( ১৫ ) দেবাশিস সীতেশ মাইতির বাড়ি গেল রবিবার দিন। সীতেশবাবুর বয়স এখন সাতাশি বছর। এখনও কিন্তু দিব্যি আছেন। অত বয়েস হয়েছে বোঝার উপায় নেই। মস্তিষ্কও একেবারে ঠিকঠাক কাজ করছে। কথাবার্তায় কোন অসংলগ্নতা নেই। একসময়ে পুরোদস্তুর কংগ্রেসি ছিলেন। এখন রাজনীতির সঙ্গে একেবারেই কোন সংস্রব নেই। দেবাশিসের অবশ্য সীতেশবাবুর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই। উনি তার বাবার মাস্টারমশাই ছিলেন গ্রামের হাইস্কুলে। তখন থেকেই তাকে চেনেন সীতেশবাবু। মাঝেমাঝে তাদের বাড়িতেও যেতেন। তখন তিনি রাজনীতি করেন, কিন্তু কখনও ... ...
একটি ব্যবহৃত জীবনের খসড়া অয়ন মুখোপাধ্যায় আজকাল আমি আলো কে খুব একটা বিশ্বাস করি না সে খুব সহজেই রং বদলায়।বরং অন্ধকারের পাশে এসে বসি—সেখানে মদ গন্ধমাখা, পুরোনো,কিন্তু বিশ্বস্ত। আমি যখন আয়নার সামনে দাঁড়াই তখন মনে হয়,আমি নই, অন্য কারও ব্যবহৃত অবয়ব পরে বসে আছি। তখন মনে হয় এই জীবনটা যেনো একটা ছেঁড়া প্যাকেটযা ছিল, একে একে সব কিছু পড়ে গেছে রাস্তায়। এখানে তাই ভালোবাসা আমার কাছে একটা ভাঙা সিঁড়ির মতন, কখন ওপরে উঠতে উঠতে হঠাৎ কুয়াশায় মিলিয়ে গেছে। আমি জানতে পারিনি, তারপর শুধু বাতাস আর বাতাস,আর নীচে পড়ে থাকে অনেক পুরোনো ডাক। রাত নামলেই আমি টের পাই,শূন্যতাও আসলে একটা নেশা।একবার গলায় ঢাললেমানুষ আর সহজে সকাল বলতে পারে না। ... ...
নামহীন কোনো অন্ধকারের কাছেঅয়ন মুখোপাধ্যায়আমি আজকাল দৃশ্যের চেয়ে অদৃশ্যকে বেশি বিশ্বাস করি।যে চেয়ারটায় কেউ বসে নেই, সেখানেই সবচেয়ে বেশি শরীরের উষ্ণতা থাকে।জানালার বাইরে যে গাছ, সে আসলে গাছ নয়—একটা দীর্ঘশ্বাস, মাটি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমার ভিতরে প্রতিদিন একটু একটু করে সন্ধ্যা নামে,যা কেউ দেখতে পায় না, শুধু পুরোনো শব্দেরা কাকের মতো জীবন থেকে উড়ে যায়।আমি তাদের ডাকি না, তবু তারা ফিরে আসে—যেন আমারই ভাঙা ছায়া, অন্য কারও উঠোনে জুড়ে পড়ে আছে।এই জীবনে খুব সম্ভবত আমার জন্য কেউ কোনও স্পষ্ট বাক্য লিখে রেখে যায়নি,বরং মুছে যাওয়া কালির ওপর হাত বোলালে যে অন্ধকার উঠে আসে,আমি হলাম তাই। ভালোবাসা আমার কাছে বহুদিন হলো এক দরজাহীন বাড়ি,ভিতরে ... ...
কলকাতা মহানগরীতে রাস্তায় ফুটপাতে দিনরাত নানারকমের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এইসব কিছুর মধ্যে ন্যাড়া ও নেড়ী কুকুরদের নানা রকম কান্ড চলতেই থাকে। ‘সুনন্দর জার্নাল’ বই নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় মহাশয় লিখেছেন : “কলকাতার নেড়ী ও ন্যাড়া কুকুরের দল- যাদের জন্য ডগ সোপ ডগ বিস্কুট নেই, যাদের জন্য বিনা নুনে মাংসের স্পেশাল খাবার তৈরি হয় না, শীতকালে যাদের জন্য জামার ব্যবস্থা হয়না, চেনে বাঁধা হয়ে যারা সকাল সন্ধ্যা বেড়াতে বেরোয় না এবং মনিবের মটর চড়ে যারা শহর পরিক্রমা করে না— তাদেরও একেবারে অনাথ আর ভাগ্যাবন্ড মনে করবার দরকার নেই। আমাদের কাছে তারা নুইস্যান্স হতে পারে, অবাঞ্ছিত বোধ হতে পারে, কিন্তু তাদের অপত্য স্নেহে লালন করে থাকে ... ...
SIR এমন একটি খেলা যার নিয়ম ঠিক করে দেবে বিজেপি। প্রথম রাউন্ডে মনের মত লোকজন বাদ পড়ল না, ব্যস নিয়ম পাল্টাও, 'লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি'তে ছাঁটাই কর। লোকে ডিমনিটাইজেশন থেকে লাইনে দাঁড়িয়েই আসছে। না এল কালোধন, না এল ১৫ লাখ, এল শুধু বাঁশ। ভোটার লিস্ট থেকে ইচ্ছামত ছাঁটাইয়ের সাথে রয়েছে বিজেপির ইচ্ছামত ফর্ম ৬ দিয়ে লোক ঢোকানো। ট্রাইব্যুনালে যেতেই পারেন, কিন্তু সেসব মামলার সময়ে নিষ্পত্তি হবে, এই গোটা SIR প্রক্রিয়া দেখার পরেও যদি কারও তাই-ই মনে হয় তবে সে প্রকৃতই বিজেপি ভোটার হবার যোগ্য। বাস্তবিক, ভারতের মত দেশে, যেখানে অধিকাংশ মানুষের সম্পত্তি, শিক্ষা, স্থায়ী বাসস্থান ও কর্মক্ষেত্র নেই, সেখানে কাগজ দাবি করে ... ...
তুমি মৃগয়া করতে পারো-কিশোর কন্ঠে পারো গাইতে; একটা কথা স্পষ্ট,মানুষ হওয়াই কষ্ট-ধূর্ত হয়ে আটকে রইলে স্বার্থে।
১জীবন ভুলেছে সব, ভুলতে পারেনি শুধু মন–একা এসেছিল, আর একা ফিরে যাবে সে এখন...২বেপরোয়া পাখি, তার অনুবাদ নিয়ে যত কাজ–আকাশে জমছে মেঘ, খাতায় প’ড়েছে ভেঙে গাছ! ৩যে-কোনও চোখের দিকে সহজে তাকাতে পারি এখন–জীবনফসলে দেখি সফল উঠেছে হ’য়ে মন...
এযুগের নস্ট্রাডামুস ইরানের এই যুদ্ধ নিয়ে অন্তর্জালে অনেকেই অনেক কিছু বলছেন | এযুদ্ধ কেন হলো, কতদিন চলবে, কে জিতবে এই নিয়েই চলছে অন্তর্জালে বিপুল আড্ডা | সবচেয়ে বেশী ঘুরছে একজনের নাম যিনি অন্ততঃ দুই বছর আগেই আজকের এই ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন | ইনিই হলেন "প্রফেসর" চিয়াং শুয়েশেন (Professor Jiang) | ২০২৪ সালের গোড়ার দিকেই তিনি তিনটি ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন যেগুলো তিনি মিলিয়েই দিয়েছেন | এক, ২০২৪ এ আম্রিকি ভোটে ট্রাম্পের জয় হবে, দুই, অদূর ভবিষ্যতেই ট্রাম্প ইরানকে আক্রমণ করবেন এবং তিন, এই যুদ্ধের ফলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হবে তেল রপ্তানীকারী আরব দেশগুলোর এবং ইস্রায়েল এই যুদ্ধের ফলেই ... ...
অরূপা অ-লৌকিকইমানুল হকলাথির পর লাথি মেরেই চলেছেন। শূন্যে উঠছেন দুপায়ে লাথি মারছেন। যে-কোনো সময় পড়ে যেতে পারেন। ভ্রূক্ষেপহীন। বয়স হয়েছে। মাথা ভর্তি পাকা চুল। পরনে পাঞ্জাবি আর তলায় বোধহয় জিনস। দূর থেকে ঠিক ঠাহর হচ্ছে না। লোকটার মুখ চেনা চেনা লাগছে। কোথায় দেখেছে, কেউ বলে উঠতে পারছেন না। এক এক করে লোক জুটছে। একেকজনের একেক মত। কেউ বলছে টিভিতে দেখেছি। কেউ বলছে সিনেমায়। কেউ বলছে মাসিমার কাছে আসতো। দ্যাকোনি। কেউ কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করছে না। যদিও সবার ভারি কৌতূহল। কিন্তু কে আর সাধ করে হাঁড়িকাঠে, গলা দিতে চায়। লোকটা ভাঙছে একটা সাইনবোর্ড। সাইনবোর্ডে লেখা, এখানে হাউসিং প্রোজেক্ট হবে। তলায় কোম্পানির নাম লেখা। সাতদিন আগে লাগিয়ে গেছে। ... ...
এইতো দিনের সন্ধ্যা সবে, এখনই অস্তগামী!-বিশ্বাস করিনা আমি।এ কেমন উদয় অরুন! এ কেমন উদয় !তালসারির সমুদ্র-ঢেউ কেন হবে নির্দয়!? মিষ্টি জলেতে সাবলীল তুমি নোনা জল করে ছল ;এমন গভীর অবগাহন কে ভেবে ছিল বল!?
মগজ বনাম মেশিন: এক যান্ত্রিক একনায়কতন্ত্র ও নাগরিকত্বের ডিজিটাল প্রহসনএকটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা যে সুস্থ গণতন্ত্রের প্রাথমিক শর্ত, সে কথা কেউ অস্বীকার করছে না। মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোটার কিংবা অস্তিত্বহীন ভোটারদের নাম সরিয়ে দিয়ে তালিকাটি পরিচ্ছন্ন করা নির্বাচন কমিশনের একটি আবশ্যিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬-এর এই বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়াটি যে কারণে বিতর্কের মুখে পড়েছে, তা হলো এর যান্ত্রিক ও অমানবিক পদ্ধতি। রাষ্ট্র যখন মানুষকে কেবল একটি ‘ডিজিটাল ডেটা’ বা অ্যালগরিদমের বিন্দুতে রূপান্তর করে, তখন জন্ম নেয় এক ভয়াবহ অস্তিত্বের ... ...
ইরান যুদ্ধ যে দীর্ঘদিন ছাড়িয়ে যাচ্ছে তা সম্ভাব্য বলেই ধরে নেওয়া যায়। যে আপোষ আলোচনার কথা বাতাসে ভাসছিল তা গোলা বারুদ আর নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে নস্যি হওয়ার উপক্রম মাত্র। স্থল বাহিনী পাঠানোর খবর ও জোরসোর খবর ছড়াচ্ছে। মিশরে ইতোমধ্যে রাত ৯ টার পরে দোকান বন্ধ করতে নোটিশ জারী হয়েছে, ভারত নিয়মিত আলোচনায় ব্যস্ত সময় পার করছে, একলাফে তেলের দাম বাড়িয়েছে, প্রাদেশিক সরকারের সাথে অনলাইনে কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তেলের পাম্পে লম্বা লাইন আর গ্যাস নিয়ে আশংকা দেখা দিচ্ছে। ফিলিপাইনে ও জরুরি অবস্থা জারী করেছে বলে সংবাদে এসেছে। ব্রিটিশ সরকার ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক দুর্দশা আর অশনী সংকেত নিয়ে প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। ... ...
প্রশান্ত চন্দ্র মহালানবিস ও রামানুজন ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাঁরা প্রায় সমসাময়িক সময়ে কেমব্রিজে ছিলেন। একদিন মহালানবিস রামানুজনের বাড়িতে গিয়ে দেখেন তিনি রান্না করছেন। সেই সময়টা কী করবেন ভেবে মহালানবিস পাশের ঘরে গিয়ে একটা ম্যাগাজিনের পাতায় চোখ বোলাতে থাকেন। ঐ ম্যাগাজিনে একটা কুইজ জাতীয় অঙ্কের প্রশ্ন ছিল,এক ভদ্রলোক ইংল্যান্ডের যে অঞ্চলে থাকতেন সেখানে বাড়ি গুলির নম্বর ছিল পরপর, অর্থাৎ 1,2,3,4…এই রকম। একদিন ভদ্রলোক আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করেন, তাঁর বাড়ির বাঁ-দিকের বাড়িগুলির নম্বরের যোগফল তাঁর বাড়ির ডান-দিকের বাড়ি গুলির যোগফলের সমান! প্রশ্নটি হল, যদি ধরে নেওয়া হয় মোট বাড়ির সংখ্যা 100-র বেশি কিন্তু 500-র কম, তাহলে ঐ ভদ্রলোকের বাড়ির নম্বর কত? মহালানবিস চটপট ... ...
এলিইমানুল হক ভাবে নি দরজা খুলবে।খুলল।যথেষ্ট দোনামোনা ছিল, এতো রাতে যাওয়া কি ঠিক হবে ?কী ভাববে ?তবু এতো কাছে এসে একবার খোঁজ না নেওয়াও অনুচিত ভেবে আসা। একটা বড়ো ঘর। একটা খাট। একটা চৌকি। চৌকিতে ছেলে ঘুমাচ্ছে। আওয়াজ পেয়ে একবার তাকালো তারপর মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়লো।ইস ছি ছি-- একবারে খালি হাতে আসা ঠিক হয় নি।যাক একদিকে ভালোই হয়েছে, ছেলের ছুতো করে কিছু টাকা দেওয়া যাবে।দরজা খুলেই এলি খাটের দিকে যাচ্ছিল, বোধহয় জানালাটা খুলতে।ঘুমোও নি।না।তুমি কি রাত করে ঘুমোতে যাও ?না, একটু বই পড়ি তারপর।ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ?নেই। ছেলের কাছে মোবাইল। ওর নেট ভরতেই পারি না, আবার নিজের ?একসময় ভালো কবিতা বলতে গান ... ...
একা বেঁচে থাকার মজাই আলাদা। কোন দেনা পাওয়ানাথাকে না।যদিও তোমার জন্য একগুচ্ছ কবিতা লিখেছিলাম অথচ তুমি জানলে না। মন আমার যুদ্ধ ক্ষেত্রে ভুলেছে তোমার ঠিকানা তোমার জন্য এক আকাশ তারা সাজালাম তুমি দেখলে না, যদিও শুনছি ও আকাশে আজ মিসাইল আর যুদ্ধো বিমানের আনাগোনা তাই হয়তো আধার আমার কথা তোমাকে বলে না। তোমার জন্য হন্যে হয়ে খুজেছিলাম তোমার ভালো থাকার ঠিকানা, তবুও তুমিই রইলে না। ভালোবাসার হাজারো মানুষের ভিড়ে তুমি আমার খোঁজ রাখলে না।আমার প্রেমের শেষ উপসংহারে তোমায় রেখেছি তুমি জানলে না।সত্যিই যদি আমার ভালোবাসা বুঝতে তুমি। তাহলে হয়তো যুদ্ধের নামে মৃত রক্তে ভিজতো না কোন ভুমি।কাঠগোলপ, পলাশ হাতে বাঁচাতো শুধু প্রেমী। ... ...
আমাদের বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের অগুনতি বইয়ের সম্ভার আছে (বলা-বাহুল্য অধিকাংশই আমার বাবার সংগ্রহ)। ফলে মাঝে-মাঝেই একটু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার বা একটু মোছামুছি করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। আজ সেরকমই করতে গিয়ে বেরিয়ে পড়ল প্রবাদ-প্রতিম গণিতবিদ জি. এইচ. হার্ডির (১৮৭৭-১৯৪৭) বিখ্যাত বই A course of Pure Mathematics! আশ্চর্যের ব্যাপার হল, হার্ডির বইটি খুঁজে পেতেই মনে পড়ে গেল বহুকাল আগে শ্রীনিবাস রামানুজন (১৮৮৭-১৯২০) সংক্রান্ত বাবার একটি লেখার কথা। খুঁজতে গিয়ে সেই লেখাটিরও কিছু অবশিষ্ট পাওয়া গেল। সেখান থেকেই বঙ্গানুবাদ করে তুলে দিলাম কিছুটা।শ্রীনিবাস রামানুজন অসুস্থ ও হাসপাতালে ভর্তি। প্রখ্যাত গণিতবিদ জি. এইচ. হার্ডি দেখা করতে এসেছেন তাঁর সঙ্গে। কথায় কথায় হার্ডি বলেন, যে ট্যাক্সিতে ... ...
( ১৪ ) শিঞ্জিনীদের সংগঠনের নাম পাল্কী। সামনের রবিবার পাল্কীর একটা অনুষ্ঠান আছে শিশির মঞ্চে। তিনটে একাঙ্ক নাটক হবে তিনটে উঠতি প্রতিশ্রুতিবান নাট্যগোষ্ঠীর। সেটা নিয়ে ক'দিন ধরে খুব ব্যস্ত আছে সে। তার ওপর একটা বড় দায়িত্ব পড়েছে। এই নাটকের দলের সদস্যদের প্রয়োজনীয় দেখভালের ব্যবস্থা করা, অনেকটা লিয়াজঁ অফিসারের মতো। কাজটা কঠিন কিছু নয়, কারণ নাটক দলের লোকেরা এদিক ওদিক থেকে ... ...
খ্রিস্টপূর্ব ৪৮০ অব্দে পারস্য সম্রাট জারক্সিস (Xerxes I) এবং গ্রিক নগর রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত ব্যাটল অফ থার্মোপাইল বা থার্মোপাইলের যুদ্ধ ইতিহাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর এবং আলোচিত সমর কাহিনী। বিশেষ করে স্পার্টান যোদ্ধাদের বীরত্বের জন্য এই যুদ্ধ অমর হয়ে আছে।পারস্য সাম্রাজ্য যখন বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে গ্রিস দখলের উদ্দেশ্যে অগ্রসর হয়, তখন গ্রিকরা তাদের আটকানোর জন্য থার্মোপাইল নামক একটি অত্যন্ত সংকীর্ণ গিরিপথ বেছে নেয়। একপাশে খাড়া পাহাড় আর অন্যপাশে সমুদ্র থাকায় এই পথটি ছিল প্রাকৃতিকভাবেই দুর্ভেদ্য। এটি ছিল গ্রিসের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের একমাত্র সহজ পথ।স্পার্টার রাজা লিওনাইডাস (Leonidas) ছিলেন এই বাহিনীর নেতৃত্বে। যদিও বলা হয় মাত্র ৩০০ জন স্পার্টান যুদ্ধ করেছিলেন, ... ...
কাগজের ফুল।মা গো তুমি সরে দাঁড়াও আমার লাগছে তথ্য জমে জমে অকথ্য হয়েছে; কাগজ জমতে জমতে পাহাড় পাহাড় টাকে সরাও আমার লাগছে।আমি তো তোমার ই মধ্যে বাস করি সন্তান হারা মায়ের কষ্ট বুঝি।বুঝিনা শুধু ফুল খুন করে-কি ভাবে তাকে প্রতীক ক'রে?ওদের সাথে বিরোধিতা করা ধ্বংসাত্মক কিন্তু সঙ্গ করা আরো মারাত্বকমা গো তুমি সরে দাঁড়াও আমার লাগছে। ওরা ফুল কে ধর্ষণ করে মালা নিয়ে যায় মন্দিরে খুনীরা বুকে ফুল লাগিয়ে বুক ফুলিয়ে ঘোরে ফেরে।মা আমি আজও আতঙ্কেতে শিউরে উঠি সেদিনের কথা মনে করে দু'বছর আগে৯ ই আগস্ট অভিশপ্ত সে রাত্তিরে। তিল তিল করে মনে পড়ে যায় মুখ গুলো,সেই নৃশংস অত্যাচারতবুও আমি সহজে মানিনি হার। মেয়াদ শেষের ভেজাল ওষুধে ... ...
যে পৃথিবী বাঁচবে, বাঁচাবেমন্দির মসজিদ গির্জা নেবাঁট লিয়া ভগবান কোসাগর বাঁটো জমিন বাঁটোমৎ বাঁটো ইনসান কো১৯৯৮-এ গুজরাতে নির্বাচনী সমীক্ষায় গিয়ে সুরাত স্টেশনে চোখ টানে মননঋদ্ধ প্রাচীরচিত্র। ২০০২-এ গণহত্যা-পরবর্তী কালে ত্রাণ নিয়ে গিয়ে দেখি, সেই দেওয়ালে অন্য ছবি আঁকা। আর আসল ভারতের চেহারা দেখি, আমদাবাদ শাহ আলম ত্রাণ শিবিরে।ভগবতী দেবী দু’মাস ধরে ছিলেন ত্রাণ শিবিরে। ‘সহেলি’ রোশেনারার দুঃখে অংশীদার হবেন বলে। ‘মুসলমান’-দের তেমন ঘেন্না করেন না বলে তাঁর বাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভগবতী দেবী এক থালায় খেতেন অন্যদের সঙ্গে। ত্রাণ শিবিরে তো কারও নিজের থালা ছিল না।— কেন এলেন এখানে?— উও মেরি সহেলি হ্যায়। মেরি জান। পাশাপাশি ঘর। বিয়ের পর থেকে ... ...