এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • দুঃখবিলাসী ঘ্যানঘেনে বাঙালীঃ বর্তমান প্রজন্মের মহিলার সহিত বিমর্শ

    ranjan roy
    অন্যান্য | ১১ মে ২০১৩ | ৩১৬৫৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • j | ১৩ মে ২০১৩ ১৩:২৩605820
  • ব্ল্যাংকিকে হাজারদশেক ক
  • san | ১৩ মে ২০১৩ ১৩:২৫605821
  • ওই ওটা রঞ্জনদাকে বলা। পটল, আপনাকে না।
  • Blank | ১৩ মে ২০১৩ ১৩:২৭605822
  • ধুর আমার আশে পাশেই গুচ্ছ লোক আছে যারা চেন্নাই আর ব্যাঙ্গালোর থেকে ফিরে এসে বেঁচেছে।
  • san | ১৩ মে ২০১৩ ১৩:৩২605823
  • তোর আর আমার অবজার্ভেশন পুরো উল্টো ঃ-) হতেই পারে
  • paTal | ১৩ মে ২০১৩ ১৩:৩৭605824
  • ইসস, আমাকে কেউ কিছু বলেও না, মানে খেলায় নেয়-না টাইপ।
    সরি, স্যান।
  • dukhe | ১৩ মে ২০১৩ ১৪:২৭605825
  • বিচার করিয়ো না।
    যেখানে তুমি রয়েছ, সে তো
    জগতে এক কোণা।
    যেটুকু তব দৃষ্টি যায়
    সেটুকু কতখানি,
    যেটুকু শোন তাহার সাথে
    মিশাও নিজবাণী।
    মন্দ ভালো সাদা ও কালো
    রাখিছ ভাগে ভাগে।
    সীমানা মিছে আঁকিয়া তোল
    আপন-রচা দাগে।

    সুরের বাঁশি যদি তোমার
    মনের মাঝে থাকে,
    চলিতে পথে আপন-মনে
    জাগায়ে দাও তাকে।
    গানের মাঝে তর্ক নাই,
    কাজের নাই তাড়া।
    যাহার খুশি চলিয়া যাবে,
    যে খুশি দিবে সাড়া।
    হোক-না তারা কেহ-বা ভালো
    কেহ-বা ভালো নয়,
    এক পথেরই পথিক তারা
    লহো এ পরিচয়।

    বিচার করিয়ো না।
    হায় রে হায়, সময় যায়,
    বৃথা এ আলোচনা।
    ফুলের বনে বেড়ার কোণে
    হেরো অপরাজিতা
    আকাশ হতে এনেছে বাণী,
    মাটির সে যে মিতা।
    ওই তো ঘাসে আষাঢ়মাসে
    সবুজে লাগে বান —
    সকল ধরা ভরিয়া দিল
    সহজ তার দান।
    আপনা ভুলি সহজ সুখে
    ভরুক তব হিয়া,
    পথিক, তব পথের ধন
    পথেরে যাও দিয়া।

    টুকতে শুরু করে থামতে পারলাম না। কী যে ভালো!
  • Rivu | ১৩ মে ২০১৩ ১৪:৩৫605826
  • "অধিকাংশ মধ্যবিত্ত বাঙালীর আদৌ রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধ, মনন, কর্মজীবনের সঙ্গে পরিচয় নেই।" রবীন্দ্রনাথের গান শুনতে গেলে এত কিছুর সাথে পরিচয় থাকতে হবেই বা কেন? কেন জানতে হবে রবীন্দ্রনাথ চিট ফান্ডে টাকা না রেখে সমবায়ে রেখেছিলেন? উনি কি আদর্শ ব্যাঙ্কার না শিল্পপতি? চন্দ্রবিন্দুর গান শোনার আগে কি চন্দ্রিলের ফুকো দেরিদার তুলনামূলক আলোচনা পড়ে হোমওয়ার্ক করে যেতে হয়? একজন কম্পসার ও একজন শ্রোতা, তার মাঝখানে আর কিচ্ছু নেই, বিশ্বাস করুন। এবার শ্রোতার ভালো লাগলে সে এইসব কন্টেক্স্ট ফন্তেক্স্ট নিয়ে মাথা ঘামাবে। তার আগে নয়।

    আর কে মাথার দিব্বি দিয়েছে যে সব গান ভালো লাগতে হবে? জাস্ট শুনবেন না, ভালো না লাগলে পাতি কাটিয়ে দেবেন।

    আর হিন্দি বলয় শুনলেই দুধ পিলাউ যতটা সুইপিং জেনেরালিজাসন, এই বাঙালি চরিত্রের সাথে রবীন্দ্র সঙ্গীতের করিলেসন টানা তার থেকে কম হাস্যকর কিছু নয়।
  • kd | ১৩ মে ২০১৩ ১৫:৩২605827
  • রঞ্জন,
    ১) শহরের নাম হিউস্টন, রাস্তার নাম হাউস্টন :)
    ২) প্রায় বাংলা না-জানা মেয়েটি মনে হয় বাবার ঠাকুমার কাছে মানুষ হয়েছে ৷ নাহ'লে "কাঠ খেলে আঙরা হাগবে" শিখলো কোথায়? কলকাতার এখনকার ছেলেমেয়েরা তো এ'সব শুনলে চমকে উঠে বলে - WTF ! !
  • kumu | ১৩ মে ২০১৩ ১৭:১৭605828
  • সে তো বাংলাগানের গুণমান বিচার করতে বসে নি।

    'সহে না যাতনা' আর 'জেনেশুনে বিষ করেছি পান' শুনে আমাদের হাসি পায়।
    -----------------
    আর 'আয় তবে সহচরি হাতে হাত ধরিধরি'--মাইরি কাকু!

    সিকির কথা আমারো-সে সবার প্রাণে দোলা না লাগাতেই পারে। জোর করে লাগানোর কী দরকার?

    কোন দরকার নাই,একেবারেই না,জোরের প্রশ্নই নাই,ভালোবাসার দরকার নাই।পাণ্ডব পাণ্ডব থাক,কৌরব কৌরব।আমার আপত্তি, আবারো বলছি,,প্রতিটি ইস্যুতে ঐ বৃদ্ধকে টেনে এনে বিরূপ মন্তব্য করায়।উদাঃ বাঙালীর কর্মবিমুখতা /দুঃখবিলাস এসবই কি দাদু/দাদুর গানের কারণে?

    প্রবাদ অনুযায়ী-ভিক্ষার প্রয়োজন দেখি না,কুকুর সামলানোই যথেষ্ট।

    খুব ক্লিশে হয়ে যাওয়া আলোচনা এসব।তবে রঞ্জনদার এই কাহিনীটি সত্যি বলে মনে হচ্ছে না,ওনার মত অভিজ্ঞ পন্ডিত মানুষের এত বালখিল্য যুক্তির কাছে হার মানার কথা নয়।
  • ranjan roy | ১৩ মে ২০১৩ ২৩:২১605830
  • কাবলিদা,
    সত্যি কথা। বঙ্গের বাইরে মানুষ হওয়া বাচ্চারা অনেক সময় বাড়ি থেকে কিছু অবসোলেট একস্প্রেশন/ ওয়ার্ড/ ইডিয়ম পিক করে। আর সেই লিমিটেড ইয়ে গুলো যেখানে সেখানে ইউজ করে। যেমন আমি কলকাতায় জন্মেও কখনো পূববাংলায় না গিয়েও কিছু খাস কাঠ বাঙাল ফ্রেজ ইউজ করি। আম্রিকার কস্তুরী মুখার্জি ( সম্পাদক/ বাঙালনামা ই-পত্রিকা)কে পাঠিয়েছিলাম।

    কুমু,
    অনেক সময়ই যেটা সত্যি মনে হয় সেটা তা না হতেও পারে, আবার বিপরীতক্রমে, যেটা সত্যি মনে হচ্ছে না সেটাই সত্যি।

    আবারো বলছি-- এটা আদৌ যুক্তিতর্ক দিয়ে জেতার ব্যাপার ছিল না। ছিল ডিফারেন্ট পারসেপ্শনের ব্যাপার। কাজেই যুক্তি সবল কি দুর্বল এটা অবান্তর।
    যখন দু'জন দুটো আলাদা পারসেপশনের ফলে দুটো আলাদা প্লেন থেকে কথা বলে তখন আদৌ ডিসকোর্স হয় না। মনে হয় ওরা কাঁচের দেয়ালের দুপাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছে।
    এই ব্যাপারটা, এই আলাদা প্লেনে দাঁড়িয়ে, আলাদা পারসেপশন থেকে একই বিষয়ে কথা বলা---- এটাই আনতে চেয়েছিলাম। পারিনি, সেটা আমার কলমের দুর্বলতা। আগেই বলেছি, আমি ব্যর্থ।

    ওয়ার্ক কালচারের ব্যাপারটা খানিকটা গুরগাঁও বাসী স্যান বুঝেছে, আর সিকি জানে। তাই ফিরতে চায় না। অবশ্য পসন্দ আপনা আপনা।
    ব্ল্যাংকি ও জে যা বলছেন সেটাকেই দিল্লির পারস্পেক্টিভে মেয়েটি অ্যাটাক করচে। ও দেখেছে যে একই কোম্পানির দিল্লি অফিসের তুলনায় কোলকাতা অফিসের আউটপুট ১/১০। তাই এখানে গ্রোথ কম, প্রমোশনের স্কোপ কম। আবার তা নিয়ে কারো কোন হেলদোল নেই।
    রবীন্দ্রনাথের গানের সঙ্গে অবশ্যই বঙ্গের পিছিয়ে থাকার কোন ডায়রেক্ট কো-রিলেশন নেই। কিন্তু ওর ইম্প্রেশনিস্টিক খন্ডিত পারসেপ্শনে সব বাঙালী বাড়িতে রবীন্দ্রসংগীত ভালো না লাগা নিয়ে ব্যঙ্গবিদ্রূপ ওকে irritate করেছে। ওটা তার প্রতিক্রিয়া।

    কুমুকে আমার কথাটা বোঝাতে শেষ উদাহরণঃ

    গিরিশ কারনাড় রবীন্দ্র্নাথের নাটকের অভিনয়যোগ্যতা নিয়ে বা দুই দশক আগে খুশবন্ত সিং রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গান নিয়ে কী বলেছেন তা আমরা সবাই জানি।
    আমরা ওঁদের সাথে সহমত কি?
    --- আদৌ না।
    -- কিন্তু তার মানে কি কারনাড় নাটক বোঝেন না? বা ইংরেজি জানেন না? অথবা খুশবন্ত সিং কবিতা বা গান বোঝেন না?
    --- পাগলেও এমন কথা বলবে না।
    --- তাহলে ওদের কী বলব?
    --- বলব এইটুকুই যে ওঁরা রবীন্দ্রনাথের রচনা বুঝতে পারেন নি।
    -- এ নিয়ে কি ওঁদের সঙ্গে ডিবেট সম্ভব?
    --- আদৌ নয়। কারণ ওঁদের প্রেক্ষিত ও প্লেন আমাদের থেকে আলাদা।
    --- এতে কি রবীন্দ্রনাথকে অপমান করা হয়েছে?
    --- উনি এসবের অনেক উর্দ্ধে।
    -- গিরিশ বা খুশবন্তের কি রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে এমন কথা বলার অধিকার আছে?
    --- অবশ্যই আছে।

    আমার আর এ নিয়ে কিছুই বলার নেই। লিখতে ব্যর্থ হয়েছি এছাড়াঃ((((
  • ন্যাড়া | ১৩ মে ২০১৩ ২৩:৩৮605831
  • কুমুদি লিখেছেন, "... পাণ্ডব পাণ্ডব থাক,কৌরব কৌরব।আমার আপত্তি, আবারো বলছি,,প্রতিটি ইস্যুতে ঐ বৃদ্ধকে টেনে এনে বিরূপ মন্তব্য করায়।"

    দেখুন, বাঙালিরা যদি কথায় কথায় বৃদ্ধর বাণী ও রচনা না এনে ফেলি তাহলে ওনাকে নিয়ে কথায় কথায় বিরূপ মন্তব্যও বন্ধ হয়ে যাবে। আপনিও "পান্ডব ..." ইত্যাদিতে বৃদ্ধকে উদ্ধৃত না করে পারলেন না। এটা যদি করা হয় তাহলে কথায় কথায় অন্যের বিরূপ মন্তব্যও মেনে নিতে হবে।

    দুদিক থেকেই ওনাকে ক্ষ্যামা দেওয়া হোক বছর দশেকের জন্যে। ওনার গান বছর দশেকের জন্যে পাবলিকলি গাওয়া-বাজানো বন্ধ হোক, আবৃত্তিও তাই, ওনার লেখা কোট করাও বন্ধ, ওনাকে নিয়ে নো প্রবন্ধ, গল্প বা ডিসার্টেশন। শ্যামলালের কবিতার টীকার মতন ভাষাগোষ্ঠিগতভাবে আমাদের রবীন্দ্র-টীকা নেবার সময় এসেছে।

    এখন আমার মনে হয় বাঙালী জীবনে ১৯৬১ একটা বড়সড় দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগ বয়ে এনেছে। যথা নক্সাল আন্দোলন।
  • ranjan roy | ১৩ মে ২০১৩ ২৩:৫৫605832
  • ন্যাড়া,
    আপনার কি ওই মহিলার সঙ্গে কোন কথা হয়েছিল? টেলিপ্যাথিতে?"))))
  • প্পন | ১৪ মে ২০১৩ ০০:২৯605833
  • কিন্তু এটা সিকি কী ফাটাফাটি দাবি রাখল!

    দাড়িদাদুকে প্রবাসী বাঙালীদের জন্যও আলাদা করে কিছু লিখে যেতে হবে!! দাদু বলেই এই ইমোসনাল অত্যাচার?
  • প্পন | ১৪ মে ২০১৩ ০০:৩৭605834
  • ব্ল্যাংকিকেঃ অন্য রাজ্যের ওয়ার্ক কালচার এমন কিছু ভয়ংকর নয়। তারাও কং-বিজেপি, আইপিএল নিয়ে তক্কো করে, ক্যান্টিনে বসে কফির কাপ নিয়ে রাজা-উজির মারে, দুপুরে গিয়ে টিটি পেটাপেটি করে আসে। তবে কাজের যখন দরকার, সবাই কাজ করে।

    এখন কলকাতার আইটি আপিসের ওয়ার্ক কালচার আমি দেখিনি। কাজেই কোন মন্তব্য করব না। শুনেছি ভয়ংকর। তবে, যারা বলেছে তারাও কেন ভয়ংকর আমাকে টিক কনভিন্স করতে পারেনি। মনে হয় সিইং ইজ বিলিভিং। ঃ)
  • rabaahuta | ১৪ মে ২০১৩ ০১:০৬605835
  • এই জিনিসটা আমিও ঠিক বুঝতে পারিনা। এনসিআর, মহারাষ্ট্র, কলকাতা। সর্বত্রই দেখলাম কিছু কেজো কিছু ফাঁকিবাজ কিছু মজ্ঝিমপন্থী, সর্বত্রই গেটের বাইরে চায়ের দোকানে ভিড়।
  • Blank | ১৪ মে ২০১৩ ০১:৩৩605836
  • আর অন্তত আইটি আপিসে র যে ধরনের গরু চড়াই, সেখানে অন্তত কোলকাতায় বসে গ্রোথ হয়্না, কিন্তু নয়ডা তে বসে হয় এটা একটা ভাটের কথা। যার হয় না তার নিউ ইয়র্কে বসেও হবে না, আর যার হবে তার গোবর ডাঙা থেকেও হবে।
    বিজনেস জোগাড় করতে না পারলে কিস্যু হবে না, আর সেটা যে কোনো জায়গায় হয়। আমাদের পুনে আপিস বা পুরো পুনের সেটেলমেন্ট এক বাঙালীর তৈরী যে পুনে গেছিল ওখানেও কিভাবে গ্রো করা যায় সেটা দেখানোর জন্য।
    প্পন দার কথা শুনে আমিও বলি, এই শুনি ব্যাঙ্গালোর নয়্ডা তে নাকি হুলিয়ে ওয়ার্ক কালচার (মানে ঠিক কি জানিনা) - কিন্তু যেসব অবাঙালীরা ওখান থেকে এদিকে আসে, তাদের একটা বড় অংশ ভাট বকে, ক্যারম খেলে বা ক্যারম বোর্ডের পাশে দাড়িয়ে বিজ্ঞ কমেম্ট করে। সিটি সেন্টারে সিনেমা দেখতে যায়। তো এরা নিজেদের জায়গা তে গিয়ে কি কি জিনিস করে যাকে ওয়ার্ক কালচার বলে !!!
    (ম্যাক্সিমাম ট্রেন্ড দেখেচি শেয়ার বাজার - আমার দেখা শেয়ার বাজার নেশারুদের মধ্যে ম্যাক্সিমাম উত্তর ভারতের লোক)।

    আমার মনে হয় এটা জন্ম প্রবাসী বাঙালীদের উন্নাসিকতা - আপাতত হালকা হেসে কাটিয়ে দেওয়া ছারা কিস্যু বলার নেই।
  • প্পন | ১৪ মে ২০১৩ ০১:৪৪605837
  • আমি মুগ্ধ। ব্ল্যাংকির পুরো পোস্টে একটাও বুনাম্ভুল নেই!! ঃ)

    কর্মসংস্ক্রিতি প্রসঙ্গেঃ আমাদের সাপোর্ট ইউনিটগুলো লুরুতে বসেও কী প্রোডাক্টিভ, কী প্রোডাক্টিভ! আরেমজির একজন ছুটিতে গেছে, সে ooo সেট করেনি, এমনকী তার ব্যাকাপ কে সেও বলে দিয়ে যায়নি। মাঝখান থেকে হাল্কা করে ক্লায়েন্ট এস্কালেশন হয়ে গেল। এই মুম্বাইয়ের ওয়ার্ক কালচার নিয়ে এত কথা শুনি, বিএফেসের কিছু সাপোর্ট ইউনিট ওখানে আছে, তাদের থেকে ডেটা আনাবার কথা হলে আমরা আঁতকে উঠি।
  • Blank | ১৪ মে ২০১৩ ০১:৪৮605839
  • আগের টা মনে হয় আমি নই :-D
  • প্পন | ১৪ মে ২০১৩ ০১:৪৮605838
  • তবে লুরুর আমাদের পাড়ার এসবিআই ব্রাঞ্চে গিয়ে আমি বুঝেছি কর্মসংস্কৃতি কাকে বলে। পাশাপাশি সেচ ভবনের এসবিআই ব্রাঞ্চও দেখেছি কিনা।
  • Sankha | ১৪ মে ২০১৩ ০১:৫০605841
  • কলকাতার আইটি ওয়ার্ক কালচার নিয়ে দুলাইনঃ

    আগের বছর কলকাতায় ফিরে কিছু কারণে মাসদুয়েক মত কলকাতার অফিসে কাজ করেছিলাম। ইউনিটেকে। টানা চারবছর বাইরে থাকার পরে। এবং আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট ও ক্লায়েন্টের প্রোজেক্টে। কয়েকটা জিনিস চোখে পড়েছিল।

    ১। টাইমিংঃ ইউএসে লোকজন জলদি অফিসে আসে, জলদি বেরিয়ে যায়। কন-কলের টাইমিং একটা বড় ফ্যাক্টর জানি, মানে অফশোরে লোকজন দেরি করে থাকে অনেকটাই ঐ কারণে। আমি মোটামুটি সওয়া নটা থেকে পৌনে দশটার দিকে পৌঁছে দেখতুম বিশাল ফ্লোরে খুব হাতে গোনা কয়েকজন আছে। মোটামুটি সাড়ে দশ এগারোর দিকে হাউসফুল হয়।

    আবার সাড়ে পাঁচের দিকে বেরিয়ে যাবার সময়ে তখন দেখতুম লোকজন চা খেতে ঝুপসে যাচ্ছে। ফিরে এসে পুরো দমে সাড়ে সাত-সাড়ে আট অবধি টেনে দেবে। যেটা নিতান্ত প্রোডাকশান ইস্যু বা ডেপ্লয়মেন্ট ছাড়া এই চার বছরে করতে হয়নি।

    ঐ সময়ে আমি অনশোর/ক্লায়েন্টের সঙ্গে কথা থাকলে বাড়ি ফিরে জয়েন করতুম। হ্যাঁ, বেশির ভাগেরই সেই অপশন/সুবিধে নেই। কিন্তু সামহাউ এতদিন পরে আর ঐ কলের জন্যে বসে থাকা পোষায় নি।

    ২। কমিউট টাইমঃ বরাবর পাবলিক কমিউটের ওপরে নির্ভর করে থাকি। তো বাইরে থাকার সময়ে মোর অর লেস ডোর টু ডোর কমিউট টাইম একঘন্টা হল স্ট্যান্ডার্ড।

    ও বাবা। কলকাতায় ফিরে দেখলুম কমিউট টাইমের কোন মা বাপ নেই। সুকান্ত সেতু থেকে ঐ ভলভো/টাটার বাসগুলো ছাড়তো ঐ ধরেই যেতুম, কিন্তু তাদের না আছে কোন টার্মিনাস, না কোন কনট্যাক্ট হেল্পলাইন, না কোন ধরাবাঁধা টাইম। কেউ সীট ভরে গেলেই ছেড়ে দেয়, কেউ আরেকটা বাস না আসা অবধি অপেক্ষা করে, সব্বার আলাদা অ্যালগো। কোন ওয়েটিং রুম বা শেড নেই, ভালো ভালো জামাকাপড় পরে গলায় কোম্পানির পাট্টা ঝুলিয়ে জনগণ ছাতা বা বিনা ছাতায় ঘামতে ঘামতে বাসের জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে।
    এই সব পেরিয়ে বাস যদি বা মিললো এবং ছাড়লো, সেক্টর ফাইভে ঢোকার পরে সিঙ্গল লাইন কাবুলের ক্যারাভ্যান। কেউ কাউকে টপকাতে পারে না। সামনের বাস স্টপ দিলে পেছনের বাসকেও থামতে হচ্ছে। তার কারণ ফুটপাত খুঁড়ে তৃফলা বসানো হয়েছে, ফুটপাতে চললে লেভেল থ্রী হাইকিং এক্সপিরিয়েন্স হয়ে যাবে। জনগণ, হকার, অস্থায়ী দোকান, অটো, সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে। এ চলবে আবার রাজারহাটে ঢোকা অবধি, সেখানে আবার বড় রাস্তা। অফিস কখন পৌঁছনো যাবে কেউ জানে না। অনেক প্যারামিটারের ওপরে ডিপেন্ড করছে। তার মধ্যে একদিন আবার নারকেলবাগানের সামনে একটা বাস রাস্তা ক্রশ করা একটা বাছুরকে চাপা দিলো, সেদিন আরো দেরি।
    কারপুলের কিছু গাড়িও পেতাম কিন্তু তারা বেশির ভাগই ইউনিটেক অবধি যাবে না। সে আরেক বিড়ম্বনা।

    ৩। ব্রেক এবং গাবজালিঃ হ্যাঁ একেবারে ডেস্কে ঘাড় গুঁজে কাজ ইউএসেও কেউ করেনা, কিন্তু প্রোডাকটিভ টাইম অনেক বেশি। ওখানে অফিস এসে একরাউন্ড চা/বিড়ি খেতে ঝুপসে যাওয়া, সে সব মিলিয়ে চল্লিশ মিনিট থেকে একঘন্টার গ্যাপ। লাঞ্চের গ্যাপ একঘন্টা। খুব কম লোকই ডেস্কে লাঞ্চ করে। তারপরে বাইরে দাঁড়িয়ে একটু গাবজালি। বিকেলে রোদের ওপরে ডিপেন্ড করে সাড়ে চারটা, পাঁচটায় আবার চা/তেলেভাজা/বিড়ির গ্যাপ। ডেস্কের পাশে দাঁড়িয়ে গল্প গুজব বাদই দিলুম। এই সব মিলিয়ে বেশ অনেক অনেক গ্যাপ। এইটা ইউএসে অন্ততঃ অনেক কম দেখেছি, খুব বেশি হলে ঐ লাঞ্চের একঘন্টা। তাও ঐ সময়ে আমি যে প্রোজেক্টে ছিলুম, সেখানে বাইরে থেকে খাবার কিনে ডেস্কেই খেতে দেখেছি বহু লোককে।

    মূলতঃ এইগুলোই চোখে পড়েছে, এবং অনেকে দিব্যি মানিয়েও নিয়েছে (আমারই এক কাছের বন্ধু একবছর বাইরে কাজ করে ফিরে গিয়ে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে), আমার ভয়ংকর লাগেনি, কিন্তু সাড়ে আট থেকে সাড়ে পাঁচের ঘড়িতে অভ্যাস পাল্টাতে পারিনি। মুসকিল হল ঐ ম্যানেজারকে দেখানোর ট্রেন্ডটা যে দ্যাখো বস, আমি দেরি করে থাকছি, উইকেন্ডে আসছি ইজিকলটু আমি ডেডিকেটেড ইজিকলটু গিভ মি মোর। অফশোরে থাকার সময় এই অফিসে থাকার সময়ের ব্যাপারটা বেশ ম্যাটার করত, সেটা নিজেই দেখেছি। এখন যদি সেসব পাল্টে গিয়ে থাকে, তাহলে ভালোই।
  • | ১৪ মে ২০১৩ ০১:৫৩605842
  • ঃ))

    শুধু " ছারা " ছাড়া। ঃ))
  • | ১৪ মে ২০১৩ ০১:৫৯605844
  • শঙ্খ মোটামোটি ঠিক লিখেছে। আমার কলকাতায় ১৩ বছরের কাজের exp এমন।

    ১। দরকার থাক আর না থাক PL র সাথে চা খেতে যেতে হবে।

    ২। কাজ না থাকলেও ৮ ট অবধি থাকতে হবে কারন PL যায় নি। ( সব না হলেও TCS র বেশী র ভাগ প্রজেক্টে।

    ৩। চা আর বিড়ি ব্রেক র কোন উর্ধঃসীমা নেই।

    তবে IBM এ এ ই সব দেখিনি। ওখানে হল তোমাকে একটা কাজ দেওয়া হয়েছে। তুমি নামাবে। কী ভাবে নামাবে সেটা তোমার ওপরে।
  • প্পন | ১৪ মে ২০১৩ ০১:৫৯605843
  • লোকজন কটার সময় আসবে যাবে সেটা ডিপেন করে লোকে কোম্পানির বাসে যাওয়া আসা করে কিনা। আমাদের আপিসে বা লুরুর অনেক বড় আপিসেই ৭৫% লোকে আপিসের বাসে যাতায়াত করে কাজেই তারা আগে আসে, আগে বেরোয়। যারা সেসবের ধার ধারে না, তারা এখানেও ধার ধারে না।

    আর এখন তো বাড়ি থেকেই সবাই কল নেয়। খুব হার্ডকোর টেকনিকাল কিছু নিয়ে আলুচানা হলে অন্য কথা।

    (যথারীতি এই টইটাও আইটি গাইজরা হাইজ্যাক করে নিল! ;-))
  • Blank | ১৪ মে ২০১৩ ০২:১১605845
  • শঙ্খর এই 'প্রোডাকটিভ টাইম অনেক বেশী' র সাপোর্টিং ডেটা কি? প্রোডাকটিভ টাইম সারা বিশ্ব জুড়ে দিনে ২৪ ঘন্টা। প্রোডাকটিভিটি ম্যাটার করে।
    ই উ এসে প্রোডাকটিভ্টি বেশী হলে বিজনেসে চাপ ছিল। ব্যাঙ্কিং ডোমেনে ডেটা অ্যানালিসিস করে দেখা গেছে (বেশ কিছু সময় ধরে) যে অনসাইটের প্রোডাক্টিভিটি বেশ কম। এর পরেই শুরু হয় অনসাইট অফশোর রেসিও পাল্টানো। ১ঃ৪ থেকে ১ঃ৮ বা আরো কমে নিয়ে যাওয়া।
    এখন চেষ্টা করা হচ্ছে সম্পুর্ন অফ করে দেওয়ার। শুধু মাত্র অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার থাকবে এসকালেশান সামলানোর জন্য - বাকি পুরো অফশোর। আর সফল ভাবে অনেক জায়গাতেই এটা ইমপ্লিমেন্টেড।
    আর অফশোরে থাকার সময় দিয়ে ইমপ্রেস করা লোকজনকে - এটা একটা বালখিল্য মতবাদ। বছরের শেষে ক পয়সা দিতে পারলে সেটাই ম্যাটার করে। নেহাৎ প্রেম না গজালে কেউ পুষবে না, তাও এই বাজারে।
  • Sankha | ১৪ মে ২০১৩ ০২:১২605846
  • তবে কর্ম সংস্কৃতি দেখেছি স্বাস্থ্য ভবনে গিয়ে। সেই নিয়ে একটু বলি।

    আমার এক বন্ধুর মা নার্স বা ঐরকম কোন একটা পোস্টে সরকারী কোন একটা হাসপাতালে কাজ করতেন। স্বাস্থ্যের কারণে বদলির জন্য অ্যাপ্লাই করেন। তো তার জন্য কি ফর্ম লাগবে, সেই জন্যে আমি আর আমার বন্ধু একদিন শুক্রবারে বারোটার দিকে স্বাস্থ্য ভবনে গেলুম। আমি তখন বেঞ্চে, আমাকে দেখতে না পেলে সবথেকে খুশি হয় আমার ম্যানেজার।

    প্রথমে গোল গোল ঘুরলুম খানিকক্ষণ, কেউ বলে ওদিকে যান, কেউ বলে ভুল জায়গায় এসেছেন। যাহোক করে সঠিক জায়গায় গিয়ে পৌঁছাতে একজন (সহকর্মী হবেন) একগাল হেসে বললেন, - অমুকতো বেরিয়ে গেছে।
    - মানে? লাঞ্চে গেছেন?
    না, বাঁকুড়ায় বাড়ি বলে ভদ্রলোক শুক্রবার একটু আগেই বেরিয়ে যান, বেশি না, এই বেলা বারোটার মধ্যে।
    - বাঃ কি মজা, আজকে কি হাফ ডে?
    ভদ্রলোক গম্ভীর হয়ে গিয়ে বললেন, সামনের সপ্তাহে আসুন।

    গেলুম। এবারে একটু আগে গেছলুম। ফর্ম দিলেন, ভরে কোন এক দিদিকে (মমদিদি না, ঐ স্বাস্থ্যভবনেরই কোন এক টপ নার্স সেই দিদি) জমা দিতে হবে। তো সেই সব ফর্ম ভরে কদিন পরে একদিন যাওয়া হল।

    বিশ্বাস করুন, একটা কথাও বানিয়ে বলছি না, ডেস্কে বসে ভদ্রমহিলা কার বার্থডেতে রান্নার প্ল্যান করছিলেন। আমরা ঠায় দাঁড়িয়ে থাকলাম, ভদ্রমহিলা দেখেও না দ্যাখার ভান করে কথা চালিয়ে গেলেন।

    দেখলুম বাকি লোকজন কে কি করছে। অফিসে অনেক অনেক কম্পিউটার, বেশিরভাগ বন্ধ। কীবোর্ডে জমা ধুলো। কেউ আবার গুছিয়ে খবরের কাগজ জমা করেছে কী-বোর্ডের ওপরে। দু একটা চলছে। একজন সুপার মারিও টাইপ কি একটা গেম খেলছে, আরেকজন কারো একটা বায়োডেটা বানাচ্ছে।

    মিনিট কুড়ি পরে ভদ্রমহিলা খুব বিরক্তিভরে ফোন রেখে আমাদের দিকে ফিরলেন।ফর্ম নিয়ে বললেন পরের সপ্তাহে আসুন, কিছু ভুল থাকলে বলে দেবো।

    বেরিয়ে এসে বন্ধুকে মাফ চেয়েছিলাম। সেরম হলে নিচে লাইব্রেরিতে বই পড়ে কাটাবো, আর স্বাস্থ্যভবনে আসছি না। পরে যতদূর শুনেছিলাম ওকে আরও বেশ কয়েকবার গিয়ে গিয়ে কাজটা করাতে হয়েছে।
  • Blank | ১৪ মে ২০১৩ ০২:১৫605847
  • প্পন দা কলেজ মোড়ের ইউবিআই খানা বেশ ভালো, বা কানাড়া ব্যাঙ্ক। গেলেই কাজ করে দেয় দুম করে।
  • Sankha | ১৪ মে ২০১৩ ০২:৩৩605848
  • আগের পোস্টটা নামিয়ে কমেন্টগুলো দেখলুম।

    ব্ল্যাংকিকেঃ প্রোডাকটিভ টাইম বলতে সিস্টেমে অ্যাকটিভ থাকাটা মীন করেছি। হ্যাঁ এবারে সেখানেও কাজের বাইরে অনেক কিছুই করা যায়, এই আমিই এখন বসে লম্বা লম্বা পোস্ট লিখছি অফিস আওয়ারে। যেদিন কাজের চাপ থাকে সেদিন লেখা দূরের কথা, পড়তেও পারিনা। কিন্তু এই সময়েও আমি কমিউনিকেটরে অন আছি। যে কেউ পিং করলে আমাকে পাবে। ডেস্কে ফোন করলে পাবে। কিন্তু ডেস্ক থেকে বাইরে বা অ্যাওয়ে এখানে লোকজন খুব বেশিক্ষণ থাকে না। আমি সেটাই বলতে চেয়েছি। প্রোডাকটিভিটি আমার মতে পার্সন টু পার্সন ভ্যারি করে, ঐ ধরাবাঁধা সময় দিয়ে আমি ভাবি না।

    আর অনশোরের প্রোডাকটিভিটি কমের গল্পটা কি করে এলো, সেই নিয়ে বলি। অফশোরে থাকার সময় আমার দুটো প্রোজেক্ট চেঞ্জ হয়। দুটোতেই অনসাইটের যে/যারা থাকতো, সমস্ত কাজ অফশোরে পাঠিয়ে দিত। তাদের কাজ মেইনলি থাকতো রিকোয়ার্মেন্ট নেওয়া, র‌্যাপো বিল্ড-আপ, ডেপ্লয়মেন্ট। সেগুলো-ও কাজ এবং তাদের যথেষ্ট গুরুত্ব আছে, কিন্তু সেগুলো ডেলিভারেবল দিয়ে মেজার করলে প্রোডাকটিভিটি খুব খারাপ আসে।

    এখন সম্পূর্ণ অফশোর করার কারণ প্রোডাকটিভিটি নয়। পাতি পয়সা বাঁচানো। বেশির ভাগ ক্লায়েন্ট ইন্ডিয়াতে ক্যাপটিভ খুলছে। জেপিএমসিতে এখন অফশোর মানে ওদের মুম্বাই প্যারাডিম টাওয়ার। কগনি, টিসিএস, প্রায় সবার ব্যাম্বু লেগেছে, আর এখন আস্তে আস্তে কন্ট্র্যাক্ট একবছর অবধি ভ্যালিড করে দিচ্ছে, তারপরে এক্সটেন্ড করতে হলে গল্প। প্রিমিয়াম ভিসা ফী সাড়ে পাঁচ হাজার ডলার, তার ওপরে নতুন বিল আসতে চলেছে, ভিসা হোল্ডার এমপ্লয়ীদের% বিচার করে একস্ট্রা ফী দিতে হবে।

    আরেকটা কথা। এগুলো কোনটাই জাজমেন্ট হিসেবে দেখো না। জাস্ট ব্যক্তিগত কিছু অবজারভেশন।
  • kumu | ১৪ মে ২০১৩ ০৫:৫৬605849
  • রঞ্জনদা, আমিও বার বার বলেও ঠিকভাবে আমার বক্তব্য বোঝাতে পারিনি, কাজেই ব্যর্থতা আমারো কম নয়।গিরিশ কারনাড ও খুশবন্তের উদাহরণের মাধ্যমে আপনি যা বলতে চেছেন, ঠিক সেই কথাই তো আমিও বলছি।সমালোচনার অধিকার সকলের আছে, অবশ্যই।প্রয়োজনও আছে, সুশ্থ সমালোচনার।আমি ঠিক কী নিয়ে আপত্তি জানাতে চাইছি তা বেশ কয়েকবার লিখেও হয়তো ঠিক বোঝাতে পারিনি সেটা আমারই অক্ষমতা।
  • kumu | ১৪ মে ২০১৩ ০৫:৫৭605850
  • চেয়েছেন, সুস্থ
  • kumu | ১৪ মে ২০১৩ ০৬:১০605852
  • ন্যাড়াবাবু, অনেক ধন্যবাদ।দাদুর লেখাথেকে মুহুর্মুহু উদ্ধৃতি দেয়ার অভ্যেস থেকেই উদ্ভূত হয়েছে রিভার্স প্রসেস, ঐ বিরূপ মন্তব্য ইঃ, তা "গুরুদেব সিনড্রোমে আক্রান্ত কুমুও" জলের মত বুঝে গেল।আমরা তো সুকুমার, নজরুল বা অন্য অনেকের উদ্ধৃতিও দিয়ে থাকি, তাঁদের পালাও আসবে তবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন