এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • মাওবাদী

    SB
    অন্যান্য | ১৮ মে ২০১০ | ২৫৯৩৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২২ মে ২০১০ ০১:৪২447027
  • আর, নির্মলাংশুবাবুর লেখায় 'কেরালা' আনার ব্যাপারে আপত্তি টাও আমার ভ্যালিড লাগছে না।
    কেরালার উল্লেখ এসেছে কেবল ডেইলি ওয়েজ প্রসঙ্গে।
    আর, সেটাও এই জন্য, perhaps one model the Maoists would wish to compete with

    নইলে ওখানে ডেইলি ওয়েজ এখন ৩৫-৪০ টাকা ( যেটা ১০ টাকা থেকে বাড়ানোটা মাওবাদীদের একটা বড় সাফল্য হিসেবে প্রোজেক্ট করা হয়), সেখানে সারা ভারতে মোটামুটি ৬০-৮০ টাকা। কেরালার কি দরকার, বাকি ভারতের সাথে তুলনা করলেও তো কম।

    আর, আমার আরেকটা জিনিস জানা দরকার। তুলনা করতে হলে সেটা বোধহয় সবচেয়ে উপযুক্ত। সেটা হল, ভারতের অন্য কোনো আদিবাসী এলাকা, যেখানে মাওবাদীদের রাজ চলেনি।
    সেখানকার উন্নয়নের সাথে এই এলাকার উন্নয়নের তুলনা। স্বাস্থ্য, শিক্ষা সব পরিষেবার জন্য ই। এলাকায় কোনো কাজের জন্য ডেইলি ওয়েজের তুলনাটাও দরকার।
    তাহলে বোঝা যাবে, আদিবাসী এলাকাগুলো সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রের গাফিলতির জন্য কতটা অনুন্নয়নের শিকার আর মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকা গুলোতে সেই সিচুয়েশন বেটার কিনা।
  • aka | ২২ মে ২০১০ ০৯:৫৯447028
  • দুদি, যতদূর জানি হিউম্যান এমান্সিপেশন মার্ক্সের কথা। তবে সে খায় না গায় দেয় জানি ন, মার্ক্স নিজেও মনে হয় খুব খোলসা করে বলেন নি। তবে এসব বড়দের বিষয়, তাঁরা বললেই ভালো হয়।

    আদিবাসীদের যদি গেরিলা ওয়ারফেয়ারে ফ্রন্ট লাইন সোলজার হিসেবে ব্যবহার করতে হয় তাহলে এরকম একটা যুক্তি কি খুব অযৌক্তিক হবে? মাওবাদীরা চায় সশস্ত্র বিপ্লব, সেই বিপ্লবে আদিবাসীদের বিরাট অংশ ফ্রন্টলাইনে থাকবে। আদিবাসীরা সশস্ত্র বিপ্লব করবে কেন? কারণ তারা অবহেলিত, বঞ্চিত। যদি বঞ্চনা কমে যায় তাহলে সশস্ত্র বিপ্লবে যোগ দেওয়ার মতন লোক কমে যাবে। অতএব মাওবাদীদের নিজ রাজনৈতিক বিশ্বাসের জন্যই একটা ইন্টারেস্ট আছে যতক্ষণ না বিপ্লব পুরোপুরি হচ্ছে ততদিন ঐ অঞ চলে খুব বেশি উন্নতি না হোক। শর্ট টার্ম এভিল। যুদ্ধের প্রয়োজনটা জিইয়ে রাখতে কাজে লাগবে।
  • SC | ২২ মে ২০১০ ১০:১১447029
  • বাবা:,এসব তো আগে দেখিনি। এখন দেখে মনে হাজারো প্রশ্ন জাগছে।
    সবার আগে এটা দেখলাম।

    (xiv) Itwillestablishtherevolutionarynewdemocraticcultureinplaceofthedecadentfeudal, colonialandimperialistculture, andonthisbasis, broadensthepathofsocialistculture.Itwillcontinueitsmarchinthedirectionofrealizingcommunistculture.

    এটার মানে কি, কিছুই মাথামুন্ডু বুঝলাম না। মানে স্টেট বলবে আমি এম টি ভি দেখবো, নাকি দূরদর্শন?
    নাকি স্টেট বলবে দাদুর গান শুনো না, নাতিরটা শোনো। কি গেরো।
  • Ishan | ২২ মে ২০১০ ১৪:৫৫447030
  • মাওবাদীদের নিয়ে মূল আপত্তিটাই তো প্রোগ্রামের কারণে।

    প্রথম কথা হল, ছত্তিশগড়ের মানুষ হয়তো আত্মরক্ষার্থে লড়ছেন, কিন্তু মাওবাদীরা মোটেও আত্মরক্ষার্থে লড়ছেনা। তারা পরিষ্কার ক্ষমতা দখলের জন্য লড়ছে। মানে যুদ্ধটা নিজেকে বাঁচানোর নয়, যুদ্ধটা অন্যকে আক্রমনের। তা যদি না হত, তবে, যেখানে যেটুকু গণতান্ত্রিক পরিসর পাওয়া যায় সেখানে সেটুকু তাঁরা ব্যবহার করতেন।

    দ্বিতীয়ত:, রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে তাঁরা কি বানাতে চান? না, একটি টোটালিটারিয়ান ব্যবস্থা। যেখানে "বুজ্জোয় অপসংস্কৃতি' থেকে শুরু করে "প্রতিবিপ্লবী কান্ডকারখানা' পর্যন্ত, সবই ব্যানড। এই টোটালিটারিয়ানপনার সমর্থন যাঁরা করছেন, তাঁরা নিজেরা এই প্র্যাকটিস মেনে নিতে পারবেন তো?
  • Ishan | ২২ মে ২০১০ ১৫:২০447032
  • এখানে একটা যুক্তি আসতে পারে, এবং আসছেও, যে, হ্যাঁ, কিছু হিংসা ঘটানো হচ্ছে, কিছু লোকের প্রাণ নেওয়া হচ্ছে "চর' সন্দেহে, কিন্তু এ ছাড়া উপায় কি আছে? অরুন্ধতী রায় চমৎকার লিখেছেন ব্যাপারটা, শত্রুর বাহিনী যখন বন্দুক নিয়ে হামলা করে, তখন তার প্রতিবাদে কি আমরণ অনশন করব? এই পরিস্থিতিতে পাল্টা মার দেওয়া ছাড়া উপায় কি? অতএব, পাল্টা মার বৈধতা পাচ্ছে। এবার যুদ্ধ করতে গেলে শুধু আত্মরক্ষা করলে চলেনা, পাল্টা মারের জন্য, শত্রুর স্ট্র্যাটেজিকে ব্যর্থ করার জন্য কিছু প্রিএমটিভ স্ট্রাইকের দরকার হয়, অতএব, থানা বা ফাঁড়ি আক্রমন বৈধতা পাচ্ছে। যুদ্ধে শত্রুর ইনটেলিজেন্সকে ধ্বংস করার প্রয়োজন পড়ে, অতএব, "চর' দের "গণ আদালতে' "মৃত্যুদন্ড' প্রদান বৈধতা পাচ্ছে। নি:সন্দেহে পুরোটার মধ্যেই একটা যুক্তিপরম্পরা আছে। সেটা অনস্বীকার্য।

    কিন্তু একই সঙ্গে আমি এইটাও মনে করিয়ে দেব, যে, এই যুক্তিপরম্পরাগুলো আমরা প্রথম বার শুনছিনা। লেনিনের আমলে কমিউনিস্ট পার্টিতে "গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা' চালু হয়েছি এই একই ভাবে। যুদ্ধের প্রয়োজনে। পরবর্তীতে শত্রুর আক্রমন, "প্রতিবিপ্লব' আর "প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি'কে ঠেকাতে তৈরি হয়েছিল লৌহ যবনিকা। নেহাৎই প্রয়োজনে। সরকার পার্টি এবং জনসমাজে শুরু হয়েছিল "প্রতিবিপ্লবী' খোঁজার নামে উইচ হান্টিং। সে-ও প্রয়োজনেই। নইলে কি আর হিটলারকে ঠেকানো যেত? আর এই নানা "প্রয়োজন' এর ঠেলায় কমিউনিস্ট পার্টি কখন একটা দানব হয়ে উঠল, কেউ টের পায়নি। বা, টের পেলেও বলার সাহস পায়নি, কারণ বললেই তো তুমি "প্রতিবিপ্লবী'।

    তাই, বলছিলাম, "প্রয়োজন' এর তাগিদে কাজ করে চলা আসলে জাস্ট রিঅ্যাকটিভ মোডে কাজ করা। পরিস্থিতির দাসত্ব করা। পরিস্থিতিকে আমূল বদলাতে চায় এরকম একটা পার্টির কাছ থেকে সেটা আশা করা যায়না। রিঅ্যাক্টিভ মোডে চললে রাশিয়ার মতো একটা মানুষখেকো ব্যবস্থা তৈরি অনিবার্য। "পুলিশের চর' হত্যার মধ্যে দিয়ে যার হিন্ট পাওয়া যাচ্ছে। যুদ্ধের বাজারে কে পুলিশের চর, আর কে জনগণের শত্রু, কে বিচার করবে। এটাই ক্রমশ প্র্যাকটিসে দাঁড়াবে। জনগণের নামে আর্বিট খুন করা হবে পার্টির বা গোষ্ঠীত বিরুদ্ধতাকারীদের। ইত্যাদি। ইত্যাদি।

    তা, কথা আসতে পারে, ভায়া প্রোঅ্যাকটিভ মোডটা কি? সোজা কথা হল, সেটা আমি জানিনা। যারা গ্রাউন্ডে আছেন, ওটা তাঁদেরই খুঁজে বার করতে হবে। রাশিয়ার পতনের পর একটা তথাকথিত বিপ্লবী দলের কাছ থেকে আমি সেরকমই আশা করি। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়, যে, সত্যি সত্যিই আত্মরক্ষার প্রয়োজন ছাড়া অস্ত্র এক্কেবারে ব্যবহার করা উচিত না। এটা নীতিগতভাবেই করা উচিত। আর সে জন্য গণতান্ত্রিক অ্যাপারেটাসগুলোকে যতটা সম্ভব ব্যবহার করা উচিত।

    এবং এটা আবার উপর থেকে ভাসা-ভাসা কথা বলা। টিকে থাকতে গেলে আসল উপায়টা মাওবাদীদেরই খুঁজে বার করতে হবে।
  • Ishan | ২২ মে ২০১০ ১৫:২৯447033
  • খুঁজে না বার করতে পারলে কি হবে? সেও অবশ্য জানিনা। এইটুকু বলতে পারি, আমার মতো লিবারালরা অ্যাদ্দিন যতই সমস্ত হিংসার নিন্দে করুক, রাষ্ট্রের অপকর্মের বিরুদ্ধে অনেকটাই বেশি সোচ্চার ছিল। কিন্তু এই টোটালিটারিয়ানপনা বৃদ্ধি পেলে রাষ্ট্রের প্রতি সেই একচক্ষুপনাটা আমাদের আর থাকবেনা। মৌলবাদী রাষ্ট্র এবং মৌলবাদী মাওবাদীদের হিংসাত্মক কাজকর্মের একদম একই ভাবে নিন্দেমন্দ করা হবে।

    আমার দিক থেকে এইটুকু বলতি পারি। এই আরকি।
  • aka | ২২ মে ২০১০ ১৮:০৮447034
  • এবং এই পরিস্থিতিতে গ্রীণ হান্টের বিরুদ্ধে যারা কথা বলছেন কবীর সুমন থেকে অনলাইন পিটিশন তাদের অবস্থান টাও আমার মনে হয়েছে নি-জার্ক, আবেগতাড়িত। অরুন্ধুতী রায় যাই বলুন আমি মনে করি এই যুদ্ধ অনিবার্য ছিল। মাওবাদীদের পার্টি প্রোগ্রাম তাই বলে।
  • pi | ২২ মে ২০১০ ১৮:৫৭447035
  • গ্রীন হাণ্টের বিরুদ্ধে কথা বলাটা তো জাস্ট মাওবাদীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের যুদ্ধের জন্য নয়। ঐ কর্পোরেট মাইনিং এর জন্য এলাকা জুড়ে উচ্ছেদ এটার বড় কারণ ছিল, সেটা তো অস্বীকার করা যায় না। আপত্তিটা তো মূলত: সেখানে। যুদ্ধের ক্যামোফ্লেজে কোনোরকম ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসনহীন ও সবচেয়ে বড় কথা,ইচ্ছার বিরুদ্ধে আদিবাসীদের উচ্ছেদ।
  • aka | ২২ মে ২০১০ ১৯:৩৮447037
  • সেই জন্যই জিগ্যেস করেছিলাম উন্নতির মানে কি? আর সেই উন্নতি হবে কি করে?
  • ranjan roy | ২২ মে ২০১০ ২৩:৫২447038
  • গভীর আগ্রহ নিয়ে অক্ষদা ও নির্মলাংশু সেনগুপ্তর বক্তব্য অনুধাবন করার চেষ্টা করছি।
    অক্ষদা এই জন্যে যে মাওবাদীদের দৃষ্টিকোণটি লজিক্যালি এবং কনসিস্টেন্টলি রাখার একটা সিনসিয়ার ভয়েস দরকার। যাতে আমরা নেগেটিভ বায়াস এর ব্যাপারে সতর্ক থাকি।
    আবার নির্মলাংশু যদি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক হন তাহলে এনার সততা ও স্রোতের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস প্রশ্নাতীত।
    চমস্কির এই স্নেহধন্য ছাত্রটি পার্লামেন্ট হামলায় মৃতুদন্ড প্রাপ্ত উর্দুর অধ্যাপক গিলানী ( পরে খালাস পাওয়া)এর জন্যে কমিটি বানিয়ে লড়েছে।
    আর আফজল গুরু ও গিলানীর বিরুদ্ধে সাজানো মামলার সমস্ত দস্তাবেজ, কোর্ট প্রসিডিংস, এর বিস্তৃত ও পুংখানুপুংখ বিশ্লেষণ,বিভিন্ন আইনজীবীদের মতামত ইত্যাদি নিয়ে একটি কয়েকশ'পাতার কমপ্যাক্ট ডকু বানিয়েছে। প্রাইভেট সার্কুলেশনের জন্যে নিজস্ব উদ্যোগে ছাপানো এই বইটি আমার কাছে এক কপি আছে। কোলকাতায় আসলে বন্ধুদের পড়াতে পারবো।
    দু'সপ্তাহ আগে আমার বিলাসপুরের নাটকের দলটি ""মঙ্গল সে মহাত্মা তক "" নামে স্বাধীনতা সংগ্রামের ওপর এক দু'ঘন্টার লাইট এন্ড সাউন্ড গোছের শো' নিয়ে দান্তেওয়াড়া ও জগদলপুরে গেছল। আমাকে ডেকেছিল একসঙ্গে যাওয়া-আসা ও আড্ডা দেয়ার জন্যে।
    এই শালার চাকরি! রিলিভার পেলাম না, সুযোগ গেল।
    আমার কথা হরিদাস পালের ডায়েরিতে লিখব। শিগ্গিরই।
  • a x | ২২ মে ২০১০ ২৩:৫৪447039
  • রঞ্জনদা, ছোট কারেকশন - নির্মলাংশু চমস্কির ছাত্র না। ওটা একটা মিথ। নির্মলাংশু নিজেই বলেছেন - উনি চমস্কিকে ফলো করেন অবশ্যই।
  • ranjan roy | ২৩ মে ২০১০ ০০:০০447040
  • সরি! আমি কম্পু স্যাভি নই। যাঁরা মাওনাদীদের প্রোগ্রাম পড়েছেন তাঁরা যদি জানান যে গণতন্ত্রের ব্যবহারিক রূপ কি হবে? বহুদলীয় ব্যবস্থা, নাকিএকদলীয়?
    আর ওই "গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা"? ওটা পার্টি স্ট্রাকচার বা কালচারের মোড হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যাপারে?
    এখানে মাওবাদীদের থিংক ট্যাংক ধেড়িয়েছেন মনে হয়।
    আর মাওয়ের "" শত পুষ্প বিকসিত হোক, শত শত চিন্তাধারা প্রতিযোগিতায় নামুক'' ওনাদের রাজ্যে ব্রাত্য হবে কি?
  • ranjan roy | ২৩ মে ২০১০ ০০:০৫447041
  • অক্ষদা,
    আমি যতদূর জানি, মানে নির্মলাংশু যখন শান্তিনিকেতনে দর্শনের অ্যাডভান্সড্‌ স্টাডির সেন্টারে ছাত্র ছিলেন, তখন স্কলারশিপ নিয়ে ওনার কাছে পড়তে যান। ওঁর বিষয়ই ছিল ভাষাদর্শনের ওপর কাজ করা। তাই তখন থেকেই চমস্কির সঙ্গে সম্পর্ক জারি। গিলানী নিয়ে বইটির মুখবন্ধও চমস্কি লিখেছেন।
    একটা প্রাইভেট সার্কুলেশনের বইয়ের মুখবন্ধ চমস্কি কে দিয়ে লেখানো!
  • aka | ২৩ মে ২০১০ ০০:২৩447042
  • (xviii) The new state will establish people’s political power through revolutionary people’s committees, and people’s governing
    councils at all levels, according to and on the basis of a People’s Democratic Constitution. Every citizen reaching the age of 18 years, except the arch reactionaries, shall have the right to elect, to be elected and to recall the elected representatives at all levels.

    It will ensure democratic rights to all people, such as right to speech, to assemble, to association including the right to strike
    and demonstration. It will ensure this right of the masses in exercising their control over the state power and resist any attempt to belittle this right.
  • pi | ২৩ মে ২০১০ ০১:২৯447043
  • মাওবাদী কি নো মাওবাদী, উন্নয়ন নিয়ে এই প্রশ্নগুলো কিন্তু সরকারকে করাই যায়। আকাদা, দেখো।

    The Chhattisgarh government cannot take refuge in the fact that it is going through a violent phase as its latest affidavit before the court (May 3) suggests. After all, it has had two years to announce a compensation and rehabilitation package. If it was unable to do a village-wise survey, why not admit that the area is not within its control and invite outside observers, as international law suggests, or at least allow a high level monitoring committee consisting of eminent citizens who are willing to help? Such a body is needed to break the mutual distrust between people and government. This is what we are asking the Supreme Court to set up. The other alternative is to follow the 5th Schedule, which gives the Centre full powers in Scheduled areas. Are villagers, whose stocks of grain were burnt by vigilante violence, supposed to stop eating till “area domination” is complete? Should they die from untreated diseases because of the government’s ego?

    http://www.indianexpress.com/news/breaking-the-mistrust-in-chhattisgarh/622248/0
  • a x | ২৩ মে ২০১০ ০১:৩৯447044
  • রঞ্জনদা -

    নির্মলাংশু: No Aditya, I had not been a student of Chomsky, though I had been a student of his thoughts on language and on imperial order.

    কাফিলাতে প্রকাশিত নির্মলাংশুর open letter to chomsky'র কমেন্ট সেকশন।

    আর আপনি কি who attacked the parliament'র কথা বলছেন? নেটে পাওয়া যায়। গিলানির ট্র্যায়াল নিয়ে আসল ঘটনা জানতে চাইলে, অবশ্যপাঠ্য।
  • aka | ২৩ মে ২০১০ ০১:৪২447045
  • অবশ্যই করা যায়। কিন্ত এর সাথে গ্রীনহান্ট জড়িয়ে ফেললে মুশকিল। সরকারী ব্যর্থতা, ভবিষ্যত উন্নয়ন, কর্পোরেট মাইনিং এবং গ্রীনহান্ট সতন্ত্র ইস্যু যদি না কেউ ফাণ্ডামেন্টালি মাওবাদীদের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে।
  • pi | ২৩ মে ২০১০ ০২:০০447046
  • কর্পোরেট মাইনিং আর গ্রীনহাণ্ট স্বতন্ত্র ইস্যু এটা জোর দিয়ে বলছো কিকরে ? মাওবাদী রাজনীতিতে আস্থা না রাখা বহু লোকজন ই কিন্তু গ্রীনহান্টের বিরুদ্ধে।
  • aka | ২৩ মে ২০১০ ০৩:১৮447048
  • সেটাই এখনো বুঝি নি কেন? মাওবাদীদের সশস্ত্র বিপ্লব থামাতে সরকার কি কুতুবমিনারে সভা ডাকবে? (অরুন্ধতী রায়ের কাউন্টার লজিক)। সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লবের দাবীদাওয়া নিয়ে যে পার্টি তৈরি তারা যখন দেশের এক তৃতীয়াংশ অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য কায়েম করে তখন যুদ্ধ তো সময়ের ব্যপার আজ না হয়ে ২০১৩ তেও হতে পারত, অবস্থা কিছু বদলাত না।
  • SC | ২৩ মে ২০১০ ০৯:২০447049
  • এইখানে দুটো ব্যপার গুরুত্বপূর্ণ।

    এক, মাওবাদীদের মধ্যে দুটো অংশ আছে,একটা নন-ট্রাইবাল নেতৃত্ব, যথা কোবাদ ঘান্ডী, কিষেণজি ইত্যাদি।অদ্বিতীয়টা একটা বিরাট আদিবাসী সমাজের মধ্যে থেকে উঠে আসা দাবার বোড়ে।অগ্রীনহান্ট এই দুটো গ্রুপের মধ্যে কোনোরকম পার্থক্য করছে না। এতে সম্মুখসমরে মারা যাচ্ছে কিছু আদিবাসী যুবক, আর মন্ত্রীমশাইরা জংগলের গভীরে বসে খক কষছেন, তাদের গায়ে আঁচরও লাগছে না। মাওবাদীদের উঁচু সারির প্রায় কোনো নেতাকেই গ্রীনহান্টে ধরা যায়নি। যেহেতু এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দোষেই আদিবাসীরা অস্ত্র তুলতে বাধ্য হয়েছে, রাষ্ট্র তার নিজের অধিবাসীদের বিরুদ্ধে এভাবে নির্বিচারে সেনা অভিযান চালাতে পারে না। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদেরকে কাছে টানতে হবে।

    দুই, গ্রীনহান্টের নামে নানারকম বাড়াবাড়ি চলছে, যেগুলোর সাথে মাওবাদ বিরোধীতার কোনো যোগ নেই।অহিমাংশু কুমার,নন্দিনী সুন্দরদের কে আটকে দিয়ে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে কি যুদ্ধ হচ্ছে, বোঝা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে অবশ্য বলা যেতে পারে যে তাহলে গ্রীনহান্ট নিয়ে প্রশ্ন না তুলে গ্রীনহান্টের বাড়াবাড়ি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হোক।

    আমার সেটাই সংগত মনে হয়। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে মাওবাদীরা। পরম কল্যাণকর রাষ্ট্রও নিজের অস্তিত্ব বাঁচানোর জন্য জবাব দিতে বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে নেহরুর দু লাইন কোট করার লোভ সামলাতে পারছি না। স্বাধীন ভারতের প্রথম আদিবাসীদের বড় বিদ্রোহ বোধহয় নাগা বিদ্রোহ। সেই নাগা বিদ্রোহকেও সরকার সেনা নামিয়ে ভায়োলেন্টলি ট্যাকল করেছিলো। সেক্ষেত্রে অবশ্য রাজনৈতিক সমাধানের সদিচ্ছা বেশী ছিলো চিদুবাবুর চেয়ে, কিন্তু বিভিন্ন কারণে সম্ভব হয়নি। যাইহোক, নাগাদের বিদ্রোহের পরে আসামের মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা একটি চিঠিতে নেহরু লিখছেন:
    Therecanbenodoubtthatanarmedrevolthastobemetbyforceandsuppressed.Therearenotwoopinionsaboutthatandweshallsetaboutitasefficientlyandeffectivelyaspossible.Butourwholepastandpresentoutlookisbasedonforcebyitselfbeingnoremedy.Wehaverepeatedthisinregardtothegreaterproblemsoftheworld.Muchmore, mustwerememberthiswhendealingwithourowncountrymenwhohavetobewonoverandnotmerelysuppressed.
  • SC | ২৩ মে ২০১০ ০৯:২৫447050
  • দুটি আন্দোলনের পটভুমিকা আলাদা, সেখানে সরকারের ভূমিকাও আলাদা।
    কিন্তু গ্রীনহান্টের বিরুদ্ধে মূল আপত্তি হচ্ছে, যে এমন অনেক মানুষ মারা যাচ্ছেন, যারা আদতে মাওবাদী নন, সাধারণ আদিবাসী, যাদের শুধুই "কিছুই পড়েনি পাতে, তাই বন্দুক নিলে হাতে"।
    এদের প্রতি রাষ্ট্র দায়বদ্ধ। কোবাদ ঘান্ডীর মতো যারা জেনেশুনে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে নেমেছেন, তাদের প্রতি রাষ্টের সেই দায়বদ্ধতা থাকে না।
  • ranjan roy | ২৩ মে ২০১০ ১১:৪৮447051
  • পাই,
    নলিনী সুন্দরের বক্তব্যকে ডিটো।
    সত্যিই, এখানে এমন অবস্থা যে মানবাধিকার কর্মীরা প্রায় লিঞ্চ হয়ে যাবে। বিনায়ক সেন এখন ওনার আলমা মাটার ক্রিশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলেজ, ভেলোরে পড়াচ্ছেন। রাস্তাঘাটে কথাবার্তায় যা তা অবস্থা।রাষ্ট্রযন্ত্রের ভয়েস এখন শহুরে মধ্যবিত্তের ভয়েস হয়ে গেছে।

    অক্ষ, ধন্যবাদ। তুমি ঠিক বলেছ। নির্মলাংশু চমস্কির থটস্‌ এর ছাত্র, ব্যক্তি অধ্যাপকের নয়। আমারই বোঝার ভুল। ধন্যবাদ। হ্যাঁ, ওই লেখাটাই।আসলে আমি ছাপার অক্ষরে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করি।
  • ranjan roy | ২৩ মে ২০১০ ১২:৫৬447052
  • SC,
    আমার মনে হয় আপনি আসল জায়গাটা ধরেছেন।
    অপারেশন গ্রীনহান্ট এই প্রশাসনকে এক ঢিলে দুই পাখি মারার সুযোগ দিয়েছে।
    লোককে বোঝাতে অসুবিধে হচ্ছে। কাজেই এটা বোধহয় বেশি এফেক্টিভ হবে যে মাওবাদী দমনের নামে আম আদিবাসীদের উপর অত্যাচার বন্ধ হোক।
    সাংবাদিক এম জে আকবর এই পয়েন্টে চিদাম্বরম এর এলিট দৃষ্টিকোণ কে একহাত নিয়েছেন।

    আকা,
    ভারতের কম্যুনিস্ট পার্টি(মাওবাদী)র রাজনৈতিক প্রোগ্রামে নতুন কিছুই দেখলাম না।১৯৭০-৭১ এর লিবারেশন এ পার্টির কংগ্রেসে গৃহীত প্রোগ্রামের সঙ্গে মূলভূত তফাৎ কোথায়? ভারতের আর্থিক-রাজনৈতিক ধাঁচা ওআজ অব্দি যা বিকাশ(?)যা হয়েছে, যেভাবে হয়েছে তা নিয়ে কোন বিশ্লেষণ নেই। নতুন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা নিয়ে কোন রণনৈতিক ব্যাখ্যা নেই। সত্তরের দশকের পরে পুঁজি ও টেকনোলজির পুনরুত্থান, সোভিয়েত বা সোশ্যালিস্ট ক্যাম্পের পতন ও তার ফলে সমাজতন্ত্রের স্বপ্নদেখা লোকজনের সামনে চিন্তার সংকট --এসবের যেন অস্তিত্বই নেই।
    খুব বেশি আশা করেছিলাম না কি?
    বলতেই পারেন--- প্রোগ্রাম হল উপনিষদের সূত্রগ্রন্থের মত। এতসব ডিটেইলস্‌ এর জন্য শাংকরভাষ্য বা ভামতী টীকা দরকার।
    কিন্তু প্রোগ্রাম পড়ে কোথাও কোন ইশারা পেলাম না যে এমনি কিছু সমস্যা আছে।
    সময় যেন দাঁড়িয়ে আছে ১৯৭০ সালে।
    আর মিলিটারি লাইন? বড় সরল, লিনিয়ার।
    "" মারাং বুরু সব গুলি ধুঁয়া করে দিবেক''। (সাঁওতাল বিদ্রোহের সময় পপুলার ক্যাম্পেন)।
    ""--- আগামী গ্রীষ্মের সময় বাংলার বিস্তৃত সমতল দিয়ে লিবারেশন আর্মি মার্চ করে যাবে''। ( চারু মজুমদার)।
    রায়পুরে আমার ঘরের থেকে ৪ কিমি দূরে কোটা জনপদে আর্মির সে¾ট্রাল কম্যান্ড ক্যাম্প বসিয়েছে।খবর আছে-- এবার মিলিটারি অপারেশন শুরু হবে। প্রস্তুতি চলছে।
    চিদুবাবুর ৭২ ঘন্টা অপারেশন বন্ধ রাখলে মাওবাদীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব ( যা মাওবাদীরা প্রত্যাশিত ভাবেই প্রত্যাখ্যান করেছে) শুধু বিশাল অপারেশনের আগে লিবারেল কন্ঠস্বরকে চুপ করানোর কৌশল মাত্র।
    আমি বোধহয় বুড়ো হয়ে গেছি। আমর আশংকা একবছর পরে এইসময় শুধু ব্যাপক বস্তার জুড়ে ধোঁয়া, ছাই, ভাঙাঘর, মৃতদেহ, নিখোঁজ--- এগুলিই
    খবর হবে। লিট্টের যা অবস্থা।
    ছত্তিশগড়ের ব্যাপক সমতলে মাওবাদীদের জনসমর্থন নেই।
  • aka | ২৩ মে ২০১০ ১৭:৩৬447053
  • রঞ্জন-দা, আপনি আশা কেন করেছিলেন সে জানি না। আÒট্রা লেফট পার্টির প্রোগ্রামে এর বেশি কিছু থাকতে পারে না।

    SC, ঠিকই সরকার তার নিজের লোক মারতে পারে না। এই নিয়ে সরকারের মধ্যেও বিতর্ক হচ্ছে। সরকারের ভূমিকা নিয়ে অনেক কথাই বলার আছে। তবে লক্ষ্যণীয় আমাদের সব দাবীদাওয়াই ""রাষ্ট্রের"" কাছে। ভবিষ্যতের ""স্টেট"" পাওয়ারে যারা আসবে সেই মাওবাদীদের কাছে কোন দাবী দাওয়া নেই। থেকে লাভও নেই বোধহয়। ইন্টেলেকচুয়াল সমাজের একটা বড় অংশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গ্রীন হান্ট বন্ধ করার পক্ষে। অথচ যুদ্ধ এক তরফা নয়, একটা পার্টি তার প্রোগ্রামে ঘোষণা করে অনেকা দিনের প্রয়াসে (অস্ত্র এবং প্রশিক্ষণ) গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পরের পর খুন করে যাচ্ছে, তাও সব দোষ রাষ্ট্রের? কারণ মার্ক্স এবং লেনিন বলে গেছেন?
  • ranjan roy | ২৩ মে ২০১০ ১৯:০৫447054
  • আকা,
    স্বপ্নভঙ্গ বড় দু:খের। বাঁচতে গেলে কোন একটা স্বপ্ন চাইই। পাচ্ছি না।
    হ্যাঁ, একটা কথা। পার্টিম প্রোগ্রামে অনেক বড় বড় কথা থাকে। সব পার্টিরই। কাজে?
    যেমন সি পিএম এর ল্যান্ডলর্ড-বুর্জোয়া গভর্ণমেন্ট হেডেড বাই বিগ বুর্জোয়াজী শুনতে শুনতে বুড়ো হয়ে গেলাম। কাজের বেলায় দেখি পরিত্রাতার ভূমিকায় টাটা-গোয়েংকা-সালিম গ্রুপকে আও-আওজী!
    রিয়েল পলিটিকিংয়ের দাবী????
    তেমনি মাওবাদীদের it will ensure-- blaa-blaa-blaa!!! বাট হাউ?
    আরে যেটুকু ক্ষমতায় এসেছে তাতে তো একটু ছোট পাইলট দেখা যাবে! সেই তেন্দুপাতা ব্যাপারীদের থেকে তোলাবাজি( থুড়ি ট্যাক্সো আদায়) আর অন্য কিছু।
    যেহেতু সারা ভারতে আদিবাসী এলাকায় কিছু ক্ষমতা পাওয়া গেছে, (যতটুকু সময়ের জন্যেই হোক), তাই ৭% আদিবাসীদের জন্যে বিশেষ উন্নয়নের কথা ঠাঁই পেয়েছে। কিন্তু দলিতদের সমস্যা আরো বেশি। কারণ ওরা জনসংখ্যার অনেক বড় অংশ। সম্ভবত: ১২ কি ১৫%। আর ওরা ডাবলি অপ্রেসড্‌। গরীব বলে, এবং অছুৎ বলে।
    আদিবাসীরা নিজেদের স্বতন্ত্র এলাকায় নিজেদের মত করে থাকেন। গরীব, সুবিধাহীন, কিন্তু প্রতিদিনের অপমান ভোগ করতে হয়না। এটা বাঙালীরা ঠিক বুঝতে পারবেন না। বঙ্গে এমন তীব্র জাতিঘৃণা নেই বলে। হিন্দিবলয়ে-মহারাষ্ট্রে বুঝতে পারবেন।
    আদিবাসীরা নিজেদের অস্পৃশ্যদের থেকে উঁচু মনে করে এবং ঘৃণা করে। দিল্লিতে ৮৪ এর শিখবিরোধী দাঙ্গায় যেমন জাঠদের শিখনিধনে ব্যবহার করা হয়েছিল, তেমনি গুজরাতে আদিবাসী এলাকায় মুসলমানদের প্রোগ্রমে আদিবাসীদের ব্যবহার করা হয়েছিল।
    ধর্মান্তরণে আদিবাসীরা কেরেস্তান বেশি হয়েছে আর হরিজনরা মুসলমান। এবং আদিবাসীদের মধ্যে রক্তের বিশুদ্ধতা নিয়ে গর্ব আছে,ফলে ভবিষ্যতে ফ্যাসিজমের দিকে ঝোঁকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর-পূর্বের নাগা-কুকি-মিজোদের আভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ বা নাগাদের মধ্যে হো-খপলাং এদের মধ্যে সংঘর্ষকে খেয়াল করুন।
    আর খেয়াল করুন কাম্বোডিয়ার ""কিলিং ফিল্ড''কে, আমি আগে মার্কিনী মিথ্যে প্রচার ভাবতাম। আর ওদেরও শুরু হয়েছিল অনেক পবিত্র কসম খেয়ে। নেতারা ছিকেন আদিবাসী এলাকায় বহিরাগত,খিউ সাম্ফান লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সের স্নাতক ছিলেন। তবুও--।
    "" ভয় পেয়েছি, ভীষণ ভয়, পেয়েছি ভয় ভীষণ,
    আত্মারাম ছেড়ে যাচ্ছে খাঁচার ইস্টিশন''।
  • aka | ২৩ মে ২০১০ ২২:০৫447055
  • হাউ? সে আজ অবধি কোন বামপন্থী তো বলেন নি। বামপন্থীরা সমস্যা কি সেটা বুঝতে পারেন কিন্তু সমাধান বাতলাতে খুব দড় নন। কারণ ওনাদের মতে হোলিয়ার দ্যান দাউ ওনারা ক্ষমতায় এলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। কি করে? ম্যাজিক, মানে শুধু প্রোলেতারিয়েতদের স্বার্থ রক্ষার সিনসিয়ার প্রচেষ্টাতেই সব সম্ভব। এখনো হয় নি কারণ ""রাষ্ট্র'' বুর্গোয়োসিসদের স্বার্থ দেখছিল। আমরা এলেই ""স্টেট"" ট্রুলি ডেমোক্রেটিক পদ্ধতিতে নব্বই শতাংশ লোকের স্বার্থ দেখতে থাকবে।

    এই পুরো থিওরীতে আন্ডারলাইন অ্যাজাম্পশন হল এখনকার যা কিছু অ্যাবারেশন তা শুধুই ক্লাস স্ট্রাগল আর করাপশন। এটা ওভারসিমপ্লিফিকেশন, যতক্ষণ না বামপন্থা এই ওভারসিমপ্লিফিকেশন থেকে বেরবে ততক্ষণ অষ্টরম্ভা।

    আর একটা কথা এই গরীব লোকের জন্য প্রাণপাত করার মধ্যে একটা অদ্ভূত রোমান্টিসিজম রয়েছে। বাইল্যকালে সেন্সেটিভ লোকজন এরকম স্বপ্ন দেখে, এখানে অনেকেই দেখেছেন। সেদিন আবাপতে অরুন্ধতী রায়ের সাক্ষাতকারে দেখলাম উনিও বলেছেন ""মাওবাদীরা অনেক আকর্ষক""। আধা পরিণত বা পরিণত বয়সে এসে হাউ এই প্রশ্নটা জাগেই, জাগাই উচিত।
  • tatin | ২৩ মে ২০১০ ২৩:৩৮447056
  • RonjonRoy:

    ছত্তিশগড়ের ব্যাপক সমতলে মাওবাদীদের জনসমর্থন নেই।
    কেন নেই?
  • pinaki | ২৪ মে ২০১০ ০৫:৩২447057
  • আমাদের ল্যাবে একটা ছেলে এসেছে ছত্তিশগড় থেকে। সেও বলল শহরে মাওবাদীদের সমর্থনে কখনো কোনো দলকে কোনোরকম বক্তব্য রাখতে সে শোনে নি। ওর মতে মাওবাদীরা আদিবাসীদের অনুন্নয়ন বিষয়ক যে দাবীগুলো তুলছে - সেগুলো অনেকেই ঠিক মনে করে, কিন্তু ওদের ভায়োলেন্ট পথকে সমর্থন করে না। এখন ওর বক্তব্যকে শহরের রিপ্রেসেন্টটিভ বক্তব্য হিসেবে ধরা যায় কি না বলতে পারব না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন