এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আরও একটি ধর্ষণ

    Ishan
    অন্যান্য | ১৬ মে ২০১৩ | ৪১৫৫৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • riddhi | ১৯ মে ২০১৩ ২৩:১৭604210
  • ঈশান, ওটা আবার আর্গুমেন্ট কোথায় ছিল?!? এবার তো লিখতে হলে ন্যাড়াদার ব্র্যকেট স্টাইল আপনাতে হবে।
    আর ৩ঃ১১ পোস্টে লাউটলাইন লিখালম শুধু, মানে এই লাইনে খেলব, যুক্তি দিয়নি।
    কিন্তু এদিকে আপনি হাত তুলে দিয়েছেন নাকি? আপনার লাস্ত পোস্ট পড়ে মনে হল আপনি কিছুর ব্যাপেরে শিওর নন, আর আপনার পক্ষে আর্গুমেন্ট দেবার কোন দায় নেই।
    আমি একটা ছোট্ট সাব-প্রবলেম দিয়েছিলম। 'মানুষ সেক্স কেন করে, করলে মোস্টলি অন্য জেন্ডারের সাথে করে কেন"। সেটার উত্তর সাংঘাতিক ! আপনি জানেন না!! মানে যা কিছু হতে পারে।
    আপনি যদি যাস্ট এইটাও বলতেন "আমি জানি না" তাও মানা যেত। কিন্তু এর পর আবার একটা সামাজিক নির্মানের কস ওপেন রাখছেন। তার পক্ষে আর্গুমেন্ট টা কে দেবে? আপনি পুরো টইটাতে এটার সপক্ষে যাস্ট একটাও যুক্তি দিয়েছেন? কোথাও একটা প্যাটার্ন নিয়ে একটা ভেগ লাইন, সেখানেও আবার উভকামী, যাস্ট একটাও না।

    এবার আমার বক্তব্যঃ প্রথমত, এটার উত্তর এ সামজিক নির্মান এর কোন রোল থাকতে পারে না। আমরা একটা ফ্যাক্টার এর রোলে কি করে মাপি? সেই ফ্যাক্তার টার পরিবর্থন ঘটালে, রিস্পন্স কি করে বদলায় দেখি। মাইন্ড ঈট এই সাব-প্রবলেমে রিস্পন্স দুটো, আর দুটৈ বাইনারি। (মানুষ সেক্স করছে/করছে না। করলে, মোস্টলি ওপোসীট জেন্দার কে করছে কিনা)
    { এখন যদি রোলে থাকত, তাহলে বিভিন্ন সামজিক ব্যবস্থায় মানুশ আর্বিট সেক্স করা বন্ধ করে দিত, যে কোন জেন্ডারের সাথে সেক্সে প্রাবৃত্ত হত, সভ্যতা বিবর্তন গাধার গাড়ে চলে যেত। অদিম সমজ আগুন, শিকাঅর, আরো আগে সে ঐসব গুহা ফুহা, কত রকম হোমো-.. স্পিসিস, কখনো কুজো হয়ে কাটছে, কখনো স্ট্রেট, কত যুগ ভাষাই তোরী হয় নি, এত কিছু এল গেল, এই রিস্পন্স টার ট্রেন্ড টা কিন্তু বদলাই নি। বেশীর্ভাগ ছেলেই মেয়েকে ধরে লাগিয়েছে }
    আরে এইটা অন্তত মেনে নিন। তারপরেও মিনিময়ের জন্য অনেকটা মাঠ ফাংকা অছ। কিন্তু আপনি তো এখানেই ..
  • riddhi | ১৯ মে ২০১৩ ২৩:২৩604211
  • না, ঈশানের একটা বক্তব্যে একমত। ঈশান বলেছেন,ওনার কাছে এইটা ফ্যাক্টার। এইটাকে এক্স্ট্রাপোলেট করে বলা যে যাদের কাছে ফ্যাক্টর, তারা অন্যদেরো ফ্যাক্টার করার বিধান দিচ্ছেন, এটা যুক্তি না। এই যুক্তি টা আমি দিওনি।

    কিন্তু চন্দ্রিলের লাইন ভাল লেগেছে। তুলেছি। বিশেষ করে ঈশান না বললেও, ঐ লেখার চরিত্র দের মত বহু লোক দেখেছি, আঁতেল দের মত যারা বলে, কি করে ভাই এরকম একটা ডাম্ব মেয়ের সাথে শুতে পারিস। গুচ্ছের লোক এরকম বলে। তাদের উত্তর দেয়া প্রয়োজন।
  • riddhi | ১৯ মে ২০১৩ ২৩:২৮604212
  • তাই প্রথমেই, মানে চন্দ্রিলের লেখা পড়ার আগেই, আমি ঐ আতেল দাদাদের ক্থা লিখেছিলাম। এবং ঈশান যদি পড়ে দেখেন আমার ১ক) এপলিকেশানের ক্ষেত্রে আতেল ও ঈশানদের জন্য দুটো আলাদা স্ট্রাটেজি ছিল ঃ)))
  • pinaki | ২০ মে ২০১৩ ০১:৪১604213
  • কিন্তু রিদ্ধি, ইন্টেলেক্টের কথা যদি বাদও দিই, সিম্পলি গায়ে বা চুলে পচা গন্ধ, মুখে পাইরিয়া এসব থাকলেও তো টার্ন অফ হয়ে যেতে পারে। ধর্ম আর বউ এর টিকি বাঁধা থাকা দিয়ে অলরেডি একটা বড় সেটকে বাইরে করে দেওয়া হয়েছে। যেকোনো মেয়ের সাথে শোয়ার সময় যৌন রোগের উপস্থিতির সম্ভাবনা জনিত অনিশ্চয়তা যে টার্ন অফের আর একটা কারণ, তাকেও আলোচনার বাইরে রাখা হয়েছে। শারীরিক ক্লান্তি, মানসিক টেনশন - সেসবও বাদ। তাইলে রইল টা কী? আমি তো যা বুঝছি, থাকল পড়ে শুধু সেইসব ছেলেরা যাদের পূর্ণ যৌবনেও বান্ধবী জোটেনি, অথচ সেক্স করার প্রবল ইচ্ছে, অথবা কোনো কারণে বান্ধবী জুটলেও সেক্স জুটছে না - এরকম একটা 'পাইলেই খাইব' গোত্রের সেট। এবং উল্টোদিকে যৌনরোগ এবং গায়ে মুখে গন্ধহীন সেক্ষ করিতে ইচ্ছুক মহিলার উপস্থিতি। হ্যাঁ, সেরকম অবস্থায় তারা যে পাইলেই খাইতে পারে, সে নিয়ে খুব একটা সন্দেহ নেই বটে। কিন্তু তাই দিয়ে কি আপামর পুরুষজাতি যেকোনো পরিস্থিতিতে সেক্স করতে চায় - এটা প্রতিষ্ঠা হয়? নির্মাণ, বিনির্মাণ এসব বাদ দিয়েও অনেক প্র্যাক্টিকাল এবং বায়োলজিকাল কারণেই কোনো ছেলে কোনো একটা বিশেষ সময়ে সেক্সে অনিচ্ছুক হতেই পারে। সেই অবস্থায় তাকে যৌনভাবে ব্যবহার করতে চাইলে সেটা তার হ্যারাসমেন্ট তো বটেই। এ নিয়ে জটিল থিওরিতে যাওয়ার খুব একটা প্রয়োজন আছে কি?
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০১:৪৭604214
  • রিদ্ধি এতক্ষণে খেলার মাঠটা একটু একটু চিনছে। :)

    আমার বক্তব্য খুব পরিষ্কার। একজন "পুরুষ"কে যেভাবে রিদ্ধি বর্ণনা করছে (বা সিদ্ধার্থ বা অরণ্যদা), সেটা একজন সামাজিক "পুরুষ"। এই "পুরুষ" অ্যাগ্রেসিভ। যৌনতার জন্য সবসময় "রেডি"। অন্যদিকে একজন "নারী"কে যেভাবে দেখা হচ্ছে সেটাও একজন সামাজিক "নারী"র বর্ণনা। সে যতই একবিংশ শতাব্দীর হোক, সে যৌনতার প্রশ্নে রক্ষণশীল। সাবমিসিভ। ইত্যাদি। এক কথায় পুরোটা এক লাইনে এইভাবে বলা যায়, পপুলার কয়েনেজে, যে, "মেয়েদের বাপু অত চুলকানি নেই"।

    এই পুরো বর্ণনার প্রক্রিয়াটি "সামাজিক"। এর পিছনে বিজ্ঞান-টিজ্ঞান সেভাবে নাই। কারণ কোনো বিজ্ঞান এখনও ডিসাইসিভলি বলতে পারেনি, যে, পুরুষের আচরণ প্যাটার্নের এই অংশটুকু নির্ধারিতভাবেই "বায়োলজিকাল"। করলে সেটাকে সাক্ষ্যপ্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেত। যেহেতু করেনি, তার রিদ্ধির বক্তব্য বা পপুলার কয়েনেজ -- এটি মূলতঃ সামাজিক নির্মান।

    আমার এই বক্তব্যের স্বপক্ষে আমি দুটি উদাহরণ টেনে এনেছি। একটি হস্তমৈথুনের। অন্যটি একটি বায়োলজিকাল এক্সপেরিমেন্টের। যারা দুজনেই দেখাচ্ছে, যে, "বায়োলজিকালি পুরুষ এরকম" এটা বলা যায়না। তাহলে রিদ্ধির বক্তব্যের সোর্স বিজ্ঞান নয়। সোর্সটা কোথায়? সেটা অন্য কোনো জায়গা থেকে নির্মিত। সেটাকেই আমি সামাজিক নির্মাণ বলছি।

    আর্গুমেন্টটা ভালো করে না বুঝেই অনেকে নানা আলপটকা কমেন্ট করে যাচ্ছেন। অন্যের বক্তব্য আসলে একটু মন দিয়ে পড়ার দরকার আছে। আর্গুমেন্টটা ভালো করে বুঝুন। আমার প্রয়াসটি "পুরুষের যৌন আচরণের প্যাটার্নের পিছনের কারণ নির্ধারণ" প্রসঙ্গে নয়। আমার লক্ষ্যবস্তু হল "পুরুষের যৌন আচরণের প্যাটার্ন সম্পর্কিত সামাজিক স্টিরিওটাইপগুলি"। এই "পুরুষ" রিদ্ধি যাকে বর্ণনা করছে, সে একটি সামাজিক নির্মাণ। এবং এই নির্মাণটি সম্পর্কে আমর ক্রিটিসিজম আছে।

    এখানে যেটা বুঝতে হবে, আরও একবার বলি। অ্যানালজি দিয়ে। "ঈশ্বর আছেন বা নেই" এই জাতীয় তক্কে আমি মোটেও পার্টিসিপেট করছিনা। আমি খুঁটিয়ে দেখছি "ঈশ্বর বলতে মানুষ কী ভাবে"। অর্থাৎ, কেউ ভাবেন "ঈশ্বর নিরাকার", কেউ ভাবেন "ঈশ্বর আসলে মূর্তিতে বসবাস করেন" ইত্যাদি। এবং আমি সিদ্ধান্তে পৌঁছচ্ছি, ঈশ্বর সম্পর্কিত এই ধারণাগুলি একটি নির্দিষ্ট যৌক্তিক কাঠামো অনুসরণ করেনা। অর্থাৎ মানুষের ঈশ্বর সম্পর্কিত ধারণাগুলি ঠিক "ধার্মিক" নয়, বরং সামাজিক (এই শেষ কথাটা অ্যানালজির খাতিরে বললাম, ওটা আমার বক্তব্য নয়, কাজেই ওই নিয়ে তক্কো করবেন না পিলিজ)।
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০২:০৩604215
  • এবার আমি যা নিয়ে থিয়োরি নির্মাণ করছি বলে কিছু কিছু মিসকনসেপশন তৈরি হচ্ছে, সে নিয়ে চাট্টি আলোকপ্রদান। রিদ্ধি খুব অবাক হয়ে লিখেছে আমি কেন বায়োলজির বিরুদ্ধে এবং সামাজিক নির্মাণের পক্ষে চাট্টি আর্গুমেন্ট দিচ্ছি না। দিচ্ছি না, কারণ, ওই একই। "পুরুষের যৌন আচরণের প্যাটার্নের পিছনের কারণ নির্ধারণ" আমার এই মুহূর্তের আলোচনায় একেবারেই নেই। ওই নিয়ে, আই রিপিট, আমি কোনো থিয়োরি তৈরি করছিনা। অ্যানথ্রোপলজি থেকে ফেমিনিজম, জিনতত্ত্ব থেকে বৈজ্ঞানিক ঈশ্বরবিশ্বাস, এসব নিয়ে লড়ালড়ির কোনো শেষ নেই। থিয়োরিরও কিছু কমতি পড়েনি।

    এই বিষয়ে আমি শুধু দুটো জিনিসই স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।
    ১। এ বিষয়ে যাযা থিয়োরি আছে তার কেউই কিছু "প্রমাণ" করেনি। সবই অর্ধপ্রমাণিত হাইপোথিসিস। তার পক্ষে কিছু বক্তব্য আছে বিপক্ষেও কিছু ডাটা আছে। কাজেই এখানে আপ্তবাক্য দেওয়া যায়না।
    ২। আমার বক্তব্যে এর ম্যানিফেস্টেশন একটাই হবে। আপনি যখনই বলবেন "বায়োলজিকালি পুরুষদের খাঁই অনে এ এ এক বেশি", তখনই আমি ক্যাঁক করে আপনাকে ধরব, কই দাদা বায়োলজি তো সর্বসম্মতিক্রমে এরকম বলছেনা। এর মানে "বায়োলজি"র বিপক্ষে যাওয়া নয়। এর মানে হল, "বায়োলজি সর্বশক্তিমান", নামক একটি ধারণা আপনি তৈরি করছেন, তার বিরুদ্ধে যাওয়া।
    বিজ্ঞান ছাড়াও অন্য ক্ষেত্রেও এটা একই ভাবে প্রযোজ্য হতে পারে। আরেকটা অ্যানালজি। ধরুণ, আপনি বললেন "সব মানুষই স্বাভাবিকভাবে স্ট্রেট", আমি তৎক্ষণাৎই আপনার মাথায় "স্বাভাবিকতা"র যে বোধটা কাজ করছে, তাকে আক্রমণ করব। "কই দাদা গ্রীসে তো বেশিরভাগ লোকই উভকামী ছিল" -- এই বলে। এর সঙ্গে আমি অ্যাবসলিউট সেন্সে আমি "গ্রীস-পন্থী" নাকি "বায়োলজি-বিরোধী" তার কোনো সম্পর্কই নেই। বস্তুতঃ "সমকামিতার উৎস" নিয়ে আমার এই তক্কে কোনো বক্তব্যই থাকবেনা (আবার এটাও অ্যানালজি, এই নিয়ে তক্কো করবেন না)।

    আশা করা যায়, এটা এবারে পরিষ্কার, যে, "মানুষের যৌনতার উদ্ভব ও প্যাটার্নের নানারকম কারণ" এই বিষয়ে আমি কোনো ইশকুলেই বিলং করিনা। আমার নিজেরও কোনো থিয়োরি নাই। কাজেই ও নিয়ে আর্গুমেন্ট দেবার আমার কোনো দায় বা দায়িত্ব নাই। আমি একমাত্র রিদ্ধির দাবীদাওয়া ও পপুলার কয়েনেজগুলিকে "সামাজিক নির্মাণ" আখ্যা দিতে পারি এবং দিচ্ছি। তার বেশি কিছু না।
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০২:১৭604216
  • এবং এতটা যখন লিখলাম বাকিটাও লিখে ফেলি। এই এতকিছু দার্শনিক এক্সারসাইজের পর যৌনতার প্রকরণ সম্পর্কে কিঞ্চিৎ মতামত ব্যক্ত করতে পারি। সেটাও "যৌনতার উৎস কী" এই জাতীয় কোনো বক্তব্য না। আমি ওই ধরণের কোনো থিয়োরি বা ইশকুলে বিলং করিনা, আগেই বলেছি।

    তাহলে আমি কী বলতে পারি? "যৌনতা হল ছেলেদের চুলকানি" -- এই কয়েনেজগুলির উৎসসন্ধান করতে পারি। একদিকে সামাজিক অবস্থা কীভাবে এগুলোকে তৈরি করেছে এবং অন্যদিকে এই কয়েনেজগুলি কীভাবে সামাজিকভাবে যৌনতাকে নিয়ন্ত্রণ করছে, সে সম্পর্কে কিছু অবসার্ভেশন করতে পারি।

    একটা উদাহরণ দিই। "আমার সুন্দরী কিন্তু গবেট মেয়েদের দেখলে কাম জাগেনা" এরকম একটা স্টেটমেন্ট আমি দিয়েছিলাম। তার উত্তরে যে প্রতিক্রিয়াগুলি এখানেই এল, তাদের টোন মূলতঃ এরকমঃ "নাঃ আবার হয়না। যত্তসব আঁতলামো" ইত্যাদি। ভাষা ঠিক এই নয়, কিন্তু ভঙ্গীটা এরকমই। এটা অ্যাকচুয়ালি আমার উপরে একটা সামাজিক চাপ। যার বক্তব্যটা এরকম, যে, "পুং হয়ে জন্মেছ মেয়ে দেখলে কাম জাগবেনা মানে কি? তোমার যথেষ্ট পৌরুষ আছে তো?"

    তো, এটা একটা সামাজিক চাপ। পুং হয়ে জন্মেছেন মানেই যেকোনো মেয়ে পেলেই আপনার যৌনাঙ্গ উত্থিত হতেই হবে। এই চাপটা পুরুষের যৌনতার উপর প্রভাব ফেলে। এই স্টেটমেন্টটা আমি দিতেই পারি।

    একই ভাবে ধরুন, এখানে নানাবিষয়ে খুব খোলামেলা আলোচনা হল। কিন্তু মহিলাদের স্বমেহন বিষয়ে হলনা। এটা ধরুণ, আরেকরকম সামাজিক চাপ। নীরবতার চাপ। সেটাও নারীদের যৌনতার নির্মাণে একরকম করে প্রভাব ফেলে।

    এবং, আরও একবার। ভালো করে বুঝে নিন। "যৌন প্যাটার্ন কী মূলতঃ বায়োলজিকাল, না সামাজিক" এ নিয়ে স্টিল আমার কোনো বক্তব্য নাই। ওসব নিয়ে তক্কো অন্য প্লেনে। আমি যেটা বলছি সেটা মেটা ডিসকোর্স। "বিজ্ঞান না সমাজ", "জিন না এনভারনমেন্ট" সেসব এই পারস্পেকটিভ থেকে গৌণ।

    এইটা হৃদয়ঙ্গম করুন পহেলে। মতামত-তক্কো তাপ্পরে।

    জয় হিন্দ। :)
  • riddhi | ২০ মে ২০১৩ ০৪:১৪604217
  • ঈশান, স্টেপ স্কিপ করছেন। পুরুষ হল পুরুষ। আপনি তার পোঙ্গায় 'সামাজিক' বিশেষন লাগিয়ে দিলেন। লাগালেন লাগালেন, কিন্তু তারপার পুরুষটি যা করছে, তার কৈন ডটা/এক্স্প্রেইমেন্টাল সোর্স্স (আপনার কাছে) নেই, বলে সেটা সামাজিক নির্মান হয়ে গেল। এখানে **'নির্মান' **টা হচ্ছে কি করে, সেটা তো দেখাতে হবে। এটা কোন ক্লেম না? সাঃ নিঃ তাহলে সব টটোলজির সেরা, যে কোন ডিবেট ক্র্যাক করার সুপার-কি, একটা আখ্যা যা বলে দিলেই সত্যি হয়ে যায়। এতটাই স্বতঃ সিদ্ধ হলে আর তর্ক কি। আপনি "সাঃ নিঃ" নামে একটা কালো ট্র্যাশ-ব্যাগ নিয়ে ঘুরছেন, ব্যাখ্যার অতীত জন্জাল হলেই সেখানে ঢোকাচ্ছেন। শুধু ঢোকাচ্ছেন না, বলছেন অটোমেটিকালি এটাই জায়গা।
    আপনি আসলে খেলার মাঠে বুকে বল জড়িয়ে গোল পোস্টে আড়স্শ্ট হয়ে বসে বলছেন এটাই আমার মাঠ, এখানে বল, সব গোল আমার, আমি জিতে গেছি বাই ডেফিনিশন। আরে রিল্যাক্স, আপনি জিতে গেছেন, হল? এবার আসল মাঠে নামুন। অন্তত নির্মান টা কি করে হয় তার একটা মেকানিসম পেশ করুন। সোসেন ভাটে একটা a possible প্রক্রিয়া বলেছিলেন, যেটা এই লাইনে
    [যৌন হেনস্থা হলে পুরুষরা ভাববে শক্তি হ্রাস হবে, তাই এটাকে ইগনোর করে-] তার ব্যখ্যা চেয়েছিলাম "একটা উদাঃ দিয়ে বোঝানো যাক না। আমি বলতে পারি, ঐ শক্তি হ্রাস ফাস মাথায় আমার কোনদিন আসে নি। মেল হেনস্থা হচ্ছে শুনেছি কম। আড্ডায়। শুনে আমি আর তিনজন হেসেছি। আমি বলেছিলম, লাকি চ্যাপ টাইপ কিছু, আর এক্জন বল্ল, মাইরি। সেকেন্ড কেসে অন্য সেট ওফ বন্ধু ছিল। হাসিটা বিক্রম ইনিশিয়েট করেছিল। এর আগে পরে আমরা এসব নিয়ে কোন নিউস আর্টিকেল পড়িনি।
    তো কে কিভাবে নির্মান করে আমাদের ব্রেনে এই বার্তা গুলো পৌছে দিচ্ছে.. " ই
    এরকম কিছু পেশ করুন। বরং ঐ সার্কুলার পোস্টগুলোর থেকে লাস্ট পোস্ট টা অনেক বেশী ভাল লেগেছে, ঐ পুং চাপ ইঃ। এনেকডোতাল মানছেন তো? কিন্তু ফাঅইইইন, ঠিক আছে, খুলে দিন এনেকডোটের দরজা, কেউ ভ্রু কুচকাবে না, কারুর কাছেই ডেটাসেট নেই, আমাদের বক্তব্যে এক্ষুনি পলিসি ঠিক হয়ে যাচ্ছে না। হাত পা খুলে খেলুন, কিচ্ছু হবে না। তার আগে মনে করিয়ে দিতে চাই, সাঃনিঃ কেন বেসিক যৌন চয়েস আর চাহিদা ঠিক করে দিতে পারে না, তাআগের পোস্টে দেখবেন। ও সরি সরি, ওটা তো এখনো বড় মাঠটাই। আপনি তো গোলপোস্টেই বন্দী।
  • riddhi | ২০ মে ২০১৩ ০৪:২১604218
  • পিনাকী বাবু, এখানেও সেই মাঠের সাইজটা আসছে। এটা গ্লাস হাফ- এম্প্টি হাফ-ফুল এর গল্প নয়। আপনি যে বেশ কিছু প্রিকন্ডিশন বললেন সেটা হবার চান্স (ঐ চুল পচা, এডস), আর তারপর আপনার ঐ 'কি পড়ে থাকে' র চান্স টা দেখুন। একটা অন্যের থেকে বিশ-আল বড়। এখানে আমি ধর্মীয় বা অন্য ইনহিনিশন গুলো কিন্তু ঠিক বাদ দিই নি, ওটাকে (২) এর আন্ডারে ফেলেছি। আলোচোনা হতেই পারে।
    কিন্তু এই যে আপনি বাকি গুলো বল্লেন, সিরিয়াসলি ভেবে দেখুন, আপনি ফার্স্ট ইয়ারে, সিঙ্গল, আর কেউ আপনকে আপনার ফেভারিট হট মেয়ের ছবি দেখিয়ে বল্ল, ও তোর সাথে কাল কলেজের পরে মাঠের ফাকা দিকটাই দেখা করতে চাই। আপনার কি বেশ কিছুটা সময় এই দুস্চিন্তায় যাবে,যে ওর চুলের ডিকে Rেট কত, না ঐ এইচ-আই-বি স্ট্রেন কি। রাত্তিরে এই চিন্তায় কি আপানি দর দর করে ঘামবেন মুখের গন্ধের টেকা যাবে কিনা, নাকি, সম্পুর্ণ অন্য কিছু। প্রায়োরিটি গুলো কি হবে। এস এন আফটারথট এগুলো আসবে, আগে না।
    এই নিয়ে আমার ধারনাটা ক্লিশে তম কিন্তু তবু বলিঃ

    [ আমারা, বাঙ্গালীরা যৌন-উপোসী যৌন-ভুখা, যৌন-ভুক, সবাই কম বেশী আড়ষ্ট, ভীতু। কিন্তু ভগবান বুদ্ধি দিয়েছেন বলে এটাকে ইন্টেলেক্চুয়ালাইজ করি। ভেতরের চেহারা বেরিয়ে যাবে বলে, এই নিয়ে যে বোকারা খোলাখুলি বলে তাদের ডেসপো আখ্যা দি, হাসির খোরাক বানাই। ওদের ওয়াইল্ড কনফেশন গুলো দিয়ে নিজেদের ক্ষুধা মেটাই। আবার যৌন জীবনে খরা পড়লে ওদের কাছেই পানু ধার নিতে যাই। এগুলো প্রায় অবচেতনে করি। স্ট্রাটেজি হিসেবেও ভালঃ মেয়েদের সামনে ইমেজ বানাতে কাজে দেয়। কিন্তু বেশীরভাগ জনতা কাঁচা কনফিউস্ড। সত্যটাকেই জানে না, সে নিয়ে ম্যানিপুলেট করা পরের কথা। এটা ঈশানের ঐ 'চাপ' টার উল্টো একটা ছবি দিলাম। সত্যের খাতিরে যোগ করি, আমেরিকান আন্ডারগ্র্যডের একটা সেকশানে আবার প্রায় বিপরীত দেখেছি।
    এখানে এমনিতেই সেক্স নিয়ে বাধা কম। আবার একি সাথে এই সেক্স করতে চাই হরদম, এটা বুক ঠুকে বোলনেওয়ালা জনতাও বেশী! উল্লেখযোগ্য, যাদের যৌন ক্ষুধা মেটার অনেক রাস্তা আছে, তারাও এটা নিয়ে প্রায় হাইপার হয়। দেশে থাকলে তাদের অনেকের 'ডেস্পো" টাইটেল জুটত।। বরং এখানে ঈশানের গল্পটা একটু হলেও ট্রু, যে যারা অতটা না, তাদেরকে "গে/সিসি" ইঃ বলার একটা হাল্কা ঝোঁক আছে।]
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০৫:২৪604220
  • প্রথমতঃ একটি স্টেপও স্কিপ করিনি। বরং ০ তম স্টেপ থেকে ধরছি। রিদ্ধি কে এটা আগে ভলো করে বুঝতে হবে। আমি সেমান্টিক্স নিয়ে কথা বলছি। "পুরুষ" এবং "নারী" দুটি চিহ্নগত অস্তিত্ব -- এটা আমার আবিষ্কার নয়। অ্যাবস্ট্রাকশন, ইনক্লুশন, এক্সক্লুশন ইত্যাদি নানা জটিল প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে অন্যান্য নানা বর্গের মতো এরাও নির্মিত। "বিজ্ঞান" নামক বর্গটি জন্মানোর আগেই এরা জন্মেছে। অতএব এরা কেউই "বৈজ্ঞানিক" ভাবে জন্মায়নি। এদের সোর্স অন্য।

    দ্বিতীয়তঃ স্ট্রাকচারড ডেটা, এক্সপেরিমেন্টাল ডেটা না থাকলেই সেটা অ্যানেকডোটাল নয়। তেমন হলে পিথাগোরাসের উপপাদ্যগুলিও অ্যানেকডোটাল। বিশ্লেষণের অনেক পদ্ধতি আছে। এক্সপেরিমেন্টাল ডেটা একটি পদ্ধতি মাত্র। সেটা সব জায়গায় চাপানো যায়না। আর না চাপালেই সেটা অ্যানেকডোটাল হয়ে যায়না।

    তবে, এর পরেও, নির্মানের মেকানিজমের একটা রূপরেখার দাবীটি নিঃসন্দেহে গ্রাহ্য। সেটা একটু সময় পেলেই করা হবে।
  • riddhi | ২০ মে ২০১৩ ০৫:৩৯604221
  • স্ট্রাকচার্ড ডেটা না থাকলে, এবং এনেক্ডোটাল না হলে, যেটা পড়ে থাকে সেটা হল কাচা বয়োলজিরো ঠাকুরদা, তার নাম কাঁচা অন্ক। যুক্তি দিয়ে ফ্রম স্ক্র্যাচ জগতকে বোঝা। যেমন অবশ্যই পিথাগোরাস। সামাজিক নির্মান সেরকম কিচু?ঃ)
    যাই হোক, রূপরেখাটা পড়তে আগ্রহী।
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০৫:৪৯604222
  • প্রথমে মধুশ্রী বসুর একটি লেখা থেকে কোট করব। "যৌন সংঘাত বনাম যৌন শাস্তি ভায়া ভ্যাজাইনা মনোলগ"। (ভ্যাজাইনা মনোলগ তো এখন অবশ্যপাঠ্য লিস্টিতে উঠে গেছে, হক্কলেই পড়েছেন ধরে নিচ্ছি)

    মধুশ্রী তাঁর ইউনিভার্সিটির ছেলে এবং মেয়ে বন্ধুদের মধ্যে একটি সার্ভে করেন। যৌন ফ্যান্টাসি সংক্রান্ত। যাদের প্রশ্ন করা হয় তারা সকলেই মুক্তমনা, শিক্ষিত তো বোঝাই যাচ্ছে। প্রশ্নগুলির উত্তরের মধুশ্রী উত্তরের মূল প্যাটার্নগুলিকে মধুশ্রী রেখেছেন তাঁর লেখায়। সেটা হুবহু কোট করলাম।

    "পুরুষ বন্ধুরা, আমি দেখতে পাই, এ বাবদে বর্ণিল ও অকপ্ট ধ্যান-ধারণা পোষণ করে... যৌনপ্রশ্নে উৎসুক হয় এবং বেশ অ্যাকাডেমিক উৎসাহে বিবরণধর্মী উত্তর দেয় --
    'ছোটোবেলা থেকে ঐখানটায় মুখ দেওয়ার, মানে ঐ হ্যাজাইনার মধ্যে মুখ দেওয়াটা খুব এক্সাইটিং লাগে। পানুটানু দেখতে গিয়ে -- ঐ মেয়েটা উফ-আফ করছে মুখ দিলে -- সেটা হেবি ভালো -- এই শালা তুই হাসছিস।'
    'আমার বাড়িতে সবারই বড় মাই। একটা বেশ বড়ো ম্যানাওয়ালা মেয়ে হবে। উম্ম্ম...'
    'মেয়েটা বেশ ফরসা হবে। জায়গাটা বেশ মিশরের কোনো রাজবাড়ির মতো। সোনাল-সোনালি' (এই ছেলেটি কবি)
    'আরে অত ভাবার কী আছে কেমন কী। মা-কা বিন বাপুতি বহুলা চোদ (মা-কে হাতের কাছে না পেলে বাবার পোষা বকগুলির সঙ্গে সঙ্গম কর)।' "

    এবার মেয়েদের পালা।

    "আমার বান্ধবীরা যারা যৌনতাকে আদৌ পাপ মনে করেনা, সেই আন্তরিক বুদ্ধিমতী সপ্রতিভ মেয়েরা বহুলাংশে এই প্রশ্নে অনিচ্ছুক, অনুৎসাহী। ... অনেকেরই মন্তব্যগুলি স্পষ্টতই তাৎক্ষণিক, অর্থাৎ ব্যাপারটা চর্চিত নয়। এ কথা প্রকাশ পায় তাদের কথার মধ্যে বারবার ব্যবহৃত বৈদেশিক শব্দে, দুটি শব্দের মধ্যে দীর্ঘ অবকাশে এবং তাদের উত্তরে শরীরী প্রেমের বিবরণধর্মের পরিবর্তে তাত্ত্বিক অনুভূতিমূলক বা দার্শনিক মন্তব্যের আধিক্যে।
    'প্জিজিকালটা অত ইম্পর্ট্যান্ট নয়। বিশ্বাস, ডিপেন্ডস প্রেমটা প্লেটোনিক হলেও হয়তো ক্ষতি নেই।'
    'সেক্সুয়াল ফিলিং তো ন্যাচারালি আছে। মানে পার্ট অফ দা প্রসেস'।
    'সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি -- আই ডোন্ট নো। অনেকটাই রোমান্টিক। মে বি আ ক্যান্ডল লাইট ডিনার। তারপর ফোরপ্লে ইম্পর্ট্যান্ট ... '"

    মেয়েদের বক্তব্যকে সাম-আপ করে লেখিকা জানাচ্ছেন যে সেক্স ভালো। যদিও ব্যাপারটা ঠিক পরিষ্কার করে বোঝা যাচ্ছেনা কী করা উচিত। তবু ভালো। কারণ ইহাই ধ্রুবসত্য। আর আরেকটা ব্যাপার হল, "যার উপর আমার ভর, সেই খুঁটিটা আবার ইয়ে করতে বড্ড ভালোবাসে"।

    তবে এ ছাড়াও মেয়ে বন্ধুদের মধ্যে মধুশ্রী একটি দুটি ব্যতিক্রম পেয়েছেন।

    "'আই ওয়ান্ট টুবি দা ডমিনেটিং ওয়ান। মে বি লাইক বেসিক ইনস্টিংক্ট। ব্রুটাল সেক্স। এটিং রেপড বাট নট হ্যারাসড। এ ব্রুটাল অ্যাপ্রোচ। কিন্তু যতবার আমি এমন একটা রিলেশনের মধ্যে দিয়ে গেছি, কোনোবারেই টিক -- মেবি আই অ্যাম এ বিট ফ্রিজিড।'
    'ইস্‌স তোর আর কোনো কাজ নেইরে?' "

    আমি ব্যক্তিগতভাবে এই সর্বশেষ মন্তব্যটা পড়ে ব্যাপক হাসি পেয়েছি। মানে খোরাকের হাসি না। মেয়েদের স্টিরিওটাপড করে একদম এইভাবেই দেখা হয়। আমরা(পুং নারী নির্বিশেষে) আমাদের বান্ধবীদের বেশিরভাগকেই এইভাবে দেখতে ভালোবাসি। কিন্তু হায়, সেটা মোটে একটা ইনস্ট্যান্স এখানে।

    তাই এই হল একটা কেস স্টাডি। টুকে হাত ব্যথা। আপনারা দু-পয়সা দিন। আমার বিশ্লেষণ পরে হবে। :)
  • aranya | ২০ মে ২০১৩ ০৫:৫০604223
  • 'আমি তো যা বুঝছি, থাকল পড়ে শুধু সেইসব ছেলেরা যাদের পূর্ণ যৌবনেও বান্ধবী জোটেনি, অথচ সেক্স করার প্রবল ইচ্ছে, অথবা কোনো কারণে বান্ধবী জুটলেও সেক্স জুটছে না - এরকম একটা 'পাইলেই খাইব' গোত্রের সেট।' - পিনাকির লেখা দেখে মনে হচ্ছে এরা মাইনরিটি, বছর ২৫-৩০ আগে কলেজের ছাত্রদের মধ্যে, কলেজ গ্র্যাজুয়েশনের পরেও বিয়ে না করা অব্দি বাঙালী পুরুষ-দের মধ্যে এই সেটটাই মেজরিটি ছিল (অবশ্যই আমার অবসার্ভেশন অনুযায়ী), এখন হয়ত অবস্থা পাল্টেছে।

    মানুষ বা অন্য প্রাণী সেক্স কেন করে, করলে মোস্টলি অন্য জেন্ডারের সাথে করে কেন - এখানে বায়োলজি-ই প্রধান কারণ বলে আমার ধারণা, গ্রীসের উভকামীদের কথা মাথায় রেখেও। সমাজের ভূমিকা নগণ্য।
  • pi | ২০ মে ২০১৩ ০৫:৫৫604224
  • মানুষজনের সেক্সুয়াল ওরোয়েন্টেশন ক্লোসেটেড হওয়ার পিছনে সমাজের ভূমিকা কেমন ? নগণ্য ?
  • aranya | ২০ মে ২০১৩ ০৬:০১604226
  • স্কুলের ছেলেদের কথা যদি ভাবি, এগেন আজ থেকে বহু বছর আগে, যখন ইন্টার্নেট, টিভি ইঃ নাই, এমন কি পানুর অব্দি সাপ্লাই নাই, তখনও ১২-১৩ বছর বয়সে শরীর জেগে উঠছে, সেক্সের ইচ্ছে হচ্ছে - এখানে সমাজ বা পরিবেশের প্রভাব খুব-ই মিনিমাল হওয়া উচিত।
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০৬:০১604225
  • নাঃ আরেকটু লিখছি। এত ইন্টারেস্টিং লেখাটা। একটু ধৈর্য ধরুন। পিলিজ।
  • pi | ২০ মে ২০১৩ ০৬:০৪604227
  • *রি
  • aranya | ২০ মে ২০১৩ ০৬:০৫604228
  • 'মানুষজনের সেক্সুয়াল ওরোয়েন্টেশন ক্লোসেটেড হওয়ার পিছনে সমাজের ভূমিকা কেমন? - বিশাল ভূমিকা।

    এত আলুচানার এক লাইন সামারি, আমার দিক থেকে - সেক্সুয়াল ওরিএন্টেশন, সেক্সুয়াল আর্জ এসবের পেছনে দুটো কারণ - বায়োলজি, সমাজ। বায়োলজির ওয়েট্জ সমাজের থেকে অনেক বেশি।
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০৬:১১604229
  • মধুশ্রী আরেকটি আন-অফিশিয়াল সার্ভে করেন, যৌন ক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা বিষয়ে। পুরোটা টুকবোনা। জাস্ট এক-আধটা কোটেশন। আসল কোটেশনের লিস্টি লম্বা।

    "অ্যাডজাস্ট করার কথাটি ছেলেদের মুখে সবচেয়ে বেশিবার উঠেছে যৌনসুখের পূর্ণতালাভের প্রসঙ্গে।
    'মাল পড়ে গেলেই হয়ে গেল। তখন হেবি ল্যাদ। খানিকক্ষণ পরে অবশ্য ঠিক হয়ে যায়। তবে সে প্রায় দু'ঘন্টা (সময়ের এই ব্যাপারটিতে মতভেদ রয়েছে। দশ মিনিট থেকে একদিন -- সব রকমই শুনেছি)। না, তারপরে আর খুব কিছু করা যায়না, জড়িয়ে শুয়ে থাকা যেতে পারে। তবে ঘুমিয়ে পড়ার চান্সই বেশি।'

    আর তখনও যদি মেয়েটির 'না হয়ে' থাকে? 'ওকেও একটু অ্যাডজাস্ট করতে হবে সেটা।'

    'জানি মেয়েদের অনেকসময় বেশি টাইম লাগে। না ঐরকম বাহান্ন-তিপ্পান্ন মার্কা আমাদের নয়। পনেরো-ষোল ঠাপেতেই শেষ। তক্ষুনি আর উঠবেনা। আবার অনেকক্ষণ পর।'

    ...."

    ইত্যাদি।

    আর টুকছিনা। বাংলা কথাটা এখানে হল, যে, পুরুষের যৌন উত্তেজনা দ্রুত আসে ও যায়। পরপর একাধিকবার করতে সে সক্ষম নয়। মেয়েদের ঠিক উল্টো। তবুও, "যৌন ক্ষমতা" নিয়ে সামাজিক "পুরুষ"এর দাবী ঠিক উল্টো। যে সর্বত্র তারা "রেডি"। যদিও কার্যক্ষেত্রে পরপর একের বেশি দুইবারও পেরে ওঠা পুরুষের পক্ষে অসম্ভব। সাধারণভাবে। সেটা হয়তো ফিজিওলজিকাল। নাও হতে পারে। আমি জানিনা।

    ব্যাখ্যা ট্যাখ্যা পরে। আগে দেখুন, এটা ইন্টারেস্টিং না?
  • aranya | ২০ মে ২০১৩ ০৬:১২604231
  • 'এখন যদি রোলে থাকত, তাহলে বিভিন্ন সামজিক ব্যবস্থায় মানুশ আর্বিট সেক্স করা বন্ধ করে দিত, যে কোন জেন্ডারের সাথে সেক্সে প্রাবৃত্ত হত, সভ্যতা বিবর্তন গাধার গাড়ে চলে যেত। অদিম সমজ আগুন, শিকাঅর, আরো আগে সে ঐসব গুহা ফুহা, কত রকম হোমো-।। স্পিসিস, কখনো কুজো হয়ে কাটছে, কখনো স্ট্রেট, কত যুগ ভাষাই তোরী হয় নি, এত কিছু এল গেল, এই রিস্পন্স টার ট্রেন্ড টা কিন্তু বদলাই নি। বেশীর্ভাগ ছেলেই মেয়েকে ধরে লাগিয়েছে'

    সেক্সের ব্যাপারে সামাজিক নির্মাণের রোল সম্বন্ধে ঋদ্ধি-র এই লাইনগুলো দেখতে অনুরোধ করি। আম্মো এটা লিখব ভাবছিলাম।

    ঈশান, এই যুগ যুগ ধরে অপরিবর্তনীয় হেটারো সেক্স সম্বন্ধে কি ভাব? সমাজ ইঃ পরে এল, বিভিন্ন সমাজের রুল অনুযায়ী কিছু ব্যাপার স্যাপার অন্য রকম হয়েছে, কিন্তু পুরুষের বেসিক শারীরিক চাহিদা কিছু পাল্টেছে কি?
  • aranya | ২০ মে ২০১৩ ০৬:১৭604232
  • ওকে, প্রি-কণ্ডিশনের লিস্টিতে 'অনতি অতীতে ইজাকুলেশন হয় নি' - এটাও ঢুকিয়ে দিলাম :-)।

    'সবসময় রাজি'-টা ঋদ্ধি লুজলি বলেছিল। অনেক প্রি-কণ্ডিশন আছে, সেটা ধরে নিয়েই এগোনো যাক।
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০৬:২০604233
  • মজার অনেক ব্যাপার আছে। মধুশ্রীর ওই একটি লেখা (বা সার্ভে যাই বলুন) থেকেই তা উঠে আসে।
    ১। যে উচ্চশিক্ষিত ও মুক্তমনা ডেটাসেট নিয়ে মধুশ্রী কাজ করেছেন, সেখানেও পুংদের মধ্যে ফ্যান্টাসি চর্চা প্রবল। এবং মেয়েদের মধ্যে চর্চা নেই।
    ২। যৌনতার তীব্রসুখ কীসে আসে? ফ্যান্টাসিপূরণে। সেটাই থ্রিল -- মধুশ্রী দেখাচ্ছেন।
    ৩। ফ্যান্টাসি বা যৌনসুখের অভীষ্ট, যেনামেই ডাকুন, এটি একটি চর্চার বিষয়। অঙ্ক যেমন পেট থেকে পড়েই কেউ শিখে যায়ন, রীতিমতো চর্চা করে শিখতে হয়, ফ্যান্টাসি বস্তুটিও তাই।
    ৪। চর্চার অভাবে বহু মেয়েই জাস্ট জানেনা তার অর্গ্যাজমের ক্ষমতার কথা। মধুশ্রী দেখাচ্ছেন।

    "ইলিউমিনেটিং সেক্স" এর ধারণা, মধুশ্রী লিখছেন, তাঁর বান্ধবীদের মধ্যে সুলভ নয়। পুংরা তাদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই ধারণা আয়ত্ত্ব করে। মহিলারা করেনা। সেটা তাঁদের শারীরিক বা মানসিক গঠনের কারণে নয় (কারণ অনেকেই অনেক পরে এটি আয়ত্ত্ব করেন), জাস্ট বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ার কারণে।

    এটা হল সামাজিক নির্মাণের একটি মেকানিজম।
  • aranya | ২০ মে ২০১৩ ০৬:৩৪604234
  • সেক্সের ইচ্ছাটা, বোল্ড & আণ্ডারলাইন, মূলত বায়োলজিকাল বলেই মনে হয়।
    সেই ইচ্ছেকে পাল্টানো, দমিয়ে রাখা, বা সেই ইচ্ছাপূরণের বিবিধ রাস্তা - এইসব ইত্যাদি প্রভৃতিতে সমাজের প্রভূত অবদান।
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০৭:০৮604235
  • ১।। তাহলে আমার ধারণার কথাই বলি (এটাকে তক্কের বিষয়বস্তু করে তুলবেন না প্লিজ, জাস্ট ধারণা)। সেক্সের একটা "তাড়না" বায়োলজিকালি মানুষের আছে। কিন্তু "ইচ্ছে", "সুখ", "তৃপ্তি" পুরোটাই সামাজিক। যেমন "শীতবোধ" বায়োলজিকাল, কিন্তু পোশাক সামাজিক। যেমন ক্ষিধে বায়োলজিকাল, কিন্তু "স্বাদ" সামাজিক, ইত্যাদি।

    তবে, এই ধারণামাত্র। তত্ত্ব হিসেবে চালানোর কোনো ইচ্ছা নেই।

    ২। অরণ্যদাকে আরও একটা কথা বলি। "পরপর যৌন সঙ্গমে অসমর্থ" হওয়াটা খুব ছোটো একটা প্রিকন্ডিশন নয়। মহিলাদের যে যৌন পেশায় দেখা যায় ঐতিহাসিকভাবে, তার একটা কারণ এটাও, যে, ব্যাপারটা কস্ট এফেক্টিভ, কোনো আইডল টাইম নেই। এটা মহিলাদের "অলওয়েজ রেডি" থাকার পক্ষের একটা যুক্তি। যেটা "সামাজিক" পুরুষের সর্বসময় "রেডি" থাকার যুক্তিকে খন্ডন করে।

    ৩। আদিম মানুষ সম্পর্কে ঋদ্ধির যে পোস্ট কোট করেছেন, সেটা একেবারেই বেসলেস। ভাষা যেমন "পুরুষ"কে নির্মাণ করে, "অতীত"কেও করে। এটা অতীত সম্পর্কে একটি পপুলার নির্মাণ, তার বেশি কিছু না।
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০৭:১৬604236
  • ৪। এটাও ধারণা। মধুশ্রীর অবসারভেশন, শুধু স্ট্রেট মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এমন নয়। আমার ধারণা সমকামী ট্রেন্ডের মানুষ (পুং ও নারী) উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আরও বেশি করে। নিজের যৌনতাকে চেনা একটা চর্চার বিষয় সবসায়েই। স্ট্রেট মেয়েরা তবু নিজের যৌন ওরিয়েন্টেশনটা ঠিকঠাকই বোঝেন। কিন্তু সমকামীদের ক্ষেত্রে সেটুকু চর্চারও অবকাশ নেই। ফলে সেখানে অবদমন আরও অনেক বেশি। এটা, আবার ধারণা। নো থিয়োরি।
  • pi | ২০ মে ২০১৩ ০৭:১৮604237
  • আগেরদিন একটা প্রশ্ন করেছিলাম, ছেলেদের হস্তমৈথুন নিয়ে যেটা ৯৯% কেস বলে ক্লেইম করা হচ্ছে, তার মধ্যে পারস্পরিক চর্চা, আলোচনাম পরিবেশের প্রভাব কত ? সেটা না থাকলে ৯৯% হত ?
  • Ishan | ২০ মে ২০১৩ ০৭:১৯604238
  • তথ্যপ্রমাণ নেই। আমার ধারণা অনেক কম হত।
  • riddhi | ২০ মে ২০১৩ ০৭:২২604239
  • মধুশ্রীর লেখাটা বেশ ভাল। এরকম সার্ভ টার্ভে হয় বা হয়েছে আইডিয়া ছিল না। ওবসার্ভেশান গুলো নিয়ে বোধহয় আমি আর ঈশান আগেই একমত। কথাটা হচ্ছিল ওবসার্ভেশন গুলো কেন এরাম। এই নিয়ে মধুশৃ নিশচয় আলোকপাত করেছেন। কিন্তু "যাস্ট বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়া" তে কিছু বোঝা গেল না, আরো ব্যাখ্যার দাবী রাখে। ঈশান যখন এতটা টুকেছেন, তখন ঐ অংশ গুলো যদি একটু টুকে দ্যান :p তবে এখন নাঃ)। মূল প্রক্রিয়ার একটু ছোটখাট প্রেসি হলেও চলবে।

    অরণ্যদা একটা ছোট্ট আপডেটঃ ৭ ৮ বছর আগেও আপনার দেখা সেটটাই মেজরিটি। আমি একটা মফস্বলের ইনজিনিয়ারিং কলেজের কথা বলছি। তবে কলকাতায় কিছু কলেজের আন্ডারগ্রয়াডদের সেম এক্ষপি।
  • riddhi | ২০ মে ২০১৩ ০৭:২৯604240
  • পাইয়েরে এই প্রশ্ন টা এক্দম মিস করে গেছিলাম মনে হচ্ছে। আমি ৯৯% না ৯৫% জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি, পরিবেশ আলোচনার খুব নগন্য ভূমিকা আছে। মানে দাদা বা বন্ধু স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে টিউটরের ভূমিকায় যে একদমি নামে তা নয়, কিন্তু মোস্টলি জনতা এটা নিজেই কোন না কোন পয়েন্টে পিক আপ করে। কোন আলোচনা যে ম্যাস্টারবেশান "এন্ফোর্স" করে তাও না। খুব ন্যাচারাল প্রগ্রেস।
  • pi | ২০ মে ২০১৩ ০৭:৩৩604242
  • মধুশ্রীর পুরো লেখাটাই খুব ইন্টারেস্টিং। ধর্ষণের অংশটাও।

    '"সেক্স করলে আমার গুরুত্ব বাড়বে', এই কথাটি উচ্চারিত হতে শুনেছি প্রায় প্রতিটি ছেলে বন্ধুর মুখে। বান্ধবীদের মুখে প্রায় শুনিনি' " ... মধুশ্রী লিখছেন। ঋদ্ধিদের পোস্টও ছেলেদের সেই সেটেই বিলং করে, আর তাতে মামুবাবুর (এই মামুবাবু সম্বোধনটা বেশ পছন্দ হয়েছে ঃ)) বক্তব্যই ভ্যালিড হয়, এত সব পড়ে এই তো মনে হল।

    ঋদ্ধি বা অরণ্যদা কি বলেন, এই গুরুত্ববৃদ্ধির কনসেপ্টটা নির্মাণ নয় ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন