এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • দুঃখবিলাসী ঘ্যানঘেনে বাঙালীঃ বর্তমান প্রজন্মের মহিলার সহিত বিমর্শ

    ranjan roy
    অন্যান্য | ১১ মে ২০১৩ | ৩১৬৫৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • a x | ১৩ মে ২০১৩ ০২:২৬606277
  • যথেষ্ট ঘ্যানঘেনে! কত জ্বালা, বিরহ এসবই ঘ্যানঘেনে!
  • a x | ১৩ মে ২০১৩ ০২:২৯606278
  • রঞ্জনদা বিমর্শ মেয়েটিকে অ্যালানিস মরিসেটে শুনতে বলুন ঃ-)
  • a x | ১৩ মে ২০১৩ ০২:৪০606279
  • ফ্রন্ট রো। ইউটিউবে পাবেন। ইন্ফাক্ট পুরো অ্যালবামটাই শুনতে বলবেন - supposed former infatuation junkie

    ফ্রন্ট রো'র লিরিক্স টুকে দিলাম -
    do you go to the dungeon to find out how to make peace with your days in the dungeon writing a letter
    to you didn't make me feel any more peaceful then how I felt when we weren't speaking because I
    didn't cop to what I did. I can't love you because we're supposed to have professional boundaries. i'd
    like you to be schooled and in awe as though you were kissed by god full on the lips . i'm in the front
    row the front row with popcorn I get to see you see you close up i'm too tired to recount the
    unpleasantries one by one one minute I want to banish you the next I want to be on
    a deserted island with you along with my three favorite cd's ambivalent yet in your
    bed we've yet to acknowledge what really happened
    slid into the ditch I have this overwhelming loss of ambition we said let's name thirty good reasons why
    we shouldn't be together I started by saying things like "you smoke" "you live in new jersey (too far)"
    you started saying things like "you belong to the world" all of which could have been easily
    refuted but the conversation was hypothetical I am totally short of breath for you why can't you shut
    your stuff off..... i'm in the front row the front row with popcorn I get to see you see you close up
    and I laughed until my lungs hurt I love how you bust my chops you don't always
    feel seen sometimes you feel erasable unfortunately I cannot reciprocate in my
    current state I think we should be careful of how much time we spend together
    ........for a while i'm speaking you know how much you hate to be interrupted maybe spend some
    time alone to fill up your proverbial cup so that it doesn't always have to be about you i've been wanting
    your undivided attention I like the fact that you're nothing like me are you not burdened by the lack of
    perspective people have of your charmed life i'm in the front row the front row with
    popcorn I get to see you see you close up you never meant to be ungrateful nor held up to
    be whipped or wept for certainly not analysed prodded at more ways than one
    apparently you've been misrepresented dealing with the concept of arrows being
    slung towards your outrageous fortune
    hey i'm not mad at you guardian i'm mad at myself for spending so much time with you and your
    jeckyl and hydeness i'm glad i figuratively slapped you on the wrist you laughed a wicked laugh
    and said "come here let me clip your wings!"(i know he's blood but you can still turn him away you
    don't owe him anything) "raise the roof" he yelled "yeah raise the roof!" I yelled back. (unfortunately
    you needed a health scare to reprioritize.) no thanks to the soap box. having me rile against them
    won't make an ounce of difference...... i'm in the front row the front row with popcorn. I get to see
    you see you close up oh the things i've done for you many a sitch a friend a man's
    been left for you oh the books i've read for you the tongues i've bitten for you many
    a new city for you many a risk taken for you (not a single regret)
  • ranjan roy | ১৩ মে ২০১৩ ০২:৪৩606280
  • ZN, এবং কৃশানুকে ধন্যবাদ।
    বুড়ো বয়সে স্মৃতি ধোঁকা দিচ্ছে। বিশেষ করে এই গানটা বহুবার ছড়িয়েছি, বাথরুমেও।

    ZN,
    ঠিক বলেছেন, কেমন তর্কগুলো মিয়োনো মুড়ির মত হয়ে গেল।
    কারণটা কি জানেন? ওটা সত্যিই আমার লেখা স্ক্রিপ্ট নয়। তাহলে মেপে-জুকে দুটো চরিত্রকে সমান ওয়েট দিয়ে লড়াই জমিয়ে দিতাম।
    আসলে সত্যি সত্যি দিল্লি থেকে আসা মেয়েটার রোজ রোজ কোলকাতা আর বাঙালীদের নিয়ে ঘ্যানঘ্যানে, তর্কপ্রবণ ও অলস বলা নিয়ে চটে যাচ্ছিলাম। লিখতে গিয়ে লড়াইটা গানের লড়াইয়ে চলে গেল আমার দোষে।
    আসলে বিতর্ক ছিল যেটা এই টইয়ের হেডিং তা নিয়ে।
    তবে সত্যের দায় থাকে না ফর্মূলা মেনে ইন্টরেস্টিং হবার। সত্যি অনেক সময়ই আন-ইন্টারেস্টিং হয়। যেমন মুজতবা বলেছিলেন --- বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসা মেক আপ হীন এলিজাবেথ টেলরকে দেখলে ---।
    বা সত্যিকারের কোর্ট সীন হিন্দি সিনেমার তুলনায় বড্ড ম্যাড়মেড়ে হয়। মেয়েটা গেছে চটে, কেন আমাদের ব্যক্তিগত ঝগড়াকে সার্বজনীন করে্ছি?
    আর আমার শাস্তি হয়েছে নিমপাতা মুখ করে সত্যি সত্যি অতগুলো ইংরেজি গান শোনা, যার লিরিক দেখতে না পেলে আমি কিচ্ছু বুঝিনা।
    বাংলা স্কুল যে!
  • Zn | ১৩ মে ২০১৩ ০২:৫১606281
  • এক্স্যাক্টলি রঞ্জন। নিজেদের মধ্যের আমরা-আমরা ই তো আলাপচারিতা কখনো পাব্লিক করতে নেই। ঃ-)
    অথচ দেখুন সত্যি সত্যি তর্ক যখন এই মায়াপাতাতেই হয় কোনো স্ক্রিপ্ট ম্রিপ্টের দোহাই মানে না, হুলিয়ে ঝড় উঠে পড়ে, হীরকরাণীতেই দেখুন, বা হানি সিংএর পদাবলিতে বা শামাপোকায় বা নির্মোহ ব গুলোতে। ঃ-)
  • Zn | ১৩ মে ২০১৩ ০২:৫৩606282
  • আর সেসব তর্ক হয় যাকে বলে তর্কের মতন তর্ক, মাঝে মাঝে বেশী তেতো হয়ে যায় বা ব্যক্তিগত আক্রমণে দাঁড়ায়, সেগুলো ভালো না, কিন্তু মিয়ানো মুড়ির মতন বা ভিজা বাজির মতন হয় না একেবারেই। হুড়হুড় করে আগুন ধরে দুম ফটাশ। ঃ-)
  • ranjan roy | ১৩ মে ২০১৩ ০৩:০৬606283
  • অক্ষ,
    সেকি! ১৯৯৮ থেকে ২০১১, ১২ কোন প্রজন্ম? ব্রুনোমার্শ, বিয়নসে, অ্যাডেল স্টেইন্ড,এমেনেম কোন প্রজন্মের? গোটা পনের গানের মধ্যে মাত্র পাঁচটা কি ছটা ২০০০ এর আগের।
    অবশ্যই ফোক, ব্লুজ, মেটাল এসব অনেক কিছুই ধরা হয় নি। কারণ এটা তো ওর গানের পরীক্ষা নয়। কথা প্রসঙ্গে এসে গেছে আজকের ছেলেমেয়েরা যেসব গান শোনে তাতেও দুঃখ-কান্নাকাটি আছে!
    কাজেই এক ডজন গানের উল্লেখ করা যেগুলো আজকের প্রজন্মের পছন্দ কিন্তু দুঃখ থাকলেও মেয়েটির ভাষায় সেন্টিমেন্টাল ঘ্যানঘেনে নয়।
    একটা গান তো মরিসন কে নিয়েই লেখা -বলল।
    আমি যেমন রবীন্দ্রনাথের ২৫০০ গানের থেকে গোটা দশেক এর উদাহরণ দিয়েছি, মেয়েটিকেও জনর ধরে একগাদা গান দিতে দিইনি। কারণ, সত্যি সত্যি শর্ত মেনে ওপরের সবকটা গান আমাকে শুনতে হয়েছে। আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে। এসব আগে কোনদিন শুনিনি। ইচ্ছেও ছিল না। ফেঁসে গেলাম।ঃ)))
    আসলে গানের ব্যাপার তো নয়, টইটা ছিল বাঙালীর কথিত কিছু বৈশিষ্ট্য নিয়ে। হিন্দি বলয় থেকে আসার পরে আমারও মেয়েটির মতই কোলকাতার ঘেমো গরমের মত কিছু কিছু অভ্যেস অসহ্য মনে হয়েছে।
    হয়তো সময়ে সয়ে যাবে।
    এই লেখাটা অবশ্যি বাজে হয়েছে, বিরক্তি থেকে লিখলে লেখা ভাল হয় না।
  • ranjan roy | ১৩ মে ২০১৩ ০৩:০৮606284
  • ZN, আপনার শেষ পোস্টটির সঙ্গে ১০০% সহমত।
  • a x | ১৩ মে ২০১৩ ০৩:২২606285
  • রঞ্জনদা অনেকের নাম এসেছে যাদের পিক লেট এইটিস আর্লি নানটিস। আর পুরো ভুল ভাল তর্ক করছেন বিমর্শ মহিলা। রবীন্দ্রনাথের গান যে সময়ের সেই সময়ের ইংরেজি গানের সাথে তুলনা করা উচিৎ। আর এমিনেম? রিয়ালি? ঘ্যানঘেনে গান না শুনতে চাইলে এমিনেম?
  • a x | ১৩ মে ২০১৩ ০৩:২৩605797
  • আর নজরুলকে নিয়েও তো কিছু বক্তব্য রাখতে পারেন ইনি ঃ-)
  • riddhi | ১৩ মে ২০১৩ ০৩:৪৯605798
  • ইংরেজী নিয়ে একটা ছোট্ট ব্যাথা আছে। ইংরেজী গানের জনপ্রিয়তা এখনো বড়লোকদের মধ্যে। শুধু ভাষা না, বুঝলেও রিলেট করা চাপ। 'স্ট্যান্ডিং ওন ইয়োর মামা'স পরচ ইউ টোল্ড মি' আমার চোদ্দোগুষ্টিতে কোন মামার কোন পর্চ নেই। "টু ইউ ডিম্যগিও দ্য নেশন টার্ন্স ইটস লোনলি আয়েস ? ' ডি ম্যাগিও কে না জানলে ওখানেই গেল।
    'সহে না যাতনা' আমার প্রিয় গান মোটেই না। কিন্তু বক্তব্যটা অন্তত ক্লিয়ার। এটা অনেকদিন আমাদের বাড়ির জাতীয় সঙ্গীত ছিল। ঘর মোছার হিন্দুস্থানী মেয়েটাও গুন গুন করত। বিয়ন্সের ইফ আই ওয়ের আ বয়'(জেটি এমনিতেই একটি অতি অখাদ্য গান) ও রিজেক্ট করবে। রবীন্দ্রনাথ বাঙ্গালী, বুড়ো লোকজন এসবের পেছনে লাগার জন্য ইংরেজী কেন আমদানি করব?! রন্জনদা আপনি কিসের নকসাল, একটু ক্লাস এঙ্গেল আনুন।
  • Zn | ১৩ মে ২০১৩ ০৩:৫২605799
  • সতি বলতে কী ইংরেজী গান শোনার চেষ্টা করে দেখেছি। পোষায় নি। বিড়ালের ঝগড়া টাইপ লাগে নয়তো কীরকম নাকি সুরে টান দিয়ে কীজানি বলছে মনে হয়। তবু গ্রুপ পারফর্ম্যান্স কিছু কিছু পোষায় কিন্তু একান্ত একার গান হিসাবে ইংরেজী গান পোষায় নি। সবটাই অবশ্য ব্যক্তিগত ধারনা।
    কালচার ওভাবে ট্রান্সফর্ম করে আনা যায় না বলেই মনে করি। বঙ্গভূমে জন্মালাম, বঙ্গভূমের সমস্তরকম রিচুয়ালাদি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বড় হতে থাকলাম অথচ শেখার বেলা শিখতে হবে ওয়েস্টার্ণ কালচার, সেগুলোকে ভজনাও করতে হবে, কেমন যেন মিসম্যাচ মিসম্যাচ লাগে।
    টেকনিকাল কার্জকম্মো বা নন-ফিকশন হিসাবে ইংরেজী চমৎকার, কিন্তু গান গপ্পো কবিতা যদি বলে, সরি বস, আমি অন্তত নেই ওগুলো গ্রহণে। বরং কেত্তন শুনতেও রাজী আছি বদলে, কিন্তু ঐ নাকী সুরে টান বা বাঁদরের মতন লাফঝাঁপ বা কানফাটানো কীজানি কীসের আওয়াজ-দরকার নেই।
    সবটাই ব্যক্তিগত বোধ অবশ্য।
  • riddhi | ১৩ মে ২০১৩ ০৪:৩০605800
  • zn, আর ঐ সোপ্রানো??! ঐ ওপেরা তে যেগুলো হয়, কি ভয়ানক। গপ্পো কবিতা ইংরেজীতে তাও ঠিক আছে। কিন্তু গান একটা সামাজিক এক্ট অনেক সময়ে। পিকনিকে বা ধরুন গুরু-ভাটে কেউ জীবনানন্দ বা মার্ক্সবাদ আবৃত্তি করবে না, কিন্তু কথার ফাঁকে একটা গান তো চলতেই পারে। সেখানে আপনার মনে প্রথমে কি বিয়ন্স আসবে? আসলে কিছু সমস্যা আছে। ঐ 'ইমাজিন' টাইপ আসতেই পারে। ইমাজিন তো এখন প্রায় বাংলা।
  • Zn | ১৩ মে ২০১৩ ০৫:৪৮605801
  • গুরু ভাটকে বিশ্বাস নেই, সেখানে জীবনানন্দ বা মার্কসবাদ কেউ আউড়ে যেতে পারে, এমনকি খানিক সন্দীপণ আউড়ে যেতে পারে, অথবা খানিক সাবলটার্ন কিছু। ঃ-)
    কিন্তু গানের ব্যাপারে মনে হয় না অতটা আঁতলামো চলবে, ওখানে চাট্টিখানিক বাংলা গানই চলবে, হয় ব্যান্ড বা জীবনমুখী বা চিরকালের চেনা লোকের রবীন্দ্রগীতি বা নজরুল বা হয়তো অতুলপ্রসাদ।
  • kk | ১৩ মে ২০১৩ ০৭:৩৬605802
  • রঞ্জনদা,

    kk আন্টি হিউস্টনে থাকেননা, থাকেন এক্কেবারে কান্ট্রি ও ব্লুজের বাড়ির আঙিনায় -- নক্সভিল, টেনেসী :)।
  • dukhe | ১৩ মে ২০১৩ ০৯:০২605803
  • কিন্তু আমরা যে রবীন্দ্রসঙ্গীতগুলো লিখেছিলাম, তাতে দুঃখটুঃখ ছিল না। বিরল, বিজন, মহামিলন, অনাদিকাল এইসব ছিল।
    তবে ইঞ্জিরিতেও ভালো গান হয় তো। যদিও আমি একটাও লিখিনি।
  • kumu | ১৩ মে ২০১৩ ০৯:২৪605804
  • অক্ষ একদম ঠিক।বেচারা রবীন্দ্রনাথের একশো বছর আগে লেখা গানের তুলনা ২০০০ এর গানএর সাথে!!!!!!!!
    আয় তবে সহচতী বা জেনে শুনের পরিপ্রেক্ষিত বিচার করে বোঝার চেষ্টা করলে হয়তো অত হাসি পাবে না।সাধের ইন্জিরিতে লেখা ঐ সময়ের গান নিয়েও আলোচনা হোক।
    আর বেচারা বৃদ্ধ আজকের দুঃখ ঈঃএর সাথে রিলেট করতে পারছেন্না, তো তাঁকে ছুটি দিন্না।
  • kumu | ১৩ মে ২০১৩ ০৯:৩৪605805
  • ২০০০ নয়, ২০১০ বাপরে।চুরি করে চাওয়ার রীতি ১০০ বছর আগে ছিল তো, তাই বেচারা লিখেছিলেন।২০১০তে এটা শুনলে হাসি পাবে এতটা ভাবা উচিত ছিল।
    তবে যে মহামহারথীদের নাম কল্লেন, তেনারা ২১১৪ এর জন্য গান লিখে রাখচেন আশা করি
  • siki | ১৩ মে ২০১৩ ০৯:৪২605806
  • :)

    কোনও মানে হয় এইসব মিনিময়ের?
  • dukhe | ১৩ মে ২০১৩ ০৯:৫৫605808
  • ফুঃ। কত্ত দেখলাম। এখনো দিব্বি চুরি করে চায়, শুধু সেটা স্বীকার করার সাহস নেই - এই যা।
  • ranjan roy | ১৩ মে ২০১৩ ১০:০৫605809
  • হে ভগবান! আপনারা পরিপ্রেক্ষিতটাই বদলে দিলেন।
    এই টইটা আদৌ আদৌ রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে নয়। রবীন্দ্রনাথের গানের মূল্যায়ন নিয়ে নয়। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে এনেমের তুলনা নয়।

    ফোকাসটা কেন বাইরে থেকে আসা প্রবাসী বাঙালী প্রজন্মের চোখে কোলকাতা/বঙ্গের বাঙালীদের ভাগ্যবাদী, লাউড, ফিউডাল এবং গে ওটা ভারতবর্ষ ষড়যন্ত্র করে বঙ্গকে এগিয়ে যেতে দিচ্ছে না বলে হাহাকার করাকে ব্যঙ্গ করে।
    সেই অনুষঙ্গে এসেছে গানের কথা। বাইরের বিহঙ্গম দৃষ্টিতে বা ইম্প্রেশনিস্টিক খন্ডিত দেখায় মনে হয়েছে বাঙ্গালীদের কাছে রবীন্দ্রনাথ "ঠাকুর"। কাল্ট ফিগার। প্রায় ঠাকুর নমঃ করার ব্যাপার। অধিকাংশ মধ্যবিত্ত বাঙালীর আদৌ রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধ, মনন, কর্মজীবনের সঙ্গে পরিচয় নেই। কিছু বাঁধাগতের গানের বাইরে রবীন্দ্রনাথ কোথায়? যার একটি হাস্যকর দিক ট্রাফিক সিগন্যালে রবীন্দ্রসংগীত। প্রশ্নটা রবীন্দ্রসংগীতের গুণমানের নয়, প্রশ্নটা রবীন্দ্রনাথের নন-ক্রিটিক্যাল ভক্তদের নিয়ে। যেমন হিন্দি বলয়ে ভগবান রামচন্দ্রজী হলেন মর্য্যাদা পুরুষোত্তম। উনি এবং তুলসীদাস সমালোচনার উর্দ্ধে। এঁদের নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলা যাবে না।

    এই অবস্থান থেকে কথা বলতে গিয়ে কেউ নজরুলের কথা কেন তুলবে। সে তো বাংলাগানের গুণমান বিচার করতে বসে নি। সে নজরুল শোনেই নি।
    একই ভাবে পাশ্চাত্ত্য সংগীতের বিবর্তনের ঠিকুজি আলোচনা করতে বসেনি।
    সে শুধু বলতে চেয়েছে তার প্রজন্ম কোন ধরনের গানে রিলেট করে, আবেগ তাড়িত হয়। মনে হয় যে এগুলো তার কথা বলছে। তাই যেমন এমেনেম আসে, তেমনি বব ডিলান বা লেনন ও আসে।

    আবার বলছি, তার মূল বিরক্তি দিল্লির তুলনায় এখানে একটি বড় অফিসে ক্যারম খেলা ( বিজনেস আওয়ারে), নন প্রফেশনাল অ্যাটিচুড, সরকারি অফিসে, ব্যাংকে স্টাফদের চেঁচিয়ে কথা বলা, সারাদিন সিপিএম-তৃণমূল কাজিয়ায় আইপিএল এর মত আনন্দ পাওয়া এবং বাঙালীদের নন-প্রফেশনাল হোলিয়ার দ্যান দাউ অ্যাটিচুড(তার চোখে) নিয়ে।

    কিন্তু আবারও বলছি-- এই দর্শন খন্ডিত, এবং এর পলিটিক্যালি কারেক্ট হওয়ার কোন দায় নেই।
    ঠিক যেমন এই টইয়ে কেউ হিন্দিবলয় মানেই 'দুধ পিলাও' গল্প দিয়ে আদ্দেক ভারতের অধিবাসীদের সম্পর্কে সুইপিং জেনারালাইজেশন করে দিয়েছেন।

    স্পষ্টতঃ দোষটা সম্পূর্ণ ভাবে আমার লেখার। আমার দোষেই বক্তব্যের ভরকেন্দ্র ও ফোকাস সরে গিয়েছে। আমি কিছু বিতর্কিত প্রশ্ন তুলতে চেয়েছিলাম। পারিনি। কারণ লেখাটা অতি খাজা হয়েছে।
  • Blank | ১৩ মে ২০১৩ ১০:১০605810
  • আমাদের প্রোজেজ্টে সারাদিন ক্যারম খেলা হয়। আপিস পৌছে কিছুক্ষন খেলে ধুলে তারপর সীটে বসবো।
  • dukhe | ১৩ মে ২০১৩ ১০:২০605811
  • ক্যারম অতি সাংঘাতিক নেশা রে দাদা। আঙুলগুলো ঘুমের মধ্যেও কেমন করতে থাকে।
    ক্যারম বা তার ব নিয়ে কোনো টই আছে?
  • ranjan roy | ১৩ মে ২০১৩ ১০:২৭605812
  • ZN,
    আপনার শেষ পোস্টের সঙ্গে আমি একদম সহমত। মনে হল আপনি আমার কথাই লিখেছেন।
    অনেক আগে আমাকে একটি ভিডিও ক্লিপ দেখানো হয়েছিল, সম্ভবতঃ রিকি মার্টিনের। দুটো শোনার পরেই হেসে ফেলেছিলাম। বলেছিলাম--এটা গান? একজন লাফাচ্ছে, চেঁচাচ্ছে, বেয়নেট চার্জের মত করে দর্শকদের গিটার দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে আর জিভ বের করে মনে হচ্ছে গলা খাঁকারি দিয়ে বমি করে ফেলবে।
    এদিকে একগাদা ছেলেমেয়ে বাঁদরের মত লাফাচ্ছে আর দু হাত বাড়িয়ে গায়কের কাছে আবেদন করছে-- গুরুদেব, আমার হাতে, আমার হাতে!
    কিন্তু আবার পুরনো জমানার কিছু সোলো গান ভালো লেগেছিল-- ডিলান, লেনন, বেইজ ছাড়াও জিম রীভসের কথা মনে পড়ছে। আমার কাছে শুধু ভাষা নয়, ওদের গায়নশৈলীও বড় বাধা।

    কিন্তু মহিলাটি আদৌ বঙ্গে বাঙালীদের মধ্যে বড় হয় নি। বাংলা বই পড়তে পারে না, বলতে পারে এইমাত্র। তার সমস্যা অন্যখানে। সে এলিয়েনের মত বাংলা গানের জগতে ঢোকে।
    তাই আমি চেয়েছিলাম একটা 'অপর'এর সৃষ্টি করতে, কিছু প্রশ্ন তুলতে। পারিনি, বুঝতে পারছি এই ধরণের লেখা আমার ক্ষমতার বাইরে।
    কিন্তু ব্যক্তিগত লাভ হল দুটোঃ
    এক, নিজের সীমাবদ্ধতা জানতে পারা।
    দুই, এই উপলব্দ্ধিতে আসা যে সংগীত একটি সামাজিক সাংস্কৃতিক একক। তার থেকে আলাদা করে তার সৌন্দর্য্য বা ছোট ছোট অনুষঙ্গকে অনুধাবন করা সম্ভব নয়। তা সে রবীন্দ্রনাথই হোক, বা এমেনেম।
    তাই আমি ইংরেজি গানে কোনদিন আনন্দ পাবো না, যা রবীন্দ্রনাথে পাবো। আর মেয়েটির ক্ষেত্রে একই কারণে উল্টোটাই সত্যি হবে।
  • paTal | ১৩ মে ২০১৩ ১০:৪১605813
  • এই প্রসঙ্গে একটা গপ্প (অন্যের মুখে শোনা, তো বানানো হতেও পারে, আগেই ডিঃ দিলুম)

    কর্তা-গিন্নি মুম্বই যাচ্ছেন ছেলের কাছে, টিকিট এখনো কনফার্ম হয়নি। খুব টেনশন, বিশেষ করে কর্তা আবার অল্পেতে কাতর হয়ে পড়েন।
    যাবার মাস খনেক আগে হাওড়া স্টেশনের এনকোয়ারিতে ফোন করলেন কর্তা -
    - 'হ্যালো, এনকোয়ারি?'
    - 'বলুন'
    - আমার অমুক তারিখে, অমুক ট্রেনে টিকিট, ১-২ নম্বরে নাম আছে লিস্টে। কনফার্ম হবে, কি বলেন?'
    - 'বাড়িতে সর্ষের তেল আছে?'
    - অ্যাঁ?? হ্যাঁ আছে, কিন্তু কেন?'
    - 'নাকে দিয়ে ঘুমোন।' খ্টাস করে ফোন নামিয়ে রাখার শব্দ।

    আজীবন মুম্বইবাসী কর্তা রেগে কাঁই, এই ওয়ার্ক কালচার?? সোজা কথা সোজা করে বলা যায় না??

    অন্যদিকে আমার আবার বেশ ব্যপক লেগেছিল। সবটাই পার্সপেক্টিভ। আর বাঙালীরও কোন জেনেরালাইজেশন হয় না, এই আর কি!
  • siki | ১৩ মে ২০১৩ ১০:৫৭605814
  • রবীন্দ্রনাথ প্রবাসী বাঙালিদের জন্য কিছু লিখে যান নি। তাঁদের কথা বিশেষ ভেবেছেন বলেও শোনা যায় না। ভৌগোলিক কারণেই প্রবাসী বাঙালিদের মানসিকতা স্ববাসী বাঙালিদের থেকে অনেকটাই আলাদা হবে। এখন যদি প্রবাসী বাঙালিকে, কেবল সে বাঙালি বলেই তাকে রবীন্দ্রনাথ ভালো লাগাতে যায় কেউ, সে না পারবে রবীন্দ্রনাথকে ভালোবাসতে, না পারবে বাঙালিদের ভালোবাসতে।

    অনেক স্ববাসী বাঙালিও রবীন্দ্রনাথ ভালোবাসে না। পড়ে না, শোনে না। তাতে কী এসে গেছে? জোর করে কোনও কিছু কি ভালো লাগানো যায়? ভালোবাসা ভেতরের ব্যাপার, বয়েসের সঙ্গে আপনি আসে। ছোটবেলায় আমারও পোষাত না রবীন্দ্রনাথের গান, মনে হত লোডশেডিংয়ের কবি। দীপ নিভে গেছে মম, আমার জ্বলে নি আলো অন্ধকারে, যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায়।

    অসুবিধে কোথায়? বড় হয়ে তো ঠিকই বুঝলাম গানের মানে। ভালোবাসতে পারলাম। যে পারল না, তাকে ইনফিরিয়র ভাবারও কারণ নেই। আমি যেমন ইংরেজি গান ভালোবাসতে পারি না সেইভাবে। কিছু কিছু গান ভালোবাসি অবশ্যই, সে মেরেকেটে গোটাচল্লিশ গান হবে, প্রায় সবই সত্তর বা আশির দশকের।

    ক্লাসিকাল, রাগাশ্রয়ী মিউজিকের গায়ক আর শ্রোতা তো, বাঙালি কেন, গোটা দুনিয়াতেই আরও কম। তার মানে কি সেগুলো চলে না? রাগের আলাপও তা হলে ছাগলের ব্যা-ব্যা, নাকেকান্না? কী দরকার তা হলে বিলাবল বা কাফী বা অন্য কোনও রাগরাগিনী নিয়ে আদিখ্যেতা করবার?

    প্রবাসী, যে বাঙালি কালচারে বড় হয় নি, তার পক্ষে রবীন্দ্রনাথের গান বোঝা বেশ টাফ। তাও বড় হয়ে যাবার পরে প্রথম শুনতে গেলে বোঝা আরও চাপ। ব্রততীর সেই পাঠে যেমন বলা ছিল, রবিঠাকুরের গান তো শুধু তানের নয়, প্রাণের। তা সে সবার প্রাণে দোলা না লাগাতেই পারে। জোর করে লাগানোর কী দরকার?
  • ranjan roy | ১৩ মে ২০১৩ ১১:৪৮605815
  • অক্ষ,
    বেলা এগারোটায় গেলাম মেয়েটির বাড়িতে, ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসে চা খাচ্ছে।
    কানে সেই তার গোঁজা। --কী ব্যাপার কাকু, সাত সকালে?
    সাত সকালই বটে!
    বল্লাম -- অ্যালানিস মরিসেটে বলে কাউকে জান?
    -- বাঃ, আপনার নেশা ধরছে দেখছি। আমার হার্ড ডিস্কে ওঁর সবগুলো অ্যালবাম আছে। কোনটা শুনবেন?
    আমি আমতা আমতা করে বলি--না,খালি একটা গান শুনবো। ফ্রন্ট রো।
    -- ও, সাপোজড্‌ ফরমার--? সব্গুলোই ভালো, শুনুন না।
    আমি অতিকষ্টে ফ্রন্ট রো যতক্ষণ বাজলো কোনরকমে বসে থেকে পালিয়ে এলাম। কারণ আমার কানে ওই অ্যাকসেন্ট ক্লিক করে না। তবু বলবো আপনার দেয়া টেক্স্ট পড়ে যাওয়ায় কিছু তো সুবিধে হয়েছে।
    নাঃ, এবার একটু একটু করে শোনা অভ্যেস করবো। প্রথমে একটু ব্যালাডধর্মী বা ভালো লিরিকস এর গান শুনবো যাতে অর্কেস্ট্রেশন আর হার্মনি কম, মেলোডি বেশি।
  • Blank | ১৩ মে ২০১৩ ১৩:০৩605816
  • ইংরাজি গানের ভারি ভারি মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট আর একটা কারন যার জন্য ভাল্লাগে না বেশীরভাগ।
    বেঁচে থাক ভায়োলিন, পিয়ানো - বেঁচে থাক বাখ, বেঠোভেন। সেদিন মাঝ রাতে শুনছিলাম মুসোর্গস্কির পাহাড়ি রাত, পাসেলবেল্সের ক্যানন ইন ডি আর বাখের ডাবল ভায়োলিম কনচের্তো। সারা রাত জেগে থাকা যায় এই শুনে।
    কি ছিল মিউজিক আর কি হইসে।

    আর কর্মসংস্কৃতি একটা ঢপ। যে যেভাবে কাজ করা পচ্ছন্দ করে। আমার তো অন্য কোনো রাজ্যে গিয়ে কাজ করতে ভয় লাগে - যা শুনি কর্ম সংস্কৃতির নামে। লোকে সারাদিন মুখ গুঁজে কাজ করে, তারপর বাড়ি যায়। আমি এখানে চায়ের দোকানে আড্ডা মেরে, ক্যারম খেলে, ছানাদের সাথে খিল্লী করে টরে কাজ কম্ম করে থাকি। অমন কোথাও গেলে যাস্ট মরে যাবো। এর চেয়ে ক্লায়েন্ট সাইডের আপিস গুলো ভালো। লোকজন আড্ডা মারে, উল্টোপাল্টা হলেও নানারকম খেলে (সবচেয়ে পপুলার আপিসের খেলা দেখেছি বড় একটা টেবিল টেনিস মার্কা বোর্ডে পুতুল দিয়ে ফুটবল টাইপ কি একটা খেলা, আর দাবার মতন ছকে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা - সারাদিন কেউ না কেউ খেলচে) আর বেসবল টুর্নামেন্টের দিনে তো রঙ চঙ মেখে টেখে আপিসে আসে, সীটে বসে নিজেদের মধ্যে বাজি লাগায়। গোমড়ামুখো কর্মসংস্কৃতি চাই না।
  • san | ১৩ মে ২০১৩ ১৩:১৯605817
  • কোলকাতার কর্মসংস্কৃতি পছন্দ হওয়া না হওয়ার সঙ্গে রবীন্দ্রসঙ্গীত পছন্দ হওয়া না হওয়ার কোরিলেশনও একটু কেমন যেন।

    কোলকাতায় বড়ো হলেও, যারা প্রথমে অন্য রাজ্যে কাজকর্ম করতে শুরু করে, তাদের পরে কোলকাতা ফিরে কাজের জায়গায় মানানো চাপ আছে, মানে এটা আমার অবসার্ভেশন। যত লোককে উৎসাহ করে ফিরতে দেখলাম সব্বাই বাপ বাপ করে আবার রাজ্যের বাইরে চলে গেল ঃ-)
  • paTal | ১৩ মে ২০১৩ ১৩:২২605819
  • স্যান, কোরিলেশন করিনি, একটা গপ্প লিখেছি শুধু। কাটিয়ে দিলেও হবে। 'আর বাঙালীরও কোন জেনেরালাইজেশন হয় না, এই আর কি!' এইটুকুই বলেছি। যেমন হিন্দি বলয়, জার্মান জাতি বা অন্য অন্য কারোরও হয় না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন