অভাবের আঙ্গিকে সাইকেলে পাওয়া যায় মেঘদিন,স্বভাবের স্বস্তিতে সমস্ত বিস্মৃতি মৌখিন... ছুটন্ত আবহাওয়া তপ্তবাহিকা খুঁজে হেরে যায়,আয়ুর চাইতে বেশি, বৃক্ষ বাড়তি কিছু বেঁচে যায়। কোলাহলদোষে দেখি প্রজন্মগন্ধের সুশীলা...অভিযোগে আরামিতা চিনে নেয় এইতাই, বুঝি না...সে তো বুঝি না
গুরুংবাবুরা ফতোয়া জারি করে সমতল বাসীদের যখন পাহাড়ে ঢোকা নিষিদ্ধ করলেন তখন নিঃশব্দে হয়ে গেল তার জন্ম শতবর্ষ। ফতোয়া না থাকলে হয়ত আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত। সুন্দর করে সেজে উঠতো সে, বিশেষ বিশেষ অতিথিরা আসতেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হত, কেক কাটা হত আরও কত কিছু হতে পারত।কথা হচ্ছে, কেভেন্টার্স রেস্তোরাঁ নিয়ে। হ্যাঁ, দার্জিলিং এর সেই বিখ্যাত কেভেন্টার্স। যার পথচলা শুরু হয় ১৯১১ সালে।আমি আবার স্রোতের বিপরীতে যাওয়া সৃষ্টি ছাড়া এক মহিলা। এই যেমন, আমি একা একা বেড়াতে ভালোবাসি। আর সেই জায়গা গুলো যদি ইতিহাসের গন্ধ মাখা হয় তাহলে তো কথাই নেই। আমি একবার হলেও একা যাবোই যাবো। অন্তত যাওয়ার ... ...
এই আর্টিকল #: 34598 যে মতাদর্শ ধর্মকে আফিম বলে—সেই মতাদর্শই ভোটের ক্ষুধায় ধর্মের পূজারি হয়ে ওঠে কেন?That which calls religion an opiate—Why does that very ideology become a worshipper of religion in its hunger for votes? যে দিকে পথ নিয়ে যায়***********************কোন দিকে, কোন আসরে আছেন আপনি—Rum গলাধঃকরণ করে দলের প্রচারে কোন পাড়ায়? পবিত্র বস্ত্র পরিধান করে রাম নবমীর আসরে দেখা দেবেন তো!আপনার কি মনে হয়—শ্রীরাম জাতপাতে অক্ষয়? আপনি কোন দিকে আছেন—কম্যুনিজমের দিকে, আফিম সেবন করে?না কি সেই দিকেই, যেখানে কম্যুনিস্ট হয়ে বলা হয়—ব্যক্তি-পরিচয় ছাড়িয়ে কম্যুনিস্ট হওয়া অনেক বড় ব্যাপার? তা এত্তো বড় হয়ে—একেবারে কম্যুনিস্টদের ভূত-কেন্দ্রিক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হয়ে,ভোটের ক্ষুধায় ধর্মীয় যজ্ঞের আসরেযজ্ঞাগ্নিতে ঘি ঢালতে ... ...
দেহ-নগরীর রাজনৈতিক মহাবিদ্রোহলেখক : শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ২২ মার্চ, ২০২৬ প্রথম অধ্যায় : কক্ষপথের কক্ষচ্যুতি ও সংসদীয় অস্থিরতা দেহ-নগরী আজ এক তপ্ত আগ্নেয়গিরির মতো, যার শান্ত বহিরাবরণের নিচে ফুটছে অখণ্ড অসন্তোষের লাভা। বাইরে থেকে যে মানুষটিকে স্থির, নিশ্চিন্ত মনে হচ্ছে, তার অভ্যন্তরে আজ গণতন্ত্রের চারটি প্রধান স্তম্ভ—কঙ্কাল (কাঠামো), পেশি (শক্তি), সংবহন (অর্থনীতি) এবং স্নায়ু (প্রশাসন)—একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। এই বিশাল, রহস্যময় রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয় এক অনন্য এবং জটিল সংসদীয় পদ্ধতিতে। দেহ-নগরীর 'জাগ্রতিক লোকসভা' ৪০০ জন সদস্যের ... ...
আরশোলার অমরত্বের প্রয়াসমুহাম্মদ ফজলুল হক। কার্বোনিফেরাস যুগে মানুষের অস্তিত্ব ছিল না। রাজত্ব ছিল আরশোলার। ডাইনোসরসহ বিভিন্ন প্রাণীর উৎপত্তি, বিকাশ ও বিলুপ্তি প্রত্যক্ষ করে বর্তমান পর্যন্ত বীরদর্পে টিকে থাকা অন্যতম প্রজাতি আরশোলা। বায়ুমণ্ডলে প্রথমে স্বল্প অক্সিজেন এবং পরবর্তীতে অধিক অক্সিজেনে অভিযোজিত আরশোলা আমাদের পূর্বপুরুষ। তীক্ষ্ণ ও চঞ্চলের সামনে একনাগাড়ে বলে বড় বড় শ্বাস নিল স্থবির। জানো স্থবির, মানুষের উত্থান হয়েছিল খুব অসহায়ভাবে। প্রায় সত্তর লক্ষ বছর আগে আফ্রিকায় বনভূমি কমে গেলে তাদের পূর্বপুরুষ প্রাইমেট গাছ থেকে নামতে বাধ্য হয়। চার পায়ে হাঁটা প্রাণীটি দিগন্তের ওপারে শত্রু দেখার জন্য দুই পায়ে দাঁড়াতে শিখল। সেই থেকে শুরু হলো তাদের পৃথিবী দখলের ইতিহাস, বলল চঞ্চল। স্থবির ধীর ... ...
সিপিএমের একজন টিভি-বক্তার ফেবু লাইভ শুনলাম। মধুজা সেনরায়। তার মোদ্দা কথা হল, তাঁকে এবিপি-আনন্দ তাদের কোনো এক তরজায় ডেকেছিল, যেটাকে ওরা আলোচনা বলে। সেখানে বসিয়ে রেখে কিছুই বলতে দেয়নি। অন্যান্য নানা চাটনি পরিবেশন করেছে। “পরে বলবেন, পরে বলবেন” শুনতে শুনতে উনি রাগ করে উঠে চলে এসেছেন।আমি অনুষ্ঠানটা দেখিনি, ওঁকেও চিনিনা। তবে ভাবতে কোনো অসুবিধা হলনা, যে, স্ক্রিনে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ দেখানো হচ্ছে, সেখানে তিনি "কার্যত রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দেওয়া হয়েছে" বলে জেহাদ ঘোষণা করছেন। শুনে একজন খ্যাতনামা পুজো সংগঠক "এবার প্যান্টুল খুলে এসআইআর হবে" বলে চিল্লাচ্ছেন, একজন উকিল-তকমাধারী "দরকারে সেনা নামিয়ে দেব" বলে লাফাচ্ছেন, একজন "নিরপেক্ষ" বলছেন, "শুধু সেনা নামালেই তো হবেনা, সংগঠনটাও তো ... ...
ছাদের ফুটো দিয়ে জল ঝরে পড়ে নোংরা অ্যালুমিনিয়ামের জামবাতিতে,সেখানে জীবাণু জন্মায়,বেড়ে ওঠে।ওরা কি জানে,ওরা অ্যালুমিনিয়ামের জামবাটিতে থাকে?ওদের ভবিতব্য কে লিখে? আমার মৃত্যুর পরোয়ানা আজ সাতাশ বছর আগে লেখা হয়ে গেছে,যখন ন মাস গর্ভাবাসের পর আমি ভূমিষ্ঠ হলাম,আমি জানতাম না,আমার মাও আমার মুখ দেখে যখন খুশি হয়েছিল,সেও কি জানত?জানলে কি আমায় খুন করত তক্ষুনি?তাহলে এই এখনকার যন্ত্রণা থেকে তো মুক্তি পেত!জানি না। শীতের নিঃস্বতার পর বসন্ত তার বিষাক্ত বাতাস নিয়ে আসে।কেউ জলবসন্তে পড়ে,কেউ হামে,আর বাকিরা প্রেমে।অসহ্য লাল - হলুদ তীব্র রং সব আমার চোখ ঝলসে দেয়।আমি এখন প্রেমের নাম শুনলে ভয় পাই।আমার বুকের উপর সব স্মৃতি চেপে বসে ক্রমশ,আমার দম বন্ধ হয়ে আসে,আমার ... ...
এ রাস্তা আমার নয়,আমি ল্যাংড়া মানুষ,আমি একটাও পাথর বয়ে আনিনি এর আগে,কোনো রাস্তা নেই আমার চলার,আমার কোনো পূর্বপুরুষ নেই,থাকলেও আমি জানি না।তারা কোথায় রাস্তা বানিয়েছে তাও জানিনা তাই।জানলে হেঁটে দেখতাম,কেমন লাগে বাপের রাস্তায় চলতে।ওরা আমার ধাক্কা মেরে ফেলে দিতে পারত না তাহলে।দিলেও আমি ঘুঁষি মেরে মুখ ফাটিয়ে দিতাম।তার জন্য আমায় জরিমানা দিতে হত না,তারপরেও রাস্তায় চলা বন্ধ হত না জীবনভর। আমি কিন্তু আমার অপত্যদের এর থেকে ভালো জীবন দেব,রাস্তা দেব চলার,হাত দেব ঘুঁষি মারার।তাই আমি এই খোঁড়া পায়েও পাথর বয়ে দিয়েছি ওদের,ওরা বলেছে চলতে দেবে।ওদের বিশ্বাস নেই,কিন্তু আমি আমার সন্তানকে প্রতিদিন ঘুঁষি পাকানো শেখাচ্ছি। ... ...
এই আর্টিকল #: 34582প্রিয় বন্ধুরা লেখাটি দুই রকম ভাবে আপনাদের দরবারে রাখলাম ❤️। শেষে প্রবন্ধ আকারে।"The true nakedness of power appears when institutions stop serving citizens and start serving masters.”“ক্ষমতার প্রকৃত নগ্নতা প্রকাশ পায় তখনই,যখন প্রতিষ্ঠানগুলো নাগরিকদের সেবা করা বন্ধ করে প্রভুদের সেবা করতে শুরু করে।”বদল-কমিশন*************বদল-কমিশন আনলখুশি মতো যত্রতত্র ছড়ানো শাটল অ্যাপয়েন্টমেন্টের নিউ ফ্যাশন।জাতপাতকে জায়গা করে দিয়েদেখিয়ে দিচ্ছে আনুগত্যের মোসাহেবি রিলেশন।জনসমক্ষে তাতে আরও খুলে যাচ্ছেবদল-কমিশনের কাপড়চোপড়—কিন্তু প্রভু ভাবছে,ভৃত্যরা বুঝি বুদ্ধিসুদ্ধিতে তুখোড়!বদল-কমিশন ভাবে—দেশে জাতপাতের হেঁসেল খুলতে কাজের কাজ নাকি সেরে ফেলছে;কাজের ধাঁচ দেখেগো-বৎসল প্রভুরা তোলে আরও আওয়াজ।কিন্তু বদল-কমিশনেরএই বেশরম নগ্নতাসাধারণ মানুষের মনেগভীর দাগ কেটে গেছে।এই যত্রতত্র যথেচ্ছাচার চালিয়ে বদলেরনিউ ফ্যাশনের ডিজাইনার কারা?বদল করে নিলেই ... ...
কিছু ভুল থাকে আজীবন ভোলা যায় নাভুলের মাশুল দিয়ে যেতে হয়, উসুল কখনো হয় নাতুমি দেউলিয়া হতে পারো সে তোমার একান্ত যন্ত্রণা। তবু দুদন্ড ভুলকে ভুলে হালকা হতে পারোনা অপেক্ষা শেষে উপেক্ষা এসে করে যদি ক্রুর ছলনা!অহরহ সে খুনীর মত আহত করে তোমাকে তুমি রক্তাক্ত হও তোমার ভূমিকায় সংলাপ হীন নাটকে।মঞ্চ সফল হতে গিয়ে তুমি অতি অভিনয়ে দুষ্ট আর ভুলের মাশুল দিতে দিতেই যাপন হয়েছে ভ্রষ্ট।বলি, অনেক হয়েছে প্রতিশোধ নেওয়া এইবার তুমি যাও প্রতি মুহূর্তে রক্তাক্ত করে কি সুখ তুমি পাও?সদর্পে সে বলে, - আমি তো তোমারই হঠকারী মনের আয়না উপহাস যত জমেছে এযাবৎসবই তো তোমার পাওনা।তোমার পাওনা না মিটিয়ে থাকবো না আমি ঋণীতাহলে তো তুমি মাশুল ... ...
সংবিধান বনাম গণভোট। সাংবিধানিক ব্যাখ্যা নিয়ে জোরে সোরে আলোচনা চলছে। আওয়ামী সরকারের সময়ে সংবিধানের যে সংশোধন হয় তাতে সংবিধান নয় সেটা আওয়ামী লীগের মেনিফেস্টো’র আরেক রূপ ছিলো। সেই নিয়ে আপত্তি ছিলো সবার। তারপর ও নিজেদের স্বার্থে সংবিধান থেকে গণভোট বাদ দেওয়া, যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে রাজনীতির মাঠ থেকে তাড়িয়ে দিতে স্পেশাল অনুচ্ছেদ যুক্ত করা, সাতই মার্চের ভাষনকে সংবিধানের মধ্যে যুক্ত করার মতো দুনিয়ার বিরল বিষয় প্রবেশ করে তার বিতর্ক কম হয় নি। এমনকি সেই সংবিধানের যে কোন দাড়ি কমা সেমিকোলন পরিবর্তন করার চেষ্টা করলে রাস্ট্রদ্রোহিতার শামিল, যার শাস্তি মৃত্যুদন্ড যুক্ত করার মতো সাংঘাতিক ধারণাটাকে শুধু মাত্র যুক্ত করার পিছনে ছিলো ক্ষমতা কুক্ষিগত করার ... ...
শাওয়ালের চাঁদ ও ভোরের স্বপ্ন। আসমানের দিকে একঠারে তাকিয়ে ছিল আলেয়া।তার নানী ফতিমা বলেছে – আসমানে কাস্তের মতো একফালি চাঁদের দেখা মিললেই রোজার শেষে খুশির পরবের আলো এসে আছড়ে পড়বে তাদের ছোট্ট এক ফালি আঙিনায়। এই দিনটির জন্য বছরভর অপেক্ষায় থাকে সবাই। এই মহল্লার ঘরে ঘরে আজ বুঝি তারই তোড়জোড় চলছে জোরকদমে। গরীবগুর্বো মানুষের জীবন কঠিন তারে বাঁধা। সেই কবে আম্মি আর আব্বুকে শেষ বারের জন্য দেখেছে তা আর মনে করতে পারেনা আলেয়া। এই দুনিয়ায় নানী ছাড়া আর কোনো নিকটজন নেই তার। ঐ নানীকে ঘিরেই তার জীবনের রোজনামচা। আলেয়াকে নানী ফতিমর জিম্মায় রেখে আব্বু আর আম্মি গিয়েছিল সেই দূরের ভিন্ রাজ্যে বাড়তি ... ...
আরব সাম্রাজ্যের পতন কি অত্যাসন্ন?আরব বিশ্বের দেশগুলো মেরুদণ্ড সোজা করার চেয়ে বিলাসবহুল জীবন, রাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে আর নিজেদের সম্পদ বিকিয়ে দিয়ে যুগের পর যুগ দাসত্ব শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকতে পছন্দ করে। ইরান সেটা পারেনি বলেই দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক অবরোধ, স্যাংশন বা যুদ্ধ করতে হয়েছে নিয়মিত ভাবে। ইরান কে আরব দেশগুলো ভয়ের কারণ হিসেবে না দেখলেও যদি কখনো দরকার হয় তবে তাদের ভুমিতে থাকতে দেওয়া আমেরিকা ইসরায়েল রক্ষা করবে সেই নির্ভার ছিল। আমেরিকা কিংবা ইসরায়েলের সাথে টক্কর না দিয়ে তার চেয়ে তেলের বিনিময়ে আয়েশি জীবন যাপন আর রাজতন্ত্রকে টিকে রাখাই প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ আমেরিকা কথিত গনতন্ত্রের বুলি আওড়িয়ে অনেক দেশের ... ...
বাঙালি খবরের কাগজ পড়ে একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে। প্রথমে রাশিফল — কারণ দিনটা মঙ্গলময় হবে কি না সেটা না জানলে বাকি সব খবর পড়ে কী লাভ। তারপর বিজ্ঞাপন — কারণ সরষের তেলে ছাড় আছে কি না সেটা আন্তর্জাতিক রাজনীতির চেয়ে জরুরি। তারপর মৃত্যু সংবাদ — কারণ পাড়ায় কে গেলেন সেটা না দেখলে বিকেলের আড্ডায় মুখ দেখানো যায় না। এই সুশৃঙ্খল অগ্রাধিকারের পর যদি চা এখনও গরম থাকে এবং বাড়িওয়ালার গলার আওয়াজ না আসে, তবেই বাঙালি বাকি খবরে চোখ বোলায়। কিছুদিন আগে এমন একটি খবর বেরোল যা রাশিফলের পাতা পেরিয়েও মাথায় ঢুকে গেল — এবং সেটা মাথায় ঢুকে গেলে বিপদ, কারণ ... ...
( ১২ ) অনিন্দ্য বসু বসে বসে ভাবছিলেন এরপর ড্যারেল মিচেলের গল্পের কোন স্টেপটা নেবেন। বাঁকটা না জেনে পা ফেলবেন কী করে। সেটা নির্ভর করছে অনুমিতের কাজকর্মের ওপর। রবীন্দ্রনাথবাবুর বাড়ি যাওয়ার পর তিনদিন কেটে গেছে। আর কোন ঘটনার কথা কানে আসেনি। ব্যাপারটা এখানে মিটে গেলে ভাল। কোন বাবার আর ভাল লাগে নিজের সন্তানের এসব তেঁতো ব্যাপার নিয়ে নাড়াচাড়া করতে। সন্ধে পড়ে গেছে। সাতটা বাজতে ... ...
মুখোশের মহোৎসব পাথরের চোখে জলের প্রত্যাশা, মিছে এই আয়োজন,যেখানে কসাই নিজেই সেজেছেব্যথার বিজ্ঞাপন।ত্যাগের বসনে লেগেছে গোপন লালসার গাঢ় দাগ,সেবার আড়ালে ফণা তুলে আছে কুটিল সর্প-রাগ।শহিদ রক্তে আলপনা দেয় যে বিষাক্ত হাত,তারাই সাজায় মঞ্চ এখন, জাগে সুবিধায় রাত।যারা লড়েছিল বিচার চেয়ে ওই কালবৈশাখী রাতে,তাদেরই স্বপ্ন আজ বিক্রি হয় ক্ষমতার ঐ-হাটে।আশ্রয়-বৃক্ষে লুকিয়ে ছিল যে অন্ধ মোহ-পাশ,বিশ্বাসে আজ ছোবল মারে—বিষাক্ত এক আশ।যারে ভেবেছি অটল পাহাড়, ন্যায়ের অতন্দ্র প্রহরী,সে-ও তো দেখি চোরাবালিতে—স্বার্থের জপমালা ধরি।বিচারপতির হাতুড়ি এখন হাততালি খোঁজে মঞ্চে,আদর্শ আজ ধুঁকছে কেবল স্বার্থপরতার দংশে।যাদের আমরা ভেবেছি ধ্রুবতারা, আঁকড়ে ধরেছি ত্রাণে,তারাই আজ গিরগিটি সম, মিশেছে সুবিধাবাদী গানে।এ এক শূন্য মাঠের খেলা, যেখানে রেফারিও বিক্রীত,বিবেক এখানে সস্তায় কেনা, সত্য আজ নির্বাসিত।মানুষ খুঁজছে মানুষকেই, কিন্তু পাচ্ছে কেবল ছায়া,রাজনীতির এই মরীচিকায় মিথ্যে মায়ার কায়া।দেউলিয়া সব তাসের ঘর, আজ সব ... ...
যাঁরা এখনও নাগাড়ে "অভয়া বিচার পায় নাই" বলে যাচ্ছেন, তাঁদের কাছে এবার স্পষ্ট করে জানতে চাইবার সময় এসে গেছে, ঠিক কী বলতে চাইছেন? ১। সঞ্জয় রাই খুনি না। ২। সঞ্জয় রাই খুনি, কিন্তু আরও কেউ জড়িত। এই দুটোর কোনো একটা হতেই পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে পরিষ্কার করে বলতে হবে, তাহলে খুনি কে, এবং/অথবা, খুনে আর কে জড়িত ছিল। এই দুটো না জানলে তো কথাগুলো বলা যায়না। এবং অবশ্যই তার পক্ষে কিছু যুক্তিও পেশ করতে হবে। আমি মনে করতেই পারি রাজীব গান্ধির মৃত্যুর জন্য আমার পাশের বাড়ির ভুলুপিসিমা দায়ী, কারণ উনি রাজীব গান্ধিকে টিভিতে দেখলেই গালাগাল দিতেন, এছাড়া ওঁর বাড়িতে চকলেট বোমও ... ...
শুনছি বাংলার ভোটের কালচার খারাপ। ভালো ভোট নিশ্চয়ই মডেল রাজ্য গুজরাটে হয়। দেশের কাগজ তো সব লিখতে পারেন না। লন্ডনের দি গার্ডিয়ান কী লিখেছিল পড়ুন। 'প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া': ভারতের নির্বাচনে বিজেপির ভীতি প্রদর্শনের কৌশলের অভিযোগবিরোধীরা বলছে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করতে প্রার্থীদের হয়রানি করতে পুলিশ ব্যবহার করে ক্ষমতাসীন দল গণতন্ত্রকে দুর্বল করছেহানা এলিস-পিটারসন এবং আকাশ হাসান গান্ধীনগর থেকেমঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ ০৩.০০ বিএসটিগত সপ্তাহে যখন গুজরাটের লোকেরা ভারতের ছয় সপ্তাহব্যাপী লোকসভা নির্বাচনে তাদের ভোট দিয়েছিল, তখন রাজ্যের একটি কেন্দ্র নীরব ছিল। সেখানে কোনও ভোটকেন্দ্র বা অধীর আগ্রহে সারিবদ্ধ মানুষের ভিড় ছিল না, আর কাউকে কালি দেওয়া আঙুল নিয়েও দেখা যায়নি। সুরাটে, ... ...
অরুন্ধতীকে অনামিকা দিয়েঅবকাশ ছুঁয়ে মেঘবালিশ,কিনেছি কিন্তু এখনও কিছুটাসময়পিরিতে ভুগছে মন...ঘন ঘন কথা দুর্দিনে আসেআকাশমলাটে সবুজাভ–বহুবচনের আড়ালে উড়ছেগতিরা যেখানে বিশ্রামী। সংকেত কাল ইশারা করবে,‘মধুবিহিতের উপমা চাই,হাজারটুকরো বিছানা শান্তজলের ওপরে ঈশ্বরে।’গলিতে বাজছে আলোবৌ চোরগোছাতে গোছাতে হাসিসিঁদুর...
তিলোত্তমার মা বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন, আশ্চর্যেরও কিছু নেই, ঝুলি থেকে নতুন করে বেড়াল বেরোনোরও কিছু নেই। সন্দেশখালি থেকে আরজিকর, অপারেশন সিঁদুর থেকে এসআইআর, সব কটাই বিজেপির প্রোজেক্ট। এর প্রথম তিনটে অবশ্যই একদম আকাশ থেকে বানানো হয়নি। সন্দেশখালিতে জমিদখল হয়েছিল, আরজিকরে সরকারি হাসপাতালে নৃশংসতম হত্যা হয়েছিল সরকারি চিকিৎসকের, পহেলগামে জঙ্গীরা দাঁড় করিয়ে খুন করেছিল পর্যটকদের। কিন্তু "শেখ শাজাহানের হারেমে পিঠে বানানো", "আমি সোমা বলছি" আর তৎসংলগ্ন অজস্র মিডিয়া-মিথ্যা, এবং অপারেশন সিঁদুরে করাচি-লাহোর দখল করে নেবার অনন্ত গুলবাজি, এইগুলো একটা খুব নির্দিষ্ট প্যাটার্ন। একটা ঘটনা ঘটে, তারপর সেটাকে ঘিরে গোদি-মিডিয়া অজস্র অলীক গল্প নির্মাণ করতে শুরু করে, ভদ্দরলোকেরা জেনে অথবা না জেনে ... ...