

আমরা সবাই – মানে ছ’জনই - তো পরীক্ষা আর রেজাল্টের মাঝখানে ঝুলে আছি। আমাদেরই এক জন যে আরও একটা ব্যাপারে দিল্লি আর কলকাতার মাঝে ঝুলে আছে তা আর কে জানত। আর সেই ঝুলে থাকা মানে টেনিদার ভাষায় ‘পুঁদিচ্চেরি’ – মানে ব্যাপার অত্যন্ত সাংঘাতিক। অফিসের একজন বলেই ফেললেন যে এটা একেবারেই ‘অবিশ্বাস্য’। একেবারে জীবন আর মৃত্যুর ব্যাপার, ‘লাভ’ আর লোকসানের ব্যাপার। ... ...

দেবরূপ দিল্লিতে। কৃষক আন্দোলন ও কোভিডকালে। ... ...

...অভাবকে যারা বড়ো করে দেখে, তারা কোনদিন বড়ো হতে পারে না। ... ...


দেবরূপ এখন দিল্লিতে। সুনন্দিতার বাড়িতে পিজি। চলছে কৃষক আন্দোলন। আমেলিয়া আর নিকি। দুই ভিন্ন বয়সী অসুস্থ নারী। কো মর্বিডিটি, দেবরূপ আর মেহতা হাউস। ... ...

‘’আপকা পেমেন্ট হো গয়া স্যার,’’ কাউন্টারের ভদ্রলোক জানালেন। মানে ? কে করল আমাদের পেমেন্ট ? ভদ্রলোক যাঁকে আঙুল তুলে দেখালেন, তাঁকে আমরা অনেকক্ষণ আগেই দেখেছি বসে আছেন একটা সোফায়। উনিই হলেন অমুক বাবু। আমরা অবাক হয়ে এগিয়ে গেলাম ওনার দিকে, উনি উঠে দাঁড়ালেন। একটু হাসাহাসি হল এই নিয়ে যে প্রায় পাশাপাশি আধ ঘণ্টা থেকেও আমরা কেউ কাউকে চিনতে পারিনি। পারার অবশ্য কথাও নয়, আমরা একে অন্যকে কোনও দিন দেখিনি। ... ...

করোনাকালীন প্রথম ও দ্বিতীয়পর্বের পরে নিউনর্মাল করোনাকালীন। দশম পর্ব থেকে ব্লগে থাকছে মালবিকা, সুনন্দিতার গল্প। অদিতির মৃত্যুর পরে দেবরূপ। অনিল থমাস। আছেন আমেলিয়া আর নিকি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ও কৃষক আন্দোলন। ... ...

(আমার এ রচনা বিভিন্ন সিঁড়ি নিয়েই। হঠাৎ করেই একদিন অন্যমনায় ছিলাম। সে সময়ে মাথার মধ্যে ছোটবেলার আমাদের বাড়ির এক প্রাচীন আমলের সিঁড়ির নানান ঘটনা ভেসে উঠল অতর্কিতেই। ভাবলাম লিখেই ফেলি। এই নিয়ে গুগুল মামার শরণাপন্ন হতেই দেখলাম - ওরে বাবা, এই সিঁড়ি নিয়েই হয়তো একটা বিরাট রচনা নামিয়ে ফেলা যায়। সারা বিশ্বের নানান সিঁড়ি, সেগুলোর ইতিহাস, সবচেয়ে বড় কথা সেই আদিম যুগ থেকে কতই না পরিবর্তন হয়ে আজকের গতিমান লিফট থেকে এস্ক্যালেটর। আমারই চোখে দেখা কত কিছুই। স্মৃতির মননে ছোট বেলা থেকে কলেজ জীবন পেরিয়ে চাকরি জীবন। সব কিছুর সাথেই জড়িয়ে আছে এই সিঁড়ি।) ... ...



কখনো কখনো মাতৃত্বের শিক্ষা নিতে হয় জননীকেও... ... ...


আমার বা তথার বাড়ি ফেরার উপায় নেই, তবু মন পুলকিত, অকারণেই। কাশ ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ দুর্গা পুজো। শিউলি ফুল আশেপাশে কোথাও নেই, তবু যেন কোত্থেকে তার গন্ধ ভেসে আসে। হলই বা কাঠখোট্টা মহানগর দিল্লি, তবু মনের মধ্যে বাংলার কোনও এক চন্ডীতলায় সনৎ সিংহের গানের মত গুড়গুড় করে ঢাকের বাদ্দি বেজে ওঠে - জা গি না, তাক তা ধিনা তাক তা ধিনা, তাক কুড় কুড়, কুড়ুর কুড়ুর তাক… ... ...



আপনার চোখের সামনে কেউ যদি বোতলের ঢাকনা খোলার মতো মুণ্ডুটা খুলে ফেলে...? ... ...

(আমার এ রচনা বিভিন্ন সিঁড়ি নিয়েই। হঠাৎ করেই একদিন অন্যমনায় ছিলাম। সে সময়ে মাথার মধ্যে ছোটবেলার আমাদের বাড়ির এক প্রাচীন আমলের সিঁড়ির নানান ঘটনা ভেসে উঠল অতর্কিতেই। ভাবলাম লিখেই ফেলি। এই নিয়ে গুগুল মামার শরণাপন্ন হতেই দেখলাম - ওরে বাবা, এই সিঁড়ি নিয়েই হয়তো একটা বিরাট রচনা নামিয়ে ফেলা যায়। সারা বিশ্বের নানান সিঁড়ি, সেগুলোর ইতিহাস, সবচেয়ে বড় কথা সেই আদিম যুগ থেকে কতই না পরিবর্তন হয়ে আজকের গতিমান লিফট থেকে এস্ক্যালেটর। আমারই চোখে দেখা কত কিছুই। স্মৃতির মননে ছোট বেলা থেকে কলেজ জীবন পেরিয়ে চাকরি জীবন। সব কিছুর সাথেই জড়িয়ে আছে এই সিঁড়ি।) ... ...


শীতলপাটির মতোই গৃহকোণে সংসারও বুঝি পাততে হয়.. ... ...