত্র গড়ে দেয় স্মৃতি। ... ...

পৃথিবী ক্রমশই অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে। বাড়ছে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা। স্বাভাবিকতার অনেক ওপরেই তার অবস্থান। অবস্থাটা যে মোটেই স্বস্তিদায়ক নয় তা ভূক্ত ভোগীদের অজানা নয়।এই মুহূর্তে একদিকে যেমন ঠাণ্ডায় প্রকম্পিত আমরা তেমনই অন্যদিকে, পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে চলছে তাপদাহের প্রকোপ। ঠাণ্ডা বা গরম - কোনো কিছুর বাড়তি আয়োজন আমাদের পক্ষে সহনীয় নয়। ২০২৫ সাল ছিল সাম্প্রতিক সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে উষ্ণতম বছর।এর প্রভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে রুটি রুজির প্রয়োজনে পথেঘাটে থাকতে বাধ্য হওয়া বিপুলসংখ্যক মানুষ আজ সংকটাপন্ন। এই নিবন্ধ তাঁদের সমস্যা নিয়েই। পড়ুন,পড়ান মতামত দিন। ... ...