ইহুদি সম্প্রদায়কে ইউরোপে কিভাবে দেখা হতো তার বড় উদাহরণ হতে পারে উইলিয়াম শেকসপিয়ারের “ মার্চেন্ট অব ভেনিস “ নাটকের শাইলক চরিত্রটি। যে শরীরের মাংশ কেটে তার পাওনা আদায়ের দাবী জানায়।.সম্পূর্ণ ভিন্ন সমাজের প্রেক্ষাপটে নিয়ে লেখা রাশিয়ান লেখক নিকোলাই গোগল তার তারাস বুলবা উপন্যাসে আরেক ইহুদি সুযোগ সন্ধানী চরিত্র ইয়ানকেল-কে সৃষ্টি করে দেখিয়েছেন তাদের সম্পর্কে তখনকার শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবিদের মনোভাব।.ইংল্যাণ্ড, ফ্রান্স, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিয়মিত তাড়া খেয়ে তাড়া মিডল ইস্টে ঢুকতে থাকে। এর মধ্যে ইউরোপিয়ান একটি চালও ছিলো। ক্রিশ্চিয়ানরা যেহেতু ইহুদিদের পছন্দ করতো না তাই তারাও চাচ্ছিল মুসলমানদের এলাকায় তাদের ঢুকিয়ে দিতে।.আর প্রায় আড়াই হাজার বছর ধরে যাযাবর জীবনের অবসানও চাচ্ছিলো ... ...
কার্টিস রজার্স নামে এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী ও জন ওলসন নামে এক ট্রান্সপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার লেক ওয়ার্থ, ফ্লোরিডায় 2010 সালে জেডম্যাচ ( ZedMatch ) নামে একটা ডিএনএ প্রোফাইলিং কোম্পানি খোলেন।.তাদের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল নতুন গবেষকদের জেনেটিক গবেষণায় সাহায্য করা এবং এতিম, দত্তক বা পরিত্যক্ত শিশুদের বাবা-মা অথবা আত্মীয়-স্বজনদের খুঁজে বের করতে সাহায্য করা।.জেড ম্যাচে রেজিস্ট্রেশনকৃত ব্যবহারকারী স্বেচ্ছায় নিজের ডিএনএ তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করে রাখতেন। নতুন কোন ডিএনএ আপলোড হলেই একটা সফটওয়্যার সবার সাথে মিলিয়ে দেখে ম্যাচকৃত ব্যবহারকারীকে ইমেইল করে দিত। এভাবেই লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে একটা বেশ বড়সড় ডাটাবেজ তৈরী হয়ে যায়।.ওদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার পুলিশ 1974 সাল থেকেই গোল্ড স্টেট ... ...
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় জুডি ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে দায়িত্বরত কয়েকটি জাহাজের মাসকট। 1942 সালে জাপানিদের হাতে ধরা পড়ায় তাকে যুদ্ধ বন্দীদের ক্যাম্পে যেতে হয়। .সেখানে জুডির সাথে আরেক যুদ্ধ বন্দী ফ্রাঙ্ক উইলিয়ামসের দেখা হয়, যে তার স্বল্প রেশন জুডির সাথে ভাগাভাগি করে নিত। বিনিময়ে জুডি ক্যাম্পে বিষাক্ত সাপ কুমির বা বাঘের উপস্থিতি আশেপাশে টের পেলে সবাইকে সতর্ক করে দিত। .ক্যাম্প ভেঙে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার সময় যুদ্ধবন্দীরা একটি খালি চালের বস্তায় ভরে জুটিকে চুপিচুপি তাদের সাথে নিয়ে যায়। চালাক জুডি বস্তার ভিতর একদম মুখ বন্ধ করে ছিল। পরের দিন জাহাজে একটা টর্পেডো আঘাত করে। .জুডিকে বাঁচানোর জন্য উইলিয়াম ... ...
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যখন ভারতীয়রাও ব্রিটিশদের হয়ে লড়ছে তখন সামরিক প্রয়োজনের অজুহাত দেখিয়ে ব্রিটিশরা ভারত বিশেষ করে বাংলা থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য সরিয়ে নেয়।,খাদ্যশস্যের অভাবে তখন বাংলা মূলকে যে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় তা ইতিহাসে তেতাল্লিশের মন্বন্তর নামে পরিচিত। সেই মন্বন্তরের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষ মারা যায। তখন বাংলার জনসংখ্যা ছিল ছয় কোটির মতো। সেই হিসেবে প্রায় প্রতি ১৫ জনের ভেতর একজন মারা যায়। এটা অবিশ্বাস্য বড় রকমের একটা গণহত্যা।,ব্রিটিশরা আসার আগে মুসলিম শাসনামলে বাংলা মূলকে কখনো দুর্ভিক্ষ হয়নি। কেননা মুসলিম শাসকরা কোন মৌসুমে ফসল বেশি হলে সেটা জমিয়ে রাখতেন খরার সময় বিলি করার জন্য।,কিন্তু ব্রিটিশরা আসার পর প্রতি দশকে ... ...
৬ই জুন, ১৯৪৫।নরম্যান্ডিতে মিত্রবাহিনীর সৈন্যরা ইউরোপকে মুক্ত করার জন্য অবতরণ করছে। এটি ছিল আধুনিক সমর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অভিযান। জার্মান বাধা অতিক্রম করে বিচ পেরোতে গিয়ে নিহত হয় হাজার হাজার মিত্রপক্ষের সৈনিক।.ওদিকে সুদূর আমেরিকায় মিলিটারি হেডকোয়ার্টারের এক কোনায় বসে কয়েক ডজন ক্লার্ক একযোগে শত শত চিঠি টাইপ করে যাচ্ছে। উদ্দেশ্য মৃত সৈনিকদের শেষ খবরটি তার পরিবারকে পৌঁছে দেওয়া।.হেডক্লার্ক সব টেবিলে ঘুরে ঘুরে সবাইকে তাড়া দিচ্ছে কারণ আরও হাজার হাজার মৃত সৈনিকের পরিবারে চিঠি পাঠাতে হবে। হঠাৎ তিন টেবিলের তিনটি চিঠির উপর তার দৃষ্টি আকর্ষিত হয়। প্রত্যেক মৃত সৈনিকের নামের শেষ উপাধি রায়ান।.হেডক্লার্ক চিঠি তিনটি নিয়ে তার সুপারভাইজরের দৃষ্টি ... ...
গ্রীষ্মকালের চরম শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার তৃণভূমিতে আগুনলাগা নতুন কোনো ব্যাপার নয়। তীব্র তাপমাত্রায় বয়ে যাওয়া ঝড়ো বাতাস, বজ্রপাত, অসাবধানী ক্যাম্প ফায়ার ও নানা কারণে তৃণভূমিতে প্রায়ই আগুন লাগে।.তৃণভূমিতে এই বাৎসরিক আগুন লাগার পেছনে তৃতীয় একটা কারণ আছে যা আধুনিক মানুষ মাত্র কিছুদিন আগে জেনেছে। এটা অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা হাজার বছর আগেই জানত -- আগুনে বাজ বা Fire hawk ..Fire hawk বা Black Kite ( Milvus Migrans ) নামে পরিচিত এই বাজ কোথাও আগুন লাগতে দেখলে একা বা সংঘবদ্ধভাবে ছোটখাটো জ্বলন্ত ডালপালা ঠোঁটে করে বয়ে নিয়ে গিয়ে দূরে নিক্ষেপ করে।.আগুন লাগলে কীটপতঙ্গ পতঙ্গ ও সরীসৃপ দলবেঁধে বেরিয়ে আসে। ... ...
অনেক চিন্তা, ভাবনা ও পরিকল্পনার পর ১২১১ সালে সকল জেনারেলদের ডেকে ঘোষণা দিল আমরা জিন সাম্রাজ্যের উপর আক্রমণ করছি। জেনারেলরা জানতে চাইল কোন পথে ? মানচিত্রে আঙ্গুল দিয়ে সর্বাপেক্ষা কঠিন পথ গোবি পার হয়েই হামলা করব।.জেনারেলরা জানের ভয়ে কিছু বলতে না পারলেও বলল মরু পারি দিব কি করে? চেঙ্গিস ফর্মুলা বলে দিল প্রত্যেকেই কয়েকটা করে ঘোড়া নিবে, এক ঘোড়া ক্লান্ত হয়ে গেলে তাকে ফেলে আরেকটায় আরোহন করবে।.জিন সাম্রাজ্য নিজের মূল ফোর্স না পাঠিয়ে সীমান্তের যাযাবর গোষ্ঠীর প্রায় ৫০,০০০ সৈন্যের মার্সেনারি ফোর্স গঠন করে জিংসিংয়ের পাস রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত করে। সম্রাটের ভাবা উচিৎ ছিল, অধিকাংশ যাযাবর গোষ্ঠীগুলো কোন না কোনভাবে মঙ্গোল ... ...
অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে যান্ত্রিক সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে সারা বিশ্বে রাবারের চাহিদা বেড়ে যায়। বৈদ্যুতিক তারের ইনসুলেশন, সাইকেল ও গাড়ির টায়ার যুদ্ধাস্ত্র ও ভারী যন্ত্রপাতি তৈরি করতে রাবারের প্রয়োজন হতো। কয়েক টুকরা রাবারের অভাবে অনেক সময় ভারী যন্ত্রপাতির উৎপাদন আটকে যেত।.সিন্থেটিক রাবার আবিষ্কারের আগে বৈশ্বিক চাহিদার বেশিরভাগ পূরণ হতো আমাজন জঙ্গলের রাবার গাছ থেকে। একক পরাশক্তি হিসেবে বৃটেনের রাবারের চাহিদা ছিল অনেক বেশি। রাবারের গুরুত্ব বুঝতে পেরে ব্রিটেন সিদ্ধান্ত নেয় রাবার উৎপাদনের উপর নিজের নিয়ন্ত্রন স্থাপনের।.এই উদ্দেশ্যের লন্ডনের রয়েল বোটানিকাল ইনস্টিটিউট 1876 সালে হেনরী উইকহ্যাম নামে এক ব্রিটিশ পর্যটককে দায়িত্ব দিয়ে আমাজনে পাঠায়। নৌকা নিয়ে আমাজনের গভীরে ঢোকার ... ...
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার দুই তরুণ জীববিজ্ঞানী ড্যারিল গোয়েন এবং ডেভিড রেন্জ মাঠে কাজ করছিলেন। তারা হাইওয়ে থেকে খানিকটা দূরে একটা বিয়ারের বোতল দেখতে পেলেন। সেটি অস্বাভাবিক কিছু ছিলো না।.কারন, প্রায়ই অস্ট্রেলিয়ানরা গাড়ির জানালা দিয়ে রাস্তায় এমন বিয়ারের বোতল ছুড়ে মারেন। কিন্তু যেটা দুই তরুণ বিজ্ঞানীর মনোযোগ কেড়ে নেয় সেটা হচ্ছে, এর উপরে বসে থাকা একটা পুরুষ গুবরে পোকা। তারা আবিষ্কার করেন যে, পোকাটি বোতলটির সাথে যৌনক্রিয়া করার চেষ্টা করছে।.বিজ্ঞানী দুইজন খুঁজে খুঁজে আরও চারটি বিয়ারের বোতল বের করলেন। তারপর খোলা মাঠে তা রেখে দিলেন। তিরিশ মিনিটের মধ্যেই দুইটি বোতলে ছয়টি গুবরে পোকা এসে বসলো। সবাই ছিলো সোনালি রঙের অস্ট্রেলিয়ান জুয়েল বীটল ... ...
দ্য বার্ডস ব্রিটিশ লেখক মুরিয়েরের ১৯৫২ সালে লেখা দি আপেল কালেকশনের একটি বড় গল্প। গল্পটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে লেখকের নিজ বাসভূমি কর্নওয়ালের একটি ছোট্ট গ্রামের প্রেক্ষাপটে লেখা। .যুদ্ধাহত সৈনিক ও পার্টটাইম খামারী ন্যাট কোহেন তার বাড়ি ও উপদ্বীপের আশেপাশে পাখিদের অস্বাভাবিকভাবে জড়ো হতে দেখে ধারণা করে শীতের দ্রুত আগমনের ফলেই পাখিরা এরকম অস্বাভাবিক আচরণ করছে।.সেই রাতে ন্যাট তার জানালায় শব্দ শুনে পাল্লা খুলতেই একটি পাখি তার হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। রাত গভীর হতে ন্যাট তার বাড়ির আশেপাশে আরও পাখির আনাগোনা লক্ষ্য করে। কিন্তু তারা সকালে চলে যায়। ন্যাট তার স্ত্রীকে আশ্বস্ত করে দ্রুত শীতের আগমনই পাখিদের এরকম অস্থিরতার কারণ।.পরের ... ...