পশু পশুই থাকেমানুষই পশু হয়। মানুষ তো পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত প্রাণীতাই জন্যই কি উঁচু থেকে নিচে নেমে আসা হয়? মানুষের বুদ্ধির কাছেপশুর বুদ্ধি ধারেকাছেও ঘেঁষে না। তাই তো পশু বনেই ... ...
আমরা দেখি আকাশ কত বড়োঅথচ আকাশ দ্যাখে আমরা কত ক্ষুদ্র।আমরা দেখি পৃথিবী কত বড়োঅথচ আকাশ দ্যাখে পৃথিবী কত ক্ষুদ্র।আমরা দেখি সমুদ্র কত বড়োঅথচ আকাশ দ্যাখে সমুদ্র কত ক্ষুদ্র।আকাশ কেন হলো এত বড়ো?কারণ ঈশ্বর আকাশে বসবাস করেনআর ঈশ্বরের বাসস্থান কখনও হয় না ক্ষুদ্র।--- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী২০/১২/২০২৩ ... ...
সময়ের কাজ করো সময়ে দেখবে কাজের বোঝা ঠিক কমছে। কিন্তু যদি পরে করার জন্য রাখো ফেলে তখন নতুন কাজের সাথে পুরোনো কাজ করতে হবেক ত চাপের ব্যাপার দ্যাখো ভেবে। যে কাজ করতেই হবেসে কাজ কেন ফেলে রাখবে? বুদ্ধিমানেরা বর্তমানের কাজ শেষ করে ভবিষ্যতের কাজ একটু একটু করে শেষ করে রাখে এতে পরবর্তী সময়ে চাপ কমবে ... ...
যদি আমি আকাশ হতাম তাহলে আমি পৃথিবীকে ধরে রাখতাম। যদি আমি সূর্য হতাম তাহলে আমি বিনা পৃথিবী অন্ধ হতো। যদি আমি বায়ু হতাম তাহলে আমি বিনা পৃথিবীর কোনো প্রাণী বেঁচে থাকতো না। যদি আমি প্রলয় হতাম তাহলে আমি আপন খেয়ালে পৃথিবীতে ধ্বংসলীলা ... ...
আমি মেঘ হতে চাইতাম মেঘ হলে আকাশ ছুঁতে পারতাম। কিন্তু মেঘেরও তো মৃত্যু হয় বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে। অমন ক্ষুদ্র জীবন ... ...
আমি যদি মাটি হতাম তাহলে পৃথিবীতে থাকতাম। আমি যদি পৃথিবী হতাম তাহলে সৌরমন্ডলে থাকতাম। আমি যদি সৌরমন্ডলে ... ...
পাহাড়, তুমি দেখতে সুন্দর হলে কেন? পাহাড়, মেঘ তোমার কাছে ছুটে আসে কেন? পাহাড়, নদী কেন তোমার কাছ থেকে জন্মায়? পাহাড়, ঝর্ণা কেন তোমার কাছে ... ...
এ বিশ্বে একটি নির্দিষ্ট ধর্ম নেই কেন, যাকে অবলম্বন করে সকল মানুষ বাঁচবে? এ বিশ্বে ঈশ্বর এক নয় কেন, যাঁকে সকল মানুষ উপাসনা করবে? এ বিশ্বে একটি নির্দিষ্ট ধর্মগ্ৰন্থ নেই কেন, যার উপদেশ সকল মানুষ মেনে চলবে? এ বিশ্বে ধর্মের ভেদাভেদ আছে কেন, বিভিন্ন ধর্ম থাকার জন্যই না? এ বিশ্বে এক ধর্মের মানুষেরা অন্য ... ...
--- তুমি এলে আমার কাছে দশ বছর পর। আচ্ছা, এতগুলো বছর কেমন করে কাটালে আমায় ছাড়া?আমার কথা মনে পড়তো?--- এসব জিজ্ঞাসা করতে হয়? তোমায় ছাড়া থাকতে পারি একা একা? কিন্তু কী করব বলো, আমার যে কিছুই করার ছিল না। শুধু ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতাম, তিনি যেন আমাকে তোমার কাছে পাঠিয়ে দেন।--- এবার থেকে আমরা একসাথে থাকব। আর কখনও আলাদা হবো না।--- সত্যি, তোমায় ... ...
আজ থেকে অনেক বছর আগের কথা বলছি।তখন আমাদের অজয়পুর ছিল একেবারে অজ পাড়া গাঁ। গ্ৰামের বাড়িগুলি কম করে হলেও একশো দুশো মিটার অন্তর ছিল। গ্ৰামে একটাই মাত্র উচ্চমাধ্যমিক স্কুল ছিল। সেখানে প্রথম শ্রেণি থেকেই পড়াশোনা চলত। গ্ৰামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে হীরামতি নদী। এই নদীর পাশেই সপ্তাহে তিনবার হাট বসত। গ্ৰামে কোনো ডাক্তারখানা ছিল না। তবে দুই ঘর বৈদ্য বাস করত। ব্যস এই নিয়ে আমাদের গ্ৰাম গড়ে উঠেছিল। গ্ৰাম থেকে একুশ কিমি দূরে ভীমনগর শহর অবস্থিত। সেখানে হাসপাতাল কলেজ সবই আছে।তবে বর্তমানে আর সেই আগের মতো গ্ৰাম নেই।অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখন উচ্চমাধ্যমিক স্কুল ছাড়াও দুটো প্রাথমিক স্কুল গড়ে উঠেছে। এখন ... ...