এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আজাদ কাশ্মীর : আপনার কী মত

    pi
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ২৩৭০৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • debu | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ২৩:০৪459928
  • Kashmir Solution
    ১।নেপাল -ভুটান এর মতো একে স্বাধীন রাস্ট্র ঘোষনা করা।
    ২।১৯৪৭ এর পরে যতো হিন্দু রা কাশ্মির এ ছিলো তাদের কে ফিরিএ নিতে হবে
    ৩।POK,IOK and COK all should be included in New kashmir
    ৪।Initial fund & security will be provided by UNO for 10 years till the Gov. of Kashmir stabilized
    ৫।The new country should NOT be declared as another Islamic country
    ৬।India will save at least 10000Cr per year
  • debu | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০০:০৭459930
  • কল্লোল দা "মেরা ভারত মহান"
  • aka | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০০:১৬459931
  • জার্মানী কবেই করে দেখিয়েছে, ভারত পারল না, কেন জানা নেই।

    http://en.wikipedia.org/wiki/Berlin_Wall
  • pi | ২৩ আগস্ট ২০১১ ২১:৩৩459932
  • August 22, 2011
    Mass Graves Hold Thousands, Kashmir Inquiry Finds
    By LYDIA POLGREEN

    housands of bullet-riddled bodies are buried in dozens of unmarked graves across Kashmir, a state human rights commission inquiry has concluded, many of them likely to be those of civilians who disappeared more than a decade ago in a brutal insurgency.

    The inquiry, the result of three years of investigative work by senior police officers working for the Jammu and Kashmir State Human Rights Commission, brings the first official acknowledgment that civilians might have been buried in mass graves in Kashmir, a region claimed by both India and Pakistan where insurgents waged a bloody battle for independence in the early 1990s.

    The report sheds new light on a grim chapter in the history of the troubled region and confirms a 2008 report by a Kashmiri human rights organization that found hundreds of bodies buried in the Kashmir Valley.

    Tens of thousands of people died in the insurgency, which began in 1989 and was partly fueled by weapons, cash and training from Pakistan.

    According to the report, the bodies of hundreds of men described as unidentified militants were buried in unmarked graves. But of the more than 2,000 bodies, 574 were identified as local residents.

    “There is every probability that these unidentified dead bodies buried in various unmarked graves at 38 places of North Kashmir may contain the dead bodies of enforced disappearances,” the report said.

    The report catalogs 2,156 bodies found in graves in four districts of Kashmir that had been at the heart of the insurgency. It called for a thorough inquiry and a collection of DNA evidence to identify the dead, and, for the future, proper identification of anyone killed by security forces in Kashmir to avoid abuse of special laws shielding the military from prosecution there.

    Thousands of people, mostly young men, have disappeared in Kashmir. Some went to be trained as militants in the Pakistan-controlled portion of Kashmir and were killed in the fighting. Many others were detained by Indian security forces. The wives they left behind are known as half-widows, because the fates of their husbands are unknown. Parents keep vigil for sons who were arrested two decades ago.

    Parveena Ahanger’s son Javed was taken away by the police on Aug. 18, 1990, and never seen again. An investigation found that he had been killed by security forces, but they have not been prosecuted, she said.

    “I never got any response from the government,” she said. “I never got his dead body.”

    After years of fighting in the courts to find out what happened to Javed, Ms. Ahanger was skeptical that the human rights report would get her son’s body back, or bring her justice.

    “If the high court doesn’t give any justice on this issue, what will the state human rights commission do?” she said.

    Zahoor Wani, an activist who works with the families of people who disappeared during the insurgency, said that the report was a welcome first step but that the government must identify the dead and allow families to bury their relatives.

    “It is a very good thing that they acknowledge it,” Mr. Wani said. “These families have been living in a hope to see these people again.

    “They are neither dead nor alive,” he said. “We need to move them to one pole or the other.”

    (Hari Kumar contributed reporting.)

    http://www.nytimes.com/2011/08/23/world/asia/23kashmir.html?ref=world
  • pi | ২৬ আগস্ট ২০১১ ১৮:১৩459934
  • এই নিয়ে আমাগো দ্যাশের বরখা দিদি, অর্ণবদাদাদের কোনো উচ্চবাচ্যা নাই ?
  • pingo | ২৭ আগস্ট ২০১১ ০৩:৪৪459935
  • প্রচুর পোস্ট, লাস্ট এর দু-একটা পাতায় চোখ বোলালাম।
    এক লাইনে আমার মত লিখে দিচ্ছি: অনেক ideologicalsolution থাকতে পারে, তবে কাশ্মীর সমস্যার কোনও প্রাকটিকাল সল্যুশন নেই। অদূর-সুদূর ভবিষ্যতে কাশ্মীরের স্বাধীন হওয়ার চান্স
    practically শূন্য।
  • pingo | ২৭ আগস্ট ২০১১ ০৩:৫২459936
  • কারনটা খুব সোজা। কোনটা এথিক্যালি ঠিক আর কোনটা ভুল সেসব দেখে খুব একটা লাভ নেই।অপ্রথমত ইউনিভারসাল এথিক্যাল কোড বলে কিছু আছে বলে আমি বিশ্বাস করিনা। দ্বিতীয়ত, থাকলেও সেটা খুব গুরুঙ্কÄপূর্ণ নয়, কারন কাশ্মীর কে স্বাধীন হওয়ার জন্য ভারত পাকিস্তান এবং চীন - এই তিনটে দেশ কেই কমন টার্মস এ একমত হতে হবে, এবং নিজেদের দখল করা পার্ট ছেড়ে দিতে হবে। কাশ্মীর একটা strategiclocation, তাই কোনও দেশই ছাড়তে রাজি হবে না। তিনটে দেশের একসাথে রাজী হওয়ার চান্স কত?? closetozero.
  • Sibu | ২৭ আগস্ট ২০১১ ০৪:৩১459938
  • একটা কথা এক্কেরে ক্লিয়ার নয়। গনভোটের ইউনিট কি হবে? পুরো প্রদেশ, জেলা, গ্রাম, পাড়া না কি? তার চেয়েও বড় কথা হল, এই ভোটের ইউনিট কি করে ঠিক হবে?
  • aka | ২৭ আগস্ট ২০১১ ০৭:২০459939
  • পিঙ্গুর লাস্ট দুটো পোস্টকে বিরাট বড় ক। কাশ্মীর সমস্যা অনেক বড় সমস্যার একটা অংশ। তাকে আলাদা ভাবে সমাধান করতে গেলে অন্ধের হস্তী দর্শনের মতন হবে।
  • dri | ২৮ আগস্ট ২০১১ ০০:৪৩459940
  • কাশ্মীর ডিসপিউটের একটা বড় পার্ট হল, জল। এই ব্যাপারটা ভারতের মিডিয়ায় খুব একটা আলোচনা হতে দেখিনা। কিন্তু পাকিস্তানী মিডিয়ায় এটা আসে। সিন্ধু আর আর তার উপনদীগুলোর সোর্স সব কাশ্মীর আর হিমাচলে, কিন্তু পাকিস্তানে চাষে এগুলো খুব দরকারী। ভারত ড্যাম বানিয়ে খুব অসুবিধেয় ফেলত পাকিস্তানকে। জল আটকে ক্ষরা করিয়ে দিত, জল ছেড়ে বন্যা করে দিত। চাষে বাগড়া দিলে ফুড সিকিউরিটি ভোগে যায়। খাবার এক্সপোর্টের বদলে ইম্পোর্ট করতে হয়। অনেক ঝামেলা হয়। অর্থনীতির ওপর চাপ পড়ে। অনেক ঝামেলাঝাঁটির পর সিমলা অ্যাকর্ডে ঠিক হয় ঝেলাম আর চেনাব পাকিস্তানের। রভি, বিয়েস আর সাটলেজ ভারতের। কিন্তু গত বছর প্রচন্ড বন্যা হয়েছিল পাকিস্তানে। পাকিস্তানের কমেন্টেটাররা ভারতকেই দায়ী করেছিল, স্পেশালি চেনাবের ওপর বাগলিহার ড্যাম।

    http://www.ahmedquraishi.com/2010/08/21/india-causes-fresh-pakistan-floods/

    কাশ্মীর আজাদ করে দিলে ভারত এই আপার হ্যান্ডটি হারাবে।

    কাশ্মীরের আরেকটা ইম্পর্ট্যান্স হল, এর লোকেশান। এটা গেটওয়ে টু সে¾ট্রাল এশিয়া, যেখানে প্রচুর ফসিল ফুয়েল রয়েছে। তেল তো যা আছে, আছে। আর আছে ন্যাচারাল গ্যাস। প্রচুর। ন্যাচারাল গ্যাস মোস্ট প্রবাবলি নেক্সট জেনারেশান ফুয়েল হতে চলেছে। কলকাতার অটোর মত সব গাড়ী একদিন ন্যাচারাল গ্যাসে চলবে। কিন্তু প্রথমে পাইপলাইন টেনে আনতে হবে সে¾ট্রাল এশিয়া থেকে নানা দিকে। সেই কাজ চলছে। ইউরোপের দিকে পাইপলাইন পাতা শুরু হয়ে গেছে। সাউথ স্ট্রীম, নর্থ স্ট্রীম, বিটিসি ইত্যাদি। চীন, ভারত সবাই চায় তাদের দিকেও লাইন আসুক। কিন্তু আমেরিকা চায় না চীনের কাছে ফুয়েলের অ্যাকসেস থাকুক। সেইজন্যেই পাকিস্তানে একটা এন্ডলেস ঝামেলা বাধিয়ে রাখা হয়েছে। এটা আসলে চীনকে ঠেকানোর একটা প্লয়। এই গেমে ভারত ওয়েস্টার্ন পাওয়ারের পন। কিন্তু কাশ্মীর আজাদ হয়ে গেলে সে¾ট্রাল এশিয়ার সাথে একমাত্র রুটটা ভারত হারাবে। এবং সেক্ষেত্রে ভারতকে হয়ত সমুদ্রপথে ফুয়েল আনতে হবে। সেটা খুব কস্টলি হবে। সেইজন্য গ্রেট গেমে কাশ্মীরের জিওপলিটিকাল গুরুত্ব অসামান্য।

    স্টেকস আর ভেরি হাই। জাস্ট হিউম্যানিটারিয়ান ক্যাঁচোরম্যাচোর করে এটা রিজল্‌ভ করা খুব মুস্কিল।
  • nyara | ২৮ আগস্ট ২০১১ ২০:৫২459941
  • দ্রিকে দিয়ে রেগুলারলি একটা জিও-পলিটিকাল ফিচার লেখালে পারেন সম্পাদকেরা। মজা করছি না। আমি ব্যক্তিগতভাবে খুবই এনজয় করব। অল্পস্বল্প কনস্পিরেসি থিওরি থাকবে, সেটা হাসিমুখে মেনে নেওয়া যাবে।
  • PM | ২৮ আগস্ট ২০১১ ২১:০৩459942
  • DRIর সাথে সম্পুর্ন একমত। এক-ই কারনে কল্লোলদার "স্ট্র্যটেজিক ভুগোল" বলে কিছু হয় না".... এই অদ্ভুত theory টার সাথে দ্বিমত। সেক্ষেত্রে ইরাক, লিবিয়ার যুদ্ব হতই না। বরং আজকের দুনিয়ার বড় বড় সমস্যা গুলোর root cause analysis করলে দেখা যাবে strategic geopolitics -ই কোনো না কোনো ভাবে শেষ কারন।
  • aka | ২৮ আগস্ট ২০১১ ২২:৪৪459943
  • ন্যাড়াদাকে সাপোর্ট করে গেলাম। কনস্পিরেসি তো আছেই অস্বীকার করার কোন উপায়ই নেই।
  • kallol | ২৯ আগস্ট ২০১১ ০৫:১২459944
  • কাশ্মীরের স্ট্র্যাটেজিক গুরুত্ব ছিলো ৫টা দেশের সীমান্ত। ভারত, পাকিস্তান, অফগনিস্তান, রাশিয়া, চীন। হরি সিং চেয়েছিলেন নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসাবে স্বাধীন কাশ্মীর, সুইজারল্যান্ডের মতো সুবিধা ভোগ করবে। তখন সকলেই চেয়েছিলো কাশ্মীরের ওপর নিয়ন্ত্রন রাখতে, যাতে ঐ ৫টা দেশে নজরদারী চালাতে সুবিধা হয়।
    আজকে নজরদারীর প্রযুক্তি এমন যায়গায় পৌঁছেছে যে তার জন্য বিশেষ কোন ভৌগলিক অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রন রাখতে লাগে না।
    ইরাক বা লিবিয়ার যুদ্ধ তার তেলের কারনে। প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে ভৌগলিক অবস্থানের গুরুত্বের তফাৎ গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে।
    আজ কাশ্মীরে যে প্রাকৃতিক গ্যাসের কথা বলা হছে, তার খবর ১৯৪৭ ছিলো না।
  • PT | ২৯ আগস্ট ২০১১ ১৭:৪৭459945
  • এই প্রসঙ্গে আমার একটা উদাহরণ মনে আসে। ১৯৪৭ সালে একদল বাঙালী - ""লড়কে লেঙ্গে পাকিস্থান"" বলে ভারত থেকে বেড়িয়ে গিয়েছিল। দেড় দশকের মাথায় তারা নিজেদের ঐতিহাসিক ভুলটি উপলব্ধি করে আর তাদের সন্তানেরা পাকিস্থানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ভিন্ন দেশের জন্ম দেয়। অর্থাৎ '৪৭-এ যে সেই বাঙালীরা সম্পুর্ণ হৃদয়তাড়িত হয়ে বিপথগামী হয়েছিল সেটা ঐতিহাসিক ভাবেই স্বীকৃত হয়।

    ৮০-র দশকে বিদেশে থাকাকালীন বেশ লম্বা সময় কেটেছে বাংলাদেশী বন্ধুদের সঙ্গে। একটি কথা অনেককেই বলতে শুনেছি: ""ভারতে রয়ে গিয়েছে যে মুসলিমরা তাদের সারা দেশটা আছে চাকরী ইত্যাদি খোঁজার জন্য। আমাদের ভারতও নেই পাকিস্থানও নেই।""

    আর একই ধর্ম বা জাতি নিয়ে গঠিত ছোট দেশ বা রাজ্য হলেই মানুষের জীবন সুখের হয়না। ভারত থেকে পাকিস্থান আর পাকিস্থান থেকে বাংলাদেশের জন্ম ও সেই দেশে দুটোর রক্তক্ষয়ী ইতিহাস আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়।
  • dri | ২৯ আগস্ট ২০১১ ২১:৪৪459946
  • সে¾ট্রাল এশিয়া যে বিপুল এনার্জির ভান্ডার সেটা অনেক আগেই জানা ছিল। অয়েল ফিল্ড, গ্যাস ফিল্ড নিত্য নতুন আবিষ্কার হচ্ছে। কিন্তু আজ একটা জায়গায় একটা আবিষ্কার হল মানে দশ বছর আগে থেকেই লোকে ঐ অঞ্চলে খুঁজে যাচ্ছে। আর তাছাড়া, দীর্ঘদিন এই অঞ্চলগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ানের অন্তর্গত ছিল। সোভিয়েত ভেঙ্গে দেওয়ার পেছনে এইটা বড় কারণ। কাস্পিয়ান সাগরের পাড়ে তুর্কমেনিস্তান, কাজাকস্তানে প্রচুর ফুয়েল পাওয়া গেছে।

    স্যার ওলাফ ক্যারো, যিনি ১৯৪২ সালে ভাইসরয়'জ স্টাডি গ্রুপ তৈরী করেছিলেন, বলেছিলেন

    the shadow of the north must not extend over the wells of power.

    নর্থ মানে রাশিয়া। এনার্জি যে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ স্ট্র্যাটেজিক ব্যাপার সেটা বৃটেন বুঝেছিল, বিশেষ করে সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের সময়। যুদ্ধে জিততে গেলে, অন্য দেশের ওপর স্ট্র্যাঙ্গলহোল্ড রাখতে গেলে (তা না হলে আর কিসের ইম্পিরিয়ালিস্ট) সোর্স অফ এনার্জির ওপর সম্পূর্ণ দখলদারী চাই। বৃটেনের হাইকম্যান্ডের কাছে খুব জোরালো ভাবে এই কথা পেশ করেন ক্যারো। এবং রাণীমার বিশ্বাসভাজন হন সেটা বোঝাই যাচ্ছে 'স্যার' উপাধি দেখে। ইনি Wells of Power নামে একটা বইও লেখেন।

    উইকিলীক্‌স ইউ এস এম্ব্যাসী কেব্‌ল ফাঁস করেছে, তার একটিতে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সাথে ইউ এস অ্যাম্বাস্যাডারের কথোপকথন আছে।

    In a leaked US Embassy cable released by WikiLeaks, it was reported that Prince Andrew, Duke of York, supports the concept of a New Great Game:

    Addressing the Ambassador directly, Prince Andrew then turned to regional politics. He stated baldly that “the United Kingdom, Western Europe (and by extension you Americans too)” were now back in the thick of playing the Great Game. More animated than ever, he stated cockily: “And this time we aim to win!”[
  • dri | ২৯ আগস্ট ২০১১ ২২:১৯459947
  • অর্থাৎ বলতে চাইছি হরি সিংএর সময় বৃটিশরা সে¾ট্রাল এশিয়ার এনার্জির খবর জানত না একথা একবারেই সত্যি নয়।
  • kallol | ৩০ আগস্ট ২০১১ ০৯:১০459949
  • দ্রি। আপনার পোস্ট পড়ে কোথাও মনে হলো না যে বৃটিশরা কাশ্মীরে প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার আছে বলে জানতো। বরং রাশিয়াকে কব্জায় রাখার জন্য কাশ্মীর একটা অসাধারণ স্ট্র্যাটেজিক লোকেশন এটা উপলব্ধি করেছিলো।
    আমিও তাই বলেছি।
    আজকে নজরদারী করার জন্য বা মিলিটারী বেশ বানানোর জন্য এ ধরনের লোকেশনের প্রয়োজন প্রায় নেই। যখন আমেরিকা থেকেই ইন্টারকন্টিনেন্টাল মিসাইল লঞ্চ করা যায় ও তা ইরাকে সদ্দাম হোসেনের বাংকারে ইঞ্চি মেপে স্ট্রাইক করানো যায়, বা বিন লাদেন আফগানিস্তানে কোন কারখানা থেকে কাকে ফোন করেছিলেন সেটা জেনে সেই কারখানাটাও উড়িয়ে দেওয়া যায়, তখন আঞ্চলিক অধিপত্য বজায় রাখার জন্য কাশ্মীর খুব প্রয়োজনীয় নয়।

    আর তাছাড়া এসব যুক্তিতে যাবার কোন দরকারও নেই। কাশ্মীরের মানুষ স্বাধীন হতে চান। তাদের দাবী ন্যায্য বলে মনে করি।
    যেমন উ:পূ:এ নাগাল্যান্ড, মনিপুর ভারতে থাকতে চায় না। সে দাবীও ন্যায্য।
    তারা কিভাবে তাদের দেশ চালাবে তাই নিয়ে আমাদের মাথা না ঘামালেও চলবে।
  • PT | ৩০ আগস্ট ২০১১ ১১:৪১459950
  • নতুন দেশ কি ভাবে চলবে সেটা নিয়ে বোধহয় সব প্রতেবেশী দেশের মাথা ঘামানোটা জরুরী। নাহলে বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য তোল্লাই দিয়ে তারপরে হাত গুটিয়ে নিলে অন্য কোন উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে হতে পারে।

    পাকিস্তান না হলে '৪৭-এ বন্যার স্রোতের মত উদ্বাস্তু ভারতে আসত না আর পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশ হওয়ার কারণে '৭১-এর দ্বিতীয় উদ্বাস্তুর স্রোত প:বঙ্গের অর্থনীতির ওপর বিপুল চাপ সৃষ্টি করেছে। এবং ঐ বাংলাদেশ থেকে কাজের সন্ধানে রোজই যদি অসংখ্য মানুষ অন্যান্য দেশে বেআইনি পথে ঢুকতে থাকে তাহলে এই উপমহাদেশে আরও একটি দেশের সৃষ্টিকে সমর্থন করার আগে প্রতিবেশী দেশগুলোকে অসংখ্যবার অবশ্যই ভাবতে হবে।

    পাকিস্তান হওয়ার জন্য আম আদমীর কতটা চাহিদা ছিল আর কিছু সংখ্যক লোভী মানুষ নিজেদের স্বার্থস্বীদ্ধির জন্য কতটা ধর্মের জিগির তুলে লোক খেপিয়েছিল তার হিসেব এখনও হয়নি। আর বাঙালী মুসলমানেরা পাকিস্তানের সঙ্গে গিয়ে কি মারাত্মক ভুল করেছিল সেটা তো তারা নিজেদের জীবন দিয়েও প্রমাণ করেছে।

    কাশ্মীরের মানুষও কতটা ""স্বাধীনতা"" সত্যিই চায় আর অন্য কারা কিসের ধান্দায় তাদের খেপিয়ে রেখেছে সে খবরই বা কারা রাখে?
  • dri | ৩০ আগস্ট ২০১১ ২২:২৫459951
  • কাশ্মীরে ন্যাচারাল গ্যাস নেই। অন্তত আপাতত আবিষ্কার হয় নি। কোন কথাটা পড়ে এটা আপনার মনে হল বুঝতে পারছি না। ন্যাচারাল গ্যাস আছে কাস্পিয়ান সাগরের পাড়ে, কৃষ্ণসাগরের পাড়ে। ঐ অঞ্চলে যে এনার্জি রিসোর্স আছে সেটা বৃটিশরা যে অন্তত ১৯৪০ এর দশক থেকে জানত তার প্রমাণ ক্যারোর বক্তব্য, যেটা আগেই লিখেছি।

    the shadow of the north must not extend over the wells of power.

    নর্থ অর্থে রাশিয়া। ওয়েলস অফ পাওয়ার অর্থে তেল এবং ন্যাচারাল গ্যাসের সোর্স। যেহেতু লোকেশানগুলো রাশিয়ার খুব কাছে, বিশেষ করে পুরোনো সোভিয়েত রাশিয়ার অন্তর্গতই ছিল, বৃটিশরা চাইছিল, ঐ অত পরিমাণ এনার্জির সোর্স যেন রাশিয়া কুক্ষিগত না করতে পারে। রাশিয়ার তলাটা ওরকম ভেঙ্গে টুকরো করে দেওয়ার পেছনে এইটাই অন্যতম জিওপলিটিকাল কারণ।

    ইকুয়েশানে কাশ্মীর আসছে এইভাবে। বৃটেন এবং আম্রিকা চায় না ভারত এবং চীনের কাছে খুব সহজে ফুয়েল পৌঁছে যাক। যেটা যেতে পারে যদি মাটি দিয়ে পাইপ পাতা হয়। ভারত এবং চীনকে মূলত সমুদ্রপথে তেল ইম্পোর্ট করতে হয়। এবং সেই সব ট্রেডরুটগুলো ক®¾ট্রাল করে আমেরিকার নেভি জাহাজ। কে কতটা তেল পাবে, কথা না শুনলে কার ফুয়েল সাপ্লাই কাট অফ করে দেওয়া হবে সেগুলোও ইউ এস, বৃটেন এরাই ঠিক করে। রিসেন্টলি তুর্কমেনিস্তানে একটা বিরট ন্যাচারাল গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয়েছে, ইওলোতান-ওসমান গ্যাস ফিল্ড। এই গ্যাস যদি ভারতে আসতে হয় তাহলে, পাকিস্তানে মাটি যথাসম্ভব অ্যাভয়েড করে আসতে হলে পাইপ লাইন ঢুকতে হবে তাজিকস্তান হয়ে কাশ্মীর দিয়ে। ভারত চেষ্টা করবে পাকিস্তানের মধ্যে দিয়ে লাইন না নিয়ে যেতে, যতটা সম্ভব। কারণ কনফ্লিক্টের সময় ফুয়েল সাপ্লাই বন্ধ করে দেওয়ার একটা ভয় থাকে। ভারত যদি কাশ্মীর ছেড়ে দেয়, তাহলে সে¾ট্রাল এশিয়ার ন্যাচারাল গ্যাস স্থলপথে পাওয়ার রাস্তা প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে (যদি না কাশ্মীর নতুন দেশ হয় এবং ভারতে বন্ধু দেশ হয়)। আবার কয়েনের উল্টোপিঠ হল, চীন যদি ইরানের ন্যাচারাল গ্যাস চায় (ইরানেও প্রচুর ন্যাচারাল গ্যাস আছে) তাহলে সমুদ্রপথ অ্যাভয়েড করতে গেলে কাশ্মীর দিয়ে লাইন টানতে হবে। তো সেই জন্য কাশ্মীরের ওপর জিওপলিটিকাল কারণে চীনের লোভ আছে। আবার ওদিকে পাকিস্তান কাশ্মীর চায় ঝেলাম আর চেনাবের জলের সোর্স সিকিওর করার জন্য। ইউ এস, বৃটেন এই ঝামেলাটা বোঝে। এবং চায় যে এটা একটা স্টেলমেট অবস্থায় থাকুক। কোন ক্লিয়ার উইনার না থাকুক। তাহলে চীন, এবং ইন্ডিয়া দুটি দেশই এনার্জি স্টার্ভড থাকবে। যেটা অন্যতম জিওপলিটিকাল এইম।

    আবার ওদিকে ইরানের গ্যাস ও ভারত পাকিস্তানের মধ্যে দিয়ে আনতে চায় না। সমুদ্র দিয়ে ডাইরেক্ট লাইন পাতার কথা যখনই উঠেছে, তক্ষুনি আম্রিকা এসে বাগড়া দিয়েছে। এই প্রোপোজালের বিরোধিতা করার জন্য কিছু কিছু মন্ত্রী এবং এম পি কে হয়ত হাতও করা হয়। কারণ, মাঝে মনি শঙ্কর আইয়ার ইরান ভারত পাইপলাইনের কথা বলছিলেন। তাকে সাইডলাইন করিয়ে দেওয়া হল।

    সব মিলিয়ে এটা একটা বড় জিওপলিটিকাল খেলার পার্ট। এবং কাশ্মীরে ঝামেলা, পাকিস্তানের উগ্রপন্থী এসবের পেছনে সি আই এ এবং এম আই সিক্সের মদত রয়েছে, একথা অনেকেই মনে করেন।
  • dri | ৩০ আগস্ট ২০১১ ২২:৪৩459952
  • আর এই একটা অংশ ভারতের সাথে থাকতে চায় কি্‌জ চায় না এটা ডিটারমিন করা বড় শক্ত। তুমি কি ভারতের সাথে থাকতে চাও, এই প্রশ্নের এক কথায় উত্তর, সবার কাছে নাও থাকতে পারে। কোয়ালিফায়েড উত্তর থাকতে পারে। যেমন, আমি ইন্ডিপেন্ডেন্ট কাশ্মীর চাই, কিন্তু পাকিস্তানের অ্যালাই হিসেবে থাকতে চাই। কিন্তু এমনও হতে পারে, স্বাধীন হওয়ার পর কাশ্মীর আম্রিকার একটি কলোনিতে পরিণত হল। সেটা আমি যখন কাশ্মীরের স্বাধীনতা চেয়েছিলাম, আমি ভাবিনি বা চাইনি। দেশ ভাগ হওয়ার সময় দাগগুলো কোথায় কেটে দেওয়া হবে এগুলো খব জটিল প্রশ্ন। শুধু ইডিওলজিকাল, আকাশ কুসুম কিছু সুন্দর সলিউশানের থেকেও বড় হয়ে ওঠে ইতিহাসের ব্যাগেজ, বিভিন্ন পাওয়ারের জিওপলিটিকাল ইন্টারেস্টের রেজাল্ট্যান্ট।

    সব্বাই যদি তার পছন্দমত দেশের বাউন্ডারি কেটে নিতে পারত, তাহলে পৃথিবীর ম্যাপ অনেক অন্যরকম হত। ইরাকের শিয়া মেজরিটি অংশ ইরানের পার্ট হত। আফ্রিকার ম্যাপ এরকম বিভিন্ন কলোনিয়াল পাওয়ারের রিসোর্সের ভাগ বাঁটোয়ারা আদলে না হয়ে, বিভিন্ন কমিউনিটি বা ট্রাইবের বসতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হত। কিন্তু এখন সে কথা বলে লাভ নেই। ইতিহাসের ব্যাগেজ শুধু মনে মনে সুন্দর সুন্দর কথা ভেবে ভ্যানিশ করে দেওয়া যায় না।
  • dri | ৩০ আগস্ট ২০১১ ২২:৫৮459953
  • আর নজরদারীর সাথে বেস বানানোর সম্পর্কটাও ঠিক অতটা সরল নয়। তার একটা কারণ, শুধু নজরদারীই লক্ষ্য নয়। সঙ্গে কন্টিনিউয়াস ইন্টারভেনশানও আছে। পিপ্‌ল অন দা গ্রাউন্ড ছাড়া ইন্টারভেনশান সম্ভব না। মিলিটারী বেস তো শুধু একটা আসপেক্ট। সাথে গোয়েন্দা আছে। কনসুলেট আছে। কনসুলেটের লোকেরাম
    মূলত হাই প্রোফাইল গোয়েন্দা। ইন্টারভেনশান এরা সবাই মিলে কোঅর্ডিনেট করে।

    এই হাইটেক যুগেও, আম্রিকা ১০০র বেশী দেশে মিলিটারী বেস রেখেছে। কেন? সবকিছু তো ইন্টারকন্টিনেন্টাল মিসাইল দিয়ে হয় না। ধরুন আপনি একটা জায়গায় অস্থিরতা আনতে একটা মার্কেটপ্লেসে বোম ফাটাতে চান। এটা তো ইন্টারকন্টিনেন্টাল মিসাইল দিয়ে হবে না। বোম জোগাড় করতে হবে। যেই গাড়ী করে বোমটা নিয়ে যাওয়া হবে সেটা জোগাড় করতে হবে। গাড়ীর ড্রাইভার ফিট করতে হবে। রিমোট দিয়ে যে বোমটা ফাটাবে তাকে ফিট করতে হবে। অন দা গ্রাউন্ড অনেক কাজ থাকে।
  • aka | ৩০ আগস্ট ২০১১ ২৩:০৪459954
  • দ্রি, TAPI (তুর্কমেনিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ইন্ডিয়া) পাইপ লাইনের কাজ ২০১০ এ শুরু হবার কথা ছিল। সে সম্বন্ধে কিছু জানেন?
  • dri | ৩০ আগস্ট ২০১১ ২৩:১১459955
  • আমি লাস্ট যা শুনেছিলাম ট্যাপির কাজ ভালো এগোচ্ছে না। আফগানিস্তান, পাকিস্তানে ঝামেলা বাধিয়ে রাখাটা একটা বড় কারণ। রিসেন্ট হাল কি তার জন্য একটু খোঁজখবর করতে হবে।
  • dri | ৩০ আগস্ট ২০১১ ২৩:১৩459956
  • ইন ফ্যাক্ট এই অঞ্চলে সবচেয়ে ভালো সলিউশান হল ভারত, চীন, পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে অ্যালাই করে ইউ এস আর বৃটিশ এজেন্টদের এখান থেকে ভাগিয়ে দেওয়া।

    কিন্তু সে ভাগ্য কি আর আমাদের আছে?
  • aka | ৩০ আগস্ট ২০১১ ২৩:২৫459957
  • NAFTA র মতন ট্রেডিং জোন হলেও দিব্যি হত।

    চীনের লক্ষ্য সুপার পাওয়ার হওয়া (যদি না অলরেডি হয়ে গিয়ে থাকে), ওদিকে আমেরিকা চীনকে দাওয়াই দিতে ইন্ডিয়াকে তোল্লাই দিচ্ছে। অন্যদিকে আফগানিস্তান বর্ডারের ইরাণ আর তুর্কমেনিস্তানের তেলের ভাণ্ডার যার দিকে নজর সবার ইনক্লুডিং রাশিয়া। এইরকম জটিল পরিস্থিতিতে চীনের পজিটিভ ইন্সেটিভ রয়েছে ভারতের মাওবাদীদের সাহায্য করার। চীন, রাশিয়া, আমেরিকার পজিটিভ ইন্সেটিভ রয়েছে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যের গণ্ডগোলে। কাশ্মীর সমস্যা সমাধান হলে অন্যদিকে ভারত আর পাকিস্তান ছাড়া বাকিদের নেগেটিভ ইন্সেটিভ। গল্প খুবই কঠিন।
  • lcm | ৩০ আগস্ট ২০১১ ২৩:২৮459958
  • কাশ্মীর দিয়ে পাইপলাইনের আশা চায়না ছেড়ে দিয়েছে।
    CNPC - চায়নার বৃহত্তম ন্যাচারাল ওয়েল এন্ড গ্যাস কোম্পানী ২০০৭ থেকে পাইপলাইনের কাজ শুরু করে দিয়েছে, ২০০৯ থেকে কিছুটা অপেরশনাল। তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান থেকে কাজাকস্তান হয়ে পাইপলাইন চলে যাচ্ছে চায়নার জিনজিয়াং এলাকায়। http://www.cnpc.com.cn/en/
    ন্যাটজিও-তে এই নিয়ে লম্বা আর্টিক্‌ল বেরিয়েছিল কিছুদিন আগে - কিভাবে এই সব দেশের বর্ডারের শহরগুলো এবং পাইপলাইনের আশেপাশের শহরের ইকনমি ক®¾ট্রাল করছে চায়না।
  • dri | ৩০ আগস্ট ২০১১ ২৩:৪৪459960
  • ঠিক এখন চায়না অন্য পথ দেখেছে। আসলে চায়নার অনেক ফরেক্স রিজার্ভ। ওরা ঐসব ছোটছোট দেশগুলো ইকনমিক এইডের লোভ দেখিয়ে হাত করে নিয়েছে, আম্রিকার বেস্ট এফর্ট সঙ্কেÄও। আর হবে নাই বা কেন? চীন আই এম এফের চেয়ে বেটার রেটে লোন দিচ্ছে। কোথায় যেন পড়ছিলাম চীনের লোন এখন আই এম এফকে ছাড়িয়ে গেছে।

    আনফর্চুনেটলি ভারতের এতটা ইকনমিক মাস্‌ল নেই।

    তবে কাশ্মীরের লাইন সবাই চায়। কোন দেশই চায় না দেশে এনার্জি শুধু একটা লাইন দিয়ে আসুক। যত বেশী তত ভালো। তত ফল্ট টলারেন্ট। তত কোন একজনের ওপর কম ডিপেন্ডেন্ট। তুর্কমেনিস্তানের গ্যাসটা কাজাকস্তান দিয়ে চলে যাবে। কিন্তু ইরান থেকে লাইন টানতে গেলে কাশ্মীরই শর্টেস্ট।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন