এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রহসন

    পিনাকী
    অন্যান্য | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ | ২০৮৩৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ১১ মে ২০১৮ ১৩:২২374441
  • পিটি, কে বড় করে 'ক'।
    ক্লোজ কম্যুনিটির এরকম হাল ই হয়।
  • বাম সন্ত্রাস | ১১ মে ২০১৮ ১৫:২১374442
  • বাম আমলের শাসকদের নির্বাচনী সন্ত্রাসের কথা লিখতে গিয়ে দেবাশিস ভট্টাচার্য (‘বিরোধীরাও কলঙ্কমুক্ত নয়’, ২০-৪) লিখেছেন, ‘যদি কেউ ইতিহাস-বিস্মৃত না হন, তবে দীর্ঘ বাম শাসনে এই রাজ্যে সন্ত্রাসের ভয়াল চেহারা তাঁর মনে থাকার কথা।’ ঠিক। অনেকেরই মনে আছে, শুধু আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট নয়, হুগলির বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চলে বাম আমলে শাসক সিপিএম নির্বাচনী সন্ত্রাসকে কোন নৃশংসতায় নিয়ে গিয়েছিল। ২০০৯ থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর, এই এক বছরে শুধু হুগলি জেলার বিভিন্ন গ্রামেই তৃণমূলের ১২ জন নেতা, কর্মী খুন হন। এঁদের মধ্যে আরামবাগ মহকুমার পুড়শুড়ায় ৪ জন, খানাকুলে ২ জন, আরামবাগে ৩ জন তৃণমূল নেতা। চুঁচুড়া সদর মহকুমার গুড়াপ গ্রামে ১ জন খুন হয়েছেন। আর শ্রীরামপুর মহকুমার জাঙ্গিপাড়ায় ১ জন ও চণ্ডীতলায় ১ জন খুন হয়েছেন।

    হুগলিরই দু’একটা ঘটনা উল্লেখ করি। ২০০৯ সালের ৩ জুন খানাকুলের সারদা জাকরি গ্রামে তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের নেতাকে তাঁর নিজের বাড়ির উঠোনে স্ত্রী, বৃদ্ধা মা, দুই শিশুপুত্রের সামনেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে, তাঁর চোখ উপড়ে, যৌনাঙ্গ কেটে খুন করা হয়। রক্ত লাগানো হয় উঠোনের প্রান্তে থাকা মনসা গাছটিতে। ২০১০ সালের ১৮ মার্চ গুড়াপের গুড়বাড়ি গ্রামে তৃণমূলের তফসিলি জাতি-জনজাতি সেলের আর এক জন নেতাকে বাড়ির ভেতরে ঢুকে ঘর থেকে টেনে বার করে বোমা মেরে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়।

    একটু পিছিয়ে গেলে মনে পড়বে ২০০১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে জাঙ্গিপাড়ার জগন্নাথপুরে ১৩ এপ্রিল দুই কংগ্রেসি ভাইকে নৃশংস ভাবে হত্যার কথা। ওঁদেরকেও নিজের বাড়ির ভেতরে কুপিয়ে হত্যা করা হয় এবং মায়ের কাপড়ে তরোয়ালের রক্ত মুছে চলে যায় খুনিরা। ছেলেদের খুনের পর কেস লড়তে ওই মাকে জাঙ্গিপাড়ার বাইরে লুকিয়ে থাকতে হয়েছে।

    আর নীরব সন্ত্রাসকে সিপিএম শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল। বিরোধীদের বশে আনতে, এলাকাকে বিরোধীশূন্য করতে, পুকুরের জলে ফলিডল, জমির ফসল তুলতে না দিয়ে জমিতেই তা নষ্ট করে দেওয়া, চুরি-ডাকাতির বদনাম দিয়ে পুলিশ দিয়ে তুলিয়ে নেওয়া, এ সব ছিল পরিচিত কৌশল।

    এমনকী বাম শরিকদের বশে রাখতেও বড় ভাই সিপিএমের তৎপরতা ছিল দেখার মতো। ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটের সময়, গোঘাটের কামারপুকুরে ফরওয়ার্ড ব্লক পার্টি অফিসের কর্মীদের শুয়ে-বসে সময় কাটাতে দেখে জিজ্ঞেস করেছিলাম, বসে সময় কাটাচ্ছেন, গোঘাট তো আপনাদেরই শক্তপোক্ত জায়গা? ওঁরা উত্তর দিয়েছিলেন, বাইরে বেরোলে সিপিএম পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেবে। তাই ওদের কথা শুনেই চলতে হয়। যা করার ওরাই করে। সে সময় গোঘাট-সহ আরামবাগ মহকুমার কোথাও শাসকের লাল চোখকে উপেক্ষা করে কোনও মানবাধিকার সংগঠন অত্যাচারিত গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়াতে গ্রামগুলোতে যাওয়ার সাহস দেখাতে পারেনি।

    আজ সেই বামেরাই সন্ত্রাস নিয়ে সবচেয়ে বেশি আওয়াজ তুলছে! আজ তারা পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করছে, কিন্তু এটাও ভুলে গেলে চলবে না, ’৯২ সালে জ্যোতি বসু প্রশাসনে ‘অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ)’ এই পদটি সৃষ্টি করেন, যাতে পার্টির গুন্ডাদের পাশাপাশি পুলিশকেও গ্রামাঞ্চলে বিরোধী রাজনৈতিক নেতা, কর্মীদের দমন করতে কাজে লাগানো যায়।

    সমীর সাহা, শ্রীরামপুর, হুগলি
    http://www.anandabazar.com/editorial/letters-to-the-editor-1.792912
  • ৭২-৭৭ | ১১ মে ২০১৮ ১৫:৫০374443
  • ব্রিটিশ | ১১ মে ২০১৮ ১৫:৫১374444
  • মোগল | ১১ মে ২০১৮ ১৫:৫২374445
  • জ্যোতি বসু | ১১ মে ২০১৮ ১৭:০৯374446
  • ওরকম তো কতই হয়।
  • sm | ১১ মে ২০১৮ ১৮:৫২374447
  • আমরা ২৩৫ ওরা ৩৫ পারবে?
    খোকন সেন বর্ধমানে খুব পরিচিত নাম ছিলো। সাঁই বাড়ী বলে কিছু হয়ে ছিল কি?
  • PT | ১১ মে ২০১৮ ২০:০০374449
  • সাঁই বাড়ি বলে কিছু নিশ্চিত হয়ে ছিল। কিন্তু আপনার প্রিয় দলটিরে জিগান যে তারা ক্ষমতায় এসে সাঁইবাড়ি হত্যাকান্ডের জন্য যে (দ্বিতীয়) জুডিসিয়াল কমিশন গঠন করেছিল সেটা ৬/৭ বছরে কি ধরণের ডিম্ব প্রসব করেছে।

    ২০১১-তে মোট দশটি কমিশন গঠিত হয়। তার একটিও এপর্যন্ত কোন বাম নেতা-কর্মির কেশাগ্র স্পর্শ করতে পারেনি। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব খুশী হব এই কমিশন (আছে এখনো?) যদি দোষীদের শাস্তিবিধান করে।

    তবে অন্তর্জাল ঘাঁটতে ঘাঁটতে দুটো অন্যরকমের ঘটনার উল্লেখ পাওয়া গেলঃ
    ...the lawyer who was fighting on behalf of the accused was killed with the police allegedly refusing to lodge a first information report.
    আর, সাঁইবাড়ির ঘটনার পরে- "Mass scale assassination occurred at Chokbalrampur at the instigation of a Sain Brother. Worst of all, the corpses were hanged on a tree and all villagers were forced to see the ghastly scene."
    এই চকবলরামপুরে ঘটনা নিয়ে কাউকে কখনো উদ্বিগ্ন হতে শুনিনি। কেউ কিছু জানেন?

    (গুরুর কোন টইতে আমার সঙ্গে RR-এর লম্বা তর্ক হয়েছিল এই প্রসঙ্গে। সেখানে অনেক লিং আছে।)
  • sm | ১১ মে ২০১৮ ২১:০৯374451
  • তাহলে ঘটনা ঘটেছে বলছেন?
    ঘটালো কে?
    কঙ্কাল কান্ড ই বা কে ঘটালো?
  • PT | ১১ মে ২০১৮ ২১:৪০374452
  • আগে সাঁইবাড়িটা সামলান তারপরে ক্ঙ্কালকাণ্ড নিয়ে কথা হবে। তবে কঙ্কালকান্ডে সুশান্ত ঘোষকে জেলের ঘানি টানাতে না পারলে জানবেন যে আপনি একটা ফেল্টুস পার্টির সমর্থক।
  • সাই | ১১ মে ২০১৮ ২২:০১374453
  • বাড়ীর গুন্ডা গুলোকে মেরেছিল জনতা তাদের অত্যাচারের জন্য। ওগুলো কংগ্রেসী গুন্ডা।
  • কিন্তু | ১১ মে ২০১৮ ২২:০৮374454
  • কাশীপুর বরানগর নিয়ে কে সামলাবে ?
  • sm | ১১ মে ২০১৮ ২৩:৩৪374455
  • এর চেয়ে নির্লজ্জ উত্তর কাদের কাছ থেকে পাওয়া যায়?ওদের মেরেছিল জনতা!আনন্দ মার্গী দের পুড়িয়ে মেরেছিল জনতা!
    কঙ্কাল কান্ড ঘটিয়েছে জনতা!
    এরা আবার মিহিসুরে, মিন মিন, পিন পিন করে বলে তিনোরা সন্ত্রাস করছে।
    এদের ই বলা উচিত সব জনতার ঘটানো সন্ত্রাস।
  • sm | ১১ মে ২০১৮ ২৩:৩৫374456
  • পিটি, চৌত্রিশ বছর অনেক টাইম প্রমাণ লোপ করার জন্য।
    সুতরাং যতই কমিশন বসাও, নেট এফেক্ট পাওয়া দুষ্কর।
  • PT | ১১ মে ২০১৮ ২৩:৫৬374457
  • অন্ততঃ সাঁইবাড়ি সংক্রান্ত সব ফাইল উদ্ধার হয়েছিল ২০১২-তে। তখন সবাই ধরে নিয়েছিল যে নিরুপম সেন আর বিনয় কোঙারকে ঝক্কাস করে জেলে পুরে দেওয়া যাবে।
    The case files of the Sainbari massacre happened 40 years back in West Bengal, could be traced out of piles of files in the High Court of Calcutta, putting CPI(M) into neck-deep trouble. The files were untraceable for the past three and half decades.

    ধরে নিলাম অন্য সব ক্ষেত্রে ফাইল হারিয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক অতীতের এই কেসগুলোর সমাধান তো অবিলম্বে সমাধান করে ফেলা যায়।

    ১) রিজানুরের মৃত্যু
    ২) তাপসী মালিকের হত্যা।
    ৩) কলকাতার রাস্তায় কংগ্রেস সমর্থকদের ওপরে গুলীকান্ড।
    ৪) নন্দীগ্রামের গুলীকান্ড।
    ৫) কঙ্কালকান্ড।
    ৬) রাজারহাটের জমি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা।

    পূর্বনির্ধারিত ও সংবাদ মাধ্যমের সিদ্ধান্ত অনুসারে এ সব কিছুতেই সিপিএম বা তাদের ঘনিষ্ঠ লোকেদের শাস্তি হওয়ার কথা। তবে এত গড়িমসি কেন? নাকি সত্যি ঘটা বেরোলে তিনোরা আর মাওব্যথীরাই বিপদে পড়বে?
    তবে তিনোরা কোনদিন ক্ষমতা থেকে যাওয়ার আগে নিজেদের পিঠ বাঁচানোর জন্য এইসব ফাইল লোপাট করে দিয়ে যাবে, সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।

    তবে এই মুহূর্তের বড় খবরঃ সৌমিত্র খান প্রকাশ্য জনসভায় বুথ দখলের ডাক দিয়েছেন।
  • Fëanor | ১২ মে ২০১৮ ০৬:৩০374458
  • মনোরঞ্জন মালিকের রিসেন্ট স্টেটমেন্টটা আশা করি সবাই লক্ষ্য করেছেন।
  • dd | ১২ মে ২০১৮ ০৭:৩৪374459
  • তা হলে এও ও বলি ন্যাদোশ পারুইএর নিবন্ধটিও আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার যোগ্য। যদিও নব মাখমপুরের ঘটনাটা উনি স্রেফ চেপে গ্যাছেন, বরং দধিচী বসুপ্রামাণিকের নিবন্ধটি অনেক বিশ্বাসযোগ্য।
  • PT | ১২ মে ২০১৮ ০৮:৫৫374462
  • অতিবদ অতিবামেরা কত উচ্চমানের ঢপবাজ ছিল সেটার প্রমাণঃ
  • Du | ১২ মে ২০১৮ ০৯:৫২374463
  • বুঝেইছিলাম ২৪ ঘন্টা ভোটের আগে টিভি প্রচারের ব্যবস্থা করেছে
  • PT | ১২ মে ২০১৮ ১০:০৭374464
  • আহা, বিরোধীরা যদি আর একটু আগে এই খবরটা জানত আর পূজো-পাঠের ব্যবস্থা করত তাহলে মনোনয়নপ্ত্র জমা দিতে পারত বিনা বাধায়!!

    "সোমে ফলহারিণী কালী পুজো, সহজ নিয়ম মানলে প্রেম-অর্থের বাধা কাটান দেবী........
    কর্মজীবনে প্রতি মুহূর্তেই আমরা সমস্যা উদ্বেগ হতাশায় ভুগি। তাই ফলহারিনী কালীপুজোর দিন মধ্যরাতে মাকে একটু স্মরণ করলেই সব বাধা নিমেষে দূর হয়ে যায়। মা দয়াময়ী তাই তিনি আমাদের সমস্ত সমস্যা, হতাশা, কষ্ট, দুঃখ, দৈন্য হরণ করে সুখ আনন্দ দেন।"
    https://ebela.in/horoscope/why-falaharini-kali-puja-is-important-dgtl-1.795609?ref=hm-ft-stry-1
  • PT | ১২ মে ২০১৮ ১১:১৯374465
  • আজ এই বারবেলায় অবশেষে দিদি ও পিটি একমত হলেন
  • PT | ১২ মে ২০১৮ ১১:২১374466
  • ইনি অজ্জিনাল পিটি নহেন!!
  • PM | ১২ মে ২০১৮ ১৪:৪২374467
  • আরে ভুল করে -- ওটা আমি -- দিদির দেশের খবর পড়ে বাইরে থেকেও নিজের নাম ভুল হয়ে যাচ্ছে
  • s | ১৪ মে ২০১৮ ০৮:৫৬374468
  • যথারীতি তিনোদের সন্ত্রাস সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে।
  • PT | ১৪ মে ২০১৮ ১০:২৪374469
  • ভিক্ষের চাল, ঢপশ্রী ও ভাঙ্গা সাইকেল সত্বেও প্রকৃত জনসমর্থনের সংখ্যাতত্ব তিনি খুব ভাল ভাবেই জানেন। কাজেই তাঁর অনুপ্রেরণাতেই মনোনয়নপত্র জমা থেকে সন্ত্রাসের ছক কষা হয়েছিল। তদুপরি মনে হচ্ছে যে নিচুর দিকের লুম্পেনদের ওপরে দলের কোন নিয়ন্ত্রণই নেই।
  • s | ১৪ মে ২০১৮ ১০:৩৬374470
  • রেজিনগরে তিনোরা সকাল দশটার মধ্যেই ছাপ্পা টাপ্পা শেষ করে, ব্যালট বাক্স খুলে ভোট গোনা শুরু করে দিয়েছিল। প্রিসাইডিং অফিসার পুলিশ যথারীতি চুপ করে বসে।
    মিডিয়া যেতে আবার ভোট করানোর নাটক করার চেষ্টা হয়। কিন্তু করাবে কি করে ? ব্যালট বক্স তো ভাঙ্গা।
    সবটাই অন ক্যামেরা, সৌজন্যে আবাপ।
  • সিকি | ১৪ মে ২০১৮ ১০:৩৭374471
  • সকাল থেকে নয়, গতকাল রাত থেকেই। দুজনকে ঘুমন্ত অবস্থায় পুড়িয়ে মারা হয়, কারণ তাঁরা সিপিয়েম করতেন।

    (হ্যাঁ, বেশ করেছে পুড়িয়ে মেরেছে, কোথায় ছিলেন যখন বিজন সেতু, সাঁইবাড়ি, নন্দীগ্রাম, আমলাশোল, ব্লা ব্লা ব্লা ...?)
  • pi | ১৪ মে ২০১৮ ১০:৫০374473
  • আর্কাদির পোস্টটা রইল। টিভিতে শুনলাম বোমা বাঁধা, শর্ট সার্কিট বলে চালাচ্ছে, যদিও ছবি দেখে অনেকেরই প্রশ্ন তাহলে ঘরে বাকি সব অক্ষত থাকে কীকরে?
    ---

    'সুপ্রভাত।

    ভোরের চায়ের সাথে স্টোভে সেঁকা কড়কড়ে পাউরুটির পুড়ে কয়লা হয়ে যাওয়া কালো পৃষ্ঠটা জিভে ঠেকিয়ে আস্বাদন করুন পঞ্চায়েত ভোটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হিসেবে কড়কড়ে করে পোড়ানো দুটো মানবদেহ।

    কয়লা হয়ে পড়ে আছে কাকদ্বীপের কাছাড়ী বাড়ি(নামখানা) এর বুধখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১৩ নং বুথের কমরেড দেবু দাস ও কমরেড ঊষা দাস। রাতেরবেলা জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে দুজনকে।

    কারন তারা সিপিআই(এম) কর্মী।

    যেমন জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিলো আফরাজুলকে।
    কারন সে মুসলমান।

    আফরাজুলের খুনি শম্ভুলাল রেগরের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন তো? ঘৃনা করেছিলেন তো? করুন। কারন মমতার বাংলায় বসে খুনি মোদীর বিরুদ্ধে গলা ফাটানো যায়, প্রতিবাদী হওয়া যায়, বাহ্বাও পাওয়া যায়। কিন্তু অনেক অনেক দেবু দাস, উষা দাস, হাফিজুল মোল্লা ক্ষয়ে যাচ্ছে এই মাটিতে, কিন্তু ভয়, ভয়, ভয়, ক্রেন দিয়ে টেনেও আমাদের শিরদাঁড়াগুলো সোজা করা যাচ্ছে না। নৈশব্দের কারফিউ জারি করেছি আমরা প্রত্যেকে নিজেদের ওপর, একের পর এক দেহের ভারে চাপা পড়তে পড়তে শুনতে, দেখতে, বলতে ভুলে গেছি।

    আপনারা প্রত্যেকে, হ্যা প্রত্যেকে, আসামী। কারন আপনারা প্রত্যেকে যারা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে, ফ্যাসিবাদের জুজু দেখিয়ে, নিরাপদ অবস্থান রেখে মুখে কুলুপ এটেছেন, আপনারাই এই খুনিদের সক্রিয়করণকারী।

    Everyone who is silent is complicit.'
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন