
ভোরবেলা ঘরের দরজা খুলতেই প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ! পা যেন পিছলে গেল হলুদ পেছল আধা-তরলের ওপর ! কি ভয়ংকর ! এ তো মানুষের মল।!আমার খুব ছোটবেলার ঘটনা। মনে আছে পাশের বাড়ির কাকিমার চিলচিৎকারে মা ছুটে গিয়েছিলেন টিউকলের পাশে জিগা গাছের নীচ দিয়ে।সবে তখন সূর্য উঠছে। সেই অল্প আলোতেই সদ্য ঘুম ভাঙা ছোট্ট আমি মায়ের পেছন পেছন না গিয়ে বোকার মতো উঠোনে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম দূরে ধূসর আকাশের গায়ে মহাকাল পর্বতের আবছা নীল রেখা।ব্যাপারটা হয়েছিল কি, তখন ওদিকে প্রায় বাড়িতে খাটা পায়খানা। বাড়ির চৌহদ্দি যেখা ... ...

[ এবছর ২৬ জুলাই ২০১৬ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যুর একশ পঁচিশ তম বছর সূচিত হচ্ছে। উনিশ শতকের ভারতের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রকে আমরা আজ ভুলে গেলেও তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনাকে যতটুকু স্মরণ করব সেই অনুপাতে সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্য করতে ইচ্ছে হবে। সেই তাগিদ থেকেই এই রচনার জন্ম। ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্রমে আমরা চেষ্টা করেছি স্মরণ করার ছলে এই মহৎ মানুষটিকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের কিছু ভাগ অন্তত ফিরিয়ে দিতে। এবারে সূত্রোল্লেখ সহ পঞ্চম বা শেষ পর্ব।]।। ৮। । ... ...

চলে গেলেন মহাশ্বেতা দেবী। নব্বই বছর বয়েসে বাংলা সাহিত্যের এই প্রবাদপ্রতিম লেখিকার জীবনাবসান হল। শুধু সাহিত্যিক হিসেবেই নয়, নিম্নবর্গের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করা এক অবিস্মরণীয় সমাজকর্মী এবং প্রতিবাদী রাজনৈতিক চরিত্র হিসেবেও উত্তরকাল তাঁকে মনে রাখবে।মহাশ্বেতা দেবীর জন্ম হয়েছিল ১৪ জানুয়ারী, ১৯২৬ এ। বাড়িতে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশ। বাবা মণীশ ঘটক ছিলেন সেকালের প্রখ্যাত সাহিত্যিক, যিনি লিখতেন যুবনাশ্ব ছদ্মনামে আর আলোড়ন ফেলেছিলেন ‘পটলডাঙার পাঁচালি’ নামক কালজয়ী রচনার মধ্যে দিয়ে। সম্পাদনা করতেন বর্ত ... ...

আজকে অনেক, অনেকদিন পড়ে হঠাৎ করেই তোকে স্বপ্নে দেখলাম - কেন, কে জানে! তোকে কি মিস করছিলাম? কি জানি, আলাদা করে বুঝতে পারিনি তো একবারও। তুই আছিস, থাকবি, এরকমই তো হওয়ার কথা… আলাদা করে কবে, কখন, কেন, এসব কিছু ভাবতে বসিনি তো কখনই! কিন্তু আজকে যেরকম আচমকা হানা দিলি পুরো স্বপ্নটা জুড়ে… কি প্ল্যান বলত, তোর?কি দেখলাম, জানিস? দেখলাম… না না দাঁড়া, প্রথমে শুনলাম, ফোনে, যে তোর নাকি অসুখ করেছে। খুব সিরিয়াস, হসপিটালে ভর্তি। বোধ হয় মৌমিতা বলল। আর তারপর আমি গেলাম তোকে দেখতে - যেন পাশেই থাকি, এপাড়া থেকে ... ...

ডন কিহোটে, অথবা ছায়াবাজিসরিৎ চট্টোপাধ্যায় (ছোটগল্প)শিয়ালদা স্টেশন। বছর পনেরোর সেই ছেলেটা একরকম প্রায় টলতে টলতেই কারশেডে দাঁড়ানো লালগোলা প্যাসেঞ্জারের খালি কামরাটায় উঠে মেঝেতেই শুয়ে পড়ল। রেলপুলিশের হাতে যাত্রীরা ওকে তুলে দেওয়ার সময় দেখা গেল ওর শরীরের প্রায় অর্ধেক আগুনে পুড়ে ঝলসে গেছে। রাত বারোটার কিছু পরে এনআরএসের বার্ন ওয়ার্ডে সার্জারীর পিজি সমীর মাইতি যখন ওকে দেখে, তখনও ও অজ্ঞান। মেডিকো-লিগাল কেস। প্রায় পঁয়তাল্লিশ পারসেন্ট বার্ন। তবে সেকেন্ড ডিগ্রী; ইনফেক্ ... ...

সন্ধ্যে নামবে নামবে করছে, বর্ষার এই সময় টা আকাশ দেখার জন্য আদর্শ | দিনের শেষ আলোর রঙিন ফলা এফোঁড় ওফোঁড় করে দিয়েছে আকাশকে, সেই রক্ত লাল চুইঁয়ে পড়েছে নদীর জলে, আনমনে ভেসে থাকা নৌকা গুলোর গায়ে | নদীর ধারটা অদ্ভূত | শহরের মাঝে, তবুও একদম ই শহর নয় | সামনের কাদা জমিতে ঘাসের মাথা নাড়া, স্রোতের অপেক্ষায় এ শহরে আটকে থাকা পানা ঝোপ | দূরে ওপাশে তিন রকম ভাষায় নাম চমকাচ্ছে হাওড়া, ব্রিজের ওপরে হালকা বেগুনী আলো জ্বলবে জ্বলবে প্রায় | উত্তর প্রদেশীয় অভিবাসী দের ভিড় প্রচুর এখানে | শিব মন্দিরের ধাপে নিশ্চিন্ত ... ...

[এবছর ২৬ জুলাই ২০১৬ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যুর একশ পঁচিশ তম বছর সূচিত হচ্ছে। উনিশ শতকের ভারতের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রকে আমরা আজ ভুলে গেলেও তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনাকে যতটুকু স্মরণ করব সেই অনুপাতে সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্য করতে ইচ্ছে হবে। সেই তাগিদ থেকেই এই রচনার জন্ম। ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্রমে আমরা চেষ্টা করছি স্মরণ করার ফাঁকে ফাঁকে এই মহৎ মানুষটিকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের কিছু ভাগ অন্তত ফিরিয়ে দিতে। এবারে চতুর্থ পর্ব। সূত্রোল্লেখ পঞ্চম বা শেষ পর্বে থাকবে।]। । ৬। । উপরোক্ত গ্রন্থ কয়টির ... ...

শুভাশিষ দেব তার বাবার মৃত্যুর প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর পর এক বিকেলে পিতার মৃত্যুশয্যায় বলে যাওয়া কথাটির অর্থ বুঝতে পারলেন। তিনি চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে একটি হাসির গল্পের বই পড়ছিলেন এবং এই বই পড়তে পড়তেই হঠাৎ তার কেন যেন পিতার বলে যাওয়া শেষ কথাটি মনে পড়ল। আর সাথে সাথেই প্রায় বিদ্যুৎ চমকের মত তার মনে চমকে উঠল এই কথাটির মর্মার্থ। আশ্চর্য! তিনি এতদিন কথাটি এভাবে ভেবে দেখেন নি। শুভাশিষ দেবের শরীর ঘামতে শুরু করল। অসহ্য ভয় এবং অতি তীক্ষ্ণ বেদনা একরাশ পাশবিক হৃদয় নিংড়ানো ঘৃণার মোড়কে আবদ্ধ হয়ে শুভাশিষ দেবের উপর ... ...

“আপনাকে বলছি স্যার” – ফিরে দেখা (২)হালিসহর সভাসেই সভায় আলোচনার বিবরণ। প্রায় সম্পাদনা না করে। এটা দ্বিতীয় অংশ। আরো আসবে।ওখানে বলা হয়নি এরকম কয়েকটা কথা এখানে যোগ করেছি।তীর্থঙ্করঃ তবুও বোধ হয় একটা রাস্তা আছে। নেই কি?সুমিতাঃ না, সবথেকে বড় কথা হচ্ছে এই সরকারই তাদের সিলেবাসে বড় বড় কথা ......।।সলিলঃ এই … এই সবাই প্রশ্ন করবেন আমি উত্তর দেব এটা কিন্তু হবে না। সুমিতাঃ না, এই বইটা পড়ে আমার খুব মনে হয়েছিল, এর বাংলা অনুবাদটা পড়ে দেখেছি আমরা, সহজ ভাষায় লেখা। ... ...

নাসা যখন ঠিক করলো স্পেস শিপ থেকে চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রাখবেন নিল আর্মস্ট্রং, তখন এডউইন অলড্রিনের খুব হিংসে হয়েছিল। তাঁর 'নো ড্রিম ইজ টু হাই' বইয়ে অলড্রিন লিখেছেন এর বদলা নিয়েছিলেন চাঁদে পৌঁছে স্পেস স্যুটের মধ্যেই প্রথম পেচ্ছাব করে। চাঁদে প্রথম পা হয়ত রেখেছিলেন নিল আর্মস্ট্রংই, কিন্তু চাঁদে প্রথম পেচ্ছাবটা করেছিলেন এডউইন অলড্রিন।রেলগেটে অপেক্ষারত দু’দিকের আমজনতা যেন যুদ্ধ উদ্যত দু-দেশের বিশাল সৈন্যবাহিনী। ট্রেনের ৩৭টা বগির ৩৩টা পেরিয়ে গেলেই সবাই গাড়ি স্টার্ট দিয়ে রেডি। রেলগেট কিঞ্চিৎ উঠলেই ... ...

“আপনাকে বলছি স্যার” – ফিরে দেখাহালিসহর সভাসেই সভায় আলোচনার বিবরণ। প্রায় সম্পাদনা না করে। এটা প্রথম অংশ। আরো আসবে। আমরা অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম এই নিয়ে। “আপনাকে বলছি স্যার” বইটা তো বহুকাল আগেই বেরিয়েছে, অনেক মানুষ পড়েওছেন বইটা, কিন্তু বইটা সম্পর্কে কতগুলো ভুল ধারনাও তৈরি হয়ে আছে, আর কতগুলো জিনিস পরিস্কার করারও দরকার আছে বলে আমার মনে হয়েছে বারবার। সেই আলোচনাটা কলকাতায় করার কথা ভাবা হয়েছিল, তার আগেই এখানে হল। আমার আশা, এই আলোচনাটা হয়ত কলকাতাতে আমরা আরেকবার করব। সেখানে অন ... ...

দ থার্ড লসরিৎ চট্টোপাধ্যায় / অণুগল্পত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর বেড়ালটা বো-টাই আর চশমা পরে ছড়ি নাচিয়ে চোখ পাকিয়ে বলছিল, এভরি অ্যাকশন, না হে, জুতা নহে, হ্যাস অ্যান ইকুয়াল অ্যান্ড - ! - কাট্! - ওয়াই?- তুমি শালা ক্যাট! তুমি লেকচার দেওয়ার কে হে? - আ ক্যাট?ধড়মড় করে উঠে জগা পাগলা তার কালো ছোপছোপ দাঁত বার করে হঠাৎ চেঁচাতে শুরু করে, কাট, ভাইঙা ফেল! সব শালা বেওয়ারিস মাল! দেখছস না সব জং ধরসে! ভাঙ শালা! কয়েকজন পথচারী হাসে, বাকিরা বন্ধ হয়ে যাওয়া জুট ... ...

রাতপরীদের অভিশাপআজকে আবার হাতছানি দেয় হাসনুহানা,আজ, রক্তে আবার খুনের নেশা নিঝুম রাতে। দেবযাণী তার ঘৃণার আতর মাখছে মাখুক, ভরছে ভরুক বিষের থলি আপন হাতে। জ্বলছে ধু ধু অভিমন্যুর চিতার আগুন,পার্থ কাঁদুক! তুমিও কাঁদো যাজ্ঞসেনী! কাঁদবে অনেক বীর্যশুল্কা অম্বা'র মত,জাত্যভিমানে বধ্য নারীর কান্না যত।ধর্মযুদ্ধে একেলাই হাঁটি, একলাটি মন,ফণীর বিষেতে আজকে আমার কী যায় আসে?ধর্ম! আর কি মুক্তি দেবে না, হাসনুহানা? তবে মরুক! নিভবে জাতির চিতাও, ... ...

[ এবছর ২৬ জুলাই ২০১৬ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যুর একশ পঁচিশ তম বছর সূচিত হচ্ছে। উনিশ শতকের ভারতের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রকে আমরা আজ ভুলে গেলেও তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনাকে যতটুকু স্মরণ করব সেই অনুপাতে সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্য করতে ইচ্ছে হবে। সেই তাগিদ থেকেই এই রচনার জন্ম। ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্রমে আমরা চেষ্টা করব স্মরণ করার ফাঁকে ফাঁকে এই মহৎ মানুষটিকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের কিছু ভাগ অন্তত ফিরিয়ে দিতে। এবারে তৃতীয় পর্ব। সূত্রোল্লেখ শেষ পর্বে থাকবে।] তৃতীয় পর্ব। । ৫।। ইউরোপীয় রেনেশাঁস এ ... ...

ঈশ্বরের সংসারকোনও এক প্যারালাল ওয়ার্ল্ডে, মাধ্যমিকের বাংলা কোয়েশ্চন পেপার হাতে পেয়ে তাতে চোখ বোলানোর আগে বিড়বিড় করে মানুষের নাম নিয়ে মাথায় কাগজটা ছুঁইয়ে নেয় ঈশ্বরের ভাইপো। মানুষের উদ্দেশে প্রণাম ঠুকে মনে মনে বলে, ‘প্লিজ, রচনাটা কমন পাইয়ে দিও!’অফিসে বেরনোর আগে ভিজে গায়ে পরনে গামছা ঈশ্বরের দাদা দেওয়ালে টাঙানো মানুষের ছবিতে চট করে মাথা ছুঁইয়ে নেন! তারপরে স্ত্রী’কে উদ্দেশ্য করে বলেন, কই গো ভাত দাও! অফিসের দেরি হয়ে যাচ্ছে তো! তারপরে ফের ছবির দিকে মাথা ছুঁইয়ে ফের বিড়বিড়িয়ে ... ...

সেই যে বিষন্ন হনুমানটা ঘাড় ঘুরিয়ে শুয়ে পড়ল আর তো উঠল না, চারপাশে কলার কাঁদি জমা হয়েছে, মেনকা-রম্ভা-উর্বশী প্রোলোভন, সামনে বুঝি লোকসভা নির্বাচন, কিছুনা হলেও গান্ধীজী ঠিক হেঁটে যাবেন সমুদ্রের ধার দিয়ে। এই যে চিনা বটের তলায় মানিদা বসে। কেউ কেউ প্রশ্ন করছে, কেউ শ্রোতা। আমরা ভাই কেবল হৈচৈ তে আছি। কলাভবনে পড়িনা যে তার কথা শুনতে হবে, হৈচৈ বিভাগ, মদিরা বিশ্ববিদ্যালয়, নাম শুনেছ ভাইটি? আমাদের তাড়া আছে ভাই। আমরা কোন আশ্রমিক নই, গড়িয়াহাট থেকে কলাভবন এইভাবেই সুন্দরীদের ভিড়ে চাঁদ-সূর্যের আতসবাজি পোড়াতে পোড়াত ... ...

(১)আমার বিয়ের সময় অনির্বাণের কয়েকজন বন্ধু বড়কাকাকে দেখে বেশ চমকে গিয়ে বলেছিলঃ “উরিব্বাস! ইনি কে জানিস? এ কে বাসু! ইউনিভার্সিটিতে সবাই এনাকে ভগবান বলে মানে।“ আমি অবাক হয়ে বলেছিলাম, “ধুর! ওটা তো বড়কাকা!” ১৮ই জুলাই ২০১৬ তে অর্থাৎ বড়কাকার কাজের দিন ঠিক সেই ব্যাপারটাই আবার হল। নানান ক্ষেত্র থেকে অতিথিরা এসেছেন যারা বড়কাকাকে শ্রদ্ধা করতেন, ভালবাসতেন, তাঁরা “স্যর” বলে উল্লেখ করে নানা কিছু স্মৃতিমন্থন করছেন, অতীতচারণা – ইউনিভার্সিটির কথা, ওনার পড়ানোর কথা… আর আমার মনে হচ্ছে - “ধুর! ওটা তো বড়কাক ... ...

এক একটি গান হঠাৎ করে কেমন জানি পেয়ে বসে আমাকে। গানের শ্রোতাই বল, আর গাইয়ে বাজিয়েই বল,কম বেশি সবার ই এমনটা হয় মাঝে মাঝেই। ঘুরি ফিরি –সারাদিন সেই গান মনের মধ্যে একটানা বেজেই চলে। অনেক সময়ে দীর্ঘ দিন ধরে মগজে সে গানের কথাগুলি, সুরের নানান বাঁক চোর হাতছানি দিয়ে ডাকতে থাকে কোন এক অজানা রহস্য লোকের পানে। যেমন, এখনি একটি গানের কথা মনে পড়ছে - “এই আকাশে আমার মুক্তি আলোয় আলোয়” – কিশোর বয়সে গানটি আমাকে যে কি গভীর ভাবে প্রভাবিত করেছিল সেই স্মৃতি আজও অম্লান হয়ে আছে। গানটির অর্থ বোঝার বয়স সেটা ছিল ... ...

রাক্ষস (গল্প)সরিৎ চট্টোপাধ্যায় - ওয়ে সরজু! অব ফির অপনা হাথ, জগন্নাথ! বলে হেসে গড়িয়ে পড়ে রামস্বরূপ সিং। সরজুও হাসে। কিছু মানুষকে প্রথম নজরেই কেন জানি ভাল লেগে যায়। ফৌজে যোগ দেওয়ার প্রথম দিনই সরজু কে জানে কেন ভাল লেগে গেছিল এই ছেলেটাকে। সেদিন, যেদিন খাকি হাফপ্যান্টের ওপর খালি গায়ে পৈতে পরেই মাঠে এসে দাঁড়িয়েছিল আর ড্রিল সার্জেন্টের উদমা খিস্তি খেয়েও দাঁত বার করে হেসেছিল রাজস্থানের এক ছোট্ট গ্রামের উচ্ছল এই ছেলেটা। কাল একমাসের ছুটি কাটিয়ে ফিরেছে সরজু। শাদি করে। এখ ... ...

একটা বড় তাওয়াতে প্রথমে উবুচুবু তেল ঢালা হল। তেল গরম হচ্ছে...... তেল গরম হচ্ছে.... ইতিমধ্যে একটি বড় জবজবে ময়েম দেওয়া ময়দার তাল নিয়ে বেলতে হবে। বেশ রুটির আকারে হলে সেটাকে হাতে তুলে নিতে হবে। এবারে সেটাকে দুহাতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে অনেকটা রুমালি রুটি করার কায়দায় হাওয়ায় খেলাতে খেলাতে দুট আড়াই ফুট ব্যাসের করে ফেলতে হবে। সেই পাতলা ফিনফিনে জিনিষটা কায়দা করে একটা বড় পাথরের উপর ফেলে টানটান করে মেলে দিতে হবে। হলো তো, এখন একটা গেলাশে দুটো ডিম ভেঙে নিয়ে আগেই সেদ্ধ করে রাখা চিকেনের টুকরো অনেকটা ঝুরোঝুরো করে ভেজে র ... ...