এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নবজাতকের বাসযোগ্য পৃথিবী ও নরওয়ে বৃত্তন্ত

    Debaprasad Bandyopadhyay
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৮১৪৫৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ২২ মার্চ ২০১২ ১৯:২৭526826
  • আমি বলছি অনুরূপ এটসেট্রা ডাজ নট ম্যাটার ইন্ডিয়া গভর্ণমেন্ট শুড পারসিউ এনিওয়ে। এটা একটা সেট ব্যাক, কিন্তু আলটিমেটলি বাচ্ছাগুলোই ম্যাটার করে। এটা যদি সরকারের মাথায় কেউ ঢোকাতে পারে তাহলেই হবে। নয়ত বাচ্ছাগুলো ওখানেই থাকবে। তাতে হয়ত আল্টিমেটলি ভালই হবে, এদের পরিবারের যা ফর্মা দেখছি।
  • rimi | ২২ মার্চ ২০১২ ১৯:২৮526827
  • ডিপ্লোম্যাটিকালি এগিয়ে ভারতে নিয়ে এলেও বাচ্চাদের জীবন বিশেষ সুখের হবে বলে মনে হয় না। যেখানে বাবা মার মধ্যে সম্পর্ক এতটাই খারাপ, সেখানে ভারতে ফিরে নতুন করে কাস্টডি ব্যাটল শুরু হবে। দাদু দিদা বা দাদু ঠাকুমা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া আর কিছু দেখবে কি? মার দিকের দাদু দিদা কাস্টডি পাবে নাকি বাবার দিকের - এই নিয়ে টানাপোড়েন কি আর হবে না? অলরেডি তো সাগরিকার বাবা সাগরিকার উপরে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের অভিযোগ এনেছেন।

    বাচ্চাদের দিক থেকে দেখলে, তারা যদি ভালো ফস্টার প্যারেন্টস পায়, তাহলে তাদের জীবন নরোয়েতে অনেক ভালো। তারা এতই ছোটো যে তাদের নিজের বাবা মার স্মৃতি বলে এমনিতে কিছুই নেই।
    কিন্তু বাবা মার, বিশেষ করে মার দিক থেকে দেখলে, এটা খুব ডিভাস্টেটিং যে সে তার নিজের বাচ্চাদের দেখতে পাবে না।
  • kd | ২৩ মার্চ ২০১২ ০০:১৭526828
  • আমার খুব খারাপ লাগছে বাচ্ছাদু'টি মাহারা হবে ভাবতে। সাগরিকা হয়তো এখন মানসিক ভাবে অসুস্থ কিন্তু আগেও কি তাই ছিলেন? পুরো ব্যাপারটা বুঝতে এদিক-ওদিক পড়লুম। দেখলুম যে সাগরিকা একটি কচি ছেলে নিয়ে ডিসেম্বর, ২০০৯এ নরওয়ে আসেন স্বামীর কাছে। নরওয়ের ওই শহরের ভারতীয় পপুলেশন মনে হয় ৭০এর দশকে আমেরিকার ছোটোখাটো শহরের মতোই। তাই মেয়েটির অবস্থা আন্দাজ করতে পারি - তখন এখানে পুরো ইংরিজি মিডিয়ামে শিক্ষিত মেয়েদের (বৌদের) দিশেহারা হ'তে দেখেছি, স্বামীও সারাদিন কাজে ব্যস্ত। আর এ'তো এক অজানা ভাষার দেশ। বেশ স্ট্রেসফুল। তার ওপর তিন-চার মাসের মাথায় ২০১০ এপ্রিলে উনি আবার সন্তানসম্ভবা হন এবং মেয়েটি জন্মায় ২০১০ ডিসেম্বরে। সম্ভবত: অ্যাক্সিডেন্টাল প্রেগন্যান্সি - হয়তো দু'জনে অল্টার্নেটিভ সল্যুশনের কথাও আলোচনা করেছিলেন। এটাও বেশ স্ট্রেসফুল, স্পেশালি মায়ের কাছে। তারপর কোন ফ্যামিলি সাপোর্ট ছাড়া প্রেগনান্সি পিরিয়ড কাটানো আর বাচ্ছাটির জন্মের পর একটি টডলারকে সামলে নতুন বাচ্ছাটির দেখভাল (হয়তো নরওয়েতে সরকারী সাপোর্ট পাওয়া যায়, কিন্তু নবাগত হিসেবে প্লাস ভাষার অসুবিধে থাকায় এঁরা নাও জানতে পারেন) যে কী পরিমাণ স্ট্রেসফুল, আমি কল্পনাও করতে পারছি না।

    এর পর যখন বাচ্ছাদের নিয়ে যাওয়া হ'লো, আমার বিশ্বাস সাগরিকা নিজের অক্ষমতার ওপর দোষারোপ করছেন, গিল্টি মনে করছেন আর আরও স্ট্রেসফুল হয়ে একমাত্র সঙ্গী, স্বামীর ওপর রিয়্যাক্ট করছেন। মনে হয় তাই ব্যাপারটা পাবলিক করতে এত দেরী।

    আমার সত্যি মনে হয় ভারতে নিজের পরিবেশে, দেশের সাপোর্ট সিস্টেমের মধ্যে ফিরে এলেই উনি আবার নর্মাল হয়ে যাবেন। যদি কোন দেশী সাইকোলজিস্ট (with appropriate credentials for Norway Govt.) সাগরিকাকে দেখেন ও রিপোর্ট দেন, মা ও শিশুরা আবার এক হ'তে পারবে। হওয়া উচিত।
  • aka | ২৩ মার্চ ২০১২ ০০:২১526829
  • আই এগ্রি। ভারত সরকারের উচিত ওদের সাপোর্ট করা ইরেস্পেকটিভ অফ দেয়ার বিহেভিয়ার নাউ। কোনটা কার্য্য আর কোনটা কারণ দুম করে বোঝা যায় না। মুশকিল হল বাচ্ছাগুলো কোথাকার সিটিজেন? কোন দেশের সরকারই ইমোশনাল কথা শুনবে না। আইন বা ডিপ্লোমেটিক ইন্টারফেয়ার কিছু একটা চাই।
  • Binary | ২৩ মার্চ ২০১২ ০০:৪১526830
  • কাব্লিদা-র কথায় ১০০% ভাগ এগ্রি। আমি নিজেই এরকম একটা সিচুয়েশনের মধ্যে ছিলাম একসময়। এই রকম ভাষা না জানা দেশ। কমের মধ্যে বাচ্চা একটি, আর বেশীর মধ্যে ঠিক মেয়ের যখন আড়াই, তখন আমি পা-ভেঙ্গে ৪ মাস বিছানায় ছিলাম।

    কি রকম স্ট্রেসফুল নিজেই জানি।
  • Binary | ২৩ মার্চ ২০১২ ০০:৫৫526831
  • তবে এসব ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্য নিশ্চিত পাওয়া যায়, ইন ফ্যাক্ট উইকে দুদিন সরকার কেয়ারগিভার ৪ ঘন্টা পাওয়া যায়। আমরাও এসব জানতাম না, আমার অপিশের লোকেরা-ই এইসব হদিস দিয়েছিলো।
  • SC | ২৩ মার্চ ২০১২ ০১:০৯526832
  • এর মধ্যে সিপিএমও চলে এসেছে। বৃন্দা কারাত আবার সাগরিকাকে পরামর্শ দিয়েছে (খুব ঠিক পরামর্শই দিয়েছে অবশ্য)।
    মমতা আসেনি এখনো?
    সিপিএম-মমতা না এলে বাঙ্গালির কোনো ব্যাপারে ঠিক সম্পূর্ণ হয় না।

    অন টপিক, আমার মনে হয়, আগের থেকে ডিভোর্স করেই আবেদন করতে পারত, যেরকম সরকার বলেছিলো।
    আর বরটা একটা বোকা*দা। ওরকম ভুলভাল জিনিসে কেউ সই করলেও আদালতে গ্রাহ্য হয় বলে মনে হয় না। মা পরে বলতেই পারে যে চাপের মুখে সই করেছিল।
  • Binary | ২৩ মার্চ ২০১২ ০১:২৩526833
  • ডিভোর্স করলে বাচ্চা ফেরত দেবে, এরকম একটা কথা সরকারি ভাবে বলা হয়েছিলো এটা বিশ্বাস করা একটু কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
  • MR | ২৩ মার্চ ২০১২ ০৩:৩৭526834
  • বৃন্দা কারাত এখ্‌ন আসেননি। Infact উনিই প্রথম কয়েকজনারদের একজন যিনি এই issue নিয়ে আলোচনা তোলেন।
  • ppn | ২৩ মার্চ ২০১২ ১২:১৩526837
  • আহেম, যেইখানে সিপিয়েম টুঁ শব্দটি করেছে সেইখানে মমতা কি চুপ করে বসে থাকতে পারেন? বিবেক বলে একটা কথা আছে না!

    নিচের খবরটি দেখুন। সিধুজ্যাঠাকে জিগালে আরো গণ্ডায় গণ্ডায় লিং দেবেন।

    http://allnews.in/news/world/Mamata-extends-help-to-Indian-couple-in-Norway/1678090.html
  • Papiss | ২৩ মার্চ ২০১২ ১২:১৫526838
  • ইয়ে, নরওয়েটা কার যেন বর্ডার? অস্ট্রেলিয়ার, না?

    ;-)
  • ppn | ৩০ মার্চ ২০১২ ১৭:০৯526839
  • ভালো খবর। নিচের লিংকের দ্বিতীয় খবরটা।

    http://www.anandabazar.com/30bdesh3.html
  • dukhe | ৩০ মার্চ ২০১২ ১৭:১২526840
  • তাই যেন হয়। বাচ্চারা বাড়ি আসুক।
  • PM | ৩০ মার্চ ২০১২ ১৭:১৩526841
  • হ্‌ম্‌ম
  • bb | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৯:১২526845
  • আমার মনে হয়, আবেগ তাড়িত না হয়ে আমাদের ভারতীয়দের এখন এই বিষয়ে অবহিত হওয়ার সময় হয়েছে যে এইটাই ওখানকার আইন। এই আইন মেনে বা্চ্ছা মানুষ করার ক্ষমতা থাকলে ঐ দেশে যান, কিন্তু আইন না মেনে ধরলে, ভারতের কাগজে লিখে চাপ সৃষ্টি করা এগুলি খুব কাম্য নয়।
  • dukhe | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১২:২৩526847
  • আইন মেনে বাচ্চার খাট থেকে পড়া আটকানো সম্ভব ?
  • bb | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৩:৫০526849
  • দুখে - সত্যি বলি ৩ ফুট উঁচু খাট থেকে কার্পেটের ওপর পড়লে অতটা আঘাত লাগার প্রশ্নটা ভাবায়।
    তাছাড়া হয়ত আরও সতর্কতার প্রয়োজন ছিল বাচ্চা যখন খাটে খেল ছিল।
  • dukhe | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৫:৩৬526850
  • কার্পেট কি ছিল ?
    কোন বাচ্চা আর খাট থেকে পড়ে না ? এক বছরের বাচ্চাকে বাবা মা পিটিয়ে তুলোধোনা করে মরণাপন্ন করে দিচ্ছে এটা বেশ কষ্টকল্পনা লাগছে।
  • siki | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৬:০৯526851
  • সতর্কতার প্রয়োজন ছিল, কিন্তু সবসময়ে তো সতর্ক থাকা যায় না। এক বছরের বাচ্চা খাটের মধ্যে যখন তখন পাল্টি খায়, জাগরণে, ঘুমের মধ্যেও। আমার মেয়েও পড়ে গেছিল রাত্তিরবেলা। ভাগ্যিস তখন আম্রিকায় ছিলাম না। :(
  • bb | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৮:০৯526852
  • দুখে - আমি কখনঐ ভাবি না বাবা- মা মেরেছেন - কিন্তু খাট থেকেই পড়েছে তো? আর সাধারণতঃ আমেরিকান বাড়ীতে কার্পেট থাকে। না থাকলে আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল।
    সিকি - আপনার মেয়ে পড়ে গেলেও আপনার ক্ষেত্রেও একই বাণী- আরও সতর্কতার দরকার ছিলঃ)। আমার মেয়ের বেশ কিছু বছর অবধি আমারা বড় বড় বালিশ দিয়ে রাখতাম, আর নিচে একটু জায়্গায় একটা কাঁথা দিয়ে রাখতাম যাতে পড়লেও সেটা জোরে না হয়।
    তবু ওর ১৮ মাস বয়েসে ও ওয়াকার নিয়ে পড়ে একটা দাঁত ভাঙে, আমেরিকা হলে নির্ঘাত জেল হত।
  • siki | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৮:১৬526853
  • বালিশ কি আর রাখি নি? সে দস্যি মেয়ে পাল্টি খেয়ে উঁচু পাশবালিশ পেরিয়ে পড়েছিল।

    যাক।
  • aka | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৮:১৮526854
  • সতর্ক না থাকলে এক্ষেত্রে মেয়েটি মারা যেতে পারত এই যা। জেনারালি ক্রিব থেকে পড়ার কোন চান্স নেই। কার্পেট না হয়ে যদি হার্ড উড হয় তাহলে আরওই সাবধানতার দরকার ছিল। আম্রিগান সরকার নিয়ম অনুযায়ী যা করার করবে কারণ এদের কাছে মেয়েটির নিরাপত্তা সবথেকে জরুরী। জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে মেয়ে নেওয়ার দরকার আম্রিগান সরকারের নেই।

    এটাও সত্যি দেশে ছেলেমেয়ে হামেশা পড়ে, আমরা হাল্কা ছলেই নিই। সেই একই মানসিকতায় বাবা মা কেস খেয়ে গেছে।
  • a x | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৮:৫৫526855
  • এখানে বাচ্চা খালি পড়ে যায়নি। তারজন্য তাকে হাসপাতাল যেতে হয়েছে এবং -সার্জারি- করতে হয়েছে। ব্যাপারটা যথেষ্টই গুরুতর।
  • mita | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৯:৫১526856
  • খুব কাছ থেকে ঠিক এই রকম একটা কেস দেখেছি North Carolina তে। ঠিক কখন Child Welfare Services থেকে এই স্টেপ গুলো নিতে শুরু করে, কি ভাবে সেটাকে স্টপ করা যায়, এগুলো সে বার first hand experience হয়েছিল, সেই ফ্যামিলি'র ব্যাপারে।
    বাচ্চাটার বয়স এক বছর দু মাস, সামনে কার্পেটে খেলা করছে, ৫ বছরের বড় দিদি একটু দুরে ছবি আঁকছে, মা পাশে ল্যান্ড লাইনে এক বন্ধু'র সাথে গপ্প করছে। বাচ্চাটা হামা দিয়ে বারবার দিদির কাছে গিয়ে বিরক্ত করছে, দিদি যথারীতি " মা, মা" করে চ্যাঁচাচ্ছে।
    এইবার মা যেহেতু ল্যান্ড লাইন থেকে কথা বলছিল, তাই সেখান থেকেই বাচ্চাটাকে আটকাতে হাত ধরে টেনেছে, আর সেই টানে হঠাত বাচ্চার হাত কাঁধের থেকে dislocated হয়ে হাতটা limp যায়। মা ভয় পেয়ে বন্ধু কে জানিয়ে সাথে সাথে 911 কল করে। বাবা তখন অপিসের কাজে স্পেন এ, which made matters worse, as we found out later.
    প্যারামেডিক রা সাথে সাথে এসে পড়ে, বারবার জিগ্যেশ করতে থাকে মা হাত ধরে টেনেছে নাকি দিদি ? মা কাঁদতে কাঁদতে বলে না, সেই হাত টা টেনেছে। যাই হোক প্যারামেডিক রা বাচ্চা কে নিয়ে গাড়ি করে হস্পিটাল এ যায়, গাড়িতে মা বা দিদিকে উঠতে দেয় না। বলে you guys follow us. মা drive করেনা, সেটা বলাতে বলে get a ride from someone..... এবার মার এক্টু ভয় লাগতে শুরু করে। একে তো বাচ্চাটার হাতের এই অবস্থা, তার মধ্যে মেয়ের সাথে এক গাড়িতে যেতে ও দিচ্ছে না, পুলিস ভদ্রলোক যিনি সাথে এসেছিলন এক গাদা question করে সুধু কি সব নোট করে নিলেন।
    মার সেই বন্ধু এর মধ্যে ফোন করেছে, তখন অলরেডি প্যারামেডিক রা এসে গ্যাছে, সে ও বাড়ি আসে, দুজন কমন ডাক্তার বন্ধু কে খবর দেয় বলে যত তাড়াতাড়ি হস্পিটাল এ চলে আসতে।
    হস্পিটাল এ এসে ব্যাপার টা ক্লিআর হল।
    The Paramedics reported that the mother abused the baby while the father was away, বেশ ডিটেল এ রিপোর্ট তৈরি করেছিল, অনেক গুলো ব্যাপার কে ওদের নিজেদের মতন করে interpret করে।
    Based on that and the Police report, there was already Child Services Rep, to take the child away once the hand was set. Mom's friends contested that report head-on, the doctor friends challenged the report of abuse, saying they needed to see the credentials of the Paramedic and the police officer who could come to such a conclusion based on one incident, and in any case such dislocations are very common among babies, and can be set back very easily. The baby in the mean while was doing just fine, hand re-set, no discomfort etc.
    যাই হোক, শেষে ঠিক হল বাচ্চা কে মায়ের সাথে বাড়ি যেতে দেবে, but Child Services was not going to withdraw the case against the Mom. She would have to appear with testimonials etc. তা সে কেস চল্লো বেশ কিছু দিন, বাবা ইতিমধ্যে ফিরে এসেছে, তাকে ও testimony দিতে হল, বাচ্চার pediatrician কে ও testimony দিতে হল যে মা কখনো neglect বা abuse করেনি।
    ঐ সময়ে রেগুলারলি গিয়ে গিয়ে criteria গুলো দেখতাম, as to why this particular case was reported as abuse, instead of an accident. There are some criteria and when the Paramedics were filling their reports, there were information that could be interpreted in many different ways. এই ক্ষেত্র বাচ্চাটার কোনো major problem হয়নি, আর মা-বাবার খুব ভালো সাপোর্ট গ্রূপ ছিল, কেস টা বেশি দুর এগোতেই দেয় নি।
    বাচ্চাটা এখন ৬ বছরের একটি পাকা বুড়ি!
  • | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ ২০:০৭526858
  • ক)অতি পরিচিত এক বাঙালি বাবা আঠারো মাসের মেয়েকে বহুতলের জানলায় বসিয়ে উল্টোদিক ফিরে কি একটা নিতে গিয়েছিলেন- সামনে ঘুরে তিনি আর মেয়েকে দেখতে পান নি। সে তখন নীচে মাংসের দলা হয়ে পড়েছিলো।
    ইনি আইনি হয়রানির পর এদেশেরই কি একটা নিয়মের ফাঁক গলে মুক্তি পেয়েছিলেন।

    খ) এক বাঙালি মা তার ছোটমেয়েকে ঘরে একা রেখে দোকানে গিয়েছিলেন। মেনট্যানেন্সের লোক কিছু একটা ঠিক করতে এসে ঘরের মধ্যে একা বসে কাঁদা বাচ্চাটিকে দেখে ৯১১ এ কল করে। এই মায়ের চেনাজানা একটি বাঙালি পরিবারের হাতে সোস্যাল সার্ভিসের লোকজন বাচ্চাটিকে তুলে দেয়- মার বোধহয় সপ্তাহান্তে বাচ্চাকে দেখার অনুমতি ছিলো, আর ক্লাশ টাশ করতে হতো- তিনি অবশেষে মেয়ে ফেরত পান।

    বাচ্চার নিরাপত্তার জন্যে এদেশে তো স্পষ্ট করেই কিছু নিয়মকানুন আছে। সে গুলো না মেনে চললে সমস্যায় পড়তে হবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন