এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সোমবারের বু বু ভা

    Biplob Rahman
    অন্যান্য | ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ | ৫০৯০৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Biplob Rahman | 202.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৭:৫৬464846
  • 'ওর'ম তাকিও না' অসাধারণ লাগলো। গুরুতে ফরিদা'র যাত্রা শুভ হোক।
  • Manish | 59.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৯:৩০464848
  • অতনুর লেখা ও ছবি দুটিই অসা
  • deep | 115.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৯:৫৮464849
  • ধন্যবাদ, তাতিন। রবিবাসরীয়টা চেক করিনি :-(
  • Nina | 64.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ২০:০১464850
  • কেন্দুলি সন্ধান, অতনুর লেখা খুব ভাল লাগল। ছবি ও খুব সুন্দর। ছবিগুলি কেমন যেন টানে কোন এক অচেনা টানে!
    সহজমার গান এখানে বঙ্গসন্মেলনে শুনেছিলাম খুব আগ্রহ নিয়ে --ভাল লাগেনি ---বোধহয় পারিপার্শিকতার প্রভাব --কে জানে কেমন যেন খাপছাড়া লেগেছিল--
    লেখাটি পড়ে মনে হচ্ছে এই মেলায় এই গানের নেশাই আলাদা----লেখক কে অভিনন্দন।
  • Nina | 64.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ২০:০৩464851
  • ও'রকম তাকিও না' দারুণ! খুউব ভাল লাগল--মনটা বেশ ফুরফুরে হয়ে উঠল :-))
  • kallol | 220.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১২:৫৯464852
  • কেন্দুলির সন্ধানে পড়লাম।
    খুব সৎ লেখা। যেমনটি দেখেছেন, তেমনটিই লিখেছেন। আবেগ আছে, তা থাকারই কথা, বিশেষ করে যাদের কেন্দুলি প্রথমবার। কিন্তু লেখক ভেসে যাননি সেই "প্রথম" আবেগে।
    কিছু লিখব না ভেবেছিলাম। কিই বা লেখার আছে। আমি তো কেন্দুলি শেষ গেছি ১৯৮০তে। তখন প্রতি বছরই যেতাম। ১৯৭৪ থেকে যাচ্ছি। প্রথমদিকে নেশা করতে যেতাম। গাঁজা-চরস খাওয়ার এমন খুল্লমখুল্লা ব্যবস্থা আমাদের সে আমলে কোথায় পাবো! তাই খুব চাপিয়ে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াতাম। তখনও খুব ভিড় হতো। কিন্তু অজয়ের পাড়ে সকালে "সারবার" বহু জায়গা পাওয়া যেতো।
    আমাদের কাছে কটা দিন সব কিছু থেকে মুক্তি। পড়াশোনা, বাড়ি, পরিচিতদের চাউনি, রাজনৈতিক ভাবে শুদ্ধ থাকা....... এসব কিছু থেকে ছুটি। গান শুনতাম বটে, তবে মন না দিয়ে। গান, দোতারা, একতারা, ডুবকি, খমক সব মিলিয়ে যে আবহ তৈরী হতো তাতে নেশা চড়তো। ওতেই আনন্দ।
    তখন সায়েব-বিবিরা ঢুকে পড়েছেন টেপরেকর্ডার ও ১৬ বা ৮ এম এম মুভি নিয়ে। জুলু জুলু চোখে তাকিয়ে থাকতাম, আর ""বিপ্লবী"" ফিল্ম বানানোর খোয়াব দেখতাম। কিন্তু তখন বাউল-গায়কেরা ও মুল্লুকে পা রাখেন নি। বা রেখে থাকলেও, তেমন চোখে/কানে পড়ার মতো নয়।
    বাউল-গায়ক ব্যাপারটা খোলসা করি। যাঁরাই বাউল গান গেয়ে থাকেন, তারাই বাউল নন। বাউল একটা সাধন পদ্ধতি, একটা যাপন। সুধীরবাবু, শক্তিবাবু ও লীনাবিবির দৌলতে আজ আর তা কোন রহস্যে মোড়া কিছু তথ্য নয়। যারা শুধু গানটাই গান, সাধন-যাপনে নাই, তারা বাউল নন, বাউল-গায়ক। যেমন পূর্ণদাস, পরের দিকে কার্তিক, আরও পরে উৎপল ফকির-সহজ মা। এরা সাধন-যাপনে নেই, শুধু গানই গান। গলা প্রত্যেকেরই বেশ ভালো। পূর্ণদাস বহুকাল গোলপার্কে থাকেন। চারিচন্দ্র বা মাধুকরী করেন না। কার্তিক, ট্রেনে গান গেয়ে ভিক্ষে করতো। সেটা আর যাই হোক মাধুকরী নয়। তবু যদি তর্কের খাতিরে তাও মেনে নেই, তবু, সে সাধন-যাপনে কোনকালে ছিলো না। এখন তো শুনি সে স্টার বাউল-গায়ক। রোজগার বেশ ভালো। উৎপল ফকির ও সহজমা - এরা কলকাতার সুকান্ত সেতুর পাশে যাদবপুরের বাসিন্দা। উৎপল এখনো হয়তো কলকাতা টেলিফোনে কাজ করে (রাণিকুঠি আপিসে)। ও ""সহজমা""কে বিয়ে করে সম্বন্ধ করে। ওনার নামটি ভুলে গেছি। ৫ নং রুটে গড়িয়ার দিকে যে সিনেমা হলটি আছে "প" দিয়ে নাম, তার কাছে ওনার বাবার বাড়ি। খুব ভালো গলা, রীতিমতো ক্লাসিকাল শেখা গলা। হঠাৎ কোনো এক বইমেলায়, সম্ভবত: ২০০১ বা ২০০২এর, দেখি ওরা গান গাইছে উৎপল-ফকির সহজমা নামে।
    দ্বিতীয় বার ছাড়া পাবার পর (১৯৭৭) আবার গেলাম। মাঝে ১৯৭৬এ যেতে পারিনি - সরকারী অতিথিশালায় কাল কাটাচ্ছিলাম বলে। তখন খুব চোখে লাগলো তফাৎটা। বাউল-গায়কের সংখ্যা বেড়ে গেছে খুব। এদের অনেকেরই গান বসে শোনার যোগ্য নয়। যাদের গলা ভালো, তাদেরও গানে প্রাণ নাই। কারনটা সহজ, ওরা গানগুলো বিশ্বাসের জায়গা থেকে গান না - তাই। এটা যে কোন গানের বা সেই অর্থে শিল্প কর্মের ক্ষেত্রেই সত্যি।
    খারাপ লাগার সেই শুরু। তারপরেও অভ্যাসের টানে গেছি ১৯৮০ অবধি। ঐ শেষ। আর যাওয়ার তাগিদ বোধ করিনি।
  • Guruchandali | 123.*.*.* | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০৯:৫৬464853
  • প্রকাশিত হল এই সোমবারের বুলবুলভাজা।

    দেবকী বসুর 'কবি', ১৯৪৯ - একটি অটেকনিকাল পাঠ (ষষ্ঠ কিস্তি) - ত্রিদিব সেনগুপ্ত
    উত্তরবঙ্গ - ১২ - শমীক মুখোপাধ্যায়
  • Guruchandali | 122.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০০:০২464854
  • প্রকাশিত হল আরও একটি বুলবুলভাজা -

    বাঙালী ও বাংলাভাষার ভোটবর্মী আত্মীয়তা সন্ধানে : সুশান্ত কর
  • kallol | 115.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০৭:০১464856
  • সুশান্তবাবুকে দুহাত তুলে।
    আমার বাংলাদেশী বন্ধুদের কাছে ওখানকার সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীদের নিয়ে (বিশেষ করে চাকমাদের নিয়ে) বহু অত্যাচার অবিচারের কথা শুনেছি। অসমেও ভাষা নিয়ে একই গল্প।
    এরকম একটা জরুরী বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরার জন্য আবারও সুশান্তবাবু ও গুচর সম্পাদকদের দুহাত তুলে।
    সুশান্তবাবু আরও বিস্তারিত লিখুন।
    চাইলে আমার গুয়াহাটি ও ঢাকার বন্ধুদের সাথে আলাপ করিয়ে দেবার কথা দিলাম।
  • kallol | 115.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০৭:১৪464857
  • শুধু একটা কথা।
    এটা নেহাৎই আমার ধারনা। এর সমর্থনে কোন ভাষাতাঙ্কিÄক যুক্তি দিতে পারবো না।
    সংষ্কৃত বাংলা ভাষার জননী, নাকি সংষ্কৃতের জননী ভারতীয় উপমহাদেশের নানান অঞ্চলের ভাষা? তামিল, মালায়লী থেকে শুরু করে মারাঠী, গুজরাতি, বাংলা, মৈথিলী, ভোজপুরী, সব ভাষাতেই নানান ""সংষ্কৃত"" শব্দের ব্যবহার। আমার বারবার মনে হয় - সংষ্কৃত তো আর্যদের মুখের ভাষাও নয়। আর্যরা ভারতে আসার পর দেবভাষা নাম দিয়ে একটি ভাষা তৈরী করে, ভারতীয় উপমহাদেশের নানান ভাষা থেকে নিয়ে তার সংষ্কার করে - তাই সংষ্কৃত। পরে হয়তো লেনদেনটা উল্টোখাতেও বয়েছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক ভাষাগুলোর ব্যকারণ তৈরী করতে সংষ্কৃত ব্যাকরণকে মডেল করে।
    এ বিষয়ে সুশান্তবাবুর মত জানতে আগ্রহী।
  • kallol | 115.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০৭:১৭464858
  • ও হ্যাঁ। সংষ্কৃততে আর্যদের মুখের ভাষাও বহুল পরিমানে স্বাভাবিকভাবেই আছে।
  • Guruchandali | 59.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০৯:১১464859
  • প্রকাশিত হল আরো একটি লেখা-
    অপার বাংলা: আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে ?
  • tatin | 59.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০৯:১৩464860
  • সংস্কৃত নির্মাণের আগেই আর্যদের মুখের (লেখার) ভাষায় দ্রাবিড় এমন কী কোল-ভীলদের মুখের শব্দ ঢুকে যায়। বেদ-এ অস্ট্রিক মূলযুক্ত কিছু শব্দ আছে।
  • tatin | 59.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০৯:১৬464861
  • সুশান্তবাবু বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরির কথা লিখেছেন- চর্যাপদের ভাষার সংগে আজকের দিনে সবচেয়ে বেশি মিল পাওয়া যায় যে ভাষার সেটা বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি-ই
  • kallol | 220.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৩:১৬464862
  • ইয়ে মানে, আর্যরা লিখিত ভাষা গড়ে তোলার মতো সভ্য ছিলো না। সেটা অনেকদিন পর্যন্ত। মানে আমার যা বিদ্যে-বুদ্ধির দৌড়, তাতে মনে হয় গুপ্ত যুগের আগে পর্যন্ত ঐ জনগোষ্ঠীটির লিখিত ভাষা ছিলো না। গুপ্ত যুগেই রামায়ণ, মহাভারত, বেদ, উপনিষদ ""লেখা"" হয়।
    অন্যদিকে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাগার্য লোকজন কেউ কেউ লিখতে জানতো (মহেঞ্জোদরো-হরপ্পা লিপি স্মর্তব্য)।
  • kallol | 220.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৩:২৪464863
  • বেদের নির্মান বোধহয় অনেকটা সময় জুড়ে। প্রায় হাজার দুয়েক বছর ধরে। শেষকালে কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন নামে এক ঋষি বেদ নামে প্রচলিত হাজার হাজার শ্লোকগুলি থেকে ঝাড়াই বাছাই করে তাকে বিষয় অনুযায়ী ভাগ করে চারটে বেদে নিয়ে আসেন ও বেদব্যাস নামে খ্যাত হন। তাই বেদে নানান ভারতীয় ভাষার শব্দও ঢুকে গেছে। এটা সংষ্কৃত জন্মানোর আগেই হয়েছে।
  • dd | 124.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৪:১৪464864
  • হ্যাঁ, এটা একটা বিরাট রিডল।

    যারা লিখতে জানতো না তারা অমন লক্ষ শ্লোকের রচনা এতো বছর ধরে শুধু স্মৃতি নির্ভর করে যত্ন করে রেখে দিলেন,এটা খুব বিশ্বাসযোগ্য নয়।

    আর,এ ও সবাই জানেন যে বেদ লেখা হয়েছে প্রায় এক দেড় হাজার বছর ধরে, কিন্তু ঘুড়ে ঘুড়ে একই গল্প নানান ঋষি (সরস্বতী,অশ্বিনিকুমার বা ইন্দ্র নমুচি বা সেই রাজার কূপে পরে যাওয়া) এতো বছর ধরে লিখলেন ? গল্পোকথার এতো অভাব ছিলো?

    সব মিলিয়ে কঠিন চিন্তার বিষয়।
  • kallol | 220.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৫:৩০464865
  • আজ পর্যন্ত আর্য লিপি বলে কিছু তো পাওয়া যায় নি। বেদ ও অন্যান্য মহাকাব্য, পুরাণ সবই তো শ্রুতিতে ছিলো। মনে রাখতে পারাও একটা মানবিক গুণ, যা চর্চা করলে বাড়ে ও নানান পদ্ধতি বের হয়। আমি তো ৩০-৩২ বছর আগে গ্রামে দেখেছি লক্ষী পাঁচালী, মনসা পাঁচালী, ভাদুর পাঁচালী লেখা-পড়া না জানা মেয়েরা দিব্য গড়গড় করে বলে যায়। গল্পের পর গল্প পাঁচালীর পর পাঁচালী ঠাকুমা-দিদিমা-মায়ের কাছে শুনে মেয়েকে, নাতনীকে শিখিয়ে যায়। বোধহয় বেদ গান হিসাবে গাওয়া হতো তাই মনে রাখতেও সুবিধা হতো। আর এমন নয় যে দুনিয়ার সব আর্যই বেদ মুখস্থ করতো। একটা ধরনের লোকের কাজই ছিলো বেদ মুখস্থ করা, তারা সেই কাজই করতো।
    এখানে (দক্ষিণ ভারতে) তো দেখি ব্রাহ্মণ বাড়িতে পূজোআচ্চা নিজেরাই করে। আমি প্রতি বছর একজন সহকর্মীর বাড়ির রামের বিয়েতে যাই। পন্ডিচেরীর কাছে, ভেল্লুপুরম জেলার তিরপানিচ্চুর গ্রামে। ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল হয়। সেখানে তো দেখি, সাক্ষর নিরক্ষর নির্বিশেষে সারাদিন ধরে মন্ত্র উচ্চারণ করে পূজো, যজ্ঞ হয় তিনদিন ধরে। কাউকে আমি বই থেকে কিছু পড়তে দেখিনি। আর হ্যাঁ, ৭ থেকে ৮৭ সবাই এটা করে। তাদের অনেকেই চেন্নাই বা ব্যাঙ্গালোরবাসী, ব্যবসায়ী, চাকুরে, ছাত্র, অবসর নেওয়া মানুষ। অর্থাৎ সারাদিন অখন্ড অবসরে থাকে না। এবং উল্লেখযোগ্য, এরা প্রত্যেকেই পুরুষ। আর অপ্রাসঙ্গীক হলেও, সকলেই পেট ভরে খেয়ে পূজো করে। উপোষ করে না।
  • kallol | 220.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৫:৪০464867
  • ও হ্যাঁ, বলতে ভুলে গেছি। এরা প্রত্যেকেই (বাংলা ও দক্ষিণ ভারতে - একটা নির্দিষ্ট গতিতে এই মন্ত্র/পাঁচালী বলে। আমি দুজায়গাতেই ঐ গতির চেয়ে ধীরে বলাতে চেয়েছি (প্রথম শুরু অবশ্যই বাংলায় - ঠিকমত গল্পটা শুনতে চেয়েছি পাঁচালী ফর্মেই, কারন অত দ্রুত আঞ্চলিক উচ্চারণে আমি অভ্যস্থ ছিলাম না), তাতে সকলেরই অসুবিধা হয়। পরে এখানে শুধু ঐ ব্যাপারটা পরীক্ষা করে দেখার জন্য ধীরে বলতে বলে দেখেছিলাম। একই ফল। ঠেকে যায়। অথচ ঐ গতিতে বললে গড় গড় করে বলে যায়।
  • Blank | 170.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৫:৫১464869
  • সুশান্ত বাবুর লেখাটা ভালো লাগলো। অনেক দিন পরে ভালো বুবুভা পড়লাম
  • Blank | 170.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৫:৫১464868
  • আবেস্তা র লিখিত রুপ পাওয়া গেছে ৫৫০ BC মতন সময়ে। সেটা এমনকি মৌর্য যুগেরও আগে। সেক্ষেত্রে মনে হয় আর্য দের লিপির লিখিত রুপ ছিল অনেক আগে থেকে।
  • kallol | 220.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৬:৪৯464870
  • ৫৫০ বিসির আবেস্তার লিখিত রূপ নষ্ট হয়ে যায় আলেকজেন্ডারের তান্ডবে। কিন্তু সেটা তর্ক সাপেক্ষ। কারন এই লিখিত রূপের কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।
    তবু যদি ধরেও নি যে ইরানে একটা লিখিত ভাষা ছিলো, ভারতে এরকম কোন প্রমাণ আজ অবধি পাওয়া যায় নি।
    প্রথম শিলালিপি (আর্য পরবর্তী) অশোকের ২৫০(বিসি)। মেগাস্থিনিস বলছেন ভারতে (ওনার দেখা ভারতে) কোনো লিপি নাই (৩০০ বিসি)।
  • Blank | 170.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৮:৫২464871
  • কল্লোল দা,

    এই বইটা দেখো,

    http://openlibrary.org/books/OL14032405M/On_the_origin_of_the_Indian_Brahma_alphabet.

    Georg Buhler এর দাবী ছিল যে ইন্ডিক স্ক্রিপ্টের ওরিজিন ৮০০ bc। সেই দাবী অনেকে না মানলেও মোটামুটি প্রি-মৌর্য পিরিয়ডে ইন্ডিক স্ক্রিপ্টের বিকাশ এটা অনেকেই বিশ্বাস করেন।

    আর আবেস্তার কথা এই কারনে তুললাম যে, আবেস্তার লেখকের জ্ঞাতি ভাইরা যদি বেদ বানিয়ে থাকেন তো লিখতেও কেন পারবেন না তাদের মতন।
  • dukhe | 117.*.*.* | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ২১:৩৪464872
  • আহা - শমীকের উত্তরবঙ্গ সবার হস্টেল জীবনের কথাই বলে যাচ্ছে। আমাদেরও কফি হৌসের একখান ভার্সন ছিল -
    ক্যালকুলাসের সেই গাড্ডাটা আজ আর নেই / কোথায় হারিয়ে গেল গাউস অ্যাবেলগুলো সেই ইত্যাদি। হয়তো সব কলেজেই থাকে। কে জানে।
  • Nina | 64.*.*.* | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০৩:৩৫464873
  • শমীকের উত্তরবঙ্গটা জমাটি ----দারুণ সব নামগুলো! ইস! কেন যে হস্টেলে থেকে পড়িনি, ধ্যুস!
    একটা কিস্তি হুস করে শেষ হয়ে যায় আর আবার গালে হাত দিয়ে বসে থাক:-((
    আবার কিছু ছবি দেবেনা শমীক? বঙ্কু, হারাণ কাকু-কাকু-কে কে :-))
  • siki | 123.*.*.* | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ০৯:৪৯464874
  • দেখি। বাড়ি গিয়ে ছবি তুলে দেব।
  • Sushanta | 117.*.*.* | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৮:০৫464875
  • বাহ! আমার লেখা সবার ভালো লেগেছে দেখে ভালৈ লাগছে! এতো আলোচনা হয়ে গেছে, অথচ আমার দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়াতে বেশ লজ্জাই হচ্ছে। গুরুচণ্ডালীকে ধন্যবাদ এই লেখাটা প্রকাশ করবার জন্যে। আমি আসলে গুরুচণ্ডালীর সাইটের ধাঁধা ভাঙতে বেশ বেগ পাই। সম্পাদক আমাকে লিঙ্ক পাঠাবার পরেও এই মন্তব্যগুলো খূঁজে পেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
    আমি একে একে চেষ্টা করছি, আমার মত গুলো জানাতে। সংস্কৃতের সঙ্গে আমাদের আধুনিক ভারতীয় ভাষাগুলোর সম্পর্ক ততটাই যতটা আবেস্তার কিম্বা ইলিয়াদের ভাষার সঙ্গে। অর্থাৎ কেউ কারো জননী কন্যে টন্যে নয়। আমাদের ভাষার চার পাঁচ পুরুষ ( এক এক পুরুষ প্রায় ছশ বছর) আগেকার আমাদের পুর্বপুরুষদের তুতো ভাই সংস্কৃত। হ্যাঁ, তাতে তখনই প্রচুর অনার্য শব্দ ঢুকেছে।
    বেদ দীর্ঘদিন ধরে শ্রুতিতে ধরে রাখাতে আমি কোনো অসুবিধে দেখি না। আমাদের লৌকিক পরম্পরাগুলো এভাবেই আছে। কিন্তু, এর নিশ্চয়তা কে দেবে যে যেগুলো শ্রুতিতে ছিল সেগুলৈ বেদব্যাসেরা ( তারা তো এক নন, অনেক) সংকলিত করেছিলেন? কিন্তু এই সংকলন বোধহয় গুপ্ত নয়, মৌর্য যুগের আগেই হয়ে গেছে। অন্তত পানিনির আগেতো হয়েই গেছে। গুপ্ত যুগে গীতা এসে গেছে। গীতা কিন্তু বেদান্ত সাহিত্যের অনেক পরের ব্যাপার, যদিও সেটিও চলে বেদব্যাসের নামে।
    আরেক বন্ধু বলেছেন চর্যার ভাষার সঙ্গে বিষ্ণপ্রিয়াদের ভাষার সংযোগ খুব বেশি। ওমা! ওরক বলবেন না, বাঙালি ভাষা তাত্বিকেরা খুব রেগে যাবে। আমি এক মজার 'আর্টিক্যাল' পড়েছিলাম, তাতে এক ভদ্রলোক রাজবংশীদের নিয়ে খুব ব্যঙ্গ করছিলেন তারা চর্যাপদের মূল দাবীদার দাবী করাতে। আবার ঐ ভদ্রলোক কিছুতেই মানবেন না, যে রাজবংশীরা কিছুতেই বাঙালি নন। বুঝুন ঠেলা, বাঙালিও হতে হবে, আবার চর্যাপদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও দাবি করা যাবে না!!! একেই বলে উগ্রজাতীয়াবাদ! যাই হোক, এমন দাবী সবাই করে থাকে,চর্যার ভাষার সঙ্গে তাদের ভাষার যোগ ঘনিষ্ঠ। আমাদের বরাকের এক ভদ্রলোক ঢাউস বই লেখে দাবী করেছেন চর্যার ভাষার সঙ্গে কাছাড়ের বাংলার যোগই ঘনিষ্ঠ। আসলে আমার মনে হয় সব্বাই মায়ের আপন হতে চায় আর কি। ভাই চর্যা জননীর এই পূর্ব ভারতে অনেক সন্তান রয়েছে। মণিপুর থেকে বিহার অব্দি। পানিতোলা ( তিনসুকিয়ার কাছের শহর) থেকে পুরি অব্দি। তবে বিষ্ণুপ্রিয়া ভাষাতে চর্যা নিয়ে কোনো কাজ হয়েছে কিনা জানি না। হলে যে হবে ভালো কথা।
    আমি আপাতত, সিলেটি উপভাষা, ভোট বর্মী ভাষা পরিবার এবং অসমিয়া ভাষা নিয়ে গভীর অধ্যয়নে মেতেছি। আপনাদের সাহায্য পেলে ভালো লাগবে। সব্বাইকে আবাররো ধন্যবাদ
  • dd | 124.*.*.* | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ১৩:৫৬464876
  • সুশান্ত বাবু

    বুঝলেন। আপনার লেখা পড়ে আমি ও আরো বেশ কয়েকজন খুব, যাকে বলে, ইন্টেরেস্টেড টু টক মোর।

    আপনি মোটামুটি নিয়মিত এসে লিখতে টিখতে পারবেন? তাহলে একটা টই খুলতাম। সেখানে এই টপিকটা নিয়ে একটু আড্ডা মারা যেতো ? জানাবেন।

    আর এই গুরুচন্ডালীর গোলোকধাঁধার কথা আমি জানি। কয়েকজন বন্ধুকে জানিয়েছিলাম একবার ঘুড়ে যেতে, তারা এই ধাঁধার মধ্যে পরে বিরক্ত হয়ে আর আসে নি।
  • rupankar sarkar | 180.*.*.* | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ২২:৩০464878
  • শমীকের উত্তরবঙ্গ : ভয় হচ্ছে এ লেখা বোধহয় কোনওদিন শেষ হবেনা - আহা তাই যেন হয়।
    মান্না দে-র গানের নকল তবে আম্মো করি !
    = হৃদয়ের গান শিখে তো গায় গো সবাই, কজন আর তোমার মতন গাইতে পারে--
    (নকল) = দুপাতা পড়ে সবাই কলম চালায়, কজন আর তোমার মতন লিখতে পারে--
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন